× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

শিক্ষা
Re appointment of Secretary of the Board of Retirement Education
hear-news
player

অবসর শিক্ষা বোর্ডের সচিবের পুনর্নিয়োগ

অবসর-শিক্ষা-বোর্ডের-সচিবের-পুনর্নিয়োগ অবসর শিক্ষা বোর্ডের সচিব পদে পুনর্নিয়োগ পেয়েছেন শরীফ আহমদ সাদী। ছবি: সংগৃহীত
নতুন করে দায়িত্ব পেয়ে শরীফ সাদী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত মেয়াদে এ প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করার যে উদ্যোগ ও পদক্ষেপ আমি নিয়েছিলাম, তা আরও বেগবান করা হবে। অবসরে যাওয়া শিক্ষকরা যেন ঘরে বসেই সব সেবা পান, এর জন্য প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে অবসর বোর্ডকে গড়ে তোলা হবে।’

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডে সচিব পদে পুনর্নিয়োগ পেয়েছেন শরীফ আহমদ সাদী।

এ ছাড়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে সচিব পদে চতুর্থবারের মতো নিয়োগ পেয়েছেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম সাজু।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল তিন বছরের জন্য বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। তখন কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব পদে নিয়োগ পান শিক্ষক নেতা মো. শাহজাহান আলম সাজু, আর অবসর সুবিধা বোর্ডের সচিব পদে শরীফ আহমদ সাদী।

দুই পদেরই মেয়াদ শেষ হয় চলতি মাসের ৯ এপ্রিল। এর পর থেকে এই দুই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে নেমে আসে স্থবিরতা।

গত কয়েক বছরে অবসর শিক্ষা বোর্ডের সেবায় এসেছে আমূল পরিবর্তন। সেখানে এখন সিরিয়াল অনুযায়ী শিক্ষকদের অবসর সুবিধা দেয়া হচ্ছে। হয়রানি ও দুর্নীতির যে অভিযোগগুলো ছিল, সেটি এখন আর শোনা যায় না।

সরকারের বরাদ্দের অপ্রতুলতায় আবেদনকারীদের টাকা দিতে অবশ্য এখনও দুই থেকে তিন বছর সময় লেগে যাচ্ছে। অবশ্য জটিল রোগে আক্রান্ত হলে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধাগুলো আগেভাগে দেয়া হচ্ছে।

নতুন করে দায়িত্ব পেয়ে শরীফ সাদী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত মেয়াদে এ প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করার যে উদ্যোগ ও পদক্ষেপ আমি নিয়েছিলাম, তা আরও বেগবান করা হবে।

‘অবসরে যাওয়া শিক্ষকরা যেন ঘরে বসেই সব সেবা পান, এর জন্য প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে অবসর বোর্ডকে গড়ে তোলা হবে।’

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা দেয়ার কাজ করে কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ড।

অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের সুবিধা দিতে ২০০২ সালে গঠন করা হয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড গঠন। আর ১৯৯০ গঠন করা হয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট।

আরও পড়ুন:
সিনিয়র সচিব হলেন চার কর্মকর্তা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
A call to engage students with creative and practical learning

সৃজনশীল ও বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান

সৃজনশীল ও বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান ফাইল ছবি
শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘তত্ত্বীয় জ্ঞানের চেয়ে ব্যহারিক শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক শিক্ষার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে শিক্ষকদের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

রাজধানীর সরকারি টিচার ট্রেনিং কলেজে বঙ্গবন্ধু ‘সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ’-এর জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘তত্ত্বীয় জ্ঞানের চেয়ে ব্যহারিক শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক শিক্ষার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে হবে।’

মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের সঙ্গে কাজ করার মানসিকতাই তৈরি হয়নি। আমরা তত্ত্বীয় জ্ঞানের ওপর এত বেশি জোর দিচ্ছি যে, বাস্তবে কোনও কাজ করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা নিরুৎসাহিত হয়ে যাচ্ছে। তারা মনে করছে কৃষি কাজসহ কায়িক পরিশ্রমের কাজ হচ্ছে অশিক্ষিত লোকের কাজ। যেহেতু সে শিক্ষিত হয়ে গেছে সেহেতু সে এসব কাজ করবে না।

‘কিন্তু শিক্ষার্থীরা লদ্ধ জ্ঞানকে ব্যবহার করার মাধ্যমে উদ্ভাবন করতে পারে। তাই শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ থাকলো, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ব্যবহারে উপযুক্ত করতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের উন্মুক্ত ও বিজ্ঞানমনস্ক করার আহ্বান জানিয়ে উপমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কূপমণ্ডুকতা, জড়তা, অতিমাত্রায় প্রতিক্রিয়াশীলতার মধ্যে ডুবে থাকে এবং কুসংস্কার, ধর্মীয় অপব্যখ্যা, নারী-পুরুষের মধ্যে অসমতার প্রতি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ চলে যায় সৃজনশীল চর্চার অভাবে।

‘সে কারণে শিক্ষকদের আমি অনুরোধ করব, জাতির পিতা যে দক্ষতা নির্ভর জনগোষ্ঠী করতে চেয়েছিলেন, শিক্ষার্থীদের সেই বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দক্ষতা নির্ভর জনগোষ্ঠী গেড়ে তুলতে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

আরও পড়ুন:
শুধু স্লোগান নয়, অনলাইনে সোচ্চার হোন
হেফাজত ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল: নওফেল
৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ খুলতে প্রস্তুতি চলছে: নওফেল

মন্তব্য

শিক্ষা
Dhaka College students refuse to walk around in uniform

কলেজ ইউনিফর্ম পরে ঘুরতে মানা

কলেজ ইউনিফর্ম পরে ঘুরতে মানা ঢাকা কলেজ। ছবি: সংগৃহীত
নির্দেশনায় শৃঙ্খলাবিরোধী কোনো কাজ করলে কলেজ কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

কলেজ ড্রেস পরে অযথা ঘোরাঘুরি না করা, কলেজ বাসে যাতায়াতের সময় ইভটিজিংসহ কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা কলেজ প্রশাসন।

নির্দেশনায় শৃঙ্খলাবিরোধী কোনো কাজ করলে কলেজ কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

সোমবার ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এ. টি. এম. মইনুল হোসেনের সই করা সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জানানো যাচ্ছে যে, তাদের ক্লাস শুরুর আগে, ক্লাস চলাকালীন এবং ছুটির পরে সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ সংলগ্ন এলাকা, নিউ মার্কেট এবং নীলক্ষেত এলাকায় কলেজ ড্রেস পরিহিত অবস্থায় অযথা ঘোরাঘুরি বা আড্ডা দেয়া সম্পূর্নভাবে নিষিদ্ধ করা হলো।

তাছাড়া কলেজ বাসে যাতায়াতের সময় ইভটিজিংসহ যে কোনো বিশৃঙ্খলা করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কোনো শিক্ষার্থী নিয়মবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কলেজ কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কঠোর ব্যবস্থা নিলে তার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনভাবেই দায়ী থাকবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নিউমার্কেট সংঘর্ষ: ঢাকা অচলের পাঁয়তারা জেনেছে ডিবি
নাহিদ হত্যা: ঢাকা কলেজের ৫ ছাত্র রিমান্ডে  
নাহিদ হত্যা: ঢাকা কলেজের ৫ ছাত্রের রিমান্ড চায় পুলিশ
নাহিদ হত্যায় ঢাকা কলেজের ৫ ছাত্র গ্রেপ্তার
নিউ মার্কেটে মোরসালিন হত্যা ক্লুলেস: ডিবি

মন্তব্য

শিক্ষা
Degrees reveal first year results

ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ

ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ
রেজিস্ট্রেশন ও কলেজওয়ারী ফলাফল www.nu.ac.bd/results ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। এ ফলাফল সম্পর্কে কোনো পরীক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কারও আপত্তি/অভিযোগ থাকলে ফলাফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে লিখিতভাবে জানাতে হবে। এরপর আর কোনো আপত্তি/ অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হবে না। 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

পরীক্ষায় এক লাখ ৭১ হাজার ১৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৬০৭ জন। গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯ শতাংশ।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আতাউর রহমান এ তথ্য জানান।

রেজিস্ট্রেশন ও কলেজওয়ারী ফলাফল www.nu.ac.bd/results ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। এ ফলাফল সম্পর্কে কোনো পরীক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কারও আপত্তি/অভিযোগ থাকলে ফলাফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে লিখিতভাবে জানাতে হবে। এরপর আর কোনো আপত্তি/ অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হবে না।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষা শুরু হয় গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর আর শেষ হয় চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে করোনা মহামারির কারণে কয়েক দফায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় গত ২১ জানুয়ারি। এ দফায় শিক্ষাঙ্গনে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকে এক মাস।

২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে।

গত ২ মার্চ শুরু হয় প্রাথমিকে সশরীরে ক্লাস। টানা দুই বছর বন্ধের পর গত ১৫ মার্চ প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয়।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রথম দফায় প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনের দুয়ার।

আরও পড়ুন:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ভর্তি আবেদন শুরু ২২ মে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ
‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট শূন্যে নামিয়ে আনা হবে’
ডিগ্রি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মাস্টার্স প্রথম পর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ

মন্তব্য

শিক্ষা
The budget of government universities is increasing by Tk 937 crore

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বাড়ছে ৯৩৮ কোটি টাকা

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বাড়ছে ৯৩৮ কোটি টাকা ইউজিসি ভবন। ছবি: সংগৃহীত
দেশের ৫১টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসি আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য ১০ হাজার ৫১৫ কোটি ৭১ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে। বাজেটে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১০ হাজার ৪৪৪ কোটি ৪ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ৭১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ বাড়ছে ৯৩৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৯ হাজার ৫৭৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা। আর আগামী অর্থবছরে অনুমোদন দেয়া হয়েছে ১০ হাজার ৪৪৪ কোটি ৪ লাখ টাকা।

সোমবার ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগমের সভাপতিত্বে পূর্ণ কমিশন সভায় এ বাজেট অনুমোদিত হয়। সভার কার্যপত্র তুলে ধরেন ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান।

সভায় ২০২১-২০২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরের মূল বাজেটের বিস্তারিত দিক তুলে ধরেন ইউজিসি অর্থ ও হিসাব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের।

জানা গেছে, দেশের ৫১টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসি আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য ১০ হাজার ৫১৫ কোটি ৭১ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে। বাজেটে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১০ হাজার ৪৪৪ কোটি ৪ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ৭১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল বাজেটে ৬ হাজার ২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার রাজস্ব বাজেট ও ৪০টি প্রকল্পের অনুকূলে ৪ হাজার ৪২০ কোটি ৪৪ লাখ টাকার উন্নয়ন বাজেট রয়েছে।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৯ হাজার ৫৭৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা। সে হিসাবে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে বরাদ্দ বেড়েছে ৯৩৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

২০২২-২৩ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব বাজেট পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৮৬৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা এবং সবচেয়ে কম বাজেট পেয়েছে খুলনার শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

উচ্চ শিক্ষায় ইউজিসি ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার জন্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে মূল বাজেটে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ৩২ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে মূল বাজেটে গবেষণা খাতে ১১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, আগামী অর্থবছরে ইউজিসির জন্য বাজেটে বরাদ্দকৃত ৭১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার জন্য ২০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ ধরা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ২ কোটি টাকা বেশি।

গবেষণা খাতে বেশি বরাদ্দের বিষয়ে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘ইউজিসির মূল লক্ষ্য দেশে গুণগত উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত ও গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। দেশের উন্নয়নে গুণগত গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম বাড়ানোর জন্য ইউজিসি গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে জোর দিচ্ছে এবং এ খাতে বরাদ্দ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য প্রথমবারের মতো ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে জনগণের কষ্টার্জিত প্রতিটি অর্থ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সর্বোত্তম ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমা, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এডুকেশনের ডিন অধ্যাপক সুফিয়া বেগম এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান পূর্ণ কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া সভায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (আর্থ সামাজিক অবকাঠোমো) এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের মনোনীত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মেধাস্বত্ব সুরক্ষার উদ্যোগ ইউজিসির
উচ্চশিক্ষার সব সেবা ডিজিটালাইজ করবে ইউজিসি
বৈষম্যমূলক বিষয় পাঠ্যপুস্তকে না রাখার আহ্বান
ইউজিসি সচিব হলেন ফেরদৌস জামান
বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থীকে স্মার্টফোন দিতে চায় ইউজিসি

মন্তব্য

শিক্ষা
Tapan Kumar is the new chairman of Dhaka Board

ঢাকা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান তপন কুমার

ঢাকা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান তপন কুমার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার। ছবি: সংগৃহীত
তপন কুমার সরকার বলেন, ‘আমার ওপর যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তা পালনে সচেষ্ট থাকব। এ ছাড়া বর্তমান সরকার নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা যথাযথ বাস্তবায়নে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সোমবার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

তপন কুমার সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার ওপর যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তা পালনে সচেষ্ট থাকব। এ ছাড়া বর্তমান সরকার নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা যথাযথ বাস্তবায়নে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হওয়ার পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছাড়েন অধ্যাপক নেহাল আহমেদ। তিনি নতুন পদে নিয়োগ পান চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি। এরপর প্রায় তিন মাস ধরে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব তপন কুমার সরকার নিজের দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বোর্ডপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিয়োগের শর্তে বলা হয়েছে, নিজ বেতনক্রম অনুযায়ী তিনি বেতন-ভাতা পাবেন। পদসংশ্লিষ্ট ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন তিনি। শিক্ষা বোর্ড বিনা ভাড়ায় বাসস্থানের ব্যবস্থা করলে তিনি কোনো বাড়ি ভাড়া নিতে পারবেন না। সরকারি বাসায় বাস করলে বাড়ি ভাড়ার যাবতীয় সরকারি পাওনা নিজ দায়িত্বে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতে দিতে হবে।

অপরদিকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মুস্তফা কামরুল আখতার। তিনি চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় নবম শ্রেণির ভর্তি-রেজিস্ট্রেশন স্থগিত
এসএসসির সনদ বিতরণ শুরু ২০ জুন
ঢাকা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান নেহাল আহমেদ

মন্তব্য

শিক্ষা
Madrasa students have increased in Corona

করোনায় বেড়েছে মাদ্রাসাশিক্ষার্থী

করোনায় বেড়েছে মাদ্রাসাশিক্ষার্থী করোনার মধ্যে গত এক বছরে আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৮১৩ জন। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা এবং অনেক অভিভাবকের আর্থিক অনটনের কারণে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বাড়ছে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।

করোনাকালে দুই দফায় দুই বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ সময় দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীসংখ্যা কমেছে, অপরদিকে মাদ্রাসায় বেড়েছে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা।

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ২০২১ সালের খসড়া প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়, যা আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি মাসে প্রকাশের কথা রয়েছে।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় গত ২১ জানুয়ারি। সে দফায় শিক্ষাঙ্গনে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকে এক মাস। ২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে।

গত ২ মার্চ শুরু হয় প্রাথমিকে সশরীরে ক্লাস। টানা দুই বছর বন্ধের পর গত ১৫ মার্চ প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয়।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রথম দফায় প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনের দুয়ার।

ব্যানবেইস থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের খসড়া জরিপ অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মাদ্রাসার সংখ্যা ৯ হাজার ২৯১টি। এতে শিক্ষার্থী রয়েছে ২৬ লাখ ৫৭ হাজার ২৫২ জন, যা ২০২০ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী ছিল ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ৪৩৯ জন। সেই হিসাবে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৮১৩ জন। এ পরিসংখ্যান শুধু আলিয়া মাদ্রাসার জন্য প্রযোজ্য। কারণ ব্যানবেইসের কাছে কওমি মাদ্রাসার কোনো তথ্য নেই।

খসড়া প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালের প্রতিবেদনে মাদ্রাসার সংখ্যা কমার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে মাদ্রাসার সংখ্যা ৯ হাজার ২৯১টি, যা ২০২০ সালে ছিল ৯ হাজার ৩০৫টি। সেই হিসাবে মাদ্রাসা কমেছে ১৪টি।

প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে এখন মোট শিক্ষার্থী ১ কোটি ১ লাখ ৯০ হাজার ২২ জন, যা ২০২০ সালে ছিল ১ কোটি ২ লাখ ৫২ হাজারের বেশি।

জানতে চাইলে ব্যানবেইসের প্রধান পরিসংখ্যানবিদ মো. আলমগীর বলেন, ‘তথ্যগুলো এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি চলতি মাসেই ২০২১ সালের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। তখন বিষয়টির বিস্তারিত বলা যাবে।’

মাদ্রাসার শিক্ষার্থী বাড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের খসড়া প্রতিবেদনে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বাড়ার তথ্য পেয়েছি। যার বিস্তারিত মূল প্রতিবেদনে থাকবে।’

কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর তথ্য জানতে চাইলে মো. আলমগীর বলেন, ‘আমরা এবার আমাদের ডাটাবেজে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কওমি মাদ্রাসাগুলোর অসহযোগিতার জন্য তা সম্ভব হয়নি।’

শিক্ষাবিদরা যা বলছেন

করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা এবং অনেক অভিভাবকের আর্থিক অনটনের কারণে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বাড়ছে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো প্রতিবেদনটি না দেখে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তবে মোটাদাগে বলা যায়, করোনার কারণে অনেক পরিবারে আর্থিক দুরবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এটাও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বাড়ার অন্যতম কারণ। এছাড়া সামাজিক নানা প্রেক্ষাপট তো রয়েছেই।’

একই ধরনের মন্তব্য করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার। তিনি বলেন, ‘মূলত দুটি কারণে অভিভাবক তার সন্তানকে মাদ্রাসায় পড়াতে আগ্রহী হয়। একটি ধর্মীয় চিন্তা, অন্যটি আর্থিক অসংগতি। করোনার ফলে অনেক অভিভাবকের আর্থিক টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। এটাও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বাড়ার অন্যতম কারণ।’

আরও পড়ুন:
আলিমের ফলে বৃত্তি পাবেন ৭৫০ শিক্ষার্থী
মাদ্রাসার বারান্দায় যুবকের মরদেহ
টাকা নিয়ে দিলেন না চাকরি, স্বজনদের নিয়োগের চেষ্টা
কুড়িগ্রামে ২ মাদ্রাসাছাত্রের খোঁজ নেই ৩ দিন

মন্তব্য

শিক্ষা
BSPUA workshops to prepare students in competitive workplaces

শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করতে বিএসপিইউএর কর্মশালা

শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করতে বিএসপিইউএর কর্মশালা কর্মশালায় বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭০ শিক্ষার্থী অংশ নেন। ছবি: নিউজবাংলা
সভায় বক্তারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সুষম সমন্বয়, মেধার সঠিক মূল্যায়ন, কল্যাণমূলক গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক কর্মদক্ষতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। আলোচনা সভার পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে নিজেকে কীভাবে তৈরি করা হবে এর ওপর একটি কর্মশালা হয়। এতে বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

বাংলাদেশ সোসাইটি ফর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাকাডেমিকস (বিএসপিইউএ) ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের কর্মশালার আয়োজন করেছে।

বিএসপিইউএ দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের সংগঠন।

শনিবার রাজধানীর হোটেল ট্রপিক্যাল ডেইসিতে আলোচনা সভা ও কর্মশালা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্ঞানমনস্ক শিক্ষার পরিবেশের বিকল্প নেই।

সভায় বক্তারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সুষম সমন্বয়, মেধার সঠিক মূল্যায়ন, কল্যাণমূলক গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক কর্মদক্ষতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।

আলোচনা সভার পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে নিজেকে কীভাবে তৈরি করা হবে এর ওপর একটি কর্মশালা হয়। এতে বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য এবং বিএসপিইউএর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য ড. এইচ এম জহিরুল হক, স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের উপাচার্য ড. আনোয়ারুল কবির, উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য ড. ইয়াসমিন আরা লেখা এবং আইসিডিডিআরবি মানবসম্পদ প্রধান মোশাররফ হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসনের অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী।

আরও পড়ুন:
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর, সংসদে সমালোচনা
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে করের প্রস্তাবে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ
‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কি অপরাধ’
বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর কর প্রত্যাহার দাবি
‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর আরোপ আইন পরিপন্থি’

মন্তব্য

উপরে