× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

শিক্ষা
The committee is investigating whether the students of Dhaka College were involved in the clash
hear-news
player
print-icon

সংঘর্ষে ঢাকা কলেজের ছাত্র জড়িত কি না তদন্তে কমিটি

সংঘর্ষে-ঢাকা-কলেজের-ছাত্র-জড়িত-কি-না-তদন্তে-কমিটি মঙ্গলবার নিউ মার্কেট এলাকায় সংঘর্ষে জড়ায় শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
ঢাকা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ টি এম মইনুল হোসেন বলেন, ‘নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িতরা বাস্তবিকই আমাদের শিক্ষার্থী কি না বা বর্তমান শিক্ষার্থী কি না কমিটি তা খতিয়ে দেখবে। কারণ আমরা মনে করছি সংঘর্ষে শিক্ষার্থীর বাইরে অন্যরা থাকতে পারে। এ বিষয়ে আমরা সন্দিহান।’

নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সঙ্গে দুদিন ধরে চলা হামলা-সংঘর্ষে ঢাকা কলেজের কোনো ছাত্র জড়িত রয়েছে কি না তা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা কলেজের গণিত বিভাগের অধ্যাপক অখিল চন্দ্র বিশ্বাসকে প্রধান করে সোমবার তিন সদস্যের এই কমিটি করা হয়। কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ঢাকা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ টি এম মইনুল হোসেন মঙ্গলবার রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা জড়িত নয় বলে মনে করেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, বিষয়টি তা নয়। ওই হামলা-সংঘর্ষে আমাদের ছাত্রদের ভূমিকার বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে বলেছি কমিটিকে।

‘সংঘর্ষে জড়িতরা বাস্তবিকই আমাদের শিক্ষার্থী কি না বা বর্তমান শিক্ষার্থী কি না কমিটি এগুলো খতিয়ে দেখবে। কারণ আমরা মনে করছি সংঘর্ষে শিক্ষার্থীর বাইরে অন্যরা থাকতে পারে। এ বিষয়ে আমরা সন্দিহান।’

আরও পড়ুন:
‘ধান নিয়ে’ তর্ক গড়াল সংঘর্ষে, নিহত ১
দায়হীন মৃত্যু আর কত?
নিউ মার্কেটে সংঘর্ষে আসামি বিএনপি নেতা-কর্মীরা আত্মগোপনে
ছাত্রলীগ কর্মী ইমনের বাবা জামায়াত সমর্থক, ভাই বিএনপির নেতা
‘সংঘর্ষের ভয়ে’ ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগে কমিটি নেই?

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Mask fraud Former Delta administrator jailed

মাস্ক কেনায় জালিয়াতি: ডেল্টার সাবেক প্রশাসক কারাগারে

মাস্ক কেনায় জালিয়াতি: ডেল্টার সাবেক প্রশাসক কারাগারে
ডেলটা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির নিউ পারচেজ অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড গেমেন্ট-এর বিধি অনুযায়ী ৮ লাখ টাকার ওপরে কোনো কিছু কিনতে হলে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। জাতীয় পত্রিকায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করতে হয়। কিন্তু সাবেক প্রশাসক সুলতান-উল-আবেদীন মোল্লা এর কোনোটিই না করে নিকটাত্মীয়কে কাজটা পাইয়ে দেন। এতে কোম্পানির পলিসিহোল্ডার ও শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতি হলেও তারা নিজেরা লাভবান হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে মাস্ক কেনা সংক্রান্ত জালিয়াতির মামলায় প্রশাসক সুলতান-উল-আবেদীন মোল্লাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

সোমবার আসামির করা জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক।

মামলার অন্য আসামি ডেলটা লাইফের ডিএমডি ও সিওও মনজুরে মাওলা, ইভিপি কামরুল হক, ইভিপি এম হাফিজুর রহমান খানের বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। সমন জারি হলেও তারা আদালতে হাজির হননি।

মাস্ক কেনায় দুর্নীতি অভিযোগ এনে মহানগর মুখ্য হাকিমের আদালতে ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক এবং অডিট কমিটির সদস্য জেয়াদ রহমান মামলাটি করেন। শুনানি শেষে আদালত তা তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে পাঠায়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী রমজান আলী সরদার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ডিএমডি ও সিওও মনজুরে মাওলা, ইভিপি কামারুল হকের অনুমোদনে ২ লাখ ১৫ হাজার পিস মাস্ক ১ কোটি ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় কেনার অনুমোদন দেয়া হয়। প্রতিটির মূল্য ধরা হয় ৫০ টাকা। যা ওই সময়ের বাজারমূল্য অপেক্ষা অনেক বেশি।

ফেসবুকভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লাজিম মিডিয়াকে কার্যাদেশ দিয়ে ৫০ লাখ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করা হয়। ক্রয় আদেশের ২ লাখ ১৫ হাজার পিস মাস্কের মধ্যে বিভিন্ন জোনাল অফিসে ১৯ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়। বাকি ১ লাখ ৯৬ হাজার মাস্কের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

ডেলটা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির নিউ পারচেজ অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড গেমেন্ট-এর বিধি অনুযায়ী ৮ লাখ টাকার ওপরে কোনো কিছু কিনতে হলে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। জাতীয় পত্রিকায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করতে হয়।

কিন্তু সাবেক প্রশাসক সুলতান-উল-আবেদীন মোল্লা এর কোনোটিই না করে নিকটাত্মীয়কে কাজটা পাইয়ে দেন। এতে কোম্পানির পলিসিহোল্ডার ও শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতি হলেও তারা নিজেরা লাভবান হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

পিবিআইয়ের তদন্তেও ঘটনার সত্যতা উঠে আসে। আদালত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে।

আরও পড়ুন:
ডেল্টা লাইফে জটিলতা: বিপুল আইনি খরচ
স্থগিত থাকছে ডেল্টা লাইফে প্রশাসক নিয়োগ অবৈধ ঘোষণার রায়
ডেল্টা লাইফের মুখ্য নির্বাহী আনোয়ারুল হক
৫ হাজার গ্রাহকের অর্থ ফেরত দিচ্ছেন ইলন মাস্ক
ঘন ঘন সন্তান নেয়ার পরামর্শ ইলন মাস্কের

মন্তব্য

শিক্ষা
Various crimes using illegal walkie talkies

অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহার করে নানা অপরাধ

অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহার করে নানা অপরাধ অবৈধভাবে ওয়াকিটকি সেট বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া দুইজন। ছবি: নিউজবাংলা
ওয়াকিটকি সেট অবৈধভাবে বিক্রি চক্রের হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। জব্দ করা হয়েছে ১৬৮টি ওয়াকিটকি সেট, ৩৫টি ব্যাটারি, ৩২টি চার্জার, ৬৩টি এন্টেনা, ৬টি মাউথ স্পিকার ও ছয়টি ব্যাক ক্লিপ।

দেশের সাধারণ মানুষ ওয়াকিটকি বহনকারী ব্যক্তিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবেই বিবেচনা করে থাকে। আর এই জন-মানসিকতাকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে অপরাধীরা। তারা ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অপরাধ করে বেড়াচ্ছে।

দেশে একটি চক্র অবৈধভাবে ওয়াকিটকি সেট মজুত ও বিক্রি করে আসছে। তাদের ক্রেতা মূলত অপরাধ জগতের সদস্যরা। অবৈধ কারবারিরা এভাবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। আবার এসব ওয়াকিটকি ব্যবহার করে একের পর এক অপরাধ সংঘটনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

অবশেষে ওয়াকিটকি সেট অবৈধভাবে বিক্রি চক্রের হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রোববার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন- অলেফিল ট্রেড কর্পোরেশনের মালিক ও চক্রের হোতা আব্দুল্লাহ আল সাব্বির এবং তার সহযোগী আল-মামুন। এ সময় ১৬৮টি ওয়াকিটকি সেট, ওয়াকিটকি সেটের ৩৫টি ব্যাটারি, ৩২টি চার্জার, ৬৩টি এন্টেনা, ৬টি মাউথ স্পিকার ও ছয়টি ব্যাক ক্লিপ জব্দ করা হয়।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, র‌্যাব-৩ ও বিটিআরসির যৌথ অভিযানে অবৈধ ওয়াকিটকি সেট বিক্রি চক্রের হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি চক্র অধিক মুনাফার আশায় দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে অপরাধীদের কাছে কালো রঙের ওয়াকিটকি সেট বিক্রি করে আসছে। অথচ বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কালো রঙের ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

গ্রেপ্তার দুজন অলেফিল ট্রেড কর্পোরেশন নামক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অবৈধভাবে বেতার যন্ত্র ওয়াকিটকি সেট মজুত করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে আসছিল। তারা উদ্ধারকৃত ওয়াকিটকি সেটগুলোর ব্যবহার সংক্রান্ত লাইসেন্স ও কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এসব ওয়াকিটকি সেটের ফ্রিকোয়েন্সি ২৪৫-২৪৬ মেগাহার্টজ। এসব ওয়াকিটকি ব্যবহার করে রিপিটার ছাড়া আধ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত যোগাযোগ করা সম্ভব।

এছাড়াও বহুতল ভবনের মধ্যে উপরতলা থেকে নিচতলায় যোগাযোগ করা সম্ভব। এসব ওয়াকিটকির মূল্য পাঁচ হাজার থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত।

র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক বলেন, ‘আসামি আল সাব্বির ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি পাঁচ বছর ধরে অবৈধভাবে ওয়াকিটকি সামগ্রী মজুত রেখে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন। গ্রেপ্তার অপরজন আল মামুন দুই বছর ধরে সাব্বিরের সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। এ পর্যন্ত তারা দুই হাজার ওয়াকিটকি সেট বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে অবৈধভাবে বিক্রি করেছেন।

দেশের নিরাপত্তা হুমকির উল্লেখ করে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ বলেন, ‘সাধারণ মানুষ ওয়াকিটকি বহনকারী কাউকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবেই গণ্য করে। এটাকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে অপরাধীরা ভুয়া ডিবি, র‌্যাব, ডিজিএফআই ও এনএসআই সদস্য এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছে।

‘এতে করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। অন্যদিকে প্রকৃত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করতে গেলে জনসাধারণ তাদেরকে ভুয়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ভেবে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও ওয়াকিটকির মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করে অপরাধ সংগঠন করলে পরবর্তীতে অপরাধী শনাক্তকরণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হবে, যা সার্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

আরও পড়ুন:
ধর্ষণ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
‘মাদকসেবীকে’ পুলিশে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান
ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে গ্রেপ্তার ভারতীয় অধ্যাপক
নি‌য়োগ পরীক্ষা: প্রক্সি দেয়ার আ‌গেই গ্রেপ্তার ৩
বাড়ির আঙিনায় গাঁজা চাষ, নারীসহ গ্রেপ্তার ২

মন্তব্য

শিক্ষা
The life of three fathers for killing the harasser

উত্ত্যক্তকারীকে হত্যা করায় তিন বাবার যাবজ্জীবন

উত্ত্যক্তকারীকে হত্যা করায় তিন বাবার যাবজ্জীবন
২০২০ সালের জানুয়ারিতে মেয়েদের উত্ত্যক্তকারী যুবককে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিন বাবা।

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে এক যুবককে হত্যার দায়ে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আরেক ধারায় তাদের ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক বেগম সালমা খাতুন সোমবার দুপুরে এই রায় দেন।

তাতে বলা হয়, দণ্ড পাওয়া তিন আসামির মেয়েকে ওই যুবক উত্ত্যক্ত করতেন। এ কারণে তিন বাবা পরিকল্পিতভাবে মেয়েদের উত্ত্যক্তকারীকে হত্যার পর মরদেহ গুম করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী ওয়াজ করনী লকেট এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন এনায়েতপুর থানার খুকনী কান্দিপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিম খলিফা, আব্দুর রহমান ও খুশি আলম ওরফে সাইফুল ইসলাম। দুই আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও পলাতক রয়েছেন আব্দুর রহমান।

নিহত যুবকের নাম ইয়াকুব মোল্লা। তার বাড়ি এনায়েতপুরের রুপনাই গাছপাড়া গ্রামে।

তিনি খুকনী কান্দিপাড়া গ্রামের তিন তরুণীকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন। এতে ক্ষিপ্ত ছিলেন ওই তিন মেয়ের বাবা আব্দুর রহিম, আব্দুর রহমান ও সাইফুল ইসলাম। তারা পরিকল্পনা করে ২০২০ সালের ৫ থেকে ৭ জানুয়ারির মধ্যে কোনো এক দিন ইয়াকুবকে বাইরে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। মরদেহ গুম করার জন্য এনায়েতপুর থানার খুকনী ইসলামপুরের একটি সরিষা ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রাখেন।

এ ঘটনায় ইয়াকুবের বাবা ইয়াসিন মোল্লা অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করে মামলা করেন। তদন্তের এক পর্যায়ে গ্রেপ্তার হন আব্দুর রহমান। তার স্বীকারোক্তিতে গ্রেপ্তার হন সাইফুল ইসলাম। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক আব্দুর রহমান।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলা প্রতিহত রাশিয়ার
হত্যা মামলায় ৪ জ‌নের যাবজ্জীবন
যুবককে পিটিয়ে হত্যায় স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন
শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে ফুপুর যাবজ্জীবন

মন্তব্য

শিক্ষা
Tipu Preeti murder case report 5 July

টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ৫ জুলাই

টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ৫ জুলাই টিপু ও প্রীতি হত্যার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ। ফাইল ছবি
গত ২৪ মার্চ রাত পৌনে ১০টার দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনির কাঁচা বাজারসংলগ্ন রেস্টুরেন্ট থেকে বাসায় ফেরার পথে শাহজাহানপুর আমতলা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু। এ সময় তার মাইক্রোবাসের পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতিও গুলিতে নিহত হন।

রাজধানীর শাহজাহানপুরে গুলিতে নিহত আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার তারিখ পিছিয়ে ৫ জুলাই ঠিক করেছে আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম তরিকুল ইসলাম প্রতিবেদন জমা দেয়ার নতুন তারিখ ঠিক করেন।

সোমবার মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ঠিক ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা ডিবি পুলিশ প্রতিবেদন দিতে পারেনি।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান এ তথ্য জানান।

গত ২৪ মার্চ রাত পৌনে ১০টার দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনির কাঁচা বাজারসংলগ্ন রেস্টুরেন্ট থেকে বাসায় ফেরার পথে শাহজাহানপুর আমতলা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু। এ সময় তার মাইক্রোবাসের পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতিও গুলিতে নিহত হন। আহত হন টিপুর গাড়িচালক মুন্না।

এ ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম ডলি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলার পর ২৬ মার্চ রাতে বগুড়া থেকে শুটার মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

এরপর আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তারা হলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, আবু সালেহ শিকদার ওরফে শুটার সালেহ, নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছির, মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্লা পলাশ ও আরফান উল্লাহ দামাল।

আরও পড়ুন:
টিপু হত্যার ‘মাস্টারমাইন্ড’সহ গ্রেপ্তার চার
টিপু হত্যা মামলা: গ্রেপ্তার দামাল এক দিনের রিমান্ডে
টিপু হত্যা: অস্ত্রসহ একজন আটক
গুলিতে প্রাণ হারানো প্রীতির বাসায় আ.লীগ নেতারা
ফোনকলে চিহ্নিত ‘শ্যুটার’ আকাশ, রুদ্ধশ্বাস গ্রেপ্তার অভিযান

মন্তব্য

শিক্ষা
The hearing of the emperors bail will be canceled in the full bench on May 30

বাতিলই থাকছে সম্রাটের জামিন, ৩০ মে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি

বাতিলই থাকছে সম্রাটের জামিন, ৩০ মে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সম্রাটকে ঢাকার বিশেষ আদালত জামিন দেয়ার পর তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এক ব্যক্তি। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত না করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। আগামী ৩০ মে আপিল বিভাগে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন বাতিল করে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। পরে শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে চেম্বার আদালত।

সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত না করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। আগামী ৩০ মে আপিল বিভাগে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

জামিন বাতিল সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন সম্রাট।

চেম্বার আদালতে সম্রাটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

১৮ মে হাইকোর্ট সম্রাটের জামিন বাতিল করে সাত দিনের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয় বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ। পরে আদেশটি স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন সম্রাট।

গত ১১ মে সম্রাটকে জামিন দেয় ঢাকার বিশেষ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান।

সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, অর্থপাচারসহ নানা অভিযোগে মামলা হয়। মামলা করে দুদকও। সব মামলাতেই তিনি জামিনে ছিলেন।

দুদকের মামলা থেকে জানা গেছে, ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম মামলা করেন।

২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর মামলাটি তদন্ত করে সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন দুদকের ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
সম্রাট জামিনে মুক্ত, থাকছেন হাসপাতালেই
সব মামলাতেই এখন জামিনে সম্রাট
সম্রাটের জামিন আবেদন খারিজ
অর্থ পাচার: সম্রাটের জামিন শুনানি হলো, আদেশ পরে
দুই মামলায় সম্রাটের জামিন

মন্তব্য

শিক্ষা
3 people sentenced to death in murder case

হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল আরও জানান, ২০০৯ সালের ২০ আগস্ট রাতে হুমায়ুন কবির গড়পিংলাই গ্রাম থেকে ব্যক্তিগত কাজে জয়নগর বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। পথমধ্যে এমআইবি নামের ইটভাটার সামনে আসামিরা তার গতিরোধ করেন। পরে ভাটার ভেতর নিয়ে তাকে হত্যা করে মরদেহ ইটের স্তুপের নিচে ফেলে রাখে।

মুদি দোকানি হুমায়ুন কবির হত্যা মামলায় ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দিনাজপুরের একটি বিচারিক আদালত।

দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ এর বিচারক মেহেদী হাসান মন্ডল সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এই রায় দেন।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল।

তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ড পাওয়ারা হলেন শরিফুল ইসলাম, আতর আলী ও রেজাউল করিম। যাবজ্জীবন সাজা পেয়েছেন গোলাম রব্বানী, একরামুল হক, সাঈদ আলী ও জাহাঙ্গীর আলম।

যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া আসামিদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ১ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মামলার অন্য একটি ধারায় সাজা পাওয়া ৭ জনকেই ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল আরও জানান, ২০০৯ সালের ২০ আগস্ট রাতে হুমায়ুন কবির গড়পিংলাই গ্রাম থেকে ব্যক্তিগত কাজে জয়নগর বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। পথমধ্যে এমআইবি নামের ইটভাটার সামনে আসামিরা তার গতিরোধ করেন। পরে ভাটার ভেতর নিয়ে তাকে হত্যা করে মরদেহ ইটের স্তুপের নিচে ফেলে রাখে।

পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এর একদিন পর নিহতের বড় ভাই তৌহিউল ইসলাম বাদী হয়ে ৫ জনের নামে একটি মামলা করেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলায় মোট ১৬ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
জুয়ার টাকা দিতে না পেরে ‘আত্মহত্যা’
বড় ভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
রৌমারীতে মা-শিশুকে গলা কেটে হত্যা
মিয়াজি হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
বাঁশ কাটা নিয়ে দ্বন্দ্বে ফের রক্তাক্ত ঝাউদিয়া

মন্তব্য

শিক্ষা
Four members of the North South Board of Trustees are in jail

নর্থ-সাউথের ট্রাস্টি বোর্ডের ৪ সদস্য কারাগারে

নর্থ-সাউথের ট্রাস্টি বোর্ডের ৪ সদস্য কারাগারে আদালত প্রাঙ্গণে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টিরা। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশ নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চার সদস্যকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ) ট্রাস্টি বোর্ডের চার সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশ সোমবার বিকেলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে চার জনকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদেরও অনুমতি দিয়েছেন বিচারক।

চার অভিযুক্ত হলেন- এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান এবং মোহাম্মদ শাজাহান।

দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে এ আদালতে তাদের হাজির করা হয়। পৌনে ৪টায় তাদের এজলাসে তোলা হয়। শুনানি চলে পৌনে এক ঘণ্টা।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের পক্ষে কোনো জামিন আবেদন না করে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন নামঞ্জুরের পক্ষে বক্তব্য রাখেন।তারা কারাগারে চার জনের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা চান।

দুদকের পক্ষে মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘এই চার জন উচ্চ আদালতে গিয়েছিলেন আগাম জামিনের জন্য। কিন্তু সব দিক বিবেচনা করে উচ্চ আদালত তাদের সে আবেদন নামঞ্জুর করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা আত্নসাত করেছেন। নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থ তারা হাসিল করেছেন। মামলায় আসামির তালিকায় আরও দুইজনের নাম রয়েছে। তারা এখন পলাতক।’

আসামিপক্ষে বলা হয়, ‘শুধু অনুমানের ভিত্তিতে এ মামলা করা হয়েছে। অনুমানের ভিত্তিতে মানি লন্ডারিং মামলা হয় না। আর দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা হচ্ছে সরকারি কর্মচারী বিরুদ্ধে আত্মসাতের অভিযোগ। এখানে কোনো অভিযুক্তই সরকারি কর্মচারী নন। বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। আর তাছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। তারা বয়সে প্রবীণ ও বৃদ্ধ।’

এর আগে রোববার চার ট্রাস্টি আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তা নাকচ করে দেয়।

সেইসঙ্গে শাহবাগ থানাকে আসামিদের গ্রেপ্তার করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচারিক আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়।

গত ৫ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী ঢাকায় তার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।

মামলার বাকি আসামিরা হলেন- নর্থ সাউথের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন আজিম উদ্দিন আহমেদ এবং আশালয় হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপারসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিন মো. হিলালী।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ অনুযায়ী, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অর্থাৎ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলো বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড আর্টিকেলস (রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনস) অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় একটি দাতব্য, কল্যাণমুখী, অবাণিজ্যিক ও অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা সরকারের সুপারিশ বা অনুমোদনকে পাশ কাটিয়ে বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের কিছু সদস্যের অনুমোদন বা সম্মতির মাধ্যমে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডেভেলপমেন্টের নামে ৯ হাজার ৯৬.৮৮ ডেসিমেল জমির ক্রয়মূল্য বাবদ ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা অতিরিক্ত অর্থ অপরাধজনকভাবে প্রদান/গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে প্রথমে বিক্রেতার নামে টাকা প্রদান করেন আসামিরা।

পরে বিক্রেতার কাছ থেকে নিজেদের লোকজনের নামে নগদ চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আবার নিজেদের নামে এফডিআর করে রাখেন তারা। সে এফডিআরের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

আরও পড়ুন:
নর্থ-সাউথের চার ট্রাস্টিকে পুলিশে দিল হাইকোর্ট
নর্থ-সাউথের বিলাসবহুল ১০ গাড়ি বিক্রির নির্দেশ
নর্থ-সাউথে অনিয়ম: রেহেনা ও বেনজীরকে দুদকে তলব
‘দুর্নীতি-জঙ্গিবাদের কবল’ থেকে নর্থ সাউথকে রক্ষার দাবি

মন্তব্য

p
উপরে