২৫০০ জনকে নিয়োগে হাইকোর্টের আদেশ এনটিআরসিএতে

২৫০০ জনকে নিয়োগে হাইকোর্টের আদেশ এনটিআরসিএতে

আদেশ প্রকাশ হওয়ার পর কপি এনটিআরসিএর কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান রিটকারিদের পক্ষের আইনজীবী মহিউদ্দিন হানিফ ফরহাদ। তিনি বলেন, হাইকোর্টের আদেশে রিটকারীদেরকে দ্রুত নিয়োগের সুপারিশ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রথম থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে রিটকারী ২ হাজার ৫০০ জনকে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করতে হাইকোর্টের লিখিত আদেশের কপি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছে পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত লিখিত আদেশ প্রকাশ করে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদেশ প্রকাশ হওয়ার পর কপি এনটিআরসিএর কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান রিটকারিদের পক্ষের আইনজীবী মহিউদ্দিন হানিফ ফরহাদ।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, হাইকোর্টের আদেশে রিটকারীদেরকে দ্রুত নিয়োগের সুপারিশ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

১ থেকে ১২ তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে রিটকারী ২ হাজার ৫০০ জনকে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চার সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ করতে গত ৩১ মে এনটিআরসিএকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে ৫৪ হাজার নিবন্ধনধারীকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা গণবিজ্ঞপ্তি স্থগিত করে হাইকোর্টের আদেশটিও প্রত্যাহার করে নেয়।

নিয়োগের সুপারিশের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তা পালন না করায় এনটিআরসিএর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এ আদেশ দেয়।

আদালতে এনরিআরসিএর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন মো. হানিফ ফরহাদ।

৬ মে এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রথম থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে রিটকারীদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত দিনের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ করার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ৫৪ হাজার নিবন্ধনধারীকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি এক স্থগিত করেছিল আদালত।

আরও পড়ুন:
স্কুল-কলেজে গ্রন্থাগার শিক্ষকও নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ
নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগে সুপারিশের নির্দেশ
শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএকে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

এইচএসসির নির্বাচনি পরীক্ষা হবে না

এইচএসসির নির্বাচনি পরীক্ষা হবে না

এইচএসসির ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখার জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ১ হাজার ৯৪০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কোনো নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে না।

নির্বাচনি পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শুরু করবে ঢাকা বোর্ড। নির্বাচনি পরীক্ষার জন্য কলেজগুলোও কোনো ফি আদায় করতে পারবে না।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম আমিরুল ইসলামের সই করা এক সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনার কারণে এ মুহূর্তে এইচএসসির নির্বাচনি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।’

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের তথ্যসংবলিত সম্ভাব্য তালিকা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে আগামী ২৮ জুন। এ সম্ভাব্য তালিকা হতে আগামী ২৯ জুন থেকে ফরম পূরণ শুরু হবে, চলবে ১১ জুলাই পর্যন্ত।

ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখার জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ১ হাজার ৯৪০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত আদায় করা যাবে না। এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কলেজের ফরম পূরণ প্যানেল বন্ধ করাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেবল বৈধ রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। কোনো শিক্ষার্থী তার রেজিস্ট্রেশনবহির্ভূত কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। অংশ নিলে ওই বিষয়ের পরীক্ষা কোনোরূপ যোগাযোগ ছাড়াই বাতিল করা হবে।

করোনাভাইরাস মহামারিতে গত বছর এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলের গড়ের ওপর এইচএসসির ফল ঘোষণা করা হয়। তবে এ বছর ৮৪ দিনের পাঠ পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা ছিল।

১৩ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, ‘চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগটা অনেক বেশি। আমরা চেষ্টা করছি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তাদের পরীক্ষা নেয়ার। যদি সেটা সম্ভব না হয় তবে তাদের জন্য বিকল্প চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।’

দেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। সেই ছুটি দফায় দফায় বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্কুল-কলেজে গ্রন্থাগার শিক্ষকও নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ
নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগে সুপারিশের নির্দেশ
শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএকে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

করোনা পরিস্থিতিতে দুইবার সশরীরে পরীক্ষা নেয়া শুরু করলেও পরে তা স্থগিত করতে বাধ্য হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

‘পরীক্ষা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাডেমিক কাউন্সিল। এ ছাড়া ট্রেজারার স্যারের তত্ত্বাবধানে প্রক্টরিয়াল বডি ও প্রভোস্ট বডির সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিতে সকল বিভাগীয় শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস যাবে।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে একাডেমিক কাউন্সিলের ভার্চুয়াল সভা শেষে সশরীরে পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু তাহের।

লকডাউনে আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিতে সভায় সব বিভাগীয় শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘পরীক্ষা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাডেমিক কাউন্সিল। এ ছাড়া ট্রেজারার স্যারের তত্ত্বাবধানে প্রক্টরিয়াল বডি ও প্রভোস্ট বডির সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিতে সকল বিভাগীয় শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস যাবে।’

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে পরীক্ষা কমিটির সভায় সশরীরে চলমান সব পরীক্ষা স্থগিত করার সুপারিশ করা হয়।

দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বছরের ১৭ মার্চ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৩ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে এবং গত ১৩ জুন দ্বিতীয় ধাপে সশরীরে পরীক্ষা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

তবে দেশে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতির কারণে কোনোবারই পরীক্ষা নেয়া শেষ করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়।

আরও পড়ুন:
স্কুল-কলেজে গ্রন্থাগার শিক্ষকও নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ
নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগে সুপারিশের নির্দেশ
শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএকে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের দুই ডিপ্লোমা পরীক্ষা স্থগিত

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের দুই ডিপ্লোমা পরীক্ষা স্থগিত

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৬ জুন থেকে ঘোষিত ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট শিক্ষাক্রমের পরীক্ষা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো। স্থগিত পরীক্ষার তারিখ পরে জানানো হবে।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি শিক্ষাক্রমের আগামীকাল অনুষ্ঠেয় পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছে।

এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শুক্রবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৬ জুন থেকে ঘোষিত ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট শিক্ষাক্রমের পরীক্ষা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো। স্থগিত পরীক্ষার তারিখ পরে জানানো হবে।

গত মার্চ মাসে এসব পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়।

আরও পড়ুন:
স্কুল-কলেজে গ্রন্থাগার শিক্ষকও নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ
নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগে সুপারিশের নির্দেশ
শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএকে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

এইচএসসির ফরম পূরণ শুরু ২৯ জুন

এইচএসসির ফরম পূরণ শুরু ২৯ জুন

ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখার জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ১ হাজার ৯৪০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষার জন্য অনলাইনে ফরম পূরণ শুরু হচ্ছে ২৯ জুন। শেষ হবে আগামী ১১ জুলাই।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ শুক্রবার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এবারের এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে কোনো নির্বাচনি পরীক্ষা হবে না। তাই এ-সংক্রান্ত কোনো ফি-ও নেয়া যাবে না।

ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখার জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ১ হাজার ৯৪০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারিতে গত বছর এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার ফলের গড়ের ওপর এইচএসসির ফল ঘোষণা করা হয়। তবে এ বছর ৮৪ দিনের পাঠ পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

১৩ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, ‘চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগটা অনেক বেশি। আমরা চেষ্টা করছি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তাদের পরীক্ষা নেয়ার। যদি সেটা সম্ভব না হয় তবে তাদের জন্য বিকল্প চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।’

দেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় বন্ধ বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩০ জুন পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
স্কুল-কলেজে গ্রন্থাগার শিক্ষকও নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ
নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগে সুপারিশের নির্দেশ
শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএকে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতিতে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তির আলোকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সব পরীক্ষা, নিয়োগ ও সান্ধ্যকালীন এমবিএ ১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হল।

ময়মনসিংহের ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ১১টি এলাকায় শুক্রবার থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করায় এ স্থগিতাদেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতিতে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তির আলোকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সব পরীক্ষা, নিয়োগ ও সান্ধ্যকালীন এমবিএ ১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হল।

তবে এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সার্ভিস চলমান থাকবে। জরুরি সার্ভিসে জড়িতদের জন্য চাহিদা অনুযায়ী গাড়ি চলাচল করবে।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. হুমায়ুন বলেন, আপাতত ১ জুলাই পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসহ অন্য কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক জানান, ময়মনসিংহে আশঙ্কাজনক হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে ১ জুলাই মধ্যেরাত পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় লকডাউন দেয়া হয়েছে।

লকডাউনের আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো চরপাড়া, মাসকান্দা, নয়াপাড়া, কৃষ্টপুর, আলিয়া মাদ্রাসা এলাকা, নওমহল, আর.কে. মিশন রোড, বাউন্ডারি রোড, পাটগুদাম, কাঁচিঝুলি ও গাঙ্গিনারপাড়।

এদিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৭৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় আক্রান্তের হার ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
স্কুল-কলেজে গ্রন্থাগার শিক্ষকও নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ
নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগে সুপারিশের নির্দেশ
শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএকে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

কওমি মাদ্রাসাকে নিবন্ধন দিতে চায় সরকার

কওমি মাদ্রাসাকে নিবন্ধন দিতে চায় সরকার

কওমি মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে একটি সমন্বিত নীতিমালা করা হবে। এর আওতায় কওমি মাদ্রাসাগুলোকে নিবন্ধন দেয়া হবে। এ ছাড়া কওমির ছয় বোর্ডকে সমন্বয় করে একটি কওমি শিক্ষা বোর্ড গঠনের কথাও ভাবা হচ্ছে।

দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে চায় সরকার। এরই মধ্যে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। এ লক্ষ্যে একটি নীতিমালা তৈরিতে কমিটিও করা হয়েছে।

সরকারের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। এ জন্য একটি সমন্বিত নীতিমালা করা হবে।

‘এর আওতায় কওমি মাদ্রাসাগুলোকে নিবন্ধন দেয়া হবে। এ ছাড়াও কওমির ছয় বোর্ডকে সমন্বয় করে একটি কওমি শিক্ষা বোর্ড গঠনের কথাও ভাবা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের উদ্যোগ আরও আগেই নেয়া উচিত ছিল। মাদ্রাসা শিক্ষা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ জন্য সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যুগোপযোগী নীতিমালা করতে হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশের সকল কওমি মাদ্রাসাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে তদারকি করা উচিত।

‘এ উদ্যোগটি আগেই নেয়া দরকার ছিল। এতে যেমন শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে, তেমনি শিক্ষার্থীদের কেউ ভুল পথে পরিচালিত করতে পারবে না।’

তিনি আরও বলেন, এ উদ্যোগের ফলে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারি চাকরিতে তারা সুযোগ পাবে।

২১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এক অফিস আদেশে এ-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের জন্য ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। এতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমানকে আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরিদর্শক মো. আব্দুস সেলিমকে করা হয়েছে সদস্যসচিব।

১৫ সদস্যের ওই কমিটিতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, জননিরাপত্তাবিষয়ক বিভাগের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আছেন।

এ ছাড়া কওমি মাদ্রাসার ছয় বোর্ডের চেয়ারম্যানদেরও পদাধিকার বলে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন বেফাক সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসান, গওহরডাঙ্গা বোর্ডের মুফতি রুহুল আমীন, আঞ্জুমানে ইত্তিহাদ বোর্ডের মাওলানা আবদুল হালিম বোখারি, সিলেটের আযাদ দ্বীনি বোর্ডের মাওলানা জিয়াউদ্দিন, তানযীমুল মাদারিসের মুফতি আরশাদ রহমানী ও জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ।

আরও পড়ুন:
স্কুল-কলেজে গ্রন্থাগার শিক্ষকও নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ
নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগে সুপারিশের নির্দেশ
শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএকে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন

ঢাবি: বাজেট প্রত্যাখান ছাত্র ইউনিয়নের

ঢাবি: বাজেট প্রত্যাখান ছাত্র ইউনিয়নের

নেতারা বলছেন, পুরো দেশ যখন করোনায় বিপর্যস্ত তখন বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা খাতে মনোযোগ না দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়বে, দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে এটা লজ্জাজনক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ অর্থবছরের পাস হওয়া বাজেট শিক্ষার্থীবান্ধব নয় দাবি করে প্রত্যাখান করেছে ছাত্র ইউনিয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ।

নেতারা বলছেন, পুরো দেশ যখন করোনায় বিপর্যস্ত তখন বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা খাতে মনোযোগ না দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়বে, দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে এটা লজ্জাজনক।

শুক্রবার দুপুরে ঢাবি সংসদের দপ্তর সম্পাদক আদনান আজিজ চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব উল্লেখ করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের বার্ষিক সভায় চলতি অর্থবছরের বাজেট অনুমোদিত হয়। এ বছরের বাজেট ৮৩১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, যা গত বছরের বাজেটের তুলনায় ১০ শতাংশ কম।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি সাখাওয়াত ফাহাদ ও সাধারণ সম্পাদক রাগীব নাইম বলেন, ৮৩১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বাজেটের মধ্যে শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ সর্বোচ্চ ৬১১ কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। আর অন্য দিকে গবেষণা বাবদ ধরা হয়েছে মাত্র ১১ কোটি ১২ লাখ টাকা। এটি কোনভাবেই শিক্ষার্থী বান্ধব বাজেট নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের আধুনিকায়ন, আইসোলেশন সেন্টার, অক্সিজেনের জন্যও আলাদা বরাদ্দ দেয়া হয়নি। অনলাইন পরীক্ষার কথা বললেও বরাদ্দ রাখা হয়নি আর্থিকভাবে দুর্বল শিক্ষার্থীদের ডিভাইস সরবরাহের জন্য। গত অর্থবছরে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির কারণে বেঁচে যাওয়া টাকা কেনো হল সংস্করণ ও মেডিক্যাল সেন্টার আধুনিকায়নে ব্যবহার না করে ফেরত দেয়া হয়েছে তাও বোধগম্য নয়।

বাজেট প্রত্যাখান করে গবেষণা ও শিক্ষার্থীবান্ধব খাতে বাজেট বরাদ্দের দাবি জানান সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ।

আরও পড়ুন:
স্কুল-কলেজে গ্রন্থাগার শিক্ষকও নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ
নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগে সুপারিশের নির্দেশ
শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএকে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

শেয়ার করুন