স্কুল-কলেজ খুলতে পারে ১৩ জুন

স্কুল-কলেজ খুলতে পারে ১৩ জুন

মন্ত্রী জানান, স্কুল-কলেজ খোলার পর ক্লাসে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে এ বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তারা সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস করবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের বাকি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে এক দিন ক্লাস করবে।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি বাড়িয়ে ১২ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে ১৩ জুন থেকেই স্কুল-কলেজ খোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার

স্কুল-কলেজ খোলার পর চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্লাসে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, স্কুল-কলেজ খুললে ক্লাস করার ব্যাপারে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তারা সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস করবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি ক্লাসের শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে একদিন ক্লাস করবে।

তিনি বলেন, ‘এ বছরও অটোপাস দেয়ার ইচ্ছা সরকারের নেই। গত বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা কিন্তু ক্লাস করেছিল। এ বছরের শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পায়নি। পরিস্থিতি খুব খারাপ না হলে পরীক্ষা নিয়েই ফল প্রকাশ করা হবে।’

‘চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা ৬০ দিন এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা ৮৪ দিন ক্লাসের পর পরীক্ষায় দেবে। ক্লাস শেষ হওয়ার পর দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে। ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা যথাক্রমে ১৫০ দিন ও ১৮০ দিন ক্লাস করবে। এর দুই সপ্তাহ পর পরীক্ষা দেবে।’

মন্ত্রী আরও জানান, ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

প্রাথমিকও খুলবে ১৩ জুন

সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৩ জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোও খুলে দেয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে। যদিও টিভি, কমিউনিটি রেডিওসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভার্চুয়াল ক্লাস নেয়া হচ্ছে। এতে সব শিক্ষার্থীকে যুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

জেএসসির পরীক্ষা অ্যাসাইনমেন্টে মূল্যায়ণ

সংবাদ সম্মেলনে ডা. দীপু মনি জানান, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে অষ্টম শ্রেণির জেএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে না। অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ করা হবে।

টিকা দেয়া হলে খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় খোলা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, করোনাভাইরাসের টিকার দুটি ডোজ সব শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের দেয়া সম্পন্ন হলেই আবাসিক হলযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়া হবে।

‘আবাসিক শিক্ষার্থীদের করোনা টিকার আওতায় আনার পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতোমধ্যে কতজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছে সে তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কাছে চেয়েছি। তবে যাদের বয়স ৪০ এর বেশি, বেশিরভাগই টিকা নিয়েছেন বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। শিক্ষার্থীদের যাদের বয়স যাদের ৪০ এর কম তাদের বিশেষ বিচেবচনায় টিকা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। নতুন টিকা এলেই তারা অগ্রাধিকার পাবে। এক্ষেত্রে আবাসিক শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবে। এ সংখ্যাটা যেহেতু বিশাল নয়, তাই দ্রুত তাদের টিকার আওতায় নিয়ে আসতে পারব বলে আশা করছি।’

‘এ বিষয়ে খুব শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য ও ইউজিসির সঙ্গে বৈঠক করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।’

সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, যে কোনো সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

‘শিক্ষার্থীরা যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে। অনলাইন ক্লাস শুরুর পর ডিজিটাল ডিভাইসের যে অসামঞ্জস্যতা তৈরি হয়েছিল সেটি অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। শতকরা ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী অ্যাসাইনমেন্টন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে।’

সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ডা. দীপুমনি বলেন, ১২ জুন পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকছে—এমন স্ক্রল আপনারা টিভিতে সম্প্রচার করছেন। এটি না করে আপনারা বলেন, ১৩ জুন থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে স্কুল-কলেজ।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এটি চলছে। বন্ধ রাখা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চাই। মাঝখানে করোনা পরিস্থিতি কিছু ভালো হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলাম। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যায়।

‘ঈদে বাড়ি যাওয়ার বিভিন্ন জেলায় সংক্রমনের হার বেড়েছে। এসব বিষয়ও আমাদের মাথায় রাখতে হচ্ছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখন অঞ্চলভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার বিষয়ে অনেকেই মতামত দিচ্ছেন, এটিও আমাদের মাথায় আছে। নানা অনিশ্চিয়তা ও সংশয়ের মধ্যেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খানসহ অন্য কর্মকর্তারা।

দেশে করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। বন্ধ দফায় দফায় বাড়িয়ে আগামী ১২জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১২ জুন পর্যন্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি: সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
স্থগিত পরীক্ষা নিতে চায় রাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি
জুনে এসএসসি, জুলাইয়ে এইচএসসির পরিকল্পনা
শিক্ষামন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত গবেষণা’

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত গবেষণা’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

‘পাশের দেশ ভারত যেভাবে গবেষণায় এগিয়ে গিয়েছে, আমরা সেভাবে এগোতে পারেনি। আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এসআই হয়ে গেল, বিসিএসে হয়ে গেল, এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হলো জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে, বিশ্বমানের লেখাপড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তৈরি করা।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত গবেষণা। জ্ঞান-বিজ্ঞানের যে ধারাবাহিকতা তা গবেষণা ছাড়া রক্ষা সম্ভব নয়।

সোমবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাব আয়োজিত ‘গবেষণায় জবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পরিচালক ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. নূরে আলম আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার পরিবেশ সত্যি কথা বলতে শিক্ষকদেরও নেই। গবেষকদের মূল্যায়ন করার প্রবণতা আমাদের মধ্যে নেই। এটি একটি বড় কারণ। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, পদোন্নতির প্রক্রিয়া সবক্ষেত্রেই গবেষণাকে অবহেলার জায়গায় রাখা হয়েছে।

‘পাশের দেশ ভারত যেভাবে গবেষণায় এগিয়ে গিয়েছে, আমরা সেভাবে এগোতে পারেনি। আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এসআই হয়ে গেল, বিসিএসে হয়ে গেল, এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হলো জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে, বিশ্বমানের লেখাপড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তৈরি করা।

‘বিসিএস তো থাকবেই কিন্তু আমাদের কোনো শিক্ষার্থী পিএইচডি করতে দেশের বাইরে গেলে এটা তো আমাদের জন্য অ্যাচিভমেন্ট। বিসিএসের যে প্রশ্নপত্র দেখা যায় যারা ক্লাসের ভালো ছাত্র তারা সাধারণত ভালো করতে পারে না, তারা ক্লাসের পড়ায় এত ব্যস্ত থাকে যে বিসিএসের পড়ায় সময় দিতে পারে না। আমার মনে হয় বিসিএসের প্রশ্নপত্র, পরীক্ষার ধরনে পরিবর্তন আনা উচিত।’

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত গবেষণা’
গবেষণা পরিচালক ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আবদুল্লাহ

তিনি আরও বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক যদি ইনডেক্স জার্নালে গবেষণা প্রকাশ করতে পারে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রণোদনা দেয়ার সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত গবেষণা। আর একটি কথা হলো গবেষণা করতে হবে কোয়ালিটি গবেষণা, গবেষণার সংখ্যা বাড়িয়ে লাভ নেই। গবেষণা হতে হবে কোয়ালিটি সম্পন্ন।’

সংগঠনের সিনিয়র সদস্য নোমান আল আবদুল্লাহর সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জগেশ রায়। অনুষ্ঠানটি ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাব’-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

এর আগে ২৯ মে ‘শিক্ষার্থীদের চলমান সংকট নিরসন ও শিক্ষার্থীদের করণীয়’ একটি লাইভ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল। ৫ জুন ‘জবির নতুন দিনের স্বপ্ন ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব’ শীর্ষক লাইভে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রীহলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১২ জুন পর্যন্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি: সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
স্থগিত পরীক্ষা নিতে চায় রাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি
জুনে এসএসসি, জুলাইয়ে এইচএসসির পরিকল্পনা
শিক্ষামন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

শেয়ার করুন

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার নির্দেশনা আসেনি

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার নির্দেশনা আসেনি

‘১৯ তারিখ থেকে যে টিকা দেয়ার কথা বলা হচ্ছে, এটি মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের। পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা মেডিক্যালে এটি দেয়া হয়েছিল। এটির রেজাল্ট যেহেতু ভালো, তাই হাসাপাতালে যারা কাজ করছেন অর্থাৎ মেডিক্যাল এবং আইসিটি শিক্ষার্থীদের এটি দেয়া হবে ৷’

উপহার হিসেবে দেয়া চীনের সিনোফার্মের ছয় লাখ ডোজ টিকা গত রোববার ঢাকায় পৌঁছেছে। এর আগে আরও পাঁচ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশকে উপহার দিয়েছে চীন।

তবে এসব টিকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দেয়ার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো নির্দেশনা আসেনি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

সোমবার রাতে নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার ব্যাপারে এখনও কোনো নির্দেশনা আসেনি। এটি নিয়ে সরকার নির্দেশ দিলে তারপর আমরা টিকা দেয়া শুরু করব।’

মিজানুর রহমান বলেন, ‘১৯ তারিখ থেকে যে টিকা দেয়ার কথা বলা হচ্ছে, এটি মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের। পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা মেডিক্যালে এটি দেয়া হয়েছিল। এটির রেজাল্ট যেহেতু ভালো, তাই হাসাপাতালে যারা কাজ করছেন অর্থাৎ মেডিক্যাল এবং আইসিটি শিক্ষার্থীদের এটি দেয়া হবে ৷’

সরকারের নির্দেশনা আসার পর শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে মিজানুর রহমান বলেন, ‘টিকা দেয়ার ব্যাপারে সরকারের নির্দেশ এলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অনেক শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন ইতিমধ্যে করা আছে। বাকিরাও করবে। রেজিস্ট্রেশন আইসিটি মিনিস্ট্রির মাধ্যমে প্ল্যাগিং করা হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা সেন্টারে গিয়ে টিকা নিতে পারবে।’

গ্রামে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা কোথা থেকে টিকা নেবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কে, কোথা থেকে নিবে এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত দিবে। তবে ধারণা করা যায়, সিনোফার্মের টিকাগুলো জেলা শহরে আর ফাইজারের টিকা ঢাকা শহরে দেয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীরও বলছেন শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি, এটা সত্য কথা। এগুলো পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট৷ প্রশাসনিক কমিটমেন্ট এখনও হয়নি।

শিক্ষার্থীরা টিকা কবে পেতে পারেন জানতে চাইলে অধ্যাপক আলমগীর আক্ষেপ করে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টিকা ছাড়া ক্লাস রুমে আসতে হবে৷ শিক্ষার্থীরা বসে আছে কেন? এ দেশে কেউ কোনো কিছু আজ পর্যন্ত দিয়েছে? সব জোর করে আদায় করতে হয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার নির্দেশনা না হওয়ার ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘যত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া যায়, ততই আমাদের জন্য উত্তম। আমাদের উদাত্ত আহ্বান থাকবে যাতে শিক্ষার্থীদের যত দ্রুত সম্ভব টিকা দেয়া যায়। তাহলে অনেক কাজকর্ম করতে আমাদের স্বাচ্ছন্দ্য হবে এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘব হবে।’

উপহার হিসেবে পাওয়া চীনের টিকা আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের টিকার ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কি না জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, ‘সরকার বলেছে, এটি সরকারের দায়িত্ব। সকাল-বিকাল যোগাযোগ করা যায় না। দায়িত্বশীল মহলে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১২ জুন পর্যন্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি: সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
স্থগিত পরীক্ষা নিতে চায় রাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি
জুনে এসএসসি, জুলাইয়ে এইচএসসির পরিকল্পনা
শিক্ষামন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

শেয়ার করুন

জবির ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের দায়িত্বে ফের জুনায়েদ হালিম

জবির ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের দায়িত্বে ফের জুনায়েদ হালিম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জুনায়েদ আহমদ হালিম। ছবি: সংগৃহীত

অধ্যাপক জুনায়েদ হালিম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একমাত্র শিক্ষক যিনি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ এ শ্রেষ্ঠ চিত্রসম্পাদক ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এর আগে ২০০৪ সালে ‘শঙ্খনাদ’ এবং ২০০৯ সালে ‘বৃত্তের বাইরে’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চিত্রসম্পাদক হিসেবে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে বিভাগের অধ্যাপক জুনায়েদ আহমদ হালিমকে পুনরায় নিযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যের অনুমোদনক্রমে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, ‘ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান জুনায়েদ আহমদ হালিমের নিয়োগের মেয়াদ ১৪ জুন পূর্ণ হবে। তাকে আবারও তিন বছরের জন্য ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো।

আদেশে আরও বলা হয়, নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান বিধি মোতাবেক ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। এ আদেশ ১৬ জুন থেকে কার্যকর হবে।

ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে আর কোনো অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপক না থাকায় তিনি পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন বলে বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়।

অধ্যাপক জুনায়েদ হালিম বলেন, দেশে চলচ্চিত্রের ওপর উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্র কম। মাত্র তিনটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্রের বিভাগ রয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ অনেক নবীন। অনেক সীমাবদ্ধতার মাঝেও এগিয়ে চলছে।

অধ্যাপক জুনায়েদ হালিম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একমাত্র শিক্ষক যিনি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ এ শ্রেষ্ঠ চিত্রসম্পাদক ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এর আগে ২০০৪ সালে ‘শঙ্খনাদ’ এবং ২০০৯ সালে ‘বৃত্তের বাইরে’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চিত্রসম্পাদক হিসেবে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।

জুনায়েদ হালিম ১৯৮৬ সালে ‘ঢাকা টোকাই’-এর মাধ্যমে প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। তিনবার জাতীয় পুরস্কার পাওয়াসহ তার সম্পাদনায় ১৯৯৭ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অনেক সিনেমা দেশে-বিদেশে নানা ধরনের স্বীকৃতি ও পুরস্কার লাভ করে। পেয়েছেন ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।

এছাড়া ২০০৭ সালে ‘স্বপ্নডানায়’ চলচ্চিত্র সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এবং ২০০৮ সালে ‘রূপান্তর’ চলচ্চিত্র ভারতে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।

অধ্যাপক জুনায়েদ হালিম আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির (২০১৯-২২) সদস্য।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১২ জুন পর্যন্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি: সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
স্থগিত পরীক্ষা নিতে চায় রাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি
জুনে এসএসসি, জুলাইয়ে এইচএসসির পরিকল্পনা
শিক্ষামন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

শেয়ার করুন

মিড-রিভিউ ক্লাসের সময় নিয়ে দ্বিধায় জবির শিক্ষার্থীরা

মিড-রিভিউ ক্লাসের সময় নিয়ে দ্বিধায় জবির শিক্ষার্থীরা

কোনো কোনো ডিন ও চেয়ারম্যান বলছেন, ১৮ জুলাইয়ের পূর্বেই রিভিউ ক্লাসের পাশাপাশি দুটি সেমিস্টারের মিড টার্ম নেয়া হবে। আবার কেউ কেউ বলছেন প্রথম সেমিস্টারের মিড নিতেই হবে, চাইলে দ্বিতীয় সেমিস্টার নেয়া যাবে। আবার কেউ বলছেন প্রথম সেমিস্টারের মিড টার্ম ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করা হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বর্ষের আটকে থাকা সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১০ আগস্ট থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে অনলাইনে শেষ রিভিউ ক্লাস শেষ করতে হবে।

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোর্স শিক্ষক নিজ বিবেচনায় সর্বোত্তম পদ্ধতিতে (অ্যাসাইনমেন্ট, গুগল ফরমে, ভাইভা, এমসিকিউ, কুইজ, ইত্যাদি) আগামী ১৮ জুলাইয়ে পূর্বে মিড টার্ম পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। তবে প্রথম না দ্বিতীয় সেমিস্টারের মিড টার্ম পরীক্ষা তা সুস্পষ্টভাবে বলা হয়নি।

কোনো কোনো ডিন ও চেয়ারম্যান বলছেন, ১৮ জুলাইয়ের পূর্বেই রিভিউ ক্লাসের পাশাপাশি দুটি সেমিস্টারের মিড টার্ম নেয়া হবে। আবার কেউ কেউ বলছেন প্রথম সেমিস্টারের মিড নিতেই হবে, চাইলে দ্বিতীয় সেমিস্টার নেয়া যাবে। আবার কেউ বলছেন প্রথম সেমিস্টারের মিড টার্ম ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করা হবে। আর ১০ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সেমিস্টার ফাইনাল শেষে দ্বিতীয় সেমিস্টার মিড, রিভিউ ক্লাস হবে।

এতে দ্বিধা দ্বন্দ্ব এ পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে সংশ্লিষ্ট অনেকেই বলছেন এটি সম্পূর্ণ কোর্স টিচারের ওপর নির্ভর করছে। কোর্স টিচার শিক্ষার্থী বান্ধব উপায়ে মিড পরীক্ষা নিতে পারবেন বলে জানান তারা।

তবে প্রথম সেমিস্টারের পর ৭-২১ দিনের একটি সময় থাকবে রিভিউ ক্লাসের জন্য এমনটি নিশ্চিত করেছেন বেশ কয়েকজন ডিন। ১৮ জুলাইয়ের আগেই দুটি সেমিস্টারের মিড ও রিভিউ ক্লাস নাকি সেমিস্টার মোতাবেক সময়সীমা দেয়া হবে- এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুস্পষ্ট বক্তব্য চাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

মিড এবং রিভিউ ক্লাসের ব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ কে এম আক্তারুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মনে হয়না শিক্ষকরা দুইটা সেমিস্টারের মিড একসঙ্গে ১৮ জুলাইয়ের আগে নিতে পারবেন। আমি যা বুঝি, প্রথম সেমিস্টারের মিড নিয়ে ফাইনাল শেষ হওয়ার পরে কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিস্টারের মিড এবং ফাইনাল নেওয়া হবে।’

এ ব্যাপারে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড এ কে এম মনিরুজ্জামান বলেন, দুই সেমিস্টারের অ্যাসেসমেন্ট ঈদের আগে হবে। যেমন এ মাসের ৩০ তারিখ এর ভেতর ১ম সেমিস্টারের অ্যাসেসমেন্ট নেয়া হলে এরপর ১৮ জুলাইয়ের ভেতর দ্বিতীয় সেমিস্টারের অ্যাসেসমেন্ট নেবে।

মিড টার্ম পরীক্ষার ব্যাপারে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী বলেন, যেহেতু ২৭ জুন থেকে ফরম ফিলাপ এসব শুরু হয়ে যাবে তাহলে তো প্রথম সেমিস্টারের অ্যাসেসমেন্টগুলো আগেই নিতে হবে। অ্যাসেসমেন্ট নিয়ে তারপর ফরম ফিলাপ শুরু করতে হবে, আর ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে দুই সেমিস্টারের অ্যাসেসমেন্ট নিতে পারবে।

আইন অনুষদের ডিন ড. সরকার আলী আক্কাস বলেন, দুই সেমিস্টারের অ্যাসেসমেন্ট ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে নিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল নিউজবাংলাকে জানান, প্রথম সেমিস্টারের মিড তো নিতেই হবে। সেক্ষেত্রে অপশন আছে। কেউ দ্বিতীয় সেমিস্টারের মিড পরে চাইলেও নিতে পারে, সমস্যা নাই। আর নির্দিষ্ট সময়ের আগে সশরীরে কোনো পরীক্ষা নেয়া যাবেনা, যা হবে সব অনলাইনে।

এ ব্যাপারে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. চঞ্চল কুমার বোস নিউজবাংলাকে জানান, যাদের দুটো সেমিস্টারের ক্লাস হয়ে গেছে তারা একসাথে দুটো নিতে পারবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, দুইটা সেমিস্টারের মিড একসঙ্গে নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা নেয়ার ৭ থেকে ১০ দিন পর দ্বিতীয় সেমিস্টারের রিভিউ ক্লাস নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে মিড পরীক্ষাগুলো অনলাইনে নেয়া হবে আর সেমিস্টার ফাইনাল হবে সশরীরে।

এ ব্যাপারে কোনো নোটিশ দেয়া হবে কি না জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানের সঙ্গে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও যুক্ত হওয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে জানান, অনেকের মিডটার্ম আগেই শেষ হয়েছে। যেগুলো হয়নি সেই মিডটার্ম গুলো নেয়া হবে। সেকেন্ড সেমিস্টারের ক্লাসতো অনেকের শেষ হয়ে গেছে, সেখানে বসে থেকে লাভ নাই। প্রথম সেমিস্টার আর দ্বিতীয় সেমিস্টারের মিড যেগুলো বাকি আছে সেগুলো নিজ নিজ ডিপার্টমেন্ট ১৮ জুলাইয়ের আগে তাদের সুবিধামতো নিতে পারবে।

এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪ তম (জরুরি) অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইনস্টিটিউট ও বিভাগের পরীক্ষাসমূহ সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১০ আগস্ট, ২০২১ তারিখ থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তবে দেশে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হলে অথবা সরকারি অন্য কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা থাকলে উক্ত তারিখ সমন্বয় করা হতে পারে।

এ ছাড়া, ডিনরা তাদের অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোর চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনা ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় করে পরীক্ষার রুটিনসহ পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করবেন এবং প্রয়োজনে সকল ইনস্টিটিউট ও বিভাগের কোর্স শিক্ষকেরা ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে রিভিউ ক্লাস সম্পন্ন করবেন।

যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারে নাই তাদের ভর্তি প্রক্রিয়া আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে এবং সকল সেমিস্টারের ফরম পূরণ আগামী ২৯ জুলাইয়ে মধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১২ জুন পর্যন্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি: সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
স্থগিত পরীক্ষা নিতে চায় রাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি
জুনে এসএসসি, জুলাইয়ে এইচএসসির পরিকল্পনা
শিক্ষামন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

শেয়ার করুন

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মারধর: গণপদযাত্রায় পুলিশের বাধা

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মারধর: গণপদযাত্রায় পুলিশের বাধা

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অভিমুখে গণপদযাত্রায় পুলিশের বাধা। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষক ওমর ফারুক বলেন, ‘আমরা হাসপাতাল দালালমুক্ত দেখতে চাই। হাসপাতালে সিন্ডিকেট চলবে না। এই হাসপাতাল কসাইখানায় পরিণত হয়েছে। একে রক্ষা করতে হবে।’

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মায়ের চিকিৎসা করাতে এসে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মারধরের শিকার হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ ও হাসপাতালকে দুর্নীতিমুক্ত করার দাবিতে আয়োজিত গণপদযাত্রায় বাধা দিয়েছে পুলিশ।

সোমবার ‘প্রতিবাদী রংপুর’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. তুহিন ওয়াদুদ ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষক ওমর ফারুক। এতে অংশ নেন রংপুরের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার বিকেলে রংপুর প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে গণপদযাত্রাটি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেয়। নগরীর টাউন হল এলাকায় পুলিশি বাধার মুখে পড়েন অংশগ্রহণকারীরা। এরপর তারা ওই বাধা পেরিয়ে নগরীর ডিসির মোড়ের বঙ্গবন্ধু ম্যুরালের পাদদেশে সমাবেশ করেন।

সমাবেশে ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাশেদ গরিব পরিবারের সন্তান। মায়ের চিকিৎসার জন্য ৫০০ টাকা ধার করে এনেছিল। সেই টাকার ১০০ দিতে হয়েছে হাসপাতালের কর্মচারীদের। ওই টাকার জন্য প্রতিবাদ করলে তাকে মেরে গুরুতর আহত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তার সুচিকিৎসা করা হচ্ছে না। সে একটি কানে শুনতে পায় না। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।’

তুহিন ওয়াদুদ বলেন, ‘আমরা ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিচ্ছি। যদি এই সময়ের মধ্যে আহত ছাত্রদের উন্নত চিকিৎসা করা না হয় এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হয় তাহলে কঠোর আন্দোলন দেয়া হবে।’

শিক্ষক ওমর ফারুক বলেন, ‘আমরা হাসপাতাল দালালমুক্ত দেখতে চাই। হাসপাতালে সিন্ডিকেট চলবে না। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের আহত ছেলেদের চিকিৎসা নিশ্চিত এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এই হাসপাতাল কসাইখানায় পরিণত হয়েছে। এই হাসপাতালকে রক্ষা করতে হবে। সরকারি সেবা নিশ্চিত করতে হবে।’

রাকিবুল হাসান নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘রংপুর অঞ্চলের দুই কোটি মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা এই হাসপাতাল। কিন্তু সেখানে দালাল দিয়ে ভর্তি। পদে পদে দুর্নীতি। সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এটা বন্ধ করতে হবে। দালালমুক্ত করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।’

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ বলেন, ‘পদযাত্রার বিষয়টি আমরা সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানাব।’

ওসি বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।’

আহত দুই শিক্ষার্থীর উন্নত চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার কথাও জানান ওসি।

অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করাতে শুক্রবার সন্ধ্যায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল করিম রিয়াদ ও তার ছোট ভাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাশেদ করিম । এ সময় ৩০ টাকা ভর্তি ফির বদলে ১০০ টাকা নেয় হাসপাতালের কর্মচারীরা। এর প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে আহত করা হয় রিয়াদ ও রাশেদকে।

এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শনিবার চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তাদের পাঁচ কর্মদিবসে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১২ জুন পর্যন্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি: সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
স্থগিত পরীক্ষা নিতে চায় রাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি
জুনে এসএসসি, জুলাইয়ে এইচএসসির পরিকল্পনা
শিক্ষামন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

শেয়ার করুন

টাইম স্কেল ধরে রাখতে ৪৮ হাজার শিক্ষকের আপিল

টাইম স্কেল ধরে রাখতে ৪৮ হাজার শিক্ষকের আপিল

মোকছেদুল জানান, শিক্ষকদের টাইম স্কেল ফেরত নিতে অর্থ মন্ত্রণালয় যে পরিপত্র জারি করে, সেটি একটি বড় অন্যায়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজ হচ্ছে অর্থ বরাদ্দ করা। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেটি কোন খাতে ব্যয় করছে সেটি তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ হাজার ৭২০ শিক্ষকের টাইম স্কেল ফেরত নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের বৈধতা প্রশ্নে রিট খারিজ করে হাইকোর্ট। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন শিক্ষকেরা।

আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় সোমবার আপিল করা হয়েছে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন আবেদনকারী শিক্ষকদের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘টাইম স্কেল ফেরত নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্ট রুলটি খারিজ করে দেয়। আমরা ওই খারিজাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেছি।’

মোকছেদুল জানান, শিক্ষকদের টাইম স্কেল ফেরত নিতে অর্থ মন্ত্রণালয় যে পরিপত্র জারি করে, সেটি একটি বড় অন্যায়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজ হচ্ছে অর্থ বরাদ্দ করা। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেটি কোন খাতে ব্যয় করছে সেটি তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।

‘কিন্তু দেখা যায়, সেখানেও অর্থ মন্ত্রণালয় নাগ গলায়। এমন কোনো বিধান নেই। বরং আইনে বলা আছে, বরাদ্দকৃত অর্থ কোন খাতে ব্যয় করবে সেটি প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। আমরা আপিল দায়ের করেছি, আশা করি সেখান থেকে আমাদের পক্ষে রায় পাব।’

সারা দেশে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ হাজার ৭২০ শিক্ষকের টাইম স্কেল ফেরত দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র নিয়ে জারি করা রুলটি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে রায় দেয় হাইকোর্ট। রায়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে রিটকারীরা চাইলে মামলা করতে পারবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

আদালতে ওই দিন রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে প্রাথমিক শিক্ষক সমাবেশে দেশের ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত এক লাখ ৪ হাজার ৭৭২ জন শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে রাষ্ট্রপতির আদেশে পরিপত্র ও গেজেট প্রকাশ করা হয়।

সেই পরিপত্র ও গেজেটের পর জাতীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সরকারের আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে আসছিলেন। কিন্তু গত বছর ১২ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয় ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষকের টাইম স্কেল ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি করে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সংক্ষুব্ধ শিক্ষকরা হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট পরিপত্র স্থগিত করে রুল জারি করে। রুলে শিক্ষকের টাইম স্কেল ফেরত দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ তখন আপিল করে। ওই আপিল গ্রহণ করে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়। পরে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ শুনানি শেষে দ্রুত হাইকোর্টের রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্ট শুনানি শেষ করে রুলটি খারিজ করে দেয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১২ জুন পর্যন্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি: সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
স্থগিত পরীক্ষা নিতে চায় রাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি
জুনে এসএসসি, জুলাইয়ে এইচএসসির পরিকল্পনা
শিক্ষামন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

শেয়ার করুন

সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের মধ্যে অন্যতম ঢাকা কলেজ। ছবি: সংগৃহীত

সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিমউল্লাহ খন্দকার নিউজবাংলাকে বলেন, আজকের বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন নেয়া হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কৃর্তপক্ষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের স্নাতক (২০২০-২১) প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী জুলাই মাস থেকে।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ও সাত কলেজের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামালের সঙ্গে সাত কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিমউল্লাহ খন্দকার নিউজবাংলাকে বলেন, আজকের বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন নেয়া হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কৃর্তপক্ষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেবে।

কলেজগুলো হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১২ জুন পর্যন্ত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি: সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
স্থগিত পরীক্ষা নিতে চায় রাবি, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি
জুনে এসএসসি, জুলাইয়ে এইচএসসির পরিকল্পনা
শিক্ষামন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

শেয়ার করুন