অনলাইন পরীক্ষায় ঝুঁকছে জগন্নাথ

অনলাইন পরীক্ষায় ঝুঁকছে জগন্নাথ

উপাচার্য বলেন, আমরা তো সশরীরে পরীক্ষা নিতে চাই। কিন্তু মহামারি পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে তাহলে তো এভাবে পরীক্ষা নিতে পারবো না। এ অবস্থায় অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া যায় কী না তা পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) স্থগিত হয়ে যাওয়া সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনলাইনে নেয়ার চিন্তাভাবনা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এরই প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন পরীক্ষার পদ্ধতি, অভিজ্ঞতা এসব কিছু জানার জন্য ছয় সদস্যের একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সশরীরে পরীক্ষা নেয়া না গেলে বিকল্প হিসেবে অনলাইন পরীক্ষার নেয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখার পরিকল্পনা করে রাখা হয়েছে বলা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুক্রবার রাতে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক।

নিউজবাংলাকে উপাচার্য বলেন, আমরা তো সশরীরে পরীক্ষা নিতে চাই। কিন্তু দেশের যা অবস্থা সে অবস্থা যদি চলতে থাকে তাহলে তো এভাবে পরীক্ষা নিতে পারবো না। এর জন্য অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া যায় কি না সেজন্য একটি কমিটি করে দিয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মনিরুজ্জামানকে আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড আইটি দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জল কুমার আচার্য্যকে সদস্য সচিব করে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া কমিটিতে আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সরকার আলী আককাস, ছাত্র কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল বাকী, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মনিরা জাহান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দিনকে সদস্য করা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে তিনি আরও বলেন, আমরা অনলাইন পরীক্ষা নিতে পারি কী না বা নিলে কীভাবে নিব; কমিটির সদস্যরা এখন এসব নিয়ে কাজ করবেন। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় যারা অনলাইনে পরীক্ষার পরিকল্পনা নিয়েছে তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং সবকিছু বিচার বিশ্লেষণ করে একটা সুপারিশ দেয়া হবে।

‘আমরা তো বলেছি যে যেকোনো পরীক্ষা নেয়ার আগে আমরা কমপক্ষে চার সপ্তাহ আগে নোটিশ দিব। নোটিশ দিয়ে তারপর পরীক্ষার রুটিন দিব। সেটা সশরীরেই হোক আর অনলাইন।’

ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, আমরা তাড়াহুড়ো করে কিছু করতে চাচ্ছি না। যে হটাৎ করে করলাম আর কাজ হলো না তা হবে না। এখন ছাত্ররা ঢাকায় আসল পরে পরীক্ষা হলো না তখন তো সমস্যায় পড়বে তারা।

‘আমরা যেটাই করি না কেনো ছাত্রদের যেভাবে ভালো হয় সেভাবেই করবো।’

উপাচার্য নিউজবাংলাকে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব কমিটি রিপোর্ট দিবে। আমরা কমিটির রিপোর্ট পেলে আমাদের সক্ষমতা দেখেশুনে একাডেমিক কাউন্সিলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিব।

ডাটা প্যাকেজ ও নেটওয়ার্কের ব্যাপারে উপাচার্য নিউজবাংলাকে বলেন, নেটওয়ার্ক যাদের ভালো সেটা রবি হোক আর গ্রামীণ প্রয়োজন হলে আমরা তাদের সাথেও কথা বলবো।

কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গঠিত কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মনিরুজ্জামান।

অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মনিরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আমাকে আহ্বায়ক করে নেটওয়ার্ক ও আইটি দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্যকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সরকার আলী আককাস, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মনিরা জাহান, ছাত্র কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল বাকী এবং অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দিন।

নিউজবাংলাকে তিনি আরও বলেন, আমরা একটা সভা করেছি, এখনও তেমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে যদি সশরীরে পরীক্ষা না নেওয়া যায় তাহলে অনলাইনে যেতে হবে। এখন অনলাইনে যেতে হলে কীভাবে যাবো, কোন প্রক্রিয়ায় যাবো এটা নিয়েই কাজ করতেছি। অনলাইনেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্রুততার সঙ্গে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

তবে পরীক্ষা শুরুর জল্পনা-কল্পনার সময় থেকেই অনলাইনে পরীক্ষার বিরোধিতা করে আসছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কমিটির সদস্য ছাড়া অন্য কোনো ডিন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সিনিয়র শিক্ষকও অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে নিজ নিজ ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করে মন্তব্য জানাচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি দুটো মিড টার্ম পরীক্ষা গুগল ক্লাশরুমে গুগল ফর্ম ব্যবহার করে নিলাম। আমার প্রশ্নপত্রে অবশ্য কিছু বহুনির্বাচনী ও কিছু ছোট প্রশ্ন ছিল। সেখানে হাতে লিখা ফাইল আপলোড করার ব্যবস্থাও আছে। কাজেই মনে হচ্ছে তত্বীয় পরীক্ষা এভাবে এই ফর্মে নেয়া যেতে পারে। অবশ্য আমি এই ব্যবস্থায় একেবারেই নতুন। এক্সপার্টদের আরও বিস্তারিত মতামত নেয়া যেতে পারে।’

এ দিকে চলতি বছরের মে-জুন মাস থেকেই শুরু হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনা এমনকি নীতিগত সিদ্ধান্তের খবর পাওয়া যায়। তবে এ বছরের ১৩ জুন অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে ১০ আগস্ট থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আটকে থাকা সকল সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

তার প্রায় এক মাস পর ১২ জুলাই অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনদের এক জরুরি সভায় করোনা পরিস্থিতির অবনতি বিবেচনায় ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং পরীক্ষা শুরুর পূর্বে চার সপ্তাহ সময় দিয়ে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা
মুজিববর্ষ: জগন্নাথে ওয়েবিনার ২৭ জুলাই
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাবির জন্য ১০০ কোটি টাকার ফান্ড করতে চান অ্যালামনাইরা

ঢাবির জন্য ১০০ কোটি টাকার ফান্ড করতে চান অ্যালামনাইরা

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা।

এ কে আজাদ বলেন, ‘বর্তমানে অ্যালামনাইয়ের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে প্রতি বছর তিন কোটি টাকা বৃত্তি দেয়া হয়। এই বৃত্তি না দেয়া হলে অনেক শিক্ষার্থীরই হয়তো লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। তাই আগামী দিনে আমাদের লক্ষ্য হলো অ্যালামনাইয়ের উদ্যোগে ১০০ কোটি টাকার ফান্ড করা।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করতে চায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ প্রত্যাশা জানান সংগঠনের সভাপতি এ কে আজাদ।

তিনি বলেন, ‘অ্যালামনাই হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমাদের যে দায়িত্ব ও কর্তব্য সেটি আমরা পালন করতে সক্ষম হইনি। এজন্য আমি দুঃখিত এবং লজ্জিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো খরচই সরকারি অনুদান এবং শিক্ষার্থীদের সামান্য বেতনে চলে। এভাবে একটি বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। এক্ষেত্রে অ্যালামনাইদেরও অবদান রাখতে হবে।

‘বর্তমানে অ্যালামনাইয়ের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে প্রতি বছর তিন কোটি টাকা বৃত্তি দেয়া হয়। এই বৃত্তি না দেয়া হলে অনেক শিক্ষার্থীরই হয়তো লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। তাই আগামী দিনে আমাদের লক্ষ্য হলো অ্যালামনাইয়ের উদ্যোগে ১০০ কোটি টাকার ফান্ড করা।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য আখতারুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়ার জন্য অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘পরিবর্তিত এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা এখন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে এই সংস্কৃতির অভাব রয়েছে। অ্যাকাডেমিয়া ইন্ডাস্ট্রি অ্যালায়েন্স এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং এই দুটো বিষয়ের সংস্কৃতি বাংলাদেশে এখনও গড়ে ওঠেনি।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘অ্যাকাডেমিয়া ইন্ডাস্ট্রি অ্যালায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে হয়। সেটির একটি বড় সহায়ক হলো অ্যালামনাই এই সত্য উপলব্ধি করতে আমাদের অনেক সময় লেগেছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা সবসময় সরকারের বরাদ্দের ওপর নির্ভর করি।

‘বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং এবং ইন্ডাস্ট্রি অ্যালায়েন্সের মাধ্যমে সকল মহৎ কিছু অর্জন করে থাকে। সেটি এদেশে এখনও প্রবেশ করতে সক্ষম হয়নি। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সক্ষম হবে বলে আমি আশা করি।’

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ এবং অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান।

অনলাইনে যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অ্যালামনাইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোল্লা মোহম্মাদ আবু কাওছার, সাবেক সভাপতি ও মহাসচিব রকীব উদ্দীন আহম্মেদ।

সশরীরে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অ্যালামনাইয়ের সহসভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী, মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার, কোষাধ্যক্ষ দেওয়ান রাশিদুল হাসান এবং কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য সেলিমা খাতুন।

সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে অ্যালামনাইদের সার্বিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি জানান এবং শতবর্ষী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব ও ঐতিহ্য রক্ষায় বর্তমান প্রজন্মকে আরও আন্তরিক ও সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।

উৎসবের দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী প্রিয়াঙ্কা গোপ এবং নৃত্য পরিবেশন করেন সামিনা হোসেন প্রেমা।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রোকাইয়া হাসিনা নিলি।

আরও পড়ুন:
গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা
মুজিববর্ষ: জগন্নাথে ওয়েবিনার ২৭ জুলাই
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

রাজধানীর বাড্ডায় বেসরকারি কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। ছবি: নিউজবাংলা

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

করোনায় ১৭ মাস বন্ধ থাকার পর শর্তসাপেক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তবে এর জন্য স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমতি লাগবে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পরিচালক (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ) মো. ওমর ফারুখের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও করোনার এক ডোজ টিকা অথবা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে এই শর্তে সশরীরে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।’

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

শর্ত সমূহ:

১. শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীগণ ইতোমধ্যে কমপক্ষে এক ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে অথবা ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য জাতীয় পরিচয় (NID) সহযোগে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব (https://surokkha.gov.bd/) অথবা surokkha app-এর মাধ্যমে নিবন্ধন করে থাকলে।

২. ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব শিক্ষার্থী, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তারা জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য ব্যবহার করে কমিশনের ওয়েবলিংক (https://univac.ugc.gov.bd)-এ ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন করে থাকলে এবং পরবর্তীতে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে টিকা গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করে থাকলে।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উপাচার্যদের বৈঠকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের টিকা নিবন্ধন শেষে কিছু ব্যবস্থা নেয়া সাপেক্ষে যেকোনো দিন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত হয়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা
মুজিববর্ষ: জগন্নাথে ওয়েবিনার ২৭ জুলাই
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

‘স্কুলে এসেই করোনার প্রমাণ নেই’

‘স্কুলে এসেই করোনার প্রমাণ নেই’

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবসে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। ছবি: নিউজবাংলা

উপমন্ত্রী নওফেল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঘরে থাকলে করোনা সংক্রমণ হতো না বা স্কুলে যাওয়ার কারণে হয়েছে, এই কথার কোনো সত্যতা বা প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই। শিক্ষার্থীরা স্কুলে না গেলেও আত্মীয়স্বজনের বাসায়, বিনোদনের জায়গায়, সবখানেই যাচ্ছিল। তবে যেসব জায়গায় শিক্ষার্থীদের করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, সেখানে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

স্কুলে এসেই যে শিক্ষার্থীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছে, তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান উপমন্ত্রী।

এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্কুলে এসেই যে শিক্ষার্থীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে, তার সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সুনির্দিষ্ট কিছু জায়গায় দেখেছি, শিক্ষার্থীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছে। আমরা সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

করোনা মহামারিতে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়।

১৭ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার ৪ নম্বর ফেরধারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ওই শ্রেণির পাঠদান ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।

এরপর ২১ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ পৌরসভার ১০২ নম্বর বীণাপাণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর করোনা শনাক্তের খবরে ওই শ্রেণির পাঠদানও বন্ধ করা হয়।

পরদিন মানিকগঞ্জে করোনা উপসর্গে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।

সবশেষ ওই দিনই ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ শিশু শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হয়। আক্রান্তের বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়টির দুই শ্রেণিতে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

উপমন্ত্রী নওফেল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঘরে থাকলে করোনা সংক্রমণ হতো না বা স্কুলে যাওয়ার কারণে হয়েছে- এই কথার কোনো সত্যতা বা প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই। শিক্ষার্থীরা স্কুলে না গেলেও আত্মীয়স্বজনের বাসায়, বিনোদনের জায়গায়, সবখানেই যাচ্ছিল। তবে যেসব জায়গায় শিক্ষার্থীদের করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, সেখানে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়া ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবীদের ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মাস্টারদা সূর্যসেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার থেকে শুরু করে যারা ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবে অংশ নিয়েছেন, সেই সব বীরের আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাথা নতুন জাতীয় পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্তির জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা
মুজিববর্ষ: জগন্নাথে ওয়েবিনার ২৭ জুলাই
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

চবিতে হলের রুম দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২

চবিতে হলের রুম দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এফ রহমান হলের একটি রুম দখল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এর জেরে বৃহস্পতিবার রাতে সোহরাওয়ার্দী হলের একটি রুমে একাকার গ্রুপের কর্মীদের ওপর ভিএক্সের কর্মীরা হামলা চালান। এতে সীমান্ত ও সাব্বির আহত হন।

হলের রুম দখলকে কেন্দ্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন।

ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক শাখা ভিএক্স (ভার্সিটি এক্সপ্রেস) ও একাকার গ্রুপের মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের মো. সীমান্ত ও দর্শন বিভাগের মো. সাব্বির। তারা দুজনই একাকার গ্রুপের কর্মী।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এফ রহমান হলের একটি রুম দখল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এর জেরে বৃহস্পতিবার রাতে সোহরাওয়ার্দী হলের একটি রুমে একাকার গ্রুপের কর্মীদের ওপর ভিএক্সের কর্মীরা হামলা চালান। এতে সীমান্ত ও সাব্বির আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও একাকার গ্রুপের নেতা ইসলাম রাসেল দাবি করেন, ‘আমাদের জুনিয়র কর্মীদের এলোটেড রুমের তালা ভেঙে ভিএক্সের কর্মীরা উঠে যায়। এটা নিয়ে কথা-কাটাকাটি, হাতাহাতি হয়। এখন পরিস্থিতি ঠিক আছে।’

ভিএক্সের নেতা প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় জানান, দুই গ্রুপের প্রথম বর্ষের ছেলেদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে হাতাহাতি শুরু। পরে সিনিয়ররা কথা বলে রাতেই বিষয়টি সমাধান করেছেন।

প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা সেখানে গিয়েছিল। আহতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যালে চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের অভিযোগ দিতে বলেছি।’

আরও পড়ুন:
গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা
মুজিববর্ষ: জগন্নাথে ওয়েবিনার ২৭ জুলাই
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

জবির ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের অভিনব উদ্যোগ

জবির ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের অভিনব উদ্যোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম। ছবি: ফেসবুক থেকে

নিউজবাংলার প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে আইনুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা যেন সহজে যোগাযোগ করতে পারে তাই ফেসবুক গ্রুপটি খুলেছি। আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে এমনি আমি অফিসে না থাকলেও যেন যোগাযোগটা সহজ হয়। এ জন্য মোবাইল নম্বরও দিয়ে দিয়েছি।’

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানসহ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো শুনছেন ও সমাধানের কথা বলছেন।

'JnU Students welfare office' নামে গ্রুপটিতে এরই মধ্যে ২ হাজার ৭০০’রও বেশি শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। তিনি নিজেই গ্রুপটি পরিচালনা করছেন।

নিউজবাংলার প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে আইনুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা যেন সহজে যোগাযোগ করতে পারে তাই ফেসবুক গ্রুপটি খুলেছি। আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে এমনি আমি অফিসে না থাকলেও যেন যোগাযোগটা সহজ হয়। এ জন্য মোবাইল নম্বরও দিয়ে দিয়েছি।

‘শুধু তাদের সমস্যা নয়, সমাধানটাও তারা আমাকে জানাবে। কারণ, তাদের সমস্যার সমাধান তারাই ভালো বলতে পারবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমি তো সব সমস্যা জানতে পারব না। শিক্ষার্থীদের সমস্যা জানতে ও সমাধান করতেই এ উদ্যোগ নিয়েছি।’

নিউজবাংলাকে তিনি আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী মেস সংকট নিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ও সমস্যার কথাও জানিয়েছে। আমি তাদের প্রত্যেককে বলেছি, সমাধানে আমি কী করতে পারি’। আবার কিছু শিক্ষার্থী আর্থিক সমস্যার কারণে আবেদন করেছিল, তাদের সুপারিশ করেছি। সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করা হবে।’

ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের এ উদ্যোগে খুশি শিক্ষার্থীরাও। ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা ভালো কিছু বয়ে আনবে বলে আশাবাদ করছেন তারা।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের স্নাতকে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান নিউজবাংলাকে জানান, আগে কোনো সমস্যা মিয়ে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরে গিয়ে যোগাযোগ করতে হতো, অনেক সময় কর্তৃপক্ষকে অফিসে পাওয়া যেত না। এখন যোগাযোগ করাটা সহজ হবে। নি:সন্দেহে এটি ভালো উদ্যোগ।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মারিয়া আক্তার বলেন, ‘খুব ভালো একটি ব্যবস্থা করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য। এখন সহজেই আমরা যোগাযোগ করতে পারব। সমস্যার কথা জানাতে পারব। হয়রানির শিকার হতে হবে না।’

বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী রায়হান বলেন, উদ্যোগটি শতভাগ বাস্তবায়নের আশা রাখছি। ছাত্রকল্যাণ দপ্তরকে আমাদের কল্যাণে কাজ করার অনুরোধ করছি।

জবির ওয়েবসাইট ব্যতীত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ফেসবুক পেইজ বা গ্রুপ নেই। তবে জনসংযোগ দপ্তরের একটি ফেসবুক একাউন্ট রয়েছে।

২০১৮ সালের মার্চ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ড. আব্দুল বাকী। তিনি বর্তমানে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর ছাত্রকল্যাণের পরিচালক হিসেবে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলামকে নিয়োগ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা
মুজিববর্ষ: জগন্নাথে ওয়েবিনার ২৭ জুলাই
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ভর্তি পরীক্ষা

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ভর্তি পরীক্ষা

করোনার কারণে গত বছর আটকে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাগুলোতে এ বছর সশরীরে অংশ নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া এবার প্রথমবারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শুরু হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র পরীক্ষা ছাড়াও এবার প্রথমবারের মতো দেশের ২০টি গুচ্ছভুক্ত সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হবে।

২০ আগস্ট বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালসে (বিইউপি) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১ অক্টোবর থেকে। এ দিন বিজ্ঞান অনুষদ অর্থাৎ ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে।

২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে কলা অনুষদ অর্থাৎ ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা। চারুকলা অনুষদের লিখিত (অঙ্কন) পরীক্ষা হবে ৯ অক্টোবর, আইবিএর ভর্তি পরীক্ষা ১১ অক্টোবর, বাণিজ্য অনুষদ অর্থাৎ ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২২ অক্টোবর এবং সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ কমতে থাকায় আশা করছি নির্ধারিত সময়েই স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা (প্রিলিমিনারি পরীক্ষা) ২০ ও ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে ৬ নভেম্বর।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা (ডিএসডব্লিউ) অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে এই তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে।’

শিক্ষার্থী বেছে নিতে এবার বুয়েটে দুই ধাপে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমে এমসিকিউ পদ্ধতিতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, এরপর লিখিত পরীক্ষা।

১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় (এমসিকিউ পদ্ধতি) থাকবে না কোনো পাস নম্বর। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ছয় হাজার শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৭ নভেম্বর থেকে, চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আলম।

তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সূচি প্রকাশ করা হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ ও ২৮ অক্টোবর। ‘ডি’ ইউনিট ৩০ ও ৩১ অক্টোবর, ‘এ’ ইউনিট ১ ও ২ নভেম্বর, ‘সি’ ইউনিট ২৯ অক্টোবর, বি-১ উপ-ইউনিট ৫ নভেম্বর ও ডি-১ উপ-ইউনিট ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আক্তার বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৪ অক্টোবর, ‘এ’ ইউনিট ৫ অক্টোবর এবং ‘বি’ ইউনিট ৬ অক্টোবর।

প্রতিদিন ৩ শিফটে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এবং দুপুর ১২টা থেকে ১টা ও বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। আশা করছি, নির্ধারিত সময়েই স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা হবে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির আবেদনের শেষ তারিখ ঠিক করা হয়েছে ৩০ নভেম্বর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২৯ অক্টোবর। এদিন প্রযুক্তি অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা হবে। কলা ও সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদে ৩০ অক্টোবর এবং বাণিজ্য অনুষদে ৫ নভেম্বর পরীক্ষা হবে। বিজ্ঞান অনুষদের পরীক্ষা হবে ৬ নভেম্বর।

এ ছাড়া গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১২ নভেম্বর।

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, ‘আশা করছি, নির্ধারিত সময়েই সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা হবে।’

কলেজগুলো হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের ২০টি গুচ্ছভুক্ত সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৭ অক্টোবর থেকে, শেষ হবে ১ নভেম্বর।

মঙ্গলবার ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ‘ভর্তি কমিটির সভায় ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষা ১৭ অক্টোবর, ‘খ’ ইউনিটের ২৪ অক্টোবর এবং ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষার তারিখ ১ নভেম্বর ঠিক করা হয়েছে।

এর আগে ২৫ আগস্ট গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রকাশিত হয়।

গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়া রয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা হবে ২৭ নভেম্বর। এর আগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ৪ সেপ্টেম্বর।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গিয়াসউদ্দিন মিয়া বলেন, ‘করোনার সংক্রমণের কারণে ৪ সেপ্টেম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। ভর্তি কমিটি ২৭ নভেম্বর নতুন তারিখ ঠিক করেছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের তিনটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৩ নভেম্বর।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও চুয়েট পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি হ্রাস পাওয়ায় ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ ঠিক হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ভর্তি পরীক্ষা ১৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমআরএএইউ) স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ২টি বিষয়ের প্রতিটিতে ৩০ জন করে মোট ৬০ জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হবে।

রেজিস্ট্রার এয়ার কমোডর এ কে এম এনায়েতুল কবীর বলেন, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর বিএসএমআরএএইউয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকাসহ তিনটি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা
মুজিববর্ষ: জগন্নাথে ওয়েবিনার ২৭ জুলাই
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল

হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল

হল খোলার দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল রনি বলেন, ‘আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে না দিলে ১ অক্টোবর তালা ভেঙে হলে উঠবে শিক্ষার্থীরা। এর জন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) হল ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে খুলে দিতে আলটমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মশাল মিছিল শেষে সমাবেশ থেকে তার এই আলটমেটাম ঘোষণা করেন।

জাবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মশাল মিছিল বের হয়।

মিছিল শেষে চৌরঙ্গী মোড়ে সমাবেশ থেকে তারা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল-ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার দাবি জানান।

এ সময় বক্তব্য দেন নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল রনি।

তিনি বলেন, ‘উপাচার্য বলেছেন ১৫ অক্টোবরের পর হল খুলে দেয়া হবে, আবার শিক্ষার্থীদের কয়েকদিন ধৈর্যও ধরতে বলেছেন।

‘৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে না দিলে ১ অক্টোবর তালা ভেঙে হলে উঠবে শিক্ষার্থীরা। এর জন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।’

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শোভন রহমান বলেন, ‘আমরা ৩০ সেপ্টেম্বরের পর আর একদিনও হলের বাইরে থাকতে চাই না।’

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ঋদ্ধ অনিন্দ্যের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন রিয়াজুল ইসলাম রিহান ও নুরুজ্জামান শুভ।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একাডেমিক কার্যক্রম সশরীরে চালুসহ ১ অক্টোবরের মধ্যে হল খুলে দিতে প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হকের কাছে দাবি জানায় জাবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন:
গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা
মুজিববর্ষ: জগন্নাথে ওয়েবিনার ২৭ জুলাই
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন