× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

শিক্ষা
BSPUA workshops to prepare students in competitive workplaces
hear-news
player

শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করতে বিএসপিইউএর কর্মশালা

শিক্ষার্থীদের-কর্মক্ষেত্রে-প্রতিষ্ঠিত-করতে-বিএসপিইউএর-কর্মশালা কর্মশালায় বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭০ শিক্ষার্থী অংশ নেন। ছবি: নিউজবাংলা
সভায় বক্তারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সুষম সমন্বয়, মেধার সঠিক মূল্যায়ন, কল্যাণমূলক গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক কর্মদক্ষতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। আলোচনা সভার পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে নিজেকে কীভাবে তৈরি করা হবে এর ওপর একটি কর্মশালা হয়। এতে বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

বাংলাদেশ সোসাইটি ফর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাকাডেমিকস (বিএসপিইউএ) ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের কর্মশালার আয়োজন করেছে।

বিএসপিইউএ দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের সংগঠন।

শনিবার রাজধানীর হোটেল ট্রপিক্যাল ডেইসিতে আলোচনা সভা ও কর্মশালা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্ঞানমনস্ক শিক্ষার পরিবেশের বিকল্প নেই।

সভায় বক্তারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সুষম সমন্বয়, মেধার সঠিক মূল্যায়ন, কল্যাণমূলক গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক কর্মদক্ষতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।

আলোচনা সভার পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে নিজেকে কীভাবে তৈরি করা হবে এর ওপর একটি কর্মশালা হয়। এতে বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য এবং বিএসপিইউএর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য ড. এইচ এম জহিরুল হক, স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের উপাচার্য ড. আনোয়ারুল কবির, উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য ড. ইয়াসমিন আরা লেখা এবং আইসিডিডিআরবি মানবসম্পদ প্রধান মোশাররফ হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসনের অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী।

আরও পড়ুন:
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর, সংসদে সমালোচনা
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে করের প্রস্তাবে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ
‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কি অপরাধ’
বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর কর প্রত্যাহার দাবি
‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর আরোপ আইন পরিপন্থি’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Recruitment to primary How to get admission

প্রাথমিকে নিয়োগ: প্রবেশপত্র মিলবে যেভাবে

প্রাথমিকে নিয়োগ: প্রবেশপত্র মিলবে যেভাবে
পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রার্থীদের অবশ্যই প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি এবং নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশনা এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং প্রবেশপত্রে পাওয়া যাবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে ২০ মে। এ জন্য প্রবেশপত্র সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তি থেকে রোববার এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, আবেদনকারীর নিজ নিজ জেলায় ২০ মে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার্থীরা admit.dpe.gov.bd- ওয়েবসাইটে Username এবং Password দিয়ে অথবা এসএসসির রোল, বোর্ড ও পাসের সাল দিয়ে লগ ইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রার্থীদের অবশ্যই প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি এবং নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশা এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং প্রবেশপত্রে পাওয়া যাবে।

দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা যেখানে

দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহী, খুলনা, ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা হবে। অন্য ২২ জেলায় পরীক্ষা হবে নির্ধারিত উপজেলায়।

সেসব উপজেলার মধ্যে রয়েছে নওঁগা জেলার সদর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, রানীনগর, পোরশা, সাপাহার উপজেলা; নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া, বড়াইগ্রাম, গুরুদাসপুর, লালপুর; সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, সদর ও তাড়াশ উপজেলা; কুষ্টিয়া জেলার খোকসা, সদর ও মিরপুর; ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ড, সদর, কালিগঞ্জ; যশোর জেলার অভয়নগর, চৌগাছা, সদর, বাঘারপাড়া; সাতক্ষীরা জেলার সদর, দেবহাটা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ; বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট, মোংলা, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা; জামালপুর জেলার সদর, মাদারগঞ্জ, মেলান্দহ; ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা, সদর, নান্দাইল, ফুলপুর, তারাকান্দা, ত্রিশাল উপজেলা; নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি, মদন, মোহনগঞ্জ, সদর, পূর্বধলা উপজেলা; কিশোরগঞ্জ জেলার সদর, কুলিয়ারচর, মিঠামইন, নিকলী, পাকুন্দিয়া, তাড়াইল; টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর, মির্জাপুর, নাগরপুর, সফিপুর, বাসাইল উপজেলা; রাজবাড়ী জেলার কালুখালী, গোয়ালন্দ; কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার, হোমনা, লাকসাম, লালমাই, সদর দক্ষিণ, মনোহরগঞ্জ, মুরাদনগর, নাঙ্গলকোট, তিতাস উপজেলা; নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ, চাটখিল, কোম্পানীগঞ্জ, হাতিয়া উপজেলা; পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর, নেছারাবাদ, সদর; পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, সদর, রাঙ্গাবালি, দুমকি উপজেলা; সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার, জগন্নাথপুর, জামালগঞ্জ, শাল্লা, সদর, তাহিরপুর উপজেলা; হবিগঞ্জ জেলার সদর, লাখাই, মাধবপুর, নবীগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা; কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী, রাজারহাট, রাজীবপুর, রৌমারী, উলিপুর উপজেলা; গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা।

এর আগে গত ২২ এপ্রিল সরকারি শিক্ষক পদের প্রথম ধাপের পরীক্ষা হয়। যার ফল প্রকাশ হয়েছে ১২ মে। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষার জন্য পাস ৪১ হাজার
জুলাইয়ের মধ্যে প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রতিমন্ত্রী
শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ এ মাসেই

মন্তব্য

শিক্ষা
Teacher Recruitment The second step is recommended this month

শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ এ মাসেই

শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ এ মাসেই চলতি মাসেই শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করা হবে বলে জানা গেছে। ছবি: সংগৃহীত
এনটিআরসিএ সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘চলতি মাসের ১৬ তারিখে এনটিআরসিএর বোর্ড মিটিং রয়েছে। মিটিংয়ে ফল প্রকাশের সম্ভাব্য দিন এবং সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। আশা করছি, চলতি মাসেই তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তির দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করা সম্ভব হবে।’

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ পেয়েও যোগদান না করা শূন্য পদগুলোয় আবারও সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটি তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ নামে পরিচিত হবে।

জানা যায়, দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে মিলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন। এখন প্রশাসনিক কিছু কাজ শেষে চলতি মাসেই দ্বিতীয় ধাপে সুপারিশের ঘোষণা দেয়া হবে।

রোববার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির শূন্য পদগুলো পূরণে আমরা দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনও পেয়েছি।’

কবে নাগাদ সুপারিশ করা হবে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘চলতি মাসের ১৬ তারিখে এনটিআরসিএর বোর্ড মিটিং রয়েছে। মিটিংয়ে ফল প্রকাশের সম্ভাব্য দিন এবং সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। আশা করছি, চলতি মাসেই তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তির দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ করা সম্ভব হবে।’

এর আগে গত ২০ জানুয়ারি তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করা ৩৪ হাজার ৭৩ শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করে এনটিআরসিএ। এরপর আরেক দফায় গত ১ মার্চ আরও ১১৬ শিক্ষককে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।

গত বছরের ৩০ মার্চ তৃতীয় ধাপে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫৪ হাজার ৩০৪টি শূন্যপদের মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ৩১ হাজার ১০১টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত পদ ২৬ হাজার ৮৩৮টি। মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ২০ হাজার ৯৯৬টি।

এর মধ্যে ১৯ হাজার ১৫৪টি এমপিওভুক্ত। আর ২ হাজার ২০৭টি এমপিও পদ রিট মামলায় অংশ নেয়াদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়।

৫১ হাজার ৭৬১টি পদে সুপারিশ করার কথা থাকলেও গত বছরের ১৫ জুলাই সুপারিশ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীকে। তাদের মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জন এবং নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৬৭৬ জনকে সুপারিশ করা হয়।

৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি নারী কোটায় প্রার্থী না পাওয়ায় ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফল দেয়নি এনটিআরসিএ।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ
৪৭১ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ
৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রথম ধাপের পরীক্ষা শুরু
প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পরীক্ষা শুক্রবার
প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হতে পারে ৮ এপ্রিল

মন্তব্য

শিক্ষা
Jabirs controversial teacher was released

অব্যাহতি পেলেন জাবির ‘বিতর্কিত’ সেই শিক্ষক

অব্যাহতি পেলেন জাবির ‘বিতর্কিত’ সেই শিক্ষক বিভিন্ন বিতর্কে জড়িয়েছিলেন জবির অধ্যাপক আলী আজম তালুকদার। ছবি: সংগৃহীত
সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের ঘনিষ্ঠ লোক ছিলেন অধ্যাপক আলী আজম তালুকদার। সে সময় সিন্ডিকেট মিটিংয়ে আলী আজম তালুকদারের বিষয় উঠলে ফারজানা ইসলাম ‘বিষয়টি নিজে দেখবেন’ বলে এড়িয়ে যেতেন। বিপত্তি ঘটে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য আসায়। নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে সর্বশেষ সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

বিভিন্ন অভিযোগ থাকার পরেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে বহাল ছিলেন অধ্যাপক আলী আজম তালুকদার। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভায় তাকে এ দুটি পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিন্ডিকেট সদস্য নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের ঘনিষ্ঠ লোক ছিলেন অধ্যাপক আলী আজম তালুকদার। সে সময় সিন্ডিকেট মিটিংয়ে আলী আজম তালুকদারের বিষয় উঠলে ফারজানা ইসলাম ‘বিষয়টি নিজে দেখবেন’ বলে এড়িয়ে যেতেন।

বিপত্তি ঘটে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য আসায়। নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে সর্বশেষ সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

অধ্যাপক আলী আজম তালুকদার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম-বরকত হলের প্রভোস্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেব দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে অধ্যাপক আলী আজম তালুকদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আলী আজমের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মাইক্রোবাস নিজের কাছে রেখে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। নিয়মবহির্ভূতভাবে সার্বক্ষণিক ৩০ লাখ টাকা দামের একটি মাইক্রোবাস ও পরিবহন অফিসের একজন চালক ব্যবহার করেন তিনি।

এই গাড়ির জ্বালানি এবং চালকের বেতন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগার থেকে দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

করোনার সময়ে শহীদ সালাম-বরকত হলের কর্মচারীদের দিয়ে হলের ভেতর ছাগল পালন করে সমালোচনার শিকার হন এই শিক্ষক।

প্রভোস্ট ভবনের সীমানাপ্রাচীর সংস্কার না করেই ‘ভুয়া বিল-ভাউচার’ দেখিয়ে অর্থ উত্তোলনের তোড়জোড়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের গাড়িচালকদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী না কিনেই ‘ভুয়া বিল-ভাউচার’ দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন গাড়িচালকসহ পরিবহন অফিসসংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি গৃহকর্মীর সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ স্থাপনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানির ভয়ে নিজ গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ থেকে এক হিন্দু যুবককে নিয়ে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসে নিয়মবহির্ভূতভাবে চালক পদে চাকরি দিয়ে ওই গৃহকর্মীর সঙ্গে বিয়ে দেন বলে অভিযোগ আছে।

এ ছাড়া মদ পান করে ক্যাম্পাসে গাড়ি চালানো, সাবেক ভিসি ফারজানা ইসলামের স্বামী ও ছেলের জন্য মদ সরবরাহ, এক সাবেক অধ্যাপকের বই চুরি, হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বেচ্ছাচারিতা, পরিবহন অফিসে চালক নিয়োগে অনিয়ম, নিয়ম না মেনে গাছ কাটাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:
জবি শিক্ষিকার মৃত্যুতে ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া
দুস্থদের হাতে জবি অ্যালামনাইয়ের ঈদ উপহার
জবিতে চৈত্রসংক্রান্তি উদযাপন
গবেষণায় একে অপরকে সহযোগিতা করবে ঢাবি-জবি
দুই বছর পর জবিতে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন

মন্তব্য

শিক্ষা
Dr Mohammad Shafi the resigned teacher of DU has passed away

চলে গেলেন ঢাবির ত্যাগী শিক্ষক ড. মোহাম্মদ শফি

চলে গেলেন ঢাবির ত্যাগী শিক্ষক ড. মোহাম্মদ শফি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফি। ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের পাঁচতলা ভবন নির্মাণে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। একতলার কাজ শেষ করতেই বরাদ্দ অর্থ শেষ হয়ে যাওয়ায় ১৫ বছর কাজ বন্ধ থাকে। পরে অধ্যাপক শফি নিজের প্রায় ৭০ লাখ টাকা দিয়ে ২০১৪ সালে সেই কাজ আবার শুরু করেন।

চলে গেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফি। সোমবার মধ্যরাতে রাজধানীর এক হাসপাসাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে নিজের জমানো অর্থ ব্যয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের ভবন নির্মাণ করে দিয়েছিলেন এই শিক্ষাবিদ। তিনি ওই বিভাগেরই প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগটি অধ্যাপক শফির হাত ধরেই ১৯৯৮ সালে যাত্রা শুরু করে। ২০০০ সালে নিজস্ব ভবন তৈরি করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। বিভাগের পাঁচতলা ভবনের ভিতসহ একতলার কাজ করতেই সেই বরাদ্দ অর্থ শেষ হয়ে যায়। এরপর অর্থাভাবে প্রায় ১৫ বছর আটকে ছিল এই ভবনের নির্মাণ কাজ।

অধ্যাপক শফি নিজের উপার্জন থেকে জমানো প্রায় ৭০ লাখ টাকা দিয়ে ২০১৪ সালে সেই কাজ আবার শুরু করেন। ২০০৫ সালে তিনি অবসরে যান।

অধ্যাপক মোহাম্মদ শফি তার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে জড়াননি। শ্রেণীকক্ষে পড়ানো, বিভাগের উন্নয়ন আর গবেষণা নিয়েই শিক্ষকতা জীবন কাটিয়ে দিয়েছেন। তার পাঁচটি গবেষণাগ্রন্থ, একটি আত্মজীবনী ও ৭০টির মতো প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন লাখ টাকায় গঠন করেন ‘আমেনা-লতিফ ট্রাস্ট ফান্ড’। সেখান থেকে প্রতিবছর মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়। পরের বছর নিজের নামে গঠন করেন ‘ড. মোহাম্মদ শফি ট্রাস্ট ফান্ড’। এখান থেকেও দুজন কৃতী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়।

এই মহানুভব অধ্যাপকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান।

শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, ‘অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফি ছিলেন একজন প্রখ্যাত মৎস্যবিজ্ঞানী এবং নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ও গবেষক। অত্যন্ত বিনয়ী, সজ্জন ও নিষ্ঠাবান এই অধ্যাপক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তিনি বিভাগের অবকাঠামোসহ সার্বিক উন্নয়নে বিপুল অংকের আর্থিক অনুদান প্রদান করে এক মহতী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন।

‘বাংলাদেশে মৎস্য বিজ্ঞান গবেষণার পথিকৃৎ এই অধ্যাপক মৎস্যবিজ্ঞান সংক্রান্ত অনেক মূল্যবান পুস্তক রচনা করেছেন। মৎস্যবিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণায় অসাধারণ অবদানের জন্য গুণী এই অধ্যাপক স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’

উপাচার্য মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার পরিবারের শোক-সন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আরও পড়ুন:
অধ্যাপক সামাদকে রহমতুল্লাহর আইনি নোটিশ
ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ চার শিক্ষার্থীর
মোশতাক ইস্যুতে অধ্যাপক রহমতুল্লাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সব পদ থেকে রহমতুল্লাহর অব্যাহতি চায় ছাত্রলীগ
খন্দকার মোশতাককে নিয়ে বক্তব্য: ক্ষমা চাইলেন ঢাবি শিক্ষক

মন্তব্য

শিক্ষা
Four students allege sexual harassment against DU teacher

ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ চার শিক্ষার্থীর

ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ চার শিক্ষার্থীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। ফাইল ছবি
ভুক্তভোগীদের এক বন্ধু নিউজবাংলাকে জানান, মঙ্গল শোভাযাত্রার পরের ঘটনায় শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রভাষক আক্তারুজ্জামান সিনবাদ জড়িত থাকলেও আগের রাতের ঘটনায় তার সঙ্গে অনুষদের আরও দুই শিক্ষার্থী জড়িত ছিলেন। লিখিত অভিযোগে তাদের নামও উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সহপাঠীরা।

পহেলা বৈশাখের দিন মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে বুয়েটের এক শিক্ষার্থীকে এবং এর আগের রাতে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি পর্বে অনুষদের আরও তিন শিক্ষার্থীকে ইভ টিজিং ও যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিটি হলেন চারুকলা অনুষদের শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আক্তারুজ্জামান সিনবাদ।

এ দুই ঘটনায় গত ১৮ এপ্রিল শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান সঞ্জয় চক্রবর্তী ও অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী এবং ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী তাদের বন্ধুরা।

ভুক্তভোগীদের এক বন্ধু নিউজবাংলাকে জানান, মঙ্গল শোভাযাত্রার পরের ঘটনায় শুধু প্রভাষক আক্তারুজ্জামান সিনবাদ জড়িত থাকলেও আগের রাতের ঘটনায় তার সঙ্গে অনুষদের আরও দুই শিক্ষার্থী জড়িত ছিলেন। লিখিত অভিযোগে তাদের নামও উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা।

এই শিক্ষার্থী জানান, অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন অনুষদের প্রাক্তন ছাত্র শুভ্র বাড়ৈই। অন্যজন পুলক বাড়ৈই ভাষ্কর্য বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

তবে তার বিভাগ এবং সেশন জানাতে পারেননি তিনি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা অনীহা প্রকাশ করায় তাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে ভুক্তভোগী ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘লিখিত একটি অভিযোগ আমাকে ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানের কাছে শিক্ষার্থীরা জমা দিয়েছে। এরপর ঘটনাটা কী ঘটেছে সেটি জানার জন্য আমরা একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছি।

‘কমিটি অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলেছে। পৃথকভাবে কথা বলা হলেও তাদের বক্তব্যে মিল আছে। এ জন্য আমরা মনে করেছি, অভিযুক্ত শিক্ষকেরও বক্তব্য নেয়া প্রয়োজন। তাই আজ (সোমবার) আমরা সেই শিক্ষককে বক্তব্য দেয়ার জন্য চিঠি ইস্যু করেছি। আগামী ৮ মে’র মধ্যে তাকে লিখিত উত্তর দিতে বলা হয়েছে।

‘লিখিত বক্তব্য একবার দিলে আর উইথড্র করা যায় না। তাই ভেবেচিন্তে বক্তব্য দেয়ার জন্য ওই শিক্ষককে বেশি সময় দেয়া হয়েছে।’

নিসার হোসেন বলেন, ‘অভিযোগপত্রে শিক্ষক ছাড়াও আরও দুই শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রাক্তন শিক্ষার্থীর বিভাগের শিক্ষকের মাধ্যমে তাকে ডেকে আমরা তার বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করছি। আর রানিং যে শিক্ষার্থী সে বাড়ি চলে যাওয়ায় আজ জুমে তার বক্তব্য নেয়া হয়েছে।’

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্য কারা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনুষদে সাধারণত দুটি কমিটি আছে। একটি গ্রিবেঞ্জ কমিটি আরেকটি অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটি। দুই কমিটি থেকে চারজনকে নিয়ে একটা কমিটি হয়েছে। এটাতে আমিও আছি।

‘কমিটিতে অন্যদের মধ্যে আছেন অংকন ও চিত্রায়ণ বিভাগের অধ্যাপক শিশির কুমার ভট্টাচার্য, ভাষ্কর্য বিভাগের অধ্যাপক লালারুখ সেলিম এবং দুটি বিভাগের চেয়ারম্যান।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক আখতারুজ্জামান সিনবাদ তার বিরুদ্ধে আসা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

তিনি বলেন, 'আমার সঙ্গে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এটি সম্পূর্ণই মিথ্যা ও বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ। হয়তো তাদের কেউ উসকে দিচ্ছে। তবে এমনও হতে পারে, আমার শিক্ষকতা ও ক্যারিয়ারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এরকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে।’

এদিকে অভিযোগ দেয়ার কিছুদিন পেরিয়ে গেলেও এই ঘটনার কোনো তদন্ত রিপোর্ট জমা না হওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে একটি প্রতিবাদলিপি ছাপিয়েছেন অনুষদের শিক্ষার্থীরা। প্রতিবাদলিপিতে দুই ঘটনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হয়েছে।

প্রথম ঘটনার বর্ণনা দিয়ে প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রার পরবর্তী মুহূর্তে চারুকলা অনুষদের অন্যান্য বন্ধু শিক্ষার্থীর সঙ্গেই অনুষদ প্রাঙ্গণে বসে ছিলেন ভুক্তভোগী বুয়েট শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী।

‘এমন সময় শিক্ষক সিনবাদ বুয়েট শিক্ষার্থীকে দেখে ক্রমাগত শিস দিতে থাকেন। একপর্যায়ে নিপীড়িত শিক্ষার্থী তার দিকে সরাসরি তাকালে তিনি অশ্লীল মুখভঙ্গি ও চোখ দিয়ে আপত্তিকর ইঙ্গিত করতে থাকেন।’

‘উপস্থিত শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে তিনি (সিনবাদ) প্রথমে অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি হুমকি-ধমকি দিয়ে কৃতকর্মের কথা স্বীকার করেন এবং নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে থাকা বন্ধুকে আবাসিক হলে থাকে কি না সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাপূর্বক দমনমূলক আচরণ করেন এবং তিনি যে শিক্ষক সেটা স্মরণ করিয়ে তার এহেন আচরণের বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করেন।’

আগের রাতের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি পর্বে অনুষদের জয়নুল শিশুকলা নিকেতন কক্ষে একই শিক্ষক (সিনবাদ) চারুকলা অনুষদের তিন নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিকৃত ও অপ্রীতিকর আচরণ করেন। তারা তিনজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী। এ ঘটনায় সেই শিক্ষকের সঙ্গে অনুষদের আরও দুই শিক্ষার্থী জড়িত।’

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, ‘তার (আক্তারুজ্জামান সিনবাদ) অনিয়ন্ত্রিত ও বিকৃত যৌন হেনস্তায় শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ ও শঙ্কিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কখনোই কাম্য নয় এবং শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশের জন্য অপ্রীতিকর।’

সবশেষে প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য এই ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তি প্রদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপনের দাবি জানাচ্ছেন চারুকলা অনুষদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।’

আরও পড়ুন:
মোশতাক ইস্যুতে অধ্যাপক রহমতুল্লাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সব পদ থেকে রহমতুল্লাহর অব্যাহতি চায় ছাত্রলীগ
খন্দকার মোশতাককে নিয়ে বক্তব্য: ক্ষমা চাইলেন ঢাবি শিক্ষক
ঢাবির সভায় খোন্দকার মোশতাককে নিয়ে হুলুস্থুল
ঢাবি শিক্ষক বিশ্বজিতের একুশে পদক বাতিলের দাবি

মন্তব্য

শিক্ষা
Complaint of not being able to transfer madrasa teachers with index

ইনডেক্সধারী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি না হতে পারার অভিযোগ

ইনডেক্সধারী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি না হতে পারার অভিযোগ
ইনডেক্স জটিলতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে করা কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও উন্নয়ন) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করি খুব শিগগিরই আমরা একটি সমাধানে আসতে পারব।’

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ পেয়েও বিভাগ পরিবর্তনের কারণে ইনডেক্সধারী মাদ্রাসা শিক্ষকরা বদলি হতে পারছেন না। এ নিয়ে শিক্ষকরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করেও সমস্যার সমাধান পচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, ‘অনেকেরই চাকরির অভিজ্ঞতা ৩ থেকে ৫ বছর এবং অনেকে ৩-৪টি ইনক্রিমেন্ট পেয়েছেন। তাদের এ ইনক্রিমেন্ট বহাল না থাকলে আর্থিকভাবে বড় ক্ষতির শিকার হবেন। তা ছাড়া চাকরির সময়কালে জ্যেষ্ঠতা এবং অবসরকালীন বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘নীতিমালায় ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের ট্রান্সফারের কথা বলা হলেও আমরা ট্রান্সফার হতে পারছি না।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.emis.gov.bd) এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.memis.gov.bd) দুটিতে ডেটালিংক না থাকায় আগের ইনক্রিমেন্ট বহাল রেখে সরাসরি এমপিওভুক্তি করা যাচ্ছে না। তাই মাদ্রাসায় আবার নতুন করে এমপিওভুক্ত হতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাদ্রাসা) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘নীতিমালায় বিষয়গুলো (ইনডেক্সধারীদের ট্রান্সফার) নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা আছে। তবুও শিক্ষকদের এ সমস্যা নিয়ে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি এর সমাধানে কাজ করছে।’

ইনডেক্স জটিলতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে করা কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও উন্নয়ন) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করি খুব শিগগিরই আমরা একটি সমাধানে আসতে পারব।’

জানা গেছে, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় কর্মরত ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের জন্য এনটিআরসিএ-এর তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে বিধিমতে ইনডেক্স নম্বর দিয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পর এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ তাদেরকে এমপিওভুক্ত বিভিন্ন মাদ্রাসায় চূড়ান্ত নিয়োগের সুপারিশ করে। কিন্তু সেসব প্রতিষ্ঠানে আগের ইনডেক্স নিয়ে যোগদান করতে পারছেন না তারা।

আরও পড়ুন:
৪৭১ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ
নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস সরবরাহের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আটক
৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রথম ধাপের পরীক্ষা শুরু
প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পরীক্ষা শুক্রবার
১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতে খুবি শিক্ষকের স্ত্রী

মন্তব্য

উপরে