× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
Ditu the young Chhatra League leader in the hands of Ramda
hear-news
player
print-icon

রামদা হাতে সেই তরুণ ছাত্রলীগ নেতা ডিটু

রামদা-হাতে-সেই-তরুণ-ছাত্রলীগ-নেতা-ডিটু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার ছাত্রদল-ছাত্রলীগ সংঘর্ষকালে রামদা হাতে ইয়াসির আরাফাত ডিটু। ছবি: নিউজবাংলা
ইয়াসির আরাফাত ডিটু বলেন, ‘এ নিয়ে আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমার হাতে আসলে রামদা ছিল না, এটি আসলে রড। এটির এক মাথায় কাপড় বাঁধা ছিল। আর রডটি কোথাও কোনো কিছুর সঙ্গে লেগে বাঁকা হয়ে গেছে। আর ছবিটা এমন অ্যাঙ্গেলে তোলা যে এই রডকেই রামদা মনে হয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ চলাকালে এক তরুণের তৎপরতা অনেকের দৃষ্টি কাড়ে। কারণ সংঘর্ষকালে দুই ছাত্র সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীর মাঝে কেবল ওই তরুণের হাতে একটি রামদা দেখা গেছে।

সংঘর্ষের সময়ে ছাত্রলীগের পক্ষে থাকা ‘রামদা’ হাতে ওই তরুণের পরিচয় জানা গেছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত ডিটু। প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের এই শিক্ষার্থী থাকেন শহীদুল্লাহ হলেই।

ডিটু শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফ আহমেদ মুনিমের অনুসারী। আর মুনিম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের অনুসারী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ছবিতে দেখা যায়, কমলা রংয়ের শার্ট ও জিন্সের প্যান্ট পরিহিত ডিটুর ডান হাতে একটি রামদা ধরা। রামদার কাঠের বাঁটও দৃশ্যমান। শার্টের হাতা ফোল্ডিং করা।

আর ডিটুর ডান পাশে ছিলেন ধূসর রংয়ের টি-শার্ট ও সাদা প্যান্ট পরিহিত শরিফ আহমেদ মুনিম। তিনি শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

ইয়াসির আরাফাত ডিটু ও শরিফ আহমেদ মুনিমের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল ঘুরে ছবির সঙ্গে তাদের মিল শনাক্ত করা গেছে।

তবে মুনিমের দাবি- এটি রামদা নয়, পাইপ। আর ডিটুর ভাষ্য, এটি ছিল লোহার রড।

ইয়াসির আরাফাত ডিটু বলেন, ‘এ নিয়ে আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমার হাতে আসলে রামদা ছিল না, এটি আসলে রড। এটির মাথায় কাপড় বাঁধা ছিল। আর রডটি কোথাও কোনো কিছুর সঙ্গে লেগে বাঁকা হয়ে গেছে। আর ছবিটা এমন অ্যাঙ্গেলে তোলা যে এই রডকেই রামদা মনে হয়েছে।’

ডিটু আরও বলেন, ‘আমি রামদা হাতে নিয়ে থাকলে যদি কাউকে কোপ দিতাম তখন কেটে যেত। এরকম কিছু তো হয়নি। মূলত ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যখন ইট ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের আক্রমণ করতে আসছিল তখন মূলত তাদের প্রতিহত করতে আমি রড হাতে নিয়েছিলাম।

হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুনিম বলেন, ‘ছাত্রদল যেন নৈরাজ্য করতে না পারে সেজন্য সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল। এরপর ছাত্রদল যখন লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে আক্রমণ করতে আসছিল তখনকার পরিস্থিতিতে যে কেউই তাদের প্রতিরোধ করবে। এজন্য আমরা এগুলো হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম।

‘ছবিতে হয়তো আপনারা ভুল দেখছেন। এটি রামদা নয়, বাঁকা পাইপ ছিল।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের মশাল মিছিল
ছাত্রদলের ওপর ‘সন্ত্রাসী হামলার’ বিচার চায় সাদা দল
ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদ ছাত্র ফেডারেশনের
ছাত্রদল নেতাকর্মীকে পেটানোদের গ্রেপ্তার চান ফখরুল
কার্জনের সামনেও সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগ-ছাত্রদল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
80 percent of RBIs budget will go to salaries allowances and pensions

রাবির বাজেটের ৮০ ভাগই যাবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে

রাবির বাজেটের ৮০ ভাগই যাবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
বাজেটের ৩৩৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে বরাদ্দ দেয়া হবে। বাকি ২২ কোটি টাকা আসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় থেকে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৪৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে সিন্ডিকেট। গত অর্থবছরের তুলনায় এবার ২১ কোটি ২৩ লাখ টাকা বাড়িয়ে বাজেট পাশ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সিন্ডিকেটের ৫১৫ তম সভায় বাজেটটি পাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করেন। এর আগে ২ জুলাই অর্থায়ন কমিটির ৫৫৮ তম সভায় এই বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পান্ডে জানান, এবার ৪৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বাজেটের মধ্যে ৩৬৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা খরচ হবে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও পেনশনে। যা মোট বাজেটের ৮০ দশমিক ৬১ শতাংশ।

এবার গবেষণা খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১০ কোটি টাকা। যা মোট বাজেটের ২.১৯ শতাংশ। গতবছর এই খাতে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল।

এবারই প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ১ কোটি টাকার বাজেট রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, প্রকাশনা, বই পত্র, গবেষণাগার সরঞ্জামাদি, স্মার্ট ক্লাসরুম, ফিল্ডওয়ার্ক/শিক্ষা সফর, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, খেলাধুলা ও শিক্ষাবৃত্তিসহ ১০ খাত অগ্রাধিকার পেয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকাশনা খাতে ৫২ লাখ, ফিল্ড ওয়ার্ক/শিক্ষা সফর খাতে ৮০ লাখ, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাবদ ৫২ লাখ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি খাতে ২০২১-২২ বছরে ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে এক কোটি টাকা করা হয়েছে। বইপত্র খাতে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬০ লাখ টাকা। গত বাজেটে বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরির জন্য বইপত্র খাতে বরাদ্দ ছিল ১৫ হাজার টাকা। এবার তা বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের বই ক্রয় বাবদ ৩৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের অটোমেশন বাবদ ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হল থেকে শিক্ষার্থীকে ‘বের করে দিল’ ছাত্রলীগ
অপরাধ করলে শাস্তি নিশ্চিত: অ্যাটর্নি জেনারেল
রায়ে সন্তুষ্ট, কার্যকরের অপেক্ষায় অধ্যাপক তাহেরের স্ত্রী
রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা: ২ জনের ফাঁসির আদেশ আপিলে বহাল
৮৮ বছর পর আয়া সোফিয়াতে তারাবির নামাজ

মন্তব্য

শিক্ষা
Belal is not stopping even though he is suffering in DU

ঢাবিতে কষ্ট পেলেও থামছেন না বেলাল

ঢাবিতে কষ্ট পেলেও থামছেন না বেলাল বেলায়েত শেখ। ফাইল ছবি
‘অনেক স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার। তবে সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। আমার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট তো আমাকে পোড়াবেই। সামনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করব। আশা করি, দেশের যেকোনো একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সুযোগ পাব।’

৫৫ বছর বয়সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আলোড়ন তৈরি করা বেলায়ত হোসেনকে নিরাশ হতে হলো। পরীক্ষায় পাস করতে না পারায় কষ্টে আছেন তিনি। তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না, দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেবেন। আশা, কোথাও না কোথাও ভর্তির সুযোগ মিলবে।

বেলায়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিয়েছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে এই ইউনিটের ফল প্রকাশ হয়। এতে দেখা যায়, তিনি পাস করতে পারেননি। আর যে নম্বর পেয়েছেন, তাতে তিনি আরও বেশি হতাশ হয়েছেন।

গত ১১ জুন পরীক্ষা দেয়ার পর বেলায়েত জানিয়েছিলেন পরীক্ষা ভালো হয়েছে। এত বয়সে এর আগে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তির চেষ্টা করেনি।

তবে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ৬০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক অংশে বেলায়েত পেয়েছেন ৮ । এমসিকিউতে ফেল করায় তার লিখিত অংশের খাতা মূল্যায়নের জন্যে বিবেচিতই হয়নি।

আট নম্বরের মধ্যে নৈর্ব্যক্তিক অংশের বাংলায় ২, ইংরেজিতে ২.৭৫ এবং সাধারণ জ্ঞান অংশে পেয়েছেন ৩.২৫ নম্বর।
আর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএসহ সর্বমোট নম্বর পেয়েছেন ২৬ দশমিক ২।

বেলায়েত বাংলা অংশের নৈর্ব্যক্তিকে মোট ১২টি প্রশ্নের উত্তর দেন। এর মধ্যে আটটি প্রশ্নের উত্তরই ছিল ভুল।
ইংরেজিতে নয়টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সেখানে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর তার ঠিক হয়নি।

সাধারণ জ্ঞান অংশে দেয়া ১২টি প্রশ্নের মধ্যে তিনি সাতটি প্রশ্নেরই ভুল উত্তর দিয়েছেন।

বেলায়েত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেক স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার। তবে সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। আমার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট তো আমাকে পোড়াবেই।’

নম্বর প্রত্যাশার চেয়ে কম এসেছে এবং এটা আরও বেশি পোড়াচ্ছে বেলায়েতকে। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা ভালোই দিয়েছিলাম। তবে এত কম নম্বর পাব তা ভাবিনি। আশা করেছিলাম পাস করব। তবে সেটাও হলো না। অনেক খারাপ লাগছে। আমার ভাগ্যটাই ভালো না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হতাশ হলেও থেমে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন বেলায়েত। আসলে তিনি থেমে থাকার মানুষও নন।

তিনি বলেন, ‘সামনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করব। আশা করি, দেশের যেকোনো একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সুযোগ পাব।’

বেলায়েতের জীবন কাহিনি বলে তিনি এগিয়ে যেতে চান।

আর্থিক দুরবস্থা ও বাবার অসুস্থতার কারণে ১৯৮৩ সালে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর লেখাপড়া থেকে ছিটকে যান বেলায়েত। হাল ধরতে হয় সংসারের।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার পর প্রথমে ভাই বোন ও পরে সন্তানদেরকে দিয়ে চেষ্টা করেন বেলায়েত। কিন্তু তারাও পারেনি। এরপর বয়স ৫০ পেরিয়ে যাওয়ার পর আবার পড়াশোনা শুরু করেন তিনি।

২০১৭ সালে ঢাকার বাসাবোর দারুল ইসলাম আলিম মাদরাসা থেকে ৪ দশমিক ৪৩ জিপিএ নিয়ে তিনি এসএসসি (ভোকেশনাল) পাস করেন। চার বছর পর ২০২১ সালে রামপুরার মহানগর কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ ৪ দশমিক ৫৮ পেয়ে পাস করেন এইচএসসি (ভোকেশনাল)।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন তিনি।
স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে বেলায়েতের সংসার। কাজ করেন দৈনিক করতোয়া প্রত্রিকায় গাজীপুরের শ্রীপুর প্রতিনিধি হিসেবে।

মন্তব্য

শিক্ষা
Pass in DU D unit 56 percent

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে পাস ৮.৫৮ শতাংশ

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে পাস ৮.৫৮ শতাংশ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ফলাফল প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
পাস করেছেন ৬ হাজার ১১১ জন। পাসের হার ৮.৫৮। ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে এই ইউনিটে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৭১ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

এতে পাস করেছেন ৬ হাজার ১১১ জন। পাসের হার ৮.৫৮। ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে এই ইউনিটে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৭১ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে অবস্থিত আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল শ্রেণিকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান।

‘ঘ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক জিয়া রহমান, সহযোগী সমন্বয়কারী কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল বাছির, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীমা জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

‘ঘ’ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় একটি সম্মিলিত ইউনিট। এখানে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক- তিন শাখা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীরাই অংশ নিতে পারেন। একে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিটও বলা হয়ে থাকে। এই ইউনিটের মাধ্যমে ১১টি অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের ৫৫টি বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

‘ঘ’ ইউনিটের এবারের ফলাফলে বিজ্ঞান শাখা থেকে ৪ হাজার ৮১১ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ১ হাজার ৫ জন আর মানবিক শাখা থেকে ২৯৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বিজ্ঞান শাখা থেকে ১ হাজার ১১ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ২৯৭ জন আর মানবিক শাখা থেকে ২৮ জন এবার এই ইউনিটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফলাফল জানতে পারছেন। এ ছাড়া রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক বা টেলিটক নম্বর থেকে ‘DU GHA Roll No’ ফরম্যাটে ১৬৩২১ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল জানা যাচ্ছে।

এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ৭ জুলাই বেলা ৩টা থেকে ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত ফরম ও বিষয় পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে হবে।

কোটায় আবেদনকারীদের ১৮ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে হবে। তা যথাযথভাবে পূরণ করে ওই সময়ের মধ্যে ডিন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

কারও ফলাফল নিয়ে সন্দেহ থাকলে তা নিরীক্ষার জন্য ১ হাজার টাকা ফি দেওয়া সাপেক্ষে ১৭ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয়ে আবেদন করা যাবে।

‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত ১১ জুন। এই ইউনিটের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ শেষ হলো।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে শীর্ষ ৩ জনের নম্বর সমান
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ফেল ৮৯.৬১ শতাংশ
ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ সোমবার

মন্তব্য

শিক্ষা
UGC has directed to close Radag Day in the university

বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে বন্ধের নির্দেশ ইউজিসির

বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে বন্ধের নির্দেশ ইউজিসির
ইউজিসির বেসরকারি শাখার পরিচালক ওমর ফারুকের সই করা অফিস আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে উদযাপন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।

দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘র‌্যাগ ডে’ উদযাপন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

সোমবার রাতে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের একটি রায়ের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে র‌্যাগ ডে উদযাপন বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সাধারণত কোনো ব্যাচের শিক্ষা সমাপ্ত হওয়ার পর র‌্যাগ ডে পালন করা হয়। সাধারণত এটি অনার্স অথবা মাস্টার্স শেষে হয়ে থাকে। এটিকে অনেকে শিক্ষা সমাপনী উৎসবও বলেন।

সোমবার রাতে ইউজিসির বেসরকারি শাখার পরিচালক ওমর ফারুকের সই করা অফিস আদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে উদযাপন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং-৪৫১৫/২০২২ এর একটি আদেশে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘র‌্যাগ ডে’ উদযাপনের নামে সব ধরনের অশ্লীলতা, নগ্নতা, ডিজে পার্টি, অশোভন আচরণ, নিষ্ঠুর ও নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড এবং বুলিং অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আরও বলা হয়, হাইকোর্ট ডিভিশনের উল্লিখিত নির্দেশনা মোতাবেক সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উক্ত রূপ কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

গত ৩০ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাগ ডের নীতিমালা অনুমোদন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, র‍্যাগ ডের নতুন নাম হবে ‘শিক্ষা সমাপনী উৎসব’। এই উৎসব উদযাপনে শিক্ষার্থীদের মানতে হবে একগুচ্ছ নিয়ম।

গত ১৭ এপ্রিল ‘র‌্যাগ ডে’ পালনের নামে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজে পার্টিসহ নগ্ন, অশ্লীল, উন্মত্ত, কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর কর্মকাণ্ড বন্ধে ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।

আরও পড়ুন:
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম তদন্তে ইউজিসি
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে আসছে নীতিমালা
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষায় ইউজিসির গাইডলাইন
উচ্চশিক্ষার পাঠক্রম উন্নয়নে সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম তদন্তে ইউজিসি

মন্তব্য

শিক্ষা
Journey to Aviation and Aerospace University at Lalmonirhat

লালমনিরহাটে অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা

লালমনিরহাটে অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা রোববার সকালে লালমনিরহাটে বিএসএমআরএএইউ এর একাডেমিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিমান বাহিনীর প্রধান। ছবি: নিউজবাংলা
বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, বিএসএমআরএএইউ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রকল্প। বিশ্ববিদ্যালয়টি অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস শিক্ষায় এ অঞ্চলে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে পরিণত হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমআরএএইউ) লালমনিরহাট ক্যাম্পাসের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান
বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক সেশন উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপাচার্য এয়ার ভাইস মার্শাল মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম নবনির্মিত ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনী প্রধান ও তার সফরসঙ্গীদের স্বাগত জানান।

বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, বিএসএমআরএএইউ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রকল্প। বিশ্ববিদ্যালয়টি অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস শিক্ষায় এ অঞ্চলে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে পরিণত হবে।

বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি অ্যাভিয়েশন হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, বিশ্বব্যাপী দ্রুত অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস সেক্টরের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও সরবরাহে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

বিএসএমআরএএইউর অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম ২০২০ সালে ঢাকা ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস লালমনিরহাটে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সেখানে এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টে এমবিএ, এভিয়েশন সেফটি অ্যান্ড অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশনে এমএসসি এবং আন্তর্জাতিক ও মহাকাশ আইনে এলএলএম কোর্স চালু হয়েছে।

আগামীতে এমএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (অ্যারোস্পেস), এমএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এভিওনিক্স), এমএসসি ইন স্পেস সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং, এমএসসি ইন স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু করা হবে।

শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে উড়োজাহাজ, ফ্লাইট অপারেশন নিরাপত্তা, হেলিকপ্টার এবং মহাকাশের ওপর বিভিন্ন গবেষণারও সুযোগ পাবেন।

বিমানবাহিনী প্রধান দুপুরে নতুন ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ করেন।

এর আগে গত রোববার সকালে লালমনিরহাট শহরের পাশে বিমানঘাঁটি এলাকায় বিএসএমআরএএইউয়ের নতুন স্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করেন ভিসি এয়ার ভাইস মার্শাল মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন শুরু
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত ৩০ সেপ্টেম্বর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ট্রেজারার সালাম

মন্তব্য

শিক্ষা
The first Sarwar in the DU C unit is the second Ilma

ঢাবি ‘গ’ ইউনিটে প্রথম সারওয়ার, দ্বিতীয় ইলমা

ঢাবি ‘গ’ ইউনিটে প্রথম সারওয়ার, দ্বিতীয় ইলমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া শিক্ষার্থীরা।
এই ইউনিটে চলতি বছর পাসের হার ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৮৫ দশমিক ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। গত ৩ জুন ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়। ৯৩০ জন পরীক্ষার্থী এবার এই ইউনিটে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন নটর ডেম কলেজের সারওয়ার হোসাইন খান। তার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ভবনে।

দ্বিতীয় হয়েছেন দাউদ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আনিমা পারভেজ ইলমা এবং তৃতীয় হয়েছেন সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের মো. আবদুল্লাহ খান।

কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটে প্রথম হওয়া নাহনুল কবির নুয়েলও রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থী।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পাওয়া সারওয়ার হোসাইন ১২০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছেন ১১৬ দশমিক ৭৫।

এমসিকিউ অংশে বাংলা, ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান এবং ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ বিষয়ে সম্পূর্ণ ১২ নম্বরই পেয়েছেন। আর ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিংয়ে পেয়েছেন ১০ দশমিক ৭৫ নম্বর।

লিখিত পরীক্ষায় তিনি ৩৮ নম্বর পেয়েছেন।

সেই হিসাবে সারওয়ার ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় পেয়েছেন ৯৬ দশমিক ৭৫ নম্বর।

দ্বিতীয় হওয়া আনিমা পারভেজ ইলমা ১২০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছেন ১১০। তিনি নৈর্ব্যক্তিক অংশের বাংলা, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ এবং মার্কেটিং বিষয়ে সম্পূর্ণ ১২ নম্বরই পেয়েছেন। আর ইংরেজিতে পেয়েছেন ১১। অন্যদিকে লিখিতে অংশে পেয়েছেন ৩১ নম্বর।

ফলে তিনি ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় মোট নম্বর পেয়েছেন ৯০।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ থাকায় সেখানেও তিনি সম্পূর্ণ ২০ নম্বরই পেয়েছেন।

তৃতীয় স্থান অর্জন করা মো. আবদুল্লাহ খান ১২০ নম্বরের মধ্যে ১০৭ দশমিক ৭৫ পেয়েছেন।

আবদুল্লাহ নৈর্ব্যক্তিক অংশের ইংরেজি, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ এবং মার্কেটিং বিষয়ে সম্পূর্ণ ১২ নম্বরই পেয়েছেন। আর বাংলায় ৯ দশমিক ৫০ এবং হিসাববিজ্ঞানে ১০ দশমিক ৭৫ নম্বর পেয়েছেন।

অন্যদিকে লিখিতে অংশে তিনি ৩১ দশমিক ৫০ নম্বর পেয়েছেন।

ফলে আবদুল্লাহ ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় মোট নম্বর পেয়েছেন ৮৭ দশমিক ৭৫।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ থাকায় সেখানেও তিনি সম্পূর্ণ ২০ নম্বরই পেয়েছেন।

দুপুরে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়৷

পরীক্ষায় অংশ নেয়া ২৯ হাজার ৯৯৭ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হন ৪ হাজার ২৮৯ জন।

এই ইউনিটে চলতি বছর পাসের হার ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৮৫ দশমিক ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছেন।

গত ৩ জুন ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়। ৯৩০ জন পরীক্ষার্থী এবার এই ইউনিটে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন:
এক মাস এগিয়েছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা
কবে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা
বুয়েটে ভর্তির প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা ৪ জুন
মেডিক্যালের প্রশ্নে সন্তোষ পরীক্ষার্থীদের
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ শুরু

মন্তব্য

শিক্ষা
The time for application for admission test in CU has increased

চবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময় বাড়ল

চবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময় বাড়ল
৮ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। ফি জমা দেয়া যাবে ১৫ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত। আবেদনের অন্যান্য শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময় আরও পাঁচ দিন বাড়ানো হয়েছে।

বন্যাকবলিত এলাকায় বসবাসরত শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের বিষয় বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা কমিটি।

রোববার ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (অ্যাকাডেমিক) এস এম আকবর হোছাইনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সে অনুযায়ী, ৮ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। ফি জমা দেয়া যাবে ১৫ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত। আবেদনের শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকবে।

ভর্তি আবেদনের শেষ সময় ছিল রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত। এদিন বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৯০ জন শিক্ষার্থী চবির বিভিন্ন ইউনিটে আবেদন করেছেন।

চবির আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘এ’ ইউনিটে ৫০ হাজার ৫৩৭ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এ ছাড়া ‘বি’ ইউনিটে ৩৪ হাজার ২০৮ জন, ‘সি’ ইউনিটে ৯ হাজার ৯৯৩ জন, ‘ডি’ ইউনিটে ৩৬ হাজার ৬৫৩ জন, ‘বি-১’ উপ ইউনিটে ২ হাজার ৮০৭ জন, ‘ডি-১’ উপ ইউনিটে ৩ হাজার ৯২ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন।।

ভর্তি প্রক্রিয়া

প্রতিবারের মতো এবারও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া জিপিএর ভিত্তিতে ২০ নম্বর থাকবে। বহুনির্বাচনি পদ্ধতির এই ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৪০।

আরও পড়ুন:
চবিতে দ্বিতীয়বার ভর্তির সুযোগ দাবি, কর্তৃপক্ষের নাকচ
পুলিশ হেফাজতে যুবলীগ নেতা, চবিতে অবরোধ প্রত্যাহার
ছাত্রলীগের অবরোধে ভোগান্তিতে চবি শিক্ষার্থীরা
চবি ছাত্রলীগের ২ নেতাকে ‘মারধর’, ক্যাম্পাস অবরোধ
চবিতে স্থানীয়-ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ, রেলক্রসিং এলাকা অবরোধ

মন্তব্য

p
উপরে