× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Photo exhibition in DU with rare pictures of Bangabandhu
hear-news
player
google_news print-icon

বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ ছবি নিয়ে ঢাবিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

বঙ্গবন্ধুর-দুর্লভ-ছবি-নিয়ে-ঢাবিতে-আলোকচিত্র-প্রদর্শনী
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ ও ঐতিহাসিক ছবি নিয়ে টিএসসিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের ঐতিহাসিক নানা ঘটনা নিয়ে তৎকালীন দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ৪৩টি পেপার কাটিং নিয়ে এই আলোকচিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ ও ঐতিহাসিক ছবি নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ‘সংবাদপত্রে মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিগাঁথা’ শীর্ষক এ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী এবং সহকারী প্রক্টর আবদুর রহিম এই প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের ঐতিহাসিক নানা ঘটনা নিয়ে তৎকালীন দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ৪৩টি পেপার কাটিং নিয়ে এই আলোকচিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়।

প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এই প্রদর্শনীতে বঙ্গবন্ধুর জীবনের নানা ঘটনার দুর্লভ পেপারকাটিং তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রদর্শনীর শিরোনাম ও ছবি দেখে মানুষ বঙ্গবন্ধুর জীবনের অনেক ঐতিহাসিক বিষয় জানতে পারবে এবং জাতীয় জীবনে তার আদর্শকে ধারণ করতে অনুপ্রেরণা পাবে।

কর্মসূচি সম্পর্কে ডুজার সভাপতি মেহেদী হাসান জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি প্রতি বছর বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে।

তিনি বলেন, ‘এ বছর মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা সীমিত পরিসরে এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি। এর মাধ্যমে আমরা বঙ্গবন্ধুর গণমাধ্যম কেন্দ্রিক স্মৃতিগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করি। যাতে নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সম্পর্কে জানার সুযোগ পায়।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল কবির। এসময় সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু হত্যার দিন মালয়েশিয়ায় অস্থির ছিলেন সালাউদ্দিন-চুন্নুরা
জাতীয় শোক দিবস: মাস্ক ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রবেশ নিষেধ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
7 students could not take the exam the central secretary was exempted

পরীক্ষা দিতে পারেনি ৭ শিক্ষার্থী, কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি

পরীক্ষা দিতে পারেনি ৭ শিক্ষার্থী, কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি পরীক্ষা দিতে না পারা সাত শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার ছিল জীববিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষার দিন। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পর পরীক্ষা দিতে যায় চরআবদুল্যাহ ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন, আকিব হোসেন, তাজরিন জাহান, আরমান হোসেন, রুমানা আক্তার, শরীফুল ইসলাম ও নুশরাত জাহান ইতি।

লক্ষ্মীপুরে রামগতিতে দাখিলের ৭ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব ও আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তৈয়ব আলীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া চরআবদুল্যাহ মাদ্রারাসাতুল জামেয়াতুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তবে জীববিজ্ঞান বিষয়ে ৭ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারলেও অন্য বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।

আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেনি, তাদেরও গাফিলতি ছিল। তারা রেগুলার মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া না থাকায় এ সমস্যা হয়েছে। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল জীববিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষার দিন। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পর পরীক্ষা দিতে যায় চরআবদুল্যাহ ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন, আকিব হোসেন, তাজরিন জাহান, আরমান হোসেন, রুমানা আক্তার, শরীফুল ইসলাম ও নুশরাত জাহান ইতি।

দেরিতে যাওয়ায় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ তাদের পরীক্ষা দিতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, পরীক্ষা হলে অনুপস্থিত থাকায় হল কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলে নয় শিক্ষার্থীর দুইজন পরীক্ষা শুরু ১৫ মিনিট পর উপস্থিত হন। বাকিরা যথা সময়ে উপস্থিন না হওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে (একাডেমিক সুপারভাইজার) তাৎক্ষণিক উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। কিন্তু মাদ্রাসার অধ্যক্ষ খামখেয়ালীপনার কারণে তারা পরীক্ষা দিতে পারেনি।

পরে শিক্ষার্থীরা ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায়।

শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘চরআবদুল্যাহ ফাজিল মাদ্রাসার বিজ্ঞান বিভাগের ৯ শিক্ষার্থী অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে কৃষিশিক্ষা বিষয়টি পাঠ্য হিসেবে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় অংশ নিলেও প্রবেশপত্রে জীববিজ্ঞান এসেছে। প্রতিষ্ঠান থেকে জানানো হয় জীববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা হবে না। এ কারণে নিয়মিত ক্লাসও হয়নি। এ জন্য নবম-দশম শ্রেণির দুবছরে একদিনও জীববিজ্ঞানের ক্লাস করাননি। জীববিজ্ঞান পরীক্ষা হবে না। স্যারের কথামত জীববিজ্ঞান পড়ি নাই।’

আরেক শিক্ষার্থী রুমানা আক্তার বলেন, ‘এ ছাড়া প্রাক নির্বাচনি ও নির্বাচনি পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান পরীক্ষা নেয়া হয়নি। অ্যাডমিট কার্ডে জীববিজ্ঞান আসায় বিষয়টি অবগত করলেও বিজ্ঞান শিক্ষক রবি শংকর ও অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল হাকিম জীববিজ্ঞান পরীক্ষা হবে না বলে আমাদের নিশ্চিত করেছেন।’

অব্যাহতি পাওয়া কেন্দ্র সচিব ও আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা তৈয়ব আলী বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর পর অনুপস্থিত দেখে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এরপর ৯ পরীক্ষার্থীর দুইজন পরীক্ষা শুরু ১৫ মিনিট পর আসলে অন্যরা সময় মতো না আসায় পরীক্ষা নেয়া হয়নি। এর বেশি কিছু আমি অবগত নয়। এইখানে আমার কোনো অবহেলা ছিল না।’

চরআবদুল্যাহ মাদ্রারাসাতুল জামেয়াতুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমকে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

ইউএনও এসএম শান্তুনু চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে শোকজ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘এ ছাড়া পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারায় কেন্দ্র সচিব পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে পারেনি শিক্ষার্থীদের।’

আরও পড়ুন:
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস
প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩

মন্তব্য

শিক্ষা
Riva also humans can make mistakes Tilottama

রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা

রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা তিলোত্তমা শিকদার
অভিযোগগুলোর বিষয়ে ছাত্রলীগের অবস্থান কী জানতে চাইলে তিলোত্তমা বলেন, ‘সে জন্যই আমরা তাদের কমিটি স্থগিত রেখেছি। অধিকতর তদন্ত করা হবে। কিন্তু এখন ইডেনে তো তদন্ত করার পরিবেশই নেই। অধিকতর তদন্ত করে আমরা সেটি জানাব।’

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজে এক ছাত্রীকে হুমকি দেয়ার অডিও নিয়ে অভিযুক্ত কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভার পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন এ ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিলোত্তমা শিকদারের।

সম্প্রতি ঘটা ওই ঘটনা নিয়ে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘সেই কল রেকর্ডের জন্য রিভা সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং ওই মেয়ের কাছেও ক্ষমা চেয়েছে। রিভা তো মানুষ। সে তো আর ফেরেশতা না। মানুষ তো ভুল করতেই পারে।

‘সেই ভুক্তভোগী মেয়েও বলেছে যে রিভার সঙ্গে তার আর কোনো সমস্যা নেই। সেই ভুল বোঝাবুঝির মীমাংসা হয়ে গেছে।’

বেশ কদিন ধরেই আলোচনায় ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ। এ নিয়ে সর্বশেষ ছাত্রলীগের কলেজ কমিটি স্থগিত এবং এক পক্ষের ১২ জন পদধারী ও চার কর্মীকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা বলছেন, তারা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের রোষানলের শিকার। অথচ কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে অডিও ফাঁস, নগ্ন করে ভিডিও ধারণের হুমকি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে ছাত্রলীগের অবস্থান কী জানতে চাইলে তিলোত্তমা বলেন, ‘সে জন্যই আমরা তাদের কমিটি স্থগিত রেখেছি। অধিকতর তদন্ত করা হবে। কিন্তু এখন ইডেনে তো তদন্ত করার পরিবেশই নেই। অধিকতর তদন্ত করে আমরা সেটি জানাব।’

ইডেন কলেজের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে কথা বলায় নিজ অনুসারীদের দিয়ে কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসকে মারধরের অভিযোগ ওঠার পর গত শনিবার মধ্যরাত থেকে কলেজে বিশৃঙ্খলার সূত্রপাত।

এর মাঝে ছড়িয়ে পড়ে রিভার হুমকি দেয়ার অডিও। ওই অডিওকে কেন্দ্র করেই দুই ছাত্রীকে ৭ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন এবং নগ্ন করে ভিডিও ধারণ করে ভাইরাল করার হুমকির অভিযোগও ওঠে ছাত্রলীগের এই নেত্রীর বিরুদ্ধে।

পরে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দুই সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এক পর্যায়ে কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা হলে জটিল পরিস্থিতি ধারণ করে। এরপর কমিটি স্থগিত করে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

তিলোত্তমা বলেন, ‘সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের শান্তিপূর্ণ প্রেস কনফারেন্সে তারা অতর্কিত হামলা করেছে। এটি চারটি চ্যানেলে লাইভ প্রচারিত হয়েছে। এরপর আমরা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, উপদপ্তর সম্পাদক সবার উপস্থিতিতে ভিডিও দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করে হল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি এবং কমিটি স্থগিত রেখেছি অধিকতর তদন্ত করার জন্য।’

অডিওর ব্যাপারটি মীমাংসা হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

তিলোত্তমা বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনে চারটা চ্যানেলের লাইভে সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে চেয়ার দিয়ে মারা, লাঞ্ছিত করা, চুল টেনে শুইয়ে ফেলা এবং পাড়া দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে যেসব সহসভাপতি এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল তাদের লাঞ্ছিত করা এবং মাননীয় নেত্রীর ছবিযুক্ত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা এবং সেগুলো পাড়া দেওয়া এগুলো আমাদের দলীয় ক্ষেত্রে অনেক বড় অপরাধ।

‘আর এই অপরাধের কারণে দল থেকে আমরা তাদের বহিষ্কার করেছি। ছাত্রলীগকে যারা বিতর্কিত করতে চায় তাদের ছাত্রলীগে থাকার কোনো দরকার নেই।’

‘কারণ দর্শানোর নোটিশ না দিয়ে, আমাদের কথা না শুনে কেন বহিষ্কার করা হয়েছে’ বহিষ্কৃতদের এমন প্রশ্নের বিষয়ে জানতে চাইলে তিলোত্তমা বলেন, ‘তারা কি আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছে নাকি তাদের কোনো দিন ডেকে পাওয়া গেছে! তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আমরা এই ঘটনার আগে দুইদিন ৬ ঘণ্টা করে ইডেনে গিয়ে বসে ছিলাম। তারা আমাদের সঙ্গে কোনো কথা বলেনি, কোনো কো-অপারেটিভ আচরণ করেনি এবং কোনো অভিযোগ জানাতেও আমাদের কাছে আসেনি।’

ইডেনের ঘটনায় ছাত্রলীগের গঠিত তদন্ত কমিটির অন্য সদস্য ছিলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজীর হোসেন নিশি। পরে অবশ্য কমিটি নিয়ে কলেজ ছাত্রলীগের একাংশ আপত্তি জানালে তিনি কমিটি থেকে সরে আসেন।

কারণ দর্শানোর নোটিশ না দিয়ে স্থায়ী বহিষ্কার কেন জানতে চাইলে নিশি বলেন, ‘সেই ঘটনার তদন্ত করে আমরা কিছু তথ্য উপাত্ত ছাত্রলীগ সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের কাছে দিয়েছি। আর উনাদের কাছেও হয়ত কিছু তথ্য ছিল। এসব তথ্য এবং অভিযোগগুলো যদি প্রমাণিত সত্য হয় তাহলে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক শোকজ না করে তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করতে পারে।’

বেনজির হোসেন নিশি রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফাল্গুনি দাস তন্বীকে মারধরের ঘটনায় হওয়া মামলার আসামি। সেই মামলা তদন্ত করে পিবিআই। তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আদালত এ ছাত্রলীগ নেত্রীসহ তার পাঁচ সহযোগীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে তা মঞ্জুর হয়। তবে সেই মামলা এখনো চলমান থাকলেও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে নিশির বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সেই ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিলে নিশি বলেন, ‘এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আমার ছোট বোনের সঙ্গে আমার গ্যাঞ্জাম হতে পারে। এটা আমাদের সংগঠনের ব্যাপার। সেই ঘটনাটি সভাপতি সাধারণ সম্পাদক তদন্ত করেছে। যেহেতু আমরা দুজনই একই সংগঠনের এবং দুইজনেরই যেহেতু একে অপরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল সেজন্যই হয়তো কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

আরও পড়ুন:
ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের নামে হত্যাচেষ্টার মামলা
ইডেন কলেজ বন্ধের খবরটি গুজব
ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা

মন্তব্য

শিক্ষা
Application for admission in batch 17 27 October

গুচ্ছে ভর্তির আবেদন ১৭-২৭ অক্টোবর

গুচ্ছে ভর্তির আবেদন ১৭-২৭ অক্টোবর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। আবেদন সংক্রান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে ১৪ অক্টোবর। প্রতি ইউনিটে আবেদন ফি ৫০০ টাকা এবং জামানত ৫ হাজার টাকা।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সমন্বিত ভর্তি কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ১৭ থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পৃথকভাবে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে ১৪ অক্টোবর।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক উপাচার্যদের বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার রাতে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

ড. ইমদাদুল হক বলেন, ‘গুচ্ছের ভর্তি কার্যক্রমের আবেদন শুরু হবে ১৭ অক্টোবর। কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। আবেদন সংক্রান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ১৪ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে। কোটায় ভর্তির জন্য সর্বনিম্ন নম্বর ৩০। অর্থাৎ ৩০-এর নিচে যারা আছে তাদের কোটায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ নেই।

‘প্রতি ইউনিটে আবেদন ফি ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন আলাদাভাবে শুরু হবে কিন্তু কেন্দ্রীয়ভাবে মেধাতালিকা প্রস্তুত হবে। অনলাইনে সফটওয়ারের মাধ্যমে এ আবেদন গ্রহণ করা হবে।’

তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা আগে অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতো। এতে অনেক টাকা খরচ হতো। এবার ৫ হাজার টাকা জামানত রাখা হবে। সবশেষ যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে সেখানে এই টাকা সমন্বয় করে দেয়া হবে।

এবার এক আবেদনেই ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যাবে। এজন্য প্রতি ইউনিট বাবদ ৫০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। এছাড়া ভর্তির সুযোগ পেলে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ভর্তি নিশ্চায়ন ছাড়া কেউ ভর্তির সুযোগ পাবেন না।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা শনিবার
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটে সেরা দিগন্ত, আগ্রহ অর্থনীতিতে
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটে পাস ৫৫.৬৩%
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের প্রশ্ন নিয়ে নানা ‘প্রশ্ন’
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

মন্তব্য

শিক্ষা
Initially online transfer application time increased

প্রাথমিকে অনলাইনে বদলির আবেদনের সময় বাড়ল

প্রাথমিকে অনলাইনে বদলির আবেদনের সময় বাড়ল প্রতীকী ছবি
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিপত্র অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একই উপজেলার মধ্যে অনলাইনে বদলি কার্যক্রম চালু হয়। ওই পরিপত্র অনুযায়ী আবেদনের শেষ সময় ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর, তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আবেদনের সময় ৬ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একই উপজেলার মধ্যে বদলিতে অনলাইনে আবেদনের সময় বাড়িয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি এবং অপারেশন) মনীষ চাকমা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বদলির আবেদনের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে বাড়িয়ে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিপত্র অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একই উপজেলার মধ্যে অনলাইনে বদলি কার্যক্রম চালু হয়। ওই পরিপত্র অনুযায়ী আবেদনের শেষ সময় ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর, তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আবেদনের সময় ৬ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়।

গত ৩০ জুন গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অনলাইনে বদলি কার্যক্রমের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক আছেন প্রায় পৌনে চার লাখ। নতুন করে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম চলছে।

আরও পড়ুন:
মধ্য সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের অনলাইন বদলি
একযোগে ১৬ কর্মকর্তা বদলি, বন্দরে চাঞ্চল্য
পুলিশের ১১২ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন
এক আদেশে ৪০ জেলায় নতুন এসপি
আখাউড়ার ইউএনও-এসিল্যান্ডকে রাঙ্গামাটি-বান্দরবানে বদলি

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC question leaked Teacher Lutfar remanded

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: শিক্ষক লুৎফর রিমান্ডে

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: শিক্ষক লুৎফর রিমান্ডে রিমান্ড আদেশের পর আদালত থেকে নেয়া হচ্ছে প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমানকে
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আজাহার আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুনানি শেষে মূল হোতা প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বিচারক। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তাদের তথ্য উদঘাটন করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

কুড়িগ্রামে এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় প্রধান আসামি ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া অন্য আসামিদের জামিন আবেদন বাতিল করে কারগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুড়িগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক সুমন আলী এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারি আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ শিখা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার ছয় আসামির জামিন এবং অপর দিকে পুলিশ মূল হোতা প্রধান শিক্ষকের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে। উভয় বিষয়ে শুনানির তারিখ ছিল বৃহস্পতিবার।

ভূরুঙ্গামারী থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আজাহার আলী (ওসি-তদন্ত) নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তাদের তথ্য উদঘাটন করে আইনের আওতায় আনা হবে।

‘এ ছাড়া নতুন করে শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল এবং জোবাইর হোসেনের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক আগামী ২ অক্টোবর শুনানির দিন ধার্য করেন। মামলার এজাহারনামীয় আসামি নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক আবু হানিফ পলাতক রয়েছে। তাকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ বলেন, ‘আসামিরা প্রশ্ন ফাঁস করে দেশ ও জাতির ক্ষতি করেছেন। এই ঘটনার নেপথ্যে যারা রয়েছেন, তাদের খুঁজে বের করতে গ্রেপ্তারদের রিমান্ডের প্রয়োজন ছিল। আসামি পক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করেন।’

২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনাজপুর বোর্ডের ইংরেজি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এরপর ওই কেন্দ্রের সচিব লুৎফর রহমান জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তার কাছে কয়েকদিনের আগাম প্রশ্নপত্র রয়েছে বলে জানান।

এদিন মধ্যরাতে ট্যাগ অফিসার ও কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী মামলা করেন।

গ্রেপ্তার হন, লুৎফর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান, কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক সোহের চৌধুরী ও অফিস সহায়ক সুজন মিয়া। এই ঘটনার পর ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আবু হানিফ পলাতক রয়েছেন।

এদের সবাইকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার ২ দিন পর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বরখাস্ত হন।

আরও পড়ুন:
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩
প্রশ্নফাঁসেই দিনাজপুরে এসএসসির চার পরীক্ষা স্থগিত, আটক ৩
এসএসসি ‘প্রশ্ন ফাঁস’: দিনাজপুর বোর্ডে ৪ বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC question leak 7 names under investigation

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: তদন্তে ৭ নাম

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: তদন্তে ৭ নাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড। ছবি: নিউজবাংলা
‘বোর্ডের গঠিত কমিটি তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেছে। আগামী সপ্তাহের রোববার অথবা সোমবার লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করবে। তদন্ত কার্যক্রমে পলাতক একজনসহ মোট সাতজন প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে ৬ জনকে ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। অপর একজন বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে গেছে বলে জানা গেছে।’

কুড়িগ্রামে এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের গঠিত কমিটির তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে সাতজন জড়িত- তদন্তে এমনটিই উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে এ প্রতিবেদন দাখিল করার কথা রয়েছে।

জড়িত সাতজনের মধ্যে ছয়জন ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন; একজন পলাতক।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. কামরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বোর্ডের গঠিত কমিটি তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেছে। আগামী সপ্তাহের রোববার অথবা সোমবার লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করবে। তদন্ত কার্যক্রমে পলাতক একজনসহ মোট সাতজন প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত।

‘এর মধ্যে ৬ জনকে ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। অপর একজন বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে গেছে বলে জানা গেছে।’

গ্রেপ্তাররা হলেন, কুড়িগ্রামের নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান, কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক সোহের চৌধুরী ও পিয়ন সুজন মিয়া। এই ঘটনার পর ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আবু হানিফ পলাতক রয়েছেন।

২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনাজপুর বোর্ডের ইংরেজি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এরপর ওই কেন্দ্রের সচিব লুৎফর রহমান জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তার কাছে কয়েকদিনের আগাম প্রশ্নপত্র রয়েছে বলে জানান।

এদিন মধ্যরাতে ট্যাগ অফিসার ও কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী মামলা করেন।

পরে তল্লাশি চালিয়ে গণিত (আবশ্যিক), উচ্চতর গণিত, কৃষিশিক্ষা, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, কৃষি বিজ্ঞান ও রসায়ন পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ২২ সেপ্টেম্বর স্থগিত হওয়া ৪টি পরীক্ষার নতুন সময়সূচী ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে বাতিল করা হয় জীব বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ও উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়) এর প্রশ্নপত্র।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার ২ দিন পর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বরখাস্ত হন।

এজাহারে যা বলা হয়

মঙ্গলবার কেন্দ্র সচিব ও প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে আদম মালিক চৌধুরী ভূরুঙ্গামারী থানা থেকে সীলমোহর অক্ষত অবস্থায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র প্রশ্নের দুটি প্যাকেট সংগ্রহ করেন। পরে তারা প্রশ্নপত্র নিয়ে নেহাল উদ্দিন বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে আসেন। কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর লুৎফর রহমান তার নিজ কক্ষের একটি বইয়ের তাকে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট দুটি রাখেন। আনুমানিক সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে আদম মালিক চৌধুরী কেন্দ্র সচিবের কক্ষে যান। এ সময় কেন্দ্র সচিব প্যাকেট খুলে প্রশ্নপত্র বের করেন। পরে ১০টা ৫০ মিনিটে প্রশ্নপত্রগুলো কেন্দ্রের কক্ষভিত্তিক দায়িত্বরত শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ওই দিন আনুমানিক বেলা দেড়টার দিকে তিনি ওই কেন্দ্র সচিবের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে বলে জানতে পারেন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপক কুমার শর্মাকে জানান। পরীক্ষা শেষে ইউএনও দীপক কুমার শর্মার উপস্থিতিতে লুৎফর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে লুৎফর কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।

এজাহারের নথি অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে লুৎফর স্বীকার করেন, তার কাছে পরের একাধিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আছে। এরপর লুৎফর রহমানের কক্ষের বইয়ের তাক থেকে একটি কাপড়ের ব্যাগ পাওয়া যায়। ওই ব্যাগের ভেতর থেকে গণিত, উচ্চতর গণিত, কৃষিশিক্ষা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রের প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি প্যাকেট ছাড়া সব কটি প্যাকেটের মুখ খোলা ছিল।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ভূরুঙ্গামারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাঈদ মো. আতিক নুর প্রশ্নপত্রগুলো জব্দ করেন এবং লুৎফর রহমানকে আটক করেন।

অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে লুৎফর বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু হানিফের সহায়তায় কৌশলে প্রশ্নপত্রের প্যাকেটগুলো কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। পরে প্রশ্নপত্রগুলো আবু হানিফ, অন্য দুই শিক্ষক জোবাইর হোসেন, আমিনুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জনের মাধ্যমে গোপনে প্রশ্নগুলো ফাঁস করে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩
প্রশ্নফাঁসেই দিনাজপুরে এসএসসির চার পরীক্ষা স্থগিত, আটক ৩
এসএসসি ‘প্রশ্ন ফাঁস’: দিনাজপুর বোর্ডে ৪ বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত
বহিষ্কার এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ

মন্তব্য

শিক্ষা
Rizvis taste has been recognized by the DU Teachers Association

রিজভীর রুচির পরিচয় পেয়েছে ঢাবি শিক্ষক সমিতি

রিজভীর রুচির পরিচয় পেয়েছে ঢাবি শিক্ষক সমিতি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
‘তিনি (রিজভী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যকে চাকরবাকর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যার মাধ্যমে তার নিজের রুচি ও সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামান ও প্রক্টর এ কে এম গোলাম রাব্বানীকে আক্রমণ করে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী যে মন্তব্য করেছেন, তার নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। এই মন্তব্যে রিজভীর রুচির প্রকৃত পরিচয় পাওয়ার কথাও বলেছে তারা।

সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, গত মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া একটি অপ্রীতিকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিজভীর বক্তব্য অত্যন্ত অশালীন, আপত্তিকর ও নিন্দনীয়।

বুধবার সন্ধ্যায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

আগের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হামলার পর রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আওয়ামী ভিসি ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রক্টরের প্ররোচনায় ছাত্রদলের ওপর নারকীয় হামলা হয়েছে। এখন এমন পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে যে শেখ হাসিনা তার চাকরবাকর ছাড়া উপাচার্য-প্রক্টর নিয়োগ করেন না। ছাত্রদলের ওপর হামলার ঘটনায় তারই প্রতিফলন দেখা গেল।’

জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি বলেছে, ‘তিনি (রিজভী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যকে চাকরবাকর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যার মাধ্যমে তার নিজের রুচি ও সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়।’

এতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য গত তিন দশকের বন্ধ্যত্ব কাটিয়ে ২০১৯ সালে সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে সক্ষম হয়েছেন। নিজেদের অপকর্মের দায়ভার নিয়ে বিতাড়িত ছাত্র সংগঠনকে ক্যাম্পাসে তাদের রাজনীতি চর্চার সুযোগ করে দিয়েছেন। অথচ বিএনপি নেতা রিজভী উপাচার্য ও প্রক্টরকে অশালীন ভাষায় হুমকি-ধমকি দিয়েছেন।’

শিক্ষক সমিতি বলেছে, ‘রুহুল কবির রিভজী যেভাবে হুমকি দিয়ে কথা বলেছেন, তা নিকট অতীতে ক্যাম্পাসে লাশ ফেলে রাজনীতির মাঠ গরম করার টেলিফোন সংলাপের কথা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসাও করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন মত-পথ এবং প্রগতিশীল রাজনৈতিক চিন্তা ও দর্শনের চর্চা কেন্দ্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকরাই বিভিন্ন সংকটে জাতিকে পথনির্দেশ করেছে। কিন্তু অতীতে কখনও কখনও বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক সরকারের আবির্ভাবের ফলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়েছে, সামরিক স্বৈরশাসকের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ক্যাম্পাসে অছাত্র সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি ও অস্ত্রের রাজনীতির সূচনা হয়েছিল। তাদের প্রত্যক্ষ মদদে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীকে জীবন দিতে হয়েছিল।

‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথমবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে ছাত্র রাজনীতি ছাত্রদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। বৈধ ও অবিবাহিত ছাত্রদের হাতে ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব তুলে দেয়ার জন্য সাংগঠনিক পদ পেতে ছাত্রদের বয়স নির্ধারণ ও বৈধ ছাত্রত্বের শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারের আমলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহতভাবে চলমান আছে।’

আরও পড়ুন:
৩৯ বছর পর ঢাবিতে আ.লীগপন্থি নীল দলের নিরঙ্কুশ জয়
শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন কাজ দিতে ঢাবিতে ‘সাপোর্ট ইউনিট’
না জানিয়ে ঢাবি ছাত্রদলের কমিটিতে পদ, ক্ষুব্ধ কানেতা
‘পচা মাংস’ দেয়ায় ঢাবি হলের দোকানে ভাঙচুর, মারধর
ছাত্রলীগ নেত্রীদের ‘ক্রেডিট নেয়ার’ স্মারকলিপি

মন্তব্য

p
উপরে