জুনের মধ্যে শিক্ষাঙ্গন খুলতে চায় সরকার

জুনের মধ্যে শিক্ষাঙ্গন খুলতে চায় সরকার

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘একটা হিসাবে দেখা গেছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে পৃথিবীতে মাত্র ১৪টি দেশে পুরোপুরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। যেহেতু আমরা অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি, তাই এখন আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা ভাবছি।’

জুনের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। নিউজবাংলাকে তিনি এ কথা জানান।

কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারে, জানতে চাইলে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘এটা শুধু আমাদের একার সিদ্ধান্ত নয়। জাতীয় পরামর্শক কমিটির মতামত অনুযায়ী আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জুনকে টার্গেট করছি। পুরো লকডাউন ওঠানো ছাড়া বলা সম্ভব না কবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে।’

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘একটা হিসাবে দেখা গেছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে পৃথিবীতে মাত্র ১৪টি দেশে পুরোপুরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। যেহেতু আমরা অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি, তাই এখন আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা ভাবছি। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ২৫ মে একটি দিকনির্দেশনা দেয়ার কথা রয়েছে।’

করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে কয়েক দফা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে আগামী ২৬ মে শিক্ষামন্ত্রী একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইংরেজি ভার্সন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

ইংরেজি ভার্সন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে অ্যাসাইনমেন্ট ও ইংরেজি ভার্সনের গ্রিড প্রণয়ন করেছে এনসিটিবি। এটি প্রথম ধাপে তিন সপ্তাহের জন্য বিতরণ করা হয়েছে। ইংরেজি ভার্সন অ্যাসাইনমেন্টের ক্ষেত্রেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

চলতি বছরে ইংরেজি ভার্সনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য তিন সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল হোসাইনের সই করা অ্যাসাইনমেন্টটি মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, করোনা মহামারির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে অ্যাসাইনমেন্ট ও ইংরেজি ভার্সনের গ্রিড প্রণয়ন করেছে। এটি প্রথম ধাপে তিন সপ্তাহের জন্য বিতরণ করা হলো। ইংরেজি ভার্সন অ্যাসাইনমেন্টের ক্ষেত্রেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের জারি করা নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে বিতরণ করা অ্যাসাইনমেন্ট ও ইংরেজি ভার্সনের গ্রিড সকল শিক্ষার্থীদের প্রদান ও গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ যথাযথভাবে অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হলো।

এর আগে ১৯ জুলাই রাতে বাংলা ভার্সনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য তিন সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করে মাউশি। এর সঙ্গে অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ ও মূল্যায়ন নির্দেশিকাও প্রকাশ করা হয়।

১৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট ১৮ জুলাই থেকে দেয়া শুরু হবে। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ১২ সপ্তাহে ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে। তারা প্রতি সপ্তাহে দুটি করে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেবে। এসএসসির ক্ষেত্রে প্রতিটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে মোট ৮টি করে অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে, এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি সম্পন্ন করা হবে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো করোনা শনাক্ত হয়। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় সেটি ৩১ আগস্ট করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

শোক দিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ  

শোক দিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ  

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থল। ফাইল ছবি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির চিঠিতে বলা হয়, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। বঙ্গবন্ধু এবং ১৫ আগস্টের সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সরকারি ও অন্যান্য কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে ড্রপডাউন ব্যানার লাগানোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

জাতীয় শোক দিবসে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব দপ্তর ও সংস্থায় ড্রপডাউন ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ আদেশ দেয়া হয়।

এর আগে ১৮ জুলাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির চিঠিতে বলা হয়, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। বঙ্গবন্ধু এবং ১৫ আগস্টের সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সরকারি ও অন্যান্য কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে ড্রপডাউন ব্যানার (ভবনের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত) লাগানোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

কেমন হবে ড্রপডাউন ব্যানার

ড্রপডাউন ব্যানারটি ভবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মাপ অনুযায়ী ভবনের সামনে দৃশ্যমানভাবে লাগানোর ব্যবস্থা নেয়া এবং ওয়েবসাইটে (mujib100.gov.bd) দেয়া ড্রপডাউন ব্যানারের নমুনার আলোকে বানাতে হবে। ব্যানারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি থাকবে। স্থান সংকুলান সাপেক্ষে ১৫ আগস্টের সব শহিদদের ছবি ব্যবহার করা যাবে। ব্যানারে বঙ্গবন্ধু এবং ১৫ আগস্টের শহিদদের ছাড়া অন্য কোনো ছবি ব্যবহার করা যাবে না।

ড্রপডাউন ব্যানারের উপরে বামপাশে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো, মাঝে বাংলাদেশ সরকারের লোগো (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং ডানপাশে মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহার করা যাবে। তবে ব্যানারের নিচে প্রতিষ্ঠানের নাম লোগোসহ (যদি থাকে) ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যানারে স্থান সংকুলান সাপেক্ষে বঙ্গবন্ধুর কোনো ভাষণের উদ্ধৃতি, দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো উদ্ধৃতি বা কবিতার পক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে।

শেয়ার করুন

শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এনটিআরসিএ’র

শিক্ষক নিয়োগের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এনটিআরসিএ’র

শিক্ষক নিয়োগের এই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু হবে আগামী ৮ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে, চলবে ৩১ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। আবেদনকৃত প্রার্থীরা এই সময়ের পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত SMS এর মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন। আবেদন ফি ১০০টাকা।

তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশের পর এবার শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন এনটিআরসিএ সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষা ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মাধ্যমিক বিদ্যালয়/দাখিল মাদরাসা) ভোকেশনাল কোর্স চালুর লক্ষ্যে বিশেষ এ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।’

জানা যায়, শিক্ষক নিয়োগের এই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু হবে আগামী ৮ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে, চলবে ৩১ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। আবেদনকৃত প্রার্থীরা এই সময়ের পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত SMS এর মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন। আবেদন ফি ১০০টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে ১০টি বিষয়ে ৪৬৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য মোট ৬৮৮ জন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। সব পদই এমপিও ভুক্ত।

যে সব বিষয়ে শিক্ষক নেয়া হবে

ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন, সিলিভ কন্সট্রাকশন, জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস, জেনারেল ইলেকট্রনিক ওয়ার্কস/ জেনারেল ইলেকট্রনিক, ড্রেস মেকিং, কম্পিউটার ইনফরমেশন টেকনোলজি, জেনারেল মেকানিক্স, রেফ্রিজারেটর অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন, প্লামবিং অ্যান্ড পাইপ ফিটিং, ওয়েলডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন।

আবেদনের শর্ত

১. আবেদনকারীকে আবশ্যিকভাবে এনটিআরসিএ’র সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিবন্ধনধারী এবং সমন্বিত মেধা তালিকাভুক্ত হতে হবে। এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে জারিকৃত সর্বশেষ জনবল কাঠামো অনুযায়ী কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।

২. আবেদনকারীর বয়স ০১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ৩৫ বছর বা তার কম হতে হবে। তবে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইনডেক্সধারী প্রার্থী এবং মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের ৩৯০০/2019 নং মামলার রায় অনুযায়ী ১২.০৬.২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের পূর্বে যারা শিক্ষক নিবন্ধন সনদ লাভ করেছেন তাদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য।

৩. যিনি যে বিষয়ে এনটিআরসিএ’র নিবন্ধন সনদধারী তিনি তার সংশ্লিষ্ট বিষয়/বিষয়সমূহের বিপরীতে তালিকায় বর্ণিত সব প্রতিষ্ঠানের সব পদে আবেদন করতে পারবেন। তবে এক ব্যক্তি একাধিক প্রতিষ্ঠানের একাধিক পদে আবেদন করলে পছন্দের ক্রম উল্লেখ করে দিতে হবে। তার পছন্দ ও মেধাক্রম অনুসারে মাত্র একটি পদের বিপরীতে তাকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।

অনলাইনে আবেদন ও ফি জমা দেয়া সংক্রান্ত বিষয় জানতে ক্লিক করুন http://ngi.teletalk.com.bd এবং www.ntrca.gov.bd ওয়েবসাইট-এ।

এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল গত ১৫ জুলাই রাতে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

এতে ৫১ হাজার ৭৬১টি পদে সুপারিশ করার কথা থাকলেও সুপারিশ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীকে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জন এবং ননএমপিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৬৭৬ জন। আর ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি মহিলা কোটা পদে নারী প্রার্থী না পাওয়ায় মোট ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফল দেয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: ফলের অসংগতি দূর করার দাবি

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: ফলের অসংগতি দূর করার দাবি

ফলাফলের অসঙ্গতি দূর করার দাবি করেছে নিয়োগ প্রতাশীরা। ফাইল ছবি

এনটিআরসিএর গণবিজ্ঞপ্তিতে পরে যেন ৩৫ বছর বয়সী প্রার্থীদের প্রাধান্য দেয়া হয়, সে বিষয়টিতে নজর রাখার কথা বলা হয়।

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রকাশিত তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির ফলাফলে যেসব অসংগতি বা অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো আমলে নিয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছে গণবিজ্ঞাপ্তিপ্রত্যাশী শিক্ষক ফোরাম।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও চূড়ান্ত সুপারিশ দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। পরে নিয়োগ কার্যক্ৰমে যেন সংরক্ষিত পদ ও ইনডেক্সমুক্ত হয়, সে বিষয়টি খেয়াল রাখার জন্য এনটিআরসিএর কাছে দাবি জানানো হয়।

পরের গণবিজ্ঞপ্তিতে ৩৫ বছর বয়সী প্রার্থীদের যেন প্রাধান্য দেয়া হয়, সে বিষয়টিতে নজর রাখার কথাও বলা হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল গত ১৫ জুলাই রাতে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

৫১ হাজার ৭৬১টি পদে সুপারিশ করার কথা থাকলেও সুপারিশ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮৬ জন প্রার্থীকে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩৪ হাজার ৬১০ জনকে এবং নন-এমপিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ৬৭৬ জনকে সুপারিশ করা হয়।

আর ৮ হাজার ৪৪৮টি পদে কোনো আবেদন না পাওয়ায় এবং ৬ হাজার ৭৭৭টি মহিলা কোটা পদে মহিলা প্রার্থী না পাওয়ায় ১৫ হাজার ৩২৫টি পদে ফল দেয়া সম্ভব হয়নি।

এর আগে ১৫ জুলাই এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়োগ নিয়ে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি জানান, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে আবেদন-প্রক্রিয়া শেষ করা হলেও আদালতে মামলার কারণে আবেদনকারীদের ফলাফল এতদিন প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

শিক্ষক নিবন্ধনের ১ থেকে ১২তম পর্যন্ত পাস করেও চাকরি না পাওয়া ২ হাজার ৫০০ জনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে এনটিআরসিএকে সুপারিশ করে রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট। সে রায় ২৮ জুন বাতিল করে দেয় আপিল বিভাগ।

চলতি বছরের ৩০ মার্চ তৃতীয় ধাপে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৫৪ হাজার ৩০৪ শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।

গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫৪ হাজার ৩০৪টি শূন্যপদের মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ৩১ হাজার ১০১টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত পদ ২৬ হাজার ৮৩৮টি। মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ ২০ হাজার ৯৯৬টি। এর মধ্যে ১৯ হাজার ১৫৪টি এমপিওভুক্ত। আর ২ হাজার ২০৭টি এমপিও পদে রিট মামলায় অংশগ্রহণদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়।

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু বিস্তার রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৪ নির্দেশনা

ডেঙ্গু বিস্তার রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৪ নির্দেশনা

ডেঙ্গু ছড়ায় এডিস মশা। ছবি: কবিরুল বাশার

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায়, শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন, খোলা জায়গা, মাঠ, ফুলের টব, পানির পাম্প বা পানি জমে এমন পাত্র, ফ্রিজ বা এসির পানি জমার ট্রে, পানির ট্যাপের আশেপাশের জায়গা, বাথরুম, বাথরুমের কমোড, গ্যারেজ, নির্মাণাধীন ভবন, লিফট, সিঁড়ি, পরিত্যাক্ত বস্তু যেসবে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল হতে পারে বা দুই দিনের বেশি পানি জমতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা অফিস ও এর আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার করাসহ চার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের নির্দেশও দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ জন্য ৪ দফা নির্দেশনা আদেশ জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো:

১. মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন ও আশেপাশের খোলা জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

২. শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন, খোলা জায়গা, মাঠ, ফুলের টব, পানির পাম্প বা পানি জমে এমন পাত্র, ফ্রিজ বা এসির পানি জমার ট্রে, পানির ট্যাপের আশেপাশের জায়গা, বাথরুম, বাথরুমের কমোড, গ্যারেজ, নির্মাণাধীন ভবন, লিফট, সিঁড়ি, পরিত্যাক্ত বস্তু যেসবে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল হতে পারে বা দুই দিনের বেশি পানি জমতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।

৩. শিক্ষকদের অনলাইন ও ভার্চুয়াল ক্লাসে শিক্ষার্থীদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের করোনা ও ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের অনুরোধ জানাতে হবে।

৪. শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে স্থানীয় প্রশাসন. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় সরকর প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে।

চলতি বছর করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই দেশে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে।

এখন প্রতিদিনই ঢাকায় অন্তত ২০০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

জুলাইয়ে দুই হাজার ২৮৬ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। জুন মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৭২। উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য হাসপাতাল সুনির্দিষ্ট করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) ডেঙ্গু সন্দেহে চারজনের মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে।

২০১৯ সালে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তারে আক্রান্ত হয় ১ লাখের বেশি মানুষ। যাদের মধ্যে মারা যায় ১৭৯ জন। গত বছর সংক্রমণের মাত্রা অনেকটা কম থাকলেও এ বছর পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে।

করোনার মধ্যে ডেঙ্গুর এই বিস্তার নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে সরকার। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র এডিস মশা নির্মূলে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। নগরীর বিভিন্ন ভবনে অভিযান চালিয়ে এডিস বিস্তারের পরিবেশ থাকায় জরিমানা করা হয়েছে। সচেতনতা বাড়াতে চলছে প্রচারণা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায় মশার মাধ্যমে। আর অন্য মশার সঙ্গে ডেঙ্গুর ভাইরাসবাহী এডিস মশার পার্থক্য আছে। মূলত এই মশাগুলোর জন্ম হয় আবদ্ধ পরিবেশে। ফলে নাগরিকরা সচেতন না হলে এই রোগ প্রতিরোধ করা কঠিন।

২০১৯ সালে ডেঙ্গু রোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হওয়ার পর গত বছর সতর্ক অবস্থানে ছিল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তারপরও ২০২০ সালে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ হাজার ৪০৫ জন, যাদের মধ্যে ৬ জন মারা যান।

শেয়ার করুন

দাখিল-আলিম পরীক্ষাও হবে ৩ বিষয়ে

দাখিল-আলিম পরীক্ষাও হবে ৩ বিষয়ে

২০২১ সালের সাধারণ বিভাগের দাখিল পরীক্ষার্থীদের কোরআন মাজিদ ও তাজভিদ, হাদিস শরিফ, ইসলামের ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা হবে হাদিস শরিফ, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে।

চলতি বছরের দাখিল ও আলিম পরীক্ষাও শুধু তিন বিষয়ে হবে। চতুর্থ বিষয় ও অন্যান্য আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফল দেয়া হবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মঙ্গলবার রাতে জারি করা জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

যেসব বিষয়ে পরীক্ষা হবে

২০২১ সালের সাধারণ বিভাগের দাখিল পরীক্ষার্থীদের কোরআন মাজিদ ও তাজভিদ, হাদিস শরিফ, ইসলামের ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা হবে হাদিস শরিফ, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে।

মুজাব্বিদ বিভাগের পরীক্ষার্থীদের দিতে হবে কোরআন মাজিদ ও তাজভিদ, হাদিস শরিফ, তাজভিদ নসর ও নজম বিষয়ের পরীক্ষা দিতে হবে। আর হিফজুল কোরআন বিভাগের পরীক্ষার্থীদের কোরআন মাজিদ ও তাজভিদ, হাদিস শরিফ ও তাজভিদ বিষয়ের পরীক্ষা দিতে হবে।

২০২১ সালের সাধারণ বিভাগের শিক্ষার্থীদের কোরআন মাজিদ, হাদিস ও উসুলুল হাদিস, আল ফিকহ প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, ইসলামের ইতিহাস, বালাগাত ও মানতিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

বিজ্ঞান বিভাগের আলিম পরীক্ষার্থীদের কোরআন মাজিদ, হাদিস ও উসুলুল হাদিস, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, রসায়ন প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা দিতে হবে। আর মুজাব্বিদ মাহির বিভাগের শিক্ষার্থীদের কোরআন মাজিদ, হাদিস ও উসুলুল হাদিস, আল ফিকহ প্রথম পত্র, আরবি সাহিত্য, তাজভিদ প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২১ সালের দাখিল ও আলিম পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে চতুর্থ বিষয় পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ নেই।

শেয়ার করুন

আলিম পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ১২ আগস্ট

আলিম পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ১২ আগস্ট

আগামী ১১ আগস্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য তালিকা প্রকাশ করা হবে। আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ চলবে। একই সঙ্গে আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে আলিম পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের ফি সোনালী ব্যাংক ও বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। করোনার কারণে এবারের আলিমের টেস্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।

মাদরাসার আলীম পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ১২ আগস্ট থেকে। অনলাইনে এ ফরম পূরণ কার্যক্রম চলবে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত।

৩০ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ফি পরিশোধ করতে পারবেন বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার রাতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামাল উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, আগামী ১১ আগস্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য তালিকা প্রকাশ করা হবে। আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ চলবে। একই সঙ্গে আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে আলিম পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের ফি সোনালী ব্যাংক ও বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। করোনার কারণে এবারের আলিমের টেস্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আলিম পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। এ সংক্রান্ত কোনো ফি আদায় করা যাবে না। কেবল বৈধ রেজিস্ট্রেশনকরী শিক্ষার্থীরা আলিম পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে পারবেন। নিয়মিত, অনিয়মিত, আংশিক বিষয়ে ফেল করা, শুধু আবশ্যিক বিষয়ে ফেল করা, প্রাইভেট পরীক্ষার্থী, জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী সবাইকেই ফরম পূরণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার্থী বা তার অভিভাবক এ বছর সোনালী ব্যাংকের অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরে বসেই বোর্ড ফি, কেন্দ্র ফি ও প্রতিষ্ঠানের পাওনা পরিশোধ করবেন। ফি পরিশোধের বিস্তারিত প্রক্রিয়া নির্দেশিকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেয়া থাকবে। শিক্ষার্থীরা সোনালী ব্যাংক বা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের বিকাশ, নগদ, রকেট, শিওর ক্যাশ বা উপায়ের মধ্যেমে পরিশোধ করতে পারবেন।

কত ফি

আলিম পরীক্ষার ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পত্র প্রতি ১০০ টাকা, ব্যবহারিকের ফি বাবদ পত্র প্রতি ৫ টাকা, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের ফি বাবদ পরীক্ষার্থী প্রতি ৫০ টাকা মূল সনদ বাবদ শিক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা, বয়েজ স্কাউট ও গার্লস গাইড ফি বাবদ ১৫ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি বাবদ পরীক্ষার্থী প্রতি ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে ১০০ টাকা রিটেনশন ফি দিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে। এছাড়া জিপিএ উন্নয়ন ও প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদেরও ১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ১০০ টাকা সনদ ফি দিতে হবে।

আলিম পরীক্ষার কেন্দ্র ফি বাবদ প্রতি পরীক্ষার্থীকে ৩০০ টাকা ও ব্যবহারিক পরীক্ষার ব্যবস্থাপনার জন্য পত্র প্রতি ৫ টাকা ফি দিতে হবে পরীক্ষার্থীদের।

এর আগে গত ৩১ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ ১২ আগস্ট থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

দেশে করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। পরে দফায় দফায় তা বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়।

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে ১৩ জুন দেশের সব মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, প্রাথমিক ও মাদ্রাসা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা জানিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না আসায় তা সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন