জবি বন্ধের সময় বাড়ল, ক্লাস হবে অনলাইনে

জবি বন্ধের সময় বাড়ল, ক্লাস হবে অনলাইনে

বন্ধের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে। জারিকৃত কঠোর বিধিনিষেধ উঠিয়ে নিলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।’

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউন কিছুটা শিথিল করে সময়সীমা ৩০ মে মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দপ্তরগুলো বন্ধের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

তবে এ সময়ে অনলাইন ক্লাস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে।

উপাচার্যের (দায়িত্বপ্রাপ্ত) আদেশক্রমে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানের সই করা রোববারের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা কর্তৃক নির্দেশনার প্রেক্ষিতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি অবনতির কারণে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের নিমিত্তে ২৪ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ/দপ্তর বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে ইনস্টিটিউট/বিভাগ/দপ্তরসমূহ খোলা রাখা যাবে।’

বন্ধের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, লকডাউন চলাকালে অনলাইন ক্লাস, বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিষেবা (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ও নিরাপত্তা) চালু থাকবে।

বন্ধের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে। জারিকৃত কঠোর বিধিনিষেধ উঠিয়ে নিলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।’

জগন্নাথে ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরুর আগে বন্ধ ছিল ২৮ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত। ৬ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত ঈদের ছুটি ছিল।

ঈদের পর ১৮ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত বন্ধ ছিল। সবশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বন্ধের সময়সীমা ২৪ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলার নিন্দায় জবির শিক্ষকরা
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা
জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস
লকডাউনে বন্ধ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে অটোপাস

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে অটোপাস

প্রমোশন পাওয়ার শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হলো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ১ম বর্ষের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমোটেড’ হয় সেক্ষেত্রে তার শর্তসাপেক্ষে দেয়া প্রমোশন বাতিল হবে।

২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমোশন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এর আওতায় ওই শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থীকে অটোপাস দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে ।

এতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। যেসব শিক্ষার্থী ২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন, তাদেরকে শর্ত সাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমোশন দিয়ে ক্লাস করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন, অনিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৯ হাজার ৫০ জন। আর মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯ জন। ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী।

প্রমোশন পাওয়ার শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হলো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ১ম বর্ষের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমোটেড’ হয় সেক্ষেত্রে তার শর্তসাপেক্ষে দেয়া প্রমোশন বাতিল গণ্য হবে।

এর আগে মঙ্গলবার দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি জানিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান বলেছিলেন, ‘আমরা কয়েকটি বিকল্প পদ্ধতির কথা ভাবছি। এর মধ্যে একটি হলো মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমোশন দেয়া। আরেকটি হলো অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা। তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি।’

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলার নিন্দায় জবির শিক্ষকরা
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা
জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস
লকডাউনে বন্ধ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

বন্ধ স্কুলে চলছে পাঠদান, অভিযোগ অভিভাবকদের

বন্ধ স্কুলে চলছে পাঠদান, অভিযোগ অভিভাবকদের

ওই স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল হান্নান বলেন, ‘এই মহামারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকার কথা বললেও অধ্যক্ষ নিজ দায়িত্বে খুলে দিয়েছেন। শিক্ষকরা একক সিদ্ধান্তে এটা করেছেন। এ বিষয়ে মালিকপক্ষের কারও সঙ্গে শিক্ষকরা কোনো আলোচনা করেননি।’

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর পরে প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা যাবে কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য নেই সরকারের।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে একটি স্কুলে ক্লাস নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।

বিষয়টি স্বীকার করেছেন স্কুল কমিটির সভাপতি। তবে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ বলেছেন, ক্লাস চালু নয়, খোলা রাখা হয়েছে অফিস।

জীবননগরের উথলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থতি আইডিয়াল প্রি-ক্যাডেট কিন্ডারগার্টেনে চলতি মাসের শুরু থেকে নিয়মিত ক্লাস চালু রেখেছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।

তাদের অভিযোগ, ওই এলাকায় কয়েকজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শিক্ষকদের বিষয়টি বারবার বলেও কোনো লাভ হয়নি।

ওই স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল হান্নান বলেন, ‘এই মহামারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকার কথা বললেও অধ্যক্ষ নিজ দায়িত্বে খুলে দিয়েছেন। শিক্ষকরা একক সিদ্ধান্তে এটা করেছেন। এ বিষয়ে মালিকপক্ষের কারও সঙ্গে শিক্ষকরা কোনো আলোচনা করেননি।

‘অভিভাবকদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ইমরান হোসেনকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য বলেছি। এরপর কোনো শিক্ষার্থী যদি করোনা আক্রান্ত হয়, তাহলে তার দায়ভার আমরা নেব না।’

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ইমরান হোসেন পাঠদানের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘শুধু অফিস খুলে রাখা হয়েছে। কোনো পাঠদানের কাজ চলছে না।’

জীবননগর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উথলী আইডিয়াল প্রি-ক্যাডেট কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাঠদান বন্ধ করার জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে।

স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, বুধবার দুপুরে প্রতিষ্ঠানে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী র্কমর্কতা অভিযান চালাতে আসছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এরপর দ্রুত স্কুল বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠিয়ে দেন অধ্যক্ষ ইমরান হোসেন।

এ বিষয়ে জানতে ইমরানকে কল করেও পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলার নিন্দায় জবির শিক্ষকরা
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা
জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস
লকডাউনে বন্ধ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

শিক্ষা মন্ত্রণালয়মুখী মিছিলে পুলিশের বাধা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়মুখী মিছিলে পুলিশের বাধা

সচিবালয়ের সামনে প্রগতীশীল ছাত্রসংঠনগুলোর মিছিলে পুলিশের বাধা। ছবি: সাইফুল ইসলাম

এ সময় জোটের নেতা কর্মীরা ‘শিক্ষা কোন পণ্য নয়’, ‘শিক্ষা আমার অধিকার’, ‘কর আরোপ যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’, ‘স্কুল কলেজ খুলে দাও, নইলে গদি ছেড়ে দাও’, ‘শিক্ষার ওপর কর আরোপ চলবে না, বাতিল করো’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

রোডম্যাপ ঘোষণা করে অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলাসহ ৪ দফা দাবিতে প্রগতীশীল ছাত্রসংঠনগুলোর শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ।

মিছিলটি বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে শুরু হয়। এরপর শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, কদমফোয়ারা মোড় হয়ে সচিবালয়ের সামনে আসলে পুলিশ আটকে দেয়।

এ সময় তারা ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি হয়। পরে সেখানেই অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেন তারা।

এ সময় জোটের নেতা কর্মীরা ‘শিক্ষা কোন পণ্য নয়’, ‘শিক্ষা আমার অধিকার’, ‘কর আরোপ যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’, ‘স্কুল কলেজ খুলে দাও, নইলে গদি ছেড়ে দাও’, ‘শিক্ষার ওপর কর আরোপ চলবে না, বাতিল করো’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

জোটের ৪ দফা দাবি:

# রোডম্যাপ ঘোষণা করে অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা

# বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের উপর আরোপিত ১৫ শতাংশ আয়কর প্রত্যাহার

# সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে টিকাদান

# করোনায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেতন-ফি মওকুফ করা

সচিবালয়ের সামনের সমাবেশে জোটের সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, ‘করোনার কারণে অনেক শিক্ষার্থী এমনিতেই জড়ে পড়ছে। তার ওপর শিক্ষার ওপর কর আরোপের কারণে শিক্ষার্থীদের জড়ে পরার হার আরও বেড়ে যাবে৷ আমরা অবিলম্বে সকল শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় এনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি করছি৷ পাশাপাশি বাজেটে শিক্ষার ওপর যে কর আরোপ করা হয়েছে তা বাতিল করতে হবে।’

ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী এত নরম সুরে কথা বলেন, সকল শিক্ষার্থীরা গলে যায়। উনি মন্ত্রী না, ছলনাময়ী নারী। আমরা তার আর কোনো কথা শুনব না। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালা আমরা ভেঙে ফেলব। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয় বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী একজন সার্কাস মন্ত্রী। জনগণের শিক্ষার অধিকারের সাথে তিনি সার্কাস খেলেছেন। এই সার্কাস অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এই সরকার করোনা মহামারির চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর। অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে৷ তা না হলে আমরা আরও বিশাল মিছিল নিয়ে আসব।’

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলার নিন্দায় জবির শিক্ষকরা
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা
জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস
লকডাউনে বন্ধ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

এসএসসি ফরম পূরণের সময় বাড়ল

এসএসসি ফরম পূরণের সময় বাড়ল

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরম পূরণের সময় ১৫ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনলাইনে ফি জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৪ জুন।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সময় আবার বাড়িয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বিলম্ব ফি ছাড়া পরীক্ষার্থীরা ২৩ জুন পর্যন্ত ফরম পূরণ করতে পারবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তি বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরম পূরণের সময় ১৫ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনলাইনে ফি জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৪ জুন।

‘২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি আর প্রকাশ করা হবে না। ওই সময়ের মধ্যে ফরম পূরণের কাজ শেষ করতে হবে। পরে ফরম পূরণের আর কোনো সুযোগ থাকবে না।’

এতে আরও বলা হয়, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।

অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয় বোর্ড থেকে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে নতুন করে বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। এরপর ৫ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ কার্যক্রম স্থগিত করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করায় ওই সময় বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের সুযোগ দিয়ে গত ২২ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণের সুযোগ দেয়া হয়।

পরে আরেক দফা সময় বাড়ানোর পর তৃতীয় দফায় ২৩ জুন পর্যন্ত সময় বাড়িয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলার নিন্দায় জবির শিক্ষকরা
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা
জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস
লকডাউনে বন্ধ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

বাঁচতে চান প্রভাষক শাহাদাত

বাঁচতে চান প্রভাষক শাহাদাত

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শাহাদাত লিউকেমিয়ায় (রক্তের ক্যান্সার) আক্রান্ত। ছবি: নিউজবাংলা

শাহাদাতের স্বজন, সহপাঠী ও বন্ধুরা জানান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০তম ব্যাচের দর্শন বিভাগের ছাত্র ছিলেন শাহাদাত। তার গ্রামের বাড়ি রংপুরে। ৩ ভাই বোনের মধ্যে তিনি বড়। বাবা রিকশাভ্যান চালান। টিউশনি করে ছাত্রজীবন থেকে শাহাদাত লেখাপড়ার খরচ জুগিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শাহাদাত লিউকেমিয়ায় (রক্তের ক্যান্সার) আক্রান্ত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রক্তের ক্যান্সার আক্রান্ত শাহাদাতকে বাঁচানোর জন্য দেশের বাইরে নিয়ে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশান (বিএমটি বা স্টেম সেল প্রতিস্থাপন) করাতে হবে। এজন্য তার পরিবারকে ৬০ থেকে ৮০ লাখ টাকা খরচ করতে হবে। কিন্তু রিকশাভ্যানচালক শাহাদাতের বাবার পক্ষে এই পরিমাণ অর্থ জোগাড় করা সম্ভব নয়।

শাহাদাতের স্বজন, সহপাঠী ও বন্ধুরা জানান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০তম ব্যাচের দর্শন বিভাগের ছাত্র ছিলেন শাহাদাত। তার গ্রামের বাড়ি রংপুরে। ৩ ভাই বোনের মধ্যে তিনি বড়। বাবা রিকশাভ্যান চালান। টিউশনি করে ছাত্রজীবন থেকে শাহাদাত লেখাপড়ার খরচ জুগিয়েছেন।

স্নাতকোত্তর শেষে জীবনের প্রথম বিসিএসে অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হন তিনি। ৩৭ তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডার থেকে উর্ত্তীণ হয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন গত বছর। এরই মধ্যে ছোট বোনের বিয়ে দিয়েছেন। আরেক বোন লেখাপড়া করছেন। কিন্তু ক্যান্সার তার জীবনের সব স্বপ্ন ও গোটা পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়েছে।

শাহাদাতের বরাত দিয়ে শুভাকাঙ্খীরা জানিয়েছেন, শাহাদাত বাঁচতে চান। এরই মধ্যে একাধিকবার তাদের কাছে ফোন করে সহায়তা চেয়েছেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এস এম সাদাত জানান, ‘আমরা অনেকেই বিভিন্ন ফোরামে শাহাদাতের চিকিৎসায় অর্থ জোগাতে কাজ শুরু করেছি। ওর চিকিৎসার জন্য প্রায় ৬০ থেকে ৮০ লাখ টাকা লাগবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ব্যাচ ও বিভাগ থেকে ফান্ড কালেকশনের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

শাহাদাতকে বাঁচানোর জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলার নিন্দায় জবির শিক্ষকরা
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা
জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস
লকডাউনে বন্ধ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

পাবিপ্রবির নোটিশে বারবার ‘টাইপিং মিসটেক’

পাবিপ্রবির নোটিশে বারবার ‘টাইপিং মিসটেক’

একজন শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘আর কবে এসব বিষয়ে সচেতন হবে? মানুষ ভুল থেকে শিক্ষা নেয়। আগেরদিনই এএম, পিএম নিয়ে কত বড় নিউজ হয়ে গেল অথচ আবার ভুল। এখন মনে হয় এরা বার বার ভুল করেই মিডিয়ায় আসতে চায়। এগুলো দেখলে এখন সত্যিই খুব খারাপ লাগে।’

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গভীর রাতে পরীক্ষা নেয়ার নোটিশের পর এক বছর আগের তারিখে ফরম পূরণের নোটিশ দেয়ায় আবারও শুরু হয়েছে সমালোচনা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও স্কলারশিপ শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার সুজা উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার জানানো হয়েছে, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্পেশাল পরীক্ষা ২০১৮-এর ফরম পূরণের তারিখ ১৪-০৬-২০২১ থেকে ২৮-০৬-২০২০।

সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য নিজ বিভাগ থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে যথাযথভাবে পূরণ করে হল ক্লিয়ারেন্স নিয়ে জমা দেবেন।

পর পর এ ধরনের ভুল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপে শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন।

একজন শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘আর কবে এসব বিষয়ে সচেতন হবে? মানুষ ভুল থেকে শিক্ষা নেয়। আগেরদিনই এএম, পিএম নিয়ে কত বড় নিউজ হয়ে গেল অথচ আবার ভুল। এখন মনে হয় এরা বার বার ভুল করেই মিডিয়ায় আসতে চায়। এগুলো দেখলে এখন সত্যিই খুব খারাপ লাগে।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘প্রচুর ট্রলের শিকার হচ্ছি ভাই। বিভিন্ন ভার্সিটির বন্ধুরা মেনশন দিয়ে ট্রল করছে।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘২০২০ সাল তো করোনায় চলে গেছে। কীভাবে আমরা ফিরে পাব ওই তারিখ।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সহকারী রেজিস্ট্রার সুজা উদ্দিনকে কয়েকবার কল দেয়া হলেও তিনি ধরেননি।

তবে রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, এটি টাইপিংয়ের ভুল। তবে প্রায়ই এ ধরনের ভুল হচ্ছে যা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কেউ কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় এমন ঘটনা বার বার ঘটছে।

গত ৯ জুন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর রাত ৩টা ২০ মিনিটে ক্লাস নেয়া নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। এর মাঝেই গত শনিবার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নোটিশে বলা হয় ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রতিটি পরীক্ষা হবে 10:30pm -1:30pm এ।

পরীক্ষার নোটিশে এ ধরনের বড় ভুল নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। ঠিক তার পরদিনই আবারও ভুল।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলার নিন্দায় জবির শিক্ষকরা
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা
জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস
লকডাউনে বন্ধ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

আবার শুরু হচ্ছে স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্তি

আবার শুরু হচ্ছে স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্তি

নতুন অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের যে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে, তাতে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ২০০ কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা।

নতুন অর্থবছরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আসছে সুখবর। নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার প্রক্রিয়া আবার শুরু হচ্ছে। ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভূক্ত করার পর গত বছর আর তা করা হয়নি।

এমপিওভূক্তির প্রক্রিয়া আবার শুরু হচ্ছে বলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন।

নতুন অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের যে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে, তাতে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ২০০ কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা।

এমপিও হলো মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার বা মাসিক বেতন আদেশ, যার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করে সরকার।

বেশির ভাগ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়ে ঘাটতি থাকার কারণে শিক্ষকদের কাছে এমপিওভুক্তি একটি কাঙ্ক্ষিত বিষয়। গত ২৯ মে এমপিওভুক্তির নীতিমালা সংশোধন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তবে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আলাদাভাবে উল্লেখ করেননি নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ বরাদ্দের কথা। মন্ত্রণালয় তাদের মোট বরাদ্দ থেকে খাত অনুযায়ী বরাদ্দ ঠিক করবে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, আগামী অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন নন-এমপিও বেসরকারি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত করার জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার চাইলে এ বরাদ্দ বাড়াতেও পারে।

আর কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরাও শুনেছি প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে বরাদ্দ রেখেছে। বাজেট পাসের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। আমরা চাই মুজিববর্ষেই এমপিওভুক্তির বাইরে থাকা সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করা হোক।’

সর্বশেষ সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করে ২০১৯ সালে। ওই বছরের ২৩ অক্টোবর ২ হাজার ৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে চূড়ান্ত বাছাইয়ে ২ হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ছাড়পত্র পায়। এরপর আবার ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর ছয়টি এবং ১৪ নভেম্বর একটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়।

দেশে এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হয়েছে এমন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৩৩ হাজার। আর এমপিওভুক্ত হয়নি এখনও প্রায় ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিও করার জন্য গত ২৯ মে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় এমপিওভুক্তির জন্য তিনটি শর্ত দেয়া হয়েছে।

শর্তগুলো হলো: শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থী সংখ্যা এবং পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার। এই তিন বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ এবং পাসের হারে ৪০ নম্বর রাখা হয়েছে। আগের নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদের ওপর ২৫ নম্বর ছিল, যা সংশোধিত নীতিমালায় বাদ দেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের নীতিমালায় কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কতজন শিক্ষার্থী থাকতে হবে, তা বেঁধে দেয়া হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, নিম্নমাধ্যমিকে শহরে ১২০ ও মফস্বলে ৯০, মাধ্যমিকে শহরে ২০০ ও মফস্বলে ১৫০, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহরে ৪২০ ও মফস্বলে ৩২০, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে শহরে ২৫০ ও মফস্বলে ২২০ এবং ডিগ্রি কলেজে স্নাতকে শহরে ৪৯০ ও মফস্বলে ৪২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। পাসের হার স্তরভেদে ৪৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ করা হয়েছে।

গত ৩ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে যে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন, তাতে শিক্ষা খাতে ৭১ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৬৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলার নিন্দায় জবির শিক্ষকরা
এবার ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ পাঠালেন জবি শিক্ষার্থীরা
ফিলিস্তিনিদের জন্য জবি শিক্ষার্থীদের অর্থ সহায়তা
জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস
লকডাউনে বন্ধ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন