করোনা শেষেও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ক্লাস

করোনা শেষেও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ক্লাস

‘যুগের চাহিদা ও কোভিড -১৯-এর কারণে অনলাইন শিক্ষা এখন সময়ের বাস্তবতা। দেশে বর্তমানে অনলাইন শিক্ষা পরিচালনার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো অনুমোদন নেই। ব্লেন্ডেড লার্নিং ও অনলাইন লার্নিং নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।’

করোনা সংকট দূর হওয়ার পরও সশরীরের পাশাপাশি অনলাইনে ক্লাস চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে একটি নীতিমালা করার উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একে তারা বলছে ‘ব্লেন্ডেড লার্নিং’ নীতিমালা।

অনলাইন ও অনসাইট এডুকেশন পদ্ধতিকে একত্রিত করে উচ্চশিক্ষায় যুগোপযোগী শিক্ষণ পদ্ধতির নীতিমালা প্রণয়নসংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৃহস্পতিবার ইউজিসির বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

সভার সভাপতি বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, ‘উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ফর হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ ২০১৮-২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে অনলাইন ও অনসাইট এডুকেশন পদ্ধতিকে একত্রিত করে উন্নত দেশের আদলে ব্লেন্ডেড লার্নিং নীতিমালা তৈরি করা হবে।’

এর উদ্দেশ্য কী, তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘কোভিড-পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ যেন কোনো প্রোগাম বা কোর্স একই সঙ্গে অনলাইন এবং অনসাইট শিক্ষণ পদ্ধতিতে চালিয়ে যেতে পারে এটাই আমাদের লক্ষ্য। এ নীতিমালা প্রণয়নে নিজস্ব সংস্কৃতি, সক্ষমতা, আর্থসামাজিক অবস্থা ও আন্তর্জাতিক মানের দিকে নজর দেয়া হবে।’

সভায় অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম স্বাভাবিক সময়ে সশরীরে পাঠদানের পাশাপাশি যাতে ভার্চুয়াল পাঠদান চালু থাকে, এই নীতিমালায় সেদিকে খেয়াল রাখার ওপর তাগিদ দেন।

ইউজিসির সদস্য সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘যুগের চাহিদা ও কোভিড-১৯-এর কারণে অনলাইন শিক্ষা এখন সময়ের বাস্তবতা। দেশে বর্তমানে অনলাইন শিক্ষা পরিচালনার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো অনুমোদন নেই। ব্লেন্ডেড লার্নিং ও অনলাইন লার্নিং নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।’

অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্লেন্ডেড লার্নিং এডুকেশন প্রবর্তন করা এখন সময়ের দাবি।’

সভায় ব্লেন্ডেড লার্নিং নীতিমালা তৈরির ক্ষেত্রে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির অধ্যাপক কাজী মোহাইমিন আস-সাকিব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক আ ফ ম সাইফুল আমিন, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের অধ্যাপক মোজ্জাম্মেল হক আজাদ খান, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সাদেকুল ইসলাম।

সভাটি সঞ্চালনা করেন কমিশনের স্ট্রাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড কোয়ালিটি এসিউরেন্স বিভাগের পরিচালক ফখরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দেড় বছর পর চালু চবির শাটল ট্রেন

দেড় বছর পর চালু চবির শাটল ট্রেন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, সীমিত পরিসরে শাটল চালু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সুবিধা ও পরীক্ষার সময় বিবেচনা করে এই সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম শাটল ট্রেন চালু হয়েছে। একইসঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনা প্রতিরোধী টিকাদান কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিকে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর নগরীর বটতলী স্টেশন থেকে শনিবার সকাল ৮টা ও ৯টায় দুটি ট্রেন ক্যাম্পাসের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। দুপুর দেড়টা ও আড়াইটায় ফের চবি ক্যাম্পাস থেকে চট্টগ্রাম শহরে যায় দুটি ট্রেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, সীমিত পরিসরে শাটল চালু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সুবিধা ও পরীক্ষার সময় বিবেচনা করে এই সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে।

এ ছাড়া নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার প্রথম দিনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের ৪৫১ জনকে টিকা দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আখতার।

এ সময় চবি উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের শতভাগ টিকা নিশ্চিত করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিফ মেডিক্যাল অফিসার মোহাম্মদ আবু তৈয়ব নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রথম দিনে ৪৫১ জনকে সিনোফার্মের টিকা দেয়া হয়েছে। তবে আমাদের লক্ষ্য প্রতিদিন এক হাজার জনকে টিকা দেয়া।

‘হাটহাজারী কেন্দ্রে নিবন্ধন করা সবাইকে এসএমএস ছাড়াও টিকা দেয়া হয়েছে। অন্য কেন্দ্রের কেউ থাকলে এসএমএস দেখানো সাপেক্ষে টিকা দেয়া হবে। সপ্তাহের প্রথম ৩ দিন টিকা নিতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।’

করোনা মহামারির কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ১৮ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে। ১৯ অক্টোবর থেকে শুরু হবে সশরীরে পাঠদান।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

শেয়ার করুন

নর্থ সাউথের আজিম-কাশেমের দুর্নীতির যত অভিযোগ

নর্থ সাউথের আজিম-কাশেমের দুর্নীতির যত অভিযোগ

এম এ কাশেম (বামে) ও আজিম উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, আজিম-কাশেম সিন্ডিকেটের স্বেচ্ছাচার, সীমাহীন দুর্নীতি-অনিয়ম ও জঙ্গিবাদের বিকাশ ঘটায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ক্রমেই কমছে শিক্ষার মানও।

বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়কে দুর্নীতি, আর্থিক জালিয়াতি ও জঙ্গিবাদের কবল থেকে রক্ষায় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রোটেকশন ফর লিগ্যাল হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে শনিবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানায় সংগঠনটি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদ ও সদস্য এম এ কাশেমের নানা দুর্নীতি-অনিয়মের ফিরিস্তি তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির উপদেষ্টা ড. সুফি সাগর সামস্ অভিযোগ করেন, আজিম-কাশেম সিন্ডিকেটের স্বেচ্ছাচার, সীমাহীন দুর্নীতি-অনিয়ম ও জঙ্গিবাদের বিকাশ ঘটায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ক্রমেই কমছে শিক্ষার মানও।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মাদ সেলিম হোসেন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন জুয়েল, মতিউর রহমান তালুকদার, মোহাম্মদ ফজলুল বারী প্রমুখ।

জমি কেনার নামে ৪২৫ কোটি টাকা লোপাট

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস করার নামে আজিম ও কাশেম সিন্ডিকেট শত শত কোটি টাকা লোপাট করেছে। পূর্বাচলসংলগ্ন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ২৫০ বিঘা নিচু জমি কিনে ৪২৫ কোটি টাকা লোপাট করেছে সিন্ডিকেটটি। আশালয় হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বাজারদরের চেয়ে সাত গুণ বেশি দামে সেই জমি কেনা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, ২০১৪ সালে যখন জমিটি কেনা হয়, তখন বাজারদর ছিল মাত্র ৩০ লাখ টাকা। কিন্তু আজিম-কাশেম সিন্ডিকেট বিঘাপ্রতি ক্রয়মূল্য দেখিয়েছে ২ কোটি টাকা। এভাবে তারা আত্মসাৎ করেছে ৪২৫ কোটি টাকা। আবার সেই জমি ভরাটের নামেও ৩৫ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

আজিম-কাশেমের কমিশন-বাণিজ্য

সংবাদ সম্মেলনে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের হিসাব বিবরণীর তথ্য তুলে ধরে ড. সুফি সাগর সামস্ বলেন, নতুন ক্যাম্পাসের নামে যে ডেভেলপার্স কোম্পানির কাছ থেকে জমি কেনা হয়েছে, তাদের কাছ থেকে ১৪ কোটি টাকা কমিশন নিয়েছেন আজিম-কাশেম, যার মধ্যে ৪ কোটি টাকা নেয়া হয় বায়নার সময়। আর বাকি ১০ কোটি টাকা নেয়া হয় জমি নিবন্ধনের পর।

কীভাবে সেই টাকা তাদের হাতে পৌঁছায়, তাও তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলনে। বলা হয়, আশালয় হাউজিংয়ের ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের বনানী শাখার হিসাব নম্বর ১০৩১২০০০০০০৮৭১ থেকে সাউথইস্ট ব্যাংকের গুলশান শাখার কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ নগদ ৫ কোটি টাকা তুলে কাশেমের বাসায় পৌঁছে দেন। আর একই ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার কর্মকর্তা কাওসার মাহমুদ বাকি ৫ কোটি টাকা পৌঁছে দেন আজিমের বাসায়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আজিম-কাশেম ও তাদের স্ত্রীরা সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালক হওয়ায় কর্মকর্তারা তাদের বাড়িতে টাকা পৌঁছে দিতে একপ্রকার বাধ্য হন।

টিউশন ফির টাকায় বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, শিক্ষার্থীদের ওপর টিউশন ফির বোঝা চাপিয়ে সেই টাকায় বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা। টিউশন ফির টাকায় ট্রাস্টি বোর্ডের ৯ সদস্যের জন্য অবৈধভাবে কেনা হয় বিলাসবহুল আটটি রেঞ্জ রোভার ও একটি মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ি। যে জন্য ব্যয় হয় ২৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। শুধু তা-ই নয়, গাড়ির চালকদের বেতন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং তেল খরচও নেয়া হতো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

নর্থ সাউথ যেন টাকা বানানোর হাতিয়ার

সংবাদ সম্মেলনে ড. সুফি সাগর সামস্ আরও অভিযোগ করেন, আজিম-কাশেম বিশ্ববিদ্যালয়টিকে তাদের টাকা বানানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। এ উদ্দেশ্যেই ২০১৮ সাল থেকে সিটিং অ্যালাউন্স বাবদ প্রতিটি বোর্ড অফ ট্রাস্টির মিটিংয়ে এক লাখ টাকা নিয়ে আসছে। আর অন্যান্য মিটিংয়ে নেয় ৫০ হাজার টাকা। পরে এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি হলে টাকার অঙ্ক অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নীতিমালায় সিটিং অ্যালাউন্স ফি নির্ধারিত থাকলেও তা মানা হয়নি। শুধু তা-ই নয়, ফির পরিমাণ বাড়াতে ইচ্ছাকৃতভাবে মিটিং বারবার মুলতবি করে একাধিক দিনে সমাপ্ত করার নজিরও রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, অনেক সময় কোনো কমিটির সদস্য না হয়েও মিটিংয়ে উপস্থিত হয়ে সিটিং অ্যালাউন্স নিয়েছেন কেউ কেউ। করোনা মহামারির এ সময়ে অনলাইন মিটিং করেও সমপরিমাণ অ্যালাউন্স নিয়েছেন ট্রাস্টিরা।

নর্থ সাউথের আজিম-কাশেমের দুর্নীতির যত অভিযোগ
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে প্রোটেকশন ফর লিগ্যাল হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের সংবাদ সম্মেলন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা নিজেদের ব্যাংকে

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, কোনো রকম নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৮ কোটি টাকা নিজেদের মালিকানাধীন সাউথইস্ট ব্যাংকে এফডিআর করেন আজিম-কাশেম। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সম্পত্তির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নিরঙ্কুশ করতেই টাকাগুলো সাউথইস্ট ব্যাংকে রাখেন তারা।

টাকা কামাতে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দশনা অমান্য করে নর্থ সাউথে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তিরও অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। এ জন্য নেয়া হয় বাড়তি টাকাও। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির বিবিএ অনুষদে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরামর্শকমূলক গণবিজ্ঞপ্তিও জারি করে ইউজিসি। আইন অনুষদেও অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তির অভিযোগ করা হয়।

জঙ্গিবাদে উৎসাহ প্রদান

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, শিক্ষার্থী-অভিভাবকের কাছে আকর্ষণীয় এই বিশ্ববিদ্যালয়টিকে জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হয়েছে। ফলে ভয়ংকর সব জঙ্গি সংগঠনের নিরাপদ আশ্রয় এখন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়। যার দায়ভার এড়াতে পারে না আজিম-কাশেম সিন্ডিকেট। এ সময় আরও বলা হয়, লেখক রাজীব হায়দারকে ২০১৩ সালে জঙ্গিরা কুপিয়ে হত্যা করে। সেই হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি নাফিস ইমতিয়াজকে ১০ বছর পর আবারও ভর্তির সুযোগ দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়কে বানানো হয়েছে পারিবারিক প্রতিষ্ঠান

কেবল আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতিই নয়, আত্মীয়করণের মাধ্যমেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ভূলণ্ঠিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, এম এ কাশেম তার মেয়ের স্বামীকে ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। ট্রাস্টি বোর্ডের আরেক সদস্য বেনজীর আহমেদ তার ছেলে রাহাত আহমেদকে প্রধান করে স্টার্টআপ নেক্সট নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে একটি প্রোগ্রাম চালু করেন, শিক্ষার্থীদের মাঝ থেকে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির অজুহাতে যেখানে ব্যয় করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগেও প্রাধান্য পায় নিকট আত্মীয় ও পরিচিতজনরা।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে ড. সুফি সাগর সামস্ বলেন, ‘আপনাদের সামনে যে অভিযোগ রেখেছি, তা রূপকথার গল্প মনে হলেও দিনের আলোর মতো সত্য। এ-সংক্রান্ত সব তথ্যপ্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।

‘সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ ছাড়া আমাদের বিশেষ কিছু চাওয়ার নেই। বিশ্ববিদ্যালয়েটিকে জঙ্গিবাদের অভায়াশ্রম হিসেবে গড়ে তোলার আজিম-কাশেম সিন্ডিকেটের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রতিবাদই এ সংবাদ সম্মেলন।’

প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের নীতিনির্ধারণী সব পক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ড. সুফি সাগর বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে এখনও নিভু নিভু যে আলো জ্বলছে, আজিম-কাশেম সিন্ডিকেটের অপকর্ম চলমান থাকলে তাও থাকবে না। অনিয়ম-দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে রক্ষায় সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।’

অভিযুক্তদের কথা

এসব অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম এ কাশেমের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে নিউজবাংলার কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে। সংবাদ সম্মেলনে আনা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এসব বিষয়ে আপনি ইউনিভার্সিটি অথরিটিকে প্রশ্ন করেন। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত নই, আমরা ট্রাস্টি, আমরা ম্যানেজমেন্ট লেভেলে আর কী। আমাদের দায়িত্ব হলো ট্রাস্টটাকে ম্যানেজ করা আর অ্যাক্টিভিটিজটা করে ইউনিভার্সিটি। তাই সব খবর আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই পাবেন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা নিজেদের ব্যাংকে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে আজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের কোনো ব্যাংক নেই, এটা পাবলিকের ব্যাংক। আমরা এই ব্যাংকের অংশীদার, শেয়ারহোল্ডার মাত্র। আমরা ডিরেক্টর হিসেবে আছি, কিন্তু এটা চলে তো বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনে।’

ডেভেলপারস কোম্পানির কাছ থেকে কমিশন নেয়ার অভিযোগ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এগুলো আমি কিছু জানি না, সরি সরি এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না, ধন্যবাদ।’

আরও পড়ুন:
অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

শেয়ার করুন

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: শাবি ও খুলনায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: শাবি ও খুলনায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী

ফাইল ছবি

গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এরই মধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র চলে গেছে। আমরা শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়ার চেষ্টা করব। পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই-এক দিনের মধ্যে ফল ঘোষণা করা হবে।’

প্রথমবারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে রোববার।

দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ‘এ’ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা হবে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রে অংশ নেবেন ৪ হাজার ৭১০ শিক্ষার্থী। আর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অংশ নিচ্ছেন ৭ হাজার ১০৮ জন।

শনিবার বিকেলে গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘রোববার থেকে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠুভাবে নিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এরই মধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্রও চলে গেছে। আমরা শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়ার চেষ্টা করব। পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই-এক দিনের মধ্যে ফল ঘোষণা করা হবে।'

তিনি আরও বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি ঠেকাতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি। পরীক্ষার কেন্দ্র এবং কেন্দ্রের বাইরে বিভিন্ন টেকনিক্যাল টিম পর্যবেক্ষণে থাকবে। তা ছাড়া পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইসসংবলিত ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, মোবাইলসহ বিভিন্ন ডিভাইস নিষিদ্ধি করা হয়েছে।’

ভর্তি কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এবার বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগসহ তিন ইউনিটে রয়েছে ২২ হাজার ১৩টি আসন। এর বিপরীতে আবেদন করেছেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৪৫৫ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০৫ জন, ‘বি’ ইউনিটে ৬৭ হাজার ১১৭ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৩৩ হাজার ৪৩৬ জন আবেদন করেছেন।

খুলনায় বসছেন ৭ হাজার ১০৮ জন

গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে আসনসংখ্যা ৭ হাজার ১০৮ জন। এর মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রোল নম্বর ১২৩৩৩৫ থেকে ১২৮৬২৪ পর্যন্ত ৫ হাজার ২৯০ জন এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত খুলনা কলেজিয়েট গার্লস্ স্কুল ও কেসিসি উইমেন্স কলেজে রোল নম্বর ১২৮৬২৫ থেকে ১৩০৪৪২ পর্যন্ত ১ হাজার ৮১৮ জন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকাল পারসন চারুকলা স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মনিরুল ইসলাম জানান, ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।

তিনি জানান, পরীক্ষার দিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গল্লামারী থেকে জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা যায়, ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন হবে উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে। এতে মোট ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হবে। পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ০.২৫ নম্বর। তবে বিভাগ পরিবর্তনের জন্য আলাদা কোনো পরীক্ষা নেয়া হবে না।

দেশের মোট ২৬টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা হবে। গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ- মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে। আসন রয়েছে মোট ২২ হাজার ১৩টি। এর বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৪৫৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০১ জন, ‘বি’ ইউনিটে ৬৭ হাজার ১১৭ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৩৩ হাজার ৪৩৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয় হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

শেয়ার করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু ২১ অক্টোবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু ২১ অক্টোবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২১ অক্টোবর থেকে সশরীরে পাঠদান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

করোনাভাইরাসের কারণে দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আগামী ২১ অক্টোবর থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সকল কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে সশরীরে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে।

শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. মশিউর রহমান।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২১ অক্টোবর থেকে সশরীরে পাঠদান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অফিস আদেশও জারি করেছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সরাসরি ক্লাশ শুরু হওয়ার আগে অবশ্যই কলেজের শ্রেণিকক্ষ, বিজ্ঞানাগারসহ পুরো ক্যাম্পাস যথাযথভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ক্লাস নেয়ার উপযোগী করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণ (প্রয়োজনে কলেজ টিকাদান কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ), স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক-দূরত্ব রক্ষাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সচেতনতা বজায় রাখতে হবে।

এছাড়া ২১ অক্টোবর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসে বিকাল ৩টায় উপাচার্যের কনফারেন্স রুম থেকে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে এই প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে।

প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন উপাচার্য ড. মো. মশিউর রহমান।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

শেয়ার করুন

রাবির হল খুলছে কাল

রাবির হল খুলছে কাল

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক আজিজুর রহমান বলেন, ‘আগামীকাল (রোববার) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল খুলে দেয়া হবে। হলে ওঠার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবেন নিজ নিজ হলের প্রভোস্ট ও কর্মকর্তারা।’

দীর্ঘ ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর রোববার খুলে দেয়া হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সব আবাসিক হল।

২১ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু হবে।

এদিন সকাল ১০টা থেকে হলে উঠতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। তবে শিক্ষার্থীদের বৈধ কাগজপত্রসহ দেখাতে হবে করোনার এক ডোজ টিকা নেয়ার সনদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক আজিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগামীকাল (রোববার) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল খুলে দেয়া হবে। হলে ওঠার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবেন নিজ নিজ হলের প্রভোস্ট ও কর্মকর্তারা।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অন্তত এক ডোজ টিকা নিতে হবে। অন্যথায় তাদের হলে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে না। যেসব শিক্ষার্থী এক ডোজ টিকা নিয়েছেন তাদের টিকা গ্রহণ সনদের দুটি ফটোকপি আনতে হবে। এক কপি হলে ও অন্য কপি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারে জমা দিতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রভোস্ট সুজন সেন বলেন, ‘হল প্রস্তুত আছে। মাস্ক বিতরণের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের বরণ করব।’

হল প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক আরিফুর রহমান বলেন, ‘যতটুকু সম্ভব আমরা সব হল সংস্কার করেছি। তবে শিক্ষার্থীদের রুমগুলোতে কাজ করা হয়নি। আগামীকাল (রোববার) শিক্ষার্থীরা রুমে প্রবেশ করার পর যে যে রুমে সংস্কার করা দরকার হবে আমরা তা করব।’

আরও পড়ুন:
অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

শেয়ার করুন

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির নতুন ট্রেজারার সিরাজুল হক

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির নতুন ট্রেজারার সিরাজুল হক

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক এএসএম সিরাজুল হক। ছবি: সংগৃহীত

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেয়ার আগে সিরাজুল হক বিভিন্ন সরকারি কলেজে অধ্যাপক, উপাধ্যক্ষ ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষ সরকারি ধামরাই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর নেন। প্রায় ৩৬ বছরের শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক কাজের অভিজ্ঞতা আছে তার।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে অধ্যাপক এএসএম সিরাজুল হককে।

রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য মো. আব্দুল হামিদ এ নিয়োগ দেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়য়ের ২১ সেপ্টেম্বরের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সিরাজুল হক ২৫ সেপ্টেম্বর কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেন।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেয়ার আগে সিরাজুল হক বিভিন্ন সরকারি কলেজে অধ্যাপক, উপাধ্যক্ষ ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষ সরকারি ধামরাই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর নেন। প্রায় ৩৬ বছরের শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক কাজের অভিজ্ঞতা আছে তার।

২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিরাজুল। একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সদস্য ছিলেন তিনি।

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি পরিচালিত এনসাইক্লোপিডিয়া অফ বাংলাদেশের লিবারেশন ওয়ার অংশে ধামরাই উপজেলার ওপর গবেষণা করেন সিরাজুল হক।

১৯৮৪ সালে গোপালগঞ্জের সরকারি এস কে কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এ শিক্ষক। ১৯৯৪ সালে সহকারী অধ্যাপক ও ২০০২ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি।

২০০৮ সালে সিরাজুল সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে ফরিদপুর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজে যোগ দেন। পরে একই কলেজে উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১০ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন সিরাজুল। পরে তিনি সরকারি ধামরাই কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সেখানে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়ে অতিরিক্ত ২ বছর সরকারি ধামরাই কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিরাজুল।

১৯৮০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৮১ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

শেয়ার করুন

শুরু হচ্ছে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা

শুরু হচ্ছে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা

ফাইল ছবি

গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের মোট ২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ‘এ’ ইউনিটে আবেদন করেছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০১ জন শিক্ষার্থী। ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা হবে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত।

দেশের গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে রোববার। ‘এ’ ইউনিটে ভর্তি হতে আবেদন করেছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০১ জন শিক্ষার্থী।

গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ‘রোববার ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে। ‘বি’ ইউনিট ২৪ অক্টোবর আর ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ১ নভেম্বর।

‘দেশের মোট ২৬টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষা হবে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত।

কোন ইউনিটে আবেদন কত
দেশের ২০টি সাধারণ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবারই প্রথম গুচ্ছভুক্ত হয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। এতে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ মিলিয়ে আসন রয়েছে ২২ হাজার ১৩টি। এর বিপরীতে আবেদন করেছেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৪৫৫ জন শিক্ষার্থী।
এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০১ জন, ‘বি’ ইউনিটে ৬৭ হাজার ১১৭ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৩৩ হাজার ৪৩৭ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

যেসব কেন্দ্রে পরীক্ষা
দেশের মোট ২৬টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা হবে। কেন্দ্রগুলো হলো শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

পরীক্ষার মানবণ্টন
গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটি জানিয়েছে, সব বিভাগেই ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হবে। মানবিক বিভাগের ক্ষেত্রে বাংলায় ৪০, ইংরেজিতে ৩৫ ও আইসিটিতে ২৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

বিজ্ঞান বিভাগের ক্ষেত্রে বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ১০, রসায়নে ২০ ও পদার্থবিজ্ঞানে থাকবে ২০ নম্বর। বাকি ৪০ নম্বর আইসিটিতে।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞানে ২৫, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনায় ২৫, বাংলায় ১৩, ইংরেজিতে ১২ ও আইসিটিতে ২৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

সব ইউনিটে ভুল উত্তরের জন্য কাটা হবে নম্বর। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ কাটা যাবে।

বিভাগ পরিবর্তন যেভাবে
বিভাগ পরিবর্তনের জন্য আলাদাভাবে কোনো পরীক্ষা নেয়া হবে না। একজন শিক্ষার্থী কেবল একটি পরীক্ষায়ই অংশ নেবেন। বিভাগ পরিবর্তন করতে চাইলে সেই পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুসারে মাইগ্রেশন করে ভর্তি হতে পারবেন।

এসএসসি ও এইচএসসির ফল

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলও হিসাবে আনা হয়। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এসএসসি, এইচএসসিতে পাওয়া জিপিএর ভিত্তিতে তাদের নিজস্ব শর্তে ভর্তির সুযোগ দেবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শর্ত ভিন্ন ভিন্নও হতে পারে।

২০১৯ ও ২০২০ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ফার্স্ট টাইম ও সেকেন্ড টাইম নির্ধারণ করে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেবে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

শেয়ার করুন