× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
10 students injured in clash at Badrunnesa Womens College
hear-news
player
print-icon

বদরুন্নেসা মহিলা কলেজে সংঘর্ষে ১০ ছাত্রী আহত

বদরুন্নেসা-মহিলা-কলেজে-সংঘর্ষে-১০-ছাত্রী-আহত
‘বদরুন্নেসা কলেজ থেকে আহত ১০ শিক্ষার্থী ঢামেকের জরুরি বিভাগে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে কিভাবে আহত হয়েছেন সে বিষয়ে তারা মুখ খুলছেন না।’

রাজধানীর বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ ছাত্রী আহত হয়েছেন।

হলরুম দখলকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

সংঘর্ষে কারা জড়িত তা নিশ্চিত করে জানা যায়নি। তবে একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, সংঘর্ষ হয়েছে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোনালী আক্তার শেলী এবং সাধারণ সম্পাদক হাবীবা আক্তার সাইমুনের সমর্থকদের মধ্যে।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘বদরুন্নেসা কলেজ থেকে আহত ১০ শিক্ষার্থী ঢামেকের জরুরি বিভাগে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে কিভাবে আহত হয়েছেন সে বিষয়ে তারা মুখ খুলছেন না।’

তিনি বলেন, ‘আহত ছাত্রীদের শরীরের বেশির ভাগই লাঠি এবং ভারী বস্তুর আঘাত রয়েছে। মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত পেয়েছেন তারা।’

আরও পড়ুন:
খেলতে গিয়ে ভবন থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
কলাবাগানে ভবন থেকে ইট পড়ে পথচারী নিহত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
The results of DU C unit are on Sunday

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল আজ

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের জন্য নির্ধারিত এই ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ৯৩০টি। এর বিপরীতে ৩০ হাজার ৬৯৩ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রতিটি আসনের বিপরীতে ৩৩ শিক্ষার্থী ভর্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের প্রথমবর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল রোববার প্রকাশ করা হবে।

শনিবার বিকেলে জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবেন।

গত ২ জুন ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের জন্য নির্ধারিত এই ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ৯৩০টি। এর বিপরীতে ৩০ হাজার ৬৯৩ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রতিটি আসনের বিপরীতে ৩৩ শিক্ষার্থী ভর্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে ফেল ৯০ শতাংশ
ঢাবিতে বাজেটবিষয়ক আলোচনা সভা
ঢাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হলছাড়া করার অভিযোগ
‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেয়া নিয়ে ঢাবি সিনেটে হট্টগোল
ঢাবির ৯২২ কোটি টাকার বাজেট পাস

মন্তব্য

শিক্ষা
Chhatra League broke Laguna without getting 15 lakh rupees

দেড় লাখ টাকা ‘হাত খরচ’ না পেয়ে লেগুনা ভেঙেছে ছাত্রলীগ!

দেড় লাখ টাকা ‘হাত খরচ’ না পেয়ে লেগুনা ভেঙেছে ছাত্রলীগ! ভাঙচুর করা হয়েছে এই লেগুনা। ছবি: নিউজবাংলা
লেগুনা মালিক রফিক বলেন, ‘এর মধ্যে আবার গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরাও ডিস্টার্ব করা শুরু করছেন। তাদের সামনেই আমাদের গাড়িগুলো চলে। তারা বলেছেন, তাদের কলেজের পাশ থেকে ভার্সিটির পোলাপান গাড়ি খেদিয়ে দেবে সেটি তারা হতে দেবেন না। তবে তাদের দাবি ছিল, আমরা যেন তাদের দেখি। আমরা বলেছি, আপনারা ভার্সিটির ঝামেলাটা বন্ধ করতে পারলে আমরা আপনাদের দেখব। কিন্তু তারা এটি বন্ধ করতে পারেনি।’

হাত খরচের জন্য মাসে দেড় লাখ টাকা চেয়ে না পেয়ে রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে কয়েক দফা লেগুনা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

লেগুনা মালিক সমিতির একজন সদস্য এবং নীলক্ষেত লেগুনা স্ট্যান্ডের সুপারভাইজার নিউজবাংলার কাছে এ অভিযোগ করেছেন শুক্রবার। অভিযোগ উঠেছে, গত এক সপ্তায় কয়েক দফায় সাতটি লেগুনা ভাঙচুর, চালকদের মারধর এবং নীলক্ষেত স্ট্যান্ডে লেগুনা দাঁড়াতে দেননি ছাত্রলীগের নেতারা।

সর্বশেষ শুক্রবার বিকেলে ১০-১২ তরুণ লাঠিসোঁটা নিয়ে চারটি লেগুনায় ভাঙচুর চালান এবং চালকদের মারধর করে তাদের সঙ্গে থাকা নগদ টাকা নিয়ে চলে যান বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। নীলক্ষেত থেকে এসব লেগুনা মূলত চকবাজার, খোলামোড়া এবং গুলিস্তান যায়।

অভিযোগ রয়েছে, ১০-১২ দিন আগে সন্ধ্যায় এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মোনেম শাহরিয়ার মুন হলের পাশে একটি চায়ের দোকানে লেগুনা মালিক সমিতির কয়েকজন নেতাকে চায়ের দাওয়াত দেন। এ দিনই মূলত তারা দেড় লাখ টাকা হাত খরচ দাবি করেন।

ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মালিক সমিতির সদস্য রফিক। নীলক্ষেত থেকে চকবাজার রোডে তার দুটি লেগুনা রয়েছ। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে বসার পর হল ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা এখন নতুন কমিটি পাইছি। আমাদের কিছু হাত খরচ দিয়েন।

‘এরপর আমাদের একজন বলেন, কত দিতে হবে ভেঙে বলেন। তখন রিয়াজ ভাই বলেন, দেড় লাখ টাকা দিয়েন। এই কথা শুনে আমাদের সবাই উঠে চলে আসছি। তাদের প্রোগ্রাম থাকায় তারাও চলে যায়। এই ঘটনার চার-পাঁচ দিন তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি। তারাও কোনো ঝামেলা করেনি।’

লেগুনা মালিক রফিক আরও বলেন, ‘চার-পাঁচদিন পর এসে তারা গাড়ি ভাঙচুর এবং চালকদের মারধর করা শুরু করেন। স্ট্যান্ডে কোনো গাড়িই তারা রাখতে দেন না।’

অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ গত ২৫ তারিখ রিয়াজ ভাই আমাকে ফোন দিয়ে তাদের সঙ্গে বসতে বলেন। বৃহস্পতিবার তাদের সঙ্গে বসার কথা ছিল। কিন্তু মালিকপক্ষ না বসায় তারা শুক্রবার ফের ভাঙচুর চালান। গত এক সপ্তাহে তিন দফায় তারা আমাদের সাতটি লেগুনা ভাঙচুর করেছেন।’

এই লেগুনা মালিক বলেন, ‘এর মধ্যে আবার গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরাও ডিস্টার্ব করা শুরু করছেন। তাদের সামনেই আমাদের গাড়িগুলো চলে। চার-পাঁচ দিন আগে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আমি এবং খোলামোড়া রোডের সভাপতি মানিক ভাই বসেছি।

‘সে সময় তারা বলেছেন, তাদের কলেজের পাশ থেকে ভার্সিটির পোলাপান গাড়ি খেদিয়ে দেবে সেটি তারা হতে দেবেন না। ছাত্রলীগ সভাপতি জয় আল নাহিয়ান খান ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে তারা এই ঝামেলা মিটিয়ে দেবেন বলে বলেছিলেন। তবে তাদের দাবি ছিল, আমরা যেন তাদের দেখি। আমরা বলেছি, আপনারা ভার্সিটির ঝামেলাটা বন্ধ করতে পারলে আমরা আপনাদের দেখব। কিন্তু তারা এটি বন্ধ করতে পারেনি।’

এ সব ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে রফিক বলেন, ‘শুনেছি, মালিক সমিতির পক্ষ হয়ে খোলামোড়া রোডের সভাপতি মানিক ভাই এবং ইকবাল ভাই লালবাগ থানার ওসি স্যারকে জানাইছে। এখন বাকিটা জানি না।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি প্রতিবারই কল কেটে দেন।

সাধারণ সম্পাদক মুনেম শাহরিয়ার মুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। এই ঘটনার সঙ্গে হল ছাত্রলীগ জড়িত নয়। লেগুনা মালিকদের সঙ্গে আমরা কখনো বসিইনি। এই লেগুনা মালিকদের আমরা চিনিও না। কোনো দিন দেখিনি। কথাও হয়নি।’

লেগুনা মালিক সমিতির সঙ্গে বসেছেন কি না- এমন প্রশ্নে গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের সভাপতি শারমিন সুলতানা সনি বলেন, ‘আমরা তাদের ডাকিওনি আর বসিওনি।’

কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকলিমা প্রভাতীও বৈঠকের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

সার্বিক বিষয়ে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম মোরশেদ বলেন, ‘আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে বিষয়টি আমরা শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’

আরও পড়ুন:
জবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত
‘ছাত্রলীগের বানানো বখাটেরাই শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করছে’
‘হল আমরা লিজ নিছি’: চবির ৯ ছাত্রলীগ কর্মীকে শোকজ

মন্তব্য

শিক্ষা
There are many reasons behind the suspension of the Jagannath Committee of Chhatra League

ছাত্রলীগের জগন্নাথ কমিটি স্থগিতের নেপথ্যে কারণ বহু

ছাত্রলীগের জগন্নাথ কমিটি স্থগিতের নেপথ্যে কারণ বহু বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজী ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিউজবাংলাকে বলেছেন ‘নেতা হয়ে নষ্টামি করার কারণে কমিটি স্থগিত হয়েছে। এ ছাড়া পদে থাকা আরও দুইজন নেতা বলেছেন, রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়ির ড্রাইভারকে মারার অপরাধে এবং ইসলামপুরে কয়েকদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক বিচারে গিয়ে সিদ্ধান্ত না মানায় এক ব্যবসায়ীকে নাকি তুলে নিয়ে এসেছিলেন।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানিয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিজ্ঞপ্তিতে কোনো কারণ উল্লেখ নেই। তাহলে কেন এই সিদ্ধান্ত?

তাৎক্ষণিকভাবে চাউর হয়, সংগঠনের নেতারা জানালেন, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ছেলে রিয়াদ আহমেদ তুষারের ব্যক্তিগত গাড়িচালককে মারধরের ঘটনাই এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণ। সংগঠনের নেতারা জানালেন, এটি প্রধান কারণ বটে, তবে একমাত্র কারণ নয়। এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের চাঁদাবাজির বিষয়ও আছে।

শুক্রবার ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।’

বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রলীগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিতর কোনো কারণ বর্ণনা করা হয়নি। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে একাধিকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা যায়নি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বেশ কয়েকজন নেতা জানান, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ছেলের গাড়ি চালককে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের লোকজনই মারধর করেছে। তাই আপাতত কমিটির কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।

গত রোববার ওয়ারীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম হলের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়িচালককে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠে। সোমবার সন্ধ্যায় ওয়ারী থানায় কয়েকজনকে অজ্ঞাত করে মামলা করেন ভুক্তভোগী চালক নজরুল ইসলাম।

এর মধ্যে পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার মোড়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মীদের দিয়ে চাঁদাবাজির করার ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজ বের হয়েছে।

এটিও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিতের সিদ্ধান্তের একটি কারণ বলে জানান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আরেক সহসভাপতি।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ইব্রাহীম ও আকতারকে সভাপতি-সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পুরান ঢাকায় লুকিয়ে তারা বেপরোয়া চাঁদাবাজি শুরু করেছে। পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সিসিটিভির ফুটেজ তো সবার কাছেই আছে।’

ফুটেজে দেখা যায়, জবি ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতির কর্মী সাইদুল ইসলাম সাঈদ ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইনের কর্মী মো. মাসুদ রানা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ঢুকেছেন।

পরে প্রকাশ হয় তারা প্রতি মাসে চাঁদা দেয়ার রফাদফা করতেই সেখানে যান। আর গিয়ে হুমকি ধমকি দিয়েছেন।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দ্বারা নারী হেনস্তার অভিযোগও আছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক ছাত্রীকে থাপ্পড় দেয়ার ঘটনায় ওই বিভাগেরই দুই শিক্ষার্থী খায়রুল ইসলাম ও মফিজুল্লা রনিকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

এদের মধ্যে রনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজির অনুসারী।

গত ১৯ জুন শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইনের কর্মী মনোবিজ্ঞান বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবিদ হাসান একই বিভাগের এক ছাত্রীকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেন বলেও অভিযোগ উঠে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও প্রশাসন এবং ওই ছাত্রীকে চাপ প্রয়োগ ও হুমকি-ধামকি দিয়ে ঘটনাটির রফাদফা করা হয়।

তিন বছর পর গত ২ জানুয়ারি ছাত্রলীগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি ঘোষণা করা হয়। আগামী এক বছরের জন্য ইব্রাহিম ফরাজীকে সভাপতি এবং আকতার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়িচালককে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত জবি ছাত্রলীগকর্মী কৌশিক সরকার সাম্য বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেনের গ্রুপের কর্মী বলে পরিচিত।

কৌশিক ফেসবুকে নিজের পরিচয়ে শাখা ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ফেসবুক ওয়ালে সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেনের সঙ্গে তার ছবি ছাড়াও নিয়মিত ছাত্রলীগকেন্দ্রিক পোস্ট শেয়ার করতে দেখা যায়।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতেও ‘প্রেমঘটিত’ কারণে মারামারির জেরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের আগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।

গত ১১ মার্চ নবীন শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ দলে ভিড়ানোকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। মালিটোলা পার্ক, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও টিএসসি এলাকার এ ঘটনায় প্রায় ১০ জন আহত হয়।

আড়াই লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় গত ৬ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এফ আর হিমাচল পরিবহনের একটি বাস পুরান ঢাকার তাঁতিবাজার এলাকা থেকে এনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের সামনে আটকে রাখে আকতার হোসাইনের অনুসারী ও দর্শন বিভাগের ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান।

পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় কোতয়ালি থানা পুলিশ বাসটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ছাত্রলীগের উৎপাতে সেই এসি বাস সদরঘাট রুটে চলাচল ও বন্ধ করে দেয়া হয়।

২০১৪ সালের হল আন্দোলনের সময় সমবায় ব্যাংকের মালিকানা থে‌কে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের জ‌মি‌টি দখল ক‌রে শিক্ষার্থীরা জায়গা‌টিকে ‘টিএসসি’ হি‌সে‌বে দা‌বি ক‌রে আস‌ছে। ছাত্রলীগ নেতা কর্তৃক জায়গাটি ক‌য়েকবার বেদখল হ‌লেও সর্ব‌শেষ ২০১৭ সা‌লের শুরু‌তে আবা‌রো দখলমুক্ত ক‌রে শিক্ষার্থীরা।

এরপর স্বাভা‌বিকভাবে চল‌লেও বর্তমানে স্থগিত হওয়া ছাত্রলীগ কমিটি এটি সংস্কার করে নতুন করে চালু করে। তবে এখানে গড়ে তোলা দোকানগুলো থেকে প্রতিদিন ২০০ টাকা করে চাঁদা তোলার অভিযোগ আছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিউজবাংলাকে বলেছেন ‘নেতা হয়ে নষ্টামি করার কারণে কমিটি স্থগিত হয়েছে। এ ছাড়া পদে থাকা আরও দুইজন নেতা বলেছেন, রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়ির ড্রাইভারকে মারার অপরাধে এবং ইসলামপুরে কয়েকদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক বিচারে গিয়ে সিদ্ধান্ত না মানায় এক ব্যবসায়ীকে নাকি তুলে নিয়ে এসেছিলেন।’

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক ইন্দ্রনীল রনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ অনেকগুলো বিষয় রয়েছে। কিছু ঘটনা ঘটেছে, যেটা না ঘটলে ভালো হতো। আমাদের মধ্যে একটু ভুল বোঝাবুঝি আছে, যাদের সঙ্গে ঘটনাগুলো ঘটেছে। আমাদের আওয়ামী লীগের যে সিনিয়র নেতৃবৃন্দ আছেন, উনাদের নির্দেশনা আসলেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।'

অভিযোগের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটির সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজী ও সাধারণ সম্পাদকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাকে ছয় কল করা হলেও রিসিভ করেননি।

তবে ইব্রাহিম ফরাজীর কর্মী সাইদুল ইসলাম সাঈদ নিউজবাংলাকে বলেন,‘কীসের প্রমাণ আছে? কেউ অভিযোগ করেছে? নাকি আমাদের কথার রেকর্ড আছে? সিসিটিভি ফুটেজে, আমরা রুম থেকে রেব হচ্ছি সেটার ভিডিও দেখা যাচ্ছে। এমন হাজার হাজার লোক এভাবে যাওয়া আসা করে। আমরা গিয়েছিলাম জগন্নাথের এক গরিব শিক্ষার্থীর টেস্টের রিপোর্ট নিয়ে কথা বলতে। কিছু টাকা কমানো যায় কি না সেটার মানবিক অনুরোধে শুধু। এখানে কোনো চাঁদার বিষয় ভুলেও আসতে পারে না।’

আরও পড়ুন:
জবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত
উত্তরপত্রে ‘স্যার, মন ভালো নেই’ লেখা জবি ছাত্রকে শোকজ
গবেষণা সহযোগিতায় শেকৃবি-জবি সমঝোতা চুক্তি

মন্তব্য

শিক্ষা
Clashes in Habiprabi Committee to investigate

হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ: তদন্তে কমিটি

হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ: তদন্তে কমিটি
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মামুনুর রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কারা বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর করল। সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বঙ্গবন্ধুসহ প্রধানমন্ত্রী ও চার নেতার ব্যানার ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রেজারার বিধান চন্দ্র হালদারকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত দুই দফায় সংঘর্ষ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমেটরি-২ হলের ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী আনজারুল ইসলামকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৮-১০ জন শিক্ষার্থী মারধর করেন। পরে আহত অবস্থায় আনজারুলকে দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর মারধর করা শিক্ষার্থীরা শেখ রাসেল হলে আশ্রয় নেন। ঘটনা জানাজানি হলে শেখ রাসেল হলের দিকে যান ডরমেটরি-২ হলের শিক্ষার্থীরা। সেখানে উভয় হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়; একপর্যায়ে সংঘর্ষও হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের থামায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

চলে যাওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের একজন শিক্ষার্থীকে চড়থাপ্পড় মারেন ডরমেটরি-২ হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী। এর জেরে শেখ রাসেল হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা ডরমেটরি-২ হলে গিয়ে ভাঙচুর চালান।

কিছুক্ষণ পর একত্রিত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে হামলা চালান ডরমেটরি-২ ও তাজউদ্দিন আহমদ হলের শিক্ষার্থীরা।

হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ: তদন্তে কমিটি

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ডরমিটরি-২-এর কিছু ছাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের কলাপসিবল গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ঢুকে তারা প্রথমেই বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি ছিঁড়ে ফেলে। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় চার নেতা ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের ছবিও ভাঙচুর করেন।

পরে পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মামুনুর রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কারা বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর করল। সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
হাবিপ্রবির সেই ২১ শিক্ষার্থীর পক্ষে হাইকোর্টের রুল
হাবিপ্রবির জোড়া খুন: আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে
হাবিপ্রবিতে নতুন ভিসি কামরুজ্জামান
রাতের আঁধারে ক্যাম্পাস ছাড়লেন হাবিপ্রবি ভিসি

মন্তব্য

শিক্ষা
Celebrate Dhaka University Day by cutting a 102 pound cake

১০২ পাউন্ডের কেক কেটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন

১০২ পাউন্ডের কেক কেটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন ১০২ পাউন্ডের কেক কেটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন উপাচার্য আখতারুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
অতিথিবৃন্দদের সঙ্গে নিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন ও পায়রা উড়ান উপাচার্য। এরপর সবাইকে নিয়ে ১০২ পাউন্ডের কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন উপাচার্য আখতারুজ্জামান।

উৎসবমুখর পরিবেশে ১০২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শুক্রবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রা সহকারে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে সমবেত হন।

এরপর অতিথিবৃন্দদের সঙ্গে নিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন ও পায়রা উড়ান উপাচার্য। এরপর সবাইকে নিয়ে ১০২ পাউন্ডের কেক কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন উপাচার্য আখতারুজ্জামান।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সংগীত পরিবেশিত হয়।

উপাচার্যের উদ্বোধন শেষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে এক শোভাযাত্রা বের হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন।

শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এসে শেষ হয়।

বেলা ১১টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন: ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিয়া সহযোগিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ।

উপাচার্য গবেষণা ও উদ্ভাবনে ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘সরকার, অ্যাকাডেমিয়া, ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যালামনাইদের একযোগে কাজ করতে হবে।’

বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সেসব দেশের অনেক খ্যাতিমান অধ্যাপক শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেছেন।

‘ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।’ শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক জ্ঞান বৃদ্ধি ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিল্প প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম চালুর জন্য উপাচার্য শিল্প মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

মূল প্রবন্ধে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, ‘শিক্ষক-গবেষক এবং শিল্পখাতের যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম গ্রহণ করা হলে উভয়পক্ষ তথা দেশ উপকৃত হবে। প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন লোকবল তৈরি এবং শিল্পখাতে নানা উৎপাদন প্রক্রিয়ার উন্নতি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ইতিমধ্যে একটি শিল্পখাত-অ্যাকাডেমিয়া সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের জন্য বাস্তবতার মূল্যায়ন করে নির্দিষ্ট করণীয়সমূহ চিহ্নিত করা প্রয়োজন। এই ব্যাপারে সরকার বাস্তবতা-ভিত্তিক যথাযথ নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন করতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, সিনেট সদস্য সাদ্দাম হোসেন, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বক্তব্য দেন।

মন্তব্য

শিক্ষা
Organizational activities of JOB Chhatra League have been suspended

জবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত

জবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত মিছিলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।’

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ‘সুপার ইউনিট’ খ্যাত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত শুক্রবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।’

আগের কমিটি বিলুপ্তির প্রায় ৩৪ মাস পর চলতি বছরের পয়লা জানুয়ারি এক বছরের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ৩৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কী কারণে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি বিজ্ঞপ্তিতে, তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ এক নেতা বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ছেলে রিয়াদ আহমেদ তুষারের গাড়িচালককে মারধর করেছেন জবি ছাত্রলীগের কর্মীরা। এর জেরে শাখা ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

কী হয়েছিল গাড়িচালকের সঙ্গে

রাষ্ট্রপতির ছেলে তুষারের গাড়িচালক নজরুল ইসলাম গত ২৬ জুন বঙ্গভবন থেকে রাষ্ট্রপ্রধানের নাতি ইসা আব্দুল্লাহকে প্রাইভেট পড়তে দিয়ে বঙ্গভবনে ফিরছিলেন। তিনি ওয়ারীর চামু ডেল্টার মোড় থেকে টিপু সুলতান রোডের মাথায় পৌঁছার পর গাড়ির হর্ন দেন। ওই সময় জবি ছাত্রলীগকর্মী কৌশিক সরকার সাম্য মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছিলেন।

হর্ন দেয়ার পর সাম্য উত্তেজিত হয়ে গাড়ির দিকে তেড়ে আসেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে চালকের মুখে থুতু নিক্ষেপের পর গাড়ির পেছনে জোরে লাথি মারেন তিনি।

এমন আচরণের পর সাম্যের পরিচয় জানার চেষ্টা করলে তিনি উত্তেজিত হয়ে মোবাইল ফোনে অজ্ঞাত চার-পাঁচজনকে ডেকে আনেন। এ সময় সাম্যসহ অন্যরা নজরুলের মুখ ও পিঠে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন এবং হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান।

এ ঘটনায় গাড়িচালক নজরুল ইসলাম রাজধানীর ওয়ারী থানায় মামলা করেন।

মামলায় জবি ছাত্রলীগকর্মী কৌশিক সরকার সাম্যসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত সাম্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনের অনুসারী।

আরও পড়ুন:
জবিতে সাংবাদিকতার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ
জবি রোভার-ইন-কাউন্সিলের সভাপতি জামিরুল, সাধারণ সম্পাদক আদন
গবেষণার জন্য ‘স্কাইফাইন্ডার’ সাবস্ক্রিপশন পেল জবি
উত্তরপত্রে ‘স্যার, মন ভালো নেই’ লিখে বিপাকে জবি শিক্ষার্থী
জবির ৭ শিক্ষার্থী রিমান্ডে

মন্তব্য

শিক্ষা
After 7 years new leadership in JOB student group

৬ বছর পর জবি ছাত্রদলে নতুন নেতৃত্ব

৬ বছর পর জবি ছাত্রদলে নতুন নেতৃত্ব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নতুন সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা। ছবি: নিউজবাংলা
নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ছাত্রত্বের বিষয়ে ছাত্রদল সভাপতি শ্রাবণ বলেন, ‘তারা দুজনই ইভিনিং মাস্টার্সের ছাত্র। আমাদের কাছে ডকুমেন্টস আছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার সঙ্গে পরামর্শ করেই কমিটি করা হয়েছে।’

প্রায় ছয় বছর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

আসাদুজ্জামান আসলামকে সভাপতি ও সুজন মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক করে বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। তারা দুজন ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের গণিত ও অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে কমিটির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

নতুন কমিটির বাকি তিন সদস্য হলেন সিনিয়র সহসভাপতি ইব্রাহিম কবির মিঠু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হিমেল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আরেফিন।

এক বছরের জন্য এই কমিটি করা হয়েছে এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেয়ারও নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংসদ।

নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ছাত্রত্বের বিষয়ে ছাত্রদল সভাপতি শ্রাবণ বলেন, ‘তারা দুজনই ইভিনিং মাস্টার্সের ছাত্র। আমাদের কাছে ডকুমেন্টস আছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার সঙ্গে পরামর্শ করেই কমিটি করা হয়েছে।

‘কারা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে চায় আর কারা কেন্দ্রে থাকতে চায় তাদের সবার কাছ থেকে সিভি আহ্বান করা হয়েছিল। সবার মতামতের ভিত্তিতেই কমিটি করা। ত্যাগ, পরিশ্রম, নেতৃত্বের ক্যাপাসিটি দেখে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

শ্রাবণ আরও বলেন, ‘প্রায় ১৬-১৮ বছর ধরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয় না। আমাদের তিনজন নেতা-কর্মী গুম হয়েছে। শত শত নেতা-কর্মী নির্যাতিত হয়েছে, মৃত্যুবরণ করেছে। এখনও হাবীব নামের একজন চিকিৎসাধীন।

‘এত বড় সংগঠন। কিছু লোক তো অখুশি হবেই। আমাদের প্রতিটি সেশনে চার থেকে পাঁচজন যোগ্য লোক থাকে কিন্তু প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি তো হবে দুজন। এই সেশনে আরও দুজন কোয়ালিফাইড ছিলেন। তারা বন্ধুদের আন্ডারে থাকতে চায় না, কেন্দ্রে চলে আসতে চায়। সে জন্য আমরা লিস্ট থেকে তাদের দুজনকে বাদ দিয়েছি।’

‘ছাত্রদলের নেতৃত্বে যোগ্যরাই আসে, যোগ্যরাই বাদ যায়’, বলেন শ্রাবণ।

এ বিষয়ে আসলাম জানান, তিনি ইংরেজি লিটারেচার বিভাগের প্রফেশনাল কোর্সে অধ্যয়নরত।

সুজন জানান, ২০১৭ সালে তিনি ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে ইভিনিং কোর্সে ভর্তি হন। এরপর ইভিনিং কোর্স বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরীক্ষাও স্থগিত হয়ে যায়। পরে বিভিন্ন বিভাগে ইভিনিংয়ের পরিবর্তে প্রফেশনাল কোর্স চালু হলেও এই বিভাগে এখনও ক্লাস, পরীক্ষা শুরু হয়নি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের সর্বশেষ কমিটি ঘোষণা করা হয় ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। গত কমিটির সভাপতি ছিলেন রফিকুল ইসলাম রফিক ও সাধারণ সম্পাদক আসিফ রহমান বিপ্লব।

২০২১ সালের ১৫ অক্টোবর এই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের ৫০ লাখ টাকা বৃত্তি দিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জবিতে খাবারের দাম কমানো ও অঙ্কনের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি
আঞ্চলিক সিন্ডিকেটে আটকা জবি ছাত্রদলের কমিটি
ডিএসসিসির খোঁড়াখুঁড়িতে ভাঙল জবির প্রাচীর, সংস্কারে নেই উদ্যোগ
‘ক্ষমা না চেয়েই’ পরীক্ষার্থীদের ফুল দিতে ঢাবিতে ছাত্রদল

মন্তব্য

p
উপরে