ঢাবি শিক্ষক সেকুল ইসলামের মৃত্যু

ঢাবি শিক্ষক সেকুল ইসলামের মৃত্যু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. সেকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

বুধবার দুপুরে সেকুল ইসলামের ভয়াবহ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেকুল ইসলামের মরদেহ ঈদের দিন সন্ধ্যার দিকে ঢাকা থেকে নিজ বাড়ি চাঁদপুরের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. সেকুল ইসলাম আর নেই।

বুধবার দুপুরে সেকুল ইসলামের ভয়াবহ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

সেকুল ইসলামের সঙ্গে থাকা সেমিকন্ডাক্টর টেকনোলজি রিচার্স সেন্টারের ইন্সট্রুমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার সাজিদুল হোসেন সরকার নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সেকুল ইসলামের মরদেহ ঈদের দিন সন্ধ্যার দিকে ঢাকা থেকে নিজ বাড়ি চাঁদপুরের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই তার দাফন সম্পন্ন হবে।

সাজিদুল সরকার বলেন, ‘স্যারের অ্যাজমার সমস্যা ছিল। তবে কোভিড নেগেটিভ। বুধবার সকালে স্যারের শ্বাসকষ্ট শুরু হলে স্যার আমাকে ফোন দিয়ে ডেকে আনেন। আমি এবং স্যারের মেয়ে ওনাকে হাসপাতালে নেয়ার উদ্দেশে গাড়িতে তুলি। সেসময় স্যারের শ্বাস নিতে এতোই কষ্ট হচ্ছিলো যে, তিনি শ্বাস নেয়ার জন্য উচু হয়ে যাচ্ছিলেন।

‘গাড়িতেই স্যারের সঙ্গে আমার সবশেষ কথা হয়। স্যার আমাকে বলেছিলেন, সাজিদ, আমার ভীষণ খারাপ লাগছে। গাড়ির এসিটা ছেড়ে দাও। স্যারের অবস্থা খারাপ দেখে আমি খুব দ্রুত ড্রাইব করে পিজি হাসপাতালে পৌঁছাই।’

সাজিদুল বলেন, ‘গাড়ি থেকে নামানো হলে ডাক্তার জানান স্যার মারা গেছেন। সাজিদ আরও বলেন, গতকাল মঙ্গলবারও স্যারের শ্বাস কষ্ট শুরু হয়। তখনও স্যারকে পিজিতে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে নেবুলাইজিং করা হয়। এতে সুস্থতাবোধ করায় স্যার বাসায় চলে আসেন। তবে ডাক্তাররা হাসপাতালে ভর্তি হতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু স্যার থাকতে চাননি।’

সেকুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান। শোক বার্তায় উপাচার্য বলেন, সেকুল ইসলাম একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষক ও গবেষক। তিনি অত্যন্ত সৎ, বিনয়ী, নম্র ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ। ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন হিসেবেও তিনি অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

উপাচার্য মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আরও পড়ুন:
করোনায় চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী সুমন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি, সব হবে অনলাইনে

প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি, সব হবে অনলাইনে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছেন এক শিক্ষক। ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, ‘করোনায় বন্ধ থাকার পর স্কুল চালু হওয়ায় আমরা আবার শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। তবে এখন থেকে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। বদলি কার্যক্রম পরিচালনা করার সফটওয়্যারের কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। আশা করছি আগামী জানুয়ারি থেকে অনলাইনে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে গত দুই বছর ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল খুলে দেয়ায় শিক্ষক বদলি কার্যক্রম আবার শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

বিষয়টি বুধবার রাতে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম।

তিনি বলেন, ‘করোনায় বন্ধ থাকার পর স্কুল চালু হওয়ায় আমরা আবার শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। তবে এখন থেকে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। বদলি কার্যক্রম পরিচালনা করার সফটওয়্যারের কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। আশা করছি আগামী জানুয়ারি থেকে অনলাইনে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

ডিজিটালি শিক্ষক বদলিতে স্বচ্ছতা আসবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অনিয়ম-বাণিজ্য বন্ধে পুরোনো পদ্ধতি পরিবর্তন করে ডিজিটাল মাধ্যমে আবেদন ও বদলি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম জানুয়ারিতে শুরু হয়, চলে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিবছর এ বদলি নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, আগামী জানুয়ারি থেকে বদলি আগ্রহীদের নতুন করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হবে। প্রাপ্যতা ও যৌক্তিক কারণ থাকলে সহকারী শিক্ষকদের পচ্ছন্দের বিদ্যালয়ে বদলি করা হবে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর গত ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
করোনায় চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী সুমন

শেয়ার করুন

নতুন ক্যাম্পাসে সীমানা প্রাচীর দিচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

নতুন ক্যাম্পাসে সীমানা প্রাচীর দিচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন: ভূমি অধিগ্রহণ এবং উন্নয়ন’ প্রকল্পের অধীনে ২০০ একর জমির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য বুধবার এ চুক্তি করে কর্তৃপক্ষ।

রাজধানীর কেরানীগঞ্জে নতুন ক্যাম্পাসে সীমা প্রাচীর নির্মাণ করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)।

এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কিংডম গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি করেছে।

‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন: ভূমি অধিগ্রহণ এবং উন্নয়ন’ প্রকল্পের অধীনে ২০০ একর জমির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য বুধবার এ চুক্তি করে কর্তৃপক্ষ।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে প্রকল্প পরিচালক প্রকোশলী সাহাদাত হোসেন এবং কিংডম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকমোহাম্মদ নুসরত হোসেন চুক্তিতে সই করেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, প্রধান প্রকৌশলী এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কিংডম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুসরত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। টেন্ডার নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। আমরা ৭ দিনের মধ্যেই কাজ শুরু করব। নির্দিষ্ট ১ বছর মেয়াদের মধ্যেই কাজ শেষ করতে পারব।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনে অধিকৃত ২০০ একর জমিতে প্রায় পৌনে ৫ হাজার মিটার সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য ৩০ কোটি টাকার ই-টেন্ডার ছাড়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে ট্রেজারার এবং উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপাচার্য স্যার ছুটিতে থাকায় আমরা আগেই চুক্তিটি করে ফেলেছি। কারণ, কাজ শুরুর আগে কিছু ফর্মালিটিস থাকে, সেগুলো শেষ করব। আশা করি উপাচার্য স্যার ফিরলে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে কাজ শুরু করতে পারব।’

আরও পড়ুন:
করোনায় চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী সুমন

শেয়ার করুন

মাধ্যমিকের ১৭ তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

মাধ্যমিকের ১৭ তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

ফাইল ছবি

মাউশির মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘সীমিত পরিসরে ক্লাস চালু হলেও শিক্ষার্থীরা যেন বাসায় বসে শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে, এ জন্যই অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হচ্ছে।’

মাধ্যমিকের (ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি) ১৭ তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশির ওয়েবসাইটে বুধবার অ্যাসাইনমেন্টটি প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, সব শিক্ষার্থীকে অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ ও জমা নেয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সীমিত পরিসরে ক্লাস চালু হলেও শিক্ষার্থীরা যেন বাসায় বসে শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে, এ জন্যই অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হচ্ছে।’

গত ২০ মার্চ প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। ইতোমধ্যে ১৬তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা হয়েছে।
করোনার সময়টাতেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখাই অ্যাসাইনমেন্টের উদ্দেশ্য। এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নও করা হবে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর গত ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

এখন চলতি বছরের ও আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস নেয়া হচ্ছে। আর অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে এক দিন করে হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী সুমন

শেয়ার করুন

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সময় জবির একাডেমিক পরীক্ষা বন্ধ

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সময় জবির একাডেমিক পরীক্ষা বন্ধ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানান, ‘ভর্তি পরীক্ষার সময় একাডেমিক পরীক্ষাসমূহ বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বিভাগ যদি একই তারিখে পরীক্ষার সময় দিয়ে থাকে তাহলে তা পরিবর্তন করবে।’

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির সময় অ্যাকাডেমিক পরীক্ষা বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

আগামী ১৭ অক্টোবর ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষা নেয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি। এরপর ২৪ অক্টোবর ‘খ’ ও ১ নভেম্বর ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার তারিখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ক্লাস ও পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানান, ‘ভর্তি পরীক্ষার সময় একাডেমিক পরীক্ষাসমূহ বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বিভাগ যদি একই তারিখে পরীক্ষার সময় দিয়ে থাকে তাহলে তা পরিবর্তন করবে।’

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার দিনগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগসহ বেশ কয়েকটি বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের পরীক্ষা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনায় চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী সুমন

শেয়ার করুন

উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ

উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ

‘আউটকাম বেইজড এডুকেশন বাস্তবায়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা। ছবি: নিউজবাংলা

ড. আবু তাহের বলেন, ‘প্রয়োজনের নিরিখে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হলে উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আসবে। পাঠ্যক্রম যেন জীবনমুখী হয়, দক্ষ স্নাতক তৈরি ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চাহিদা উপযোগী হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে উচ্চশিক্ষা স্তরে পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

ইউজিসির স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স (এসপিকিউএ) বিভাগ আয়োজিত ‘আউটকাম বেইজড এডুকেশন বাস্তবায়ন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বুধবার সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ পরামর্শ দেন।

ড. আবু তাহের বলেন, ‘প্রয়োজনের নিরিখে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হলে উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আসবে। পাঠ্যক্রম যেন জীবনমুখী হয়, দক্ষ স্নাতক তৈরি ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চাহিদা উপযোগী হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

এসপিকিউএ বিভাগের উপ-পরিচালক বিষ্ণু মল্লিকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিভাগের পরিচালক ড. ফখরুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে এসপিকিউএ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক জেসমিন পারভীনসহ কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ড. আবু তাহের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আউটকাম বেইজড এডুকেশন অনুসরণ করে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে উচ্চশিক্ষা স্তরে পাঠ্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এর মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃজন হবে এবং শিক্ষায় বৈচিত্র্য আসবে।’

কর্মশালায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ৩০ জন শিক্ষক অংশ নেন। রিসোর্স পারসন হিসেবে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মোজাহার আলী।

আরও পড়ুন:
করোনায় চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী সুমন

শেয়ার করুন

শুরু হচ্ছে জগন্নাথের ছাত্রী হলে সিটের আবেদন

শুরু হচ্ছে জগন্নাথের ছাত্রী হলে সিটের আবেদন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ তলা বিশিষ্ট ছাত্রী হল।

হল নির্মাণের প্রথম দফায় মেয়াদ ছিল ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত। পরে বেশ কয়েক দফা বাড়ানোর পর চলতি বছর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নবনির্মিত ও একমাত্র ছাত্রী হল ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছাত্রী হল’-এর সিটের জন্য অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বৃহস্পতিবার থেকেই। আবেদনের জন্য সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির আইটি দপ্তর।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য বলেন, ‘অনলাইনে হলের আবেদন সংক্রান্ত আমাদের সব কাজ শেষ। আজকের মধ্যেই প্রভোস্টসহ হল কর্তৃপক্ষের নিকট হ্যান্ডওভার করবো। তারপর তারা একটা ফরমাল নোটিশ দেবে- কবে থেকে, কোন লিংকে গিয়ে করতে হবে এই সংক্রান্ত। এটা স্টুডেন্ট পোর্টাল থেকেই করতে হবে শিক্ষার্থীদের।’

ছাত্রী হলের হাউজ টিউটর ও আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের সহযোগী ড. অধ্যাপক প্রতিভা রানী কর্মকার বলেন, ‘সন্ধ্যার মধ্যেই মোটামুটি আমাদের সব কাজ শেষ হবে। হয়তো আগামীকাল থেকেই ছাত্রীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। বাকিটা আমরা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেবো।’

হল নির্মাণের প্রথম দফায় মেয়াদ ছিল ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত। পরে বেশ কয়েক দফা বাড়ানোর পর চলতি বছর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৫তম সিন্ডিকেটে হলের নীতিমালাও পাস হয়। ১৩ তলা বিশিষ্ট হলে ১৫৬টি কক্ষে মোট ৬২৪ জন ছাত্রীকে সিট বরাদ্দ দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
করোনায় চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী সুমন

শেয়ার করুন

তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস বাড়ছে

তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস বাড়ছে

প্রতীকী ছবি

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক উত্তম কুমার দাশ বুধবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ কমে আসায় প্রাথমিকের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাসের সংখ্যা সপ্তাহে দুই দিন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

আগামী সপ্তাহ থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে দুই দিন করা হবে। এখন সপ্তাহে এক দিন এ দুই শ্রেণির ক্লাস হচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক উত্তম কুমার দাশ বুধবার নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ কমে আসায় প্রাথমিকের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাসের সংখ্যা সপ্তাহে দুই দিন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি হবে।’

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিকের অষ্টম ও নবম শ্রেণির ক্লাস এক দিন করে বাড়িয়ে সপ্তাহে দুই দিন করা হয়।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর গত ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

এখন চলতি বছরের ও আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস নেয়া হচ্ছে। আর অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে এক দিন করে হচ্ছে।

এদিকে শিশু শ্রেণি, নার্সারি ও কেজি শ্রেণির মতো প্রাক্-প্রাথমিক স্তরের শ্রেণিকক্ষের ক্লাস আপাতত বন্ধ রয়েছে।

দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সংশ্লিষ্টদের আগে থেকেই তাগিদ দিয়ে আসছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সবশেষ ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে তিনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্কুল খুলে দেয়ার নির্দেশ দেন।

জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দেশের ৪ কোটির বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যত বেশি সময় বন্ধ থাকবে, ততই বাড়বে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা।

আরও পড়ুন:
করোনায় চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী সুমন

শেয়ার করুন