× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
DU admission test taker complains of wasting 20 minutes by forgetting the inspector
hear-news
player
print-icon

পরিদর্শকের ভুলে ২০ মিনিট নষ্টের অভিযোগ ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার্থীর

পরিদর্শকের-ভুলে-২০-মিনিট-নষ্টের-অভিযোগ-ঢাবির-ভর্তি-পরীক্ষার্থীর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
লিখিত অভিযোগে ছাত্রী জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকা পরিদর্শক খাতায় সিগনেচার করতে এসে ভুলে তার বহুনির্বাচনি অংশের ওএমআরের পরিবর্তে লিখিত অংশের ওএমআর ছিঁড়ে ফেলেন। পরে নতুন খাতা দিতে তিনি ২০ মিনিট দেরি করেন। ততক্ষণে বহুনির্বাচনি অংশের জন্য থাকা ৪৫ মিনিটের মধ্যে ২৫ মিনিট শেষ হয়ে যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় কেন্দ্র পরিদর্শকের ভুলে দেড় ঘণ্টার পরীক্ষায় প্রায় ২০ মিনিট সময় নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এক পরীক্ষার্থী।

পরীক্ষার পরপরই ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক এবং কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আব্দুল বাছিরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই পরীক্ষার্থী।

গত শনিবার বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা হয়।

ওই শিক্ষার্থীর নাম সাদিয়া আফরিন নিঝুম। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল ৩১১৩৪৯৭। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩০৬ নম্বর কক্ষে তিনি পরীক্ষা দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে ওই ছাত্রী জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকা পরিদর্শক খাতায় সিগনেচার করতে এসে ভুলে তার বহুনির্বাচনি অংশের ওএমআরের পরিবর্তে লিখিত অংশের ওএমআর ছিঁড়ে ফেলেন। পরে নতুন খাতা দিতে তিনি ২০ মিনিট দেরি করেন। ততক্ষণে বহুনির্বাচনি অংশের জন্য থাকা ৪৫ মিনিটের মধ্যে ২৫ মিনিট শেষ হয়ে যায়।

ছাত্রীর অভিযোগ থেকে জানা যায়, পরিদর্শক তাকে লিখিত অংশের জন্য বরাদ্দকৃত ৪৫ মিনিটের মধ্যে ৫ মিনিট সময় বহুনির্বাচনি অংশের জন্য দেন, তবে পরীক্ষার মোট সময় বাড়ানো হয়নি। ফলে তাকে ফের নতুন করে ওএমআরের সব তথ্য পূরণ করে ২৫ মিনিটের মধ্যে বহুনির্বাচনি অংশ এবং ৪০ মিনিটের মধ্যে লিখিত অংশ শেষ করতে হয়।

দীর্ঘদিন যে পরিশ্রম করেছেন, তা বৃথা হয়ে যাচ্ছে বলে লিখিত অভিযোগে আক্ষেপ করেন পরীক্ষার্থী।

বিষয়টি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা নিয়ে অথবা এই ক্ষতির জন্য প্রয়োজনীয় যা যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার, তা বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

অভিযোগ অস্বীকার করে সেদিন ৩০৬ নম্বর কক্ষের পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক তাহেরা ইয়াসমিন বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট অভিযোগ। তাদের ওএমআর ছেঁড়ার দায়িত্ব আমার না। ওএমআর শিক্ষার্থীরাই ছিঁড়বে।’

এই শিক্ষক বলেন, ‘সেদিন আমার রুমে ৩০ জন শিক্ষার্থীর আসন পড়েছে আর খাতা ছিল ৩১টা। পরীক্ষার শুরুতে আমি সবাইকে নির্দেশনা শুনিয়ে খাতা দিই। প্রশ্ন দেয়ার আগে এক শিক্ষার্থী জানান, তিনি ভুলক্রমে লিখিত অংশের ওএমআর ছিঁড়ে ফেলেছেন।

‘পরে আমি কথা না বাড়িয়ে আমার হাতে থাকা অতিরিক্ত খাতাটা তাকে দিই। এরপর যখন আমি প্রশ্ন দেয়া শুরু করি, তখন এই মেয়েটা (সাদিয়া আফরিন) জানান, সেও একই ভুল করেছে। লিখিত অংশের ওএমআর ছিঁড়ে ফেলেছে।

‘পরে আমি আমাদের প্রিন্সিপ্যাল ম্যাম এবং ভাইস প্রিন্সিপ্যাল ম্যামকে ফোন দিই, কিন্তু তাদের সাড়া না পাওয়ায় রুমের বাইরে থাকা পিয়নকে জানালে, সে অন্য রুম থেকে একটা খাতা নিয়ে এসে মেয়েটাকে দেয়। এরপর তাকে লিখিত অংশের ১০ মিনিট সময়ও দেয়া হয়েছে।’

নতুন খাতা না দিয়ে ছেঁড়া অংশ স্ট্যাপলার করে দেয়ার সুযোগ ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ রকম যুক্ত করে দেয়া যায় কি না, সেটি আমার জানা নেই।’

এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার বলেন, ‘পরীক্ষা শেষে যখন আমরা খাতা প্যাকিং করছি, তখন সেই শিক্ষার্থীর অভিভাবক এসে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তখন আর আমাদের কিছু করার সুযোগ ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থী নিজেই এই ওএমআর ছিঁড়েছেন। তাকে আমরা যতটুকু সম্ভব হেল্প করেছি। তার পরীক্ষা কোনোভাবে খারাপ হয়েছে। এই জন্যই হয়তো সেই শিক্ষার্থী এই মিথ্যা অভিযোগ করছেন।’

সার্বিক বিষয়ে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল বাছির বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। আমরা সেই শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থী অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেছি। শিক্ষিকা বলছেন, এই ওএমআর শিক্ষার্থী ছিঁড়েছে আর অভিভাবক বলছেন, শিক্ষিকাই ছিঁড়েছেন। যাই হোক, এটা তো আর আমরা ছবি তুলে রাখিনি।

‘সেই শিক্ষিকা এই শিক্ষার্থীকে দশ মিনিট সময় অতিরিক্ত দিয়েছেন। সে সেটা পুষিয়ে ফেলেছে। তার খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। পরে অভিভাবকও বুঝে গেছেন।’

ছাত্রীর বোন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাবরিন মিম বলেন, ‘আমি অভিযোগ দেয়ার পরদিন বাছির স্যারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছিলাম। তিনি সেই শিক্ষিকার বক্তব্য আমাকে জানিয়েছেন। আমি স্যারকে বলেছি, আমার বোনকে অবিশ্বাস করলে সেই শিক্ষিকাকেও কেন আপনি অবিশ্বাস করছেন না, তবে স্যার আমাকে এই বিষয়ে তার কিছু করার নেই বলে জানান।’

ছাত্রীর বোন আরও বলেন, “যদি আসলেই আমার বোনের দোষ হতো তাহলে আমি এত কিছু করতাম না। তার জন্য সেই প্রশ্ন কঠিন হওয়ার কোনো সুযোগই ছিল না। আমার বোন এতটাই কনফিডেন্ট ছিল যে, সে ‘খ’ ইউনিট ছাড়া অন্য কোনো ইউনিটের ফর্মই পূরণ করেনি।

“এখন আমরা এটা নিয়ে উপাচার্য (অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান) স্যারের কাছে অভিযোগ ‍দেব।”

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ভর্তিচ্ছুদের থাকার ব্যবস্থা করবে ছাত্রলীগ
ঢাবি প্রক্টরকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে সাদা দলের আহ্বান
ঢাবিতে ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান দাবি সাদা দলের
ঢাবিতে ‘আলহাজ্ব মকবুল হোসেন ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন
ঢাবিতে ‘সালাম না দেয়ায়’ ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
SSC has not decided when

এসএসসি কবে, সিদ্ধান্ত হয়নি

এসএসসি কবে,  সিদ্ধান্ত হয়নি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় আমাদের অনেক শিক্ষার্থীর বইপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের নতুন বই দিতে হবে। আমরা অ্যাসেস করছি। প্রয়োজনে নতুন বই ছাপিয়ে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে।

এ বছরের এসএসসি বা মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা কবে হবে, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার দুপুরে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা খোঁজ রাখছি নিয়মিত। এখনও কিছু কিছু এলাকায়… শহর থেকে পানি নেমে গেছে। গ্রাম পর্যায়ে এখনও কোথাও কোথাও হয়তো আছে, সেটাও নেমে যাবে। কিন্তু ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিছু জায়গায়। আমাদের অনেক পরীক্ষার্থী… আমাদের কাছে তথ্যও আসছে.. বইপত্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

‘আমরা এখন পুরো অ্যাসেস করছি যে, আমাদের কতপরীক্ষার্থীকে নতুন করে বই দিতে হবে। আমরা দেখছি হিসেব করছি, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে বইও ছাপিয়ে ফেলব। তারপর আমরা আমাদের পরীক্ষার্থীদের হাতে বইগুলো পৌঁছে দেব, যাদের বইগুলো নষ্ট হয়েছে। আমরা তথ্যগুলো নিচ্ছি। তাদের হাতে বইগুলো দিয়ে অন্তত ২ সপ্তাহ তাদের সময় দিতে হবে। এটা আমাদের টাইমলাইন। কিন্তু এটা কোথায় গিয়ে ঠেকবে এটা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব না।’

এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হলেও আপাতত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে কথা বলে যখন শিশুদের ভ্যাকসিনের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারব, তারপর আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আমরা চিন্তা করতে পারব। এটা ঠিক যে সংক্রমণ বাড়ছে। আমাদের সচেতন হতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখব কি না… আমাদের তো ১২ বছরের ওপর সবার টিকা দেয়া আছে।

‘১২ বছরের নিচের টিকাটা যদি আমরা দেয়ার ব্যবস্থা করে ফেলতে পারি তাহলে হয়তো সেটার আর প্রয়োজন হবে না। যেহতু আমরা চাই যতোটা সম্ভব স্কুল খোলা রেখেই আমরা আমাদের সমস্যা সমাধানের দিকে যাবো। কাজেই এই মুহূর্তে স্কুল বন্ধের কথা আমরা ভাবছি না বরং অনেক বেশি সচেতন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কার্যক্রমটাকে চালিয়ে নেবার কথা ভাবছি। তবে সবকিছু নির্ভর করবে পরিস্থিতির উপর। আমার শিক্ষার্থী, তার পরিবার ও শিক্ষকের জীবনটাই আমাদের কাছে জরুরি।’

আরও পড়ুন:
এসএসসি পিছিয়ে আগস্টে
এসএসসি পরীক্ষা হবে কবে
পিছিয়ে যাচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষাও

মন্তব্য

শিক্ষা
Proxy arrest in teacher recruitment test 3

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি, গ্রেপ্তার ৩

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি, গ্রেপ্তার ৩ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার বেলাল উদ্দীন। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড জানায়, মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রাথমিক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়। সে সময় পরীক্ষার খাতার লেখার সঙ্গে দুজনের হাতের লেখার মিল পাওয়া যায় না। এরপর তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিখিত পরীক্ষায় ১৮ লাখ টাকায় প্রক্সি দেয়ানোর কথা স্বীকার করেন।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে পঞ্চগড়ে দুই পরীক্ষার্থীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষা দেয়ার পর মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই তিনজন হলেন গণ-উন্নয়ন সমবায় সমিতির পরিচালক ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বেলাল উদ্দীন, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বড়দাপ এলাকার মোকসেদুর রহমান এবং ছোটদাপ এলাকার আহসান হাবিব।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনে তাদের নামে সদর থানায় এই মামলা করেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড জানায়, মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রাথমিক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়। সে সময় পরীক্ষার খাতার লেখার সঙ্গে তাদের হাতের লেখার মিল পাওয়া যায় না।

এরপর তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিখিত পরীক্ষায় ১৮ লাখ টাকায় প্রক্সি দেয়ানোর কথা স্বীকার করেন। এই কাজের হোতা বেলাল ছিলেন বলে জানান।

বোর্ডের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘তারা জালিয়াতির কথা স্বীকার করলে দুজনকেই আটক করা হয়। সবার পরীক্ষা শেষে কৌশলে বেলালকে ডেকে এনে তিনজনকেই পুলিশে দেয়া হয়।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তিনজনকে পুলিশে দেয়ার পর তাদের নামে মামলা হয়। বুধবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

পুলিশ জানায়, বেলালের নামে বিভিন্ন থানায় চেক ডিজ-অনার মামলাসহ মিথ্যা ও ভুয়া মামলা দেয়ার অভিযোগ আছে।

আরও পড়ুন:
লালমনিরহাটে প্রাথমিকের পরীক্ষা নিয়ে ‘নাটকীয়তা’
প্রাথমিকে নিয়োগের ভুয়া প্রশ্নপত্র: আটক ১৩
প্রশ্ন ফাঁসের তথ্য গুজব: প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিকে নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপে যেসব জেলায় পরীক্ষা
সরকারি জমি ব্যাংকে বন্ধক, ১৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ

মন্তব্য

শিক্ষা
The number of top 3 people in A unit of DU is equal

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে শীর্ষ ৩ জনের নম্বর সমান

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে শীর্ষ ৩ জনের নম্বর সমান ঢাবির ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকায় প্রথম হয়েছেন আসীর আনজুম খান, দ্বিতীয় খালিদ হাসান তুহিন আর তৃতীয় জারিফা তাবাসসুম। ফাইল ছবি
নম্বর সমান হওয়ায় ক্রম নির্ধারণ করার পদ্ধতি সম্পর্কে এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়কারী ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষায় আমরা তিনটি বিষয়ে নম্বর দেখেছি। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতে কে নম্বর বেশি পেয়েছে। সেভাবেই তাদের মধ্য থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষ তিনজনই সমান নম্বর পেয়েছেন।

১২০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রত্যেকে পেয়েছেন ১১৫ নম্বর। প্রাপ্ত নম্বর সমান হওয়ায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতে যিনি বেশি নম্বর পেয়েছেন, ধারাবাহিকভাবে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

নম্বর সমান হওয়ায় ক্রম নির্ধারণ করার পদ্ধতি সম্পর্কে এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়কারী ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষায় আমরা তিনটি বিষয়ে নম্বর দেখেছি। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতে কে নম্বর বেশি পেয়েছে। সেভাবেই তাদের মধ্যে থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।’

এই পদ্ধতিতে মেধাতালিকায় প্রথম হয়েছেন আসীর আনজুম খান, দ্বিতীয় খালিদ হাসান তুহিন আর তৃতীয় জারিফা তাবাসসুম।

আসীর আনজুম এবং খালিদ হাসান দুইজনই নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী আর জারিফা তাবাসসুম জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত এই ইউনিটে প্রথম হওয়া আসীর আনজুম বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম হয়েছেন।

এ ছাড়া তিনি মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় ষষ্ঠ ও ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ভর্তি পরীক্ষায় অষ্টম স্থান অধিকার করেন।

প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় হওয়া সবাই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন। ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় তাদের সকলেরই স্কোর ৯৫ নম্বর।

আসীর আনজুম এমসিকিউ অংশে রসায়ন এবং গণিতে সম্পূর্ণ ১৫ নম্বরই পেয়েছেন।

আর পদার্থবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞানে পেয়েছেন ১৩.৭৫ নম্বর।

এ ছাড়া লিখিত অংশে তিনি পদার্থবিজ্ঞান এবং গণিতে ১০ নম্বর, রসায়নে ৯ আর জীববিজ্ঞানে ৮.৫ নম্বর পেয়েছেন।

ফলে পদার্থবিজ্ঞানে তার সর্বমোট নম্বর ২৩.৭৫, রসায়নে ২৪, গণিতে ২৫ এবং জীববিজ্ঞানে ২২.২৫।

দ্বিতীয় হওয়া খালিদ হাসান নৈর্ব্যক্তিক অংশের রসায়ন এবং গণিতে সম্পূর্ণ ১৫ নম্বরই পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞানে পেয়েছেন ১৩.৭৫ নম্বর।

এ ছাড়া লিখিত অংশে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে ১০, রসায়নে ৯.৫, গণিত এবং জীববিজ্ঞানে ৯ নম্বর পেয়েছেন।

ফলে পদার্থবিজ্ঞানে তার সর্বমোট নম্বর ২৩.৭৫, রসায়নে ২৪.৫, গণিতে ২৪ এবং জীববিজ্ঞানে ২২.২৫।

তৃতীয় হওয়া জারিফা তাবাসসুম এমসিকিউ অংশে পদার্থ বিজ্ঞানে ১২, রসায়নে ১৫, গণিতে ১৪ এবং জীববিজ্ঞানে পেয়েছেন ১৩.৭৫ নম্বর।

এ ছাড়া লিখিত অংশে তিনি পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞানে ১০ নম্বর আর গণিতে পেয়েছেন ৯.৫ নম্বর।

ফলে পদার্থ বিজ্ঞানে তার সর্বমোট নম্বর ২২.৭৫, রসায়নে ২৫, গণিতে ২৩.৫ এবং জীববিজ্ঞানে ২৩.৭৫।

এর আগে সোমবার দুপুরে ‘ক’ ইউনিটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১ লাখ ১০ হাজার ৩৭৪ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১১ হাজার ৪৬৬ জন। পাসের হার ১০ দশমিক ৩৯।

অর্থাৎ ৮৯ দশমিক ৬১ (প্রায় ৯০ শতাংশ) শতাংশই ফেল করেছে।

‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন করেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৬৮৯ জন।

সর্বমোট ১ হাজার ৭৮১ জন পরীক্ষার্থী এবার এই ইউনিটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC back in August

এসএসসি পিছিয়ে আগস্টে

এসএসসি পিছিয়ে আগস্টে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা জুলাইয়েও হচ্ছে না। ফাইল ছবি
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘সিলেট অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতিতে সেখানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব নয়। তাই এখনই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ আমরা বলতে চাই না, তবে ঈদের পর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ করা হবে।’

দেশে বন্যা পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি না হওয়ায় জুলাই মাসেও চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব হবে না।

এ ক্ষেত্রে পরীক্ষাটি আগস্টে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আন্তশিক্ষা বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নিউজবাংলাকে রোববার এ তথ্য জানান আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

তিনি বলেন, ‘সিলেট অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতিতে সেখানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব নয়। তাই এখনই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ আমরা বলতে চাই না, তবে ঈদের পর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ করা হবে।’

কবে নাগাদ পরীক্ষাটি আয়োজন করা হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আজকের আন্তশিক্ষা বোর্ডের সভায় সারা দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সবাই আশা প্রকাশ করেছে চলতি মাসে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এ ক্ষেত্রে আমরা পরীক্ষাটি আগস্ট মাসে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান, এসএসসি পেছানোর কারণে পিছিয়ে যাবে এইচএসসি পরীক্ষাও।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল গত ১৯ জুন, কিন্তু দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্থগিত করা হয় এ পরীক্ষা।

এবারের পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ২ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রশ্নপত্রের এমসিকিউ অংশের জন্য ২০ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট নির্ধারিত থাকবে।

এ বছর ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ বোর্ডে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন, দাখিলে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন ও কারিগরিতে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ জন।

গত বছর পরীক্ষার্থী ছিল ২২ লাখ ৪৩ হাজার ২৫৪ জন। এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত বছরের চেয়ে প্রায় সোয়া দুই লাখ পরীক্ষার্থী কমেছে।

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনার কারণে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা এখনও নেয়া সম্ভব হয়নি। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেয়া গেলেও এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি। এ দফায় শিক্ষাঙ্গনে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকে এক মাস।

২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে।

২ মার্চ শুরু হয় প্রাথমিকে সশরীরে ক্লাস। টানা দুই বছর বন্ধের পর ১৫ মার্চ প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয়।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনের দুয়ার।

আরও পড়ুন:
রাজশাহী বোর্ডে ঝরল ৩০ হাজার শিক্ষার্থী
পদ্মা সেতু উদ্বোধন: এগোল এসএসসির পরীক্ষা
ফাইনালের আগে প্রস্তুতি পরীক্ষা নিলেন ইউএনও
একাদশে প্রতিষ্ঠান বদলের আবেদন শুরু বুধবার
কারিগরি বোর্ডের দাখিল-ভোকেশনালের রুটিন প্রকাশ

মন্তব্য

শিক্ষা
Fell in DUs C unit is about 6 percent

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ফেল প্রায় ৮৬ শতাংশ

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ফেল প্রায় ৮৬ শতাংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে চলতি বছর পাসের হার ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। এর মানে দাঁড়াচ্ছে পরীক্ষায় অংশ নেয়া প্রায় ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে৷

পরীক্ষায় অংশ নেয়া ২৯ হাজার ৯৯৭ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ হাজার ২৮৯ জন।

এ ইউনিটে চলতি বছর পাসের হার ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। এর মানে দাঁড়াচ্ছে পরীক্ষায় অংশ নেয়া প্রায় ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।

গত ৩ জুন ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়েছিল। ৯৩০ জন পরীক্ষার্থী এবার এ ইউনিটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল শ্রেণিকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফল ঘোষণা করেন উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারছেন। এ ছাড়া রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক বা টেলিটক নম্বর থেকে ‘DU GA Roll NO’ ফরম্যাটে ১৬৩২১ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাচ্ছে৷

‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাক্রম ১ থেকে ১ হাজার ১০০ পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে আগামী ৬ জুলাই বেলা তিনটা থেকে ২১ জুলাই বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ঢাবির ওয়েবসাইটে বিস্তারিত ফরম ও বিষয় পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে হবে৷

কোটায় আবেদনকারীদের ৬ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম বাণিজ্য অনুষদের ডিন কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে হবে। তা যথাযথভাবে পূরণ করে ওই সময়ের মধ্যে ডিন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে৷

কারও ফল নিয়ে সন্দেহ থাকলে তা নিরীক্ষার জন্য ১ হাজার টাকা ফি দিয়ে ৬ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত বাণিজ্য অনুষদের ডিন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুন:
কীভাবে জানা যাবে ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল
ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে ফেল ৯০ শতাংশ
ঢাবিতে বাজেটবিষয়ক আলোচনা সভা
ঢাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হলছাড়া করার অভিযোগ
‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেয়া নিয়ে ঢাবি সিনেটে হট্টগোল

মন্তব্য

শিক্ষা
How to know the result of B unit of DU

কীভাবে জানা যাবে ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল

কীভাবে জানা যাবে ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীরা রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক অথবা টেলিটক নম্বর থেকে DU KHA টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে সেন্ড করে ফিরতি মেসেজে তাদের ফল জানতে পারবেন।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।

এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রতিটি শিক্ষার্থী তার উচ্চমাধমিক পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ডের নাম, পাসের সাল এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার রোল নম্বরের মাধ্যমে ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবেন।

শিক্ষার্থীরা রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক অথবা টেলিটক নম্বর থেকে DU KHA টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে সেন্ড করে ফিরতি মেসেজে তাদের ফল জানতে পারবেন।

উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে আগামী ৪ জুলাই বিকেল ৩টা থেকে ২১ জুলাই বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে বিস্তারিত ফরম ও বিষয়ের পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিভিন্ন কোটায় আবেদনকারীদের ১৭ থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম কলা অনুষদের ডিন অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে। যথাযথভাবে ফরম পূরণ করে সে সময়ের মধ্যে ডিন অফিসে জমা দিতে হবে।

ফল নিরীক্ষণের জন্য ফি প্রদান সাপেক্ষে আগামী ২৯ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত কলা অনুষদের ডিন অফিসে আবেদন করা যাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় পাসের হার ৯.৮৭ শতাংশ। এর মানে দাঁড়াচ্ছে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৯০.১৩ শতাংশই অকৃতকার্য হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মহানবীকে কটূক্তির প্রতিবাদে ঢাবিতে ‘নাত’ পাঠ
ঢাবিতে নারী হেনস্তার বিচার চায় ছাত্র ইউনিয়ন
বেলায়েত বললেন, ঢাবির পরীক্ষা মোটামুটি হয়েছে
কারাগারে বসে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা
র‍্যাঙ্কিংয়ে ‘অ্যাটেনশন নেই’ ঢাবি উপাচার্যের

মন্তব্য

শিক্ষা
Fail 90 percent in B unit of DU

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে ফেল ৯০ শতাংশ

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে ফেল ৯০ শতাংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি
ঢাবির ‘খ‘ ইউনিটের পরীক্ষায় পাস করেছেন ৯.৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। এর মানে দাঁড়াচ্ছে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৯০.১৩ শতাংশই অকৃতকার্য হয়েছে। কলা অনুষদভুক্ত এই ইউনিটে গতবার পাসের হার ছিল ১৬.৮৯ শতাংশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।

এ পরীক্ষায় পাস করেছে ৯.৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী।

এর মানে দাঁড়াচ্ছে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৯০.১৩ শতাংশই অকৃতকার্য হয়েছে।

কলা অনুষদভুক্ত এই ইউনিটে গতবার পাসের হার ছিল ১৬.৮৯ শতাংশ। গত ৪ জুন ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়েছিল।

সোমবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় এবার তৃতীয়বারের মতো নৈর্ব্যক্তিকের পাশাপাশি লিখিত অংশও ছিল।

‘খ’ ইউনিটে ১ হাজার ৭৮৮ আসনের বিপরীতে ৫৮ হাজার ৫৭৩ শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করেন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৪৬ হাজার ৯৭২ জন।

ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত ও নৈর্ব্যক্তিক অংশে সমন্বিতভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ হাজার ৬২২ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার ফল জানা যাবে ওয়েবসাইটে।

দুপুর ১টার দিকে উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের আবদুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ফল ঘোষণা করেন।

ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, ‌‘খ’ ইউনিট পরীক্ষার সমন্বয়ক এবং কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল বাছিরসহ ভর্তি পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে নারী হেনস্তার বিচার চায় ছাত্র ইউনিয়ন
বেলায়েত বললেন, ঢাবির পরীক্ষা মোটামুটি হয়েছে
কারাগারে বসে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা
র‍্যাঙ্কিংয়ে ‘অ্যাটেনশন নেই’ ঢাবি উপাচার্যের
ভর্তি পরীক্ষা হলো ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে

মন্তব্য

p
উপরে