× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
Instructions to assist teachers in updating the voter list
hear-news
player
print-icon

ভোটার তালিকা হালনাগাদে শিক্ষকদের সহায়তার নির্দেশ

ভোটার-তালিকা-হালনাগাদে-শিক্ষকদের-সহায়তার-নির্দেশ
ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে শিক্ষক-কর্মচারীদের সহায়তা করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরীর সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ১৬ মে‘র স্মারকপত্রে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ২০২২ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সার্বিক সহযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে নির্দেশনা দিতে অনুরোধ করা হল।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ভোটার তালিকা হালনাগাদে সরকারি, বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের সহায়তা করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরীর সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আদেশে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ১৬ মে‘র স্মারকপত্রে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ২০২২ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সার্বিক সহযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে নির্দেশনা দিতে অনুরোধ করা হল।

জানা গেছে, ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম তাদের এবং বিগত ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যারা বাদ পড়েছেন নিবন্ধনের জন্য তাদেরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ১৪০টি উপজেলা বা থানার তথ্যসংগ্রহ করা হবে। অবশিষ্ট উপজেলা বা থানার সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার বা জেলা নির্বাচন অফিসাররা স্থানীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধন কার্যক্রমের সময়সূচি নির্ধারণ করবেন।

আরও পড়ুন:
৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা শুরু
প্রাথমিকে নিয়োগ: প্রয়োজনীয় কাগজ জমা ২৩ মে পর্যন্ত
জুলাইয়ের মধ্যে প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রতিমন্ত্রী
নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস সরবরাহের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আটক
হৃদয় মণ্ডলের ধর্ম অবমাননার প্রমাণ মেলেনি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Today is Dhaka University Day

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ
১৯২১ সালের ১ জুলাই ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার দুয়ার। বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১০২তম দিবসটি উদযাপনে নেয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ। ১৯২১ সালের এই দিনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত এই বিদ্যায়তনে। দিবসটি উদযাপনে নেয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন: ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’।

১৯২১ সালের ১ জুলাই ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার দুয়ার। তৎকালীন ঢাকার সবচেয়ে অভিজাত ও সৌন্দর্যমণ্ডিত রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর পূর্ববঙ্গ এবং আসাম প্রদেশ সরকারের পরিত্যক্ত ভবন ও ঢাকা কলেজের (বর্তমান কার্জন হল) ভবনগুলোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে এই বিশ্ববিদ্যালয়।

তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ নিয়ে একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু হয়। প্রথম শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮৭৭ জন এবং শিক্ষক সংখ্যা ছিল ৬০ জন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৮৪টি বিভাগ, ৬০টি ব্যুরো ও গবেষণা কেন্দ্র এবং ছাত্রছাত্রীদের ১৯টি আবাসিক হল, ৪টি হোস্টেল ও ১৩৮টি উপাদানকল্প কলেজ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার ১৫০ জন। পাঠদান ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় ২ হাজার ৮ শিক্ষক।

এদিকে ১০২তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবন, কার্জন হল, কলা ভবন ও ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। নেয়া হয়েছে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান শুক্রবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১০টার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা সহকারে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে সমবেত হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, পায়রা উড়ানো, কেক কাটা এবং সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং পরিবেশিত হবে।

সকাল ১১টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন: ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া সহযোগিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ।

আরও পড়ুন:
ঢাবির মঞ্চে আমেরিকান নাটক ‘দ্য আইসম্যান কমেথ’
কীভাবে জানা যাবে ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল
ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে ফেল ৯০ শতাংশ
ঢাবিতে বাজেটবিষয়ক আলোচনা সভা
ঢাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হলছাড়া করার অভিযোগ

মন্তব্য

শিক্ষা
Abrar Fahads younger brother got a chance in BUET

বুয়েটে চান্স পেলেন ‘জুনিয়র আবরার’

বুয়েটে চান্স পেলেন ‘জুনিয়র আবরার’ বড় ভাই আবরার ফাহাদের সঙ্গে আবরার ফাইয়াজ। ছবি: সংগৃহীত
আবরার ফাইয়াজ বলেন, ‘বুয়েটে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছা আছে। কিন্তু মা আমাকে ঢাকায় পাঠাতে চান না। পরে কথা বলে ঠিক করব।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) হলে নির্মম হত্যার শিকার হয়েছিলেন বড় ভাই আবরার ফাহাদ। সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই এবার ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ। তবে এখানে ভর্তি হবেন কি-না তা নিয়ে দ্বিধায় আছেন জুনিয়র আবরার।

বুয়েটের বিভিন্ন বিভাগে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বুয়েটের ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়।

ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী আসির আনজুম খান।

স্নাতক ভর্তির ফলাফলে আবরার ফাইয়াজ ৪৫০তম হয়ে যন্ত্রকৌশল বিভাগে চান্স পেয়েছেন। তার রোল নম্বর ৫৫৩৯৫।

ছেলে বুয়েটে চান্স পাওয়ায় খুশি বাবা বরকত উল্লাহ ও মা রোকেয়া খাতুন। কিন্তু এ সংবাদ পাওয়ার পর বুয়েট ক্যাম্পাসে বড় ছেলেকে হারানোর শোক নতুন করে বুকে চেপেছে। কেঁদেই চলেছেন মা।

আবরার হত্যাকাণ্ডের পর ছোট ছেলে ফাইয়াজকে ঢাকা কলেজ থেকে এনে তার মা কুষ্টিয়া কলেজে ভর্তি করেন। ফাইয়াজকে তিনি নিজের কাছেই রেখে দিতে চেয়েছেন।

আবরারের বাবা-মা ও ছোট ভাই কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডে বাস করেন। সেখানেই এখন আছেন তারা।

আবরার ফাইয়াজ বলেন, ‘বুয়েটে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছা আছে। কিন্তু মা আমাকে ঢাকায় পাঠাতে চান না। পরে কথা বলে ঠিক করব।’

ছেলেকে বুয়েটে ভর্তি করাবেন কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত নন বরকত উল্লাহও। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ভেতরের পরিস্থিতি কী সে বিষয়ে আগে খোঁজ-খবর নিয়ে দেখি। আমার ছেলে বর্তমানে গাজীপুরের আইআইইউটিতে ভর্তি রয়েছে। বুয়েটে ভর্তি হতে হলে তো সেখানে ভর্তি বাতিল করতে হবে। সবাই মিলে চিন্তা-ভাবনা করে দেখি কী করা যায়।’

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে নিহত হন তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর এই মামলায় ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা ও ফল

বুয়েটে ভর্তিতে এবার লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৬ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ১৫৯ জন প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ের পর তাদের মধ্য থেকে ১ হাজার ২৭৯ জন এবার বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

এর আগে ৪ জুন বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার প্রাক-নির্বাচনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেই পরীক্ষায় প্রথম ছয় হাজার শিক্ষার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য মনোনীত করা হয়। ১৮ জুন অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তিযোগ্য প্রার্থীদের মেধা তালিকা তৈরি করেছে বুয়েট।

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার লিখিত পর্ব হয় দুটি গ্রুপে। ‘ক’ গ্রুপে ছিল প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ। ‘খ’ গ্রুপে প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের পাশাপাশি রয়েছে স্থাপত্য বিভাগ।

প্রাক-নির্বাচনী পর্বে ‘ক’ ও ‘খ’ দুই গ্রুপের জন্যই গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ের ওপর ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা হয়।

লিখিত পর্বে ‘ক’ গ্রুপের জন্য ৪০০ ও ‘খ’ গ্রুপের জন্য ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।

এ ক্ষেত্রে ‘ক’ গ্রুপের পরীক্ষা হয় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ের ওপর। আর ‘খ’ গ্রুপে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পাশাপাশি মুক্তহস্ত অঙ্কন এবং দৃষ্টিগত ও স্থানিক ধীশক্তি বিষয়ের ওপর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ভর্তির জন্য ১ হাজার ২২৫ জন শিক্ষার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন; অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন ৭৫৯ জন। আর স্থাপত্য বিভাগে ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ৮৪ জন; অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন ৮৯ জন।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু
গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন শুরু ১৫ জুন
১৫-২৫ জুন চলবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আবেদন
পরীক্ষা দেয়া হলো না ভর্তি বাতিল করা ১৩ ছাত্রীর

মন্তব্য

শিক্ষা
The American play The Iceman Cometh on the DU stage

ঢাবির মঞ্চে আমেরিকান নাটক ‘দ্য আইসম্যান কমেথ’

ঢাবির মঞ্চে আমেরিকান নাটক ‘দ্য আইসম্যান কমেথ’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চস্থ হবে মার্কিন নাটক ‘দ্য আইসম্যান কমেথ’। ছবি: নিউজবাংলা
নাটকটি ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগামী ৪ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমন্ডল মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হবে।

১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ মঞ্চে নিয়ে আসছে আমেরিকান নাট্যকার ইউজিন ও’নিল রচিত বাস্তববাদী ঘরানার নাটক ‘দ্য আইসম্যান কমেথ’।

নাটকটি ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগামী ৪ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমন্ডল মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হবে।

বিভাগটির তৃতীয় বর্ষ পঞ্চম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের অভিনয়ে নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানভীর নাহিদ খান।

নাটকে নৈরাজ্যবাদী নেতা ল্যারি ভিলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মহিউদ্দিন রনি, পানশালার মালিক হ্যারি হোপ চরিত্রে জাদিদ ইমতিয়াজ আহমেদ, সেলসম্যান হিকি চরিত্রে প্রাণকৃষ্ণ বণিক, বার টেন্ডার রকি চরিত্রে জয়া মারিয়া কস্তা ও বার সিঙ্গার চাক চরিত্রে ইফতি শাহরিয়ার রাইয়ান, হল্যান্ডের সাবেক জেনারেল ওয়েটজয়েন চরিত্রে মুজাহিদুল ইসলাম রিফাত, ক্যাপ্টেন লুইস চরিত্রে রিফাত জাহান শাওন।

এ ছাড়া লেফটেন্যান্ট ম্যাকগ্লোয়েন চরিত্রে তরিকুল সরদার, ডোনা প্যারিট চরিত্রে মৌমিতা সরকার, প্রাক্তন হার্ভার্ড শিক্ষার্থী উইলি চরিত্রে তাহিয়া তাসনিম মীম, টুমোরো আন্দোলন নেতা জিমি টুমোরো চরিত্রে সালমান নূর, পতিতা চরিত্রে রিফাত করবী, দেবলীনা দৈবী ও রিজভী সুলতানা এবং মানসিক বিকারগস্ত মদ্যপ হুগো চরিত্রে অভিনয় করছে মিরহাজুল শিবলী।

নাটকটির নেপথ্যে, মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনা এবং অভিনয় সৃজন রূপায়ণ করেছেন বিভাগের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান লিয়ন, দেহবিন্যাস করেছেন অমিত চৌধুরী, পোশাক পরিকল্পনা করেছেন কাজী তামান্না হক সিগমা ও আহম্মেদ রাউফুর রহিম।

এ ছাড়া নাটকে দ্রব্য পরিকল্পনা করেছেন বিভাগের শিক্ষক উম্মে সুমাইয়া মনি ও আহসান খান, সংগীত পরিকল্পনা করেছেন রুদ্র সাওজাল কাব্য, প্রক্ষেপণ করেছেন ওবায়দুর রহমান সোহান এবং আলোক প্রক্ষেপণ করেছেন শাহাবুদ্দিন মিয়া, পোস্টার ডিজাইন করেছেন দেবাশীষ কুমার দে।

নাটকে দেখা যাবে, হ্যারি হোপের পানশালায় নানা পেশার, নানা দেশের,নানা মানুষ কিছু অবাস্তব স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকে। সেই পানশালার সবাই নিজের জীবনের ব্যর্থতা থেকে বেরিয়ে পুনরায় নতুন করে জীবন শুরু করতে চায় আগামীকাল থেকে। কিন্তু তাদের সেই আগামীকাল আর আসে না। চার অঙ্কের নাটকটি শেষ হয় সেলসম্যান হিকি কর্তৃক স্ত্রী হত্যার আত্মস্বীকৃত উন্মোচন এবং পিতৃপরিচয় সংকটে ভোগা ডোনা প্যারিটের আত্মহত্যার মাধ্যমে।

নির্দেশক তানভীর নাহিদ খান বলেন, ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতেও নাটকটি প্রাসঙ্গিক। বর্তমান সময়ে মহামারি, জলবায়ুর বিরূপ পরিস্থিতি, দুর্যোগের মাঝেও আগামীর স্বপ্ন দেখার মাঝেই মানুষ বেঁচে থাকার প্রেরণা পায়।’

তিনি বলেন, ‘বাস্তববাদী ধারার এই নাটকে নিবিড় অভিনয় প্রশিক্ষণের প্রতি মনোযোগ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এবং সর্বপ্রকার অভিনয়-ত্রুটি বিলোপের অভিপ্রায় নাট্যানুশীলনে চর্চিত হয়েছে।

বিভাগের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান লিয়ন বলেন, ‘বিভাগ অ্যাকাডেমিক আয়তনে নাটক বিষয়ে বহু অক্ষিয় জ্ঞান আরোহণে গুরুত্ব দিয়ে দেশজ, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের নাট্য পরিবেশনাবিষয়ক জ্ঞান চর্চা করে আসছে। তার ধারাবাহিকতায় পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে পাশ্চাত্যের নাট্য পরিবেশনা উপস্থাপনের মাধ্যমে আমাদের এবারের আয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, 'এই আয়োজনের মাধ্যমে বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করছে। আমার বিশ্বাস প্রাতিষ্ঠানিক নাট্যচর্চার এই ধারাবাহিক উদ্যোগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও নাট্যপরিমণ্ডলকে বিকশিত করবে।'

উল্লেখ্য, প্রদর্শনীর আগে নাটমন্ডল প্রাঙ্গণ থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে।

আরও পড়ুন:
‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেয়া নিয়ে ঢাবি সিনেটে হট্টগোল
ঢাবির ৯২২ কোটি টাকার বাজেট পাস
মহানবীকে কটূক্তির প্রতিবাদে ঢাবিতে ‘নাত’ পাঠ
ঢাবিতে নারী হেনস্তার বিচার চায় ছাত্র ইউনিয়ন
বেলায়েত বললেন, ঢাবির পরীক্ষা মোটামুটি হয়েছে

মন্তব্য

শিক্ষা
BUET returned to online class in the fourth wave of Corona

করোনার চতুর্থ ঢেউয়ে অনলাইন ক্লাসে ফিরল বুয়েট

করোনার চতুর্থ ঢেউয়ে অনলাইন ক্লাসে ফিরল বুয়েট বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েট। ফাইল ছবি
‘যেহেতু করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই আমরা তাদের এই এক সপ্তাহের ক্লাস কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালনা করব। ক্লাসরুমে তাদের আনব না।’

দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়ে চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়ে পড়ায় সশরীরে ক্লাসের বদলে আবার অনলাইন ক্লাসের দিকে ঝুঁকেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েট। আগামী ২ জুলাই থেকে এক সপ্তাহ বিশ্ববিদ্যলয়টির স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সব ক্লাস অনলাইনে নেয়া হবে।

ঈদের পর আবার সশরীরে ক্লাসের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরদিন বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার ফোরকান উদ্দীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ায় এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানানো হয়।

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বুয়েটই প্রথম অনলাইন ক্লাসে ফেরার সিদ্ধান্ত নিল।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসতে থাকার মধ্যে গত ১২ জুন বুয়েট সশরীরে ক্লাসে ফিরে। এই সিদ্ধান্তের পর করোনা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়, এমনকি পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার একপর্যায়ে ১ শতাংশের নিচে নেমে আসে।

তবে গত মাসের শেষ দিক থেকেই করোনা পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর হার বেশ কম থাকলেও ১৬ জুন পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ হার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। টানা ১৪ দিন সংক্রমণ হার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর ২৯ জুলাই বাংলাদেশে করোনার চতুর্থ ঢেউয়ে পদার্পণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী করোনার ঢেউ নিয়ন্ত্রিত থাকা অবস্থায় পরপর দুই সপ্তাহ পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ হার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে।

বুয়েটের ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের পরিচালক (ডিএসডব্লিউ) মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের কোরবানির ঈদের বন্ধ শুরু হয়ে গেছে। তবে বন্ধের আগে আরও এক সপ্তাহ স্নাতকোত্তর শ্রেণির ক্লাস কার্যক্রম চলবে।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই আমরা তাদের এই এক সপ্তাহের ক্লাস কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালনা করব। ক্লাসরুমে তাদের আনব না।’

ঈদ শেষে ফের সশরীরে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা আছে বলেও জানান অধ্যাপক মিজান।

মন্তব্য

শিক্ষা
CU teachers demand justice for teacher murder assault

শিক্ষক হত্যা-লাঞ্ছনায় প্রতিবাদ চবি শিক্ষকদের

শিক্ষক হত্যা-লাঞ্ছনায় প্রতিবাদ চবি শিক্ষকদের শিক্ষককে হত্যা ও লাঞ্ছনার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষকরা। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. সজীব কুমার ঘোষ বলেন, ‘কোন সমাজের দিকে যাচ্ছি আমরা। আমরা সবাই শিক্ষক, জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরও করণীয় আছে। মানববন্ধন থেকে আমরা এই ঘটনাগুলোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

মান ও মর্যাদার জন্য শিক্ষকতায় এসেছি, এখন দেখি জীবনও নেই বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্বদ্যিালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার সাইদ।

তিনি বলেন, ‘অনেক দিন আগে সত্যজিৎ রায়ের ‘হীরক রাজার দেশে’ সিনেমা দেখেছিলাম। সেখানে হীরক রাজা সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়ে বলেছিলেন, বিদ্যাশিক্ষা লোকসান, এতে নাই অর্থ, নাই মান।’

সাভারে শিক্ষক হত্যা ও নড়াইলে শিক্ষকের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে বৃ্হস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মানববন্ধন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়টির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. সজীব কুমার ঘোষের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে শিক্ষকরা ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে শিক্ষকদের নিরাপত্তা ও সঠিক মর্যাদা নিশ্চিতের আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. সেলিনা আখতার বলেন, ‘সাভারে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা করা হলো, অথচ মারধরের সময় কেউ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলো না।

‘অন্যদিকে নড়াইলে স্বপন কুমার বিশ্বাস পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশকে ফোন দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কীভাবে পারল একটা কলেজের অধ্যক্ষকে এভাবে নির্যাতন করতে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কল্পনা করুন, শিক্ষকের গলায় জুতার মালা দিয়েছে, তার ছবি তোলা হচ্ছিল, এ সময় তিনি মুখটা বন্ধ করে রেখেছিলেন। সেখানে আশপাশে পুলিশ সদস্য ছিল, তারা একনিষ্ঠভাবে তাকিয়ে ছিলেন কিন্তু কিছু করেননি।

‘পুলিশ কীভাবে সহ্য করল একজন অধ্যক্ষকে এভাবে অপমান করা। আমি ধিক্কার জানাই ওই কলেজের সবাইকে। এসব সহ্য করতে পারছি না। এসব ঘটনার বিচার চাই দ্রুত।’

সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌল্লাহ বলেন, ‘ছাত্ররা কেন উদ্ধত হয়ে যাচ্ছে এর বিশ্লেষণ প্রয়োজন। যে ছাত্ররা এইসব ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তারা একজনের জীবন নিয়েছে (উৎপল কুমার বিশ্বাস), আরেকজনকে জীবন্ত রেখেও মৃত বানিয়ে ফেলেছে।

‘যাদের জন্য এইসব ঘটনা ঘটেছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। আইন সব দেশেই আছে। আইনের যথার্থ বাস্তবায়ন না হলে অরাজকতার সৃষ্টি হয়। আমার মনে হয় আমাদের দেশেও তাই হচ্ছে।’

একজন শিক্ষক যদি অপদস্থ হয়, সমগ্র জাতি অপদস্থ হয়। বঙ্গবন্ধু শিক্ষকদের অনেক মর্যাদা দিতেন। শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষিত হোক আর ওই কুলাঙ্গারদের ফাঁসি নিশ্চিত করা হোক বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বদ্যিালয়ের ইংরেজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য।

মানববন্ধনে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক তাপসী ঘোষ বলেন, ‘মহান শিক্ষকতাকে পেশা পছন্দ করেছি। কিন্তু যখন দেখি, শিক্ষক ছাত্রের হাতে নিগৃহীত হচ্ছেন, তখন ঘৃণা ও লজ্জায় মুখ কোথায় রাখি।’

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. সজীব কুমার ঘোষ বলেন, ‘কোন সমাজের দিকে যাচ্ছি আমরা। আমরা সবাই শিক্ষক, জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরও করণীয় আছে। মানববন্ধন থেকে আমরা এই ঘটনাগুলোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

আরও পড়ুন:
হিরোইজম দেখাতে শিক্ষক উৎপলকে পিটিয়ে হত্যা: র‍্যাব
শিক্ষকের গলায় জুতার মালা: বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান আইনজীবী
ইউপি সদস্যের ভাইকে ‘ছুরিকাঘাতে হত্যা’
শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ: রাবি ছাত্র কারাগারে
শিক্ষক নিপীড়ন: পুলিশের নির্লিপ্ততা নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশ্ন

মন্তব্য

শিক্ষা
Cataract patients are increasing by more than 1 lakh in the country every year

দেশে বছরে ছানি রোগী বাড়ছে ১ লাখের বেশি

দেশে বছরে ছানি রোগী বাড়ছে ১ লাখের বেশি
‘চোখের ছানিজনিত অন্ধত্ব হলো সারা বিশ্বে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বের এক নম্বর কারণ। এটি প্রতিরোধে সচেতনতার ওপর জোর দেয়ার বিকল্প নেই।’

চোখের ছানিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধযোগ্য। বর্তমানে দেশে পাঁচ লাখের বেশি ছানি রোগী রয়েছে। এসব রোগীর ৮০ ভাগই বাস করে গ্রামে। আর তাদের সিংহভাগই চিকিৎসার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) বুধবার দুপুরে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরেন চক্ষু চিকিৎসকরা।

চোখের ছানি সচেতনতা মাস উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি অফ ক্যাটার‍্যাক্ট অ্যান্ড রিফ্ল্যাকটিভ সার্জনস (বিএসসিআরএস)।

সভায় বক্তারা জানান, চোখের ছানিজনিত অন্ধত্ব হলো সারা বিশ্বে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বের এক নম্বর কারণ। এটি প্রতিরোধে সচেতনতার ওপর জোর দেয়ার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, ‘একটা সময়ে অনেকেই চোখের ছানি অপারেশন করতে ভয় পেত। সেই ভয় অনেকটা দূর হয়ে গেছে। তবে চোখের রোগ নিয়ে সবার মাঝে সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে।’

বিএসএমএমইউ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শরফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দেশে স্বাস্থ্য সেবায় চিকিৎসকসহ দক্ষ জনবল প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। আমাদেরকে বেশি বেশি চিকিৎসক তৈরি করতে হবে। শুধু চক্ষু চিকিৎসক নয়, তাদের সার্জারি বিষয়েও জ্ঞান থাকতে হবে।

‘২০৩২ সালের মধ্যে দেশে ৩ হাজার ২০০ জন চক্ষু চিকিৎসকের প্রয়োজন পড়বে। এখন আছেন মাত্র ১ হাজার ৪০০।’

বিএসসিআরএসের বৈজ্ঞানিক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ৫ লাখের বেশি ছানি রোগী রয়েছে। প্রতি বছর নতুন করে ১ লাখ ৩০ হাজার রোগী যোগ হচ্ছে। এর মধ্যে এক লাখ রোগী সেবা পাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞ ছানি সার্জনের অভাবে সব রোগীকে চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।’

বিএসসিআরএস সভাপতি অধ্যাপক ডা. জাফর খালেদের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএসসিআরএসের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাক আহমেদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছানি সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, ডা. আব্দুর রকিব তুষার, ডা. মো. শওকত কবির প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
দেশে চালু হচ্ছে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল
বড় ক্ষতি হবার আগেই বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের আগুন নিয়ন্ত্রণে
বিএসএমএমইউতে লিভার প্রতিস্থাপন শিগগির
বিএসএমএমইউতে পেট থেকে ১০ কেজির টিউমার অপসারণ
দেশের সব মেডিক্যালে রিউমাটোলজি বিভাগ চালুর দাবি

মন্তব্য

শিক্ষা
The closed student hall is going on a 12 day holiday on Eid

ঈদে ১২ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জবি, বন্ধ ছাত্রী হলও

ঈদে ১২ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জবি, বন্ধ ছাত্রী হলও
রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে আগামী ৫ জুলাই মঙ্গলবার থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সব ক্লাস বন্ধ থাকবে এবং ৯ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সব ইনস্টিটিউট, বিভাগীয় অফিস এবং প্রশাসনিক দপ্তর বন্ধ থাকবে। ছুটির পর ১৫ ও ১৬ জুলাই যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় এবার মোট বন্ধ থাকছে ১২ দিন।

আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে আগামী ৫ জুলাই থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে। ছুটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলও ঈদের ছুটিতে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ইনস্টিটিউট, বিভাগীয় অফিস ও প্রশাসনিক দপ্তর বন্ধ হচ্ছে ৯ জুলাই থেকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ওহিদুজ্জামান ও ছাত্রীহলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শামীমা বেগম নিউজবাংলাকে ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ও হল বন্ধের বিষয়ে দুটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে।

রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে আগামী ৫ জুলাই মঙ্গলবার থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সব ক্লাস বন্ধ থাকবে এবং ৯ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সব ইনস্টিটিউট, বিভাগীয় অফিস এবং প্রশাসনিক দপ্তর বন্ধ থাকবে।

ছুটির পর ১৫ ও ১৬ জুলাই যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় এবার মোট বন্ধ থাকছে ১২ দিন। ১৭ জুলাই থেকে যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম চলবে।

বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট শামীমা বেগম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগামী ৫ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল বন্ধ থাকবে। ছাত্রীদের ৬ জুলাই বিকাল পাঁচটার মধ্যে হল ত্যাগ করার জন্য বলা হয়েছে।’

হল ত্যাগ করার আগে ছাত্রীদের নিজেদের মূল্যবান জিনিসপত্র নিজ দায়িত্বে রাখা, নিজ কক্ষে তালা দেয়া, নিজ কক্ষের জানালা বন্ধ রাখা, নিজ কক্ষের লাইট ও ফ্যানের সুইচ বন্ধ রাখা, বাথরুম ও টয়লেটের পানির কল বন্ধ রাখা এবং বেসিন ও ফিল্টারের কল বন্ধ রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের অপমান সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অন্তরায়: জবি নীল দল
রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়িচালককে মারধর: প্রতিবেদন ২৮ জুলাই
রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়িচালককে মারধর, জবি ছাত্রের নামে মামলা
শিক্ষার্থীদের ৫০ লাখ টাকা বৃত্তি দিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জবিতে খাবারের দাম কমানো ও অঙ্কনের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি

মন্তব্য

p
উপরে