× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
Bunch admission test of 22 universities will be held in 19 centers
hear-news
player
print-icon

১৯ কেন্দ্রে হবে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

১৯-কেন্দ্রে-হবে-২২-বিশ্ববিদ্যালয়ের-গুচ্ছ-ভর্তি-পরীক্ষা
ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘এবারের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ১৯টি কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীরা যেকোনো একটি কেন্দ্র নির্বাচন করতে পারবেন এবং এই কেন্দ্রেই পরীক্ষা দিতে পারবেন। যদি কোনো কেন্দ্রে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত শিক্ষার্থী হয়, তাহলে ওই কেন্দ্রের আশপাশের স্কুল-কলেজে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা ১৯টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীরা আবেদনে যেকোনো একটি কেন্দ্র নির্বাচন কর‍তে পারবেন এবং ওই কেন্দ্রের অধীনেই পরীক্ষা নেয়া হবে।

সোমবার সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সদস্য-সচিব ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

ওহিদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এবারের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ১৯টি কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীরা যেকোনো একটি কেন্দ্র নির্বাচন করতে পারবেন এবং এই কেন্দ্রেই পরীক্ষা দিতে পারবেন। যদি কোনো কেন্দ্রে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত শিক্ষার্থী হয়, তাহলে ওই কেন্দ্রের আশপাশের স্কুল-কলেজে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

গুচ্ছ পরীক্ষার কেন্দ্রগুলো হলো

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ; বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়; হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর; ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

এ ছাড়া যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ; খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়; মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, টাঙ্গাইল; নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ; রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট; বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।

এবার শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোণাসহ নতুন দুটি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্র পড়েনি। গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন্দ্র করার জন্য সবাইকে আলাদা আলাদা চিঠি দেয়া হলেও এই তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় সাড়া দেয়নি বলে জিএসটির একাধিক সূত্রে জানা যায়।

কেন্দ্র নির্ধারণের বিষয়ে ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. ড. ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে জানান, ‘গতবার পরীক্ষার্থী সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয়া হলেও এবার আবেদনের যোগ্যতা থাকলেই পরীক্ষা দেয়া যাবে। এ ছাড়া ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা একটি কেন্দ্র সিলেক্ট করবে এবং সেখানেই পরীক্ষা দিতে পারবে। আমরা এবার চেষ্টা করব একসঙ্গে ভর্তি কার্যক্রম চালাতে, যাতে ক্লাস শুরু করতে বিলম্ব না হয়। তাহলে ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষার্থীদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।’

অনলাইনে গত ১৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে আবেদন, চলবে ২৫ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

এবার ৩০ জুলাই বিজ্ঞান বিভাগ, ১৩ আগস্ট মানবিক বিভাগ এবং ২০ আগস্ট বাণিজ্য বিভাগের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষার ফি এবার ধরা হয়েছে ১৫০০ টাকা।

শিক্ষার্থীরা তাদের পঠিত বিভাগে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে এবারও যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো বিভাগ এ বিষয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।

ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে (www.gstadmission.ac.bd) পাওয়া যাবে। এ ছাড়া কারিগরি সমস্যার ক্ষেত্রে ই-মেইলের ([email protected]) মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছভর্তি: জবির মেডিক্যাল সেন্টারে পরীক্ষা দিলেন তিন শিক্ষার্থী
গুচ্ছভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত জবি
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: শাবি ও খুলনায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী
গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৭ অক্টোবর
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক ফল রোববার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Start downloading bunch admission test tickets

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু শুরু হয়েছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড
‘গত শিক্ষাবর্ষের চেয়ে এই শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী বেশি আবেদন করেছে। আমরা আবেদনের সময় দিয়েছিলাম মাত্র ১০ দিন। আবেদনকারী ভর্তিচ্ছুরা ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।’

গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করা শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে আইডি নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

৭ জুলাই দুপুর ১২ টা থেকে ১২ জুলাই রাত ১১:৫৯ মিনিটের মধ্যে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে। পরবর্তীতে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সময় বাড়ানোর আর সুযোগ থাকবে না। তবে ১৫ জুলাই দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রয়োজনে পরীক্ষার্থীর ছবি ও প্রশ্নের ভার্সন পরিবর্তন করা যাবে। পরীক্ষার কেন্দ্র, কক্ষ নং, ভবন ও সেন্টারের নাম পরবর্তীতে এসএমএস-এর মাধ্যমে জানানো হবে এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

গুচ্ছভুক্ত টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ আজম নিউজবাংলাকে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নাছিম আখতার বলেন, ‘গত শিক্ষাবর্ষের চেয়ে এই শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী বেশি আবেদন করেছে। আমরা আবেদনের সময় দিয়েছিলাম মাত্র ১০ দিন। আবেদনকারী ভর্তিচ্ছুরা ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।’

অধ্যাপক ড. মো. শাহ আজম বলেন, ‘নির্ধারিত নিয়মে ১২ জুলাই পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে যেয়ে তাদের কোন তথ্য ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ পাবে, কেউ চাইলে ছবিও পরিবর্তন করতে পারবে এতে তাদের অতিরিক্ত কোন ফি দিতে হবে না।’

বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রবেশপত্র ডাউনলোড কিংবা ভর্তি পরীক্ষার সময়সীমা বাড়ানো হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে গুচ্ছ ভর্তি কমিটির মিটিংয়ে কোন আলোচনা হয়নি। এখন বন্যা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে তবে যদি পরিস্থিতি খুব খারাপ অবস্থা হয় রাষ্ট্রীয়ভাবে যদি কোন নির্দেশনা আসে তখন সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে ১৫ জুন থেকে শুরু হওয়া গুচ্ছ ভর্তির আবেদন শেষ হয় ২৫ জুন।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ২২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ জুলাই থেকে শুরু হওয়ার কথা। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা ৩০ জুলাই, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ১৩ আগস্ট এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ এই তিনটি ইউনিটে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৫২৪ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে। এই ইউনিটে এক লাখ ৬১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন করেছেন।

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে আবেদন পড়েছে সবচেয়ে কম। এই ইউনিটে আবেদন করেছে ৪২ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী। আর মানবিকের জন্য নির্ধারিত ‘খ’ ইউনিটে আবেদন করেছেন ৯০ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহবায়ক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালেয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পেছানো নিয়ে এখনো কোনো চিন্তা ভাবনা করা হয়নি। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়; ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়; খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর; বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়; রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়; শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়; শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়াও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

কেন্দ্রেভেদে আবেদন

গুচ্ছভুক্ত ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মূল কেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করবে। এই কেন্দ্রের আশপাশে উপকেন্দ্র হবে।
পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা মিলে এক লাখ ৪ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছু। এর মধ্যে শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিভাগেই ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।

ভর্তিচ্ছুদের কেন্দ্র নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে আবেদন করেছে ২৪ হাজারের বেশি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছে ৭ হাজার ৩০০ এর কিছু বেশি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পড়েছে ৪ হাজার।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পড়েছে তিন হাজার ৭০০, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ হাজার, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ হাজার ৮০০, কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩ হাজার ৪০০, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৮০০, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ হাজার ৮০০, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৯০০, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৩০০,নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৭০০, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ হাজার ৪০০, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ৩০০, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ হাজার ৮০০, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ হাজার ৪০০, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৬০০ এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৫০০ এর কিছু বেশি ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছে।

মন্তব্য

শিক্ষা
If the MPO is dropped the appeal will be filed by July 21

এমপিওভুক্তি থেকে বাদ পড়লে আপিল ২১ জুলাইয়ের মধ্যে

এমপিওভুক্তি থেকে বাদ পড়লে আপিল ২১ জুলাইয়ের মধ্যে ফাইল ছবি।
প্রায় তিন বছর পর বুধবার এমপিওভুক্ত হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় রয়েছে ২ হাজার ৫১টি। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় আছে ৬৬৫টি।

এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত না হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল করতে পারবে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ অথবা কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ) বরাবর আবেদন করতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুটি বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব সোনা মনি চাকমার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৬ জুলাই যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনি, সে সকল প্রতিষ্ঠান আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর আপিল আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের স্ক্যানড কপি [email protected] ই-মেইলে এবং মূল কপি, ডাক বিভাগের মাধ্যমে উপসচিব, বেসরকারি মাধ্যমিক-৩, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কক্ষ নং-১৮১০, ভবন নং-০৬ বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা-১০০০ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

অন্যদিকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাজ্জাদ হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়নি এমন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যৌথ স্বাক্ষরে যোগ্যতার স্বপক্ষে প্রমাণক ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রসহ আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগে ই-মেইলে ([email protected]) ও ডাক বিভাগের মাধ্যমে উপসচিব, এমপিও, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, কক্ষ নং-১৬১৯, ভবন নং-৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা-১০০০ বরাবর আবেদন করতে হবে।

প্রায় তিন বছর পর বুধবার এমপিওভুক্ত হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় রয়েছে ২ হাজার ৫১টি। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় আছে ৬৬৫টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬৬টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ১২২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩৬টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০৯টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও ১৮টি ডিগ্রি কলেজ রয়েছে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এসএসসি ভোকেশনাল অথবা দাখিল ভোকেশনাল ৯৭টি, এসএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি ২০০টি, ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার দুটি, দাখিল মাদ্রাসা ২৬৪টি, আলিম মাদ্রাসা ৮৫টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৬টি ও কামিল মাদ্রাসা ১১টি।

সবশেষ ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। এর আগে ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়।

মন্তব্য

শিক্ষা
Teacher assault in Narail Students scholarship canceled

অধ্যক্ষকে জুতার মালা পরানো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, শিক্ষককে শোকজ

অধ্যক্ষকে জুতার মালা পরানো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, শিক্ষককে শোকজ নড়াইলে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ফাইল ছবি
অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় খুলনা বিএল কলেজের মো. রহমাতুল্লাহর ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে। তিনি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। ওই ঘটনার সময় নেতিবাচক ভূমিকা রাখায় মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

নড়াইলে পুলিশের সামনে মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরানো ও সহিংসতার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয়া হয়েছে।

বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৯তম সিন্ডিকেট সভায় এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (জনসংযোগ দপ্তর) মো. আতাউর রহমান বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান।

সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অধ্যক্ষ লাঞ্ছনার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় খুলনা সরকারি ব্রজলাল (বিএল) কলেজের মো. রহমাতুল্লাহর ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে। তিনি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

অধ্যক্ষকে লাঞ্ছনার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত রহমাতুল্লাহকে গত ২৯ জুন গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত সোমবার তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার রিমান্ড শেষ হয় বুধবার।

ঘটনার সময় কালো জামা পরা ওই শিক্ষার্থীকে শিক্ষকের গলায় জুতার মালা পরাতে দেখা যায়।

ওই ঘটনার সময় নেতিবাচক ভূমিকা রাখায় মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ নেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, সে মর্মে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

ওই ঘটনায় নির্লিপ্ততার কারণে কলেজ গভর্নিং বডিকে শোকজ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের শোকজের উত্তর দিতে বলা হয়েছে।

মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় গত ২৮ জুন তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। সিন্ডিকেট সভায় ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

প্রতিবেদনের ওপর বিস্তর আলোচনা শেষে উল্লিখিত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় সিন্ডিকেট।

তদন্ত কমিটির প্রধান ছিলেন খুলনা বিএল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শরীফ আতিকুজ্জামান। কমিটির সদস্য ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দপ্তরের পরিচালক এ এস এম রফিকুল আকবর। কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন খুলনা আঞ্চলিক কেন্দ্রের পরিচালক আ স ম আবদুল হক।

প্রেক্ষাপট

ফেসবুকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মার সমর্থনে কলেজের এক হিন্দু শিক্ষার্থীর পোস্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুন দিনভর নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, সহিংসতা চলে। গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয় ওই শিক্ষার্থীর পক্ষ নিয়েছেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস।

এরপর পুলিশ পাহারায় বিকেল ৪টার দিকে স্বপন কুমার বিশ্বাসকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে দাঁড় করিয়ে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেয় একদল ব্যক্তি। শিক্ষক স্বপন কুমার হাত উঁচিয়ে ক্ষমা চাইতে থাকেন। পরে তাকে তুলে নেয়া হয় পুলিশের গাড়িতে।

মোবাইল ফোনে ধারণ করা এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ।

আরও পড়ুন: শিক্ষককে জুতার মালা: ঘুম ভাঙল প্রশাসনের, হারাচ্ছেন না পদ

কী বেরিয়ে এসেছে নিউজবাংলার অনুসন্ধানে

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে হেনস্তার পেছনে কলেজে অভ্যন্তরীণ বিরোধের বিষয়গুলোও অনুসন্ধান করছে এই তদন্ত কমিটি। কমিটির সদস্য নড়াইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই দিনের ঘটনার সঙ্গে শিক্ষকদের কেউ জড়িত কি না আমরা খোঁজার চেষ্টা করছি। ঘটনার ধারাবাহিকতায় বিষয়টি আমাদের এ রকম মনে হচ্ছে।

‘এত শিক্ষক থাকতে যখন ঘটনাটি অল্পের মধ্যে ছিল, তখন বিষয়টি সবাই মিলে চেষ্টা করলে সমাধান করা যেত। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ বিষয়টি জটিল করার দিকে নিয়ে এটা করেছি কি না, সে বিষয়টি আমাদের অনুসন্ধানের মধ্যে আছে। আমি বিষয়টি এখনও পরিষ্কার হতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘তদন্তে এমন কিছু এখনও প্রমাণ করতে পারিনি। তবে যারা আমাদের সাক্ষাৎ দিয়েছেন, তারা বলছেন অভ্যন্তরীণ কোনো ঝামেলা থাকতে পারে।’

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘কলেজে বেশ কয়েক বছর ধরে অধ্যক্ষের পদ ফাঁকা আছে। স্বপন কুমারের আগে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন আক্তার হোসেন টিংকু নামের আরেক শিক্ষক। পরে তাকে সরিয়ে স্বপন কুমার বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

‘আমরা শুনেছি, এদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোনো বিরোধ থাকতে পারে। তবে স্পষ্ট করে কেউ কিছু বলেনি। হয়তো তাদের অন্তরে বিরোধিতা ছিল। প্রকাশ্যে কিছু ছিল না।’

আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে স্বপন কুমার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিতে বাধ্য হন গত বছরের ২৭ এপ্রিল। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আক্তার হোসেন জুনিয়র ছিলেন, তার ওপরে ছিলেন স্বপন কুমার বিশ্বাস। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দেশনা আছে, অধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অন্যজন দায়িত্ব পালন করবেন। সে কারণে তাকে (আক্তার) সরিয়ে নতুন একজনকে অধ্যক্ষ করা হয়েছিল।’

আইনটি সম্পর্কে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বেসরকারি কলেজ শাখার উপপরিচালক (কলেজ-২) মো. এনামুল হক হাওলাদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘২০১১ সালের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রে বলা হয়, বেসরকারি কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা অনুসরণ করতে হবে।’

আক্তার হোসেনের পরিবর্তে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিতে অনীহা ছিল স্বপন কুমারের। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট অচীন চক্রবর্তী। তবে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণেই পদটি গ্রহণ করতে হয় স্বপন কুমারকে।

অচীন চক্রবর্তী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আক্তার হোসেনের আগে কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন রওশান আলী। তিনি দুর্নীতির দায়ে অব্যাহতি পেয়েছিলেন। তখন স্থানীয় সংসদ সদস্য (নড়াইল-১ আসনের এমপি কবিরুল হক) কলেজের সভাপতি ছিলেন, তিনি আক্তার হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেন। আক্তার কয়েক বছর দায়িত্বে ছিলেন।

‘পরে কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা সেলিম। তিনি পর্যালোচনা করে দেখেন, নীতিমালায় আছে অধ্যক্ষ না থাকলে টপ মোস্ট সিনিয়র শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পাবেন। এরপর তিনি নীতিমালা অনুসারে স্বপনকে দায়িত্ব নিতে বলেন।

‘তিনি (স্বপন কুমার) রাজি ছিলেন না। তবে নীতিমালায় আছে, উপযুক্ত কারণ ছাড়া টপ মোস্ট সিনিয়র দায়িত্ব না নিতে চাইলে তার শাস্তি হবে। তাই তিনি দায়িত্ব নিতে বাধ্য হন।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষককে জুতার মালা: কলেজে বিভেদ পেয়েছে মাউশি
ঢাবি শিক্ষককে বাসা ছাড়তে হবে: হাইকোর্ট
কলেজশিক্ষকের বাড়িতে উদ্ধারকৃত বস্তুটি বোমা নয়
শিক্ষকের বাড়িতে ‘বোমা’ পাহারায় পুলিশ
কম বুদ্ধির মানুষ সিদ্ধান্ত নেন খবরের শিরোনাম দেখেই

মন্তব্য

শিক্ষা
Attack on teachers means attack on education UNICEF

শিক্ষকদের ওপর হামলা মানে শিক্ষার ওপর হামলা: ইউনিসেফ

শিক্ষকদের ওপর হামলা মানে শিক্ষার ওপর হামলা: ইউনিসেফ নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে পুলিশের সামনে জুতার মালা পরানোর ভিডিও ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত
‘শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু এ কাজটি পালন করার জন্য শিক্ষার্থীদের গঠনমূলক চিন্তা করতে শেখানো, তাদের পরিপূর্ণ সম্ভাবনা অনুযায়ী ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের কোনো ধরনের ভীতি ছাড়াই শেখাতে সক্ষম হতে হবে।’

শিক্ষকদের ওপর হামলা মানে শিক্ষার ওপর হামলা বলে মনে করে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।

শিক্ষকদের ওপর হামলার বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন।

বিৃবতিতে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের ওপর হামলা মানে শিক্ষার ওপর হামলা। আমরা যদি শিক্ষকদের সহিংসতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যর্থ হই, তাহলে শেষ পর্যন্ত শিশুরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

বাংলাদেশে শিক্ষকদের ওপর সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।

এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে শিক্ষকদের ওপর সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় ইউনিসেফ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ইউনিসেফ এসব হামলার নিন্দা জানায় এবং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। পাশাপাশি আমরা শিক্ষকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার আহ্বান জানাই।'

গত ১৮ জুন নড়াইলে একটি কলেজের অধ্যক্ষকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে অপমান করা হয়। এর রেশ কাটতে না কাটতে ঢাকার সাভারে একটি কলেজের শিক্ষককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রই এই কাজ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইউনিসেফের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু এই কাজটি পালন করার জন্য শিক্ষার্থীদের গঠনমূলক চিন্তা করতে শেখানো, তাদের পরিপূর্ণ সম্ভাবনা অনুযায়ী ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের কোনো ধরনের ভীতি ছাড়াই শেখাতে সক্ষম হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: সেই কলেজের অধ্যক্ষকে শোকজ
শিক্ষক হত্যা: জিতুর দায় স্বীকার

মন্তব্য

শিক্ষা
The educational institutions which became MPO registered

যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলো

যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলো শিক্ষা ভবন। ছবি: সংগৃহীত
দেশে এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হয়েছে এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬ হাজার ৪৪৮টি। আর এমপিওভুক্ত হয়নি এখনও প্রায় ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

পৌনে তিন বছর পর এমপিওভুক্ত হচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় রয়েছে ২ হাজার ৫১টি। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় আছে ৬৬৫টি।

বুধবার সকালে চট্টগ্রাম প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবস্থাপিত ‘শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর’, ‘শেখ জামাল ডরমিটরি’ এবং ‘রোজী জামাল ডরমিটরি’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এমপিভুক্তি নিয়ে বিস্তারিত জানান।

যেভাবে দেখবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬৬টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ১২২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩৬টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০৯টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও ১৮টি ডিগ্রি কলেজ রয়েছে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এসএসসি ভোকেশনাল অথবা দাখিল ভোকেশনাল ৯৭টি, এসএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলোজি ২০০টি, ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার দুটি, দাখিল মাদ্রাসা ২৬৪টি, আলিম মাদ্রাসা ৮৫টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৬টি ও কামিল মাদ্রাসা ১১টি।

সবশেষ ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। এর আগে ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়।

গত অর্থবছরের (২০২১-২২) বাজেট বরাদ্দের যে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়, তাতে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ২০০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা।

দেশে এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হয়েছে এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬ হাজার ৪৪৮টি। আর এমপিওভুক্ত হয়নি এখনও প্রায় ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
এমপিওর দাবিতে ফের শাহবাগে প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীরা
শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবস্থান
ঈদের আগেই উৎসব ভাতার দাবি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের
স্কুল-কলেজের নতুন এমপিওভুক্তি শিগগিরই
এক দশক পর এমপিওভুক্ত ডিগ্রির ৮৪১ শিক্ষক

মন্তব্য

শিক্ষা
There will be religious education in the curriculum Minister of Education

ধর্মীয় শিক্ষা ছিল, আছে, থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

ধর্মীয় শিক্ষা ছিল, আছে, থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
‘যারা আজকে ধর্ম শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে বলে ধোয়া তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য ধর্ম রক্ষা নয়, পক্ষে থাকা নয় উদ্দেশ্য ধর্মকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতীশীল করা।

শিক্ষাক্রম থেকে ধর্মীয় শিক্ষা তুলে দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে সমালোচনা চলছে তা উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় শিক্ষা তুলে দেয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, ‘একজন মাননীয় সংসদ সদস্য, আমি তখন দেশে ছিলাম না, একজন সংসদ সদস্য আমাদের পাঠ্যপুস্তকের বিষয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। পরে আবার তিনিই স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বলেছেন, তার তথ্য সঠিক ছিলো না এবং তার এ বক্তব্য এখনকার বইয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। তিনি এগুলো প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

‘আমরা যে যেখানেই থাকি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় সবচেয়ে ভালো, সঠিক তথ্য জেনে নিয়ে কথা বলা। আর একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে আমাদের চাওয়াটাও অনেক বেশি। আমি তাকে অন্তত এটুকু সাধুবাদ দিতে চাই যে, তিনি পরে হলেও তথ্য যাচাই করে ভুল স্বীকার করে প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘তার এ বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে, একটি অংশ যারা বিভিন্ন সময়েই ধর্মের দোহাই দিয়ে নানানভাবে আমাদের এগিয়ে যাওয়াকে বন্ধ করার চেষ্টা করে, তারা সেটি ব্যাপকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। কাজেই তিনি যা বলেছেন সেটি কেবল সেখানেই শেষ না, যেখানে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এটার ব্যাপক অপব্যবহার হচ্ছে।

‘এই বক্তব্যের কিছুদিন আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক একটি প্রচারণা চলছিল। এটা আমার নজরে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম ধর্মশিক্ষা বাদ দেয়া হয়েছে। এটা সর্বৈব মিথ্যা। ধর্ম শিক্ষা সব সময় ছিল, এখনও আছে। না থাকবার কোনো কারণ নেই।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষায় আমরা বারবার বলছি, জ্ঞান দক্ষতা তা যেমন থাকবে, পাশাপাশি সঠিক মূল্যবোধ, নৈতিকতায় ধর্ম শিক্ষা একটি আবষ্যিক বিষয়। কাজেই ধর্ম শিক্ষা বাদ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা বাদ দেইও নেই। নতুন কারিকুলামে আমরা যেমন সবকিছু করে করে শেখার দিকে যাচ্ছি সেখানে ধর্ম শিক্ষার বইগুলোও… শুধু পড়ে গেলাম তা যেন না হয়। তারা যেন ধর্ম শিক্ষার বোধগুলো, নৈতিকতা যেন অনুধাবন করতে পারে। তাদের জীবনে চর্চা করতে পারে সেভাবে বইগুলো তৈরি করা হয়েছে।

‘কাজেই যারা আজকে ধর্ম শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে বলে ধোয়া তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য ধর্ম রক্ষা নয়, পক্ষে থাকা নয় উদ্দেশ্য ধর্মকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতীশীল করা। দেশের ধর্মভীরু মানুষকে উসকে দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে এক ধরনের একটা পরিবেশ তৈরি করা এবং আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশকে অস্থীতিশীল করে তোলা। আমার মনে হয় এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষা অফিসে সেবার মান নিয়ে দীপু মনি-নওফেলের অসন্তোষ
বন্যা গেলেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
সহশিক্ষা কার্যক্রম কর্মজীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে : শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC has not decided when

এসএসসি কবে, সিদ্ধান্ত হয়নি

এসএসসি কবে,  সিদ্ধান্ত হয়নি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় আমাদের অনেক শিক্ষার্থীর বইপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের নতুন বই দিতে হবে। আমরা অ্যাসেস করছি। প্রয়োজনে নতুন বই ছাপিয়ে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে।

এ বছরের এসএসসি বা মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা কবে হবে, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার দুপুরে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা খোঁজ রাখছি নিয়মিত। এখনও কিছু কিছু এলাকায়… শহর থেকে পানি নেমে গেছে। গ্রাম পর্যায়ে এখনও কোথাও কোথাও হয়তো আছে, সেটাও নেমে যাবে। কিন্তু ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিছু জায়গায়। আমাদের অনেক পরীক্ষার্থী… আমাদের কাছে তথ্যও আসছে.. বইপত্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

‘আমরা এখন পুরো অ্যাসেস করছি যে, আমাদের কতপরীক্ষার্থীকে নতুন করে বই দিতে হবে। আমরা দেখছি হিসেব করছি, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে বইও ছাপিয়ে ফেলব। তারপর আমরা আমাদের পরীক্ষার্থীদের হাতে বইগুলো পৌঁছে দেব, যাদের বইগুলো নষ্ট হয়েছে। আমরা তথ্যগুলো নিচ্ছি। তাদের হাতে বইগুলো দিয়ে অন্তত ২ সপ্তাহ তাদের সময় দিতে হবে। এটা আমাদের টাইমলাইন। কিন্তু এটা কোথায় গিয়ে ঠেকবে এটা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব না।’

এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হলেও আপাতত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে কথা বলে যখন শিশুদের ভ্যাকসিনের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারব, তারপর আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আমরা চিন্তা করতে পারব। এটা ঠিক যে সংক্রমণ বাড়ছে। আমাদের সচেতন হতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখব কি না… আমাদের তো ১২ বছরের ওপর সবার টিকা দেয়া আছে।

‘১২ বছরের নিচের টিকাটা যদি আমরা দেয়ার ব্যবস্থা করে ফেলতে পারি তাহলে হয়তো সেটার আর প্রয়োজন হবে না। যেহতু আমরা চাই যতোটা সম্ভব স্কুল খোলা রেখেই আমরা আমাদের সমস্যা সমাধানের দিকে যাবো। কাজেই এই মুহূর্তে স্কুল বন্ধের কথা আমরা ভাবছি না বরং অনেক বেশি সচেতন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কার্যক্রমটাকে চালিয়ে নেবার কথা ভাবছি। তবে সবকিছু নির্ভর করবে পরিস্থিতির উপর। আমার শিক্ষার্থী, তার পরিবার ও শিক্ষকের জীবনটাই আমাদের কাছে জরুরি।’

আরও পড়ুন:
এসএসসি পিছিয়ে আগস্টে
এসএসসি পরীক্ষা হবে কবে
পিছিয়ে যাচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষাও

মন্তব্য

p
উপরে