× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

শিক্ষা
3 new faculties are being introduced in BUET
hear-news
player
print-icon

নতুন ৩ অনুষদ চালু হচ্ছে বুয়েটে

নতুন-৩-অনুষদ-চালু-হচ্ছে-বুয়েটে বুয়েটে নতুন তিনটি অনুষদ চালুর অনুমোদন দিয়েছে ইউজিসি। ছবি: সংগৃহীত
বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘ইউজিসি গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন তিনটি ফ্যাকাল্টির অনুমোদন দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আরও কিছু অনুষদ ও বিষয় চালুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিষয়টি অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) নতুন তিনটি অনুষদ চালুর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।

বৃহস্পতিবার নতুন অনুষদ চালুর অনুমতি দিয়ে বুয়েট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়।

চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া নতুন তিনটি অনুষদ হলো— ফ্যাকল্টি অফ পোস্ট গ্রাজুয়েশন স্টাডিস, ফ্যাকাল্টি অফ কেমিক্যাল অ্যান্ড ম্যাটারিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স।

এ ছাড়া রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নামে আরেকটি ইনস্টিটিউটের অনুমোদনও দেয়া হয়েছে।

বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইউজিসি গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন তিনটি ফ্যাকাল্টির অনুমোদন দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।

‘বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আরও কিছু অনুষদ ও বিষয় চালুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিষয়টি অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
কিউএসের বিষয়ভিত্তিক র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় অগ্রগতি বুয়েটের
বুয়েটে ভর্তির প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা ৪ জুন
বুয়েট শিক্ষার্থী উদ্ধার, গিয়েছিলেন তাবলিগে
বুয়েটের হলে ২২ শিক্ষার্থীর করোনা
করোনায় বন্ধ বুয়েটে সশরীরে ক্লাস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Ditu the young Chhatra League leader in the hands of Ramda

রামদা হাতে সেই তরুণ ছাত্রলীগ নেতা ডিটু

রামদা হাতে সেই তরুণ ছাত্রলীগ নেতা ডিটু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার ছাত্রদল-ছাত্রলীগ সংঘর্ষকালে রামদা হাতে ইয়াসির আরাফাত ডিটু। ছবি: নিউজবাংলা
ইয়াসির আরাফাত ডিটু বলেন, ‘এ নিয়ে আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমার হাতে আসলে রামদা ছিল না, এটি আসলে রড। এটির এক মাথায় কাপড় বাঁধা ছিল। আর রডটি কোথাও কোনো কিছুর সঙ্গে লেগে বাঁকা হয়ে গেছে। আর ছবিটা এমন অ্যাঙ্গেলে তোলা যে এই রডকেই রামদা মনে হয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ চলাকালে এক তরুণের তৎপরতা অনেকের দৃষ্টি কাড়ে। কারণ সংঘর্ষকালে দুই ছাত্র সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীর মাঝে কেবল ওই তরুণের হাতে একটি রামদা দেখা গেছে।

সংঘর্ষের সময়ে ছাত্রলীগের পক্ষে থাকা ‘রামদা’ হাতে ওই তরুণের পরিচয় জানা গেছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত ডিটু। প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের এই শিক্ষার্থী থাকেন শহীদুল্লাহ হলেই।

ডিটু শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফ আহমেদ মুনিমের অনুসারী। আর মুনিম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসের অনুসারী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ছবিতে দেখা যায়, কমলা রংয়ের শার্ট ও জিন্সের প্যান্ট পরিহিত ডিটুর ডান হাতে একটি রামদা ধরা। রামদার কাঠের বাঁটও দৃশ্যমান। শার্টের হাতা ফোল্ডিং করা।

আর ডিটুর ডান পাশে ছিলেন ধূসর রংয়ের টি-শার্ট ও সাদা প্যান্ট পরিহিত শরিফ আহমেদ মুনিম। তিনি শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

ইয়াসির আরাফাত ডিটু ও শরিফ আহমেদ মুনিমের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল ঘুরে ছবির সঙ্গে তাদের মিল শনাক্ত করা গেছে।

তবে মুনিমের দাবি- এটি রামদা নয়, পাইপ। আর ডিটুর ভাষ্য, এটি ছিল লোহার রড।

ইয়াসির আরাফাত ডিটু বলেন, ‘এ নিয়ে আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমার হাতে আসলে রামদা ছিল না, এটি আসলে রড। এটির মাথায় কাপড় বাঁধা ছিল। আর রডটি কোথাও কোনো কিছুর সঙ্গে লেগে বাঁকা হয়ে গেছে। আর ছবিটা এমন অ্যাঙ্গেলে তোলা যে এই রডকেই রামদা মনে হয়েছে।’

ডিটু আরও বলেন, ‘আমি রামদা হাতে নিয়ে থাকলে যদি কাউকে কোপ দিতাম তখন কেটে যেত। এরকম কিছু তো হয়নি। মূলত ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যখন ইট ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের আক্রমণ করতে আসছিল তখন মূলত তাদের প্রতিহত করতে আমি রড হাতে নিয়েছিলাম।

হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুনিম বলেন, ‘ছাত্রদল যেন নৈরাজ্য করতে না পারে সেজন্য সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল। এরপর ছাত্রদল যখন লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে আক্রমণ করতে আসছিল তখনকার পরিস্থিতিতে যে কেউই তাদের প্রতিরোধ করবে। এজন্য আমরা এগুলো হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম।

‘ছবিতে হয়তো আপনারা ভুল দেখছেন। এটি রামদা নয়, বাঁকা পাইপ ছিল।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের মশাল মিছিল
ছাত্রদলের ওপর ‘সন্ত্রাসী হামলার’ বিচার চায় সাদা দল
ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদ ছাত্র ফেডারেশনের
ছাত্রদল নেতাকর্মীকে পেটানোদের গ্রেপ্তার চান ফখরুল
কার্জনের সামনেও সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগ-ছাত্রদল

মন্তব্য

শিক্ষা
Student Federation protests against the attack on Chhatra Dal

ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদ ছাত্র ফেডারেশনের

ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদ ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষের সময় পেটানো হচ্ছে একজনকে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
‘স্বৈরাচার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ক্যাম্পাসগুলোকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে ছাত্রলীগ। ক্যাম্পাসে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক চর্চার পথ রুদ্ধ করেছে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্রদলের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে ছাত্রলীগ।’

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে সংবাদ সম্মেলন করতে আসা সংগঠনটির নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন।

মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্র ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক অনুপম রায় রূপক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা-প্রতিবাদ জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে তারা হামলার প্রতিবাদ ও গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় ছাত্র সমাজের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানায়।

ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ড ও সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ক্যাম্পাসগুলোকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে ছাত্রলীগ। ক্যাম্পাসে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক চর্চার পথ রুদ্ধ করেছে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ও আজ ছাত্রদলের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে ছাত্রলীগ।’

ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসকে সন্ত্রাসের যে অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে তার বিপরীতে গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় ছাত্রসমাজের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার বিকল্প নেই। আমরা ছাত্র সমাজের সেই বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।’

মন্তব্য

শিক্ষা
DU Senate election today

ঢাবি সিনেট নির্বাচন আজ

ঢাবি সিনেট নির্বাচন আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীল দল ও বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল পরিচয়ে প্যানেল জমা দিয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ভোট গ্রহণ চলবে। প্রায় এক হাজার ৪৭০ জন শিক্ষক ভোট দেবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ মঙ্গলবার। এই নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীল দল ও বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল প্যানেল জমা দিয়েছে।

সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ভোট গ্রহণ চলবে। প্রায় এক হাজার ৪৭০ জন শিক্ষক ভোট দেবেন। কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন।

আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন; টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক আবু জাফর মো. শফিউল আলম ভূঁইয়া, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক আবদুল বাছির, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইসতিয়াক মঈন সৈয়দ, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম মাহবুব হাসান, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক এস এম আবদুর রহমান, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক কে এম সাইফুল ইসলাম খান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিনাত হুদা, আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক তৌহিদা রশিদ, অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের অধ্যাপক নিসার হোসেন, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফিরোজা ইয়াসমীন, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মিহির লাল সাহা, ইসলাম শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ আবদুর রশীদ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

নীল দলের প্যানেলে আরও আছেন- অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মাদ আবদুল মঈন, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক মো. আকরাম হোসেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুর রহিম, ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক আবদুস ছামাদ, ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান, অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. জিয়াউর রহমান, পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মো. মাসুদুর রহমান, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম, রোবটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক লাফিফা জামাল, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সিকদার মনোয়ার মুর্শেদ ওরফে সৌরভ সিকদার, আইন বিভাগের অধ্যাপক সীমা জামান এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু৷

বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল

রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আবদুস সালাম, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল-আমিন, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আশেকুল আলম রানা, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইয়ারুল কবীর, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এ এফ এম মোস্তাফিজুর রহমান, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক এ টি এম জাফরুল আযম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম শহিদুল ইসলাম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এস এম আরিফ মাহমুদ, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এস এম মোস্তফা আল মামুন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, মৃৎশিল্প বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, পালি অ্যান্ড বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক দিলীপ কুমার বড়ুয়া, আইন বিভাগের অধ্যাপক নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ এবং প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মামুন আহমেদ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ দাউদ খান, মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মামুন চৌধুরী; মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন খান, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল করিম, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মজিদ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া; মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন খান, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. নুরুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিন, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহ এমরান, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলাম, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীর, গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমান এবং ইসলাম শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক হাফিজ মুজতাবা রিজা আহমাদ।

বিতর্কে নীলদল

নীল দলের প্যানেলে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। বিতর্কিত একাধিক শিক্ষক মনোনয়ন পাওয়া এবং প্রভাবশালী কয়েকজন শিক্ষক বাদ পড়ায় শিক্ষকদের মাঝে এক ধরনের চাপা ক্ষোভ কাজ করছে।

নীল দলের শিক্ষকরা বলছেন, সিনেট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছেন এরকম অনেক শিক্ষক নীল দলে আছেন। বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে এসব শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করে একটি শক্তিশালী প্যানেল দেয়া যেত।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম এ বিষয়ে বলেন, ‘প্যানেলে অনেক নাম এসেছে যাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আছে। অনেকে মন্তব্য করেছেন যৌন হয়রানির অভিযোগ এলেই কি ক্যান্ডিডেট হতে পারবে না? আমি বলি, অবশ্যই হতে পারবে না। কারণ কিছু না ঘটলে তো আর তারা অভিযোগ করতে পারে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন দৈন্যদশা হয়নি যে অভিযুক্ত শিক্ষকদের প্যানেলে দিতে হবে। এটি কাম্য ছিল না।’

জানা যায়, গত ১১ মে ৩৫ সদস্যের সিনেট প্যানেল ঘোষণা করে নীল দল। সেখানে মনোনয়ন পাওয়াদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে ফার্মেসি অনুষদের সাবেক ডিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এসএম আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুষদের তহবিল তছরুপের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা চলমান।

এছাড়াও প্যানেলের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তাদের একজন।

এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চের (নিটার) নারী সহকর্মীদের হেনস্তা ও যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের কাছে তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানিসহ নানা অনিয়মের ফিরিস্তি তুলে ধরে নিটারের ৩৭ জন শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগের এখনো কিনারা হয়নি।

অন্যদিকে প্যানেলে মনোনয়ন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আকরাম হোসেনের বিরুদ্ধে ২৬ এপ্রিল বিভাগেরই এক ছাত্রী অভিযোগ করেন, তার ‘কুপ্রস্তাবে’ রাজি না হওয়ায় স্নাতক-স্নাতকোত্তরে প্রথম হয়েও শিক্ষক হিসেবে তিনি নিয়োগ পাননি। এমন অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার পর দুজন প্রভাষক নিয়োগে ওই বিভাগের নিয়োগ বোর্ডের করা সুপারিশ স্থগিত করে সিন্ডিকেট। একইসঙ্গে অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা না থাকা এবং পিএইচডি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এছাড়া তিনি জালিয়াতি, প্রতারণা ও অনৈতিক উপায়ে অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ আছে।

বিতর্কিতদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘কারও বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ থেকে থাকে তাহলে তাকে বাদ দিয়ে আরও কয়েকজনকে নমিনেশন দেয়া যেত।’

জানা যায়, গত ১০ মে নীল দলের এক সভায় প্যানেলের প্রার্থী মনোনীত করা হয়। অলিখিত নিয়ম অনুযায়ী, প্যানেল চূড়ান্ত করার আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে থাকা নীল দলের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের দেখানো হয়। কিন্তু এই প্যানেলের ব্যাপারে নীল দলের দু’বারের আহ্বায়ক ও বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদকে জানানো হয়নি।

এ বিষয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘নীল দলের সভায় প্যানেল নিয়ে আলোচনা হয়েছে শুনেছি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলেরই নেয়ার কথা। আমরা তো এই দল থেকেই প্রশাসনে। বিষয়টি সবার সঙ্গে আলাপ করে নিলে আজ যে প্রশ্ন উঠছে সেটি হতো না। তখন এটি আমাদের জন্য সম্মানের হতো।’

সার্বিক বিষয়ে নীল দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদ বলেন, ‘যেসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তা এখনো প্রমাণ হয়নি। প্যানেল মূলত দলের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত করা হয়। এটা দলের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত। এই জায়গায় আমার এককভাবে কিছু করার নেই।’

মন্তব্য

শিক্ষা
Chhatra Dal leaders and activists have been beaten and evicted from campus RU Chhatra League president

রাবিতে ছাত্রদলকে পিটিয়ে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রলীগ

রাবিতে ছাত্রদলকে পিটিয়ে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রলীগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার বিকেলে হামলায় আহত ছাত্রদল নেতাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ওরা মিটিং করছিল। সেটা দেখে ছাত্রলীগের রুহুল ও শাকিলের নেতৃত্বে কিছু ছেলে তাদের পিটুনি দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে।’

ছাত্রদল নেতাকর্মীদের পিটিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় ছাত্রদলের দুই নেতা আহত হয়েছেন।

ছাত্রদল নেতাকর্মীদের পিটুনি দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা অকপটে স্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি।

সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরের পাশে ছাত্রদলের টেন্টে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহত দুজন হলেন রাবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ তাহের ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাকির রেজোয়ান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে রাবি ছাত্রদল নেতাকর্মীরা দলীয় টেন্টে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। বিকেল ৫টার দিকে ছাত্রলীগের ১০-১২ জন সেখানে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পেটাতে শুরু করেন। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে পালিয়ে যান।

রাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে তাদের নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। এতে ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

এ বিষয়ে রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ওরা মিটিং করছিল। সেটা দেখে ছাত্রলীগের রুহুল ও শাকিলের নেতৃত্বে কিছু ছেলে তাদের পিটুনি দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে।’

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামসুর রহমান বিশ্বাস জানান, সন্ধ্যার দিকে এম এ তাহের ও জাকির রেজোয়ান নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে তাহেরকে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার হলে লাইভ করা সেই ছাত্রলীগ নেতা আবারও সরব
ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ
ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে উত্তেজনা
ছাত্রলীগের সেই তুখোড় নেতারা এখন যেমন
‘পারিবারিক নিয়ম চর্চায়’ রাবির ছাত্রী হলে প্রবেশের নতুন সময়

মন্তব্য

শিক্ষা
Kickoff programming competition at CUB

সিইউবিতে ‘কিকঅফ’ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা

সিইউবিতে ‘কিকঅফ’ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সিইউবি মিলনায়তনে শনিবার কিকঅফ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ও কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে শীর্ষ তিনজনকে বেছে নেন বিচারক। তারা হলেন সঞ্জয় পাল, মাধব চন্দ্র কর্মকার ও সোলায়মান শাদিন। তাদের নগদ অর্থ পুরস্কার দেয়া হয়। আর শীর্ষ ১০ জনকে দেয়া হয় বিশেষ প্রশংসাপত্র।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশে (সিইউবি) অনুষ্ঠিত প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ‘কিকঅফ’ জিতেছেন সঞ্জয় পাল, মাধব চন্দ্র কর্মকার ও সোলায়মান শাদিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (সিএসই) ও সিইউবি কম্পিউটার সোসাইটি (সিইউবিসিএস) এই মেগা ইভেন্টের আয়োজন করে।

রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মিলনায়তনে শনিবার দুপুরে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কিকঅফ-এর উদ্বোধন করেন সিইউবির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হক।

কয়েকটি কম্পিউটার ল্যাবে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় মোট ৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারক ছিলেন দেশের শীর্ষ প্রোগ্রামারদের অন্যতম তনিমা হোসেন।

প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে শীর্ষ তিনজনকে বেছে নেন বিচারক। তারা হলেন সঞ্জয় পাল, মাধব চন্দ্র কর্মকার ও মো. সোলায়মান শাদিন। তাদের নগদ অর্থ পুরস্কার দেয়া হয়। আর শীর্ষ ১০ জনকে দেয়া হয় বিশেষ প্রশংসাপত্র।

অধ্যাপক ড. এম কায়কোবাদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগীদের অনুপ্রেরণা জোগান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন টফ প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক বিচারক মাহমুদ রেদওয়ান, সিইউবির স্কুল অফ সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন এবং সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তার হোসেন।

এদিন বিকেলে ছিল সমাপনী আয়োজন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এইচ এম জহিরুল হক। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিইউবির অধ্যাপক এ এস এম সিরাজুল হক ও সিইউবিএসের কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং (সিপি) হাব টিমের প্রধান প্রান্ত পাল।

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরাও তুলে ধরেন তাদের অভিজ্ঞতা। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে অনেক নতুন জিনিস শিখতে পেরেছেন বলেও উল্লেখ করেন তারা।

আরও পড়ুন:
বাংলা শিখতে চান ইইউ দূত
সিইউবিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপন
সিইউবি কালচারাল ক্লাবের জমজমাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
সিইউবিতে ‘ইংলিশ জিনিয়াস’ অনলাইন প্রতিযোগিতার বিজয়ী ঘোষণা
সেরাদের পুরস্কার দিলো সিইউবির ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ

মন্তব্য

শিক্ষা
Lal Jagannath University at Krishnachura

কৃষ্ণচূড়ায় লাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

কৃষ্ণচূড়ায় লাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম আভায় সেজেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা
কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া।এটি Caesalpiniaceae (সিসালপিনিয়েসি) গোত্রের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ। এর আদি নিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার। ১৮২৪ সালে সেখান থেকে প্রথম মুরিটাস, পরে ইংল্যান্ড এবং শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিস্তার ঘটে। এখন জন্মে আমেরিকা, ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশে।

গ্রীষ্মের তপ্ত রোদে কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙের আভায় পুরান ঢাকার এক টুকরো সবুজের প্রাণকেন্দ্র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সেজেছে বর্ণিল সাজে। গ্রীষ্মের নিষ্প্রাণ রুক্ষতা ছাপিয়ে ক্যাম্পাসের কৃষ্ণচূড়া মেলে ধরেছে তার রূপ।

সবুজ পাতার ফাঁকে উজ্জ্বল লাল রঙের কৃষ্ণচূড়ার অপূর্ব বাহারি দৃশ্য চোখ জুড়ায়। এ যেন ফুল-পাতা দিয়ে গড়া প্রকৃতির এক স্বর্গরাজ্য। যা ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফটক, সমাজকর্ম ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সামনে, ভাষা শহীদ রফিক ভবনের পাশে, শান্ত চত্বর, ক্যাফেটেরিয়ার সামনে, মুক্তমঞ্চের আশেপাশে, সায়েন্স ফ্যাকাল্টির পুরোটা জুড়ে ও একাডেমিক ভবনের পেছনেসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় কৃষ্ণচূড়া গাছের রাঙা ফুল প্রকৃতির সব রঙকে ম্লান করে দিয়েছে।

ক্যাম্পাসের বিজ্ঞান অনুষদ চত্বর, প্রশাসনিক ভবনের পাশে ডালপালা ছড়ানো বিশাল আকৃতির কৃষ্ণচূড়াগুলো সৃষ্টি করেছে রক্তিম বর্ণের এক মোহনীয়তা।

সকালে গাছের নিচে কৃষ্ণচূড়ার ঝরে পড়া রক্তলাল পাপড়ি তৈরি করে এক পুষ্প শয্যা। সকাল থেকে সন্ধ্যা এসব গাছের নিচেই আড্ডায় মাতেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিস সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের কৃষ্ণচূড়া গাছগুলোর অধিকাংশই কলেজ থাকা অবস্থায় রোপণ করা। এ ছাড়া একাডেমিক ভবন ও দ্বিতীয় ফটকের গাছগুলো ২০০৮ সালের পর লাগানো হয়েছে। অন্য গাছগুলো কখনো শিক্ষার্থীরা আবার কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় লাগানো হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৭ মে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে বেড়ে ওঠা ক্যাম্পাসের লাল সুন্দরী খ্যাত ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী কৃষ্ণচূড়া গাছটি কোনো ঝড়-বৃষ্টি ছাড়াই হঠাৎ উপড়ে পড়ে যায়।

কৃষ্ণচূড়া গাছ পত্রপল্লব এবং আগুনলাল ফুলের জন্য বিখ্যাত। এটি উচ্চতায় সাধারণত ১২-১৪ মিটার হয়। তবে শাখা-পল্লবে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো বড় ৭ থেকে ৮টি পাপড়িযুক্ত। ফুলের ভেতরের অংশ হালকা হলুদ ও রক্তিম হয়ে থাকে। পাপড়িগুলো প্রায় আট সেন্টিমিটারের মত লম্বা হতে পারে। এর প্রতিটি পাতা ৩০-৫০ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ২০-৪০টি উপপত্র বিশিষ্ট।

কৃষ্ণচূড়ায় লাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফোটে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত। কুঁড়ি আসার কিছুদিনের মধ্যে পুরো গাছ ভরে যায় ফুলে ফুলে।

কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এটি Caesalpiniaceae (সিসালপিনিয়েসি) গোত্রের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ। এর আদি নিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার। ১৮২৪ সালে সেখান থেকে প্রথম মুরিটাস, পরে ইংল্যান্ড এবং শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিস্তার ঘটে। এখন জন্মে আমেরিকা, ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশে।

ধারণা করা হয়, কৃষ্ণচূড়া ভারত উপমহাদেশে এসেছে তিন থেকে চার শ বছর আগে। বহুকাল ধরে আছে বাংলাদেশে। তবে ফুলের নাম কী করে কৃষ্ণচূড়া হলো সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায় না।

কৃষ্ণচূড়া গাছের আরেক নাম গুলমোহর। যদিও তা কম লোকই জানেন, কিন্তু কৃষ্ণচূড়াকে চেনেন না এমন লোক খোঁজে পাওয়া দায়।

কৃষ্ণচূড়াকে সাধারণত আমরা লাল রঙেই দেখতে অভ্যস্ত হলেও উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা বলছেন, কৃষ্ণচূড়া লাল, হলুদ ও সাদা রঙেরও হয়। আমাদের দেশে লাল ও হলুদ রঙের ফুল দেখা গেলেও সাদা রঙের কৃষ্ণচূড়া দেখা যায় না।

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মিথিলা দেবনাথ ঝিলিক বলেন, ‘কৃষ্ণচূড়া আমাদের ক্যাম্পাসের পরিবেশ লাল রঙে রাঙিয়েছে। মনে হচ্ছে যেন লাল টুকটুকে বউ, এই লালের মাঝে ইচ্ছে করে হারিয়ে যেতে। গ্রীষ্মের এই খরতাপে শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয় কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী মেহরাব হোসেন অপি বলেন, ‘ঈদের ছুটি কাটিয়ে এসে কৃষ্ণচূড়ায় পরিপূর্ণ লাল টুকটুকে ক্যাম্পাস দেখে মনে হচ্ছে যেন ঈদের শেষে আবার কোথাও ঘুরতে এসেছি। এমন সুন্দর দৃশ্য দেখে নিজের সবুজে ঘেরা গ্রাম ছেড়ে আসার জন্য যে মন খারাপ লাগছিল তাও যেন ভুলে গেছি।’

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাঈমা আক্তার বলেন, ‘আমার পছন্দের ফুলগুলোর তালিকায় প্রথমেই স্থান পায় কৃষ্ণচূড়া। এর রক্ত বর্ণ রূপ, সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে বার বার’

কৃষ্ণচূড়ার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘গাছটি খুবই নরম। এটি আমাদের দেশীয় কোনো গাছ না। এরা ঝড়-ঝাপটায় টিকে থাকতে পারে না। কৃষ্ণচূড়া ফুল ফোটার ব্যাপ্তিকাল ভিন্ন। রাতের নিরবিচ্ছিন্ন একটা দৈর্ঘ্য ব্যতীত কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পাসের বড় গাছটি হেলে আছে ঝুঁকিপূর্ণভাবে। যেকোনো সময় সেটি পড়ে যেতে পারে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষক সমিতির সদস্য ড. এ এম এম গোলাম আদম জানান, কৃষ্ণচূড়া উদ্ভিদের আদিনিবাস মাদাগাস্কার হলেও ভারত, নেপাল, মিয়ানমার, পাকিস্তানসহ অনেক দেশেই এর বিস্তৃতি। এই উদ্ভিদের লাল, কমলা, হলুদ ফুল এবং উজ্জ্বল সবুজ পাতা রয়েছে। এই বিভিন্ন রং মূলত ক্লোরোফিল, কারোটেনোয়েডস ও অ্যানথোসাইনিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির কারণেই হয়ে থাকে।’

উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃক্ষরোপণ কমিটির সদস্য বিভাস কুমার সরকার বলেন, ‘বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে (এপ্রিল-জুন) এই ফুল বেশি দেখা যায়। সৌন্দর্যবর্ধন ছাড়াও এই গাছ উষ্ণ আবহাওয়ায় ছায়া দিতে উপযুক্ত। ক্যাম্পাসকে আরও সুন্দর করতে কৃষ্ণচূড়া লাগোনো যেতে পারে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ট্যাক্সোনমিক ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নাহিদ সুলতানা বলেন, ‘আমাদের দেশে পত্র ঝরা এই কৃষ্ণচূড়া উদ্ভিদটির পাতা শীতকালে ঝরে যায় আর বসন্তকালে ফুল ফোটে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার সময় ভিন্ন। অপরূপ সৌন্দর্য ছাড়াও এর পাতা, মূলের বাকল ও ফুল ভেষজ গুণাগুণ সম্পন্ন যা জ্বর ও খুশকি নিরাময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।’

আরও পড়ুন:
জবির নতুন ছাত্রী হলে মেয়াদহীন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র
জবিতে প্রদীপ জ্বেলে কালরাত স্মরণ
শব্দদূষণ রোধে জবির একদল শিক্ষার্থী
জবিতে ছাত্রজোটের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
জবিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে নানা আয়োজন

মন্তব্য

শিক্ষা
Muktijuddha Mancha demanded the arrest of Abbasi

আব্বাসীকে গ্রেপ্তারের দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের

আব্বাসীকে গ্রেপ্তারের দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মানববন্ধনে এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, “সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ফেইস দ্য পিপল’ নামের একটি চ্যানেলের টকশোতে স্বাধীনতাবিরোধীদের দোসর ধর্ম ব্যবসায়ী এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জঙ্গির সঙ্গে তুলনা করেছে। এমন ন্যক্কারজনক রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠাতে হবে।”

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জঙ্গির সঙ্গে তুলনা করে ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ বক্তব্য দেয়ার অপরাধে এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) মানববন্ধন করেছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

ওই সময় মঞ্চের নেতা-কর্মীরা তার কুশপুত্তলিকা পোড়ান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মঙ্গলবার বিকেলে এ মানববন্ধন হয়।

মানববন্ধন থেকে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদকে) পেশকৃত ১১৬ জন ধর্ম ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান।

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, “সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ফেইস দ্য পিপল’ নামের একটি চ্যানেলের টকশোতে স্বাধীনতাবিরোধীদের দোসর ধর্ম ব্যবসায়ী এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জঙ্গির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এমন ন্যক্কারজনক রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠাতে হবে।”

বীর মুক্তিযোদ্ধা জহির উদ্দিন জালাল বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকাশ্য অবমাননার মাধ্যমে আব্বাসী রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধ করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির নীরবতা আমাদের ব্যথিত করেছে।

‘আব্বাসীর এত দিন কারাগারে থাকার কথা ছিল। সরকার এখনো কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

এই বীর মুক্তিযোদ্ধা আরও বলেন, ‘আমরা অস্ত্র জমা দিয়েছি, কিন্তু ট্রেনিং জমা দেইনি। মুক্তিযোদ্ধারা রাস্তায় নামলে একাত্তরের মতো আব্বাসী গংরা পাকিস্তানে পালিয়ে যাবে। আব্বাসী ক্ষমা না চাইলে মুক্তিযোদ্ধারা তাকে যেখানে পাবে সেখানেই প্রতিহত করবে।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বলেন, ‘জাতীয় সংগীত ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে আব্বাসী প্রকাশ্য কটূক্তি ও সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়িয়েছে। সে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হাদিসের অপব্যাখ্যা দিয়ে শান্তির ধর্ম ইসলামের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

‘সম্প্রতি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জঙ্গির সঙ্গে তুলনা করে এনায়েত উল্লাহ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চরম আঘাত করেছেন, যা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।

‘সরকারের কাছে দাবি, অবিলম্বে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির দোসর ও ধর্ম ব্যবসায়ী এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। এর মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা না হলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে দেশব্যাপী আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।’

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মজুমদার, ভাস্কর্য শিল্পী রাশা, সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মাহিম বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

মন্তব্য

p
উপরে