× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

শিক্ষা
Unique ID data entry time increased again
hear-news
player

ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রির সময় আবারও বাড়ল

ইউনিক-আইডির-ডাটা-এন্ট্রির-সময়-আবারও-বাড়ল
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সকল বিভাগের জন্য ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। ব্যবহারিকদের ডাটা এন্ট্রির সুবিধার জন্য ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা ২০ মে পর্যন্ত পুনর্নির্ধারণ করা হলো।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর ইউনিক আইডি (ইউআইডি) তৈরির জন্য সফটওয়্যারের ডাটা এন্ট্রির সময় আবারও বাড়ানো হয়েছে। আগামী ২০ মে মধ্যে শিক্ষার্থীরা ডাটা এন্ট্রি ও আপলোড করতে পারবে। এর আগেও কয়েক দফা ডাটা এন্ট্রির সময় বাড়ানো হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার ইউনিক আইডির প্রকল্প পরিচালক শামসুল আলমের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউনিক আইডির মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত সব তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সকল বিভাগের জন্য ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। ব্যবহারিকদের ডাটা এন্ট্রির সুবিধার জন্য ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা ২০ মে পর্যন্ত পুনর্নির্ধারণ করা হলো।

যেভাবে ডাটা এন্ট্রি করতে হবে

ব্যানবেইসের ওয়েবসাইট থেকে (www.banbeis.gov.bd) থেকে IEIMS মেনুতে গিয়ে ইউনিক আইডির লাইভ সার্ভারে ক্লিক করে CRVS Institution Login page-এ যেতে হবে। অথবা http://crvs-institute.banbeis.gov.bd/তে ক্লিক করে CRVS Institution Log in page-এ যেতে হবে।

সফটওয়্যারে এন্ট্রি ও আপলোডের দায়িত্বে শিক্ষকদের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান পাসওয়ার্ড বদলাতে পারবেন। অ্যাডমিন হিসেবে প্রতিষ্ঠানপ্রধান সর্বোচ্চ পাঁচটি ইউজার আইডি তৈরি করতে পারবেন। তবে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ছাড়া হস্তান্তরযোগ্য নয়।

ইউনিক আইডি কেন

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে ইউনিক আইডি। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর হলে এই আইডি জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) রূপান্তরিত হবে।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরির দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)। এ ছাড়া প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরি করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

কেন শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক আইডি তৈরি করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলেই স্থানীয় সরকার বিভাগের অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের আওতায় তার জন্ম নিবন্ধন হয়। আর ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া সবার জন্য আছে জাতীয় পরিচয়পত্র।’

তিনি বলেন, ‘তবে যারা প্রাইমারি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী, অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে তারা এই সিস্টেমের বাইরে। এ জন্য তাদের সিস্টেমের মধ্যে আনতেই ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

ফরমে যেসব তথ্য দিতে হয়

স্ট্যাবলিশমেন্ট অফ ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা চার পৃষ্ঠার ফরমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ফরমে শিক্ষার্থীর নাম, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মস্থান, জেন্ডার, জাতীয়তা, ধর্ম, অধ্যয়নরত শ্রেণি, রোল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, প্রতিবন্ধিতা (ডিজ-অ্যাবিলিটি), রক্তের গ্রুপ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কি না, মা-বাবার নামসহ বেশ কিছু তথ্যের ঘর রয়েছে।

বৈবাহিক অবস্থার অপশন হিসেবে অবিবাহিত, বিবাহিত, বিধবা, বিপত্নীক ছাড়াও স্বামী-স্ত্রীর আলাদা বসবাস, তালাকপ্রাপ্ত, বিয়েবিচ্ছেদের ঘরও রয়েছে ফরমে।

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষা প্রকৌশলী হলেন শাহ্ নইমুল কাদের
মহামারিতে স্কুল হারিয়েছে হাজারও ছেলেশিশু
কারিগরি শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তে বসছে সভা
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিউশন ফি নির্ধারণ করবে সরকার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
8 percent pass in LLB final round

এলএলবি শেষ পর্বে ৮৬ শতাংশ পাস

এলএলবি শেষ পর্বে ৮৬ শতাংশ পাস জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এলএলবি শেষ পর্ব পরীক্ষা শুরু হয় গত বছরের ১৯ নভেম্বর। আর শেষ হয় চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৯ সালের এলএলবি শেষ পর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

পরীক্ষায় সারা দেশে ১০ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। গড় পাসের হার ৮৬ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আতাউর রহমান এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশিত ফলাফল সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে এক মাসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর এ-সম্পর্কিত কোনো আপত্তি/অভিযোগ গৃহীত হবে না।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এলএলবি শেষ পর্ব পরীক্ষা শুরু হয় গত বছরের ১৯ নভেম্বর। আর শেষ হয় চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় গত ২১ জানুয়ারি। এ দফায় শিক্ষাঙ্গনে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকে এক মাস।

২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে।

গত ২ মার্চ শুরু হয় প্রাথমিকে সশরীরে ক্লাস। টানা দুই বছর বন্ধের পর গত ১৫ মার্চ প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
দাম বাড়তি খেজুরে, অন্য ফলে উনিশ-বিশ
মেডিক্যালের প্রশ্নে সন্তোষ পরীক্ষার্থীদের
জেলায় হচ্ছে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষায় ফল প্রকাশ
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ শুরু

মন্তব্য

শিক্ষা
Appointment of Primary Oral Examination Committee Amendment

প্রাথমিকে নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ কমিটি সংশোধন

প্রাথমিকে নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ কমিটি সংশোধন ছবি: সংগৃহীত
গত ১২ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০-এর প্রথম পর্বে ২২ জেলার লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ কমিটি সংশোধন করা হয়েছে। এতে জেলা সদরের পিটিআই, সুপারিনটেনডেন্টকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দীনের সই করা প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

গত ১২ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০-এর প্রথম পর্বে ২২ জেলার লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

সিলেট জেলা বাদে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদের দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ২০ মে আর তৃতীয় ধাপে ৩ জুন।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পরীক্ষা শুক্রবার
প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হতে পারে ৮ এপ্রিল
প্যানেলভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে অনশন
অ্যাডহক নিয়োগসহ স্বাধীনতা শিক্ষক সমিতির ৯ দাবি
শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ পেলেন আরও ১১৬ জন

মন্তব্য

শিক্ষা
Oral examination for the post of primary teacher How to divide the number

প্রাথমিকে শিক্ষক পদে মৌখিক পরীক্ষা: নম্বর বিভাজন যেভাবে

প্রাথমিকে শিক্ষক পদে মৌখিক পরীক্ষা: নম্বর বিভাজন যেভাবে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর থাকবে। ছবি: সংগৃহীত
নিয়োগ বিধি অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর থাকবে। এর মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতায় থাকবে ১০ নম্বর। আর ব্যক্তিত্ব, প্রকাশ ক্ষমতা, সাধারণ জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে থাকবে ১০ নম্বর।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বিভাজন প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নিয়োগ বিধি অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর থাকবে। এর মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতায় থাকবে ১০ নম্বর। আর ব্যক্তিত্ব, প্রকাশ ক্ষমতা, সাধারণ জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে থাকবে ১০ নম্বর।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দীনের সই করা বুধবার রাতের অফিস আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমানের ক্ষেত্রে প্রথম বিভাগ/জিপিএ-৩ বা তদূর্ধ্ব নম্বর ৪, দ্বিতীয় বিভাগ/জিপিএ-২ থেকে ৩ এর কমের ক্ষেত্রে ৩ নম্বর এবং তৃতীয় বিভাগ/জিপিএ-১ থেকে ২ এর কমের ক্ষেত্রে ১ নম্বর থাকবে।

আর স্নাতক/সমমান ক্ষেত্রে প্রথম বিভাগ/সমতুল্য সিজিপিএ (৪ স্কেলে ৩ বা তদূর্ধ্ব, ৫ স্কেলে ৩.৭৫ বা তদূর্ধ্ব)-ক্ষেত্রে ২ নম্বর এবং দ্বিতীয় বিভাগ/সমতুল্য সিজিপিএর (৪ স্কেলে ২.৫ থেকে ৩ এর কম, ৫ স্কেলে ২.৮ থেকে ৩.৭৫) ক্ষেত্রে ১ নম্বর থাকবে।

এভাবে সর্বমোট নম্বর হবে ১০। ব্যক্তিত্ব, প্রকাশ ক্ষমতা, সাধারণ জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে থাকবে ১০ নম্বর।

গত ১২ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২০-এর প্রথম পর্বে ২২ জেলার লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

এতে ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট জেলা বাদে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদের দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ২০ মে। আর তৃতীয় ধাপে হবে ৩ জুন।

আরও পড়ুন:
লালমনিরহাটে প্রাথমিকের পরীক্ষা নিয়ে ‘নাটকীয়তা’
প্রাথমিকে নিয়োগের ভুয়া প্রশ্নপত্র: আটক ১৩
প্রশ্ন ফাঁসের তথ্য গুজব: প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিকে নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপে যেসব জেলায় পরীক্ষা
প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষা জেলাতেও!

মন্তব্য

শিক্ষা
Application for admission in the first year of National University started on 22nd May

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন শুরু ২২ মে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন শুরু ২২ মে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। ফাইল: ছবি
ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী প্রার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১১ জুনের মধ্যে জমা দিতে হবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস ৩ জুলাই থেকে শুরু হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু হবে আগামী ২২ মে (বিকেল ৪টা থেকে)। যা চলবে আগামী ৯ জুন ( রাত ১১টা ৫৯ মিনিট) পর্যন্ত।

বুধবার রাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব (স্নাতক, সম্মান) অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিনের সই করা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী প্রার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১১ জুনের মধ্যে জমা দিতে হবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস ৩ জুলাই থেকে শুরু হবে।

আবেদনের যোগ্যতা

ক) বাংলাদেশে স্বীকৃত যেকোনো শিক্ষা বোর্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক শাখা থেকে ২০১৮/২০১৯ সালের এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ এবং ২০২০/২০২১ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

খ) বাংলাদেশে স্বীকৃত যেকোনো শিক্ষা বোর্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ২০১৮/২০১৯ সালের এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ এবং ২০২০/২০২১ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

গ) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে শুধুমাত্র এইচএসসি (ভোকেশনাল) এইচএসসি (বিজনেস্ ম্যানেজমেন্ট)/ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা অনুচ্ছেদ-১-এর খ নং শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে।

ঘ) আবেদনকারীদের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার পঠিত বিষয়গুলো থেকে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য বিষয় নির্ধারণ করা হবে এবং উক্ত পঠিত বিষয়ে (২০০ নম্বরের) ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৩.০ থাকতে হবে।

ঙ) ২০১৮/২০১৯ সালের ও-লেভেল পরীক্ষায় তিনটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত চারটি বিষয়ে উত্তীর্ণ এবং ২০২০/২০২১ সালের এ-লেভেল পরীক্ষায় একটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত দুটি বিষয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এ ভর্তি কার্যক্রমে অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে। এসব শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষাবিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর সরাসরি/ই-মেইলে আবেদনপত্র প্রেরণ করবে। সাদা কাগজে লিখিত আবেদনপত্রে আবেদনকারীর নাম, পিতা-মাতার নাম, ভর্তিচ্ছু বিষয়, প্রতিষ্ঠানের নাম ও নিবন্ধিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। উল্লেখ্য যে ভর্তিচ্ছু বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অধিভুক্ত থাকতে হবে।

চ) বিদেশি সার্টিফিকেটধারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে স্বীকৃত যেকোনো শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক তাদের অর্জিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের নম্বরপত্রের সমতা নিরূপণ করা হলে তারাও এ ভর্তি কার্যক্রমে অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে। এসব শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষাবিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর সরাসরি/ই-মেইলে আবেদনপত্র প্রেরণ করবে।

সাদা কাগজে লিখিত আবেদনপত্রে আবেদনকারীর নাম, পিতা-মাতার নাম, ভর্তিচ্ছু বিষয়, প্রতিষ্ঠানের নাম ও নিবন্ধিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। উল্লেখ্য যে ভর্তিচ্ছু বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অধিভুক্ত থাকতে হবে। এ ছাড়া আবেদনপত্রের সঙ্গে আবেদনকারীর সব পরীক্ষার ট্রান্সক্রিপ্ট, শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সমতা নিরুপণের কপি ও পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি সত্যায়িত ছবি সংযুক্ত করতে হবে।

ছ) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান)/স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল/স্নাতক (পাস) নিয়মিত/প্রাইভেট কোর্সে বর্তমানে অধ্যয়নরত কোনো শিক্ষার্থী ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে না। তবে এসব শিক্ষার্থী ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বাতিলপূর্বক ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে।

জ) একই শিক্ষাবর্ষে অথবা দুটি ভিন্ন শিক্ষাবর্ষে কোনো শিক্ষার্থী স্নাতক (সম্মান)/ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল/স্নাতক (পাস) নিয়মিত/প্রাইভেট কোর্সে ভর্তি হলে ভর্তি আবেদন বাতিল হবে।

এক নজরে ভর্তিতথ্য

# আবেদন ফরম পূরণ ও সংগ্রহ: ২২ মে থেকে ০৯ জুন।

# আবেদন ফি জমা: ২৩ মে থেকে ১১ জুন।

# অনলাইনে আবেদন ফরম নিশ্চয়ন: ২৩ মে থেকে ১২ জুন।

# আবেদন ফির জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ: এ জন্য কলেজকে Login-এর মাধ্যমে Application Payment Info (Honours) অপশনে ক্লিক করে Pay Slip ডাউনলোড করতে হবে। যা ১৩ জুন থেকে ২০ জুনের মধ্যে নিকটস্থ সোনালী ব্যাংক শাখায় নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে রসিদ সংগ্রহ করতে হবে।

গাজীপুর জেলার বোর্ডবাজারে ১৯৯২ সালের ২১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি-বেসরকারি কলেজ এখন ২ হাজার ২৭৪টি। এর মধ্যে ২৭৯টি সরকারি কলেজ আর বাকিগুলো বেসরকারি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৯ লাখ।

আরও পড়ুন:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ভর্তি আবেদন শুরু ২২ মে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ
‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট শূন্যে নামিয়ে আনা হবে’
ডিগ্রি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মাস্টার্স প্রথম পর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ

মন্তব্য

শিক্ষা
NTRC Nubja in the case

মামলায় ন্যুব্জ এনটিআরসিএ!

মামলায় ন্যুব্জ এনটিআরসিএ! বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ- এনটিআরসিএ। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক মামলা করা হয়েছে এনটিআরসিএর বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুই শতাধিক মামলা ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। এখনও চলমান রয়েছে তিন শতাধিক মামলা।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ করে থাকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক মামলার জালে পড়েছে। এতে আটকে যাচ্ছে একের পর এক নিয়োগ প্রক্রিয়া।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক মামলা করা হয়েছে এনটিআরসিএর বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুই শতাধিক মামলা ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। এখনও চলমান রয়েছে তিন শতাধিক মামলা।

জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এনামুল কাদের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটি ঠিক আমরা যে পরিকল্পনা নিয়ে কাজগুলো শুরু করি, শেষ পর্যন্ত নানা জটিলতায় তা আর শেষ করতে পারছি না। এর মধ্যে অন্যতম সমস্যা মামলা।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক চাকরিপ্রার্থী না বুঝেই মামলা করে পুরো প্রক্রিয়াটি আটকে দিচ্ছেন। এটা খুবই দুঃখজনক। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু সেটিও মামলা জটিলতায় দীর্ঘসূত্রতার কবলে পড়েছে। কিছুদিন আগে আমরা বিষয়টির সমাধান করেছি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, সর্বশেষ তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। এই তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধেও প্রায় ২৭টি মামলা করা হয়েছিল। পরে সব মামলা নিষ্পত্তি করে তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ ঠেকাতেও মামলা করা হয়েছে। পরে কোর্টের মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা হয়।

এখনও এনটিআরসিএ-র বিরুদ্ধে তিন শতাধিক মামলা চলমান আছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঁচ শতাধিক মামলা করা হয়েছে এনটিআরসিএর বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুই শতাধিক মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। এখনও চলমান রয়েছে তিন শতাধিক মামলা।

জানা যায়, বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০০৫ সাল থেকে সনদ দিয়ে আসছিল এনটিআরসিএ, যদিও নিয়োগের ক্ষমতা ছিল গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির হাতে। ২০১৫ সালে এই পদ্ধতির পরিবর্তন আনে সরকার। এর পর থেকে এনটিআরসিএ সনদ দেয়ার পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশও করে।

সারা দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদের বিপরীতে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে প্রার্থীদের প্রিলিমিনারি, লিখিত, মৌখিক ও জাতীয় সম্মিলিত মেধাতালিকায় স্থান পেতে হয়। এরপর নিয়োগের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি বা সার্কুলারের মাধ্যমে প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন নেয়া হয়। চূড়ান্ত ধাপে মেধাতালিকা অনুসরণ করে প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে একজন শিক্ষককে সেই পদে সুপারিশ করা হয়।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি তৃতীয় গণনিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারা দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৭৩টি পদে বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করে এনটিআরসিএ।

যদিও গত বছরের ১৫ জুলাই ৩৮ হাজার ২৮৩ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছিল এনটিআরসিএ।

গত বছরের ৩০ মার্চ তৃতীয় ধাপে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫৪ হাজার ৩০৪টি শূন্য পদের মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ৩১ হাজার ১০১টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত পদ ২৬ হাজার ৮৩৮টি। মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ২০ হাজার ৯৯৬টি।

এর মধ্যে ১৯ হাজার ১৫৪টি এমপিওভুক্ত। আর ২ হাজার ২০৭টি এমপিও পদ রিট মামলায় অংশ নেয়াদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়।

৫১ হাজার ৭৬১টি পদে সুপারিশ করার কথা থাকলেও গত বছরের ১৫ জুলাই সুপারিশ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীকে। তাদের মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জন এবং নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৬৭৬ জন।

আর ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি নারী কোটায় প্রার্থী না পাওয়ায় ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফল দেয়নি এনটিআরসি।

আরও পড়ুন:
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৫ ঊর্ধ্বদেরও যোগদানের সুযোগ
ভি রোল ফরম পাঠাতে হবে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে
শিক্ষক নিয়োগ: ১৬তম নিবন্ধনধারীদের মেধাতালিকা প্রকাশ
১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কবে?
এনটিআরসিএ নিয়োগ: ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ ৩০ সেপ্টেম্বর

মন্তব্য

শিক্ষা
A budget of 146 crore 8 lakh rupees for Khubi

খুবির জন্য ১৪৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার বাজেট

খুবির জন্য ১৪৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার বাজেট খুবির শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে বুধবার বেলা ৩টায় মতবিনিময় সভায় কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
আগামী অর্থবছরের জন্য শিক্ষা উপকরণ খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বৃদ্ধির আভাস দিয়ে বলেন, ‘এটা অত্যন্ত ইতিবাচক এবং এর ফলে শিক্ষার গুণগত মান অর্জন সহায়ক হবে।’

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) ২০২২-২৩ অর্থ বছরের জন্য ১৪৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার রাজস্ব বাজেট পাচ্ছে।

এ ছাড়া চলতি অর্থ বছরের ১২১ কোটি ২৪ লাখ টাকার মূল রাজস্ব বাজেটের পরিবর্তে সংশোধিত বাজেট পাওয়া গেছে ১৩৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে বুধবার বেলা ৩টায় অ্যাকাডেমিক প্রধানদের সঙ্গে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট এবং অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন।

ওই সময় উপাচার্য প্রাপ্ত বরাদ্দ সময়মতো এবং যথাযথভাবে ব্যয়ের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘আগামী বছর বাজেট প্রণয়নের আগেই বটম আপ অ্যাপ্রোচ করা হবে। অর্থাৎ বিভিন্ন ডিসিপ্লিন ও বিভাগ থেকে ব্যয়ের খাত ও চাহিদা নেয়ার পর বাজেট প্রণয়ন করা হবে।’

সভায় উপাচার্য আগামী অর্থবছরের জন্য শিক্ষা উপকরণ খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বৃদ্ধির আভাস দিয়ে বলেন, ‘এটা অত্যন্ত ইতিবাচক এবং এর ফলে শিক্ষার গুণগত মান অর্জন সহায়ক হবে।’

উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ও আগামী অর্থবছরে বাজেটে প্রত্যাশিত বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) ধন্যবাদ জানান।

সভায় আসন্ন টার্ম ফাইনাল পরীক্ষা, আইসিটি কার্যক্রম, অনলাইনে স্টুডেন্ট ফিডব্যাক, প্রত্যেক ডিসিপ্লিনে ভর্তিতে ছাত্র সংখ্যার যৌক্তিকীকরণ, ওবিই কারিকুলা প্রণয়নের অগ্রগতি, আসন্ন ঢাবি ও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা, শুদ্ধাচার পুরস্কার, ক্রয় পদ্ধতি, জার্নাল প্রকাশনায় বরাদ্দসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গল্লামারী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর সংরক্ষণ ও পারিপার্শ্বিক উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ইউজিসি থেকে ৫০ লাখ এবং সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য ৬৪ লাখ টাকার বেশি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ৩৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষ ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সফট অবকাঠামো’ শীর্ষক জমাদানকৃত ডিপিপি এবং ইতিপূর্বে পেশকৃত অরগানোগ্রাম অনুমোদনের বিষয়টি পাইপলাইনে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন:
খুবি ছাত্রীর ‘অসতর্ক মুহূর্তের’ ভিডিও, ছাত্রকে পিটুনি
আইইউবি গ্রিন জিনিয়াস হলেন রিশান-সৌরভ
৫৫ কোটি ব্যয়ে টিএসসি হবে খুবিতে
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুলছে সোমবার
খুবির হল খুলছে ১৮ অক্টোবর

মন্তব্য

শিক্ষা
Recruitment of primary school teachers Examination postponed in Sylhet district

বন্যা: পেছাল সিলেটের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

বন্যা: পেছাল সিলেটের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সিলেটে আগামী ২০ মের সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্যা পরিস্থিতির কারণে আগামী ২০ মে সিলেট জেলায় অনুষ্ঠিতব্য সহকারী শিক্ষক ২০২০-এর লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। পরীক্ষাটি আগামী ৩ জুন নেয়া হবে।

টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সেখানে আগামী ২০ মের সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষা পিছিয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল ২০ মে। কিন্তু বন্যা পরিস্থিতির কারণে সেটি পিছিয়ে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার দিন আগামী ৩ জুন নেয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বুধবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্যা পরিস্থিতির কারণে আগামী ২০ মে সিলেট জেলায় অনুষ্ঠিতব্য সহকারী শিক্ষক ২০২০-এর লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। পরীক্ষাটি আগামী ৩ জুন নেয়া হবে।

জানা যায়, সিলেটের অন্তত সাড়ে ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া ২০০-এর মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। ফলে জেলার অন্তত সাড়ে ৭০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

গত ১০ মে থেকে সিলেটে ভারী বর্ষণ শুরু হয়, যা এখনও চলছে। একই সঙ্গে উজান থেকে নামছে ঢল। এতে গত ১১ মে থেকেই সিলেটের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যেতে শুরু করে। আর গত ১৬ মে থেকে পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করে সিলেট নগর। এখন বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

এর আগে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, আগামী ২০ মে আবেদনকারীর নিজ নিজ জেলায় বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

গত ১২ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০-এর প্রথম পর্বে ২২ জেলার লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

আরও পড়ুন:
ছুটি শেষে প্রাথমিকে ক্লাস চলবে যেভাবে
নিয়োগ পরীক্ষায় ‘ডিভাইস সরবরাহ’: ছাত্রলীগ নেতার নামে মামলা
নিয়োগ পরীক্ষায় ‘ডিভাইস সরবরাহ’, আটক ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার
নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস সরবরাহের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা আটক
লালমনিরহাটে প্রাথমিকের পরীক্ষা নিয়ে ‘নাটকীয়তা’

মন্তব্য

উপরে