গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা

গান গেয়ে কোভিড রোগীদের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা

করোনায় আক্রান্ত রোগী, চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক-নার্স ও সংশ্লিষ্ট সবার মনোবল বাড়ানোর জন্য হাসপাতালে গান গেয়ে শোনালেন জবি শিক্ষার্থী ফতেহ আলী খান আকাশ। ছবি: নিউজবাংলা

ফতেহ আলী খান আকাশ এ বিষয়ে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এই আয়োজনটি করেছেন। মূলত চিকিৎসক, নার্স এবং কোভিড আক্রান্ত রোগীদের মনোবল বাড়ানো জন্য এমন উদ্যোগ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে বলার সঙ্গে সঙ্গে তাই আমি রাজি হয়ে যাই।’

করোনায় আক্রান্ত রোগী ও কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক-নার্স ও সংশ্লিষ্ট সবার মনোবল বাড়ানোর জন্য হাসপাতালে গান গেয়ে শোনালেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী ফতেহ আলী খান আকাশ।

রাজধানী ঢাকার পান্থপথে হেলথ অ্যান্ড হোপ হসপিটালের কোভিড জোনে রোগীদের মনোবল ধরে রাখার পাশাপাশি চাঙা রাখতে তিনি গান গেয়ে শোনান।

ফতেহ আলী খান আকাশ এ বিষয়ে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এই আয়োজনটি করেছেন। মূলত হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং কোভিড আক্রান্ত রোগীদের মনোবল বাড়ানো জন্য এমন উদ্যোগ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে বলার সঙ্গে সঙ্গে তাই আমি রাজি হয়ে যাই।’

এ বিষয়ে হেলথ অ্যান্ড হোপ হসপিটাল কর্তৃপক্ষ তাদের ফেসবুক পেজে জানায়, কোভিড চিকিৎসায় অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে রোগীর মনোবল ধরে রাখা বা বাড়ানো। হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে আমাদের গত প্রায় দেড় বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে থ্যারাপিউটিকস বা ওষুধ চিকিৎসার পাশাপাশি এই মনস্তাত্ত্বিকভাবে শক্তিশালী করা রোগীদের অনেক ক্ষেত্রেই একাকীত্ব বা মনখারাপের জায়গা থেকে মুক্তি দিতে পারে। কোভিড জোনে রোগীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ, ছিল সংগীতের মাধ্যমে তাদের মনোবল চাঙা করার প্রয়াস।’

এদিকে ইতোমধ্যে ফতেহ আলী খান আকাশের গান গাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে ছুটি ১৯ দিনের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

করোনায় ১৭ মাস বন্ধ থাকার পর শর্তসাপেক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তবে এর জন্য স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমতি লাগবে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পরিচালক (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ) মো. ওমর ফারুখের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও করোনার এক ডোজ টিকা অথবা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে এই শর্তে সশরীরে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।’

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

শর্ত সমূহ:

১. শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীগণ ইতোমধ্যে কমপক্ষে এক ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে অথবা ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য জাতীয় পরিচয় (NID) সহযোগে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব (https://surokkha.gov.bd/) অথবা surokkha app-এর মাধ্যমে নিবন্ধন করে থাকলে।

২. ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব শিক্ষার্থী, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তারা জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য ব্যবহার করে কমিশনের ওয়েবলিংক (https://univac.ugc.gov.bd)-এ ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন করে থাকলে এবং পরবর্তীতে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে টিকা গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করে থাকলে।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উপাচার্যদের বৈঠকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের টিকা নিবন্ধন শেষে কিছু ব্যবস্থা নেয়া সাপেক্ষে যেকোনো দিন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত হয়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে ছুটি ১৯ দিনের

শেয়ার করুন

‘স্কুলে এসেই করোনার প্রমাণ নেই’

‘স্কুলে এসেই করোনার প্রমাণ নেই’

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবসে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। ছবি: নিউজবাংলা

উপমন্ত্রী নওফেল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঘরে থাকলে করোনা সংক্রমণ হতো না বা স্কুলে যাওয়ার কারণে হয়েছে, এই কথার কোনো সত্যতা বা প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই। শিক্ষার্থীরা স্কুলে না গেলেও আত্মীয়স্বজনের বাসায়, বিনোদনের জায়গায়, সবখানেই যাচ্ছিল। তবে যেসব জায়গায় শিক্ষার্থীদের করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, সেখানে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

স্কুলে এসেই যে শিক্ষার্থীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছে, তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান উপমন্ত্রী।

এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্কুলে এসেই যে শিক্ষার্থীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে, তার সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সুনির্দিষ্ট কিছু জায়গায় দেখেছি, শিক্ষার্থীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছে। আমরা সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

করোনা মহামারিতে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়।

১৭ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার ৪ নম্বর ফেরধারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ওই শ্রেণির পাঠদান ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।

এরপর ২১ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ পৌরসভার ১০২ নম্বর বীণাপাণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর করোনা শনাক্তের খবরে ওই শ্রেণির পাঠদানও বন্ধ করা হয়।

পরদিন মানিকগঞ্জে করোনা উপসর্গে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।

সবশেষ ওই দিনই ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ শিশু শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হয়। আক্রান্তের বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়টির দুই শ্রেণিতে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

উপমন্ত্রী নওফেল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঘরে থাকলে করোনা সংক্রমণ হতো না বা স্কুলে যাওয়ার কারণে হয়েছে- এই কথার কোনো সত্যতা বা প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই। শিক্ষার্থীরা স্কুলে না গেলেও আত্মীয়স্বজনের বাসায়, বিনোদনের জায়গায়, সবখানেই যাচ্ছিল। তবে যেসব জায়গায় শিক্ষার্থীদের করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, সেখানে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়া ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবীদের ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মাস্টারদা সূর্যসেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার থেকে শুরু করে যারা ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবে অংশ নিয়েছেন, সেই সব বীরের আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাথা নতুন জাতীয় পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্তির জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে ছুটি ১৯ দিনের

শেয়ার করুন

চবিতে হলের রুম দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২

চবিতে হলের রুম দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এফ রহমান হলের একটি রুম দখল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এর জেরে বৃহস্পতিবার রাতে সোহরাওয়ার্দী হলের একটি রুমে একাকার গ্রুপের কর্মীদের ওপর ভিএক্সের কর্মীরা হামলা চালান। এতে সীমান্ত ও সাব্বির আহত হন।

হলের রুম দখলকে কেন্দ্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন।

ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক শাখা ভিএক্স (ভার্সিটি এক্সপ্রেস) ও একাকার গ্রুপের মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের মো. সীমান্ত ও দর্শন বিভাগের মো. সাব্বির। তারা দুজনই একাকার গ্রুপের কর্মী।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এফ রহমান হলের একটি রুম দখল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এর জেরে বৃহস্পতিবার রাতে সোহরাওয়ার্দী হলের একটি রুমে একাকার গ্রুপের কর্মীদের ওপর ভিএক্সের কর্মীরা হামলা চালান। এতে সীমান্ত ও সাব্বির আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও একাকার গ্রুপের নেতা ইসলাম রাসেল দাবি করেন, ‘আমাদের জুনিয়র কর্মীদের এলোটেড রুমের তালা ভেঙে ভিএক্সের কর্মীরা উঠে যায়। এটা নিয়ে কথা-কাটাকাটি, হাতাহাতি হয়। এখন পরিস্থিতি ঠিক আছে।’

ভিএক্সের নেতা প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় জানান, দুই গ্রুপের প্রথম বর্ষের ছেলেদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে হাতাহাতি শুরু। পরে সিনিয়ররা কথা বলে রাতেই বিষয়টি সমাধান করেছেন।

প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা সেখানে গিয়েছিল। আহতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যালে চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের অভিযোগ দিতে বলেছি।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে ছুটি ১৯ দিনের

শেয়ার করুন

জবির ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের অভিনব উদ্যোগ

জবির ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের অভিনব উদ্যোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম। ছবি: ফেসবুক থেকে

নিউজবাংলার প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে আইনুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা যেন সহজে যোগাযোগ করতে পারে তাই ফেসবুক গ্রুপটি খুলেছি। আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে এমনি আমি অফিসে না থাকলেও যেন যোগাযোগটা সহজ হয়। এ জন্য মোবাইল নম্বরও দিয়ে দিয়েছি।’

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানসহ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো শুনছেন ও সমাধানের কথা বলছেন।

'JnU Students welfare office' নামে গ্রুপটিতে এরই মধ্যে ২ হাজার ৭০০’রও বেশি শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। তিনি নিজেই গ্রুপটি পরিচালনা করছেন।

নিউজবাংলার প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে আইনুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা যেন সহজে যোগাযোগ করতে পারে তাই ফেসবুক গ্রুপটি খুলেছি। আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে এমনি আমি অফিসে না থাকলেও যেন যোগাযোগটা সহজ হয়। এ জন্য মোবাইল নম্বরও দিয়ে দিয়েছি।

‘শুধু তাদের সমস্যা নয়, সমাধানটাও তারা আমাকে জানাবে। কারণ, তাদের সমস্যার সমাধান তারাই ভালো বলতে পারবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমি তো সব সমস্যা জানতে পারব না। শিক্ষার্থীদের সমস্যা জানতে ও সমাধান করতেই এ উদ্যোগ নিয়েছি।’

নিউজবাংলাকে তিনি আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী মেস সংকট নিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ও সমস্যার কথাও জানিয়েছে। আমি তাদের প্রত্যেককে বলেছি, সমাধানে আমি কী করতে পারি’। আবার কিছু শিক্ষার্থী আর্থিক সমস্যার কারণে আবেদন করেছিল, তাদের সুপারিশ করেছি। সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করা হবে।’

ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের এ উদ্যোগে খুশি শিক্ষার্থীরাও। ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা ভালো কিছু বয়ে আনবে বলে আশাবাদ করছেন তারা।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের স্নাতকে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান নিউজবাংলাকে জানান, আগে কোনো সমস্যা মিয়ে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরে গিয়ে যোগাযোগ করতে হতো, অনেক সময় কর্তৃপক্ষকে অফিসে পাওয়া যেত না। এখন যোগাযোগ করাটা সহজ হবে। নি:সন্দেহে এটি ভালো উদ্যোগ।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মারিয়া আক্তার বলেন, ‘খুব ভালো একটি ব্যবস্থা করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য। এখন সহজেই আমরা যোগাযোগ করতে পারব। সমস্যার কথা জানাতে পারব। হয়রানির শিকার হতে হবে না।’

বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী রায়হান বলেন, উদ্যোগটি শতভাগ বাস্তবায়নের আশা রাখছি। ছাত্রকল্যাণ দপ্তরকে আমাদের কল্যাণে কাজ করার অনুরোধ করছি।

জবির ওয়েবসাইট ব্যতীত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ফেসবুক পেইজ বা গ্রুপ নেই। তবে জনসংযোগ দপ্তরের একটি ফেসবুক একাউন্ট রয়েছে।

২০১৮ সালের মার্চ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ড. আব্দুল বাকী। তিনি বর্তমানে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর ছাত্রকল্যাণের পরিচালক হিসেবে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলামকে নিয়োগ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে ছুটি ১৯ দিনের

শেয়ার করুন

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ভর্তি পরীক্ষা

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ভর্তি পরীক্ষা

করোনার কারণে গত বছর আটকে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাগুলোতে এ বছর সশরীরে অংশ নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া এবার প্রথমবারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শুরু হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র পরীক্ষা ছাড়াও এবার প্রথমবারের মতো দেশের ২০টি গুচ্ছভুক্ত সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হবে।

২০ আগস্ট বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালসে (বিইউপি) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১ অক্টোবর থেকে। এ দিন বিজ্ঞান অনুষদ অর্থাৎ ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে।

২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে কলা অনুষদ অর্থাৎ ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা। চারুকলা অনুষদের লিখিত (অঙ্কন) পরীক্ষা হবে ৯ অক্টোবর, আইবিএর ভর্তি পরীক্ষা ১১ অক্টোবর, বাণিজ্য অনুষদ অর্থাৎ ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২২ অক্টোবর এবং সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ কমতে থাকায় আশা করছি নির্ধারিত সময়েই স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা (প্রিলিমিনারি পরীক্ষা) ২০ ও ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে ৬ নভেম্বর।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা (ডিএসডব্লিউ) অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে এই তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে।’

শিক্ষার্থী বেছে নিতে এবার বুয়েটে দুই ধাপে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমে এমসিকিউ পদ্ধতিতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, এরপর লিখিত পরীক্ষা।

১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় (এমসিকিউ পদ্ধতি) থাকবে না কোনো পাস নম্বর। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ছয় হাজার শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৭ নভেম্বর থেকে, চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আলম।

তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সূচি প্রকাশ করা হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ ও ২৮ অক্টোবর। ‘ডি’ ইউনিট ৩০ ও ৩১ অক্টোবর, ‘এ’ ইউনিট ১ ও ২ নভেম্বর, ‘সি’ ইউনিট ২৯ অক্টোবর, বি-১ উপ-ইউনিট ৫ নভেম্বর ও ডি-১ উপ-ইউনিট ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আক্তার বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৪ অক্টোবর, ‘এ’ ইউনিট ৫ অক্টোবর এবং ‘বি’ ইউনিট ৬ অক্টোবর।

প্রতিদিন ৩ শিফটে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এবং দুপুর ১২টা থেকে ১টা ও বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। আশা করছি, নির্ধারিত সময়েই স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা হবে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির আবেদনের শেষ তারিখ ঠিক করা হয়েছে ৩০ নভেম্বর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২৯ অক্টোবর। এদিন প্রযুক্তি অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা হবে। কলা ও সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদে ৩০ অক্টোবর এবং বাণিজ্য অনুষদে ৫ নভেম্বর পরীক্ষা হবে। বিজ্ঞান অনুষদের পরীক্ষা হবে ৬ নভেম্বর।

এ ছাড়া গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১২ নভেম্বর।

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, ‘আশা করছি, নির্ধারিত সময়েই সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা হবে।’

কলেজগুলো হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের ২০টি গুচ্ছভুক্ত সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৭ অক্টোবর থেকে, শেষ হবে ১ নভেম্বর।

মঙ্গলবার ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ‘ভর্তি কমিটির সভায় ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষা ১৭ অক্টোবর, ‘খ’ ইউনিটের ২৪ অক্টোবর এবং ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষার তারিখ ১ নভেম্বর ঠিক করা হয়েছে।

এর আগে ২৫ আগস্ট গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রকাশিত হয়।

গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়া রয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা হবে ২৭ নভেম্বর। এর আগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ৪ সেপ্টেম্বর।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গিয়াসউদ্দিন মিয়া বলেন, ‘করোনার সংক্রমণের কারণে ৪ সেপ্টেম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। ভর্তি কমিটি ২৭ নভেম্বর নতুন তারিখ ঠিক করেছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের তিনটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৩ নভেম্বর।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও চুয়েট পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি হ্রাস পাওয়ায় ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ ঠিক হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ভর্তি পরীক্ষা ১৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমআরএএইউ) স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ২টি বিষয়ের প্রতিটিতে ৩০ জন করে মোট ৬০ জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হবে।

রেজিস্ট্রার এয়ার কমোডর এ কে এম এনায়েতুল কবীর বলেন, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর বিএসএমআরএএইউয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকাসহ তিনটি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে ছুটি ১৯ দিনের

শেয়ার করুন

হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল

হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল

হল খোলার দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল রনি বলেন, ‘আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে না দিলে ১ অক্টোবর তালা ভেঙে হলে উঠবে শিক্ষার্থীরা। এর জন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) হল ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে খুলে দিতে আলটমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মশাল মিছিল শেষে সমাবেশ থেকে তার এই আলটমেটাম ঘোষণা করেন।

জাবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মশাল মিছিল বের হয়।

মিছিল শেষে চৌরঙ্গী মোড়ে সমাবেশ থেকে তারা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল-ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার দাবি জানান।

এ সময় বক্তব্য দেন নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল রনি।

তিনি বলেন, ‘উপাচার্য বলেছেন ১৫ অক্টোবরের পর হল খুলে দেয়া হবে, আবার শিক্ষার্থীদের কয়েকদিন ধৈর্যও ধরতে বলেছেন।

‘৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে না দিলে ১ অক্টোবর তালা ভেঙে হলে উঠবে শিক্ষার্থীরা। এর জন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।’

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শোভন রহমান বলেন, ‘আমরা ৩০ সেপ্টেম্বরের পর আর একদিনও হলের বাইরে থাকতে চাই না।’

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ঋদ্ধ অনিন্দ্যের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন রিয়াজুল ইসলাম রিহান ও নুরুজ্জামান শুভ।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একাডেমিক কার্যক্রম সশরীরে চালুসহ ১ অক্টোবরের মধ্যে হল খুলে দিতে প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হকের কাছে দাবি জানায় জাবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে ছুটি ১৯ দিনের

শেয়ার করুন

২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা

২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। ফাইল ছবি

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা ধরনের অনিয়ম রয়েছে। এ বিষয়ে সবাইকে সর্তক করতে ইউজিসির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্য, সহউপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষ নেই, সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে ইউজিসি।

দেশের ২৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে সর্তকতা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বিজ্ঞপ্তিতে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কী ধরনের সমস্যা রয়েছে সে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সবাইকে গণবিজ্ঞপ্তিটি ইউজিসির ওয়েবসাইট থেকে দেখারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পরিচালক মো. ওমর ফারুখের সই করা বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা ধরনের অনিয়ম রয়েছে। এ বিষয়ে সবাইকে সর্তক করতে ইউজিসির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্য, সহউপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষ নেই, সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে ইউজিসি।

ইউজিসি জানায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বর্তমানে সারা দেশে ১০৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে নয়টিতে এখনও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। ৯৯টিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কী সমস্যা:

ইবাইস ইউনিভার্সিটি: ইবাইস ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজ দুই ভাগে বিভক্ত এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা চলছে। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত কোনো ঠিকানা নেই। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আচার্য ও রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্য, সহউপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ নেই।

আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি : আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি সরকার বন্ধ করেছিল। তবে আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এ বিষয়ে ইউজিসি বলেছে, অনুমোদনের সময়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ঠিকানা ছিল বনানীতে। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর ঠিকানা বারিধারা-নর্দ্দার প্রগতি সরণিতে অনুমোদন দেয়। কিন্তু ইউজিসি সরেজমিন পরিদর্শনে দেখতে পায়, এ ঠিকানায় আইনানুযায়ী জায়গা (স্পেস), শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মতো কোনোরূপ সুযোগ-সুবিধা নেই। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেয়া হয়নি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্য, সহউপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষ নেই।

কুইন্স ইউনিভার্সিটি : কুইন্স ইউনিভার্সিটি সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল। এ নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা হয়। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৫ সালে এক বছরের জন্য সাময়িক শর্ত সাপেক্ষে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার চিঠি দেয়। কিন্তু ওই নির্ধারিত সময়ে তারা শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।

দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা : দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা ১৯৯৫ সালে অনুমোদন পেয়েছিল। কিন্তু আইন না মানায় ২০০৬ সালে সরকার এটি বন্ধ ঘোষণা করে। এ নিয়ে আদালতে যায় বিশ্ববিদ্যালয়টি। পরে আদালত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে রায় দেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ দুই ভাগে বিভক্ত এবং একে অপরের বিরুদ্ধে করা মামলা চলমান। বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান অনুমোদিত ঠিকানা রাজধানীর উত্তরায়।

ইউজিসি গত বছর সেখানে সরেজমিনে পরিদর্শনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অস্তিত্ব পায়নি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সনদ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও বর্তমান বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েছে কমিশন। ইউজিসি এখনও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেয়নি। এটিতে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্য, সহউপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষ নেই।

এশিয়ান ইউনিভার্সটি বাংলাদেশ: এশিয়ান ইউনিভার্সটি বাংলাদেশের বিষয়ে ইউজিসি বলেছে বাংলায় বিএ (অনার্স) সহ কয়েকটি প্রোগ্রাম ২০২১ সালের ‘স্প্রিং সেমিস্টার’ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্য, সহউপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষ পদে বৈধ কোনো কর্তৃপক্ষ নেই।

টাইমস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ: টাইমস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশকে ২০১৫ সালে ১০টি প্রোগ্রামের অনুমোদনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ইউজিসির অনুমোদনের আগেই বিবিএসহ কয়েকটি প্রোগ্রামে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। পরে তারা ভূতাপেক্ষ অনুমোদন চায়। কিন্তু ইউজিসি জানায় তার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে তারা আদালতে সরকার ও ইউজিসির বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলাটি চলমান আছে। এ ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং ফরিদপুর জেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি : সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির অনুমোদিত ক্যাম্পাসের ঠিকানা হলো চট্টগ্রামের মেহেদীবাগ এবং শহীদ মির্জা লেনে। আদালতের রায় অনুযায়ী এই দুটি ক্যাম্পাস ছাড়া অন্যান্য সব ক্যাম্পাস অবৈধ। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়: কয়েকটি শিক্ষা প্রোগ্রামের বিষয়ে আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে চলা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় আছে গণ বিশ্ববিদ্যালয়। এটিতে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্য ও সহউপাচার্য নেই।

প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি: প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটিতে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্য, সহউপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ নেই। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সাবেক চেয়ারম্যানের অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

অননুমোদিত ক্যাম্পাস পরিচালনা

ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। কোন কোন ক্যাম্পাসগুলো অননুমোদিত সেটিও বলা আছে গণবিজ্ঞপ্তিতে।

বোর্ড অব ট্রাস্টিজ নিয়ে দ্বন্দ্ব

বোর্ড অব ট্রাস্টিজ নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ইবাইস ছাড়াও আছে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, কুমিল্লার ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

অননুমোদিত প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে যারা

অননুমোদিত প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে জেড এইচ সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এম এ ইন ইংলিশ প্রোগ্রাম ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া চালাচ্ছে। পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি এলএলবি (চার বছর মেয়াদি) এলএল এম (এক বছর), এলএল এম (২ বছর মেয়াদি) প্রোগ্রামে ইউজিসির অনুমোদন নেই। সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের অনুমোদন নেই।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ (ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) প্রোগ্রাম অনুমোদিত। কিন্তু ইউজিসি বলেছে এই প্রোগ্রামের মধ্যে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে বিবিএ ইন জেনারেল, বিবিএ ইন ফিন্যান্স, বিবিএ ইন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, বিবিএ ইন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, বিবিএ ইন মার্কেটিং, বিবিএ ইন ম্যানেজমেন্ট, বিবিএ ইন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস, বিবিএ ইন অ্যাকাউন্টিং, বিবিএ ইন ইকোনমিকস, বিবিএ ইন এন্টারপিনিউরশিপ এবং বিবিএ সাপ্লাই চেন ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম চালাচ্ছে।

শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন পায়নি যারা

রূপায়ণ এ কে এম শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয় (নারায়ণগঞ্জ), রাজশাহীর আহছানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহ মখদুম ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি, খুলনা খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং সদ্য অনুমোদন পাওয়া কিশোরগঞ্জের শেখ হাসিনা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। এ ছাড়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় আগেই বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের গ্রামে পাঠিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বললেন জবি উপাচার্য
জেলায় পৌঁছে দিতে রুটসহ জবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি
শনিবার থেকে বাড়ি ফিরতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে ছুটি ১৯ দিনের

শেয়ার করুন