× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
The last admission test of DU D unit has started
hear-news
player
print-icon

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের শেষবারের ভর্তি পরীক্ষা শুরু

ঢাবির-ঘ-ইউনিটের-শেষবারের-ভর্তি-পরীক্ষা-শুরু
ফাইল ছবি
বেলা ১১টা থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের আট বিভাগীয় শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাতিল হয়ে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। এ হিসেবে শনিবার এই ইউনিটের মাধ্যমে ভর্তিতে শেষবারের মতো পরীক্ষা দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

বেলা ১১টা থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের আট বিভাগীয় শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবার ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৭৮ হাজার ৩১ জন। আসনপ্রতি প্রার্থী ৫৮ জন।

এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বর ১২০। এর মধ্যে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষা হচ্ছে। বাকি ২০ নম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার রেজাল্টের ওপর।

এমসিকিউর জন্য ৬০ আর লিখিত বা বর্ণনামূলকের জন্য ৪০ নম্বর থাকছে।

‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ অনুষদ ও পাঁচ ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি নেয়া হয়। অনুষদগুলো হলো কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, বিজনেস স্টাডিজ, বিজ্ঞান ও আইন অনুষদ।

অন্যদিকে ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে আছে সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট।

এর আগে শুক্রবার বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১৭ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

‘ঘ’ ইউনিটের মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা। আশির দশক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ইউনিটভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা চলে আসছে।

তবে ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর ডিনস কমিটির সভায় ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে গত ৭ ফেব্রুয়ারি এই পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

এরপর মার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিষদের (একাডেমিক কাউন্সিল) সিদ্ধান্ত হয়, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি পরীক্ষা হবে চারটি ইউনিটে। থাকবে না সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিট। বদলে যাবে ইউনিটগুলোর নামও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছেন প্রায় ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৮ শিক্ষার্থী। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে আসনসংখ্যা ৬ হাজার ৩৫। অর্থাৎ প্রতি আসনের জন্য এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৮ জন।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষা কেন্দ্রের ছবি তোলায় দুজনকে আটক
ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৮ শতাংশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ শুরু
ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় অভিভাবকদের না আসার অনুরোধ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
There was a commotion in the Jabir Senate over the slogan Bangladesh Zindabad

জাবির সিনেটে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেয়া নিয়ে হট্টগোল

জাবির সিনেটে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেয়া নিয়ে হট্টগোল জাবির সিনেট ভবনে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হট্টগোল হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সিনেট সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. শরীফ এনামুল কবির তাৎক্ষণিক এর বিরোধিতা করেন। বলেন, “‘জয় বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান। কেউ ‘জয় বাংলা’ ছাড়া অন্য কোনো স্লোগান দিতে পারেন না।”

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে বিএনপিপন্থি শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিমের ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেয়া নিয়ে হট্টগোল হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম সিনেট অধিবেশনে তার আলোচনার শেষে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। এর পরেই প্রতিবাদ জানাতে থাকেন সিনেট সদস্যরা।

সিনেট সদস্য শেখ মনোয়ার হোসেন তাৎক্ষণিক এর বিরোধিতা করেন। বলেন, “‘জয় বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান। কেউ ‘জয় বাংলা’ ছাড়া অন্য কোনো স্লোগান দিতে পারেন না।”

শেখ মনোয়ার হোসেনের বক্তব্যের বিরোধিতা করেন বিএনপিপন্থি শিক্ষক ও সিনেট সদস্যরা। ওই সময় অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, ব্যারিস্টার শিহাবউদ্দিন খান, অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, অধ্যাপক মো. শামসুল আলম সেলিম, সাবিনা ইয়াসমিন, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম বিরোধিতা করেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “এটি আমাদের বাক-স্বাধীনতা বিরোধী। আমরা ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিতে পারব। আমাদের সাংবিধানিকভাবে সে স্বাধীনতা আছে।”

পরে সিনেট সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল পারভেজ তার বক্তব্যে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া নিয়ে মন্তব্য করলে আবার হট্টগোল বাঁধে। সঙ্গে সঙ্গেই এর বিরোধিতা করেন বিএনপিপন্থি শিক্ষকরা।

সিনেট অধিবেশনের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ রাশেদা আক্তারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

আরও পড়ুন:
করোনা: জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সাক্ষাৎকার স্থগিত
মিলন উৎসবে মাতলেন জাবি বিসিএস ক্যাডাররা
জাবির এ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬৮ শতাংশ
জাবির সি ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল নেয়ায় ৬ মাসের কারাদণ্ড

মন্তব্য

শিক্ষা
The students were taught the basics of journalism in JOB

জবিতে সাংবাদিকতার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ

জবিতে সাংবাদিকতার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সেরা প্রতিবেদক হয়েছেন নিউজবাংলার মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ। ছবি: নিউজবাংলা
সাংবাদিকতার মৌলিক ধারণা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে আলোচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক শেখ আবু রাইহান সিদ্দিকী। কর্মশালায় অংশ নেয়া সবাইকে সার্টিফিকেট দেয়া হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতায় আগ্রহ তৈরি ও সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার জন্য বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস ক্লাবে আয়োজিত কর্মশালায় সাংবাদিকতার হাতেখড়িসহ নাগরিক সাংবাদিকতার বিভিন্ন দিক শেখানো হয়েছে।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন অ্যাকাডেমিক ভবনের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২১৫ নম্বর কক্ষে সকাল ১০টায় শুরু হওয়া কর্মশালা বিকেল ৪টার দিকে শেষ হয়। প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী কর্মশালায় অংশ নেন।

কর্মশালায় সংবাদের উপাদান ও পারিপার্শ্বিকতা বিষয়ে কথা বলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক আনন্দ বাজার পত্রিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি কুদ্দুস আফ্রাদ। এ ছাড়া মোবাইল জার্নালিজম ও এর পারিপার্শ্বিকতা নিয়ে আলোচনা করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের কল্যাণ সম্পাদক জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

ক্যাম্পাস সাংবাদিকতায় চলতে ফিরতে শেখা নিয়ে আলোচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও বর্তমানে ‘নগদ’—এর জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ অপু।

সাংবাদিকতার মৌলিক ধারণা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে আলোচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক শেখ আবু রাইহান সিদ্দিকী। কর্মশালায় অংশ নেয়া সবাইকে সার্টিফিকেট দেয়া হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জবি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোস্তাকিম ফারুকীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আরমান হাসানের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা বিডি নিউজটোয়েন্টিফোর ডটকমের স্টাফ রিপোর্টার কাজী মোবারক হোসেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, সহকারী প্রক্টররা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উপদেশ দেন।

অনুষ্ঠান শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ২০২২ সালের সাংবাদিক পুরষ্কার দেয়া হয়৷ সেরা প্রতিবেদক হিসেবে নিউজবাংলা টুয়েন্টিফোরের মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ, বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবে এনটিভি অনললাইনের আহনাফ তাহমিদ ফাইয়াজ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদক হিসেবে দৈনিক সকালের সময়ের ইউছুব ওসমান এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রতিবেদনের জন্য অনুপম মল্লিক আদিত্যকে ক্রেস্ট দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
বন্যার্তদের সাহায্যার্থে জবি শিক্ষার্থীদের ‘পথনাটক’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীল দলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন
জবির দুই অনুষদে নতুন ডিন
জবিতে সেমিস্টারে ভর্তিতে জরিমানার শর্ত সাময়িক শিথিল
চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে জবিতে কর্মচারীদের অবস্থান

মন্তব্য

শিক্ষা
Jabi Rover in Council President Jamirul General Secretary Adan

জবি রোভার-ইন-কাউন্সিলের সভাপতি জামিরুল, সাধারণ সম্পাদক আদন

জবি রোভার-ইন-কাউন্সিলের সভাপতি জামিরুল, সাধারণ সম্পাদক আদন সভাপতি এস কে জামিরুল ও সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ গোলাম রাজিক আদন। ছবি: সংগৃহীত
শুক্রবার সকালে উপস্থিত সিনিয়র রোভার মেটদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নতুন কাউন্সিল গঠিত হয়। এরপর জবি রোভার স্কাউট গ্রুপের গ্রুপ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান খন্দকার কমিটি ঘোষণা করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভার-ইন-কাউন্সিল ২০২২-২৩ এর নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে।

কাউন্সিলে ইংরেজি ইউনিটের সিনিয়র রোভার মেট এস কে জামিরুল সভাপতি এবং গণিত ইউনিটের সিনিয়র রোভার মেট হোসাইন মোহাম্মদ গোলাম রাজিক আদন সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার সকালে উপস্থিত সিনিয়র রোভার মেটদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নতুন কাউন্সিল গঠিত হয়। এরপর জবি রোভার স্কাউট গ্রুপের গ্রুপ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান খন্দকার কমিটি ঘোষণা করেন।

ওই সময় উপস্থিত ছিলেন জবি রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভার স্কাউট লিডার ড. মিন্টু আলী বিশ্বাস ও কাজী ফারুক হোসেন।

নির্বাচিত নতুন কাউন্সিলে সহসভাপতি দুটি পদে চারুকলা ইউনিটের সিনিয়র রোভার মেট নাহিদ হাসান রাসেল ও রসায়ন ইউনিটের শরিফুল ইসলাম খান নির্বাচিত হয়েছেন। যুগ্ম সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন দর্শন ইউনিটের সিনিয়র রোভার মেট এস এম শাহাদাত হোসেন অনু।

অন্যান্য পদে প্রোগ্রাম সম্পাদক মো. রাশেদ, ট্রেনিং সম্পাদক অভিজিৎ বাড়ৈ, দপ্তর সম্পাদক মো. আশিকুজ্জামান, প্রচার সম্পাদক মো. মিলন সরকার, প্রকাশনা সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক এম এইচ অন্তু, গার্ল-ইন-রোভার সম্পাদক খালেদা ইয়াসমিন স্বপ্না, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক কাজী মুসাব্বিরুল আলম, ক্রীড়া সম্পাদক নাসিম মাহম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, বহিঃযোগাযোগ সম্পাদক ইমরান হাসান, পাঠাগার সম্পাদক তন্ময় সরকার, আপ্যায়ন সম্পাদক রাকিব আকন্দ, স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে সামসুর নাহার স্মৃতি মনোনীত হয়েছেন।

এ ছাড়া কার্যকরী সদস্য হিসেবে থাকবেন হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোল্লা মামুন হাসান ও লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে নিজ ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন ও রোভার-ইন-কাউন্সিলে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখায় শ্রেষ্ঠ সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শরিফুল ইসলাম খান।

মন্তব্য

শিক্ষা
Two students were slapped and expelled

জবি ছাত্রীকে থাপ্পড়, ২ ছাত্র বহিষ্কার

জবি ছাত্রীকে থাপ্পড়, ২ ছাত্র বহিষ্কার
‘ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়ে আনা অভিযোগ সত্য প্রতীয়মান হওয়ায় ৯ জুন শৃঙ্খলা বোর্ডের ৫৯তম সভার কার্যবিবরণীর ১৬ নম্বর সিদ্ধান্ত, যা ১৩ জুন অনুষ্ঠিত হওয়া ৮৮তম সিন্ডিকেটে ৫ নম্বর সিদ্ধান্তে তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক ছাত্রীকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় দুই ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী ও শাস্তি পাওয়া দুই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন মো. খায়রুল ইসলাম ও মফিজুল্লা (রনি)।’

ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, গত ২০ মার্চ ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভলিবলের অনুশীলনের জন্য আসেন। ওই ছাত্রীর সঙ্গে ক্লাসের সিআর নিয়ে সমস্যা ছিল। বিষয়টি নিয়ে তাকে সোহেল, নাইম, খাইরুল, রনি অপমানজনক কথাবার্তা বলেন।

পরে তারা ভুক্তভোগী ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে আসতে বলে। পরে ওই ছাত্রী সেখান থেকে চলে আসার সময় খায়রুল বাজে কথা বলে বাধা দেন এবং মফিজুল্লা থাপ্পড় মারেন।

প্রক্টর বলেন, ‘ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়ে আনা অভিযোগ সত্য প্রতীয়মান হওয়ায় ৯ জুন শৃঙ্খলা বোর্ডের ৫৯তম সভার কার্যবিবরণীর ১৬ নম্বর সিদ্ধান্ত, যা ১৩ জুন অনুষ্ঠিত হওয়া ৮৮তম সিন্ডিকেটে ৫ নম্বর সিদ্ধান্তে তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

‘সাময়িক বহিষ্কার হওয়া দুই শিক্ষার্থীকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না তা আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জানানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের দুই শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টার বহিষ্কার ও অন্য এক শিক্ষার্থীর একটি কোর্সের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
নারীকে লাঞ্ছিতের অভিযোগে পুলিশ সদস্যদের মারধর
চেয়ারম্যানকে চড়-থাপ্পড় ‘দেয়া’ প্যানেল মেয়র জামিনে মুক্ত
সভায় প্রকাশ্যে চড়-থাপ্পড়: প্যানেল মেয়রের নামে মামলা
সভায় প্রকাশ্যে চড়-থাপ্পড়, পুলিশ হেফাজতে প্যানেল মেয়র
ইউপি চেয়ারম্যানকে ‘লাঞ্ছিত’ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

মন্তব্য

শিক্ষা
Bipake Jobi student wrote in the answer sheet that Sir is not in a good mood

উত্তরপত্রে ‘স্যার, মন ভালো নেই’ লিখে বিপাকে জবি শিক্ষার্থী

উত্তরপত্রে ‘স্যার, মন ভালো নেই’ লিখে বিপাকে জবি শিক্ষার্থী
মিডটার্ম পরীক্ষা শেষে অতিরিক্ত একটি উত্তরপত্র সঙ্গে নিয়ে আসেন তানভীর মাহতাব। বুধবার রাতে সেই উত্তরপত্রে ‘আজকে আমার মন ভালো নেই’ লিখে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন তিনি। বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার পর এ নিয়ে চলছে হাসি-তামাশা। ব্যাখ্যা দিতে তাকে ডেকে পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ।

পরীক্ষার উত্তরপত্রে অযাচিত এক বাক্য লিখে বেকায়দায় পড়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৬তম ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী। এমন আচরণের ব্যাখ্যা দিতে তাকে ডেকে পাঠিয়েছে বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ।

তানভীর মাহতাব নামের এই শিক্ষার্থী পরীক্ষার অতিরিক্ত উত্তরপত্রে ‘স্যার, আজকে আমার মন ভালো নেই’ লিখে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে হাসিঠাট্টা তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছেন তিনি।

মিডটার্ম পরীক্ষা শেষে অতিরিক্ত একটি উত্তরপত্র সঙ্গে নিয়ে আসেন তানভীর মাহতাব। বুধবার রাতে সেই উত্তরপত্রে ‘আজকে আমার মন ভালো নেই’ লিখে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন তিনি। তারপর বিষয়টি সব জায়গায় ভাইরাল হয়ে যায়। পরে তিনি পোস্টটি ডিলিট করলেও এ নিয়ে চলছে হাসি-তামাশা।

তানভীর বলেন, ‘নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ নিয়ে টাইমলাইনে ফানি পোস্ট দিয়েছিলাম। উত্তরপত্রে ইনভিজিলেটরের স্বাক্ষরটাও আমার দেয়া। বুঝতে পারিনি বিষয়টি এভাবে ভাইরাল হয়ে যাবে। পরে বেকায়দা বুঝতে পেরে পোস্টটি ডিলিট করেছি।’

ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মমিন উদ্দীন এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমরা পরিষ্কারভাবে এখনো কিছু জানি না। ওই শিক্ষার্থীকে রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে দেখা করতে বলা হয়েছে। তখন আমরা বিষয়টি সম্পর্কে পুরোপুরি জেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। আর ভাইরাল হওয়া ওই অতিরিক্ত উত্তরপত্রে ইনভিজিলেটরের স্বাক্ষরটি ইংরেজি বিভাগের কোনো শিক্ষকের নয়।’

বিষয়টিকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হলে ওই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা বহিষ্কার করতে পারি না। এটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে। তবে আমরা বিষয়টি নিয়ে রোববার ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত দেব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি এখনও কিছু জানি না।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ কে এম আক্তারুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে বিভাগ যা বলবে তার ওপর পদক্ষেপ নির্ভর করছে। তাছাড়া উত্তরপত্রটি আমি দেখিনি। তাই এই মুহূর্তে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন:
জবিতে সেমিস্টারে ভর্তিতে জরিমানার শর্ত সাময়িক শিথিল
চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে জবিতে কর্মচারীদের অবস্থান
জবিতে গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে বন্ধ ক্লাস, চলবে পরীক্ষা
নিজেদের দ্বিতল বাসে চড়বে জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে স্প্যানিশ ভাষা শেখাবে দূতাবাস

মন্তব্য

শিক্ষা
Allegation of beating DU student and leaving the hall

ঢাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হলছাড়া করার অভিযোগ

ঢাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হলছাড়া করার অভিযোগ
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী উৎসব রায়ের অভিযোগ, জগন্নাথ হল ছাত্রলীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সত্যজিৎ দেবনাথের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি হলের বাইরে। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হল থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ভবিষ্যতে হলে প্রবেশ করলে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর।

মঙ্গলবার বিকেলে জগন্নাথ হলের সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের ৭০১২ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী উৎসব রায় পালি অ্যান্ড বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

উৎসব রায়ের অভিযোগ, জগন্নাথ হল ছাত্রলীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সত্যজিৎ দেবনাথের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি হলের বাইরে ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

উৎসব বলেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে মঙ্গলবার নিজ রুমে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। বিকেলের দিকে সত্যজিতের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল আমার কক্ষের দরজায় কড়া নাড়ে। আমি দরজা খুলে দিলে প্রথমে আমার ইমিডিয়েট জুনিয়ররা ভেতরে প্রবেশ করে। তখন আমি তাদের বলি- আমি তোমাদের সিনিয়র, আমার সম্মান রাখো।

‘তখন পেছন থেকে সত্যজিৎ দেবনাথ আমাকে মারতে বলেন। তারপর তারা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাকে স্টাম্প ও রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে হল থেকে বের করে দেয়। এ সময় আশপাশের কেউ ভয়ে তাদের কিছু বলেনি। আমি জীবন সংশয়ে আছি। আমাকে কেন মারা হয়েছে তা-ও জানি না।’

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সত্যজিৎ দেবনাথ এ ব্যাপারে বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমাদের ফ্লোরের একটি রুম থেকে মোবাইল ফোন সেট খোয়া যায়। এ ঘটনায় উৎসব যাকে-তাকে মোবাইল চুরির অপবাদ দিচ্ছে। তাই শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হল থেকে বের করে দিয়েছে। এটার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমিই বরং তাকে মারধরের হাত থেকে বাঁচিয়েছি।

‘তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। ছিনতাই অথবা নারীঘটিত কারণে সে জেলও খেটেছে। নিয়মিত মাদকও সেবন করে।’

উৎসব রায় এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী ও হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে তিনি ১৯ জনের নাম উল্লেখ করেছেন।

তারা হলেন- ভূতত্ত্ব বিভাগের সত্যজিৎ দেবনাথ, বাঁধন, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সবুজ কুমার, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের শুভ সাহা, অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের রাজিব বিশ্বাস, যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের গণেশ ঘোষ, মৎস্য বিজ্ঞান বিভাগের অমিত দে ও ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের রিভু রিদম।

আরও রয়েছেন- লোকপ্রশাসন বিভাগের স্বাগতম বাড়ৈ, অর্থনীতি বিভাগের দীপ্ত রায়, উর্দু বিভাগের সবুজ শীল, যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের অভিষেক ভাদুরী, পাপন বর্মন, ইতিহাস বিভাগের সৌরভ সাহা, জয় দাস, লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অপূর্ব দাস, পুষ্পেন্দু মণ্ডল, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অমৃত মণ্ডল ও ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের প্রীতম আনন্দ।

তারা সবাই জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অতনু বর্মণের অনুসারী। আর অতনু কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের অনুসারী।

অতনু বর্মণ এ বিষয়ে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। ঘটনার দিন আমি সুনামগঞ্জে ছিলাম।’

হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা বলেন, ‘বিষয়টি আজই জেনেছি। দায়িত্বপ্রাপ্ত আবাসিক শিক্ষককে বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে অনুসন্ধান করতে বলেছি। তারপর জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
কারাগারে বসে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা
র‍্যাঙ্কিংয়ে ‘অ্যাটেনশন নেই’ ঢাবি উপাচার্যের
ভর্তি পরীক্ষা হলো ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ভর্তির লড়াই শুরু
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে আসনপ্রতি লড়বেন ৬৩ পরীক্ষার্থী

মন্তব্য

শিক্ষা
Announcement of policy to prevent sexual harassment in public

পবিপ্রবিতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নীতিমালার ঘোষণা

পবিপ্রবিতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নীতিমালার ঘোষণা
ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেশন অ্যানালিস্ট তোসিবা কাশেম জানান, প্রকল্প শুরুর আগে এক গবেষণায় দেখা গেছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী জানতেন না যৌন হয়রানির শিকার হলে তারা কোথায় অভিযোগ করবেন। এই নীতিমালা এবং কমিটি গঠন শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকরী ভুমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা করেছেন।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নীতিমালা ঘোষণা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি লাউঞ্জে বুধবার বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা করা হয়।

এই নীতিমালা তৈরিতে ইউএন উইমেন এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করেছে আমরাই পারি নামে সংগঠন এবং বরিশালের স্থানীয় সংগঠন শুভ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বদেশ চন্দ্র সামান্ত জানান, দেশের ৫২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪২টি এবং ১০৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৭০টিতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়েও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন ছিল।

তিনি মনে করেন, আইন প্রণয়নের পাশাপাশি তা সুষ্ঠু বাস্তবায়ন এবং মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের প্রতিও জোর দেয়া প্রয়োজন।

ইউজিসি মঞ্জুরি কমিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর মৌলী আজাদ বলেন, ‘অনেক সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির নাম যখন ইউজিসিতে পাঠানো হয়, তখন দেখা যায় এমন অনেকে কমিটিতে থাকেন যাদের কমিটিতে আসলে প্রয়োজন নেই।

‘৫ সদস্যের কমিটিতে নারী সদস্যের আধিক্যের পাশাপাশি বাইরে থেকে যে সদস্য দুইজন রাখার কথা বলা হয়েছে, সেখানে জেন্ডার বিষয়ক দক্ষ ব্যক্তিকে রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

পাশাপাশি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটিকে যেন হাইকোর্টের নির্দেশনামাফিক কার্যকরী করা হয় সে বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন তিনি।

ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেশন অ্যানালিস্ট তোসিবা কাশেম জানান, প্রকল্প শুরুর আগে এক গবেষণায় দেখা গেছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী জানতেন না যৌন হয়রানির শিকার হলে তারা কোথায় অভিযোগ করবেন।

এই নীতিমালা এবং কমিটি গঠন শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকরী ভুমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা করেছেন।

আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটের জিনাত আরা হক বলেন, ‘প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ নীতিমালা থাকা সেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্যও জরুরি। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্যাতক এবং নির্যাতনের শিকার উভয়ই যখন শিক্ষার্থী হয়, তখন নীতিমালা না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নিজেই নির্যাতনগুলোর বিচার করতে সমস্যায় পড়ে যায়।

‘নীতিমালার আলোকে সেই অভিযোগগুলো তদন্ত এবং নিষ্পত্তি করা সহজ হয়। যারা নির্যাতন করে তাদের অনেকের বোধই তৈরি হয় না যে তারা অপরাধ করছে। তাই এই নীতিমালা শিক্ষার্থীদের মাঝে সেই বোধ তৈরিতে সহায়ক হবে।’

আরও পড়ুন:
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ
খুবি শিক্ষকের বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার নিয়ে প্রশ্ন
জাবির চিকিৎসাকেন্দ্রে নার্সকে যৌন হয়রানি
ঢাকার গণপরিবহনে হয়রানির শিকার ৬৩ শতাংশ নারী
ছাত্রকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে