ঢাবি শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও ফরম ফিলাপ অনলাইনে

ঢাবি শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও ফরম ফিলাপ অনলাইনে

শিক্ষার্থীরা ভর্তি ও পরীক্ষার ফি ব্যতীত হল এবং বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের যাবতীয় পাওনা পরীক্ষার পর পরিশোধ করতে পারবেন। সেই সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবার ভর্তির বিলম্ব ফি মওকুফ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণির বিভিন্ন বর্ষ বা সেমিস্টারে ভর্তি এবং পরীক্ষার ফরম ফিলাপ অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যাবে। আগামী সোমবার থেকে অনলাইনে এসব কার্যক্রম শুরু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বৃহস্পতিবার এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

সিদ্ধান্তটি শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা ভর্তি ও পরীক্ষার ফি ব্যতীত হল এবং বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের যাবতীয় পাওনা পরীক্ষার পর পরিশোধ করতে পারবেন। সেই সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবার ভর্তির বিলম্ব ফি মওকুফ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা https://student.els.du.ac.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভর্তি ও পরীক্ষার ফরম ফিলাপ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান অনলাইনে ভর্তি ও পরীক্ষার ফরম ফিলাপ সংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিটাল প্রযুক্তিতে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। ডিজিটালাইজেশনের অগ্রযাত্রায় এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন মাইলফলক।

সভায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পত্রিকায় উপাচার্যের কার্টুন: ঢাবির প্রতিবাদ
‘টেক-হোম পদ্ধতিতে’ পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি
‘হল না খুলে পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়’
১ জুলাই থেকে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষা
সশরীরে পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ক্যাম্পাস নজরদারিতে বাড়ছে ক্যামেরা

ক্যাম্পাস নজরদারিতে বাড়ছে ক্যামেরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার মাধ্যমে চলে নিয়মিত নজরদারি। ছবি: নিউজবাংলা

বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ক্যাম্পাসের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট বক্তিরা ক্যামেরায় নজরদারি করবেন। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা যেন বিঘ্ন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ক্যাম্পাসে আরও ২২টি ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। আগের আছে ৪০টি ক্যামেরা। এতে পুরো ক্যাম্পাসে নজর রাখা সহজ হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।

ক্যাম্পাস খোলার পর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখতে এ পদক্ষেপ নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রকল্পটির প্রস্তাবনা শেষ হয়েছে, উপাচার্যের অনুমোদন পেলেই শুরু হবে বাস্তবায়ন। এ তথ্য জানা গেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের আগে থেকেই অনেক ক্যামেরা লাগানো আছে, কিছু জায়গায় আরও লাগাতে হবে। সে জন্য প্রস্তাবনা রেডি হয়ে গেছে। বাকি তথ্য আইটি দপ্তর বলতে পারবে।’

নেটওয়ার্ক এন্ড আইটি দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য বলেন, ‘অলরেডি ২২টি ক্যামেরা কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভিসি স্যার অনুমোদন দিলেই এটার বাস্তবায়ন হবে। এখন ২২টা বসছে, পর্যায়ক্রমে আরও লাগানো হবে। এসব কাজের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবে আইটি দপ্তর।’

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের এক ভার্চুয়াল বৈঠকে গত বৃহস্পতিবার দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার পর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর প্রয়োজনীয়তা আলোচনায় উঠে আসে। ক্যাম্পাসের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ক্যামেরায় নজরদারি করবেন। তবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা যেন বিঘ্ন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে বৈঠকে।

ক্যাম্পাসে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি নৈরাজ্য ও জঙ্গিবাদ নিয়ে আশঙ্কা থাকলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্তমানে ৪০টির বেশি ক্যামেরা আছে। প্রধান ফটক থেকে শুরু করে ভিসি ভবন, নিউ একাডেমিক ভবনের নিচতলা, কলা ভবন, ক্যাফেটেরিয়ার ভেতরে ও বাইরে, অবকাশ ভবন, শান্ত চত্বরসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এসব ক্যামেরা বসানো হয়। নতুন ২২টি ক্যামেরা যোগ হলে ক্যাম্পাস এলাকার পুরোপুরি নজরদারি সহজ হবে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
পত্রিকায় উপাচার্যের কার্টুন: ঢাবির প্রতিবাদ
‘টেক-হোম পদ্ধতিতে’ পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি
‘হল না খুলে পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়’
১ জুলাই থেকে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষা
সশরীরে পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি

শেয়ার করুন

প্রাথমিকে নিয়োগ শিগগির

প্রাথমিকে নিয়োগ শিগগির

প্রতীকী ছবি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শূন্যপদের বিপরীতে এবং ছাত্রসংখ্যার অনুপাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষকসহ অন্যান্য সহায়ক জনবলের বিপরীতে পদ সৃজন ও নিয়োগ-প্রক্রিয়া চলমান আছে। শিগগিরই নিয়োগ-প্রক্রিয়া শেষ করা হবে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিকের শিক্ষকসহ অন্যান্য নিয়োগ শিগগির শেষ করা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

সংসদ ভবনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে রোববার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

শিক্ষার্থীর অনুপাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষকসহ অন্যান্য সহায়ক জনবল সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলমান বলেও মন্ত্রণালয় জানায়।

সংসদ সচিবালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শূন্যপদের বিপরীতে এবং ছাত্রসংখ্যার অনুপাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষকসহ অন্যান্য সহায়ক জনবলের বিপরীতে পদ সৃজন ও নিয়োগ-প্রক্রিয়া চলমান আছে। শিগগির নিয়োগ-প্রক্রিয়া শেষ করা হবে।

ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দন প্রকল্পের আওতায় ২০২০-২১ অর্থবছরে যেসব বিদ্যালয়ে অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনও আইনি জটিলতা নেই, সেসব বিদ্যালয় নির্বাচিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টেন্ডার-প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে কমিটি পুনরায় সুপারিশ করেছে।

সংসদীয় কমিটির বৈঠকে জাতীয়করণ করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক এখনও বেতন পাননি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের বেতন নিশ্চিত করার তাগিদ দেয়া হয়। এ ছাড়া সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার (এডিপিও) পদে কর্মরতদের দ্রুত পদোন্নতি দিতে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়েছেন, তাদের মেধা দেশের অন্য উন্নয়নমূলক কাজে লাগানো যায় কি না, তা বিবেচনার জন্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য মেহের আফরোজ, আলী আজম ও মোশারফ হোসেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
পত্রিকায় উপাচার্যের কার্টুন: ঢাবির প্রতিবাদ
‘টেক-হোম পদ্ধতিতে’ পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি
‘হল না খুলে পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়’
১ জুলাই থেকে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষা
সশরীরে পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি

শেয়ার করুন

‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ

‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বিভাগ রোববার এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে দেশের সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠিয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। জীবন বিমা করপোরেশনের সা‌র্বিক প‌রিচালনায় এ বিমার আর্থিক লেনদেন শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাংকিং‌য়ে করা যা‌বে। ত‌বে এ জন্য কোনো ধরনের সার্ভিস চার্জ বা ফি নেয়া যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বিভাগ রোববার এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে দেশের সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, ‘বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতায় মুজিব শতবার্ষিকীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মানে বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। জীবন বিমা করপোরেশনের বিমাকারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।’

বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমাসংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাংকিং হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যাবে। এ জন্য কোনো প্রকার সার্ভিস চার্জ বা ফি নেয়া যাবে না।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাংকিং হিসাব খোলা ও লেনদেন অব্যাহত রাখার বিষয়ে উৎসাহিত করতে হবে। এ ছাড়া বিমাসংক্রান্ত অন্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

অর্থের অভাবে কোমলম‌তি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ পলিসির আওতায় প্রিমিয়াম মাসে ২৫ টাকা, বছরে ৩০০ টাকা, বিমার অঙ্ক ধরা হয়েছে ১ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
পত্রিকায় উপাচার্যের কার্টুন: ঢাবির প্রতিবাদ
‘টেক-হোম পদ্ধতিতে’ পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি
‘হল না খুলে পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়’
১ জুলাই থেকে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষা
সশরীরে পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি

শেয়ার করুন

অটোপাস হলেও ফাইনাল দিতে হবে প্রথম বর্ষকে

অটোপাস হলেও ফাইনাল দিতে হবে প্রথম বর্ষকে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের লগো

কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমোটেড’ হয় সে ক্ষেত্রে তার শর্ত সাপেক্ষে দেয়া প্রমোশন বা অটোপাস বাতিল গণ্য হবে।

অটোপাস হলেও প্রথম বর্ষের ফাইনাল দিতেই হবে শর্ত সাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষে প্রমোশন পাওয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। আগামী নভেম্বরে এই ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামানের সই করা এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আদেশে জানানো হয়, ২০২০ সালের অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নিতে যেসব শিক্ষার্থী আবেদন ফরম পূরণ করেছে, করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে যথাসময়ে তাদের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যে এসব পরীক্ষার্থীকে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে শর্ত সাপেক্ষে প্রমোশন দেয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি খারাপের দিকে না গেলে ২০২০ সালের অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষা আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

বলা হয়, এই পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে।

এর আগে গত ১৬ জুন ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্ত সাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষে প্রমোশন দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এর আওতায় ওই শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয় বর্ষে প্রমোশন দিয়ে ক্লাস করার অনুমতি দেয়া হয়।

২০২০ সালে অনার্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেন ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬, অনিয়মিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৫০। আর মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯। ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ শিক্ষার্থী।

প্রমোশন পাওয়ার শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শিক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রথম বর্ষের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমোটেড’ হয় সে ক্ষেত্রে তার শর্ত সাপেক্ষে দেয়া প্রমোশন বা অটোপাস বাতিল গণ্য হবে।

আরও পড়ুন:
পত্রিকায় উপাচার্যের কার্টুন: ঢাবির প্রতিবাদ
‘টেক-হোম পদ্ধতিতে’ পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি
‘হল না খুলে পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়’
১ জুলাই থেকে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষা
সশরীরে পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি

শেয়ার করুন

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না: শিক্ষামন্ত্রী

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না: শিক্ষামন্ত্রী

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার সামনে অভিভাবকদের গাদাগাদি। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলের বাইরে অভিভাবকরা জটলা করছেন, যা স্বাস্থ্যবিধির লঙ্ঘন।  শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও অভিভাবকরা অধিকাংশ জায়গায় তা মানছেন না।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাস্থবিধি মানলেও অধিকাংশ অভিভাবক তা মানছেন না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানান তিনি।

রাজধানীতে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে রোববার তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলের বাইরে অভিভাবকরা জটলা করছেন, যা স্বাস্থ্যবিধির লঙ্ঘন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও অভিভাবকরা অধিকাংশ জায়গায় তা মানছেন না।’

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় ছুটি বাড়ানো শেষে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়। পরের দিন থেকে খুলে দেয়া দেয়া মেডিক্যাল, ডেন্টাল ও নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসছে। তাদের সবার মুখে মাস্ক। ব্যবস্থা রাখা হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারেরও। তবে স্কুল-কলেজের বাইরের চিত্র ভিন্ন। অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। বিষয়টিতে তারা গুরুত্বও দিচ্ছেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও খোলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন দীপু মনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি স্বাস্থবিধি মেনে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়েও আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। টিকা দেয়া শেষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলা যাবে। ইতিমধ্যে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে উপাচার্যদের।’

মন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষণ চলছে। সংক্রমণের হার কমে আসলে সব ক্লাসই নেয়া যাবে। তবে হার যদি বেড়ে যায় তখন কারিগরি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘আমরা কঠোর নজরদারিতে রেখেছি স্বাস্থবিধির বিষয়টি। প্রতিষ্ঠানের কোথাও দৃশ্যমান আবর্জনা বা লক্ষণীয় হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ সময় ডেঙ্গুর বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে’, যোগ করেন দীপু মনি।

এর আগে যাত্রাবাড়ী তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও অন্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পত্রিকায় উপাচার্যের কার্টুন: ঢাবির প্রতিবাদ
‘টেক-হোম পদ্ধতিতে’ পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি
‘হল না খুলে পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়’
১ জুলাই থেকে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষা
সশরীরে পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি

শেয়ার করুন

ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রুল

ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রুল

আদেশের বিষয়টি রোববার নিশ্চিত করে আইনজীবী আশরাফুল ইসলাম আশরাফ বলেন, ‘করোনা মহামারির অজুহাতে রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রহিমা খাতুনসহ ১০ জনকে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর অব্যাহতি দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। একরামুন্নেছা স্কুল কর্তৃপক্ষের আইন বহির্ভূতভাবে শিক্ষকদের অব্যাহতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেন শিক্ষকেরা। কিন্তু শিক্ষাবোর্ড তাদের সেই আবেদনটি নিষ্পত্তি না করায় আট শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন।

আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন না করায় ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

আদালত অবমাননা সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম আশরাফ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।

আদেশের বিষয়টি রোববার নিশ্চিত করে আইনজীবী আশরাফুল ইসলাম আশরাফ নিউজবাংলাকে বলেন, করোনা মহামারির অজুহাত দিয়ে রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রহিমা খাতুনসহ ১০ জনকে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর অব্যাহতি দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

একরামুন্নেছা স্কুল কর্তৃপক্ষের আইন বহির্ভূতভাবে শিক্ষকদের অব্যাহতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেন শিক্ষকেরা। কিন্তু শিক্ষাবোর্ড তাদের সেই আবেদনটি নিষ্পত্তি না করায় আট শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গত বছরের ২৪ নভেম্বর ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানকে আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু দীর্ঘ ১০ মাসেও আবেদনটি নিষ্পত্তি না করায় তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা অভিযোগ করা হয়।

আদালত শুনানি নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননায় কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আইনজীবী আশরাফুল ইসলাম আশরাফ নিউজবাংলাকে বলেন, পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছিল রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এই শিক্ষকদের বেতন হতো স্কুলের আয় থেকে। করোনার সময় তাদেরকে এক টাকাও দেয়া হয়নি। হঠাৎ করেই গত বছরের সেপ্টেম্বরে করোনার অজুহাত দেখিয়ে ১০ শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এটা ছিল সম্পূর্ণ অমানবিক।

স্কুলটির প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি মিলে নতুন করে একটি নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পুরানো শিক্ষকদের বিদায় দিয়ে নতুন করে আবার নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্যই মূলত এটি করেছে বলে অভিযোগ করেন রিটকারিদের এই আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
পত্রিকায় উপাচার্যের কার্টুন: ঢাবির প্রতিবাদ
‘টেক-হোম পদ্ধতিতে’ পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি
‘হল না খুলে পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়’
১ জুলাই থেকে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষা
সশরীরে পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি

শেয়ার করুন

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খোলার দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীরা জানান, ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা না হলে লাগাতার আন্দোলন চলবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে খুলে দেয়ার দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করাসহ তিন দফা দাবি তুলেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় মিছিল বের করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সব সড়ক ঘুরে কাজী নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে তা শেষ হয়। পরে সেখানে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সমাবেশ করেন তারা।

তাদের তিন দফা দাবিগুলো হলো, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেয়া, ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং তাদের সহযোগিতার জন্য সামাজিক ও ছাত্র সংগঠনগুলোকে হেল্প ডেস্ক বসানোর অনুমতি দেয়া।

তারা জানান, গত ২৭ আগস্ট প্রশাসনের নির্দেশে স্থগিত হওয়া পরীক্ষা নেয়ার তারিখ ঘোষণা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ। পরীক্ষায় অংশ নিতে রাজশাহী এসে শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকটে পড়ছেন।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রিদম শাহরিয়ার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হল বন্ধ রেখে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা দেয়। এ কারণে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী আসতে শুরু করেছে। মেস নিয়ে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। দুজনের রুমে ৪ জন থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ নিয়ে কোনো চিন্তাই করছে না।

‘সামনে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। হল খোলা না হলে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া নিয়ে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হবে।’

তিনি জানান, ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা না হলে লাগাতার আন্দোলন চলবে।

সমাবেশে অংশ নেন বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ৫৫ শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র উপদেষ্টা তারেক নূর বলেন, ‘আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে হল ও ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে আশা করছি আমরা শিগগিরই শিক্ষার্থীদের হল খুলে দিতে পারব।’

আরও পড়ুন:
পত্রিকায় উপাচার্যের কার্টুন: ঢাবির প্রতিবাদ
‘টেক-হোম পদ্ধতিতে’ পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি
‘হল না খুলে পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য নয়’
১ জুলাই থেকে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষা
সশরীরে পরীক্ষা নিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি

শেয়ার করুন