× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
Unique ID data entry time increased again
hear-news
player
print-icon

ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রির সময় ফের বাড়ল

ইউনিক-আইডির-ডাটা-এন্ট্রির-সময়-ফের-বাড়ল
শ্রেণিকক্ষে ক্লাস নিচ্ছেন এক শিক্ষক। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
আগামী ৩১ মের মধ্যে শিক্ষার্থীরা ডাটা এন্ট্রি ও আপলোড করতে পারবে। এর আগেও কয়েক দফা ডাটা এন্ট্রির সময় বাড়ানো হয়েছিল।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর ইউনিক আইডি (ইউআইডি) তৈরির জন্য সফটওয়্যারের ডাটা এন্ট্রির সময় আবারও বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩১ মের মধ্যে শিক্ষার্থীরা ডাটা এন্ট্রি ও আপলোড করতে পারবে। এর আগেও কয়েক দফা ডাটা এন্ট্রির সময় বাড়ানো হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার রাতে ইউনিক আইডির প্রকল্প পরিচালক শামসুল আলমের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউনিক আইডির মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত সব তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সব বিভাগের জন্য ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা আগামী ২০ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা ৩১ মে পর্যন্ত পুনরায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

যেভাবে ডাটা এন্ট্রি করতে হবে

ব্যানবেইসের ওয়েবসাইট থেকে (www.banbeis.gov.bd) থেকে IEIMS মেনুতে গিয়ে ইউনিক আইডির লাইভ সার্ভারে ক্লিক করে CRVS Institution Login page-এ যেতে হবে। অথবা http://crvs-institute.banbeis.gov.bd/তে ক্লিক করে CRVS Institution Log in page-এ যেতে হবে।

সফটওয়্যারে এন্ট্রি ও আপলোডের দায়িত্বে শিক্ষকদের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান পাসওয়ার্ড বদলাতে পারবেন। অ্যাডমিন হিসেবে প্রতিষ্ঠানপ্রধান সর্বোচ্চ পাঁচটি ইউজার আইডি তৈরি করতে পারবেন। তবে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ছাড়া হস্তান্তরযোগ্য নয়।

ইউনিক আইডি কেন

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে ইউনিক আইডি। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর হলে এই আইডি জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) রূপান্তরিত হবে।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরির দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)। এ ছাড়া প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরি করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

কেন শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক আইডি তৈরি করা হচ্ছে এমন প্রশ্নে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলেই স্থানীয় সরকার বিভাগের অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের আওতায় তার জন্ম নিবন্ধন হয়। আর ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া সবার জন্য আছে জাতীয় পরিচয়পত্র।’

তিনি বলেন, ‘তবে যারা প্রাইমারি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী, অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে তারা এই সিস্টেমের বাইরে। এ জন্য তাদের সিস্টেমের মধ্যে আনতেই ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

ফরমে যেসব তথ্য দিতে হয়

স্ট্যাবলিশমেন্ট অফ ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা চার পৃষ্ঠার ফরমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ফরমে শিক্ষার্থীর নাম, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মস্থান, জেন্ডার, জাতীয়তা, ধর্ম, অধ্যয়নরত শ্রেণি, রোল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, প্রতিবন্ধিতা (ডিজ-অ্যাবিলিটি), রক্তের গ্রুপ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কি না, মা-বাবার নামসহ বেশ কিছু তথ্যের ঘর রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি শুরু
ইউনিক আইডি: ফরম পূরণে ভোগান্তির শেষ নেই
ইউনিক আইডি করতে জন্ম নিবন্ধনের জটিলতা কেন
শিক্ষার্থীরা ইউনিক আইডি পাবে কবে?
ইউনিক আইডির তথ্যছক পূরণ স্থগিত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Leaders allegations against JOB BCL president and secretary

জবি ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে নেতাদের এন্তার অভিযোগ

জবি ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে নেতাদের এন্তার অভিযোগ সোমবার জবি প্রেসক্লাবে গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে নানা অভিযোগ তোলেন শাখা ছাত্রলীগের নেতাদের একাংশ। ছবি: নিউজবাংলা
জাবি ছাত্রলীগ নেতৃত্বের একংশের অভিযোগ, শাখা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক একক কর্তৃত্ব ধরে রাখতে অন্যদের সামনে আসতে দেন না। ক্যাম্পাসে অন্য নেতাদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, যেকোনো প্রোগ্রামে মঞ্চে উঠতে বাধা দেয়া, এমনকি এক নেতাকে প্রকাশ্যে জুতাপেটাও করেছেন তারা।

সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় দাঁড় করিয়েছেন শাখা ছাত্রলীগের অন্য নেতারা।

টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মারধর, নারী হেনস্থা, নেতাকর্মীদের অপদস্ত করা এমনকি একই শাখার অন্য এক নেতাকে প্রকাশ্যে জুতাপেটার অভিযোগও উঠেছে।

জবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কামরুল হুসাইন ও পরাগ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফৌজিয়া জাফরিন প্রিয়ন্তী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান হৃদয় নিউজবাংলার কাছে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

এছাড়াও সোমবার বিকেলে জবি প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে এসব অভিযোগ তোলেন শাখা ছাত্রলীগের নেতাদের একাংশ।

অভিযোগ তুলে তারা বলেন, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক একক কর্তৃত্ব ধরে রাখতে অন্য নেতাকর্মীদের সামনে আসার সুযোগ দেন না। ক্যাম্পাসে অন্য নেতাদের টানানো পোস্টার রাতের আঁধারে ছিঁড়ে ফেলা, যেকোনো প্রোগ্রামে মঞ্চে উঠতে বাধা দেয়া, কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রটোকল দিতে না দেয়া, এমনকি এক নেতাকে প্রকাশ্যে জুতাপেটাও করেছেন তারা।

এছাড়াও সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজির ছাত্রদল-সংশ্লিষ্টতা ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেনের বাবা যুবদলের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।

ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কামরুল হুসাইন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের পকেট ভারী করতে ছাত্রলীগের নাম করে ক্যাম্পাসে টেন্ডারবাজি করেছেন। নতুন ক্যাম্পাসের প্রকল্প কাজ যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা মীর কাশেমের কোম্পানিকে পাইয়ে দিয়ে সেখান থেকে কমিশন খেয়েছেন।

‘জবি ছাত্রলীগ সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি মেয়ে নিয়ে রিসোর্টে যান বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। যেখানে রাত ৯টায় হলের গেট বন্ধ হয়ে যায় সেখানে কী করে মধ্যরাতে তারা হলে প্রবেশ করেন?’ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের শাস্তির দাবি জানান তিনি।

আরেক সহ-সভাপতি পরাগ হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নেতার সঙ্গে আমার ঝামেলা হয়। সেখানে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। আমি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তা না নিয়ে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকের নিষেধ আছে বলে জানায়৷ সভাপতিকে তা জানালে সেই ছেলে আকতারের রাজনীতি করে বলে ঘটনা এড়িয়ে যান।’

সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ‘কুপ্রস্তার’-এর অভিযোগ আনা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফৌজিয়া জাফরিন প্রিয়ন্তী বলেন, ‘ছাত্রী হলে সিট পেতে ছাত্রলীগ থেকে ৩০০ জনের নাম দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সদ্য যুক্ত হওয়া ৬/৭জনও আছে। অথচ ক্যাম্পাসে ৭ বছর রাজনীতি করলেও আমার নাম দেয়া হয়নি।

‘আমাকে যেমন কুপ্রস্তাব দিয়েছে, মনোবাসনা পূরণ করার কথা বলা হয়েছে, তাদেরও যে তেমনটা বলা হয়নি তার কী প্রমাণ আছে!’

প্রিয়ন্তী আরও বলেন, ‘মাদারীপুরে বাড়ি হওয়ায় আকতার ভাই ও আমি একসঙ্গে রাজনীতি করেছি। কিন্তু নেতা হওয়ার পর তার আসল রূপ দেখতে পেয়েছি। এরপর থেকে ক্যাম্পাসে রাজনীতি করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

‘ক্যাম্পাসে তার প্যানেলে থাকতে পারব না বলে সভাপতির কাছে যাই। সেখানেও আমাকে রাজনীতি করতে দেয়া হয়নি। আমি এর সঠিক বিচার চাই। ক্যাম্পাসে মেয়েদের রাজনীতি করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই।’

জবি ছাত্রলীগের ১ নম্বর সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত সাঈদ অভিযোগ করে বলেন, ‘পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার মোড়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আমার পরিচয়ে চাঁদা দাবি করেছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। তাৎক্ষণিকভাবে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বিষয়টি জানালেও সাংগঠনিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। কারণ তারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের একান্ত আস্থাভাজন।’

সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান হৃদয় বলেন, ‘আমি ২০১৫ সাল থেকে ক্যাম্পাসে রাজনীতি করি। নিজের যোগ্যতায় সংগঠনে পদ পেয়েছি। ক্যাম্পাসের পাশে এক মার্কেটের মালিকের খোঁজখবর নেয়ায় বলা হয়েছে আমি নাকি চাঁদাবাজি করি। আমাকে সবার সামনে অপমান করা হয়েছে। বহিষ্কারের হুমকি দেয়া হয়েছে।

‘রোজার ঈদের আগে ভিসি ভবনের সামনে ইব্রাহিম ফরাজি পায়ের জুতা খুলে আমার দুই গালে বাড়ি দিয়েছে। দুইটা থাপ্পড় মেরেছে আর যেসব অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে তা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমি বলেছিলাম অপরাধ করে থাকলে আমার বিচার হবে। কিছু না করেও কেন আমাকে অপমানিত হতে হলো? আমি এর বিচার চাই।’

জবি ছাত্রলীগ নেতৃত্বের একাংশ আরও অভিযোগ তুলেছে, শাখা ছাত্রলীগের ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির গুটি কয়েক সদস্য ছাড়া সবাই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হেনস্থার শিকার হয়েছেন।

গণমাধ্যমের সামনে এসব অভিযোগ তুলে ধরার সময় ১০-১২ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সহ-সভাপতি প্রিতিশ দত্ত রাজ, মিঠুন বাড়ৈ, মাসুম পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল ও আবু রায়হান অভিযোগের বিষয়ে সক্রিয় অবস্থানে রয়েছেন।

এছাড়াও নিউজবাংলার অনুসন্ধানে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজির চিত্র উঠে এসেছে। সম্প্রতি সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলেও চাঁদাবাজি থেমে থাকেনি।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, ছাত্রলীগ সভাপতির অনুসারী রবি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী মাসুদ েই চাঁদাবাজির টাকা তোলায় সরাসরি জড়িত। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের অংশে কথিত টিএসসির প্রতিটি দোকান থেকে ২০০ টাকা, ভ্যানের ওপর ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো থেকে ৫০০-৬০০ টাকা চাঁদা নেয়া হয়। চাঁদাবাজি থেকে বাদ যাচ্ছে না ফুটপাতের মুচির দোকানও।

ঈদুল ফিতরের আগে এপেক্স কোম্পানির সদরঘাটের নতুন শাখা থেকে চাঁদা আদায় করেন ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি মেহেদী বাবু। আউটলেটটির ম্যানেজার ও এক কর্মচারী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নেতাদের আনা এসব অভিযোগের ব্যাপারে কথা বলতে জবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। এসএমএস পাঠালেও কোনো উত্তর মেলেনি।

মন্তব্য

শিক্ষা
Belal is not stopping even though he is suffering in DU

ঢাবিতে কষ্ট পেলেও থামছেন না বেলাল

ঢাবিতে কষ্ট পেলেও থামছেন না বেলাল বেলায়েত শেখ। ফাইল ছবি
‘অনেক স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার। তবে সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। আমার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট তো আমাকে পোড়াবেই। সামনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করব। আশা করি, দেশের যেকোনো একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সুযোগ পাব।’

৫৫ বছর বয়সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আলোড়ন তৈরি করা বেলায়ত হোসেনকে নিরাশ হতে হলো। পরীক্ষায় পাস করতে না পারায় কষ্টে আছেন তিনি। তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না, দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেবেন। আশা, কোথাও না কোথাও ভর্তির সুযোগ মিলবে।

বেলায়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিয়েছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে এই ইউনিটের ফল প্রকাশ হয়। এতে দেখা যায়, তিনি পাস করতে পারেননি। আর যে নম্বর পেয়েছেন, তাতে তিনি আরও বেশি হতাশ হয়েছেন।

গত ১১ জুন পরীক্ষা দেয়ার পর বেলায়েত জানিয়েছিলেন পরীক্ষা ভালো হয়েছে। এত বয়সে এর আগে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তির চেষ্টা করেনি।

তবে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ৬০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক অংশে বেলায়েত পেয়েছেন ৮ । এমসিকিউতে ফেল করায় তার লিখিত অংশের খাতা মূল্যায়নের জন্যে বিবেচিতই হয়নি।

আট নম্বরের মধ্যে নৈর্ব্যক্তিক অংশের বাংলায় ২, ইংরেজিতে ২.৭৫ এবং সাধারণ জ্ঞান অংশে পেয়েছেন ৩.২৫ নম্বর।
আর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএসহ সর্বমোট নম্বর পেয়েছেন ২৬ দশমিক ২।

বেলায়েত বাংলা অংশের নৈর্ব্যক্তিকে মোট ১২টি প্রশ্নের উত্তর দেন। এর মধ্যে আটটি প্রশ্নের উত্তরই ছিল ভুল।
ইংরেজিতে নয়টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সেখানে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর তার ঠিক হয়নি।

সাধারণ জ্ঞান অংশে দেয়া ১২টি প্রশ্নের মধ্যে তিনি সাতটি প্রশ্নেরই ভুল উত্তর দিয়েছেন।

বেলায়েত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেক স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার। তবে সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। আমার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট তো আমাকে পোড়াবেই।’

নম্বর প্রত্যাশার চেয়ে কম এসেছে এবং এটা আরও বেশি পোড়াচ্ছে বেলায়েতকে। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা ভালোই দিয়েছিলাম। তবে এত কম নম্বর পাব তা ভাবিনি। আশা করেছিলাম পাস করব। তবে সেটাও হলো না। অনেক খারাপ লাগছে। আমার ভাগ্যটাই ভালো না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হতাশ হলেও থেমে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন বেলায়েত। আসলে তিনি থেমে থাকার মানুষও নন।

তিনি বলেন, ‘সামনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করব। আশা করি, দেশের যেকোনো একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সুযোগ পাব।’

বেলায়েতের জীবন কাহিনি বলে তিনি এগিয়ে যেতে চান।

আর্থিক দুরবস্থা ও বাবার অসুস্থতার কারণে ১৯৮৩ সালে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর লেখাপড়া থেকে ছিটকে যান বেলায়েত। হাল ধরতে হয় সংসারের।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার পর প্রথমে ভাই বোন ও পরে সন্তানদেরকে দিয়ে চেষ্টা করেন বেলায়েত। কিন্তু তারাও পারেনি। এরপর বয়স ৫০ পেরিয়ে যাওয়ার পর আবার পড়াশোনা শুরু করেন তিনি।

২০১৭ সালে ঢাকার বাসাবোর দারুল ইসলাম আলিম মাদরাসা থেকে ৪ দশমিক ৪৩ জিপিএ নিয়ে তিনি এসএসসি (ভোকেশনাল) পাস করেন। চার বছর পর ২০২১ সালে রামপুরার মহানগর কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ ৪ দশমিক ৫৮ পেয়ে পাস করেন এইচএসসি (ভোকেশনাল)।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন তিনি।
স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে বেলায়েতের সংসার। কাজ করেন দৈনিক করতোয়া প্রত্রিকায় গাজীপুরের শ্রীপুর প্রতিনিধি হিসেবে।

মন্তব্য

শিক্ষা
DU teachers have to leave home High Court

ঢাবি শিক্ষককে বাসা ছাড়তে হবে: হাইকোর্ট

ঢাবি শিক্ষককে বাসা ছাড়তে হবে: হাইকোর্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোর্শেদ হাসান খান। ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন শিক্ষক মোর্শেদ হাসান। যা মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত খারিজ করে দেয়।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোর্শেদ হাসান খানকে বাসা ছাড়তে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেয়া নোটিশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। তাই তাকে বাসা ছাড়তেই হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে মোর্শেদ হাসানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরসেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান দাউদ।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘মোর্শেদ হাসানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার বাসা ছাড়তে গত ২৯ জুন নোটিশ দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন শিক্ষক মোর্শেদ হাস। যা মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত খারিজ করে দেয়।’

২০১৮ সালের ২৬ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকের স্বাধীনতা দিবস সংখ্যায় তার লেখা ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ শিরোনামে এক নিবন্ধে বঙ্গবন্ধুর অবমাননা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের অভিযোগ আনে ছাত্রলীগ।

এ ঘটনায় তাকে বরখাস্ত করার দাবিতে আন্দোলনের পাশাপাশি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিও ওই লেখার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। এ ঘটনায় ২০২০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সিন্ডিকেটের এক সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া

এরপর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চাকরি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী বাসা ছেড়ে দেয়ার কথা। কিন্তু সেটি তিনি না করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বাসা ছাড়তে নোটিশ দেয়।

মন্তব্য

শিক্ষা
Accelerate your career at CUB

সিইউবিতে হয়ে গেল ‘এক্সিলারেট ইউর ক্যারিয়ার’

সিইউবিতে হয়ে গেল ‘এক্সিলারেট ইউর ক্যারিয়ার’ সিইউবির স্কুল অফ বিজনেসের উদ্যোগে সোমবার বিকেলে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে সেমিনারে অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এইচএম জহিরুল হক। ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর এস এম আরিফুজ্জামান অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী তৈরি করা ও তাদের ক্যরিয়ার গঠনে ‘এক্সিলারেট ইউর ক্যরিয়ার: টপ টিপস ফ্রম দ্যা লিজেন্ডস’ শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করেছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)।

সিইউবির স্কুল অফ বিজনেসের উদ্যোগে সোমবার বিকেলে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

এই সেমিনারে দেশের ব্যবসা অঙ্গনে সফল বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সরাসরি কথা বলার ও তাকে শোনার সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আকিজ ভেঞ্চারের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ আলমগীর।

আগামীর আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীরা কীভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে সে জন্য নিজ জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এই ব্যবসায়ী।

ব্যবসা-বাণিজ্যের বাধা-বিপত্তি ও তা অতিক্রম করে সফল হওয়ার বিভিন্ন কলা কৌশল তুলে ধরেন তিনি। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তাদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনার পরামর্শ দেন সৈয়দ আলমগীর।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এইচএম জহিরুল হক। ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর এস এম আরিফুজ্জামান অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

স্কুল অফ বিজনেসের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থীরা সেমিনারে অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
সিইউবিতে ‘মিট দ্য সিইও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং প্রোগ্রাম’
সিইউবির স্মার্ট ক্যাম্পাসের কাজ পুরোদমে চলছে: নাফিজ সরাফাত
সিইউবির সেমিনারে শিক্ষাজীবনেই চাকরির দক্ষতা গড়ার পরামর্শ
সমুদ্রসম্পদ ব্যবহারে মেরিটাইম এডুকেশনের বিকল্প নেই
সিইউবিতে মেরিন প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্নপূরণ

মন্তব্য

শিক্ষা
Pass in DU D unit 56 percent

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে পাস ৮.৫৮ শতাংশ

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে পাস ৮.৫৮ শতাংশ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ফলাফল প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
পাস করেছেন ৬ হাজার ১১১ জন। পাসের হার ৮.৫৮। ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে এই ইউনিটে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৭১ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

এতে পাস করেছেন ৬ হাজার ১১১ জন। পাসের হার ৮.৫৮। ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে এই ইউনিটে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৭১ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে অবস্থিত আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল শ্রেণিকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান।

‘ঘ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক জিয়া রহমান, সহযোগী সমন্বয়কারী কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবদুল বাছির, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীমা জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

‘ঘ’ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় একটি সম্মিলিত ইউনিট। এখানে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক- তিন শাখা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীরাই অংশ নিতে পারেন। একে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিটও বলা হয়ে থাকে। এই ইউনিটের মাধ্যমে ১১টি অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের ৫৫টি বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

‘ঘ’ ইউনিটের এবারের ফলাফলে বিজ্ঞান শাখা থেকে ৪ হাজার ৮১১ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ১ হাজার ৫ জন আর মানবিক শাখা থেকে ২৯৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বিজ্ঞান শাখা থেকে ১ হাজার ১১ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ২৯৭ জন আর মানবিক শাখা থেকে ২৮ জন এবার এই ইউনিটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফলাফল জানতে পারছেন। এ ছাড়া রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক বা টেলিটক নম্বর থেকে ‘DU GHA Roll No’ ফরম্যাটে ১৬৩২১ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল জানা যাচ্ছে।

এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ৭ জুলাই বেলা ৩টা থেকে ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত ফরম ও বিষয় পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে হবে।

কোটায় আবেদনকারীদের ১৮ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে হবে। তা যথাযথভাবে পূরণ করে ওই সময়ের মধ্যে ডিন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

কারও ফলাফল নিয়ে সন্দেহ থাকলে তা নিরীক্ষার জন্য ১ হাজার টাকা ফি দেওয়া সাপেক্ষে ১৭ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয়ে আবেদন করা যাবে।

‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত ১১ জুন। এই ইউনিটের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ শেষ হলো।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে শীর্ষ ৩ জনের নম্বর সমান
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ফেল ৮৯.৬১ শতাংশ
ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ সোমবার

মন্তব্য

শিক্ষা
Technical and madrasa teachers and students are getting grants

অনুদান পাচ্ছেন কারিগরি ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

অনুদান পাচ্ছেন কারিগরি ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। বরাদ্দ র্অথ হতে আর্থিক অনুদান বাবদ নির্বাচিতদের এ অর্থ প্রদান করা হবে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষার্থী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাচ্ছেন ৫ কোটি টাকার অনুদান। এর মধ্যে রয়েছেন ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী, ৩০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৫০০ শিক্ষক। এ অর্থ বিতরণ করা হবে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের মাধ্যমে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবিনা ইয়াসমিনের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। বরাদ্দ র্অথ হতে আর্থিক অনুদান বাবদ নির্বাচিতদের এ অর্থ প্রদান করা হবে।

আরও বলা হয়, মনোনীত প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার করে মোট ৭৫ লাখ টাকা, শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রত্যেককে ১০ হাজার করে এই টাকা দেয়া হবে।

এ ছাড়া ইবতেদায়ী স্তরের (১ম থেকে ৫ম) ৭৬৬ শিক্ষার্থীকে ৩ হাজার করে প্রায় ২৩ লাখ টাকা, দাখিল ও ভোকেশনাল পর্যায়ে ৪ হাজার ৫০১ শিক্ষার্থীকে ৫ হাজার করে ২ কোটি ২৫ লাখ ৫০০ টাকা, এইচএসসি (বিএম) আলিম ও ডিপ্লোমা পর্যায়ে ১ হাজার ৪৯২ শিক্ষার্থীকে ৬ হাজার করে সাড়ে ৮৯ লাখ এবং কামিল, ফাজিলসহ তদুর্ধ্ব শ্রেণি পর্যন্ত ৫৩৫ জনকে ৭ হাজার করে প্রায় ৩৭ লাখ টাকা প্রদান করা হবে।

অনুদানের শর্তে বলা হয়, কেউ দুইবার মঞ্জুরি হয়ে থাকলে সে ক্ষেত্রে তাকে এক দফায় অর্থ ছাড় করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বরাদ্দ অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে দিতে হবে।

অনুদান প্রদানে গত বছরের মার্চে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়। এরপর আবেদন যাচাই-বাছাই করে আলাদাভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি মাদ্রাসা বিভাগ থেকে অনুদানের অর্থ ছাড় দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
করোনায় শিক্ষার ক্ষতি কাটাতে আসছে নতুন প্রকল্প
সব স্কুলে হচ্ছে কিশোর-কিশোরী ক্লাব
স্বল্পদৈর্ঘ্য ৬ সিনেমা পেল সরকারি অনুদান
প্রযোজক সারা, শাকিব, অপু- নির্মাতা অমিতাভ, উজ্জ্বল পেলেন অনুদান
করোনায় স্কুল ছেড়েছে ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী

মন্তব্য

শিক্ষা
The number of top 3 people in A unit of DU is equal

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে শীর্ষ ৩ জনের নম্বর সমান

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে শীর্ষ ৩ জনের নম্বর সমান ঢাবির ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকায় প্রথম হয়েছেন আসীর আনজুম খান, দ্বিতীয় খালিদ হাসান তুহিন আর তৃতীয় জারিফা তাবাসসুম। ফাইল ছবি
নম্বর সমান হওয়ায় ক্রম নির্ধারণ করার পদ্ধতি সম্পর্কে এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়কারী ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষায় আমরা তিনটি বিষয়ে নম্বর দেখেছি। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতে কে নম্বর বেশি পেয়েছে। সেভাবেই তাদের মধ্য থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষ তিনজনই সমান নম্বর পেয়েছেন।

১২০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রত্যেকে পেয়েছেন ১১৫ নম্বর। প্রাপ্ত নম্বর সমান হওয়ায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতে যিনি বেশি নম্বর পেয়েছেন, ধারাবাহিকভাবে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

নম্বর সমান হওয়ায় ক্রম নির্ধারণ করার পদ্ধতি সম্পর্কে এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়কারী ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষায় আমরা তিনটি বিষয়ে নম্বর দেখেছি। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতে কে নম্বর বেশি পেয়েছে। সেভাবেই তাদের মধ্যে থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।’

এই পদ্ধতিতে মেধাতালিকায় প্রথম হয়েছেন আসীর আনজুম খান, দ্বিতীয় খালিদ হাসান তুহিন আর তৃতীয় জারিফা তাবাসসুম।

আসীর আনজুম এবং খালিদ হাসান দুইজনই নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী আর জারিফা তাবাসসুম জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত এই ইউনিটে প্রথম হওয়া আসীর আনজুম বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম হয়েছেন।

এ ছাড়া তিনি মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় ষষ্ঠ ও ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ভর্তি পরীক্ষায় অষ্টম স্থান অধিকার করেন।

প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় হওয়া সবাই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন। ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় তাদের সকলেরই স্কোর ৯৫ নম্বর।

আসীর আনজুম এমসিকিউ অংশে রসায়ন এবং গণিতে সম্পূর্ণ ১৫ নম্বরই পেয়েছেন।

আর পদার্থবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞানে পেয়েছেন ১৩.৭৫ নম্বর।

এ ছাড়া লিখিত অংশে তিনি পদার্থবিজ্ঞান এবং গণিতে ১০ নম্বর, রসায়নে ৯ আর জীববিজ্ঞানে ৮.৫ নম্বর পেয়েছেন।

ফলে পদার্থবিজ্ঞানে তার সর্বমোট নম্বর ২৩.৭৫, রসায়নে ২৪, গণিতে ২৫ এবং জীববিজ্ঞানে ২২.২৫।

দ্বিতীয় হওয়া খালিদ হাসান নৈর্ব্যক্তিক অংশের রসায়ন এবং গণিতে সম্পূর্ণ ১৫ নম্বরই পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞানে পেয়েছেন ১৩.৭৫ নম্বর।

এ ছাড়া লিখিত অংশে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে ১০, রসায়নে ৯.৫, গণিত এবং জীববিজ্ঞানে ৯ নম্বর পেয়েছেন।

ফলে পদার্থবিজ্ঞানে তার সর্বমোট নম্বর ২৩.৭৫, রসায়নে ২৪.৫, গণিতে ২৪ এবং জীববিজ্ঞানে ২২.২৫।

তৃতীয় হওয়া জারিফা তাবাসসুম এমসিকিউ অংশে পদার্থ বিজ্ঞানে ১২, রসায়নে ১৫, গণিতে ১৪ এবং জীববিজ্ঞানে পেয়েছেন ১৩.৭৫ নম্বর।

এ ছাড়া লিখিত অংশে তিনি পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞানে ১০ নম্বর আর গণিতে পেয়েছেন ৯.৫ নম্বর।

ফলে পদার্থ বিজ্ঞানে তার সর্বমোট নম্বর ২২.৭৫, রসায়নে ২৫, গণিতে ২৩.৫ এবং জীববিজ্ঞানে ২৩.৭৫।

এর আগে সোমবার দুপুরে ‘ক’ ইউনিটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১ লাখ ১০ হাজার ৩৭৪ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১১ হাজার ৪৬৬ জন। পাসের হার ১০ দশমিক ৩৯।

অর্থাৎ ৮৯ দশমিক ৬১ (প্রায় ৯০ শতাংশ) শতাংশই ফেল করেছে।

‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন করেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৬৮৯ জন।

সর্বমোট ১ হাজার ৭৮১ জন পরীক্ষার্থী এবার এই ইউনিটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

মন্তব্য

p
উপরে