ঢাবি শিক্ষক সেকুল ইসলামের মৃত্যু

ঢাবি শিক্ষক সেকুল ইসলামের মৃত্যু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. সেকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

বুধবার দুপুরে সেকুল ইসলামের ভয়াবহ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেকুল ইসলামের মরদেহ ঈদের দিন সন্ধ্যার দিকে ঢাকা থেকে নিজ বাড়ি চাঁদপুরের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. সেকুল ইসলাম আর নেই।

বুধবার দুপুরে সেকুল ইসলামের ভয়াবহ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

সেকুল ইসলামের সঙ্গে থাকা সেমিকন্ডাক্টর টেকনোলজি রিচার্স সেন্টারের ইন্সট্রুমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার সাজিদুল হোসেন সরকার নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সেকুল ইসলামের মরদেহ ঈদের দিন সন্ধ্যার দিকে ঢাকা থেকে নিজ বাড়ি চাঁদপুরের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই তার দাফন সম্পন্ন হবে।

সাজিদুল সরকার বলেন, ‘স্যারের অ্যাজমার সমস্যা ছিল। তবে কোভিড নেগেটিভ। বুধবার সকালে স্যারের শ্বাসকষ্ট শুরু হলে স্যার আমাকে ফোন দিয়ে ডেকে আনেন। আমি এবং স্যারের মেয়ে ওনাকে হাসপাতালে নেয়ার উদ্দেশে গাড়িতে তুলি। সেসময় স্যারের শ্বাস নিতে এতোই কষ্ট হচ্ছিলো যে, তিনি শ্বাস নেয়ার জন্য উচু হয়ে যাচ্ছিলেন।

‘গাড়িতেই স্যারের সঙ্গে আমার সবশেষ কথা হয়। স্যার আমাকে বলেছিলেন, সাজিদ, আমার ভীষণ খারাপ লাগছে। গাড়ির এসিটা ছেড়ে দাও। স্যারের অবস্থা খারাপ দেখে আমি খুব দ্রুত ড্রাইব করে পিজি হাসপাতালে পৌঁছাই।’

সাজিদুল বলেন, ‘গাড়ি থেকে নামানো হলে ডাক্তার জানান স্যার মারা গেছেন। সাজিদ আরও বলেন, গতকাল মঙ্গলবারও স্যারের শ্বাস কষ্ট শুরু হয়। তখনও স্যারকে পিজিতে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে নেবুলাইজিং করা হয়। এতে সুস্থতাবোধ করায় স্যার বাসায় চলে আসেন। তবে ডাক্তাররা হাসপাতালে ভর্তি হতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু স্যার থাকতে চাননি।’

সেকুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান। শোক বার্তায় উপাচার্য বলেন, সেকুল ইসলাম একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষক ও গবেষক। তিনি অত্যন্ত সৎ, বিনয়ী, নম্র ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ। ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন হিসেবেও তিনি অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

উপাচার্য মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আরও পড়ুন:
করোনায় চলে গেলেন ঢাবি শিক্ষার্থী সুমন

শেয়ার করুন

মন্তব্য