× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
Patchwork in private medical colleges
hear-news
player
print-icon

বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোয় জোড়াতালি

বেসরকারি-মেডিক্যাল-কলেজগুলোয়-জোড়াতালি
ফাইল ছবি
বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলো পরিদর্শন শেষে যে প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানই নীতিমালা পরিপূর্ণভাবে মানছে না। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ নীতিমালা মানতে প্রায় শতভাগ ব্যর্থ হয়েছে।

দেশে ৭২টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধিকাংশই চলছে জোড়াতালি দিয়ে। কলেজগুলোতে শিক্ষক কম। প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ নেই। অবকাঠামোও দুর্বল। পাঠদান ও চিকিৎসাসেবা দীর্ঘদিন ধরে সংকটে।

সরকার এসব সমস্যা নিরসনে তাগাদা দিলেও মেডিক্যাল কলেজগুলো কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এক জরিপ প্রতিবেদনে সম্প্রতি এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি শিগগিরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হবে। তবে হাসপাতালগুলো চাইলে এই সংকট নিরসনে কিছুদিন সময় নিতে পারবে।

প্রতিবেদন তৈরির জন্য গত বছরের ১৩ অক্টোবর তথ্য চাওয়া হলেও মাত্র ২৮ প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকিগুলো পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেয়নি। যারা দিয়েছে, তাদের অনেকের নাজুক পরিস্থিতি দেখা গেছে। কলেজগুলোতে জোড়াতালির পাঠদানে মান নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না। অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও রোগীদের আস্থা অর্জনে এগুলো ব্যর্থ হচ্ছে।

বেসরকারি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক থাকার বাধ্যবাধকতা রেখে গত বছরের ৩ মে একটি নতুন আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গত ৩০ মার্চ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ বিল-২০২২’ সংসদে তোলেন। বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

ওই বিলে বলা হয়েছে, বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ বা ডেন্টাল কলেজের কোনো বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষকের সংখ্যা সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমোদিত পদের ২৫ শতাংশের বেশি রাখা যাবে না। এসব কলেজে অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যবস্থা থাকতে হবে। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের জন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় কমপক্ষে দুই একর এবং ডেন্টাল কলেজের জন্য এক একর জমি থাকতে হবে।

অন্য এলাকায় এই জমির পরিমাণ চার একর ও দুই একর হতে হবে। এই জমি সংশ্লিষ্ট কলেজের নামে নিরঙ্কুশ, নিষ্কণ্টক, অখণ্ড ও দায়মুক্ত হতে হবে। মেডিক্যাল কলেজ বা ডেন্টাল কলেজ এবং এর অধীন পরিচালিত হাসপাতাল কোনোভাবেই ইজারা বা ভাড়া নেওয়া জমিতে বা ভবনে স্থাপন করা যাবে না।

এই বিল পাস না হওয়া পর্যন্ত বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলো ২০১১ সালের একটি নীতিমালার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, বর্তমানে দেশে সরকারি-বেসরকারি মোট ১০৭টি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। এগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য মোট আসন সংখ্যা ১০ হাজার ৬৯৭টি। এর মধ্যে ৩৭টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৪ হাজার ৩৫০ এবং বেসরকারি ৭০টি কলেজে ৬ হাজার ৩৪৭টি আসন রয়েছে।

বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর হাতে গোনা কয়েকটি ছাড়া অধিকাংশের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শিক্ষক, শিক্ষা উপকরণ, উন্নত মানের ল্যাবরেটরি, শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখানোর সুবিধা পর্যাপ্ত নেই। ফলে এগুলো থেকে পাস করা চিকিৎসকদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কী আছে প্রতিবেদনে?

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শন প্রতিবেদনের কিছু তথ্য নিউজবাংলার হাতে এসেছে। সেখানে দেখা যায়, ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর তেজগাঁওয়ে বেসরকারি এম এইচ শমরিতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শনে যায় অধিদপ্তর। এ পরিদর্শনের আলোকে চলতি বছরের এপ্রিলে একটি মতামত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা নীতিমালা ২০১১ অনুযায়ী কলেজটি বেশ কিছু আবশ্যকীয় শর্তাবলি পূরণ করেনি। কলেজের একাডেমিক কার্যক্রমের জন্য ৯৫ হাজার বর্গফুট ফ্লোর স্পেস, হাসপাতালের জন্য ৮৫ হাজার বর্গফুট ফ্লোর স্পেস, কলেজ ও হাসপাতালের জন্য ১১৭ দশমিক ৫ শতাংশ জমি এবং ৪১৩টি শয্যার কথা বলা হলেও বাস্তবে এগুলোর ঘাটতি আছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অধিভুক্তি হালনাগাদ থাকা বাধ্যতামূলক হলেও ২০১২ সালের পর থেকে তা করা হয়নি। ৫৮ শতাংশ বেড অকুপেন্সি ঘাটতিসহ প্রায় সব বিভাগে শিক্ষক, ল্যাব, শ্রেণিকক্ষের সরঞ্জাম, লাইব্রেরির আসন এবং সার্ভিস রুলের ঘাটতি রয়েছে।

পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে যেসব ঘাটতি রয়েছে তা পূরণ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে। এসব ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালটি শিক্ষার্থীর আসন সংখ্যা বাড়ানোর আবেদন করেছে।

প্রতিবেদনে ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর বেসরকারি কিশোরগঞ্জের আবদুল হামিদ মেডিক্যাল কলেজ পরিদর্শনের যে মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে, তাতে বলা হয়, সেখানে ৫০ হাজার বর্গফুট ফ্লোর স্পেস এবং হাসপাতালে ১ লাখ ২ হাজার বর্গফুট ফ্লোরস্পেস থাকার কথা থাকলেও তা পাওয়া যায়নি। কাগজে-কলমে রোগীর চিকিৎসার জন্য ২৬০টি শয্যা, ৪৮ শতাংশ বেড অকুপেন্সি, দুটি গ্যালারি, ১২টি টিউটরিয়াল রুম থাকার উল্লেখ থাকলেও এগুলোয় ঘাটতি আছে। কলেজের নামে এক কোটি টাকার স্থায়ী আমানত ও পর্যাপ্ত শিক্ষকের ক্ষেত্রেও ঘাটতি পাওয়া গেছে। ফলে ছয় মাসের মধ্যে এসব শর্ত পূরণ করে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রমের সুপারিশ করা হয়েছে।

মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর প্রতিষ্ঠিত শ্যামলীর বেসরকারি ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ পরিদর্শন করা হয় ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা নীতিমালা না মেনে ভাড়া বাড়িতে কলেজ ও হাসপাতাল কার্যক্রম চালাচ্ছে। আলাদা ক্যাম্পাসে কলেজ ও হাসপাতালে করা হয়েছে। সেখানেও ফ্লোরস্পেস ও জমির ঘাটতি রয়েছে। একইভাবে বিএমডিসির অধিভুক্তি হালনাগাদ, শিক্ষক সংকট, প্রয়োজনীয় বেড অকুপেন্সি রেট, টিউটরিয়াল কক্ষ, গ্রন্থাগারের আসন পর্যাপ্ত নেই। প্রতিষ্ঠানটি ৫০ আসনের মেডিক্যাল কলেজের উপযোগী না হওয়ায় ৯০ আসন থেকে কমিয়ে ন্যূনতম ৫০ আসনে রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। এই অবস্থার উন্নতি না হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ১৩ মে মহাখালীর ইউনিভার্সাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০টি আসনের বিপরীতে নীতিমালা অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানটিও সুযোগ-সুবিধা তৈরি করতে পারেনি। বিগত বছরগুলোতে পর্যাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করতে পারেনি। ফলে কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী ভর্তিতে আসন বাড়ানোর জন্য অনুমোদন চাইলেও তা দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে তিন মাসের মধ্যে মেডিক্যাল কলেজের ১১৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ জমি, শিক্ষক বৃদ্ধি, ক্লাসরুম পরিবর্তন, সার্ভিস রুলের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারলে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের অনুমোদন দেওয়া যেতে পারে। না হলে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

একই বছর ধানমন্ডি এলাকায় বেসরকারি জয়নুল হক সিকদার উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজে পরিদর্শন প্রতিবেদনে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ১১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি দেওয়া হয়। পরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে কলেজটি পরিদর্শন করা হয়। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি ৫০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে কলেজে ১ লাখ বর্গফুট জায়গা প্রয়োজন। এ হিসাবে শুধু ওই শিক্ষাবর্ষের ১১০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ২ লাখ ২০ হাজার বর্গফুট ফ্লোরস্পেস দরকার। কিন্তু পরিদর্শন করে দেখা যায়, কলেজটিতে জায়গাসহ ৯৫ হাজার বর্গফুট ফ্লোর স্পেস ঘাটতি রয়েছে। একইভাবে হাসপাতালের কার্যক্রমে ৮৫ হাজার বর্গফুট ফ্লোর স্পেস ঘাটতি আছে।

ফলে ফ্লোরস্পেস বাড়ানো, বিএমডিসির অধিভুক্তি হালনাগাদ, হাসপাতালের লাইসেন্স নবায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ, মিউজিয়াম হতে টিউটরিয়াল রুম পৃথককরণ, গ্রন্থাগারের আসন বাড়ানো ও একাডেমিক পরিবেশের দৃশ্যমান উন্নয়নের শর্তসাপেক্ষে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের অনুমোদনের কথা বলা হয়েছে। ১০০ আসনের বিপরীতে বর্তমান আসন বৃদ্ধির সুপারিশ সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ্য করা হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মককর্তা জানান, বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ নিয়ে যে প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানই নীতিমালা পরিপূর্ণভাবে মানছে না। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ নীতিমালা মানতে প্রায় শতভাগ ব্যর্থ হয়েছে।

অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. এ কে এম আহসান হাবিব বলেন, বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবার মান উন্নয়নে দফায় দফায় চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কয়েক বছরে সাতটি মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু কলেজগুলো বিভিন্ন সময় উচ্চ আদালতে রিট করে কার্যক্রম চালাচ্ছে। অধিদপ্তর একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দিলেও বিভিন্ন সময় উচ্চপর্যায়ে তদবির চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অনেক কলেজ চিকিৎসা শিক্ষাদানে বেশ ভালো করছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও চিকিৎসাসেবা আন্দোলনের নেতা অধ্যাপক ডা. রশীদ ই মাহবুব বলেন, ‘দেশে আশির দশক থেকে শুরু করে প্রায় ৪০ বছর ধরে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ নিয়ে কথা হচ্ছে। কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য আইন লাগে, যা আজ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। আইন না থাকায় কোনো রকমে একটি নীতিমালা দিয়ে এগুলো পরিচালিত হচ্ছে।
‘ফলে সরকারিভাবে অনুমোদন নিয়ে অধিকাংশই নামকাওয়াস্তে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পরিদর্শনে বিএমডিসি, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকার রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও বিএমডিসির লাইসেন্স ছাড়া প্রায় সব জায়গা প্রশ্নবিদ্ধ। শিক্ষক, অবকাঠামো, মাননিয়ন্ত্রণ কোনোটাই সঠিকভাবে হচ্ছে না। এতে করে শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জন করলেও সবাই পেশা জীবনে তা প্রয়োগ করতে পারছে না, দক্ষ হচ্ছে না। প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকা ছাড়া এটা সম্ভব নয়। এ জন্য আইন করে মান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
সিলগালা হাসপাতালে মৃত্যু: চিকিৎসক-নার্সের নামে মামলা
সিলগালা করা হাসপাতালে অপারেশন, শিক্ষার্থীর মৃত্যু
অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধে অভিযান নিষ্ফল হবে?
চারদিনের অভিযানে ১১৪৯ অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র সিলগালা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Recruitment in the Persian department of Chabir Submission of investigation report

চবির ফার্সি বিভাগে নিয়োগ: তদন্ত প্রতিবেদন জমা

চবির ফার্সি বিভাগে নিয়োগ: তদন্ত প্রতিবেদন জমা
কমিটির সদস্য ও সিন্ডিকেট মেম্বার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসিম হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এখন কিছু বলা যাবে না। সিন্ডিকেট মিটিংয়ে উপস্থাপন করা হলে তারপর বলা যাবে। বৃহস্পতিবার সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করা হতে পারে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত অডিও ক্লিপ ফাঁসের ঘটনায় গঠিত উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বৃহস্পতিবার এ প্রতিবেদন উপস্থাপিত হতে পারে বলে জানা গেছে। এর আগে বুধবার দুপুরে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

কমিটির সদস্য ও সিন্ডিকেট মেম্বার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসিম হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এখন কিছু বলা যাবে না। সিন্ডিকেট মিটিংয়ে উপস্থাপন করা হলে তারপর বলা যাবে। বৃহস্পতিবার সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করা হতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান বলেন, ‘আমরা তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। বৃহস্পতিবার সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন হবে কি না সেটা সেদিনই বলা যাবে। এজেন্ডায় এ বিষয় নেই। ইতিমধ্যে সিন্ডিকেটের এজেন্ডা হয়ে গেছে।’

শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে গত ৫ মার্চ নগরীর চারুকলা ইনস্টিটিউটে চবির ৫৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে সিন্ডিকেট।

শিক্ষক নিয়োগে ‘দরকষাকষি’

চবির ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে নিয়োগের বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের চেষ্টার কয়েকটি ফোনালাপের ক্লিপ ফাঁস হয়েছে।

ফোনালাপে একজন আবেদনকারীর কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বলা হয়, তৃতীয় শ্রেণির একটা চাকরির জন্য এখন ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা লাগে। মালি, প্রহরীর মতো চতুর্থ শ্রেণির চাকরির জন্য লাগে ৮ লাখ টাকা।

ফাঁস হওয়া ফোনালাপে উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ‘ম্যানেজ’ করতেই অর্থের প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করা হয়।

চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে যারা কথা বলেছেন, তাদের মধ্যে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য শিরীণ আখতারের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মোকাররম হোসেন রবীন, অন্যজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টস শাখার কর্মচারী আহমদ হোসেন এবং ফার্সি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী জসীম উদ্দিন বলে তথ্য মিলেছে।

তিনজনের ফোনালাপেই এই লেনদেনে উপাচার্য সম্পৃক্ত থাকবেন বলে দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, উপাচার্য রাজি না থাকলে মন্ত্রী বা আরও বড় কেউ চাকরি দিতে পারবেন না।

তবে রবীন ও আহমদ হোসেন দাবি করেছেন, তারা কারও সঙ্গে এসব কথা বলেননি। এগুলো তাদের বিপদে ফেলার জন্য বানানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্যের বক্তব্য পাওয়া যায়নি তিনি ফোন ধরেননি বলে।

তবে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মনিরুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, অডিও ক্লিপটির বিষয়ের পর তারা হাটহাজারী থানায় অভিযোগ করেছেন। উপাচার্যের পিএস পদ থেকে মোকাররম হোসেন রবীনকে প্রত্যাহার করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আর আহমদ হোসেনকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

এই নিয়োগ নিয়ে আগেও নানা অভিযোগ ছিল। এমনভাবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে ১০ দিন সময় দেয়া হলেও নিয়োগপ্রার্থীরা কার্যত কেবল এক দিন সময় পেয়েছেন। অনলাইনে আবেদনপত্র ডাউনলোডের সুযোগও দেয়া হয়নি। পরে একজন প্রার্থী উচ্চ আদালতে গেলে তার আবেদনের বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে বলা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় তা করেনি।

এখানেই শেষ নয়, মৌখিক পরীক্ষার জন্য সবাইকে ভাইভা কার্ড না পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। আবার কার্ড ছাড়াই পরীক্ষা দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

আবার নিয়োগ বোর্ডে কোনো ফার্সি বিশেষজ্ঞকে রাখা হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, পছন্দের কোনো প্রার্থীকে নিয়োগ দিতেই এতসব করা হয়।

আরও পড়ুন:
রেলওয়েতে ২৩ হাজার পদ শূন্য
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষা শুরু ১২ জুন
প্রাথমিকে নিয়োগ: চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় ধাপের ফল

মন্তব্য

শিক্ষা
Inauguration of CUET Sheikh Kamal IT Business Incubator

চুয়েটে​ শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের উদ্বোধন

চুয়েটে​ শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের উদ্বোধন শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ মশিউল হক জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এই ইনকিউবেটর তৈরিতে খরচ হয়েছে ১১৭ দশমিক ৭ কোটি টাকা। অ্যাকাডেমিক প্রতিষ্ঠানে গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে এই আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে​ (চুয়েট) শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের উদ্বোধন করা হয়েছে।

গণভবন থেকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে বুধবার সকাল ১০টার দিকে এই ইনকিউবেটরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তার সঙ্গে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর দেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর বলে জানিয়েছে চুয়েট কর্তৃপক্ষ।

শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ মশিউল হক জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এই ইনকিউবেটর তৈরিতে খরচ হয়েছে ১১৭ দশমিক ৭ কোটি টাকা। অ্যাকাডেমিক প্রতিষ্ঠানে গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে এই আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন করা হয়েছে।

যা থাকছে আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরে

শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্পের আওতায় চুয়েট ক্যাম্পাসে ৪ দশমিক ৭ একর জমির ওপর ১০ তলাবিশিষ্ট একটি ইনকিউবেশন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যার আয়তন ৫০ হাজার বর্গফুট। তা ছাড়া ৩৬ হাজার বর্গফুটের ছয় তলাবিশিষ্ট একটি মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবন এবং ২০ হাজার বর্গফুট আয়তনের চার তলাবিশিষ্ট আবাসিক ডরমিটরি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

ইনকিউবেশন ভবনের মধ্যে রয়েছে স্টার্টআপ জোন, আইডিয়া বা ইনোভেশন জোন, ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিক কোলাবরেশন জোন, ব্রেইনস্ট্রর্মিং জোন, ই-লাইব্রেরি, ডেটা সেন্টার, রিসার্চ ল্যাব, বঙ্গবন্ধু কর্নার, প্রদর্শনী সেন্টার, ভিডিও কনফারেন্সিং এবং সভাকক্ষ।

এ ছাড়া এই ভবনে উদ্যোক্তা ও গবেষকদের কাজের সুবিধার্থে একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ল্যাব, একটি মেশিন লার্নিং ল্যাব, একটি বিগ ডেটা ল্যাব, অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাকবোন, একটি সাব-স্টেশন ও সোলার প্যানেল রয়েছে।

এর বাইরে ব্যাংক ও আইটি ফার্মের জন্য আলাদা কর্নার, অত্যাধুনিক সাইবার ক্যাফে, ফুড কোর্ট, ক্যাফেটেরিয়া, রিক্রিয়েশন জোন, মেকার স্পেস, ডিসপ্লে জোন, মিডিয়া কাভারেজ জোন, নিজস্ব পার্কিং সুবিধা রয়েছে ইনকিউবেশন ভবনে।

মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবনে ২৫০ জনের ধারণক্ষমতার অডিটোরিয়াম, ৩০ জনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন আটটি কম্পিউটার ল্যাব ও কাম সেমিনার কক্ষ রয়েছে।

আর ডরমিটরি ভবনের একটি পুরুষ ও অন্যটি নারীদের জন্য। প্রতিটি ডরমিটরিতে ৪০টি কক্ষ রয়েছে।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) তৈরির মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে এই ইনকিউবেটর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
দুই নেতার অনুসারীদের দ্বন্দ্বেই বন্ধ চুয়েট
বৃষ্টির মধ্যে হল ছাড়ছেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
ছাত্রলীগের মারামারির জেরে চুয়েট বন্ধ ঘোষণা
চুয়েটে অনলাইন পরীক্ষা বর্জন বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর
ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কার চুয়েট শিক্ষার্থী

মন্তব্য

শিক্ষা
80 percent of RBIs budget will go to salaries allowances and pensions

রাবির বাজেটের ৮০ ভাগই যাবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে

রাবির বাজেটের ৮০ ভাগই যাবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
বাজেটের ৩৩৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে বরাদ্দ দেয়া হবে। বাকি ২২ কোটি টাকা আসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় থেকে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৪৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে সিন্ডিকেট। গত অর্থবছরের তুলনায় এবার ২১ কোটি ২৩ লাখ টাকা বাড়িয়ে বাজেট পাশ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সিন্ডিকেটের ৫১৫ তম সভায় বাজেটটি পাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করেন। এর আগে ২ জুলাই অর্থায়ন কমিটির ৫৫৮ তম সভায় এই বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পান্ডে জানান, এবার ৪৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বাজেটের মধ্যে ৩৬৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা খরচ হবে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও পেনশনে। যা মোট বাজেটের ৮০ দশমিক ৬১ শতাংশ।

এবার গবেষণা খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১০ কোটি টাকা। যা মোট বাজেটের ২.১৯ শতাংশ। গতবছর এই খাতে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল।

এবারই প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ১ কোটি টাকার বাজেট রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, প্রকাশনা, বই পত্র, গবেষণাগার সরঞ্জামাদি, স্মার্ট ক্লাসরুম, ফিল্ডওয়ার্ক/শিক্ষা সফর, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, খেলাধুলা ও শিক্ষাবৃত্তিসহ ১০ খাত অগ্রাধিকার পেয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকাশনা খাতে ৫২ লাখ, ফিল্ড ওয়ার্ক/শিক্ষা সফর খাতে ৮০ লাখ, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাবদ ৫২ লাখ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি খাতে ২০২১-২২ বছরে ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে এক কোটি টাকা করা হয়েছে। বইপত্র খাতে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬০ লাখ টাকা। গত বাজেটে বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরির জন্য বইপত্র খাতে বরাদ্দ ছিল ১৫ হাজার টাকা। এবার তা বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের বই ক্রয় বাবদ ৩৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের অটোমেশন বাবদ ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হল থেকে শিক্ষার্থীকে ‘বের করে দিল’ ছাত্রলীগ
অপরাধ করলে শাস্তি নিশ্চিত: অ্যাটর্নি জেনারেল
রায়ে সন্তুষ্ট, কার্যকরের অপেক্ষায় অধ্যাপক তাহেরের স্ত্রী
রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা: ২ জনের ফাঁসির আদেশ আপিলে বহাল
৮৮ বছর পর আয়া সোফিয়াতে তারাবির নামাজ

মন্তব্য

শিক্ষা
Belal is not stopping even though he is suffering in DU

ঢাবিতে কষ্ট পেলেও থামছেন না বেলাল

ঢাবিতে কষ্ট পেলেও থামছেন না বেলাল বেলায়েত শেখ। ফাইল ছবি
‘অনেক স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার। তবে সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। আমার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট তো আমাকে পোড়াবেই। সামনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করব। আশা করি, দেশের যেকোনো একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সুযোগ পাব।’

৫৫ বছর বয়সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আলোড়ন তৈরি করা বেলায়ত হোসেনকে নিরাশ হতে হলো। পরীক্ষায় পাস করতে না পারায় কষ্টে আছেন তিনি। তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না, দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেবেন। আশা, কোথাও না কোথাও ভর্তির সুযোগ মিলবে।

বেলায়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিয়েছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে এই ইউনিটের ফল প্রকাশ হয়। এতে দেখা যায়, তিনি পাস করতে পারেননি। আর যে নম্বর পেয়েছেন, তাতে তিনি আরও বেশি হতাশ হয়েছেন।

গত ১১ জুন পরীক্ষা দেয়ার পর বেলায়েত জানিয়েছিলেন পরীক্ষা ভালো হয়েছে। এত বয়সে এর আগে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তির চেষ্টা করেনি।

তবে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ৬০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক অংশে বেলায়েত পেয়েছেন ৮ । এমসিকিউতে ফেল করায় তার লিখিত অংশের খাতা মূল্যায়নের জন্যে বিবেচিতই হয়নি।

আট নম্বরের মধ্যে নৈর্ব্যক্তিক অংশের বাংলায় ২, ইংরেজিতে ২.৭৫ এবং সাধারণ জ্ঞান অংশে পেয়েছেন ৩.২৫ নম্বর।
আর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএসহ সর্বমোট নম্বর পেয়েছেন ২৬ দশমিক ২।

বেলায়েত বাংলা অংশের নৈর্ব্যক্তিকে মোট ১২টি প্রশ্নের উত্তর দেন। এর মধ্যে আটটি প্রশ্নের উত্তরই ছিল ভুল।
ইংরেজিতে নয়টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সেখানে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর তার ঠিক হয়নি।

সাধারণ জ্ঞান অংশে দেয়া ১২টি প্রশ্নের মধ্যে তিনি সাতটি প্রশ্নেরই ভুল উত্তর দিয়েছেন।

বেলায়েত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেক স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার। তবে সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। আমার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট তো আমাকে পোড়াবেই।’

নম্বর প্রত্যাশার চেয়ে কম এসেছে এবং এটা আরও বেশি পোড়াচ্ছে বেলায়েতকে। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা ভালোই দিয়েছিলাম। তবে এত কম নম্বর পাব তা ভাবিনি। আশা করেছিলাম পাস করব। তবে সেটাও হলো না। অনেক খারাপ লাগছে। আমার ভাগ্যটাই ভালো না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হতাশ হলেও থেমে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন বেলায়েত। আসলে তিনি থেমে থাকার মানুষও নন।

তিনি বলেন, ‘সামনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করব। আশা করি, দেশের যেকোনো একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সুযোগ পাব।’

বেলায়েতের জীবন কাহিনি বলে তিনি এগিয়ে যেতে চান।

আর্থিক দুরবস্থা ও বাবার অসুস্থতার কারণে ১৯৮৩ সালে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর লেখাপড়া থেকে ছিটকে যান বেলায়েত। হাল ধরতে হয় সংসারের।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার পর প্রথমে ভাই বোন ও পরে সন্তানদেরকে দিয়ে চেষ্টা করেন বেলায়েত। কিন্তু তারাও পারেনি। এরপর বয়স ৫০ পেরিয়ে যাওয়ার পর আবার পড়াশোনা শুরু করেন তিনি।

২০১৭ সালে ঢাকার বাসাবোর দারুল ইসলাম আলিম মাদরাসা থেকে ৪ দশমিক ৪৩ জিপিএ নিয়ে তিনি এসএসসি (ভোকেশনাল) পাস করেন। চার বছর পর ২০২১ সালে রামপুরার মহানগর কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ ৪ দশমিক ৫৮ পেয়ে পাস করেন এইচএসসি (ভোকেশনাল)।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন তিনি।
স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে বেলায়েতের সংসার। কাজ করেন দৈনিক করতোয়া প্রত্রিকায় গাজীপুরের শ্রীপুর প্রতিনিধি হিসেবে।

মন্তব্য

শিক্ষা
Pass in DU D unit 56 percent

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে পাস ৮.৫৮ শতাংশ

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে পাস ৮.৫৮ শতাংশ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ফলাফল প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
পাস করেছেন ৬ হাজার ১১১ জন। পাসের হার ৮.৫৮। ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে এই ইউনিটে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৭১ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

এতে পাস করেছেন ৬ হাজার ১১১ জন। পাসের হার ৮.৫৮। ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে এই ইউনিটে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৭১ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে অবস্থিত আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল শ্রেণিকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান।

‘ঘ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক জিয়া রহমান, সহযোগী সমন্বয়কারী কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল বাছির, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীমা জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

‘ঘ’ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় একটি সম্মিলিত ইউনিট। এখানে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক- তিন শাখা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীরাই অংশ নিতে পারেন। একে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিটও বলা হয়ে থাকে। এই ইউনিটের মাধ্যমে ১১টি অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের ৫৫টি বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

‘ঘ’ ইউনিটের এবারের ফলাফলে বিজ্ঞান শাখা থেকে ৪ হাজার ৮১১ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ১ হাজার ৫ জন আর মানবিক শাখা থেকে ২৯৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বিজ্ঞান শাখা থেকে ১ হাজার ১১ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ২৯৭ জন আর মানবিক শাখা থেকে ২৮ জন এবার এই ইউনিটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফলাফল জানতে পারছেন। এ ছাড়া রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক বা টেলিটক নম্বর থেকে ‘DU GHA Roll No’ ফরম্যাটে ১৬৩২১ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল জানা যাচ্ছে।

এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ৭ জুলাই বেলা ৩টা থেকে ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত ফরম ও বিষয় পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে হবে।

কোটায় আবেদনকারীদের ১৮ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে হবে। তা যথাযথভাবে পূরণ করে ওই সময়ের মধ্যে ডিন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

কারও ফলাফল নিয়ে সন্দেহ থাকলে তা নিরীক্ষার জন্য ১ হাজার টাকা ফি দেওয়া সাপেক্ষে ১৭ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয়ে আবেদন করা যাবে।

‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত ১১ জুন। এই ইউনিটের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ শেষ হলো।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে শীর্ষ ৩ জনের নম্বর সমান
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ফেল ৮৯.৬১ শতাংশ
ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ সোমবার

মন্তব্য

শিক্ষা
UGC has directed to close Radag Day in the university

বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে বন্ধের নির্দেশ ইউজিসির

বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে বন্ধের নির্দেশ ইউজিসির
ইউজিসির বেসরকারি শাখার পরিচালক ওমর ফারুকের সই করা অফিস আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে উদযাপন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।

দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘র‌্যাগ ডে’ উদযাপন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

সোমবার রাতে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের একটি রায়ের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে র‌্যাগ ডে উদযাপন বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সাধারণত কোনো ব্যাচের শিক্ষা সমাপ্ত হওয়ার পর র‌্যাগ ডে পালন করা হয়। সাধারণত এটি অনার্স অথবা মাস্টার্স শেষে হয়ে থাকে। এটিকে অনেকে শিক্ষা সমাপনী উৎসবও বলেন।

সোমবার রাতে ইউজিসির বেসরকারি শাখার পরিচালক ওমর ফারুকের সই করা অফিস আদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে উদযাপন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং-৪৫১৫/২০২২ এর একটি আদেশে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘র‌্যাগ ডে’ উদযাপনের নামে সব ধরনের অশ্লীলতা, নগ্নতা, ডিজে পার্টি, অশোভন আচরণ, নিষ্ঠুর ও নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড এবং বুলিং অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আরও বলা হয়, হাইকোর্ট ডিভিশনের উল্লিখিত নির্দেশনা মোতাবেক সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উক্ত রূপ কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

গত ৩০ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাগ ডের নীতিমালা অনুমোদন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, র‍্যাগ ডের নতুন নাম হবে ‘শিক্ষা সমাপনী উৎসব’। এই উৎসব উদযাপনে শিক্ষার্থীদের মানতে হবে একগুচ্ছ নিয়ম।

গত ১৭ এপ্রিল ‘র‌্যাগ ডে’ পালনের নামে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজে পার্টিসহ নগ্ন, অশ্লীল, উন্মত্ত, কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর কর্মকাণ্ড বন্ধে ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।

আরও পড়ুন:
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম তদন্তে ইউজিসি
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে আসছে নীতিমালা
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষায় ইউজিসির গাইডলাইন
উচ্চশিক্ষার পাঠক্রম উন্নয়নে সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম তদন্তে ইউজিসি

মন্তব্য

শিক্ষা
Journey to Aviation and Aerospace University at Lalmonirhat

লালমনিরহাটে অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা

লালমনিরহাটে অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা রোববার সকালে লালমনিরহাটে বিএসএমআরএএইউ এর একাডেমিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিমান বাহিনীর প্রধান। ছবি: নিউজবাংলা
বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, বিএসএমআরএএইউ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রকল্প। বিশ্ববিদ্যালয়টি অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস শিক্ষায় এ অঞ্চলে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে পরিণত হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমআরএএইউ) লালমনিরহাট ক্যাম্পাসের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান
বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক সেশন উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপাচার্য এয়ার ভাইস মার্শাল মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম নবনির্মিত ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনী প্রধান ও তার সফরসঙ্গীদের স্বাগত জানান।

বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, বিএসএমআরএএইউ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রকল্প। বিশ্ববিদ্যালয়টি অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস শিক্ষায় এ অঞ্চলে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে পরিণত হবে।

বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি অ্যাভিয়েশন হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, বিশ্বব্যাপী দ্রুত অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস সেক্টরের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও সরবরাহে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

বিএসএমআরএএইউর অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম ২০২০ সালে ঢাকা ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস লালমনিরহাটে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সেখানে এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টে এমবিএ, এভিয়েশন সেফটি অ্যান্ড অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশনে এমএসসি এবং আন্তর্জাতিক ও মহাকাশ আইনে এলএলএম কোর্স চালু হয়েছে।

আগামীতে এমএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (অ্যারোস্পেস), এমএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এভিওনিক্স), এমএসসি ইন স্পেস সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং, এমএসসি ইন স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু করা হবে।

শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে উড়োজাহাজ, ফ্লাইট অপারেশন নিরাপত্তা, হেলিকপ্টার এবং মহাকাশের ওপর বিভিন্ন গবেষণারও সুযোগ পাবেন।

বিমানবাহিনী প্রধান দুপুরে নতুন ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ করেন।

এর আগে গত রোববার সকালে লালমনিরহাট শহরের পাশে বিমানঘাঁটি এলাকায় বিএসএমআরএএইউয়ের নতুন স্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করেন ভিসি এয়ার ভাইস মার্শাল মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন শুরু
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত ৩০ সেপ্টেম্বর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ট্রেজারার সালাম

মন্তব্য

p
উপরে