আগামী সপ্তাহে শুরু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকাদান

প্রতীকী ছবি।

আগামী সপ্তাহে শুরু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকাদান

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সচিব ফেরদৌস জামান বলেন, আগামী সপ্তাহের শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

আগামী সপ্তাহ থেকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন হলের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

টিকা কার্যক্রম শেষ হলেই খুলে দেয়া হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সচিব ফেরদৌস জামান।

তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহের শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উপাচার্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় চারটি সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সভার সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোভিড-১৯-এর টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই টিকাদান কর্মসূচি আবাসিক হলগুলোর শিক্ষার্থীদের দিয়ে শুরু হবে।

শর্তসাপেক্ষে সশরীরে উপস্থিতিতে পরীক্ষা গ্রহণ এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য যে দুটি নির্দেশনা প্রদান করেছে, তা নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদনের মাধ্যমে কার্যকর করে বিষয়বস্তুর ওপর চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ন করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯-এর টিকা প্রদান সম্পন্ন হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেয়া হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিতিতে শিক্ষাকার্যক্রম আগের মতো চালু হবে।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নেয়ার জন্য প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব সক্ষমতা ও বাস্তবতা অনুযায়ী একটি ‘রিকভারি প্ল্যান’ প্রস্তুত করে তা বাস্তবায়নে কার্যক্রম গ্রহণ করবে। এই ‘রিকভারি প্ল্যান’ -এর একটি সাধারণ গাইডলাইন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন তৈরি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাবে।

দেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এ ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। বন্ধ দফায় দফায় বাড়িয়ে আগামী ১২ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, করোনাভাইরাসের টিকার দুটি ডোজ সব শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীকে দেয়া সম্পন্ন হলেই আবাসিক হলযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘আবাসিক শিক্ষার্থীদের করোনা টিকার আওতায় আনার পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে কতজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছেন, সে তথ্য ইউজিসির কাছে চেয়েছি। যাদের বয়স ৪০-এর বেশি, বেশির ভাগই টিকা নিয়েছেন বলে আমরা তথ্য পেয়েছি।’

‘শিক্ষার্থীদের যাদের বয়স ৪০-এর কম, তাদের বিশেষ বিবেচনায় টিকা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। নতুন টিকা এলেই তারা অগ্রাধিকার পাবেন। এ ক্ষেত্রে আবাসিক শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন। এ সংখ্যা যেহেতু বিশাল নয়, তাই দ্রুত তাদের টিকার আওতায় নিয়ে আসতে পারব বলে আশা করছি।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি সম্ভব নয়

উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি সম্ভব নয়

রোববার ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত উদ্ভাবন ও সেবা সহজীকরণ বিষয়ে দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা

অধ্যাপক আলমগীর বলেন, করোনা উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ইউজিসি শুরু থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অনলাইনে ক্লাস ও শর্তসাপেক্ষে পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তহীনতার জন্য এ ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাস্তবতা মেনে ও ইউজিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঠদান ও পরীক্ষা গ্রহণ করলে তারা এই সংকটের মাঝেও এগিয়ে যেতে পারত।

নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সহযোগিতা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর।

তিনি বলেন, উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এগিয়ে নিতে হবে। সৃজনশীলতা ছাড়া উদ্ভাবন সম্ভব নয় এবং নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে হলে জীবনকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে।

রোববার ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত উদ্ভাবন ও সেবা সহজীকরণ বিষয়ে দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক আলমগীর বলেন, করোনা উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ইউজিসি শুরু থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অনলাইনে ক্লাস ও শর্তসাপেক্ষে পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তহীনতার জন্য এ ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাস্তবতা মেনে ও ইউজিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঠদান ও পরীক্ষা গ্রহণ করলে তারা এই সংকটের মাঝেও এগিয়ে যেতে পারত।

তিনি আরও বলেন, ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যুগের চাহিদা পূরণে আমাদের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। এই পরিবর্তন ও চাহিদার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারলে জাতি হিসেবে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি জানান।

ইউজিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান। ইউজিসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও উদ্ভাবনের ফোকাল পয়েন্ট রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় কমিশনের আইএমসিটি বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও ইনোভেশন অফিসার মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া যুক্ত ছিলেন।

কর্মশালায় ইউজিসির ১৯ জন সিনিয়র সহকারী পরিচালক এবং সমমানের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর আরোপ প্রতাহার চায় ছাত্রদল

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর আরোপ প্রতাহার চায় ছাত্রদল

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩তম অনুচ্ছেদ মতে শিক্ষা দেশের নাগরিকদের সুযোগ নয়; অধিকার। কিন্তু এই অধিকার রক্ষায় বর্তমান সরকার কখনোই আন্তরিক ছিল বলে মনে হয় না।

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

রোববার ছাত্রদল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩তম অনুচ্ছেদ মতে শিক্ষা দেশের নাগরিকদের সুযোগ নয়; অধিকার। কিন্তু এই অধিকার রক্ষায় বর্তমান সরকার কখনোই আন্তরিক ছিল বলে মনে হয় না।

“সরকারের নীতিনির্ধারকেরা নিজেদের যতই শিক্ষা বান্ধব বলে দাবি করেন না কেন, শিক্ষা খাতের দুষ্টচক্র তুল্য ভ্যাটবান্ধব এই বাজেট কিছুতেই তা সাক্ষ্য দেয়না। উপরন্তু এনবিআরের বক্তব্য ‘ভ্যাটের কারণে শিক্ষার্থীদের উপর চাপ বাড়বে না, কারণ এটি শোধ করবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো’ এ বক্তব্য পুরোটাই শুভঙ্করের ফাঁকি বৈ কিছু না!”

শিক্ষাস্বার্থ সংরক্ষণে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত প্রস্তাবিত ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানানোর পাশাপাশি সরকারের অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারের ঘাড়েই বর্তাবে বলেও সতর্ক করে ছাত্রদল।

শেয়ার করুন

বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে নিয়োগে ইউজিসির ৫ শর্ত

বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে নিয়োগে ইউজিসির ৫ শর্ত

অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক। ফাইল ছবি

অনলাইনে নিয়োগ পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার নেয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেটের অনুমোদিত একটি নীতিমালা থাকতে হবে।

শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে উপস্থিতির পাশাপাশি অনলাইনেও শর্ত সাপেক্ষে নিয়োগ পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

ইউজিসির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামানের স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি রোববার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে পাঠানো হয়েছে।

ইউজিসি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের চিঠি দেয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান করোনাভাইরাসের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে প্রচলিত সশরীর নিয়োগ পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা সম্ভব না হলে নিম্নবর্ণিত শর্তাবলি আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন সাপেক্ষে অনলাইন পদ্ধতিতে পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা যেতে পারে।

ইউজিসির দেয়া পাঁচ শর্ত

১. অনলাইনে নিয়োগ পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার গ্রহণের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারবে না।

২. বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি, বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে অনুমোদিত পদের বিপরীতে উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি প্রচারের মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

৩. অনলাইনে নিয়োগ পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার নেয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেটের অনুমোদিত একটি নীতিমালা থাকতে হবে।

৪. অনলাইনে নিয়োগ পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকারের অডিও-ভিডিও কমপক্ষে দুই বছরের জন্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

৫. নির্বাচিত আবেদনকারীর মূল সনদপত্রগুলো যাচাই করে নিয়োগপত্র দিতে হবে।

সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিষয়টি আলোচনায় আসে। নিয়োগের বিরোধিতা করে অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ-প্রক্রিয়াকে নজিরবিহীন ও বিভাগীয় কনভেনশনের লঙ্ঘন উল্লেখ করে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক।

অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ-পক্রিয়া বন্ধ করতে ৯ জুন ইউজিসির কাছে আবেদন করেছিলেন ওই শিক্ষকরা।

শেয়ার করুন

জবিতে সশরীরে সেমিস্টার ফাইনাল শুরু ১০ আগস্ট

জবিতে সশরীরে সেমিস্টার ফাইনাল শুরু ১০ আগস্ট

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষা হবে আগস্টের ১০ তারিখ। একটু পর প্রেস রিলিজ দিয়ে জানিয়ে দেয়া হবে। জুলাইয়ের মধ্যে নিজ নিজ বিভাগ অনলাইনে রিভিউ ক্লাস এবং মিড পরীক্ষা নেবে। আর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা আগস্টের প্রথম সপ্তাহে সশরীরে অনুষ্ঠিত হবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বর্ষের আটকে থাকা সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হবে ১০ আগস্ট থেকে। পরীক্ষাগুলো হবে সশরীরে। তবে সেমিস্টার ফাইনালের আগে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করতে হবে দুই সেমিস্টারের সকল অ্যাসেসমেন্ট।

একাডেমিক কাউন্সিলের এক অনলাইন মিটিংয়ে রোববার এসব সিদ্ধান্ত হয় বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষা হবে আগস্টের ১০ তারিখ। একটু পর প্রেস রিলিজ দিয়ে জানিয়ে দেয়া হবে। জুলাইয়ের মধ্যে নিজ নিজ বিভাগ অনলাইনে রিভিউ ক্লাস এবং মিড পরীক্ষা নেবে। আর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা আগস্টের প্রথম সপ্তাহে সশরীরে অনুষ্ঠিত হবে।

‘এটা অনেকটাই করোনার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। যদি করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ না করে তাহলে আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অটুট থাকব।’

সিদ্ধান্তটি ‘খুবই সুন্দর’ বলে উল্লেখ করেছেন কোষাধ্যক্ষ কামালউদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, ‘যেহেতু করোনা বেড়ে গেছে, তাই আমরা কোনো শিক্ষার্থীকে ঢাকায় এনে বিপদে ফেলতে চাই না। চূড়ান্ত পরীক্ষাগুলো সব ১০ আগস্ট থেকে শুরু হবে। কিন্তু দুই সেমিস্টারের মিড, অ্যাসাইনমেন্ট যেভাবে শিক্ষার্থীবান্ধব হয় অনলাইনে শিক্ষকরা ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে তা নিয়ে শেষ করবেন। ২৯ জুনের আগে ভর্তি ও পরীক্ষার ফরম ফিলাপ কার্যক্রম শেষ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে নোটিশ দিয়ে দেয়া হবে। আর পরীক্ষা ফি, সেমিস্টার ফি এসব অনলাইনে দিয়ে দেয়া হবে। সেমিস্টার ফাইনাল ব্যতীত সকল কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে।’

সশরীরে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার জন্য শনিবারই শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। তিনি বলেন, ‘ঢাকায় এসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেয়ার জন্য মানসিক প্রস্তুতি নেয়া উচিত।… সামনের সপ্তাহেই বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.পারভীন আক্তার জেমি নিউজবাংলাকে বলেন, ঈদের বন্ধের আগে সকল মিড টার্ম পরীক্ষা হবে। এরপর রিভিউ ক্লাস হবে এবং ঈদের পর আগস্টের ১০ তারিখ থেকে ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান, সকল অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটসমূহের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে পরীক্ষা শুরু

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে পরীক্ষা শুরু

যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন বিভাগের মিডটার্ম ও চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহণ শুরু হয়েছে। পরীক্ষার পাশাপাশি সীমিত পরিসরে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়া শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন বিভাগের মিডটার্ম ও চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহণ শুরু হয়েছে। পরীক্ষার পাশাপাশি সীমিত পরিসরে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম।

পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে দুই শিফটে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রথম শিফটে এবং দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দ্বিতীয় শিফটে পরীক্ষা চলবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ৮টি বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের ১১টি চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগের মিডটার্ম পরীক্ষাও শুরু হয়েছে।

দীর্ঘদিন পর পরীক্ষা দিতে এসে আনন্দিত শিক্ষার্থীরা।

ষষ্ঠ সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে আনন্দিত আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রাসেল মিয়া।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা পরীক্ষা দিচ্ছি। খুবই ভালো লাগছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমরা।’

নৃবিজ্ঞান বিভাগের ১০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান অষ্টম সেমিস্টারের পরীক্ষা দিচ্ছেন।

দীর্ঘদিন পর ক্লাসরুমে বসে পরীক্ষা দিতে পেরে ইশরাত বলেন, ‘লেখাপড়ায় ছন্দ ফিরে পেলাম। ক্লাসরুমে বসে এতদিন পর পরীক্ষা দিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।’

পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. আবু তাহের বলেন, ‘ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের নির্দেশনা অনুযায়ী রোববার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা শুরু করেছি আমরা। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি। সবাইকে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরতে হবে। ক্লাসরুম-ওয়াশরুম সব পরিষ্কার করা হয়েছে। প্রতিটি অনুষদের সামনে সাবান-পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষার হলে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

শেয়ার করুন

ছাত্রলীগকর্মীর ‘মাথা গরম’, গার্ডকে থাপ্পড়

ছাত্রলীগকর্মীর ‘মাথা গরম’, গার্ডকে থাপ্পড়

ছাত্রলীগকর্মী মনোয়ার হোসেন হিমেল। ছবি: সংগৃহীত

হিমেল বলেন, ‘আমি ক্যাম্পাসে ঢুকতে চেয়েছিলাম, তখন গেটের একটি অংশ খোলা ছিল। গার্ডকে গেটের দুই অংশ খুলে দিতে বলেছিলাম। কিন্তু সে খোলেনি, এতে আমার মাথা গরম হয়ে যায়। তখন গার্ডকে থাপ্পড় দিয়ে ফেলি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের দুই অংশ খুলে না দেয়ায় নিরাপত্তাকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মীর বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত মনোয়ার হোসেন হিমেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ছাত্রলীগকর্মী।

শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আমবাগানসংলগ্ন ফটকে হিমেল নিরাপত্তাকর্মী ফয়সাল কবিরকে মারধর করেন বলে রেজিস্ট্রারকে লিখিতভাবে জানান হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা নিউজবাংলাকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের আমবাগান গেট দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন হিমেল। এ সময় ফটকের দুটো অংশ খুলে দিতে নিরাপত্তাকর্মীকে নির্দেশ দিলে গেটের দুই অংশ খোলা যাবে না বলে জানান ফয়সাল কবির। তখন গেট খুলতে বাধ্য করতে নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর শুরু করেন হিমেল। পরে গেট খুলে দেয়া হলেও লোকজন নিয়ে নিরাপত্তাকর্মী ফয়সালকে আবারও মারধর করতে আসেন তিনি। এ সময় প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য ও একাধিক শিক্ষকের উপস্থিতিতে বিষয়টি সমাধান করে দেয়া হয়।

মারধরের শিকার নিরাপত্তাকর্মী ফয়সাল বলেন, ‘গেটের দুই অংশ খুলে দিতে বলার পর আমি তাকে একটি অংশ খোলা যাবে বলে জানাই। কিন্তু হঠাৎ তিনি গালাগালি দিয়ে মারধর শুরু করেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। এ ছাড়া রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হিমেল বলেন, ‘আমি ক্যাম্পাসে ঢুকতে চেয়েছিলাম, তখন গেটের একটি অংশ খোলা ছিল। গার্ডকে গেটের দুই অংশ খুলে দিতে বলেছিলাম। কিন্তু সে খোলেনি, এতে আমার মাথা গরম হয়ে যায়। তখন গার্ডকে থাপ্পড় দিয়ে ফেলি। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার অভিভাবক ছাত্রলীগের মুরাদ ভাই, সবুজ ভাই, সৈকত ভাই এসে সমাধান করে দেন।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (নিরাপত্তা) জেফরুল হাসান চৌধুরী সজল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমবাগানের গেটটা বন্ধ রাখার নির্দেশ আছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে। ওই শিক্ষার্থী এসে গেটের পুরো অংশ খুলে দিতে বললে গার্ড একটা অংশ খুলে দিলে হঠাৎ করেই সে গার্ডের ওপর চড়াও হয়, মারধর করে। আমরা রেজিস্ট্রার, প্রক্টরকে জানিয়েছি। তার যথাযথ শাস্তি দাবি করছি।’

শেয়ার করুন

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘ভাই’ বলায় জবি ছাত্রকে হয়রানির অভিযোগ

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘ভাই’ বলায় জবি ছাত্রকে হয়রানির অভিযোগ

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্লাবন। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি বললাম, ভাই, আমি লেখাপড়া করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তখন সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে তুললেন। ওনার সঙ্গে একজন সহকারী ছিলেন। উনি বলতেছেন, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবরে ভাই বল?’ 

নড়াইলে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে গাড়িতে তুলে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম তওসীবুল আলম প্লাবন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ সেশনের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

প্লাবন জানান, শনিবার সন্ধ্যার আগে তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির বাইরে বের হন। এ সময় নড়াইলের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান তাদের পরিচয় জানতে চান। প্লাবন ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করে নিজেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিলে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে গাড়িতে তোলা হয়। পরবর্তীতে রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে মুচলেকা দিয়ে তিনি ছাড়া পান।

প্লাবন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক বন্ধুর সঙ্গে আমি বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। তখন তিনি (জাহিদ হাসান) এসে জানতে চান, আপনারা কী করেন?

‘আমি বললাম, ভাই, আমি লেখাপড়া করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তখন সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে তুললেন। ওনার সঙ্গে একজন সহকারী ছিলেন। উনি বলতেছেন, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবরে ভাই বল?’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ রকম কোনো ঘটনা ঘ‌টে‌নি। এটি সম্পূর্ণ অসত্য।

‘আমাদের নড়াইল শহরে লকডাউন দেয়া হয়েছে। এখানে যদি মাস্ক ছাড়া কাউ‌কে পাওয়া যায়, তাহলে আমরা তাকে ধরছি। এখানে শুধু একজনকে নয়, অনেককেই ধরে গাড়িতে তোলা হইছে।’

তবে প্লাবনের দাবি ঘটনার সময় তিনি মাস্ক পরেছিলেন।

একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে ভাই বলা যায় কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান বলেন, ‘এটা আপনি বলতে পারেন, এটাতে কোনো সমস্যা নেই।’

শেয়ার করুন