× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
Applications for the bunch admission test will run from 15 25 June
hear-news
player
print-icon

১৫-২৫ জুন চলবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আবেদন

১৫-২৫-জুন-চলবে-গুচ্ছ-ভর্তি-পরীক্ষার-আবেদন
গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ১৫ জুন শুরু হবে। ফাইল ছবি
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ‘গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের নিয়ে আগামী ৯ জুন আরও একটি সভা হবে। ওই সভায় চলতি বছরের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি চূড়ান্ত করা হবে।’

গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন আগামী ১৫ জুন থেকে শুরু হবে এবং তা চলবে ২৫ জুন পর্যন্ত। নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি আবেদনে নির্দিষ্ট তারিখ শেষে আর অতিরিক্ত সময় বাড়ানো হবে না।

রোববার রাতে ভার্চুয়ালি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ‍উপাচার্যদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিউজবাংলাকে অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ বলেন, ‘গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের নিয়ে আগামী ৯ জুন আরও একটি সভা হবে। ওই সভায় চলতি বছরের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি চূড়ান্ত করা হবে।’

সভা শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ বছর ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের এসএসসি ও সমমান এবং ২০২০ ও ২০২১ সালের এইচএসসি ও সমমানের শিক্ষার্থীদেরও আবেদনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। তারা আবেদন করতে পারবেন। খুব শিগগিরই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানান, ‘গতবার পরীক্ষার্থী সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয়া হলেও এবার আবেদনের যোগ্যতা থাকলেই পরীক্ষা দেয়া যাবে। আমরা এবার চেষ্টা করব একসঙ্গে ভর্তি কার্যক্রম চালাতে, যাতে ক্লাস শুরু করতে বিলম্ব না হয়। তাহলে ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষার্থীদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।’

এর আগে গত সোমবার ভর্তি কমিটির এক সভায় আগামী ৩০ জুলাই থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ৩০ জুলাই ‘ক’ ইউনিট, ১৩ আগস্ট ‘খ’ ইউনিট এবং ২০ আগস্ট ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে। গতবারের চেয়ে এবারে ৩০০ টাকা বাড়িয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন ফি ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এবার ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াও ভর্তি কার্যক্রমসহ সব কিছু কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু একবারই টাকা দিতে হবে। একটি মাত্র কেন্দ্র নির্ধারণ করবে শিক্ষার্থীরা। এই কেন্দ্রের অধীনেই পরীক্ষা দিতে পারবে। পাশাপাশি ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় ৩০ নম্বরে পাস নাম্বার নির্ধারণ করা হয়েছে।

গুচ্ছভুক্ত ২২টি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়াও রয়েছে- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। শেষ দুইটি বিশ্ববিদ্যালয় এ বছর গুচ্ছের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ শুরু
বুয়েটে ভর্তির প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশ
এক মাস এগিয়েছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা
২২ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি: পরীক্ষা কবে জানা যাবে সোমবার
কবে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
30000 more primary appointments State Minister

প্রাথমিকে আরও ৩০ হাজার নিয়োগ : প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিকে আরও ৩০ হাজার নিয়োগ : প্রতিমন্ত্রী ফাইল ছবি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চলমান ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে আরও ৩০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করবে মন্ত্রণালয়।’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরও ৩০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

তিনি বলেন, ‘চলমান ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে আরও ৩০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করবে মন্ত্রণালয়।’

কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বুুধবার আয়োজিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইনে বদলির পাইলটিং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘অনলাইনে এ বদলির কার্যক্রম শিক্ষকদের স্বস্তি দেবে। তারা পাঠদানে ভালোভাবে মনোনিবেশ করতে পারবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও শিশুরা প্রাথমিক বিদ্যালয় ছেড়ে কেজি স্কুলে ভর্ত্তি হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘অনলাইন বদলি কার্যক্রম শিক্ষকদের দিয়ে শুরু হলেও পরবর্তীতে অধিদপ্তরের অন্যান্য পর্যয়ের কর্মকর্তারাও এ প্রক্রিয়ায় চলে আসবেন। তিনি পাইলটিং এর কোন ত্রুটি হলে তা নিয়ে সমালোচনা না করে কর্তৃপক্ষের নজরে আনার অনুরোধ জানান।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহিবুর রহমান, অধিদপ্তরের পরিচালক বদিয়ার রহমান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক আনিছুর রহমানসহ আরও অনেকে।

মন্তব্য

শিক্ষা
Admission time to National University increased

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় বাড়ল

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় বাড়ল
বন্যার্ত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় রেখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমে প্রথম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আবেদন ফরম পূরণের সময় ৬ জুলাই বিকাল ৪টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির সময় বাড়ানো হয়েছে। বন্যার্ত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে এ সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক-পূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্যার্ত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় রেখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমে প্রথম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আবেদন ফরম পূরণের সময় ৬ জুলাই বিকাল ৪টা পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

প্রথম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে কোনো শিক্ষা কার্যক্রমে ভর্তি হয়ে থাকলে তাকে অবশ্যই ৫ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ববর্তী শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বাতিল করে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করতে হবে। অন্যথায় দ্বৈত ভর্তির কারণে শিক্ষার্থীর ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রথম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থী তার বিষয় পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হলে, তাকে চূড়ান্ত ভর্তি ফরমে বিষয় পরিবর্তনের নির্দিষ্ট ঘরে এবং অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিষয় পছন্দক্রম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কলেজে বিষয়ভিত্তিক শূন্য আসনে মেধার ভিত্তিতে বিষয় পরিবর্তন করা হবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে ২০ জুলাই।

আরও পড়ুন:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন শুরু ২২ মে
ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ভর্তি আবেদন শুরু ২২ মে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ
‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট শূন্যে নামিয়ে আনা হবে’

মন্তব্য

শিক্ষা
Around 8 lakh students were affected by the floods

বন্যার কবলে পৌনে ৬ লাখ শিক্ষার্থী

বন্যার কবলে পৌনে ৬ লাখ শিক্ষার্থী বন্যার পানিতে নিমজ্জিত সিলেটের এক স্কুল ভবন। ছবি: নিউজবাংলা
মাউশির প্রতিবেদনের তথ্যমতে, দেশের ১৮টি জেলার ৮৫টি উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজ) পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৮৪৪ জন শিক্ষার্থী বন্যার কবলে পড়েছে।

দেশের ১৮ জেলার ৮৫টি উপজেলায় এক হাজার ১২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজ) পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৮৪৪ জন শিক্ষার্থী বন্যার কবলে পড়েছে।

মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং থেকে এ তথ্য জানা যায়।

মাউশির প্রতিবেদনের তথ্যমতে, দেশের ১৮টি জেলার ৮৫টি উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজ) পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৮৪৪ জন শিক্ষার্থী বন্যার কবলে পড়েছে। তবে বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার কবলে পড়েনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোর ১২৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে। আংশিকভাবে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে ১০৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। আর ৮৮৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনও পাঠদান সম্ভব নয়। বন্যাকবলিত এলাকার ৬৫৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে।

সিলেটসহ সারা দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অবনতির পর ২২ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং থেকে সব আঞ্চলিক পরিচালক ও উপ-পরিচালককে তথ্য পাঠানোর অফিস আদেশ জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, বর্তমানে অতিবৃষ্টির কারণে উজান থেকে পানি নেমে আসায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় মাউশির আওতাধীন জেলা/উপজেলায় কতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যাকবলিত এবং কতসংখ্যক শিক্ষার্থী বন্যাকবলিত রয়েছে তার তথ্য সংযুক্ত ছক অনুযায়ী মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইংয়ের ই-মেইলে ([email protected]) পাঠানোর অনুরোধ করা হলো।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির পাইলটিং শুরু বুধবার
আসামের বন্যাদুর্গতদের জন্য ২৫ লাখ রুপি দিলেন আমির খান
পানি নামার আগেই আবার বাড়ছে সুনামগঞ্জে
বন্যাদুর্গত এলাকায় কাটা রাস্তায় সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের নির্দেশ
শিক্ষার্থীদের ৫০ লাখ টাকা বৃত্তি দিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

মন্তব্য

শিক্ষা
The job went to the Deputy Director of Primary Dhaka

চাকরি গেল প্রাথমিকের ঢাকার উপপরিচালকের

চাকরি গেল প্রাথমিকের ঢাকার উপপরিচালকের
ইফতেখার হোসেনের বিরুদ্ধে নীতিমালার তোয়াক্কা না করে অর্থের বিনিময়ে বদলি বাণিজ্য, বিভাগীয় মামলার ভয় দেখিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। এ অভিযোগে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) ও তথ্য অনুযায়ী অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

শিক্ষকদের ওপর চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঢাকা অঞ্চলের উপপরিচালক ইফতেখার হোসেন ভূঁইয়া।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আমিনুল ইসলাম খান সই করা প্রজ্ঞাপনে মঙ্গলবার এ তথ্য জানা যায়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইফতেখার হোসেনের বিরুদ্ধে নীতিমালার তোয়াক্কা না করে অর্থের বিনিময়ে বদলি বাণিজ্য, বিভাগীয় মামলার ভয় দেখিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। এ অভিযোগে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) ও তথ্য অনুযায়ী অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত শুনানি চান কি না জানতে চাওয়া হয়। লিখিত জবাব দিলেও ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ না নেয়ায় বিভাগীয় মামলাটি তদন্তের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তদন্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে জানিয়ে মতামত দেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যেহেতু, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। পরে তিনি ওই নোটিশের জবাব দেন।

জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মতামত চাওয়া হলে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের সঙ্গে কমিশন একমত পোষণ করেন।

ইফতেখার হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) ও ৩(ঘ) মোতাবেক অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় উক্ত বিধিমালার অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আবারও বরখাস্ত পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী
পার্কে যুগলের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে ডিবির দুই সদস্য বরখাস্ত
ইউপি নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে নির্বাচন কর্মকর্তা বরখাস্ত
পূর্ণাঙ্গ রায়: শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ছয় মাসের বেশি নয়
সরকারবিরোধী বক্তব্য: পৌর মেয়র বরখাস্ত

মন্তব্য

শিক্ষা
The piloting of the transfer to primary school began on Wednesday

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির পাইলটিং শুরু বুধবার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির পাইলটিং শুরু বুধবার ছবি: সংগৃহীত
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইএমডি বিভাগ থেকে বলা হয়, শিক্ষকরা তাদের শিক্ষক পিন (ই-প্রাইমারি সিস্টেম) ব্যবহার করে ওটিপি অথেনটিকেশনের মাধ্যমে লগইন করে নিজস্ব ইউআই (ইউজার ইন্টারফেস)-এ প্রবেশ করে বদলির আবেদন করবেন।

তিন দফা তারিখ পেছানের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে শিক্ষক বদলি কার্যক্রমের পাইলটিং শুরু হবে বুধবার।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় অনলাইন বদলির পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন মঙ্গলবার বিকেলে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনলাইনে বদলি কার্যক্রমের পাইলটিং আগামী বুধবার মন্ত্রী মহোদয় গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় উদ্বোধন করবেন। এ সময় উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে মার্চ তিন মাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি করা হয়। তবে করোনার কারণে বদলি কার্যক্রম প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর ১৩ জুন এর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

এ সংক্রান্ত অফিস আদেশে বলা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবরের আদেশে শিক্ষক বদলি বন্ধ করেছিল অধিদফতর। ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবরের আদেশ বাতিল করা হলো।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে বদলি কার্যক্রম জানুয়ারিতে শুরু হয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের এপ্রিলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অনলাইনে প্রাথমিক শিক্ষক বদলির উদ্যোগ নেয়। সেই সময় ২০২০ সাল থেকে অনলাইন শিক্ষক বদলির ঘোষণা দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই সময়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় অনলাইনে বদলি কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

যেভাবে অনলাইনে আবেদন

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইএমডি বিভাগ থেকে বলা হয়, শিক্ষকরা তাদের শিক্ষক পিন (ই-প্রাইমারি সিস্টেম) ব্যবহার করে ওটিপি অথেনটিকেশনের মাধ্যমে লগইন করে নিজস্ব ইউআই (ইউজার ইন্টারফেস)-এ প্রবেশ করে বদলির আবেদন করবেন।

পরে আন্ত-উপজেলা, আন্তজেলা, আন্তবিভাগ, আন্তসিটি করপোরেশন এবং বদলির কারণ সিলেক্ট করবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থলের বা স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র,বদলির কারণ কিংবা প্রেক্ষাপটের আলোকে প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংযুক্ত করবেন।

সঠিকভাবে আবেদন সাবমিট করলে আবেদনকারী আবেদনের একটি পিডিএফ কপি এবং মোবাইলে নোটিফিকেশন পাবেন। এরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবেদনটি অগ্রসর হতে থাকবে এবং কোনো ধাপে অতিরিক্ত সময় লাগবে না। সফটওয়্যারে প্রতিটি ধাপে সময় নির্ধারণ করা থাকবে। এরপর যেকোনো সময় শিক্ষকরা পিন ব্যবহার করে লগইন করে যেকোনো সময় আবেদনের বর্তমান অবস্থান জানতে পারবেন।

শিক্ষা
Jagannath University gave scholarships of Rs 50 lakh to the students

শিক্ষার্থীদের ৫০ লাখ টাকা বৃত্তি দিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষার্থীদের ৫০ লাখ টাকা বৃত্তি দিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার বৃত্তি দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফাইল ছবি
মেধা ও অবৈতনিক এই দুই ক্যাটাগরিতে ১ হাজার ৯৩০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার বৃত্তি দেয়া হয়েছে। তালিকায় নাম প্রকাশিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি শাখা থেকে চেক গ্রহণ করতে বলেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অধ্যয়নরত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মেধা ও অবৈতনিক এই দুই ক্যাটাগরিতে ১ হাজার ৯৩০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার বৃত্তি দেয়া হয়েছে। তালিকায় নাম প্রকাশিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি শাখা থেকে চেক গ্রহণ করতে বলেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। রেজিস্ট্রার দপ্তর ও বৃত্তি শাখা সূত্রেও এসব তথ্য জানা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, মেধা ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৮১৩ শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে ৬০০ টাকা হারে ১২ মাসের এককালীন ৭ হাজার ২০০ টাকা দেয়া হয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত ৮১৩ শিক্ষার্থীকে ৪০ লাখ ৫৩ হাজার ৬০০ টাকা শিক্ষাবৃত্তি দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া এই ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আগামী এক বছর অর্থাৎ পরবর্তী দুই সেমিস্টার বিনা বেতনে অধ্যয়ন করবে।

‘বৃত্তি নীতিমালা ২০১৩’ অনুযায়ী মেধাবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য প্রতিটি বিভাগের প্রতি ব্যাচ থেকে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী তিনজনকে মনোনীত করতে হবে; তবে শর্ত থাকে ৩ দশমিক ৬০-এর নিচে সিজিপিএ থাকা যাবে না। তবে অনেক বিভাগে নীতিমালার সমপরিমাণ সিজিপিএ না থাকায় উপাচার্যের বিশেষ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ নম্বরধারী তিনজনকে বৃত্তি দেয়া হয়েছে। তবে রিঅ্যাডমিশন, বোর্ড বা অন্যান্য সংস্থা থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এর আওতায় এলে বৃত্তি পাবেন না বলে নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে নীতিমালা অনুসারে অবৈতনিক ক্যাটাগরিতে প্রতিটি বিভাগের প্রতি ব্যাচের ১০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। এই ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ১ হাজার ১১৭ শিক্ষার্থীও আগামী এক বছরে পরবর্তী দুই সেমিস্টার বিনা বেতনে অধ্যয়ন করবেন। এ বৃত্তিপ্রাপ্তির বিবেচ্য বিষয়াবলির মধ্যে বাবার বার্ষিক আয়, মায়ের বার্ষিক আয়, অভিভাবকের বার্ষিক আয় (বাবার অবর্তমানে), বাবার চাকরি বা পেশার বিবরণ, মায়ের চাকরি বা পেশার বিবরণ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাবা ও মায়ের মৃত্যুসংক্রান্ত তথ্য, সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীর মেধা ও উপস্থিতি এবং আচরণ, পরিবারের সদস্য সংখ্যা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীর কোনো ভাই-বোন অধ্যয়ন করে কি না এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবর্ষের কোর্স কো-অর্ডিনেটরের মতামত গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া এ বছরই প্রথমবারের মতো প্রতিরক্ষা বৃত্তি চালু হয়েছে। এই ক্যাটাগরিতে ২৫০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিএনসিসি ১০০ জন, রোভার স্কাউটস ১০০ জন ও রেঞ্জার ইউনিট থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে ৩০০ টাকা হারে বছরে এককালীন ৩ হাজার ৬০০ টাকা দেয়া হবে। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মোট ৭৫ হাজার টাকা শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হবে। তারাও আগামী এক বছর বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, মেধা ও অবৈতনিক বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এককালীন অর্থ প্রদান করা হবে। এর আগে প্রতি মাসে ৪০০ টাকা হারে দেয়া হলেও এবার তা দেড় গুণ বৃদ্ধি করে ৬০০ টাকা করা হয়েছে। বিভাগগুলো থেকে যাদের নাম দেয়া হয়েছে, তাদেরকেই বৃত্তি দেয়া হয়েছে।

এর আগে ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৫৫৩ শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান করা হয়। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ হাজার ১১৬ জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মেধা ও অবৈতনিক বৃত্তি দেয়া হয়। এ ছাড়া সর্বশেষ ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মেধা ও অবৈতনিক এই দুই শাখায় বৃত্তিপ্রাপ্তের সংখ্যা ৯৩৯ জন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষা প্রকৌশলে কোন্দল, আটকে নিয়োগ-পদোন্নতি
জবিতে খাবারের দাম কমানো ও অঙ্কনের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি
ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের মশাল মিছিল

মন্তব্য

শিক্ষা
Uncertain reading of books has vanished

ভেসে গেছে বই, অনিশ্চিত পড়ালেখা

ভেসে গেছে বই, অনিশ্চিত পড়ালেখা সিলেটে বসতঘরে বানের পানি ওঠায় অনেক শিক্ষার্থীর বই ভেসে গেছে, পানিতে ডুবে নষ্টও হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
‘আমি বন্যার শুরু থেকে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে বেড়াচ্ছি। অনেক শিক্ষার্থীই আমাকে জানিয়েছে, তাদের বই-খাতাসহ শিক্ষা সরঞ্জাম পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। বই হারিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে। কারণ সামনেই তাদের পরীক্ষা। এ ব্যাপারে সরকারকে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। সরকার যদি ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের বইসহ শিক্ষা সরঞ্জাম প্রদানের উদ্যোগ না নেয়, তবে ঝরে পড়ার হার আরও বাড়বে। বন্যায় সব হারিয়ে দরিদ্র পরিবারগুলো এমননিতেই সংকটে। বই-খাতা কেনার মতো অর্থ তাদের কাছে নেই।’

সিলেট অঞ্চলে বন্যার কারণে বহু শিক্ষার্থীর পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। বই-খাতা পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের বিকল্প বই দেবে প্রশাসনের সে সুযোগও নেই। কারণ তাদের গুদামেও নেই পর্যাপ্ত বই।

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন স্বল্প আয়ের পরিবারের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা আপাতত স্থগিত হলেও তারিখ দিলে পড়ার মতো বই কোথায় পাবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় সবাই।

সিলেট সদর উপজেলার সালুটিকর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে তোফাজ্জল হোসেন। তার বইও ভেসে গেছে বানের জলে।

তোফাজ্জল বলে, ‘বন্যার কারণে কয়েক দিন ধরেই পড়ালেখা করতে পারছি না। পরিবারের সবার সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলাম। এখন বাড়িতে এসে দেখি ঘরে বই-খাতা, জ্যামিতি বক্স কিছুই নেই। সব পানিতে ভেসে গেছে। যেকোনো দিন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে। এখন আমি বই-খাতা পাব কোথায়?’

রায়েরগাঁও এলাকার বাসিন্দা শিহাব আহমদ রাজারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। গত ১৭ জুন পানি ঢুকে পড়ে শিহাবদের ঘরে। বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে তার সব বই-খাতা।

ভেসে গেছে বই, অনিশ্চিত পড়ালেখা

শিহাব বলে, ‘হঠাৎ করে পানি ঢুকে পড়ায় বই-খাতা সরাতে পারিনি। আমরা একটা আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলাম। শুক্রবার আশ্রয়কেন্দ্র থেকে এসে দেখি সব বই-খাতা ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। বেশির ভাগ ছিঁড়ে ভেসে গেছে পানিতে।’

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে সাহায্য-সহযোগিতা পেয়ে কোনো রকমে দিন কাটছে শিহাবদের। তার কৃষক বাবা আব্দুল করিমের আয়ের উপায় এখন বন্ধ। পানি নেমে গেলে ঘর ঠিকঠাক করার পাশাপাশি চাষের জন্য পয়সা জোগাড় করাই এখন ভীষণ চ্যালেঞ্জ তার জন্য। বাড়তি চাপ হয়ে দেখা দিয়েছে ছেলের বই-খাতা।

করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখন খাওয়া থাকা নিয়েই চিন্তায় আছি। বাচ্চার বই-খাতা কিনব কী করে? আবার সরকার থেকে দেয়া বিনা মূল্যের বইগুলো তো বাজারে কিনতেও পাওয়া যাবে না।’

সিলেটে গত ১৫ জুন থেকে বন্যা শুরু হয়। স্মরণকালের ভয়াবহ এ বন্যায় প্লাবিত হয় জেলার ৮০ শতাংশ এলাকা। ২১ লাখেরও অধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। আর ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রায় ২৯ হাজার ঘরবাড়ি। পানি কমতে শুরু করলেও এখনও প্লাবিত রয়েছে জেলার বেশির ভাগ এলাকা।

বন্যায় শিহাব, তোফাজ্জলের মতো অনেক শিক্ষার্থীই হারিয়ে ফেলেছে বই-খাতাসহ শিক্ষা সরঞ্জাম। এতে শিক্ষাজীবন নিয়ে চিন্তায় পড়েছে শিক্ষার্থীরা। বিশেষত দরিদ্র পরিবারগুলোর শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে। সরকার থেকে দেয়া পাঠ্যবই বাজারে কিনতে পাওয়া না যাওয়ায় এগুলো হারিয়ে সংকটে পড়েছে সব শিক্ষার্থী। তাদের বইসহ শিক্ষা সরঞ্জাম দেয়া না হলে এই সমস্যার সমাধান কঠিন।

তবে বন্যায় কী পরিমাণ শিক্ষার্থীর ক্ষতি হয়েছে, সেটির তথ্য নেই শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে।

বিতরণযোগ্য বই নেই শিক্ষা বিভাগে

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক আব্দুল মান্নান খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার জন্য আমরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি। এ ছাড়া যে যে এলাকা উদ্বৃত্ত বই রয়েছে তা সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রদানের ব্যবস্থা নিতে বলেছি।’

তবে এটি যে সমাধান নয়, সেটি তার বক্তব্যেই স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘এবার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। সুনামগঞ্জ তো পুরাটাই ক্ষতিগ্রস্ত। সিলেটেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে উদ্বৃত্ত বইয়ে হবে না। আবার নতুন করে এখন বই ছাপানোও কঠিন। তাই ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের আমরা অনুরোধ করব, সম্ভব হলে তারা যেন সহপাঠীদের কাছ থেকে বই ম্যানেজ করে নেয়ার চেষ্টা করে।’

শিক্ষা অফিসের গুদামে থাকা বইও পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে জানিয়ে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রতুল চন্দ্র সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মজুত থাকা বইয়েরও ৫০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন ক্ষতি পোষাতে ঢাকা থেকে বই পাঠাতে হবে।’

স্কুল খোলার আগে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যাবে না উল্লেখ করে এই শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে। তখন ক্ষতির পরিমাণ জেনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদা পাঠানো হবে।’

ঝরে পড়ার হার বাড়ার শঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ তৎপরতা চালাচ্ছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক জফির সেতু।

তিনি বলেন, ‘আমি বন্যার শুরু থেকে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে বেড়াচ্ছি। অনেক শিক্ষার্থীই আমাকে জানিয়েছে, তাদের বই-খাতাসহ শিক্ষা সরঞ্জাম পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। বই হারিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে। কারণ সামনেই তাদের পরীক্ষা।

‘এ ব্যাপারে সরকারকে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরই ঝরে পড়ার হার বাড়ে। এখন সরকার যদি ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের বইসহ শিক্ষা সরঞ্জাম প্রদানের উদ্যোগ না নেয়, তবে ঝরে পড়ার হার আরও বাড়বে। বন্যায় সব হারিয়ে দরিদ্র পরিবারগুলো এমননিতেই সংকটে। বই-খাতা কেনার মতো অর্থ তাদের কাছে নেই।’

ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকাই নেই

শিক্ষার্থীদের ক্ষয়ক্ষতির তালিকা এখনও পাওয়া যায়নি জানিয়ে গোলাপগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অভিজিৎ কুমার পাল বলেন, ‘স্কুল খোলার আগে এ ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে না।’

জেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাখাওয়াত এরশাদ বলেন, ‘আমরা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তালিকা করছি। স্কুল ভবনের কেমন ক্ষতি হয়েছে, শিক্ষার্থীদের বই-খাতা কী পরিমাণ নষ্ট হয়েছে, সেগুলোর তালিকা করছি। কিন্তু অনেক জায়গা থেকে এখনও পানি নামেনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।’

আরও পড়ুন:
বন্যাকবলিত এলাকায় পর্যাপ্ত ওষুধ ও উপকরণ পাঠাতে নির্দেশ
বন্যায় কাবু সিলেটের হাসপাতালগুলো
বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই
‘যেখানে এখনও ত্রাণ পৌঁছেনি, আমরা নিয়ে যাচ্ছি’
বন্যায় মৃত্যু নিয়ে সুনামগঞ্জের ডিসির বক্তব্য অসত্য, দাবি বিএনপির

মন্তব্য

p
উপরে