স্কুল-কলেজ খুললে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ক্লাসে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। ফাইল ছবি

স্কুল-কলেজ খুললে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা ৬০ দিন এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা ৮৪ দিন ক্লাসের পর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। ক্লাস শেষ হওয়ার পর দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।’

স্কুল-কলেজ খোলার পর চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্লাসে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়িয়ে ১২ জুন পযর্ন্ত করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আগামী ১৩ জুন থেকেই স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, ‘স্কুল-কলেজ খোলার পর ক্লাসে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তারা সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস করবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি ক্লাসের শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে এক দিন ক্লাস করবে।

দেশে করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় বন্ধ বাড়িয়ে এ মাসের ২৯ তারিখ পর্যন্ত করা হয়েছিল।

স্কুল-কলেজ খুললে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার
ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ফাইল ছবি

চলতি বছরের শুরুর দিকে দেশে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে কয়েক দফা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি।

গত বছর এইচএসসি পরীক্ষা হয়নি, সবাইকে পাস করানো হয়েছে। তবে এবার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এ বছর অটোপাস দেয়ার ইচ্ছা সরকারের নেই। গত বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা কিন্তু ক্লাস করেছিল। এ বছরের শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পায়নি। পরিস্থিতি খুব খারাপ না হলে পরীক্ষা নিয়েই ফল প্রকাশ করা হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা ৬০ দিন এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা ৮৪ দিন ক্লাসের পর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। ক্লাস শেষ হওয়ার পর দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।’

২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা যথাক্রমে ১৫০ দিন ও ১৮০ দিন ক্লাস করবে। এর পর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মে মাসেই খোলার কথা ছিল। তবে মার্চের শেষে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দিলে আবার পিছিয়ে যায়। সরকার বলছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের সব শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সবাইকে টিকা দিয়ে পরে চালু করা হবে শিক্ষাঙ্গন। তবে সিরাম থেকে টিকা আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই পরিকল্পনায় ছেদ পরে।

এখন চীন ও রাশিয়া থেকে টিকা আনার চেষ্টা চলছে। জুনেই ৫০ লাখ টিকা পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী সরকার। আর সে ক্ষেত্রে শিক্ষাঙ্গনে সবাইকে টিকা দেয়া কঠিন হবে না।

আর সরকার করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এখনও চূড়ান্ত কিছু আসেনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. জি এম হাসিবুল আলম ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদুল হাসান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক গোলাম ফারুক চৌধুরি, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ।

আরও পড়ুন:
‘অটো পাসে একদমই খুশি না’
সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে জিপিএ-৫ হারালেন ৫০ শিক্ষার্থী
জিপিএ-৫ বৃদ্ধির হারে শীর্ষে বরিশাল
এইচএসসি: সিলেটে জিপিএ-৫ বেড়েছে তিন গুণ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জবির মাঠে মার্কেট নির্মাণে শিক্ষকদের প্রতিবাদ

জবির মাঠে মার্কেট নির্মাণে শিক্ষকদের প্রতিবাদ

শুক্রবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশের মাধ্যমে এ নিন্দা জানানো হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মার্কেট নির্মাণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক সমিতি (জবিশিস)।

শুক্রবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশের মাধ্যমে এ নিন্দা জানানো হয়।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, গত ১৬ জুন ২০২১ তারিখে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে মার্কেট নির্মাণ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন” শীর্ষক সংবাদটিতে আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়েছে। এটি ধূপখোলায় অবস্থিত তিনটি মাঠের একটি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলা ও শরীরচর্চার একমাত্র স্থান যা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ব্যবহার করে আসছেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এ ধরনের উদ্যোগের ফলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে গভীর হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবাদলিপিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি সিটি করপোরেশনের এ ধরনের উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং যথাথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১০ জুন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুজ্জোহা ও সিটি করপোরেশনর সাব অ্যসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার হরিদাস মল্লিক মাঠের ভেতর ম্যাপ অনুযায়ী চার কোণায় খুঁটি বসান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়ে মাঠের মধ্যে মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনায় বিষয়টি নজরে আসার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
‘অটো পাসে একদমই খুশি না’
সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে জিপিএ-৫ হারালেন ৫০ শিক্ষার্থী
জিপিএ-৫ বৃদ্ধির হারে শীর্ষে বরিশাল
এইচএসসি: সিলেটে জিপিএ-৫ বেড়েছে তিন গুণ

শেয়ার করুন

আবরার স্মরণে ‘এক মুঠো ভাত’

আবরার স্মরণে ‘এক মুঠো ভাত’

আবরার ফাহাদ হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করে বুয়েট ক্যাম্পাসে ‘এক মুঠো ভাত’ কর্মসূচি পালন করেছে অঙ্কুর ফাউন্ডেশন। ছবি: নিউজবাংলা

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করে বুয়েট ক্যাম্পাসে ‘এক মুঠো ভাত’ কর্মসূচি পালন করেছে অঙ্কুর ফাউন্ডেশন। এ কর্মসূচির আওতায় শুক্রবার দুপুরে ক্যাম্পাসে ১০০ জনের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করে বুয়েট ক্যাম্পাসে ‘এক মুঠো ভাত’ কর্মসূচি পালন করেছে অঙ্কুর ফাউন্ডেশন।

এ কর্মসূচির আওতায় শুক্রবার দুপুরে ক্যাম্পাসে ১০০ জনের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।

রাজধানীরসহ দেশের ৬৪টি জেলা শহরে শুক্রবার এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন সংগঠনটির সিনিয়র স্বেচ্ছাসেবক জুবায়ের।

জুবায়ের জানান, আবরারের নিজ জেলা কুষ্টিয়াতে আয়োজিত কর্মসূচিতে আবরার ফাহাদের বাবা উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ‘অঙ্কুর ফাউন্ডেশন’ একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই ফাউন্ডেশনের বেশ কয়েকটি প্রজেক্টের মধ্যে ‘এক মুঠো ভাত’ অন্যতম।

কর্মসূচির বিষয়ে সংগঠনটির মিডিয়া সমন্বয়ক মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘আবরার হত্যার পর আসামীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু প্রায় এক বছর ৯ মাস পার হয়ে গেলেও বিচার কাজে তেমন অগ্রগতি হয়নি।’

আবরার স্মরণে ‘এক মুঠো ভাত’
আবরার হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করে বুয়েট ক্যাম্পাসে অঙ্কুর ফাউন্ডেশন বিশেষ কর্মসূচী পালন করে। ছবি: নিউজবাংলা

‘সম্প্রতি আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুয়েট থেকে আজীবন বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী আশিকুল ইসলাম বিটু ক্লাসে ফিরেছেন। আবার হত্যার বিচারের দীর্ঘসূত্রতা ও সাম্প্রতিক ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন।’

আলাউদ্দিন বলেন, সংগঠনের অবস্থান প্রশাসন বা সরকারের বিরুদ্ধে নয়। বরং আমরা সরকারের কাছে অভিনব এই প্রক্রিয়ায় আবরার ফাহাদের জন্য দ্রুত ন্যায় বিচার দাবি করছি।

আবরার স্মরণে ‘এক মুঠো ভাত’
নিহত আবরার ফাহাদ। ফাইল ছবি

আরও পড়ুন:
‘অটো পাসে একদমই খুশি না’
সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে জিপিএ-৫ হারালেন ৫০ শিক্ষার্থী
জিপিএ-৫ বৃদ্ধির হারে শীর্ষে বরিশাল
এইচএসসি: সিলেটে জিপিএ-৫ বেড়েছে তিন গুণ

শেয়ার করুন

চা-চপ-সিঙ্গারা: বিধিনিষেধ নিয়ে সমালোচনার ঝড়

চা-চপ-সিঙ্গারা: বিধিনিষেধ নিয়ে সমালোচনার ঝড়

দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত যে প্রতিবেদন ও কার্টুনকে ঘিরে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের একটি পুরনো মন্তব্যকে ঘিরে সংবাদপত্রে কার্টুন এবং সেই কার্টুনের জেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞপ্তি জারির পর এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। মূলত বিদ্রুপ থামাতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদক্ষেপ নতুন বিদ্রুপের জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের সমালোচনা করা যাবে না মর্মে সাবধান করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তির পর এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত কার্টুন থেকে যে নিষেধাজ্ঞার সূত্রপাত, সেই নিষেধাজ্ঞাই হাস্যরসাত্মক ট্রোল ও মিমের নতুন উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। এসব ট্রোলের বেশিরভাগই করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও ব্র্যাক মাইগ্রেশন বিভাগের প্রধান শরিফুল হাসান তার ফেসবুক টাইমলাইনে লেখেন:

‘এই তো আর সপ্তাহ দুয়েক পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি। এমন মহেন্দ্রক্ষণে আরো একটি রেকর্ড করেছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়। শত বছরের ইতিহাসে এই প্রথম বোধ হয় কোনো উপাচার্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠালেন যে, সমালোচনা বা ব্যঙ্গ করলে তিনি আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি পড়ে আমার ভীষণ হাসি পেয়েছে। …

পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে এমন সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিতে হয়েছে কি না আমার জানা নেই। আমার তো মনে হয়, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিই যথেষ্ট। খুব দক্ষতার সাথে কাজটি করায় শতবর্ষের অভিনন্দন মাননীয় উপাচার্যকে। আমার মনে হয় সবাই এবার ছা-ছপ সিঙ্গারা খাওয়ার দাওয়াত পেতে পারেন।’

চা-চপ-সিঙ্গারা: বিধিনিষেধ নিয়ে সমালোচনার ঝড়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও কবি ইমতিয়াজ মাহমুদ তার ফেসবুক টাইমলাইনে একটি গল্পের ছলে সমালোচনা করে বলেন:

‘স্কুলে আমাদের এক বন্ধু ছিলো। তার নাম মারুফ (নামটা কাল্পনিক দিলাম)। কিন্তু ক্লাসের সবাই তারে ডাকতো "বলদা মারুফ" নামে।

এই সম্বোধনে ত্যাক্ত-বিরক্ত হয়ে একদিন সে আমাদের ক্লাস টিচারের কাছে গিয়ে সবার নামে নালিশ করলো। স্যার তখন আমাদের বললেন, তোরা কেউ এখন থেকে আর ওরে 'বলদা মারুফ' ডাকবি না, এখন থেকে ওরে সবাই 'ইন্টেলিজেন্ট মারুফ'' ডাকবি।

অচিরেই সবাই তারে নতুন এই নামেই ডাকা শুরু করলো। তারপর ধীরে ধীরে এক সময়ে তার নামের মূল অংশটাও বাদ পড়লো। শুধু ইন্টেলিজেন্ট নামটা টিকে থাকলো।

কিন্ত সুন্দর এই নামটা উচ্চারণ করার সময় সবার মুখেই মুচকি একটা হাসি থাকতো...।

পুনশ্চ: খবরে দেখলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিছে তাদের চা, চপ, সিঙারারে ব্যাঙ্গ করলে তারা ব্যবস্থা নেবে। আমার ধারণা তাদের এই ব্যবস্থার ভয়ে এখন থেকে কেউ আর তাদের চা, চপ, সিঙারারে বিদ্রুপ করবে না।

তবে আশঙ্কা আছে কর্তৃপক্ষ এমন ব্যবস্থা নিতে থাকলে একসময় "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়" নামটা উচ্চারণ করার সময়ও সবার মুখে মুচকি একটা হাসি থাকবে...।’

চা-চপ-সিঙ্গারা: বিধিনিষেধ নিয়ে সমালোচনার ঝড়

দৈনিক দেশ রূপান্তর-এর যুগ্ম সম্পাদক গাজী নাসিরুদ্দিন আহমেদ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন:

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এত ব্যাডাগিরি দেখায় কেন? এক্স স্টুডেন্টদের গ্রুপ দেখলেই তো বোঝা যায় কি জাতের গ্র্যাজুয়েট উনারা পয়দা করেন। আইনি পদক্ষেপের হুমকি দেন! ছা-ছপ বললে বাংলাদেশের কোন আইনটার লঙ্ঘন হয়? হাইকোর্ট দেখানোর গেরাইম্যা কালচার। রাবিশ!’

চা-চপ-সিঙ্গারা: বিধিনিষেধ নিয়ে সমালোচনার ঝড়

অনেকে স্ট্যাটাস না দিলেও বিভিন্ন ব্যাক্তিদের কমেন্ট বক্সে এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।

শরিফুল হাসানের পোস্টে কমেন্ট করেছেন রওশন হক। তিনি লিখেছেন: ‘ছা চপ সিংড়ায় সম্মান ধরে রাখতেই এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।’

শাহাদাত হাসান নামে একজন কমেন্টে বলেছেন: “ঢাবির না, বরং তার নিজের ভাবমূর্তি 'রক্ষা'র বিজ্ঞপ্তি ছিল সেটি।”

মো হারুন উর রশিদ কমেন্টে লিখেছেন: ‘মাননীয় উপাচার্য কি তাকে নিয়ে কৃত ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ দেখেও বুঝেন না যে তিনি বিগত কবছর ধরে কেমন কর্মদক্ষতা দেখিয়ে যাচ্ছেন! যদি না বুঝে থাকেন, তাহলে বিশ্বাস করুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমি সত্যিই লজ্জিত!’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী ও সাংবাদিক শাহানা হুদা তার ওয়ালে লেখেন: “‘সম্মানিত’ কাউর ইজ্জত লই ‘চুদুর বুদুর’ চইলতোনো - প্রেস বিজ্ঞপ্তি।”

সমালোচনা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক বা বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেও।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী সেজান মাহমুদ এই বিষয় নিয়ে একটি কবিতা লিখে তা তার ওয়ালে প্রকাশ করেন,

#খবর_থেকে_ছড়া ১১

বললেন কী বললেন কী

চা-ছপের এই ভিসি!

ছি ছি!

কেউ করিলে মানের হানি

টানতে হবে জেলের ঘানি

মান কি অতো সোজা?

পাবলিকে দেয় ট্যাক্সো-মানি

সঙ্গে কিছু খোঁচাও, জানি

যায় না বুঝি বোঝা?

তাই বলে কি মামলার ভয়,

রক্তচক্ষু ভালো?

প্রাচ্যের এই অক্সফোর্ডে আজ

‘ইনটলারেন্স’ কালো!

ছি ছি ছি ছি!

বললেন কী বললেন কী

চা-ছপের এই ভিসি!

ক্ষ্যামা দিলাম লিখতে ছড়া

একশ ঘায়ের ভয়ে

ফ্রিডম-ট্রিডম শিকেয় তুলি

সস্তা ছপের জয়ে!

চা-চপ-সিঙ্গারা: বিধিনিষেধ নিয়ে সমালোচনার ঝড়

ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টার-এ ১৫ জুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদন ও কার্টুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ক্যাফেটরিয়াতে স্বল্প মূল্যে পাওয়া চা, চপ, শিঙাড়া নিয়ে ২০১৯ সালে নবীন শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপাচার্যের দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করা হয়।

এর প্রতিবাদে জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সেদিনের বক্তব্যকে খণ্ডিতভাবে প্রচার করা হয়েছে। যমুনা টেলিভিশনের এক সাংবাদিক উপাচার্যের বক্তব্যের মূল অংশ কাটছাঁট করে ক্যাফেটরিয়ার বিভিন্ন খাবার আইটেমের মূল্যমান-সংক্রান্ত বক্তব্যের অংশবিশেষ নিয়ে ১৫-২০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও তৈরি করে। যা ভাইরাল হয়ে যায়।

‘সেদিন উপাচার্য মূলত নবাগত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাস্যরসে ক্যাফেটরিয়ার সাধারণ, স্বল্পমূল্যের খাবার মেন্যু ও সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধার অবারিত সেবা কার্যক্রমের কথা বলেছিলেন।’

এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি কোনো কোনো দায়িত্বশীল মহল বিভিন্নভাবে বিষয়টি যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করছে, যা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ব্লগার আরিফ জেবতিক তার স্ট্যাটাসে ছড়ার মতো করে লিখেছেন:

‘ভানুমতীর খেল! ছা-ছপ-ছিঙারা কইলে হবে জেল!’

ছড়াকার রোমেন রায়হান তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে ছড়া লিখেছেন:

‘ভিসিত্র অক্সফোর্ড

রোমেন রায়হান

অক্সফোর্ড আছে যেটা প্রাচ্যে

‘ছা-ছপ-সিঙ্গারা’ খাচ্ছে

সেটা নিয়ে বলো যদি কিচ্ছু

পিছু নেবে ‘ভিসিত্র’ বিচ্ছু

জেলে ভরে দেখা যাবে নাচছে!

অক্সফোর্ড আছে যেটা প্রাচ্যে…’

রোমেন রায়হানের এই ছড়ার পোস্টের নিচে নাফিস রহমান লিখেছেন: ‘আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে কি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, নাকি খাদ্য নিরাপত্তা আইনের আওতায়?’

জনপ্রিয় অনলাইন ফান পেজ ‘ইয়ার্কি ডট কম’ একটি পোস্টে লিখেছে:

‘যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখানোর কথা মুক্ত মত আর মুক্তচিন্তার চর্চা, সেখানে তারাই মানুষের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে। কেউ সমালোচনার উর্ধ্বে নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ মানুষের সেই বিচারশক্তি ও উপলব্ধি জাগ্রত করা। আর আমাদের প্রাচ্যের অক্সফোর্ড শিক্ষার্থীর স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকারের কবর খুড়ছে। হ্যাঁ, এটাই দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ, সুলভে ছা-ছপ-সিঙ্গারার প্রাপ্তিস্থান।’

আরও পড়ুন:
‘অটো পাসে একদমই খুশি না’
সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে জিপিএ-৫ হারালেন ৫০ শিক্ষার্থী
জিপিএ-৫ বৃদ্ধির হারে শীর্ষে বরিশাল
এইচএসসি: সিলেটে জিপিএ-৫ বেড়েছে তিন গুণ

শেয়ার করুন

কলেজের ফটক তো এমনই মানায়

কলেজের ফটক তো এমনই মানায়

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ‍উপজেলার দইখাওয়া কলেজের ফটক। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য কথাসাহিত্যিক ও লেখকদের উল্লেখযোগ্য ‍৫০টি বইয়ের মোড়ক দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ‍উপজেলার দইখাওয়া কলেজের ফটক।

একটির উপর আরেকটি বই দিয়ে তৈরি ফটক। তাতে স্থান পেয়েছে দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সব লেখকদের বই। তার উপরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পতাকা সম্বলিত একটি গ্লোব।

বইয়ের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক থাকা একটি প্রতিষ্ঠানের ফটক তো এমনই হওয়া চাই। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ‍উপজেলার দইখাওয়া কলেজে তেমনই ফটক তৈরি করেছেন অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য কথাসাহিত্যিক ও লেখকদের উল্লেখযোগ্য ‍৫০টি বইয়ের মোড়ক দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে এ ফটক।

কংক্রিটের ফটকটি এতটাই দৃষ্টিনন্দন যে, তা দেখতে প্রতিদিনই কলেজের সামনে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষসহ অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।

কলেজটির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আজিজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের কলেজের পুস্তক তোরণের উভয় পাশে ২৫টি করে ৫০টি বই দেয়া আছে। বাংলাদেশে সম্ভবত এটিই প্রথম বইয়ের আকারে বানানো গেট। এটি খুবই সুন্দর, মনোমুগ্ধকর গেট।’

তিনি আরও বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীতে এসে অনেক ছাত্র-ছাত্রী বই পড়ার আগ্রহ হারিয়েছে। তবে এই গেটটি দেখার পর বই পড়ার আগ্রহ জাগে। কেননা দুই পাশে অনেক স্বনামধন্য সাহিত্যিকদের বই রয়েছে। যারা বইপ্রেমী বা যেই এর সামনে দিয়ে যাক না কেন গেটটি দেখার জন্য একটু তাকে দাঁড়াতেই হবে।’

কলেজের ফটক তো এমনই মানায়

হাতীবান্ধা-চাপারহাট সড়কের পাশেই কলেজটির ব্যতিক্রমী ফটকটি চোখে পড়বে একটু দূর থেকেই। এর দুই পিলারের প্রতিটিতে রয়েছে কংক্রিট দিয়ে তৈরি ২৫টি করে বই। যার গায়ে রং করে লেখা হয়েছে বিভিন্ন বিখ্যাত বই ও লেখকদের নাম। ফটকের উপরে রয়েছে বিভিন্ন দেশের পতাকা সম্বলিত একটি গ্লোব।

তবে দূর থেকে দেখলে মনেই হয় না এটি সিমেন্টের তৈরি কোনো ফটক।

কলেজের ফটক তো এমনই মানায়

মনোমুগ্ধকর ফটকটি তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় এক বছর। কলেজ ফান্ড থেকে কিছু টাকা বরাদ্দ দিয়ে গত বছর নির্মাণ কাজ শুরু করেন কলেজের অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন। এরপর প্রায় এক বছর লাগে নির্মাণ কাজ শেষ করতে।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোফাজ্জল হোসেন জানান, উপজেলার মদাতী ইউনিয়নের প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা করে কলেজটিতে। স্বভাবতই সেখানে নেই কোনো গণগ্রন্থাগার। কলেজে যে গ্রন্থাগারটি আছে সেটিও ছোট। এজন্য শিক্ষার্থীদের বই পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে অন্যদের সঙ্গে কথা বলে তিনি এমন ফটক তৈরির উদ্যোগ নেন।

তিনি বলেন, ‘এখানে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন লেখকের বই বিশেষ করে যারা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন তাদের বই আছে। আমরা যেহেতু রংপুর বিভাগের মানুষ। আমরা রংপুরের মানুষকে উপরে রেখেছি। সে কারনে আনিসুল হক, কবি শেখ ফজলুর করিমের বই রেখেছি।

‘এ ছাড়া বঙ্কিম চন্দ্র, রবীন্দ্রনাথসহ বিভিন্ন নাম করা লেখকের বই রেখেছি ফটকটিতে। যাতে ওইসব লেখকের বই পড়ার আগ্রহ জন্মে। এটি করা, যাতে ছেলে-মেয়েরা বই পড়ে।’

কলেজের ফটক তো এমনই মানায়

ফটকটির সামনে বইপ্রেমীসহ অন্যদের ছবি তোলে দৃশ্য দেখতে তার অনেক ভালো লাগে বলেও জানান এ অধ্যক্ষ।

কলেজটির প্রধান ফটক মানুষের প্রধান আকর্ষণ হলেও ভেতরের পরিবেশও সুন্দর। রয়েছে দৃষ্টিনন্দন একটি শহীদ মিনার, যার পেছনেই রয়েছে একটি বই। দেখলে মনে হয় শহীদ মিনারটিকে আগলে রেখেছে বইটি। সেই বই জুড়ে রয়েছে কিছু বর্ণ। রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ছবি।

আরও পড়ুন:
‘অটো পাসে একদমই খুশি না’
সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে জিপিএ-৫ হারালেন ৫০ শিক্ষার্থী
জিপিএ-৫ বৃদ্ধির হারে শীর্ষে বরিশাল
এইচএসসি: সিলেটে জিপিএ-৫ বেড়েছে তিন গুণ

শেয়ার করুন

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ২০ জুন

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ২০ জুন

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান বলেন, ‘অনলাইনে আবেদন শুরু হবে ২০ জুন দুপুর ১২টা থেকে। আবেদন করা যাবে ৩১ জুলাই রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে এখনও পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান শুক্রবার দুপুরে নিইউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় ভর্তিসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু হাসান বলেন, ‘অনলাইনে আবেদন শুরু হবে ২০ জুন দুপুর ১২টা থেকে। আবেদন করা যাবে ৩১ জুলাই রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে এখনও পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।’

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এ, বি, সি, ডি ও ই-ইউনিটের প্রতিটিতে আবেদনের জন্য ইউনিট ফি ধরা হয়েছে ৬০০ টাকা। সি-১, এফ, জি, এইচ, আই ইউনিটের প্রতিটির জন্য ইউনিট ফি ধরা হয়েছে ৪০০ টাকা। আবেদন ফি বিকাশ, নগদ, রকেটের মধ্যমে দেয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গাণিতিক ও পদার্থবিজ্ঞানবিষয়ক এ-ইউনিটে আবেদনের যোগ্যতা এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪ ও সর্বমোট জিপিএ-৮ দশমিক ৫০ থাকতে হবে।

সমাজবিজ্ঞান অনুষদের বি-ইউনিট এবং কলা ও মানবিক অনুষদের সি-ইউনিটে আবেদন যোগ্যতা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩ দশমিক ৫০ ও সর্বমোট জিপিএ-৮ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সি-১ ইউনিটের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে আবেদনের জন্য আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-৩ দশমিক ২৫ এবং সর্বমোট ৬ দশমিক ৫, চারুকলা বিভাগের জন্য আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-৩ দশমিক ৫০ এবং সর্বমোট জিপিএ-৭ থাকতে হবে।

জীববিজ্ঞান অনুষদ তথা ডি-ইউনিটে আবেদনের জন্য আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪ এবং সর্বমোট জিপিএ-৯ থাকতে হবে।

বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ তথা ই ইউনিটের জন্য এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ ন্যূনতম ৩ দশমিক ৭৫ এবং সর্বমোট ৭ দশমিক ৫০ ও বিজ্ঞান শাখার জন্য আলাদাভাবে জিপিএ-৪ এবং সর্বমোট ৮ থাকতে হবে।

আইন অনুষদ অর্থাৎ এফ-ইউনিটে আবেদনের জন্য এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪ এবং সর্বমোট ৮ থাকতে হবে। তবে বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বমোট জিপিএ-৮ দশমিক ৫০ থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ অনুষদ অর্থাৎ জি-ইউনিটে আবেদনের জন্য জিপিএ আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪ এবং সর্বমোট ৮ থাকতে হবে। তবে বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য জিপিএ থাকত হবে সর্বমোট ৯।

ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অনুষদের এইচ-ইউনিটে আবেদনের ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-৪ এবং সর্বমোট জিপিএ-৯ থাকতে হবে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু ও তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি তথা আই-ইউনিটের জন্য জিপিএ আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩ দশমিক ৫০ করে সর্বমোট ৭ দশমিক ৫০ থাকতে হবে। তবে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য জিপিএ সর্বমোট ৮ থাকতে হবে।

ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু হাসান বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে পরীক্ষার তারিখ জানানো হবে।’

আবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (https://www.juniv.edu) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যাবে।

আরও পড়ুন:
‘অটো পাসে একদমই খুশি না’
সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে জিপিএ-৫ হারালেন ৫০ শিক্ষার্থী
জিপিএ-৫ বৃদ্ধির হারে শীর্ষে বরিশাল
এইচএসসি: সিলেটে জিপিএ-৫ বেড়েছে তিন গুণ

শেয়ার করুন

ঢিমে তালে চলছে জাবির টিকা কার্যক্রম

ঢিমে তালে চলছে জাবির টিকা কার্যক্রম

গত মার্চে টিকা দেয়ার লক্ষ্যে দুইদফায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।অনেক শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত উদ্যোগে টিকা গ্রহণ করলেও কোনো তথ্য নেই প্রশাসনের কাছে। ফলে টিকা কার্যক্রমে তৈরি হয়েছে এলোমেলো অবস্থা। 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢিলেঢালাভাবে চলছে শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম।

গত মার্চে টিকা দেয়ার লক্ষ্যে দুইদফায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

আবার অনেক শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত উদ্যোগে টিকা গ্রহণ করলেও কোনো তথ্য নেই প্রশাসনের কাছে। ফলে টিকা কার্যক্রমে তৈরি হয়েছে এলোমেলো অবস্থা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জানিয়েছে, ‘টিকা দেয়ার লক্ষ্যে তালিকা সংগ্রহ করা হলেও শিক্ষার্থীদের ব্যক্ত উদ্যোগে টিকা গ্রহণের ব্যাপারে আমার কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে শিগগিরই এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।’

গত ৪ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার অফিস শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়।

এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের অনলাইনে নিবন্ধন করে টিকা নিয়ে হলে উঠতে হবে। পরে নিবন্ধনের সময়সীমা দুইবার বাড়ানো হয়।এতে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান শিক্ষার্থী সংখ্যা ১২ হাজার ৯২১ জন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টিকাদান কর্মসূচির নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল শিক্ষা শাখার অধীনে। কিন্তু প্রশাসন পরবর্তীতে তা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিকে দায়িত্ব দেয়। এখন সেই দায়িত্ব আবার শিক্ষা শাখাকে দেয়া হয়েছে। যদিও শিক্ষা শাখা এখন ভর্তি পরীক্ষার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। আবার এর মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী ব্যক্তি উদ্যোগে টিকা গ্রহণ করেছে। আইসিটি সেল তাদের টিকা গ্রহণের সার্টিফকেট সংগ্রহ করছে। সব মিলিয়ে টিকাদান কর্মসূচি একটু এলোমেলো অবস্থায় রয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এগুলির সমন্বয় করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত তথ্য গত ১১ মার্চ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে তালিকা আকারে পাঠানো হয়।’

সে তালিকা পাঠানোর পর ‘সুরক্ষা.গভ.বিডি’ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগত উদ্যেগে টিকা গ্রহণের আবেদন করতে সক্ষম হয় এবং টিকা গ্রহণ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী জোবায়ের কামাল বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এনআইডি দিয়ে নিবন্ধন করি।পরে ব্যক্তি উদ্যোগে ‘সুরক্ষা ডট কম’-এ টিকার আবেদন করলে সেটা অনুমোদিত হয় এবং দুই ডোজ টিকা নেই। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবগত আছে কি না জানি না।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী ব্যক্তি উদ্যোগে টিকা গ্রহণ করেছে। অফিসিয়ালি প্রশাসন তা জানে না এবং টিকা গ্রহণকারী শিক্ষার্থী সংখ্যা এখনও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।’

এদিকে গত ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টিকা সংক্রান্ত আরও একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী টিকা গ্রহণ করেছেন তাদের টিকা কার্ড বা সার্টিফিকেটের ফটোকপি জমা দিতে হবে। এবং এ ব্যাপারে যে কোনো সাহায্যের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলে যোগাযোগ করতে হবে।

এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসিটি সেলের নির্বাহী প্রকৌশলী (ইন্টারনেট) নাইমুল হাসান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টিকা গ্রহণের সংখ্যা আমরা বলতে পারব না। আমরা টিকা কার্ড অনলাইনে প্রদানের ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সাহায্য করে থাকি। এ ব্যাপারে রেজিস্ট্রার অফিস বলতে পারবে।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক শোভন রহমান বলেন, ‘আমরা দেখেছি কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শিক্ষার্থীদের টিকা গ্রহণকে অনৈতিক বলে অভিহিত করেছেন। কিন্তু প্রশাসন তথ্য সংগ্রহ করেই ক্ষান্ত। এ বছরেও শিক্ষার্থীরা টিকা পাবে কী না তা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। অথচ প্রশাসন বলেছিল চায়নার টিকা এলেই টিকা কর্মসূচি শুরু হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়োগ, ভর্তি পরীক্ষা, চূড়ান্ত পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত। টিকা প্রদান করে শিক্ষার্থীদের সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুতে কোনো অগ্রাধিকার নেই। এভাবে চলতে থাকলে ক্যাম্পাস খোলার কোন সম্ভাবনা নেই।’

এর আগে ৪ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার একটি গণমাধ্যমে প্রশাসনকে না জানিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তি উদ্যোগে টিকা গ্রহণের বিষয়টিকে অনৈতিক বলে আখ্যা দেন।

সার্বিক বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ থাকে, আমরা সেগুলো করছি। সেই সঙ্গে টিকা কর্মসূচির প্রথম ধাপের কার্যক্রম শেষ দিকে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কিছু তথ্য পাঠানো হয়েছে। আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। টিকা পেলেই শিক্ষার্থীদের দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
‘অটো পাসে একদমই খুশি না’
সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে জিপিএ-৫ হারালেন ৫০ শিক্ষার্থী
জিপিএ-৫ বৃদ্ধির হারে শীর্ষে বরিশাল
এইচএসসি: সিলেটে জিপিএ-৫ বেড়েছে তিন গুণ

শেয়ার করুন

স্থায়ী পে-কমিশন গঠনের দাবি

স্থায়ী পে-কমিশন গঠনের দাবি

মানববন্ধনে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক পরিষদের সদস্যসচিব মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা সব ধরণের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ বিষয়ে আমরা সরকারকে বলতে চাই, অবিলম্বে স্থায়ী পে-কমিশন গঠন করে ৯ম পে-স্কেল ঘোষণা করুন।’

স্থায়ী পে-কমিশন গঠন করে ৯ম পে-স্কেল ঘোষণাসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের সংগঠন সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরাম।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শুক্রবার আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক পরিষদের সদস্যসচিব মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা সব ধরণের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ বিষয়ে আমরা সরকারকে বলতে চাই, অবিলম্বে স্থায়ী পে-কমিশন গঠন করে ৯ম পে-স্কেল ঘোষণা করুন।’

মানববন্ধন থেকে ঘোষণা করা আট দফা দাবি হলো-

১. এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন করা।

২. সব পদে পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান ও ব্লক পোস্ট নিয়মিতকরণ।

৩. টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালসহ বেতনে জ্যেষ্ঠতা বজায় রাখা।

৪. সকল ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারণ।

৫. নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত রেশন প্রদান।

৬. শতভাগ পেনশন আগের মতোই বহাল রাখা।

৭. সচিবালয়ের ন্যায় পদবি ও গ্রেড পরিবর্তন।

৮. কাজের ধরন ও পদ অনুযায়ী বেতনস্কেল প্রদান।

অবিলম্বে দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানায় সরকারি চাকরিজীবীদের সংগঠন সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরামটি।

আরও পড়ুন:
‘অটো পাসে একদমই খুশি না’
সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে জিপিএ-৫ হারালেন ৫০ শিক্ষার্থী
জিপিএ-৫ বৃদ্ধির হারে শীর্ষে বরিশাল
এইচএসসি: সিলেটে জিপিএ-৫ বেড়েছে তিন গুণ

শেয়ার করুন