ভিসি কলিমউল্লাহমুক্ত বেরোবিতে ‘স্বস্তি’

ভিসি কলিমউল্লাহমুক্ত বেরোবিতে ‘স্বস্তি’

কলিমউল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অপছন্দের অনেকের পদোন্নতি তিনি আটকে দেন। পছন্দ না হওয়ায় এবং নানা অনিয়মের প্রতিবাদ করায় বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক রাকিবুল ইসলাম, ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মহুয়া শবনমসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষকের পদোন্নতি বিনা কারণে তিনি আটকে দেন।

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে চার বছরের জন্য ২০১৭ সালের ১ জুন নিয়োগ পেয়েছিলেন ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। সেই হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের এ অধ্যাপকের মেয়াদ শেষ হয়েছে সাত দিন আগে।

যদিও ১৪ জুন যোগ দেয়ায় একটি পক্ষের দাবি উপাচার্যের মেয়াদ শেষ হবে ওই দিন। তবে ১ জুন তার মেয়াদ শেষ হয়েছে ধরে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবি, উপাচার্য হিসেবে নানা সমালোচনার জন্ম দেয়া কলিমউল্লাহর বিদায়ে ক্যাম্পাসে অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে।

তারা জানান, উপাচার্য হিসেবে চার বছর মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের হয়রানি, অপছন্দের হওয়ায় পদোন্নতি আটকে দেয়া, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা, ক্যাম্পাসে না থাকাসহ নানা সমালোচনার জন্ম দেন কলিমউল্লাহ।

এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতাসহ দেখা দেয় চরম বিশৃঙ্খলা। ভেঙে পড়ে প্রশাসনিক ‘চেইন অব কমান্ড’। নষ্ট হয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক।

এ কারণে তার তৈরি করা নানা বিশৃঙ্খলা ও পছন্দের প্রশাসন এখনও থাকলেও অন্তত শান্তিতে দম ফেলার পরিবেশ ফিরেছে।

বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করা উপাচার্য কলিমউল্লাহর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ-

ক্যাম্পাসে না থাকা

উপাচার্য কলিমউল্লাহর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি প্রচার পাওয়া অভিযোগ তিনি অধিকাংশ সময় ক্যাম্পাসে থাকেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন উপস্থিত না থাকায় একপর্যায়ে বিরক্ত হয়ে গত বছরের ৩ জুন ক্যাম্পাসের শেখ রাসেল চত্বরে উপাচার্যের হাজিরাখাতার বোর্ড টাঙিয়ে দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের একাংশের সংগঠন ‘অধিকার সুরক্ষা পরিষদ’ এটি করে।

সেই হাজিরাখাতার হিসাব অনুযায়ী, ১৪ জুন যোগদানের পর উপাচার্য হিসেবে কলিমউল্লাহ পেয়েছেন ১ হাজার ৪৪৭ দিন। এর মধ্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন ২৪০ দিন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ২০৭ দিন।

পদোন্নতি বঞ্চিত করা

কলিমউল্লাহর বিরুদ্ধে আরেক অভিযোগ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অপছন্দের অনেকের পদোন্নতি তিনি আটকে দেন।

অভিযোগ, পছন্দ না হওয়ায় এবং নানা অনিয়মের প্রতিবাদ করায় বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক রাকিবুল ইসলাম, ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মহুয়া শবনমসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষকের পদোন্নতি বিনা কারণে তিনি আটকে দেন।

অথচ নিয়ন অনুযায়ী তাদের অনেকের এক থেকে দেড় বছর আগে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়ার কথা।

কর্মকর্তাদের মধ্যে সহকারী রেজিস্ট্রার এস এম আবদুর রহিম, লাইব্রেরির উপপরিচালক মামদুদুর রহমান, সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলী, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ফিরোজুল ইসলাম, হিসাবরক্ষক বিভাগের সহকারী পরিচালক আনোয়ারুল হক, উপপরিচালক রেজাউল করীম শাহসহ অনেকের পদোন্নতিও আটকে রাখেন।

হয়রানিমূলক বরখাস্ত, মানেননি উচ্চ আদালতের নির্দেশও

অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় হয়রানিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয় ১৫ জন শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। কয়েকজনকে চাকরি থেকে বরখাস্তও করা হয়।

অভিযোগ, এসব শিক্ষক-কর্মকর্তা উচ্চ আদালতে রিট করে যোগদানের আদেশ নিয়ে এলে সেই আদেশও মানা হয়নি।

তাদের মধ্যে ২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। জাহাঙ্গীর হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তার সাময়িক বরখাস্তাদেশ স্থগিত করে তাকে যোগদান করানোর নির্দেশনা দেন। তবে এখনও তাকে যোগ দিতে দেয়া হয়নি। বরং তার পদে উপাচার্যের একজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার তারিকুল ইসলাম ও সহকারী রেজিস্ট্রার এস এম আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে জুয়া খেলার অভিযোগে মামলা করে পুলিশ।

আবদুর রহিমের দাবি, উপাচার্যের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় পুলিশকে দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে জুয়া খেলার মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করান। ওই দিনই এক ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

তিনি জানান, ২০২০ সালের ২৬ আগস্ট এ মামলার চূড়ান্ত রায়ে তাদের খালাস দেয় আদালত। এরপর ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করে স্বপদে যোগ দেয়ার আবেদন করেন তিনি। তিন মাস পর তাকে যোগদান করার সুযোগ দেয়া হয়।

সহকারী রেজিস্ট্রার মুক্তারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ২৬ জুন মামলা দেয়া হয় মাদক সেবনের। ২৮ জুন তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তিনিও বেকসুর খালাস পান। তবে এখন পর্যন্ত তিনি স্বপদে যোগদান করতে পারেননি।

সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলীকে জনসংযোগ দপ্তর থেকে বদলির তিন বছর পর ওই দপ্তরের একটি আলমিরা নেয়া হয় অন্য দপ্তরে। সেই আলমিরার একটি ফাইলকে কেন্দ্র করে ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ আলীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

এটিও উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত করা হয়। তবে হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া উপ-রেজিস্ট্রার তারিকুল ইসলাম, জিয়াউল হক, সাহানা ও শফিয়া শবনমের মূল পদ পরিবর্তন করে নিম্নপদে পদায়ন করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন তারা।

২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি এ সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেন এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হবে না, জানতে চেয়ে ভিসি ও রেজিস্ট্রারকে কারণ দর্শানোর জন্য রুল জারি করে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো জবাব দেয়নি।

অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এটিজিএম গোলাম ফিরোজ, উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার আশরাফুল আলম এবং উপ-রেজিস্ট্রার মোর্শেদ উল আলম রনিকে করা সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করতে আদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই আদেশ না মানায় তারা আদালত অবমাননার মামলা করেন। এরপরও উপাচার্য আদালতে যাননি।

এক শিক্ষককে ৩৩ বার শোকজ

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশের সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানকে ৩৩ বার শোকজ করা হয়েছে।

মশিউর রহমানের দাবি, তিনি সব সময় উপাচার্যের অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন। তাকে দমাতে এতবার শোকজ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি ওই শোকজের জবাব দিইনি। তার যা ইচ্ছে করুক। আমি তো তার অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। তার অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। আমরা চাই তার নজিরবিহীন শাস্তি হোক, তাহলে আরও বেশি স্বস্তি ফিরবে ক্যাম্পাসে।’

শিক্ষকদের হয়রানি

বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ৭৬তম সিন্ডিকেট সভায় পাঁচজন শিক্ষককে সতর্কবার্তা দেয়া হয়।

তারা হলেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম ও সহযোগী অধ্যাপক ড. বিজন মোহন চাকী, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মশিয়ার রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহামুদুল হক।

এর আগেও তারিকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান মণ্ডল, মশিয়ার রহমান, বিজন কুমার চাকীকে একাধিকবার এ ধরনের প্রশাসনিক হুমকি ও শোকজ নোটিশ দেয়া হয়েছে। তারা সবাই উপাচার্যের অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছিলেন।

ভয়াবহ সেশনজট

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থবিরতার কারণে বেশির ভাগ বিভাগের শিক্ষার্থীই দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত সেশনজটে পড়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টস রাইটস ফোরামের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস তমা বলেন, ‘বিভাগের শিক্ষকদের অবহেলার কারণেই এই সেশনজট তৈরি হয়েছে। আমরা এই সেশনজট নিরসনে অনেকবার অনেকভাবে বলেছি, আন্দোলন করেছি। কিন্তু কোনোভাবেই এই সেশনজট থেকে মুক্ত হতে পারিনি। এ কারণে আমাদের অনেকে সরকারি চাকরিতে আবেদনের যোগ্যতা হারাচ্ছেন বা হারাবেন।

শিক্ষার্থীদের নামে থানায় অভিযোগ

উপাচার্যের কর্মকাণ্ড নিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করায় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী বায়েজিদ আহমেদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়। পরে নানা চাপে সেই অভিযোগ মামলা পর্যন্ত গড়ায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্ত চিন্তার একটি বড় জায়গা। সেখানে উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কথা বললে তাদের দমাতে মামলা দিতেন তিনি। ভয় দেখাতেন।

উপাচার্য কলিমুল্লাহর বিদায়ে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসবে। সেশনজট দূর হবে। ক্যাম্পাস আতঙ্কমুক্ত হবে।

শিক্ষক-কর্মকর্তারা কী বলেন

বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘তিনি আমাদের বিরুদ্ধে ইচ্ছে করেই অন্যায় করেছেন। আমরা তার কঠোর শাস্তি চাই।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান বলেন, ‘এই উপাচার্যর আমলে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেভাবে হয়রানি করা হয়েছে, তা কখনোই মেনে নেয়া যায় না। তিনি তো দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য তৈরি করেছিলেন। তিনি তার অন্যায় কাজগুলোর বৈধতা দিতে একটি শক্তিশালী টিম রেখে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আসলেই কলিমউল্লাহ শূন্য বলতে পারি না। কারণ, তার গড়া প্রেতাত্মা তো রেখে যাচ্ছেন। এই প্রেতাত্মাদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উদ্ধার এবং উজ্জ্বল করতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান প্রধান বলেন, ‘গেল ১২ বছরে নানান সংকটে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়টি। সেগুলো থেকে বের হয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীবান্ধব ভিসি চাই আমরা।’

ফোন ধরেননি উপাচার্য

বিস্তারিত জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে না যাওয়ায় তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হয়। তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন:
সশরীরে রিভিউ ক্লাস চান জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা
করোনা: পেছাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ ভর্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু মঙ্গলবার
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে আইনি নোটিশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের ১০ দিনের আল্টিমেটাম

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জবি শিক্ষার্থীদের জন্যে শিওরক্যাশ ও নগদের সুবিধা

জবি শিক্ষার্থীদের জন্যে শিওরক্যাশ ও নগদের সুবিধা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

নিউজবাংলাকে জবির নেটওয়ার্ক অ্যান্ড আইটি দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য বলেন, ‘শিওরক্যাশের যেসব সমস্যা হচ্ছিলো সেগুলো মঙ্গলবারের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে। আর নগদের যেসব কাজ বাকি ছিল তারা শেষ করেছে। মঙ্গলবার আমাদের ম্যানুয়াল পাঠাচ্ছে। ম্যানুয়াল আমরা আজ ওয়েবসাইটে অ্যাড করে দিবো। বুধবার থেকেই শিক্ষার্থীরা নগদেও ফি দিতে পারবে।’  

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের বেতন, ভর্তি ও পরীক্ষার ফিসহ অন্যান্য ফি জমা দেয়ার সুবিধার্থে বুধবার থেকে চালু হবে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা শিওরক্যাশ ও নগদ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলার প্রতিবেদককে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেটওয়ার্ক অ্যান্ড আইটি দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘শিওরক্যাশের যেসব সমস্যা হচ্ছিলো সেগুলো মঙ্গলবারের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে। আর নগদের যেসব কাজ বাকি ছিল তারা শেষ করেছে। মঙ্গলবার আমাদের ম্যানুয়াল পাঠাচ্ছে। ম্যানুয়াল আমরা আজ ওয়েবসাইটে অ্যাড করে দিবো। বুধবার থেকেই শিক্ষার্থীরা নগদেও ফি দিতে পারবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোনো শিক্ষার্থী যদি মেইল ([email protected]) করে আমাকে সমস্যার কথা জানায় সেটা আমি পজিটিভলি নিবো।’

সময় বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা মেইল করে সমস্যা জানালে হয়তো সেটার ওপর নির্ভর করে সময় বাড়ানো হতে পারে।

চলতি বছরের পহেলা এপ্রিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেতন, ভর্তি ও পরীক্ষার ফিসহ অন্যান্য ফি জমা দেয়ার সুবিধার্থে ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদের সাথে চুক্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চুক্তির দেড়মাস পেরিয়ে গেলেও নগদের বিল পেমেন্ট অপশনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম যুক্ত না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি পরিশোধে ভোগান্তিতে পড়ে শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, ২০১৭ সালের শেষের দিকে ভর্তি ও পরীক্ষার ফিসহ সকল ফি পরিশোধের জন্য রূপালি ব্যাংকের অনলাইন ব্যাংকিং সেবা শিওরক্যাশের মাধ্যমে টাকা জমা দেয়ার ব্যবস্থা করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে চলমান করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঢাকার বাইরে অবস্থান করায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিওরক্যাশ এজেন্ট না পাওয়া যাওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থীই বেতন ও ফি পরিশোধে ভোগান্তিসহ নানা জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন।

আরও পড়ুন:
সশরীরে রিভিউ ক্লাস চান জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা
করোনা: পেছাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ ভর্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু মঙ্গলবার
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে আইনি নোটিশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের ১০ দিনের আল্টিমেটাম

শেয়ার করুন

ফের স্থগিত বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা

ফের স্থগিত বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা

এর আগে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ১১ মে ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্ত জানায় কতৃপক্ষ। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন ও ১ জুলায় প্রাথমিক বাছাই ও ১০ জুলাই চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল বুয়েটে।

করোনা পরিস্থিতির অবনতিতে আবারও স্থগিত করে দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা।

মঙ্গলবার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার।

সত্য প্রসাদ মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘লকডাউনের কারণে আমরা ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরীক্ষার নতুন তারিখ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরে জানানো হবে।’

এর আগে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ১১ মে ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্ত জানায় কতৃপক্ষ। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন ও ১ জুলায় প্রাথমিক বাছাই ও ১০ জুলাই চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল বুয়েটে।

আরও পড়ুন:
সশরীরে রিভিউ ক্লাস চান জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা
করোনা: পেছাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ ভর্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু মঙ্গলবার
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে আইনি নোটিশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের ১০ দিনের আল্টিমেটাম

শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের ক্ষতি কমাতে ইউজিসির গাইডলাইন

শিক্ষার্থীদের ক্ষতি কমাতে ইউজিসির গাইডলাইন

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও উপাচার্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা ও বাস্তবতা অনুযায়ী একটি রিকভারি গাইডলাইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়।

করোনার সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে একটি ‘রিকভারি গাইডলাইন’ তৈরি করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। গাইডলাইনে শিক্ষাবর্ষের সময় কমানো, বিভিন্ন ধরনের ছুটি বাতিল, পুরো সিলেবাসে পাঠদান সম্পন্নসহ ছয়টি বিষয় যুক্ত করা হয়েছে।

ইউজিসি সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামানের স্বাক্ষরিত গাইডলাইনটি মঙ্গলবার সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে পাঠানো হয়েছে।

রিকভারি গাইডলাইনে বলা হয়েছে, প্রথমত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত/বিদ্যমান অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারের সময়কাল উল্লেখযোগ্য ও গ্রহণযোগ্যভাবে কমিয়ে আনতে হবে।

দ্বিতীয়ত, সেমিস্টার/ টার্ম বা বার্ষিক পদ্ধতির ক্ষেত্রে ব্যবহারিক বিষয়সহ সকল বিষয়ের ক্লাস/ ক্লাস টেস্ট/ অ্যাসাইনমেন্ট/ কুইজ/ সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা প্রচলিত সময়ের চেয়ে কম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন ছুটি কমানো যেতে পারে বা ছুটি পরিহার করা যেতে পারে।

তৃতীয়ত, প্রতিটি ক্লাসের (তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক) সময় বর্তমানের মতোই থাকবে অর্থাৎ লেকচারের সময় কমানো যাবে না। তবে লেকচারের সংখ্যা কমানোর প্রয়োজন হলেও পুরো সিলেবাসের পাঠদান সম্পন্ন করতে হবে।

চতুর্থত, অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারের সময় কমানোর স্বার্থে ক্লাস টেস্ট/ কুইজ/ মিডটার্ম পরীক্ষা/ অ্যাসাইনমেন্ট/ টার্ম পেপারের ন্যায় বিষয়গুলো নিয়ে নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে।

পঞ্চমত, চূড়ান্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক ছুটি, দুটি বিষয়ের পরীক্ষার মাঝের গ্যাপ ও বর্ষ/সেমিস্টারের/টার্মের মাঝের গ্যাপ কমানো যেতে পারে।

ইউজিসি বলেছে, রিকভারি পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদন নিতে হবে। এরপর শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই অনুমোদিত অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার শিক্ষার্থীদের অবহিত করে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার বাস্তবায়নে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩১ মে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও উপাচার্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা ও বাস্তবতা অনুযায়ী একটি রিকভারি গাইডলাইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ যুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সশরীরে রিভিউ ক্লাস চান জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা
করোনা: পেছাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ ভর্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু মঙ্গলবার
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে আইনি নোটিশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের ১০ দিনের আল্টিমেটাম

শেয়ার করুন

অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণ শুরু করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণ শুরু করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত শিক্ষার্থী এবং পূর্ববর্তী তিনটি শিক্ষাবর্ষের অনিয়মিত শিক্ষার্থীরা গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শুধু এফ গ্রেড পাওয়া কোর্সে ২০২০ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু করছে। ২৪ জুন শুরু হয়ে ফরম পূরণ চলবে আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত। মঙ্গলবার এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত শিক্ষার্থী এবং পূর্ববর্তী তিনটি শিক্ষাবর্ষের অনিয়মিত শিক্ষার্থীরা গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শুধু এফ গ্রেড পাওয়া কোর্সে ২০২০ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

পরীক্ষায় অংশ নেয়ার শর্ত: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশন করা অনার্স কোর্সের যারা ২০১৮ সালের অনার্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা ২০২০ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নেবেন। তাদের ক্ষেত্রে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের সিলেবাস ও সংশোধিত রেগুলেশন কার্যকর হবে।

অনিয়মিত পরীক্ষার্থী: ২০১৫-১৬, ২০১৭-১৮ এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে যেসব শিক্ষার্থী অনার্স প্রথম বর্ষে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হননি অথবা পরীক্ষায় অংশ নেননি, সেসব শিক্ষার্থী অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০২০ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন। আর অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকে পূর্ববতী বছরের পাস করা কোর্সের তত্ত্বীয় পরীক্ষা দিতে হবে না।

এ ছাড়া যারা ২০১৯ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে প্রথমবারের মতো পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সি বা ডি গ্রেড পেয়েছেন শুধু তারাই ২০২০ সালের পরীক্ষায় উচ্চতর গ্রেডে উন্নীত করার জন্য পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পাবেন এবং এফ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীদের সব কোর্সে পরীক্ষা দিতে হবে।

গ্রেড উন্নয়ন: ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী ২০১৯ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তৃতীয় বর্ষে প্রমোশন পেয়েছেন, সেসব শিক্ষার্থী শুধু সি বা ডি গ্রেড কোর্স বা কোর্সগুলোর গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

যেসব শিক্ষার্থী ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তৃতীয় বর্ষে প্রমোশন পেয়েছেন কিন্তু একাধিক কোর্সে ‘এফ গ্রেড’ রয়েছে, তারা ২০২০ সালের পরীক্ষার ‘এফ গ্রেড’ পাওয়া কোর্স বা কোর্সগুলোয় অংশ নিতে পারবেন।

সব এফ গ্রেড পাওয়া কোর্সে পরীক্ষা দিয়ে (রেজিস্ট্রেশনের মাসে) অবশ্যই ন্যূনতম ডি গ্রেডে উন্নীত হতে হবে। এফ গ্রেডকে উচ্চতর গ্রেডে উন্নীত করলে পরবর্তী সময়ে গ্রেড উন্নয়নের কোনো সুযোগ থাকবে না। ফলাফল যেটাই হোক না কেন তারা ‘বি+’ গ্রেডের বেশি পাবেন না।

এ ছাড়া ২০১৯ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সি গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিত একটি কোর্সে ২০২০ সালের পরীক্ষায় অবশ্যই অংশ নিতে হবে। অন্যথায় তার কোর্স বাতিল হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:
সশরীরে রিভিউ ক্লাস চান জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা
করোনা: পেছাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ ভর্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু মঙ্গলবার
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে আইনি নোটিশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের ১০ দিনের আল্টিমেটাম

শেয়ার করুন

হল না খোলায় ঢাবিতে তাঁবু খাটানোর ঘোষণা

হল না খোলায় ঢাবিতে তাঁবু খাটানোর ঘোষণা

আবদুর রহমান খোকন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর, কার্জন হল, কলা ভবন এবং মেয়েদের জন্য রোকেয়া হলের সামনে এসব তাঁবু স্থাপন করা হবে।’

আবাসিক হল বন্ধ থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ-ইনিস্টিউটে চূড়ান্ত পরীক্ষা দিতে আসা অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য তাঁবু খাটানোর ঘোষণা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ছাত্র মঞ্চ নামের একটি সংগঠন।

করোনাভাইরাস মহামারিতে আবাসিক হল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫টি তাঁবু স্থাপন করবে তারা।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির সভাপতি আবদুর রহমান খোকন।

তবে কবে থেকে এই তাঁবু স্থাপন করা হবে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

আবদুর রহমান খোকন বলেন, ‘তাঁবু স্থাপন কাজ কবে শুরু হবে সেটি আমরা প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানিয়ে দিব। প্রাথমিকভাবে এসব তাঁবু আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি পয়েন্টে স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর, কার্জন হল, কলা ভবন এবং মেয়েদের জন্য রোকেয়া হলের সামনে এসব তাবু স্থাপন করা হবে।’

আবাসিক হল বন্ধ রেখে ১ জুলাই থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষা সশরীরে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতি হলে একই তারিখ থেকে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া হবে।

খোকন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হল না খুলে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। এ অবস্থায় মানবিক দিক বিবেচনা করে পরীক্ষার্থীদে জন্য আমাদের পক্ষ থেকে থাকার ব্যবস্থা করার জন্য তাবু স্থাপন করা হবে।’

মুক্তিযুদ্ধ ছাত্র মঞ্চ সংগঠনটি ২০২০ সালের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ছাত্র সংগঠন। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন।

ছাত্র মঞ্চের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক বলছেন ঢাবির এই অধ্যাপক।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাদের জন্য ঢাকায় এসে আবাসন যোগাড় করে পরীক্ষা দেয়া কষ্টকর। ছাত্র মঞ্চের এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য অবশ্যই ইতিবাচক এবং ভালো খবর।’

আরও পড়ুন:
সশরীরে রিভিউ ক্লাস চান জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা
করোনা: পেছাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ ভর্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু মঙ্গলবার
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে আইনি নোটিশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের ১০ দিনের আল্টিমেটাম

শেয়ার করুন

মাঠ সংস্কার হলেই খেলতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

মাঠ সংস্কার হলেই খেলতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠ হিসেবে পরিচিত ধূপখোলা মাঠে পিলার বসিয়েছে সিটি করপোরেশন। ছবি: নিউজবাংলা

মাঠটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একমাত্র খেলার স্থান। যদিও এটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং মাঠটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ডের আওতাধীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র সমাবর্তনও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার ধূপখোলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র খেলার মাঠের সংস্কার শেষ হলেই শিক্ষার্থীরা খেলতে পারবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

খেলার মাঠের চলমান সমস্যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে মেয়র তাপসের বৈঠক শেষে এ আশ্বাস মিলেছে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

সোমবার বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের মধ্যকার এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা সূত্রে জানা যায়, পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত ধূপখোলা মাঠ নামে পরিচিত মাঠটিকে সংস্কার করে আরও উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। দ্রুতই শুরু হবে সংস্কার কাজ। মাঠে বসানো পিলারগুলোও দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সবাই মাঠে আগের মতোই খেলাধূলা করতে পারবে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডিএসসিসি মেয়রের সঙ্গে আজ আমাদের মিটিং হয়েছে। শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলাধুলা করতে পারবে। সিটি কর্পোরেশন পিলারগুলো দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি না নিয়ে মাঠে খুঁটি বসানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মাঠটি আমাদের নামে রেজিস্ট্রেশন করা নেই। সিটি কর্পোরেশনের মাস্টারপ্ল্যানের একটি অংশ হিসেবে তারা মাঠ সংস্কার করে আরও উন্নত করবে। আমাদের আগের মতোই খেলাধুলার সুযোগ থাকবে।’

সভায় উপস্থিত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তাফা কামাল বলেন, ‘আালোচনা হয়েছে, সিটি কর্পোরেশন মেয়র ছাড়াও, সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। আশ্বাস পেয়েছি, আমাদের ছেলেমেয়ে খেলাধুলা করবে।’

এছাড়াও সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, রেজিষ্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠের চারদিকে সাতটি স্থানে ছোট ছোট রড-সিমেন্ট দিয়ে পিলার বসানো হয়েছে। মাঠে কর্মরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৫ জুন এসব পিলার বসানো হয়েছে। এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শামসুজ্জোহাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শ্রমিকদের দাবি, মাঠের সংস্কারের জন্যই মূলত এটা করা হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব পিলার বসিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। এখানে মার্কেট নির্মাণ করা হবে।

৭ একর জমির ওপর ধূপখোলা খেলার মাঠটিতে ১৯৮৪ সালে এরশাদের শাসনামলে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। তার এক ভাগ দেয়া হয় তৎকালীন জগন্নাথ কলেজকে। আর একটি অংশ ‘ইস্ট এন্ড খেলার মাঠ’ নামে একটি ক্লাবের কর্তৃত্বে রয়েছে। অপর অংশটি রাখা হয় জনসাধারণ খেলার জন্য।

মাঠটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একমাত্র খেলার স্থান। যদিও এটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং মাঠটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ডের আওতাধীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র সমাবর্তনও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
সশরীরে রিভিউ ক্লাস চান জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা
করোনা: পেছাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ ভর্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু মঙ্গলবার
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে আইনি নোটিশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের ১০ দিনের আল্টিমেটাম

শেয়ার করুন

১০ শতাংশ কমল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট

১০ শতাংশ কমল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট

বাজেট কমানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘এবার সরকার বিশাল ঘাটতি বাজেট দিয়েছে ৷ ফলে সরকার থেকে আমাদের বলা হয়েছে, এবার সরকারের আয় কম তাই সকল প্রতিষ্ঠানকে ১০ শতাশ কম বরাদ্দ দেবে। তাই প্যানডেমিকের জন্য এবার ১০ শতাংশ কমিয়ে দেয়া হয়েছে।’

২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডেকেট। এবার বাজেটের মোট পরিমাণ ৮৩১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, যা গত বছর থেকে ১০ শতাংশ কম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদনের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্য ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

বাজেটে গবেষণার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১১ কোটি টাকা। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য রাখা হয়নি কোনো প্রণোদনা।

সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর সিনেট সভায় উপস্থাপনের জন্য এ বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। আগামী ২৪ তারিখ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় এ বাজেট সিনেটের বার্ষিক অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

সিন্ডিকেট সদস্য হুমায়ুন কবীর বলেন, এবারের বাজেটে গবেষণার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১.৩২ শতাংশ। শিক্ষক কর্মকর্তা- কর্মচারীদের বেতন বাবদ খাতে ২৭ শতাংশ এবং শিক্ষক কর্মকর্তাদের ভাতা বাবদ ২০.২০ শতাংশ ধরা হয়েছে।

করোনাকালে শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো প্রণোদনা রাখা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, মূল বাজেটে এ বিষয়ে কোনো প্রণোদনা রাখা হয়নি। তবে এ খাতে বিশেষ বরাদ্দের জন্য বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। সেটি সিন্ডিকেটেও আলোচনা করা হয়েছে। সরকারকে সেভাবে লেখা হবে।

গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের মোট পরিমাণ ছিল ৮৬৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। গত বছরের তুলনায় এবারের বাজেট কম ১০ শতাংশ।

বাজেট কমানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সিন্ডিকেট সদস্য হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘এবার সরকার বিশাল ঘাটতি বাজেট দিয়েছে ৷ ফলে সরকার থেকে আমাদের বলা হয়েছে, এবার সরকারের আয় কম তাই সকল প্রতিষ্ঠানকে ১০ শতাশ কম বরাদ্দ দেবে। তাই প্যানডেমিকের জন্য এবার ১০ শতাংশ কমিয়ে দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সশরীরে রিভিউ ক্লাস চান জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা
করোনা: পেছাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ ভর্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু মঙ্গলবার
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে আইনি নোটিশ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের ১০ দিনের আল্টিমেটাম

শেয়ার করুন