× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

শিক্ষা
Publication of the results of the first year of graduation of the National University
hear-news
player

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ

জাতীয়-বিশ্ববিদ্যালয়ের-স্নাতক-প্রথম-বর্ষের-ফল-প্রকাশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফল প্রকাশের কথা জানানো হয়। প্রকাশিত ফল সন্ধ্যা ৭টা থেকে মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে জানা যাবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২০২০ সালের স্নাতক প্রথম বর্ষের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ফল প্রকাশ করা হয় বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রকাশিত ফল সন্ধ্যা ৭টা থেকে মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে জানা যাবে।

এ পরীক্ষায় ৩১টি বিষয়ে ৮৭৯টি কলেজের ৪ লাখ ৭৪ হাজার ২৪৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

ফল জানবেন যেভাবে

ফল জানতে যেকোনো মোবাইল অপশনে গিয়ে nuh1Registration No লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.ac.bd ও www.nubd.info থেকেও ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন:
‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট শূন্যে নামিয়ে আনা হবে’
ডিগ্রি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মাস্টার্স প্রথম পর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষার সংশোধিত সূচি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
8 percent pass in LLB final round

এলএলবি শেষ পর্বে ৮৬ শতাংশ পাস

এলএলবি শেষ পর্বে ৮৬ শতাংশ পাস জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এলএলবি শেষ পর্ব পরীক্ষা শুরু হয় গত বছরের ১৯ নভেম্বর। আর শেষ হয় চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৯ সালের এলএলবি শেষ পর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

পরীক্ষায় সারা দেশে ১০ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। গড় পাসের হার ৮৬ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আতাউর রহমান এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশিত ফলাফল সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে এক মাসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর এ-সম্পর্কিত কোনো আপত্তি/অভিযোগ গৃহীত হবে না।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এলএলবি শেষ পর্ব পরীক্ষা শুরু হয় গত বছরের ১৯ নভেম্বর। আর শেষ হয় চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় গত ২১ জানুয়ারি। এ দফায় শিক্ষাঙ্গনে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকে এক মাস।

২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে।

গত ২ মার্চ শুরু হয় প্রাথমিকে সশরীরে ক্লাস। টানা দুই বছর বন্ধের পর গত ১৫ মার্চ প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
দাম বাড়তি খেজুরে, অন্য ফলে উনিশ-বিশ
মেডিক্যালের প্রশ্নে সন্তোষ পরীক্ষার্থীদের
জেলায় হচ্ছে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষায় ফল প্রকাশ
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ শুরু

মন্তব্য

শিক্ষা
Application for admission in the first year of National University started on 22nd May

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন শুরু ২২ মে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন শুরু ২২ মে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। ফাইল: ছবি
ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী প্রার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১১ জুনের মধ্যে জমা দিতে হবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস ৩ জুলাই থেকে শুরু হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু হবে আগামী ২২ মে (বিকেল ৪টা থেকে)। যা চলবে আগামী ৯ জুন ( রাত ১১টা ৫৯ মিনিট) পর্যন্ত।

বুধবার রাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব (স্নাতক, সম্মান) অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিনের সই করা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী প্রার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১১ জুনের মধ্যে জমা দিতে হবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস ৩ জুলাই থেকে শুরু হবে।

আবেদনের যোগ্যতা

ক) বাংলাদেশে স্বীকৃত যেকোনো শিক্ষা বোর্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক শাখা থেকে ২০১৮/২০১৯ সালের এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ এবং ২০২০/২০২১ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

খ) বাংলাদেশে স্বীকৃত যেকোনো শিক্ষা বোর্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ২০১৮/২০১৯ সালের এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ এবং ২০২০/২০২১ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

গ) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে শুধুমাত্র এইচএসসি (ভোকেশনাল) এইচএসসি (বিজনেস্ ম্যানেজমেন্ট)/ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা অনুচ্ছেদ-১-এর খ নং শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে।

ঘ) আবেদনকারীদের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার পঠিত বিষয়গুলো থেকে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য বিষয় নির্ধারণ করা হবে এবং উক্ত পঠিত বিষয়ে (২০০ নম্বরের) ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৩.০ থাকতে হবে।

ঙ) ২০১৮/২০১৯ সালের ও-লেভেল পরীক্ষায় তিনটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত চারটি বিষয়ে উত্তীর্ণ এবং ২০২০/২০২১ সালের এ-লেভেল পরীক্ষায় একটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ অন্তত দুটি বিষয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এ ভর্তি কার্যক্রমে অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে। এসব শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষাবিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর সরাসরি/ই-মেইলে আবেদনপত্র প্রেরণ করবে। সাদা কাগজে লিখিত আবেদনপত্রে আবেদনকারীর নাম, পিতা-মাতার নাম, ভর্তিচ্ছু বিষয়, প্রতিষ্ঠানের নাম ও নিবন্ধিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। উল্লেখ্য যে ভর্তিচ্ছু বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অধিভুক্ত থাকতে হবে।

চ) বিদেশি সার্টিফিকেটধারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে স্বীকৃত যেকোনো শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক তাদের অর্জিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের নম্বরপত্রের সমতা নিরূপণ করা হলে তারাও এ ভর্তি কার্যক্রমে অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে। এসব শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিন, স্নাতকপূর্ব শিক্ষাবিষয়ক স্কুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর সরাসরি/ই-মেইলে আবেদনপত্র প্রেরণ করবে।

সাদা কাগজে লিখিত আবেদনপত্রে আবেদনকারীর নাম, পিতা-মাতার নাম, ভর্তিচ্ছু বিষয়, প্রতিষ্ঠানের নাম ও নিবন্ধিত ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। উল্লেখ্য যে ভর্তিচ্ছু বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অধিভুক্ত থাকতে হবে। এ ছাড়া আবেদনপত্রের সঙ্গে আবেদনকারীর সব পরীক্ষার ট্রান্সক্রিপ্ট, শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সমতা নিরুপণের কপি ও পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি সত্যায়িত ছবি সংযুক্ত করতে হবে।

ছ) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান)/স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল/স্নাতক (পাস) নিয়মিত/প্রাইভেট কোর্সে বর্তমানে অধ্যয়নরত কোনো শিক্ষার্থী ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে না। তবে এসব শিক্ষার্থী ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বাতিলপূর্বক ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে।

জ) একই শিক্ষাবর্ষে অথবা দুটি ভিন্ন শিক্ষাবর্ষে কোনো শিক্ষার্থী স্নাতক (সম্মান)/ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল/স্নাতক (পাস) নিয়মিত/প্রাইভেট কোর্সে ভর্তি হলে ভর্তি আবেদন বাতিল হবে।

এক নজরে ভর্তিতথ্য

# আবেদন ফরম পূরণ ও সংগ্রহ: ২২ মে থেকে ০৯ জুন।

# আবেদন ফি জমা: ২৩ মে থেকে ১১ জুন।

# অনলাইনে আবেদন ফরম নিশ্চয়ন: ২৩ মে থেকে ১২ জুন।

# আবেদন ফির জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ: এ জন্য কলেজকে Login-এর মাধ্যমে Application Payment Info (Honours) অপশনে ক্লিক করে Pay Slip ডাউনলোড করতে হবে। যা ১৩ জুন থেকে ২০ জুনের মধ্যে নিকটস্থ সোনালী ব্যাংক শাখায় নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে রসিদ সংগ্রহ করতে হবে।

গাজীপুর জেলার বোর্ডবাজারে ১৯৯২ সালের ২১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি-বেসরকারি কলেজ এখন ২ হাজার ২৭৪টি। এর মধ্যে ২৭৯টি সরকারি কলেজ আর বাকিগুলো বেসরকারি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৯ লাখ।

আরও পড়ুন:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ভর্তি আবেদন শুরু ২২ মে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ
‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট শূন্যে নামিয়ে আনা হবে’
ডিগ্রি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মাস্টার্স প্রথম পর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ

মন্তব্য

শিক্ষা
Learning by heart is not the goal of education Education Minister

মুখস্থ করে উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার লক্ষ্য নয়: শিক্ষামন্ত্রী

মুখস্থ করে উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার লক্ষ্য নয়: শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর হোটেল শেরাটনে মঙ্গলবার রাতে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এডুটিউব কুইজ কনটেস্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গ্রন্থগত বিদ্যা শিক্ষার্থীকে জ্ঞানপিপাসু, কৌতূহল উদ্দীপক ও জানতে আগ্রহী করে তোলে না; বরং এটি শিক্ষার্থীর মনন ও বোধে এক ধরনের দৈন্যের উদ্ভব ঘটায়, যা তাকে সামনে এগোবার পথ রুদ্ধ করে দেয়।’

শুধু বই মুখস্থ করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার লক্ষ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

রাজধানীর হোটেল শেরাটনে মঙ্গলবার রাতে এথিকস অ্যাডভান্স টেকনোলজি লিমিটেড (ইএটিএল) আয়োজিত মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এডুটিউব কুইজ কনটেস্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘গ্রন্থগত বিদ্যা শিক্ষার্থীকে জ্ঞানপিপাসু, কৌতূহল উদ্দীপক ও জানতে আগ্রহী করে তোলে না; বরং এটি শিক্ষার্থীর মনন ও বোধে এক ধরনের দৈন্যের উদ্ভব ঘটায়, যা তাকে সামনে এগোবার পথ রুদ্ধ করে দেয়।

‘এ জন্য শিক্ষার্থীর মনে অনুসন্ধিৎসা জাগ্রত করতে হবে, পাঠ্যপুস্তকের বাইরের জগতের সৌন্দর্যকে তার সামনে মেলে ধরতে হবে; শুনতে ও শোনাতে, জানতে ও জানাতে আগ্রহী করে তুলতে হবে…শিক্ষার্থীকে জ্ঞানার্জনে উৎসাহী করে তুলতে হবে, যা একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ সৃষ্টির দুয়ার খুলে দেবে।’

ইএটিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মারসি এম টেম্বন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

এডুটিউব কুইজ কনটেস্টে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা মোবাইল অথবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জিততে পারবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।

বিভিন্ন থানা, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা শেষ করে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের রাজধানীতে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।

প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশন চলবে ১০ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত। রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এই লিংকে

প্রতিযোগিতার প্রতিটি পর্যায়ে থাকবে পুরস্কার। চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী দল পাবে ৫ লাখ টাকার পুরস্কার। রানার আপ দল পাবে ৩ লাখ টাকার দ্বিতীয় পুরস্কার। সব মিলিয়ে রয়েছে ২৬ লাখ টাকার পুরস্কার।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থী ভর্তিতে অসুস্থ প্রতিযোগিতা নয়: শিক্ষামন্ত্রী
বিনা মূল্যে উচ্চশিক্ষার সংস্কৃতি থেকে সরে আসা দরকার: শিক্ষামন্ত্রী
দুই বছর বন্ধ ছিল, রোজায় ক্লাস খুবই দরকার: শিক্ষামন্ত্রী
গতানুগতিক অনার্স-মাস্টার্সের কারণে বেকার বাড়ছে: শিক্ষামন্ত্রী
দীপু মনির জবাবের ‘যোগ্য’ নয় বিএনপি

মন্তব্য

শিক্ষা
Recruitment of 45000 primary teachers by July State Minister

জুলাইয়ের মধ্যে প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রতিমন্ত্রী

জুলাইয়ের মধ্যে প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে শিক্ষক নিয়োগের বিকল্প নেই। সে কারণে সারা দেশে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তিন ধাপে নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২০ মে দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আশা করছি, জুলাইয়ের মধ্যে যোগ্য প্রার্থীরা শিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে পারবেন।’

চলতি বছরের জুলাই মাসের মধ্যে সারা দেশে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে শিক্ষক নিয়োগের বিকল্প নেই। সে কারণে সারা দেশে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তিন ধাপে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২০ মে দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আশা করছি জুলাইয়ের মধ্যে যোগ্য প্রার্থীরা শিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে পারবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার মান উন্নয়নে রাজধানীর সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন দৃষ্টিনন্দন করে তোলা হবে। এ জন্য একটি প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আলোকে মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন আধুনিকীকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। উত্তরা ও পূর্বাঞ্চলে আধুনিক মানের বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়া হবে।’

বিশেষ অতিথি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘শিক্ষার জন্য বিদ্যালয়ের ভবন গুরুত্বপূর্ণ হলেও তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার মান। সেটি নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার মান বাড়াতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।’

শিক্ষকদের পাঠদানে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুর আলম বলেন, ‘আমরা শিক্ষকদের মর্যাদার কথা চিন্তা করে নতুন নিয়োগ বিধিমালা তৈরি করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেটি কার্যকর করা হবে। এর মাধ্যমে একজন শিক্ষক পদোন্নতি পেয়ে তৃতীয় গ্রেট মর্যাদায় উন্নীত হতে পারবেন।’ নতুন করে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (শিক্ষা) আবু মো. শাহরিয়ার, মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ এ মাসেই
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ
৪৭১ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ

মন্তব্য

শিক্ষা
Application for JAB admission test starts on 18th May

জাবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৮ মে

জাবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৮ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
এবারের ভর্তি পরীক্ষা ১০ ইউনিটের পরিবর্তে আলাদা ৫টি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এই ৫ ইউনিটের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকটি অনুষদ ও ইনস্টিটিউট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) স্নাতক (২০২০-২১) প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১৮ মে, চলবে ১৬ জুন পর্যন্ত। তবে এবার বাড়ানো হয়েছে আবেদন ফি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মো. আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ৩১ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট।

এবারের ভর্তি পরীক্ষা ১০ ইউনিটের পরিবর্তে আলাদা ৫টি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এই ৫ ইউনিটের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকটি অনুষদ ও ইনস্টিটিউট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এবার ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজিকে গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের আওতায় ‘এ’ ইউনিট, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদ নিয়ে ‘বি’ ইউনিট, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, চারুকলা বিভাগ, বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটসহ কলা ও মানবিক অনুষদভুক্ত বিভাগগুলো নিয়ে ‘সি’ ইউনিট, জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগগুলো নিয়ে ‘ডি’ ইউনিট এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ও ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ে ‘ই’ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।

ভর্তির আবেদন করা যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে

বেড়েছে আবেদন ফি

এবার প্রথম বর্ষ (স্নাতক) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফি বিগত বছর থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ১০ ইউনিট থেকে কমিয়ে ৫ ইউনিট করায় ফি এবার বাড়ানো হয়েছে।

গত বছর ভর্তি পরীক্ষায় এ, বি, সি এবং ই ইউনিটের ভর্তি ফরমের মূল্য ছিল ৬০০ টাকা, যা এবার ৯০০ টাকা করা হয়েছে। তবে ডি ইউনিটে ৬০০ টাকা ধরা হয়েছে, যা গত বছরও একই ছিল।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ইউনিট কমিয়ে এনেছি, তাই ফরমের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এবার কলা অনুষদের তিনটি ইউনিটকে একসঙ্গে করা হয়েছে, যেখানে এই তিন ইউনিটে আগে খরচ হত ১ হাজার ৪০০ টাকা; ইউনিট একটি করাতে সেখানে খরচ হবে ৯০০ টাকা।’

ডি ইউনিট ছাড়া বাকি চারটি ইউনিটেই আগের তুলনায় টাকা কমানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
নীরবে বাসভবন ছাড়লেন বিদায়ী উপাচার্য ফারজানা ইসলাম
নতুন ভিসি পেল জাহাঙ্গীরনগর
বিজ্ঞানশিক্ষক হৃদয় মণ্ডলের মুক্তি চেয়ে জাবিতে মানববন্ধন
সেহরিতে জাবি হলে ‘পচা ভাত’
রমজানে জাবিতে ক্লাস-বাসের সূচিতে পরিবর্তন

মন্তব্য

শিক্ষা
Recruitment of 45000 teachers First stage examination begins

৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রথম ধাপের পরীক্ষা শুরু

৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: প্রথম ধাপের পরীক্ষা শুরু প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ফাইল ছবি
এ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন। সেই হিসাবে প্রতি পদের জন্য লড়ছেন ২৯ জন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

এ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন। সেই হিসাবে প্রতি পদের জন্য লড়ছেন ২৯ জন।

শুক্রবার বেলা ১১টায় প্রথম ধাপে ২২টি জেলার মধ্যে ১৪টির সব উপজেলা এবং ৮টি জেলার কয়েকটি উপজেলায় পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।

এর আগে বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানান, প্রথম ধাপে পরীক্ষা হবে ২২ জেলায়। এর মধ্যে ১৪ জেলার সব ও ৮ জেলার আংশিক পরীক্ষা হবে। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে ২০ মে। এ ধাপে ৩০ জেলার মধ্যে ৮ জেলার সব ও ২২ জেলার আংশিক পরীক্ষা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, তৃতীয় ও শেষ ধাপের পরীক্ষা হবে ৩ জুন। এ ধাপে পরীক্ষা হবে ৩১ জেলায়। এর মধ্যে ১৭ জেলার সব ও ১৪টিতে হবে আংশিক পরীক্ষা।

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। এতে অনুমোদিত শিক্ষকের পদ ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭০১টি। এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন।

‘তিন ধাপে মোট এক হাজার ৮১১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা পরিচালনার জন্যই ৩ ধাপে আয়োজন করা হয়েছে।’

যেসব জেলায় পরীক্ষা হচ্ছে

আজ চাঁপাইনবাগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাট জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা হচ্ছে।

আর সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া, বেলকুচি, চৌহালী, কামারখন্দ, কাজিপুর, যশোরের ঝিকরগাছা, কেশবপুর, মনিরামপুর, শার্শা, ময়মনসিংহের ভালুকা, ধোবাউড়া, ফুলবাড়ীয়া, গফরগাঁও, গৌরীপুর, হালুয়াঘাট, ঈশ্বরগঞ্জ, নেত্রকোণার আটপাড়া, বারহাট্টা, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, কেন্দুয়া, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম, বাজিতপুর, ভৈরব, হোসেনপুর, ইটনা, করিমগঞ্জ, কটিয়াদী, টাঙ্গাইলের সদর, ভুয়াপুর, দেলদুয়ার, ধনবাড়ী, ঘাটাইল, গোপালপুর, কুমিল্লার বরুড়া, ব্রাক্ষ্মণপাড়া, বুড়িচং, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, সদর, মেঘনা, দাউদকান্দি, নোয়াখালীর কবিরহাট, সদর, সেনবাগ, সোনাইমুড়ী, সুবর্ণচর উপজেলায় পরীক্ষা হচ্ছে।

গত ১০ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় এপ্রিলে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় আরও জানানো হয়, সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি।

ইতোমধ্যে অবসরজনিত কারণে আরও ১০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

এ সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয় আগের বিজ্ঞপ্তির শূন্য পদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্য পদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২০ সালের ১৯ অক্টোবর প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে সাড়ে ৩২ হাজার জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে প্রাক-প্রাথমিকে ২৫ হাজার ৬৩০টি এবং প্রাথমিকে ৬ হাজার ৯৪৭টি শূন্য পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সহকারী শিক্ষক পদে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর ১৩তম গ্রেডে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেয়া হবে। এই গ্রেড অনুযায়ী শিক্ষকদের বেতন হবে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

নিয়ম অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং করোনার কারণে সাধারণ ছুটি শুরুর তারিখ অর্থাৎ চলতি বছরের ২৫ মার্চ পর্যন্ত যাদের বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর, তারা আবেদন করতে পারবেন। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পরীক্ষা শুক্রবার
প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হতে পারে ৮ এপ্রিল
প্যানেলভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে অনশন
অ্যাডহক নিয়োগসহ স্বাধীনতা শিক্ষক সমিতির ৯ দাবি
শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ পেলেন আরও ১১৬ জন

মন্তব্য

শিক্ষা
45000 primary teacher recruitment test on Friday

প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পরীক্ষা শুক্রবার

প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পরীক্ষা শুক্রবার
শুক্রবার থেকে তিন ধাপে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা শুরু হবে। ফাইল ছবি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানান, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করতে যাচ্ছে সরকার। শুক্রবার থেকে তিন ধাপে শিক্ষকদের এই নিয়োগ পরীক্ষা হবে বলে জানান তিনি।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এবার দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করতে যাচ্ছে সরকার।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

শুক্রবার থেকে তিন ধাপে শিক্ষকদের এই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু করোনা মহামারির বাস্তবতায় নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে অবসরজনিত কারণে আরও ১০ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে করে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা পাঠদান কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে।

‘এ সমস্যা নিরসন করতে আগের বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্যপদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ২২ এপ্রিল থেকে তিন ধাপে, তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া, ৬১ জেলায় শুরু হতে যাচ্ছে।’

তিনি জানান, ২২ এপ্রিল প্রথম ধাপে পরীক্ষা হবে ২২ জেলায়। এর মধ্যে ১৪ জেলার সব ও ৮ জেলার আংশিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে ২০ মে। এ ধাপে ৩০ জেলার মধ্যে ৮ জেলার সব ও ২২ জেলার আংশিক পরীক্ষা হবে। আর তৃতীয় ও শেষ ধাপের পরীক্ষার তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি। তবে এ ধাপে পরীক্ষা হবে ৩১ জেলায়। এর মধ্যে ১৭ জেলার সব ও ১৪টিতে হবে আংশিক পরীক্ষা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। এতে অনুমোদিত শিক্ষকের পদ ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭০১টি। এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন। তিন ধাপে মোট এক হাজার ৮১১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা পরিচালনার জন্যই ৩ ধাপে আয়োজন করা হয়েছে।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৯ সালের নিয়োগবিধি অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগে ৬০ শতাংশ থাকবে মহিলা কোটা, ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা এবং ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা (সাধারণ কোটা)। আর সব কোটাতে বিজ্ঞান বিভাগ বিষয়ে ২০ শতাংশ কোটা আছে। অর্থাৎ প্রতিটি কোটা থেকে যারা নির্বাচিত হবেন তাদের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে আসতে হবে।

কোটার বিষয়টি পরিষ্কার করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, ‘এটি ২০১৯ সালের নিয়োগবিধি। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগ অন্য চাকরির মতো নয়। এটি ট্রাডিশনালি হয়ে আসছে। সরকার যদি বিবেচনা করে, সরকার ইতোমধ্যে অন্যান্য চাকরির ক্ষেত্রে বিবেচনা করেছে।

‘আমরা নিয়োগবিধি করার সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়েছিলাম, অন্য কোটা বাদ দেওয়ার সময় আবার মতামত নিয়েছিলাম, তারা বলেছে যে নিয়োগবিধি অনুযায়ী করবেন। তবে সরকার যে কোটাগুলো তুলে দিয়েছে, সেগুলো এখানে প্রযোজ্য হবে না।’

নিয়োগবিধি পরিবর্তন বা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে এমন প্রশ্নে মহাপরিচালক বলেন, ‘আইন তো যুগের প্রয়োজনে পরিবর্তনযোগ্য। সরকারের যদি পলিসি সিদ্ধান্ত হয়, সে ক্ষেত্রে সেটি ভবিষ্যতের বিষয়।

‘প্রথাগত কোটায় পর্যাপ্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে সাধারণ কোটায় নিয়োগ দেওয়া হয়। সহকারী শিক্ষক নিয়োগ উপজেলায় নিয়োগ হয়। সেই উপজেলায় কোটা সীমাবদ্ধ থাকে।’

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হতে পারে ৮ এপ্রিল
প্যানেলভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে অনশন
অ্যাডহক নিয়োগসহ স্বাধীনতা শিক্ষক সমিতির ৯ দাবি
শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ পেলেন আরও ১১৬ জন
১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

মন্তব্য

উপরে