মেডিক্যাল শিক্ষার ২ বিল সংশোধনের জন্য সংসদে

মেডিক্যাল শিক্ষার ২ বিল সংশোধনের জন্য সংসদে

বিল দুটি ৭ দিনের পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

উপনিবেশিক আমলে প্রণীত মেডিক্যাল ডিগ্রি ও মেডিক্যাল কলেজ সংক্রান্ত দুটি আইন বাতিল করতে জাতীয় সংসদে পৃথক বিল উত্থাপন করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সেমাবার পৃথক পৃথকভাবে ১৯১৬ সালে প্রণীত ‘মেডিক্যাল ডিগ্রিস অ্যাক্ট’ বাতিল করতে ‘মেডিক্যাল ডিগ্রিস (রিপিল) বিল-২৯২১’ ও ১৯৬১ সালে প্রণীত ‘মেডিক্যাল কলেজেস (গভর্নিং বডিস) অর্ডিন্যান্স’ বাতিল করতে ‘মেডিক্যাল কলেজ (গভর্নিং বডিস) (রিপিল) বিল-২০২১’ সংসদে উত্থাপন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

পরে বিল দুটি ৭ দিনের পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

‘মেডিকেল ডিগ্রিস (রিপিল) বিল’ সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, মেডিক্যাল ডিগ্রিস অ্যাক্ট একটি সংক্ষিপ্ত আইন যার প্রতিটি ধারা ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০’ এর এক বা একাধিক ধারায় সন্নিবেশিত রয়েছে। এ আইনের লঙ্ঘন এবং সংঘটিত অপরাধের শাস্তি অপর্যাপ্ত যা সময়োপযোগী নয়। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন একটি বিশদ বিস্তৃত আইন যার প্রয়োগিক দিক থেকে অনেক বিস্তৃত এবং সময়োপযোগী।

মন্ত্রীর যুক্তি, আইনটির কার্যকারিতা ও প্রায়োগিক ক্ষেত্রসমূহ ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন’ এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় আইনটি প্রত্যাহার করা আবশ্যক।

‘মেডিক্যাল কলেজ (গভর্নিং বডিস) (রিপিল) বিল-২০২১’ সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ১৯৬১ সালে মেডিক্যাল কলেজ (গভর্নিং বডিস) অর্ডিন্যান্স প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু কার্যত এই অধ্যাদেশটির তেমন কোনো প্রয়োগ ছিল না। ১৯৮৩ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক দেশে মেডিক্যাল কলেজগুলো সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল কলেজ অফ বাংলাদেশ এবং ডিসিপ্লিনারি কমিটি ফর দ্য মেডিক্যাল কলেজ অফ বাংলাদেশ গঠন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘ওই সময় হতে এখন পর্যন্ত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও ডিসিপ্লিনারি কমিটি কমিটি দ্বারাই সরকারি মেডিক্যাল কলেজ পরিচালিত হয়ে আসছে। এ ছাড়া, বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলো সংশ্লিষ্ট এফিলিয়েটিং বিশ্ববিদ্যালয় এবং ‘বেসরকারি মেডিক্যাল স্থাপন ও পরিচালনা নীতিমালা-২০১১ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। সুতরাং ১৯৬১ সালের মেডিক্যাল কলেজেস (গভর্নিং বডিস) অর্ডিন্যান্সের কার্যকারিতা নেই।”

আরও পড়ুন:
‘ত্রাণ চাই না বাঁধ চাই’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে সংসদে এমপি শাহাজাদা
‘আলেম নয়, অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সুদের ধরা হয়েছে’
৬০ লাখ কর্মী ১০ বছরে বিদেশ গেছেন
আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হলেন শহীদুজ্জামান
জুলাই মাসেই বাদল অধিবেশন শুরুর তোড়জোড় ভারতে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কওমি মাদ্রাসা খোলার তথ্য সত্য নয়

কওমি মাদ্রাসা খোলার তথ্য সত্য নয়

দেশের কওমি মাদ্রাসা খুলে দেয়ার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। অথচ বেফাকের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ জোবায়ের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী ১১ আগস্ট থেকে দেশের সব কাওমি মাদ্রাসা খুলে দেয়ার অনুমতি দিয়েছে, যা সত্য নয়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে বন্ধ থাকা কওমি মাদ্রাসা খোলার অনুমতি দেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের বরাত দিয়ে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক) মাদ্রাসা খোলার যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কওমি মাদ্রাসা খোলা নিয়ে ২ আগস্ট ওই বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল বেফাক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের কওমি মাদ্রাসা খুলে দেয়ার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। অথচ বেফাকের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ জোবায়ের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী ১১ আগস্ট থেকে দেশের সব কাওমি মাদ্রাসা খুলে দেয়ার অনুমতি দিয়েছে, যা সত্য নয়।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো করোনা শনাক্ত হয়। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় সেটি ৩১ আগস্ট করা হয়েছে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়লে ২৬ মার্চ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হলেও পরে বিশেষ বিবেচনায় কওমি মাদ্রাসা চালু রাখার সুযোগ করে দেয় সরকার।

তবে দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনা আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ার পর সরকার কওমি মাদ্রাসাও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।

তবে এর পরেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় কওমি মাদ্রাসা চালু রাখার খবর আসতে থাকে। এরপর গত ৬ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, ‘সরকারি নির্দেশ সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু আবাসিক ও অনাবাসিক মাদ্রাসা এখনও খোলা রয়েছে মর্মে জানা যায়, যা বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে অত্যন্ত স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ।… বর্ণিত অবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কওসি মাদ্রাসাসহ (এতিমখানা ব্যতীত) সব মাদ্রাসা (আবাসিক ও অনাবাসিক) বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। এ নির্দেশ পালনে কোনোরূপ শৈথিল্য প্রদর্শন করা যাবে না।’

আরও পড়ুন:
‘ত্রাণ চাই না বাঁধ চাই’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে সংসদে এমপি শাহাজাদা
‘আলেম নয়, অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সুদের ধরা হয়েছে’
৬০ লাখ কর্মী ১০ বছরে বিদেশ গেছেন
আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হলেন শহীদুজ্জামান
জুলাই মাসেই বাদল অধিবেশন শুরুর তোড়জোড় ভারতে

শেয়ার করুন

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা শুরু ১২ আগস্ট 

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা শুরু ১২ আগস্ট 

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার বলেন, ‘আগামী ১২ থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা অনলাইনে হবে।’

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের স্থগিত হওয়া চূড়ান্ত পরীক্ষা অনলাইনে শুরু হচ্ছে।

আগামী ১২ আগস্ট থেকে পরীক্ষা শুরু হবে বলে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ৩২তম সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলী।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. হাসিবুর রশীদের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আগামী ১২ থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা অনলাইনে হবে। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার বিষয়ে জানিয়ে দেবেন।’

অনলাইনে অনুষ্ঠিত ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সরিফা সালোয়ার ডিনা, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানসহ একাডেমিক কাউন্সিলের অন্য সদস্যরা।

পরীক্ষার সময়সূচি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলেও জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলী।

আরও পড়ুন:
‘ত্রাণ চাই না বাঁধ চাই’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে সংসদে এমপি শাহাজাদা
‘আলেম নয়, অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সুদের ধরা হয়েছে’
৬০ লাখ কর্মী ১০ বছরে বিদেশ গেছেন
আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হলেন শহীদুজ্জামান
জুলাই মাসেই বাদল অধিবেশন শুরুর তোড়জোড় ভারতে

শেয়ার করুন

ঢাবি উপাচার্যকে মার্কিন দূতাবাসের অভিনন্দন

ঢাবি উপাচার্যকে মার্কিন দূতাবাসের অভিনন্দন

মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক স্ট্যাটাস। ছবি: ফেসবুক

ঢাবি উপাচার্য ছাড়া স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাকি তিনজন বাংলাদেশি হলেন অর্থনীতিবিদ ও গণনীতি বিশ্লেষক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, জনপ্রিয় গায়ক, গীতিকার ও অভিনেতা তাহসান খান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বর্তমান নির্বাহী পরিচালক অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন।

শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ঢাকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এ বছর ফুলব্রাইট প্রোগ্রামের ৭৫ বছর পূর্তি পালন করছে। এ উপলক্ষে মার্কিন দূতাবাস চারজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি ফুলব্রাইট অ্যালামনাইকে তাদের নিজ নিজ বিশেষায়িত ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানও।

ঢাবি উপাচার্য ছাড়া স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাকি তিনজন বাংলাদেশি হলেন অর্থনীতিবিদ ও গণনীতি বিশ্লেষক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, জনপ্রিয় গায়ক, গীতিকার ও অভিনেতা তাহসান খান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বর্তমান নির্বাহী পরিচালক অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন।

উপাচার্য আখতারুজ্জামান ২০০২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন কলেজে ফুলব্রাইট স্কলার হিসেবে গবেষণাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বাংলাদেশের জাতীয় কারিক্যুলাম উন্নয়নসহ শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তার অনন্য অবদানের কথা তুলে ধরে মার্কিন দূতাবাস বলে, অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তার জ্ঞান, ধারণা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে মানব সম্প্রদায়ের কল্যাণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

এ ব্যাপারে অনুভূতি জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘ফুলব্রাইট প্রোগ্রামে আমরা বিভিন্ন গবেষণা, ভিন্ন সোসাইটির মানুষদের সঙ্গে মেশা, অন্যের সমাজ, সংস্কৃতি ও ধর্ম সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছি। ওখানে মূল কাজটাই হচ্ছে সবার সঙ্গে মিলেমিশে যোগাযোগ রক্ষা ও তাদের কালচার জানা। আমি যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানাই।’

দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে বাংলাদেশি অ্যালামনাই ছাড়াও বিশ্বের সকল ফুলব্রাইট অ্যালামনাই, যারা তাদের জ্ঞান ও ধারণা বিনিময় এর মাধ্যমে মানব সম্প্রদায় এর কল্যাণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন তাদের অভিনন্দন জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
‘ত্রাণ চাই না বাঁধ চাই’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে সংসদে এমপি শাহাজাদা
‘আলেম নয়, অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সুদের ধরা হয়েছে’
৬০ লাখ কর্মী ১০ বছরে বিদেশ গেছেন
আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হলেন শহীদুজ্জামান
জুলাই মাসেই বাদল অধিবেশন শুরুর তোড়জোড় ভারতে

শেয়ার করুন

ইংরেজি ভার্সন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

ইংরেজি ভার্সন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে অ্যাসাইনমেন্ট ও ইংরেজি ভার্সনের গ্রিড প্রণয়ন করেছে এনসিটিবি। এটি প্রথম ধাপে তিন সপ্তাহের জন্য বিতরণ করা হয়েছে। ইংরেজি ভার্সন অ্যাসাইনমেন্টের ক্ষেত্রেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

চলতি বছরে ইংরেজি ভার্সনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য তিন সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল হোসাইনের সই করা অ্যাসাইনমেন্টটি মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, করোনা মহামারির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে অ্যাসাইনমেন্ট ও ইংরেজি ভার্সনের গ্রিড প্রণয়ন করেছে। এটি প্রথম ধাপে তিন সপ্তাহের জন্য বিতরণ করা হলো। ইংরেজি ভার্সন অ্যাসাইনমেন্টের ক্ষেত্রেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে বিতরণ করা অ্যাসাইনমেন্ট ও ইংরেজি ভার্সনের গ্রিড সকল শিক্ষার্থীদের প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ যথাযথভাবে অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হলো।

এর আগে ১৯ জুলাই রাতে বাংলা ভার্সনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য তিন সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করে মাউশি। এর সঙ্গে অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ ও মূল্যায়ন নির্দেশিকাও প্রকাশ করা হয়।

১৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট ১৮ জুলাই থেকে দেয়া শুরু হবে। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ১২ সপ্তাহে ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে। তারা প্রতি সপ্তাহে দুটি করে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেবে। এসএসসির ক্ষেত্রে প্রতিটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে মোট ৮টি করে অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে, এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি সম্পন্ন করা হবে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো করোনা শনাক্ত হয়। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় সেটি ৩১ আগস্ট করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘ত্রাণ চাই না বাঁধ চাই’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে সংসদে এমপি শাহাজাদা
‘আলেম নয়, অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সুদের ধরা হয়েছে’
৬০ লাখ কর্মী ১০ বছরে বিদেশ গেছেন
আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হলেন শহীদুজ্জামান
জুলাই মাসেই বাদল অধিবেশন শুরুর তোড়জোড় ভারতে

শেয়ার করুন

শোক দিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ  

শোক দিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ  

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থল। ফাইল ছবি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির চিঠিতে বলা হয়, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। বঙ্গবন্ধু এবং ১৫ আগস্টের সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সরকারি ও অন্যান্য কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে ড্রপডাউন ব্যানার লাগানোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

জাতীয় শোক দিবসে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থায় ড্রপডাউন ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ আদেশ দেয়া হয়।

এর আগে ১৮ জুলাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির চিঠিতে বলা হয়, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। বঙ্গবন্ধু এবং ১৫ আগস্টের সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সরকারি ও অন্যান্য কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে ড্রপডাউন ব্যানার (ভবনের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত) লাগানোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

কেমন হবে ড্রপডাউন ব্যানার

ড্রপডাউন ব্যানারটি ভবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মাপ অনুযায়ী ভবনের সামনে দৃশ্যমানভাবে লাগানোর ব্যবস্থা নেয়া এবং ওয়েবসাইটে (mujib100.gov.bd) দেয়া ড্রপডাউন ব্যানারের নমুনার আলোকে বানাতে হবে। ব্যানারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি থাকবে। স্থান সংকুলান সাপেক্ষে ১৫ আগস্টের সব শহিদদের ছবি ব্যবহার করা যাবে। ব্যানারে বঙ্গবন্ধু এবং ১৫ আগস্টের শহিদদের ছাড়া অন্য কোনো ছবি ব্যবহার করা যাবে না।

ড্রপডাউন ব্যানারের উপরে বামপাশে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো, মাঝে বাংলাদেশ সরকারের লোগো (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং ডানপাশে মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহার করা যাবে। তবে ব্যানারের নিচে প্রতিষ্ঠানের নাম লোগোসহ (যদি থাকে) ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যানারে স্থান সংকুলান সাপেক্ষে বঙ্গবন্ধুর কোনো ভাষণের উদ্ধৃতি, দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো উদ্ধৃতি বা কবিতার পক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন:
‘ত্রাণ চাই না বাঁধ চাই’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে সংসদে এমপি শাহাজাদা
‘আলেম নয়, অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সুদের ধরা হয়েছে’
৬০ লাখ কর্মী ১০ বছরে বিদেশ গেছেন
আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হলেন শহীদুজ্জামান
জুলাই মাসেই বাদল অধিবেশন শুরুর তোড়জোড় ভারতে

শেয়ার করুন

শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এনটিআরসিএ’র

শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এনটিআরসিএ’র

শিক্ষক নিয়োগের এই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু হবে আগামী ৮ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে, চলবে ৩১ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। আবেদনকৃত প্রার্থীরা এই সময়ের পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত SMS এর মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন। আবেদন ফি ১০০টাকা।

তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশের পর এবার শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন এনটিআরসিএ সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষা ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মাধ্যমিক বিদ্যালয়/দাখিল মাদরাসা) ভোকেশনাল কোর্স চালুর লক্ষ্যে বিশেষ এ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।’

জানা যায়, শিক্ষক নিয়োগের এই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু হবে আগামী ৮ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে, চলবে ৩১ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। আবেদনকৃত প্রার্থীরা এই সময়ের পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত SMS এর মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন। আবেদন ফি ১০০টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে ১০টি বিষয়ে ৪৬৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য মোট ৬৮৮ জন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। সব পদই এমপিও ভুক্ত।

যে সব বিষয়ে শিক্ষক নেয়া হবে

ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন, সিলিভ কন্সট্রাকশন, জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস, জেনারেল ইলেকট্রনিক ওয়ার্কস/ জেনারেল ইলেকট্রনিক, ড্রেস মেকিং, কম্পিউটার ইনফরমেশন টেকনোলজি, জেনারেল মেকানিক্স, রেফ্রিজারেটর অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন, প্লামবিং অ্যান্ড পাইপ ফিটিং, ওয়েলডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন।

আবেদনের শর্ত

১. আবেদনকারীকে আবশ্যিকভাবে এনটিআরসিএ’র সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিবন্ধনধারী এবং সমন্বিত মেধা তালিকাভুক্ত হতে হবে। এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে জারিকৃত সর্বশেষ জনবল কাঠামো অনুযায়ী কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।

২. আবেদনকারীর বয়স ০১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ৩৫ বছর বা তার কম হতে হবে। তবে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইনডেক্সধারী প্রার্থী এবং মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের ৩৯০০/2019 নং মামলার রায় অনুযায়ী ১২.০৬.২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের পূর্বে যারা শিক্ষক নিবন্ধন সনদ লাভ করেছেন তাদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য।

৩. যিনি যে বিষয়ে এনটিআরসিএ’র নিবন্ধন সনদধারী তিনি তার সংশ্লিষ্ট বিষয়/বিষয়সমূহের বিপরীতে তালিকায় বর্ণিত সব প্রতিষ্ঠানের সব পদে আবেদন করতে পারবেন। তবে এক ব্যক্তি একাধিক প্রতিষ্ঠানের একাধিক পদে আবেদন করলে পছন্দের ক্রম উল্লেখ করে দিতে হবে। তার পছন্দ ও মেধাক্রম অনুসারে মাত্র একটি পদের বিপরীতে তাকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।

অনলাইনে আবেদন ও ফি জমা দেয়া সংক্রান্ত বিষয় জানতে ক্লিক করুন http://ngi.teletalk.com.bd এবং www.ntrca.gov.bd ওয়েবসাইট-এ।

এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল গত ১৫ জুলাই রাতে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

এতে ৫১ হাজার ৭৬১টি পদে সুপারিশ করার কথা থাকলেও সুপারিশ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীকে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জন এবং ননএমপিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৬৭৬ জন। আর ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি মহিলা কোটা পদে নারী প্রার্থী না পাওয়ায় মোট ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফল দেয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
‘ত্রাণ চাই না বাঁধ চাই’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে সংসদে এমপি শাহাজাদা
‘আলেম নয়, অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সুদের ধরা হয়েছে’
৬০ লাখ কর্মী ১০ বছরে বিদেশ গেছেন
আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হলেন শহীদুজ্জামান
জুলাই মাসেই বাদল অধিবেশন শুরুর তোড়জোড় ভারতে

শেয়ার করুন

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: ফলের অসংগতি দূর করার দাবি

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: ফলের অসংগতি দূর করার দাবি

ফলাফলের অসঙ্গতি দূর করার দাবি করেছে নিয়োগ প্রতাশীরা। ফাইল ছবি

এনটিআরসিএর গণবিজ্ঞপ্তিতে পরে যেন ৩৫ বছর বয়সী প্রার্থীদের প্রাধান্য দেয়া হয়, সে বিষয়টিতে নজর রাখার কথা বলা হয়।

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রকাশিত তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির ফলাফলে যেসব অসংগতি বা অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো আমলে নিয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছে গণবিজ্ঞাপ্তিপ্রত্যাশী শিক্ষক ফোরাম।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও চূড়ান্ত সুপারিশ দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। পরে নিয়োগ কার্যক্ৰমে যেন সংরক্ষিত পদ ও ইনডেক্সমুক্ত হয়, সে বিষয়টি খেয়াল রাখার জন্য এনটিআরসিএর কাছে দাবি জানানো হয়।

পরের গণবিজ্ঞপ্তিতে ৩৫ বছর বয়সী প্রার্থীদের যেন প্রাধান্য দেয়া হয়, সে বিষয়টিতে নজর রাখার কথাও বলা হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল গত ১৫ জুলাই রাতে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

৫১ হাজার ৭৬১টি পদে সুপারিশ করার কথা থাকলেও সুপারিশ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীকে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জনকে এবং নন-এমপিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৬৭৬ জনকে সুপারিশ করা হয়।

আর ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি মহিলা কোটা পদে মহিলা প্রার্থী না পাওয়ায় ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফল দেয়া সম্ভব হয়নি।

এর আগে ১৫ জুলাই এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়োগ নিয়ে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি জানান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে আবেদন-প্রক্রিয়া শেষ করা হলেও আদালতে মামলার কারণে আবেদনকারীদের ফলাফল এতদিন প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

শিক্ষক নিবন্ধনের ১ থেকে ১২তম পর্যন্ত পাস করেও চাকরি না পাওয়া ২ হাজার ৫০০ জনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে এনটিআরসিএকে সুপারিশ করে রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট। সে রায় ২৮ জুন বাতিল করে দেয় আপিল বিভাগ।

চলতি বছরের ৩০ মার্চ তৃতীয় ধাপে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৫৪ হাজার ৩০৪ শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫৪ হাজার ৩০৪টি শূন্যপদের মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ৩১ হাজার ১০১টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত পদ ২৬ হাজার ৮৩৮টি। মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ ২০ হাজার ৯৯৬টি। এর মধ্যে ১৯ হাজার ১৫৪টি এমপিওভুক্ত। আর ২ হাজার ২০৭টি এমপিও পদে রিট মামলায় অংশগ্রহণদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়।

আরও পড়ুন:
‘ত্রাণ চাই না বাঁধ চাই’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে সংসদে এমপি শাহাজাদা
‘আলেম নয়, অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সুদের ধরা হয়েছে’
৬০ লাখ কর্মী ১০ বছরে বিদেশ গেছেন
আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হলেন শহীদুজ্জামান
জুলাই মাসেই বাদল অধিবেশন শুরুর তোড়জোড় ভারতে

শেয়ার করুন