× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
Demand for 20 percent allocation of budget in education sector
hear-news
player
print-icon

শিক্ষা খাতে বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দ দাবি

শিক্ষা-খাতে-বাজেটের-২০-শতাংশ-বরাদ্দ-দাবি
জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসা শিক্ষক নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের বাজেট ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং সব শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের লক্ষ্যে আসন্ন বাজেটে শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দ প্রয়োজন।

বেসরকারি শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের জন্য আগামী বাজেটে শিক্ষা খাতে বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দ দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমজিটিএ)।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে শুক্রবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন মাদ্রাসা জেনারেল টির্চাস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ২৬ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৬ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা খাতে বরাদ্দ ছিল মাত্র ৯ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা।

আরও বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খাত থেকে কারিগরি ও মাদ্রাসায় বরাদ্দ কম থাকায় মাদ্রাসা শিক্ষায় তেমন উন্নতি হয়নি। তাই ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের বাজেট ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং সব শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের লক্ষ্যে আসন্ন বাজেটে শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দ প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টির্চাস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ‘শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দের প্রয়োজন। ’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম শাজু বলেন, ‘এই সরকারের আমলে আমাদের প্রাপ্তির পাশাপাশি অপ্রাপ্তিও রয়েছে। এ সব অপ্রাপ্তি দূর করতে হলে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয়করণের আওতায় আনতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারি নিয়মে শিক্ষকদের মেডিক্যাল ও বাড়ি ভাড়া দেয়া ও বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি প্রথা চালুর দাবি জানানো হয়।

আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় প্রভাষকদের আট বছর পূর্তিতে ৫০ শতাংশ হিসেবে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদান ও ১৬ বছর পূর্ণ হলে সব প্রভাষকদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়ারও দাবি জানানো হয়।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্তকরণ ও নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণেরও দাবি তাদের।

সংগঠনের মহাসচিব মো. শান্ত ইসলামের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান পান্না, বিএমজিটিএর স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, সুলতান আহমেদ, মেহেদি হাসান সরকার, ফিরোজ আলম, কে এম শামিম, মো. এলিন তালুকদার, সহসভাপতি আব্দুস সাকুরসহ প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
গাড়ি ফেরত দিলেন সেই প্রকৌশলী
জাতীয় বাজেটের এক শতাংশ সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দের দাবি
ছুটি শেষে প্রাথমিকে ক্লাস চলবে যেভাবে
বাজেটে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব
কারিগরি শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
There will be religious education in the curriculum Minister of Education

ধর্মীয় শিক্ষা ছিল, আছে, থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

ধর্মীয় শিক্ষা ছিল, আছে, থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
‘যারা আজকে ধর্ম শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে বলে ধোয়া তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য ধর্ম রক্ষা নয়, পক্ষে থাকা নয় উদ্দেশ্য ধর্মকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতীশীল করা।

শিক্ষাক্রম থেকে ধর্মীয় শিক্ষা তুলে দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে সমালোচনা চলছে তা উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় শিক্ষা তুলে দেয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, ‘একজন মাননীয় সংসদ সদস্য, আমি তখন দেশে ছিলাম না, একজন সংসদ সদস্য আমাদের পাঠ্যপুস্তকের বিষয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। পরে আবার তিনিই স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বলেছেন, তার তথ্য সঠিক ছিলো না এবং তার এ বক্তব্য এখনকার বইয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। তিনি এগুলো প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

‘আমরা যে যেখানেই থাকি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় সবচেয়ে ভালো, সঠিক তথ্য জেনে নিয়ে কথা বলা। আর একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে আমাদের চাওয়াটাও অনেক বেশি। আমি তাকে অন্তত এটুকু সাধুবাদ দিতে চাই যে, তিনি পরে হলেও তথ্য যাচাই করে ভুল স্বীকার করে প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘তার এ বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে, একটি অংশ যারা বিভিন্ন সময়েই ধর্মের দোহাই দিয়ে নানানভাবে আমাদের এগিয়ে যাওয়াকে বন্ধ করার চেষ্টা করে, তারা সেটি ব্যাপকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। কাজেই তিনি যা বলেছেন সেটি কেবল সেখানেই শেষ না, যেখানে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এটার ব্যাপক অপব্যবহার হচ্ছে।

‘এই বক্তব্যের কিছুদিন আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক একটি প্রচারণা চলছিল। এটা আমার নজরে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম ধর্মশিক্ষা বাদ দেয়া হয়েছে। এটা সর্বৈব মিথ্যা। ধর্ম শিক্ষা সব সময় ছিল, এখনও আছে। না থাকবার কোনো কারণ নেই।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষায় আমরা বারবার বলছি, জ্ঞান দক্ষতা তা যেমন থাকবে, পাশাপাশি সঠিক মূল্যবোধ, নৈতিকতায় ধর্ম শিক্ষা একটি আবষ্যিক বিষয়। কাজেই ধর্ম শিক্ষা বাদ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা বাদ দেইও নেই। নতুন কারিকুলামে আমরা যেমন সবকিছু করে করে শেখার দিকে যাচ্ছি সেখানে ধর্ম শিক্ষার বইগুলোও… শুধু পড়ে গেলাম তা যেন না হয়। তারা যেন ধর্ম শিক্ষার বোধগুলো, নৈতিকতা যেন অনুধাবন করতে পারে। তাদের জীবনে চর্চা করতে পারে সেভাবে বইগুলো তৈরি করা হয়েছে।

‘কাজেই যারা আজকে ধর্ম শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে বলে ধোয়া তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য ধর্ম রক্ষা নয়, পক্ষে থাকা নয় উদ্দেশ্য ধর্মকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতীশীল করা। দেশের ধর্মভীরু মানুষকে উসকে দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে এক ধরনের একটা পরিবেশ তৈরি করা এবং আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশকে অস্থীতিশীল করে তোলা। আমার মনে হয় এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষা অফিসে সেবার মান নিয়ে দীপু মনি-নওফেলের অসন্তোষ
বন্যা গেলেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
সহশিক্ষা কার্যক্রম কর্মজীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে : শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC has not decided when

এসএসসি কবে, সিদ্ধান্ত হয়নি

এসএসসি কবে,  সিদ্ধান্ত হয়নি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় আমাদের অনেক শিক্ষার্থীর বইপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের নতুন বই দিতে হবে। আমরা অ্যাসেস করছি। প্রয়োজনে নতুন বই ছাপিয়ে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে।

এ বছরের এসএসসি বা মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা কবে হবে, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার দুপুরে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা খোঁজ রাখছি নিয়মিত। এখনও কিছু কিছু এলাকায়… শহর থেকে পানি নেমে গেছে। গ্রাম পর্যায়ে এখনও কোথাও কোথাও হয়তো আছে, সেটাও নেমে যাবে। কিন্তু ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিছু জায়গায়। আমাদের অনেক পরীক্ষার্থী… আমাদের কাছে তথ্যও আসছে.. বইপত্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

‘আমরা এখন পুরো অ্যাসেস করছি যে, আমাদের কতপরীক্ষার্থীকে নতুন করে বই দিতে হবে। আমরা দেখছি হিসেব করছি, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে বইও ছাপিয়ে ফেলব। তারপর আমরা আমাদের পরীক্ষার্থীদের হাতে বইগুলো পৌঁছে দেব, যাদের বইগুলো নষ্ট হয়েছে। আমরা তথ্যগুলো নিচ্ছি। তাদের হাতে বইগুলো দিয়ে অন্তত ২ সপ্তাহ তাদের সময় দিতে হবে। এটা আমাদের টাইমলাইন। কিন্তু এটা কোথায় গিয়ে ঠেকবে এটা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব না।’

এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হলেও আপাতত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে কথা বলে যখন শিশুদের ভ্যাকসিনের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারব, তারপর আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আমরা চিন্তা করতে পারব। এটা ঠিক যে সংক্রমণ বাড়ছে। আমাদের সচেতন হতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখব কি না… আমাদের তো ১২ বছরের ওপর সবার টিকা দেয়া আছে।

‘১২ বছরের নিচের টিকাটা যদি আমরা দেয়ার ব্যবস্থা করে ফেলতে পারি তাহলে হয়তো সেটার আর প্রয়োজন হবে না। যেহতু আমরা চাই যতোটা সম্ভব স্কুল খোলা রেখেই আমরা আমাদের সমস্যা সমাধানের দিকে যাবো। কাজেই এই মুহূর্তে স্কুল বন্ধের কথা আমরা ভাবছি না বরং অনেক বেশি সচেতন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কার্যক্রমটাকে চালিয়ে নেবার কথা ভাবছি। তবে সবকিছু নির্ভর করবে পরিস্থিতির উপর। আমার শিক্ষার্থী, তার পরিবার ও শিক্ষকের জীবনটাই আমাদের কাছে জরুরি।’

আরও পড়ুন:
এসএসসি পিছিয়ে আগস্টে
এসএসসি পরীক্ষা হবে কবে
পিছিয়ে যাচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষাও

মন্তব্য

শিক্ষা
There are 2618 educational institutions in MPO

এমপিওভুক্ত হচ্ছে ২৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

এমপিওভুক্ত হচ্ছে ২৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষা ভবন। ফাইল ছবি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, ‘এ বছর নতুন করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে। আজ দুপুরে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে।’

পৌনে তিন বছর পর এমপিওভুক্ত হচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের বুধবার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘এ বছর নতুন করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে। আজ দুপুরে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে।’

এমপিওভুক্ত দুই হাজার ৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় রয়েছে ২ হাজার ৫১টি। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় আছে ৬৬৫টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬৬টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ১২২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩৬টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০৯টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও ১৮টি ডিগ্রি কলেজ রয়েছে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এসএসসি ভোকেশনাল অথবা দাখিল ভোকেশনাল ৯৭টি, এসএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলোজি ২০০টি, ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার দুটি, দাখিল মাদ্রাসা ২৬৪টি, আলিম মাদ্রাসা ৮৫টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৬টি ও কামিল মাদ্রাসা ১১টি।

চলতি বছরের মে মাসে বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। পরে তা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।

এর আগে গত বছরের ৭ নভেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এই কমিটিকে সহায়তা করতে আরও চার সদস্যের একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।

এ কমিটিকে সহায়তা করে ব্যানবেইসের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট আবু তাহের খানের নেতৃত্বে চার সদস্যের কমিটি।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত করতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে বলা হয়।

সবশেষ ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। এর আগে ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল।

গত অর্থবছরের (২০২১-২২) বাজেট বরাদ্দের যে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে, তাতে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ২০০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা।

দেশে এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হয়েছে এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬ হাজার ৪৪৮টি। আর এমপিওভুক্ত হয়নি এখনও প্রায় ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য গত বছরের ২৯ মে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে এমপিওভুক্তির জন্য তিনটি শর্ত দেয়া হয়।

শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার—এই তিন বিষয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০, পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০ এবং পাসের হারে ৪০ নম্বর রাখা হয়েছে। আগের নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদের ওপর ২৫ নম্বর ছিল, যা সংশোধিত নীতিমালায় বাদ দেয়া হয়েছে।

২০২১ সালের নীতিমালায় কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কতজন শিক্ষার্থী থাকতে হবে, তা বেঁধে দেয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, নিম্ন মাধ্যমিকে শহরে ১২০ ও মফস্বলে ৯০, মাধ্যমিকে শহরে ২০০ ও মফস্বলে ১৫০, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহরে ৪২০ ও মফস্বলে ৩২০, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে শহরে ২৫০ ও মফস্বলে ২২০ এবং ডিগ্রি কলেজে স্নাতকে শহরে ৪৯০ ও মফস্বলে ৪২৫ শিক্ষার্থী থাকতে হবে। পাসের হার স্তরভেদে ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ করা হয়েছে।

[সংশোধনী: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শুরুতে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বলা হয়েছিল ২ হাজার ৬১৬টি। প্রায় এক ঘণ্টা পর মন্ত্রণালয় সে সংখ্যাটি ২ হাজার ৭১৬ বলে জানায়।]

আরও পড়ুন:
শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির জটিলতার অবসান হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী
এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন এমপিওভুক্তির ঘোষণা
করোনায় স্কুল ছেড়েছে ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী
শিক্ষায় ‘বেড়াই খাচ্ছে ক্ষেত’
এমপিওভুক্তির তালিকা চূড়ান্ত, ঘোষণা আসছে

মন্তব্য

শিক্ষা
Jabir is the new Dean of the Faculty of Social Sciences

জবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে নতুন ডিন

জবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে নতুন ডিন জবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
জবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী অবসর-পূর্ববর্তী ছুটিতে গেছেন। এ কারণে জবি আইন অনুযায়ী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোর মধ্যে পরবর্তী জ্যেষ্ঠতম অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেনকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য ডিন নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন নিয়োগ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদে ডিনের রুটিন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বুধবার নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

এ বিষয়ে দুটি অফিস আদেশ প্রকাশ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অফিস আদেশের একটিতে বলা হয়, জবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী অবসর-পূর্ববর্তী ছুটিতে গেছেন। এ কারণে জবি আইন অনুযায়ী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোর মধ্যে পরবর্তী জ্যেষ্ঠতম অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেনকে দুই বছরের জন্য ডিন নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এই আদেশ ১২ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। দায়িত্ব পালনের জন্য সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক আবুল হোসেন বিধি অনুযায়ী ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

আরেক অফিস আদেশে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম মোস্তফা পবিত্র হজ পালনের জন্য ২৫ জুন থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত ছুটিতে থাকবেন। এই কারণে মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ূন কবীর চৌধুরীকে এ অনুষদের ডিনের রুটিন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

হুমায়ূন কবীর চৌধুরী মার্কেটিং বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান।

চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের নতুন ডিন হিসেবে নিয়োগ পান ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম মোস্তফা।

এদিকে ডিনের দুই বছরের দায়িত্ব পালনের আগেই অরুণ কুমার গোস্বামী অবসর-পূর্ববর্তী ছুটিতে গেছেন। তিনি ২০২১ সালের ২ মার্চ ডিনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

আরও পড়ুন:
জবিতে সাংবাদিকতার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ
জবি রোভার-ইন-কাউন্সিলের সভাপতি জামিরুল, সাধারণ সম্পাদক আদন
গবেষণার জন্য ‘স্কাইফাইন্ডার’ সাবস্ক্রিপশন পেল জবি
উত্তরপত্রে ‘স্যার, মন ভালো নেই’ লিখে বিপাকে জবি শিক্ষার্থী
জবির ৭ শিক্ষার্থী রিমান্ডে

মন্তব্য

শিক্ষা
This time 31 people from that college are in DU

সেই কলেজ থেকে এবার ঢাবিতে ৩১ জন

সেই কলেজ থেকে এবার ঢাবিতে ৩১ জন সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ থেকে ৩১ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ঢাবিতে। ছবি: নিউজবাংলা
একই শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৩৯ জন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পান এই কলেজ থেকে।

সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মেধার প্রতিফলন ঘটিয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এখানকার ৩১ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে বা বিজ্ঞান বিভাগে।

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের প্রকাশিত ফলাফলে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে এই বিদ্যাপীঠ। ভর্তির সুযোগ পাওয়া ৩১ জনের মধ্যে ২৬ জন ছেলে ও ৫ জন মেয়ে রয়েছেন।

একই শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৩৯ জন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পান এই কলেজ থেকে।

চলতি বছর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ২৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হন ২৬৫ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ অর্জন করেন ২৪৯ জন।

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস পরীক্ষায় ৩৯ জন, বুয়েটে ১৬ জন এবং সবশেষ ঢাবিতে ৩১জনের মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

২০২১ সালে ৪০ জন, ২০২০ সালে ৪০ জন, ২০১৯ সালে ৩৬ জন ও ২০১৮ সালে ৩৮জন শিক্ষার্থী সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান। প্রতি বছর মেডিক্যাল ছাড়াও বুয়েট, রুয়েট, চুয়েটসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জায়গা করে নেন এই কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া নূর আলম বলেন, ‘সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, এখানে পড়াশোনায় প্রতিযোগিতা থাকে। আমরা যারা পড়ি, কে কার চেয়ে ভালো করব, এটাই লক্ষ্য থাকে।

‘বাবা-মায়ের দোয়া আর শিক্ষকদের সঠিক নির্দেশনায় ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। এটা কতটা আনন্দের, বলার ভাষা নেই।’

ভর্তির সুযোগ পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী ঈশিকা বলেন, ‘শিক্ষকরা কঠোর তদারকি করতেন। পুঙ্খানু পুঙ্খানুভাবে আমাদের পড়াশোনা বিশ্লেষণ করতে হয়। যার কারণে সুফল পাই আমরা শিক্ষার্থীরা। আজকে ঢাবিতে সুযোগ পাওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

অভিভাবক পরিতোষ কুমার রায় বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি আমাদের অভিভাবকদের মধ্যে সাহস জুগিয়েছে এবং প্রতিযোগিতায় ফেলে দিয়েছে। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে আমরা সোচ্চার হচ্ছি এবং শিক্ষকদের কঠোর মনিটরিংয়ের ফলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে।’

সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম আহমেদ ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এ অর্জনে আমরা গর্বিত। প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইঞ্জিনিয়ারিং গুচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী রয়েছে।’

অধ্যক্ষ বলেন, ‘আমরা এখানে শিক্ষার্থীদের গ্রিন-ক্লিন লার্নিং পদ্ধতিতে পড়ানোর চেষ্টা করি। এতে সবার মধ্যে প্রতিযোগিতা ও মননশীলতা বৃদ্ধি পায়। এখানে ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত স্বচ্ছ।

‘ক্লাশরুমেই সম্পূর্ণ পাঠদান হয়। এর ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের যাবতীয় প্রয়োজনীয়তা মাথা রাখা হয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি বছরই আমাদের ভালো করার প্রানান্ত চেষ্টা থাকে। আমরা সেভাবে শিক্ষার্থীদের তৈরি করে থাকি।’

১৯৬৪ সালে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই সময় প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল সৈয়দপুর সরকারি কারিগরী স্কুল। পরে এটিকে ১৯৭৭ সালে কলেজে উন্নীত করা হয়।

ওই সময় সৈয়দপুর সরকারি কারিগরী বিজ্ঞান মহাবিদ্যালয় নামকরণ করা হয়। ২০২০ সালে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ নতুন নাম করা হয়েছে।

মন্তব্য

শিক্ষা
The state minister wants discipline in education management

শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা চান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা চান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীসহ অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গোপসাগর ঘিরে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠেছে। এর আর্থ-সামাজিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। দেশের সমুদ্র সম্পদের সমন্বয় সাধন, পূর্ণ মনোযোগ দেয়া বা সমুদ্র সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি মন্ত্রণালয় স্থাপন প্রয়োজন।’

বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৫০০-এর মধ্যে না থাকা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা চান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৫০০-এর মধ্যে না থাকা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। দেশ পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, সব সূচকে উন্নতি করছে। কিন্তু লেখাপড়ায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জনে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনা দরকার। শিক্ষা ও গবেষণা হতে হবে ফলনির্ভর।’

ইউজিসি আয়োজিত ‘এক্সপ্লোরিং দ্যা পটেনশিয়াল অব সিউইডস ফর প্রমোটিং দ্যা ব্লু ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন।

এছাড়া সমুদ্র সম্পদের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনেরও পরামর্শ দিয়েছেন ড. শামসুল আলম। এ মন্ত্রণালয়ের নাম ‘মিনিস্ট্রি অব সি-রিসোর্সেস’ হতে পারে বলেও মত তার।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গোপসাগর ঘিরে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠেছে। এর আর্থ-সামাজিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। দেশের সমুদ্র সম্পদের সমন্বয় সাধন, পূর্ণ মনোযোগ দেয়া বা সমুদ্র সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি মন্ত্রণালয় স্থাপন প্রয়োজন।’

ড. শামসুল আলম বলেন, ‘দেশের সমুদ্রসীমায় কী পরিমাণ প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদ রয়েছে সেটি সুনির্দিষ্ট এবং এ কাজে গবেষণা পরিচালনা করা প্রয়োজন। সিউইডস মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, পুষ্টির যোগানও দেবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, ‘বিশাল সমুদ্র অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। সিউইডস-সহ সমুদ্র সম্পদের বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা প্রকল্পের বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তার যথাযথ অর্থায়ন করা হবে।’

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গবেষণা পুল তৈরি করে গবেষণা প্রকল্প জমা দেয়ার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “‘সমুদ্র বিজয়’ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্জন। কিন্তু সমুদ্র অর্থনীতির সম্ভবনাকে কাজে লাগাতে না পারলে বিজয়ের অর্জন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে পারবে না।”

কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে সীউইড পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশাল সমুদ্রের উপকূলে মানুষের জন্য বিকল্প আয়ের উৎস হতে পারে সামুদ্রিক শৈবাল চাষ।’

সেমিনারে সচিব ড. ফেরদৌস জামান এবং রিসার্চ সাপোর্ট ও পাবলিকেশন ডিভিশনের পরিচালক মো. কামাল হোসেন বক্তব্য দেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউজিসি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ফেলো এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আফজাল হোসেন।

সেমিনারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিষয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও গবেষক, শিল্প প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও শিল্পোদ্যোক্তা, ইউজিসির কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
সুনীল অর্থনীতির ক্ষেত্র তৈরি করে যান বঙ্গবন্ধু: গওহর রিজভী
ব্লু ইকোনোমির জন্য ব্যাপক কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার: রেজাউল
ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রযুক্তি দিতে চায় নরওয়ে

মন্তব্য

শিক্ষা
Shoe garland to teacher Mausi got divided in college

শিক্ষককে জুতার মালা: কলেজে বিভেদ পেয়েছে মাউশি

শিক্ষককে জুতার মালা: কলেজে বিভেদ পেয়েছে মাউশি শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসকে লাঞ্ছনার ঘটনায় দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। গ্রাফিক্স মামুন হোসাইন/নিউজবাংলা
মাউশির গঠিত তিন সদস্যের কমিটি মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষকের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনার পেছনে শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল দায়ী থাকতে পারে। ঘটনার সময় আক্তার হোসেন টিংকুর ভূমিকা ‘রহস্যজনক’ ও ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

নড়াইলে পুলিশের সামনে মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরানো ও সহিংসতার ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আক্তার হোসেন টিংকুর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তদন্ত কমিটি।

টিংকু নড়াইল সদরের বিছালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্বপন কুমারকে জুতার মালা পরানোর ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর তাকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ।

ফেসবুকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মার সমর্থনে কলেজের এক হিন্দু শিক্ষার্থীর পোস্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুন দিনভর নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, সহিংসতা চলে।

গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয় ওই শিক্ষার্থীর পক্ষ নিয়েছেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস।

এরপর পুলিশ পাহারায় বিকেল ৪টার দিকে স্বপন কুমার বিশ্বাসকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে দাঁড় করিয়ে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেয় একদল ব্যক্তি।

শিক্ষক স্বপন কুমার হাত উঁচিয়ে ক্ষমা চাইতে থাকেন। পরে তাকে তুলে নেয়া হয় পুলিশের গাড়িতে। মোবাইল ফোনে ধারণ করা এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সামনে শিক্ষকের এমন অপদস্থ হওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় সারা দেশে।

এ ঘটনা তদন্তে মাউশির গঠিত তিন সদস্যের কমিটি মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষকের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনার পেছনে শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল দায়ী থাকতে পারে। ঘটনার সময় আক্তার হোসেন টিংকুর ভূমিকা ‘রহস্যজনক’ ও ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাউশির বেসরকারি কলেজ শাখার উপপরিচালক মো. এনামুল হক হাওলাদারের কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেয়া হয়। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে তদন্ত প্রতিবেদনটি আমরা হাতে পেয়েছি। প্রশাসনিক বিধি মোতাবেক প্রতিবেদনটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হবে। এর বেশি কিছু আমি বলতে পারব না।’

মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন উইং) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট শাখায় আজ তদন্ত প্রতিবেদনটি জমা পড়েছে। তবে আমার কাছে এখনও প্রতিবেদনটি আসেনি।’

একজন কলেজ শিক্ষককে জুতার মালা পরিয়ে হেনস্তা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।’

শাহেদুল খবির বলেন, ‘মাউশির মহাপরিচালক মহোদয় দেশের বাইরে আছেন। তিনি ফিরলেই তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে বিধি মোতাবেক দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মাউশির এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, কলেজের অধ্যক্ষ পদটি দখলে কয়েকজন শিক্ষকের প্রতিযোগিতায় নামার বিষয়টি উঠে এসেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। এ কারণে দ্রুত নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগ দিয়ে সমস্যা সমাধানের সুপারিশ করা হয়েছে।

ঘটনার দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও সতর্কতা প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছে মাউশির তদন্ত কমিটি।

মাউশির খুলনা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক শেখ হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে ২৯ জুন গঠিত এ কমিটিতে ছিলেন উপপরিচালক (কলেজ) এস কে মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারী পরিচালক (কলেজ) মো. নিজামুল ইসলাম।

শিক্ষক হেনস্তার ঘটনায় জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি গত ৩ জুলাই রাতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) জুবায়ের হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে এ কমিটিতে ছিলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান ও নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত কবীর।

প্রতিবেদন জমা দেয়ার পরের দিনই (রোববার) জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির সদস্য নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত কবীরকে নড়াইল থেকে সরিয়ে খুলনা আরআরএফ (রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স)-এ সংযুক্ত করা হয়। আর মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক শেখ মোরছালিনকেও প্রত্যাহার করে নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
এনটিআরসিএর মাধ্যমে ডিগ্রি স্তরে শিক্ষক নিয়োগ
শিক্ষক লাঞ্ছনা: ওসির পর প্রত্যাহার ফাঁড়ির ইনচার্জও
শিক্ষক লাঞ্ছনা: সাম্প্রদায়িক উসকানি দেখছেন দীপু মনি
২ ছাত্রীকে পেটানোর অভিযোগে শিক্ষক বরখাস্ত
অধ্যক্ষকে জুতার মালা: ৪ আসামি রিমান্ডে

মন্তব্য

p
উপরে