ব্লাড ক্যানসারের কাছে হেরে গেলেন জবির রবিন

রবিন কুমার হালদার

ব্লাড ক্যানসারের কাছে হেরে গেলেন জবির রবিন

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের হেমাটোলজি বিভাগে চিকিৎসা চলছিল তার। উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। রবিনের চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে এসেছিলেন অনেকে।

তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন সবাই। বাড়িয়েছিলেন সাহায্যের হাত। কিন্তু এসব আর দরকার হলো না রবিন কুমার হালদারের। লিউকেমিয়ার (ব্লাড ক্যানসার) কাছে হার মানলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের স্নাতকোত্তরের এই শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় রাজশাহীর তানোর উপজেলায় নিজ বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন রবিন।

রবিনের সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

তারা জানান, বুধবার রবিনের জ্বর ছিল অনেক। জ্বর না কমায় রাত ২টায় ইনজেকশন দেয়া হয়। ভোর ৪টার দিকে মৃত্যু হয় তার। নিজ বাড়িতেই তার মরদেহ সৎকার করা হয়।

রবিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের হেমাটোলজি বিভাগে চিকিৎসা চলছিল তার। উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা রবিনকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

রবিনের চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে এসেছিলেন অনেকে।

আরও পড়ুন:
টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা
জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’
পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ
শাল্লায় হামলার প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
জবির শিক্ষক থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মাঠ সংস্কার হলেই খেলতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

মাঠ সংস্কার হলেই খেলতে পারবেন জবি শিক্ষার্থীরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠ হিসেবে পরিচিত ধূপখোলা মাঠে পিলার বসিয়েছে সিটি করপোরেশন। ছবি: নিউজবাংলা

মাঠটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একমাত্র খেলার স্থান। যদিও এটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং মাঠটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ডের আওতাধীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র সমাবর্তনও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার ধূপখোলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র খেলার মাঠের সংস্কার শেষ হলেই শিক্ষার্থীরা খেলতে পারবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

খেলার মাঠের চলমান সমস্যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে মেয়র তাপসের বৈঠক শেষে এ আশ্বাস মিলেছে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

সোমবার বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের মধ্যকার এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা সূত্রে জানা যায়, পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত ধূপখোলা মাঠ নামে পরিচিত মাঠটিকে সংস্কার করে আরও উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। দ্রুতই শুরু হবে সংস্কার কাজ। মাঠে বসানো পিলারগুলোও দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সবাই মাঠে আগের মতোই খেলাধূলা করতে পারবে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডিএসসিসি মেয়রের সঙ্গে আজ আমাদের মিটিং হয়েছে। শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলাধুলা করতে পারবে। সিটি কর্পোরেশন পিলারগুলো দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি না নিয়ে মাঠে খুঁটি বসানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মাঠটি আমাদের নামে রেজিস্ট্রেশন করা নেই। সিটি কর্পোরেশনের মাস্টারপ্ল্যানের একটি অংশ হিসেবে তারা মাঠ সংস্কার করে আরও উন্নত করবে। আমাদের আগের মতোই খেলাধুলার সুযোগ থাকবে।’

সভায় উপস্থিত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তাফা কামাল বলেন, ‘আালোচনা হয়েছে, সিটি কর্পোরেশন মেয়র ছাড়াও, সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। আশ্বাস পেয়েছি, আমাদের ছেলেমেয়ে খেলাধুলা করবে।’

এছাড়াও সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, রেজিষ্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠের চারদিকে সাতটি স্থানে ছোট ছোট রড-সিমেন্ট দিয়ে পিলার বসানো হয়েছে। মাঠে কর্মরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৫ জুন এসব পিলার বসানো হয়েছে। এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শামসুজ্জোহাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শ্রমিকদের দাবি, মাঠের সংস্কারের জন্যই মূলত এটা করা হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব পিলার বসিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। এখানে মার্কেট নির্মাণ করা হবে।

৭ একর জমির ওপর ধূপখোলা খেলার মাঠটিতে ১৯৮৪ সালে এরশাদের শাসনামলে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। তার এক ভাগ দেয়া হয় তৎকালীন জগন্নাথ কলেজকে। আর একটি অংশ ‘ইস্ট এন্ড খেলার মাঠ’ নামে একটি ক্লাবের কর্তৃত্বে রয়েছে। অপর অংশটি রাখা হয় জনসাধারণ খেলার জন্য।

মাঠটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একমাত্র খেলার স্থান। যদিও এটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং মাঠটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ডের আওতাধীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র সমাবর্তনও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা
জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’
পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ
শাল্লায় হামলার প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
জবির শিক্ষক থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবি

শেয়ার করুন

হল না খোলায় ঢাবিতে তাঁবু খাটানোর ঘোষণা

হল না খোলায় ঢাবিতে তাঁবু খাটানোর ঘোষণা

আবদুর রহমান খোকন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর, কার্জন হল, কলা ভবন এবং মেয়েদের জন্য রোকেয়া হলের সামনে এসব তাঁবু স্থাপন করা হবে।’

আবাসিক হল বন্ধ থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ-ইনিস্টিউটে চূড়ান্ত পরীক্ষা দিতে আসা অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য তাঁবু খাটানোর ঘোষণা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ছাত্র মঞ্চ নামের একটি সংগঠন।

করোনাভাইরাস মহামারিতে আবাসিক হল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫টি তাঁবু স্থাপন করবে তারা।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির সভাপতি আবদুর রহমান খোকন।

তবে কবে থেকে এই তাঁবু স্থাপন করা হবে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

আবদুর রহমান খোকন বলেন, ‘তাঁবু স্থাপন কাজ কবে শুরু হবে সেটি আমরা প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানিয়ে দিব। প্রাথমিকভাবে এসব তাঁবু আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি পয়েন্টে স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর, কার্জন হল, কলা ভবন এবং মেয়েদের জন্য রোকেয়া হলের সামনে এসব তাবু স্থাপন করা হবে।’

আবাসিক হল বন্ধ রেখে ১ জুলাই থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষা সশরীরে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতি হলে একই তারিখ থেকে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া হবে।

খোকন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হল না খুলে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। এ অবস্থায় মানবিক দিক বিবেচনা করে পরীক্ষার্থীদে জন্য আমাদের পক্ষ থেকে থাকার ব্যবস্থা করার জন্য তাবু স্থাপন করা হবে।’

মুক্তিযুদ্ধ ছাত্র মঞ্চ সংগঠনটি ২০২০ সালের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ছাত্র সংগঠন। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন।

ছাত্র মঞ্চের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক বলছেন ঢাবির এই অধ্যাপক।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাদের জন্য ঢাকায় এসে আবাসন যোগাড় করে পরীক্ষা দেয়া কষ্টকর। ছাত্র মঞ্চের এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য অবশ্যই ইতিবাচক এবং ভালো খবর।’

আরও পড়ুন:
টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা
জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’
পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ
শাল্লায় হামলার প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
জবির শিক্ষক থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবি

শেয়ার করুন

১০ শতাংশ কমল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট

১০ শতাংশ কমল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট

বাজেট কমানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘এবার সরকার বিশাল ঘাটতি বাজেট দিয়েছে ৷ ফলে সরকার থেকে আমাদের বলা হয়েছে, এবার সরকারের আয় কম তাই সকল প্রতিষ্ঠানকে ১০ শতাশ কম বরাদ্দ দেবে। তাই প্যানডেমিকের জন্য এবার ১০ শতাংশ কমিয়ে দেয়া হয়েছে।’

২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডেকেট। এবার বাজেটের মোট পরিমাণ ৮৩১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, যা গত বছর থেকে ১০ শতাংশ কম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদনের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্য ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

বাজেটে গবেষণার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১১ কোটি টাকা। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য রাখা হয়নি কোনো প্রণোদনা।

সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর সিনেট সভায় উপস্থাপনের জন্য এ বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। আগামী ২৪ তারিখ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় এ বাজেট সিনেটের বার্ষিক অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

সিন্ডিকেট সদস্য হুমায়ুন কবীর বলেন, এবারের বাজেটে গবেষণার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১.৩২ শতাংশ। শিক্ষক কর্মকর্তা- কর্মচারীদের বেতন বাবদ খাতে ২৭ শতাংশ এবং শিক্ষক কর্মকর্তাদের ভাতা বাবদ ২০.২০ শতাংশ ধরা হয়েছে।

করোনাকালে শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো প্রণোদনা রাখা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, মূল বাজেটে এ বিষয়ে কোনো প্রণোদনা রাখা হয়নি। তবে এ খাতে বিশেষ বরাদ্দের জন্য বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। সেটি সিন্ডিকেটেও আলোচনা করা হয়েছে। সরকারকে সেভাবে লেখা হবে।

গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের মোট পরিমাণ ছিল ৮৬৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। গত বছরের তুলনায় এবারের বাজেট কম ১০ শতাংশ।

বাজেট কমানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সিন্ডিকেট সদস্য হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘এবার সরকার বিশাল ঘাটতি বাজেট দিয়েছে ৷ ফলে সরকার থেকে আমাদের বলা হয়েছে, এবার সরকারের আয় কম তাই সকল প্রতিষ্ঠানকে ১০ শতাশ কম বরাদ্দ দেবে। তাই প্যানডেমিকের জন্য এবার ১০ শতাংশ কমিয়ে দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা
জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’
পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ
শাল্লায় হামলার প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
জবির শিক্ষক থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবি

শেয়ার করুন

মাধ্যমিকে থাকছে না বিভাগ, ২০২৩ সালে বাস্তবায়ন

মাধ্যমিকে থাকছে না বিভাগ, ২০২৩ সালে বাস্তবায়ন

মাধ্যমিক স্তরে বিভাগসমূহ (বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক) থাকরব না। এ ধরনের কারিকুলামকে এনসিটিবি বলছে গুচ্ছভিত্তিক কারিকুলাম। নতুন এই কারিকুলামের বাস্তবায়ন শুরু হবে ২০২৩ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন বই দেয়ার মাধ্যমে। এরপর ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য শ্রেণিতে নতুন কারিকুলামের বই পাবে শিক্ষার্থীরা।

নতুন কারিকুলামে মাধ্যমিকে থাকছে না বিভাগ। এতদিন শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগের মধ্যে পছন্দ অনুযায়ী বাছাই করত। নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীরা নবম-দশম শ্রেণিতে পড়বে সব বিষয়।

এর বাস্তবায়ন শুরু হবে ২০২৩ সাল থেকে। বিষয়টিকে ইতিবাচক বলছেন শিক্ষাবিদরা।

নতুন কারিকুলামে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরে সব বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত ও জ্ঞান লাভ করবে। অর্থাৎ সব ধরনের শিক্ষা বা অভিন্ন শিক্ষা নিয়েই শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক শিক্ষার স্তর শেষ করতে হবে।

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি থেকে বিভাগ নির্বাচন শুরু হবে।

মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন কারিকুলাম তৈরি করছে জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এতে থাকবে না মাধ্যমিক স্তরে বিভাগসমূহ (বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক)। এ ধরনের কারিকুলামকে এনসিটিবি বলছে গুচ্ছভিত্তিক কারিকুলাম। নতুন এই কারিকুলামের বাস্তবায়ন শুরু হবে ২০২৩ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন বই দেয়ার মাধ্যমে। এরপর ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য শ্রেণিতে নতুন কারিকুলামের বই পাবে শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী মাধ্যমিকের বিভাগসমূহ থাকবে না। এর পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা নবম-দশম শ্রেণিতে একই কারিকুলামের একই পাঠ্যবই পড়বে।

কবে নাগাদ নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন কারিকুলামের বই হাতে পাবে, এমন প্রশ্নে এনসিটিবির চেয়ারম্যান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘২০২২ সালে মাধ্যমিক স্তরের দুটি ক্লাসে (ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি) পাইলটিং করা হবে। এরপর ২০২৩ সালে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই দেয়া শুরু হবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ক্লাসে নতুন কারিকুলামের বই দেয়া হবে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে পাইলটিং প্রকল্পের ফলাফলের ওপর।’

তিনি আরও বলেন, ‘বলা যায়, যে শিক্ষার্থী ২০২৩ ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন কারিকুলামের বই পাবে, সেই শিক্ষার্থী ২০২৬ সালে এসে নবম শ্রেণিতে নতুন কারিকুলামের বই পাবে।’

এ বিষয়ে শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিষয়টি অবশ্যই ইতিবাচক। তবে খুবই সতর্কতার সঙ্গে এর বাস্তবায়ন করতে হবে। বাস্তবায়নের আগে শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে এর কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দা তাহমিনা আক্তার নিউজবাংলকে বলেন, ‘এ ধরনের সুপারিশ কুদরত-ই-খুদা কমিশনও করেছিল। শুনে ভালো লাগল এতদিন পর হলেও সরকার বিষয়টি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন যথাযথ প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।’

এর আগে এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, ‘আমাদের কারিকুলামের পুরো পর্যালোচনা হচ্ছে। খুব শিগগিরি চূড়ান্ত রূপটি প্রকাশ করব। সেখানে আমাদের সব ধরনের শিক্ষাতে বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায়- এই বিভাগগুলো নবম-দশম শ্রেণিতে আর রাখছি না। সব শিক্ষার্থী সব ধরনের শিক্ষা নিয়ে স্কুলের ১০টি বছর শেষ করবে।’

এনসিটিবি থেকে জানা যায়, মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষায় নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের জন্য ২০১৬ সালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নিয়ে গঠন করা হয় একটি কমিটি। একই বছরের ২৫-২৬ নভেম্বর কমিটির সদস্যরা কক্সবাজারে দুই দিনের আবাসিক কর্মশালায় অংশ নেন। এতে শিক্ষাবিদরা বেশ কিছু সুপারিশ প্রস্তাব করেন। সেই সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের জন্য কয়েকটি সাবকমিটিও গঠন করা হয়। এর একটি শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা সাবকমিটি। এ কমিটি ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ৮ দফা সুপারিশ প্রস্তাব করে। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে একটি দফা হলো: পাঠ্যবইয়ের কিছু বিষয় বাধ্যতামূলক এবং কিছু বিষয় ঐচ্ছিক রাখা। এ ছাড়া বর্তমানে চালু থাকা তিন বিভাগের প্রায় সব বিষয় সব শিক্ষার্থীই যেন পড়তে পারে, সেভাবে কারিকুলাম প্রস্তুত করা।

আরও পড়ুন:
টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা
জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’
পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ
শাল্লায় হামলার প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
জবির শিক্ষক থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবি

শেয়ার করুন

দশম শ্রেণির দ্বিতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

দশম শ্রেণির দ্বিতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে যেসব এলাকা লকডাউনের আওতায় রয়েছে, সেসব এলাকায় স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা মোতাবেক বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনোক্রমেই স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা উপেক্ষা করা যাবে না।

২০২২ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের (দশম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত) দ্বিতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশির ওয়েবসাইটে সোমবার এই অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোডিড-১৯ অতিমারির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২২ সালের এস এস সি পরীক্ষার জন্য পাঠসুচিকে পুনর্বিন্যাস করেছে। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক অ্যাসাইনমেন্টের মূল্যায়ন নির্দেশক অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে।

আরও বলা হয়, কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে যেসব এলাকা লকডাউনের আওতায় রয়েছে, সেসব এলাকায় স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা মোতাবেক বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনোক্রমেই স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা উপেক্ষা করা যাবে না।

দেশে করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় তা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

করোনার সময়টাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখাই অ্যাসাইনমেন্টের উদ্দেশ্য। এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নও করা হবে।

আরও পড়ুন:
টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা
জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’
পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ
শাল্লায় হামলার প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
জবির শিক্ষক থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবি

শেয়ার করুন

ঢাবির আবাসিক, পরিবহন ফি প্রত্যাহার চায় ছাত্রলীগ

ঢাবির আবাসিক, পরিবহন ফি প্রত্যাহার চায় ছাত্রলীগ

বিভিন্ন দাবিতে সমাবেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ও পরিবহণ ফি প্রত্যাহার, আবাসিক-অনাবাসিক সকল শিক্ষার্থীকে দ্রুততম সময়ে টিকার আওতায় নিয়ে আসার দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের আবাসিক ও পরিবহন ফি নেয়া বন্ধ করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

রাজু ভাস্কর্যের সামনে সোমবার দুপুরে আয়োজিত এক ছাত্র সামবেশ থেকে এ আহ্বান জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

এ সময় সাদ্দাম হোসেন শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় নিয়ে আসতে ব্যর্থ হয়েছে জানিয়ে প্রসাশনের উদাসীনতাকে দায়ী করেন।

উদাসীনতা কাটিয়ে দ্রুত শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ও পরিবহণ ফি প্রত্যাহার, আবাসিক-অনাবাসিক সকল শিক্ষার্থীকে দ্রুততম সময়ে টিকার আওতায় নিয়ে আসার দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশ থেকে মাদকমুক্ত ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক নিশ্চয়তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের রোডম্যাপ প্রণয়ন, মেডিক্যাল সেন্টারের আধুনিকায়ন ও করোনার চিকিৎসার সুব্যবস্থার দাবিও জানানো হয়।

সমাবেশে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও কর্তৃপক্ষ আবাসিক ফি নেয়া অব্যাহত রেখেছে। পরিবহণ সেবা ভোগ না করলেও ভর্তি হতে এসে শিক্ষার্থীদের দিতে হচ্ছে ১ হাজার ৮০ টাকা করে পরিবহন ফি।

‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি ধিক্কার, আপনারা অভিভাবকসুলভ আচরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। আপনাদের শিক্ষার্থীবান্ধব ভূমিকা ছাত্রসমাজের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। অনতিবিলম্বে পরিবহন ও আবাসিক ফি নেয়া বন্ধ করবেন; যেন নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবে তাদের শিক্ষা পরিচালনা করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি এসব ফি নেয়া বন্ধ না করেন তাহলে মনে করব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিকতা রং রুটে চলে গেছে।’

সাদ্দাম হোসেন আরও বলেন, ‘চীন থেকে পাওয়া টিকার উপহার প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের দেয়ার কথা বলছেন। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রশাসনিক শৈথিল্যের কারণে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার কারণে মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় আসলেও এখন পর্যন্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় আসেনি।

‘প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেটি শিক্ষার্থীদের পবিত্র আমানত। অনতিবিলম্বে সকল প্রশাসনিক শৈথিল্য পরিহার করে প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা করুন।’

দ্রুততার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিও আহ্বান জানান সাদ্দাম হোসেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে হবে। কোনো ধরনের রাজনৈতিক ছত্রছায়া আমরা দেখতে চাই না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে ছাত্রলীগ যুগপৎ ভূমিকা রাখবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাশের সভাপতিত্বে ছাত্র সমাবেশে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এবং বিভিন্ন হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে সনজিত বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাদকসেবী ও দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় কেন্দ্র হতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আমাদের আহ্বান, আপনারা প্রক্টরিয়াল টিম, পুলিশ বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাদের সাথে সমন্বয় করে ক্যাম্পাসের যেখানে যেখানে মাদকসেবন হয়, সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন।

‘কোথায় মাদকসেবন হয় আপনারা যদি তা না জানেন তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে খোঁজ নেন। আমরা আপনাদের খোঁজ দেব।’

আরও পড়ুন:
টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা
জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’
পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ
শাল্লায় হামলার প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
জবির শিক্ষক থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবি

শেয়ার করুন

করোনায় আটকে যেতে পারে এবারের জেএসসিও

করোনায় আটকে যেতে পারে এবারের জেএসসিও

এবারের জেএসসি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হবে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে। ছবি: সাইফুল ইসলাম

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নেহাল আহমেদ বলেন, ‘দিন দিন করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’  

করোনাভাইরাস মহামারিতে গত বছর নেয়া সম্ভব হয়নি জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। এবারও নেয়া হতে পারে একই সিদ্ধান্ত।

এ বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নেহাল আহমেদ বলছেন, সবকিছু নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর।

তিনি বলেন, ‘দিন দিন করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

একই কথা বলেছেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক কর্মকতা বলেন, ‘অন্য বছর এই সময়ে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ, প্রশ্নপত্র তৈরি ও মুদ্রণকাজ শুরু হয়। তবে এবার শুধু শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়েছে।

‘অন্য কোনো কাজ এখনও শুরু হয়নি। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো নির্দেশনাও আসেনি। যতটুকু ধারণা, এবার না-ও হতে পারে পরীক্ষাটি।’

গত ২৬ মে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জেএসসি পরীক্ষার বিষয়ে বলেন, পরীক্ষা নেয়ার পরিস্থিতি হলে নেয়া হবে। আর না হলে অ্যাসাইনমেন্টের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা যায় কি না, সেটা দেখা হচ্ছে।

এদিকে ২০২১ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা এবার হবে না। তবে গতবারের মতো অটোপাস না দিয়ে এবার বাড়ির কাজের ওপর মূল্যায়নের মাধ্যমে নতুন শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের প্রমোশন দেয়া হবে। শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে।

দেশে করোনা শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় তা বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা
জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’
পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ
শাল্লায় হামলার প্রতিবাদে জবি শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন
জবির শিক্ষক থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবি

শেয়ার করুন