বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফল প্রস্তুত

বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফল প্রস্তুত

এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিনউদ্দিন বলেন, ‘সব প্রস্তুত আছে, সময় হলেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে। লিখিত পরীক্ষার হয়েছে ঠিক আছে। যেহেতু এখন লকডাউনের কারণে সব কিছু বন্ধ আছে, সেহেতেু এ কারণে আমাদের কোনো কর্মকাণ্ড করা যাচ্ছে না।’

আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফল প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিনউদ্দিন।

মঙ্গলবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্টে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব প্রস্তুত আছে, সময় হলেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

‘লিখিত পরীক্ষার হয়েছে ঠিক আছে। যেহেতু এখন লকডাউনের কারণে সব কিছু বন্ধ আছে, সেহেতেু এ কারণে আমাদের কোনো কর্মকাণ্ড করা যাচ্ছে না।’

গত ১৯ ডিসেম্বর আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন পাঁচটা কেন্দ্রে হাঙ্গামার পর সেই কেন্দ্রগুলোর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে কঠোর নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের পরীক্ষা নেয়া হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি।

করোনার কারণে কয়েক দফা পরীক্ষা পেছানোয় এবারের পরীক্ষার্থীদের দাবি ছিল লিখিত পরীক্ষা না নিয়ে সরাসরি ভাইভা নেয়ার।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবীদের সনদ পেতে নৈর্ব্যক্তিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর ৫০।

আবার ওই তিন ধাপের যেকোনো একটি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা একবার উত্তীর্ণ হলে পরবর্তী পরীক্ষায় তারা দ্বিতীয় ও শেষ বারের মতো অংশগ্রহণের সুযোগ পান।

তবে দ্বিতীয়বারও অনুত্তীর্ণ হলে তাদের পুনরায় শুরু থেকেই পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।

সে অনুসারে ২০১৭ সালের ৩৪ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে লিখিত পরীক্ষায় দ্বিতীয় ও শেষ বারের মতো বাদ পড়া তিন হাজার ৫৯০ জন এবং ২০২০ সালে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মধ্যে নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আট হাজার ৭৬৪ শিক্ষার্থীসহ ১২ হাজার ৩৫৪ জন সনদপ্রত্যাশী এবার লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

র‌্যাংকিংয়ে দেশসেরা চবির কম্পিউটার বিজ্ঞান

র‌্যাংকিংয়ে দেশসেরা চবির কম্পিউটার বিজ্ঞান

তালিকাতে বিজনেস, ম্যানেজমেন্ট ও একাউন্টিং বিভাগে তৃতীয়, ইঞ্জিনিয়ারিং এ চতুর্থ, এগ্রিকালচার অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সে ষষ্ঠ, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সে সপ্তম, ফিজিক্স অ্যান্ড এস্ট্রোনমিতে ১২তম অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি এনার্জি গবেষণাতেও প্রথম স্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

স্পেনভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিমাগো ইনস্টিটিউশনস এর র‌্যাংকিংয়ে চলতি বছরের বিষয়ভিত্তিক তালিকায় কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে (সিএসই) শীর্ষস্থান অর্জন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)।

এ তালিকায় কম্পিউটার বিজ্ঞানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং তৃতীয় স্থানে আছে চট্টগ্রামে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।

সিমাগোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চতুর্থ এবং বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা ও গবেষণা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৬৬তম অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

কলা ও মানবিকী, রসায়ন, গণিত, অর্থনীতি, কৃষি ও জৈবিক বিজ্ঞান, প্রকৌশলসহ ১৬টি বিষয়ভিত্তিক শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছে সিমাগো ইনস্টিটিউশনস।

তালিকাতে বিজনেস, ম্যানেজমেন্ট ও একাউন্টিং বিভাগে তৃতীয়, ইঞ্জিনিয়ারিং এ চতুর্থ, এগ্রিকালচার অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সে ষষ্ঠ, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সে সপ্তম, ফিজিক্স অ্যান্ড এস্ট্রোনমিতে ১২তম অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি এনার্জি গবেষণাতেও প্রথম স্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও আইসিটি সেলের পরিচালক খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘এই র‌্যাংকিংগুলো করা হয় গবেষণা পাবলিকেশনের ওপর। আমাদের বিভাগের শিক্ষকরা অনেক গবেষণা করছেন। আমাদের পাবলিকেশনের সংখ্যাও অনেক। আমার নিজেরও গত ছয় মাসে আটটার মতো পাবলিকেশন হয়েছে।’

স্পেনভিত্তিক সিমাগো ইনস্টিটিউশন থেকে প্রতিবছর শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের র‌্যাংকিং প্রকাশ করা হয়ে থাকে। ২০০৯ সাল থেকে এই র‌্যাংকিং প্রকাশ হয়ে আসছে।

শেয়ার করুন

খুলছে না স্কুল-কলেজ, বাড়ল ছুটি

খুলছে না স্কুল-কলেজ, বাড়ল ছুটি

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ পেছানোয় আবারও অনিশ্চয়তায় পড়ল এসএসসি ও এএইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। করোনা পরিস্থিতির জন্য গত বছর এইচএসসি পরীক্ষা নিতে পারেনি সরকার। পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয় এসএসসি ও জেএসসির ফলের ভিত্তিতে। তবে এ বছর এ পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করতে চায় না সরকার।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরও এক দফা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

শনিবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৩ মে থেকে স্কুল-কলেজে খোলার কথা ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা ২৪ মে। কিন্তু দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হলো সরকারকে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অতি সম্প্রতি চলমান কোভিড-১৯ মহামারি সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তবে এই সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

দেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে দফায় দফায় বাড়ানো হয় ছুটির মেয়াদ। তবে সবশেষ ঘোষণায় বলা হয়েছিল, ২৩ মে থেকে শুরু হতে পারে পাঠদান। তা আর হলো না। ছুটির মেয়াদ বাড়ল আরও এক দফা।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ পেছানোয় আবারও অনিশ্চয়তায় পড়ল এসএসসি ও এএইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। করোনা পরিস্থিতির জন্য গত বছর এইচএসসি পরীক্ষা নিতে পারেনি সরকার। পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয় এসএসসি ও জেএসসির ফলের ভিত্তিতে। তবে এ বছর এ পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করতে চায় না সরকার।

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, স্কুল-কলেজ খোলার পর সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাদের পাঠ্যক্রম শেষ করার কথা রয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ৬০ দিন এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ৮৪ দিনের সংক্ষিপ্ত পাঠ্যক্রম প্রস্তুত করার কথা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এরই মধ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলো পরীক্ষা কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। তবে স্থগিত রয়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ।

গত ৭ এপ্রিল শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বর্ধিত করে নতুন সময়সূচি জানিয়ে দেয়া হবে।

শিক্ষা বোর্ডের সূচি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা এসএসসি পরীক্ষা। তবে করোনার কারণে আবারও মতো ব্যাহত হলো এ উদ্যোগ।

শেয়ার করুন

ছাত্রদের টাকায় শিক্ষকদের গাড়ি, গাছ গেল বাড়ি

ছাত্রদের টাকায় শিক্ষকদের গাড়ি, গাছ গেল বাড়ি

সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের এমন একটি সেগুন কাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা

সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে সেগুন গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে অর্থনীতি বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ছাত্রদের পরিবহন ফির টাকায় গাড়ি কিনে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষ ও অন্য শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের সেগুন কাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজের সহকারী অধ্যাপক মুস্তানসার বিল্লাহ মুরাদের বিরুদ্ধে।

ছাত্রদের পরিবহন ফির টাকায় শিক্ষকদের জন্য মাইক্রোবাস কেনার অভিযোগও উঠেছে।

মন্ত্রীর কাছে কলেজের জন্য একটি ভবন দাবি করায় এক কর্মচারীকে সাত দিনের জন্য বরখাস্ত করারও অভিযোগ রয়েছে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।

কলেজের অনেকগুলো গাছ নানা সময় কাটা হয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষক মুস্তানসার রাত ১২টার দিকে বড় আকারের একটি সেগুন গাছ নিজের ভাই, স্বজন ও কর্মচারীদের সহযোগিতায় কেটে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক কর্মচারী।

কলেজের রাস্তা সংস্কারের সময় রড, পাথরও শিক্ষকের বাসায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আছে।

কলেজের নৈশ প্রহরী আব্দুর বাছির বলেন, ‘১২-১৩ দিন আগেই রাইত পৌনে ১২ টায় হবে বিল্লাহ স্যার আমাকে ফোন করে বলেন কলেজের গেইট খুলে দেওয়ার জন্য। গেইট খুলিয়া দেওয়ার পরে ইকান থাকি সেগুন গাছ নেওয়া অইছে। ওই সময় কলেজের কর্মচারী ছামেদ, স্যারের ভাতিজা উজ্জ্বল এবং তাইনের বোন জামাইয়া গাছ নিয়া যায়।

‘আমি তাইনরে জিগাইছি রাইত ১২ টার সময় গাছ নিলে সমস্যা অইত না নি। তাইন কইল, অধ্যক্ষ মেডামের অনুমতি নিয়া তারা গাছ নিছে।’

কলেজের সিনিয়র কম্পিউটার অপারেটর ওমর ফারুক বলেন, ‘রাতের আঁধারে এই স্যার কলেজের সম্পত্তি বাড়িতে নিয়ে গেছেন। বিগত সময়েও তিনি কলেজের পুরনো রড নিয়ে গেছেন। এসব অধ্যক্ষ দেখেও না দেখার ভান করেন।’

ছাত্রদের টাকায় শিক্ষকদের গাড়ি, গাছ গেল বাড়ি
সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুস্তানসার বিল্লাহ মুরাদ

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শিক্ষক মোস্তানসার বিল্লাহ বলেন, ‘আমি কোনো গাছ নেইনি। আমি গাছ নিব কেন? এসব বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’

কলেজটি অধ্যক্ষ নীলিমা চন্দ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সহকারী অধ্যাপক রাতে গাছ নিয়েছেন, সেটা আমি জানি না। তবে যে কেউ আমার নাম করে গাছ নিয়ে যাওয়ার আগে নৈশ প্রহরীর উচিত ছিল আমাকে জানানো। তবে যেহেতু বিষয়টা আমি জানলাম, তদন্ত করে দেখব। বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা যায় না। তার মধ্যে সেগুন গাছ।’

শিক্ষার্থীদের টাকায় শিক্ষকদের মাইক্রো

শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা জানান, অধ্যক্ষ নীলিমা চন্দ আড়াই বছর আগে কলেজে আসার পর অনেকগুলা গাছ কাটা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত খাতের টাকায় কিনেছেন নিজেদের জন্য ২০ লাখ টাকায় একটি গাড়িও কিনেছেন তিনি।

কর্মচারী ওমর ফারুক বলেন, ‘তিনি (অধ্যক্ষ) শিক্ষার্থীদের টাকায় শিক্ষকদের জন্য গাড়ি কিনেছেন। সেই গাড়ি অধ্যক্ষের বাপের বাড়ি, আত্মীয় বাড়ি কিংবা শিক্ষকদের সিলেট নামিয়ে আসা সবই করে। তবে শিক্ষার্থীরা জাতীয় কোনো প্রোগ্রামে যেতে চাইলে গাড়ি পায় না।

‘একবার আমি আমাদের পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান স্যারের কাছে কলেজের জন্য বিল্ডিং দাবি করেছিলাম। এ জন্য তিনি (অধ্যক্ষ) আমাকে সাত দিনের জন্য বরখাস্ত করেন, কেন আমি এসব কথা বলতে গেলাম।’

ছাত্রদের টাকায় শিক্ষকদের গাড়ি, গাছ গেল বাড়ি
ছাত্রদের জমা দেয়া পরিবহন ফির টাকায় শিক্ষকদের জন্য কেনা হয়েছে গাড়িটি। এটি ব্যক্তিগত কাজেও ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে

কলেজের শিক্ষার্থী ফয়সল আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টাকায় তিনি গাড়ি কিনেছেন দর্জির কাপড় আনাতে? এই গাড়ি শহরের সব জায়গায় যায়। তবে কলেজের কাজে না, ব্যক্তিগত কাজে৷

‘ম্যাডাম বাপের বাড়ি, শ্বশুর বাড়ি- সব জায়গায় এই গাড়ি নিয়ে যান। অন্য শিক্ষকরা গাড়ি নিয়ে সিলেট যান আসেন। আমাদের টাকায় আমাদের জন্য বাস কিনলে ভালো হতো। তাহলে দূরের ছেলেমেয়েরা কলেজে আসতে পারত।’

গাড়ির চালক মহিম আহমেদ বলেন, ‘এই গাড়ি নিয়া ভাই বহুত জায়গাত গেছি। মেডামের বাপের বাড়ি গেছি, ঘরের বাজারটাও গাড়ি দিয়া করিয়া দেয়া লাগছে। এরপরে স্যারেরা গাড়ি নিয়া বিয়াবাড়ির মার্কেট করা থাকি শুরু করি তারা বাড়িত গেলে সিলেট নামাইয়া দিয়া আই। আবার তারা সুনামগঞ্জ আইলে ভোরে গিয়া লইয়া আই। আসলে এইটায় কিন্তু শিক্ষার্থীরার উন্নয়ন অইব না। আরাম পাইব শিক্ষকরা।’

ছাত্রদের টাকায় শিক্ষকদের গাড়ি, গাছ গেল বাড়ি
সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যক্ষ নীলিমা চন্দ

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ নিলীমা বলেন, ‘আমি গাড়ি নিয়ে বাবার বাড়ি গিয়েছি। কারণ, আমার মা অসুস্থ ছিলেন। আসা যাওয়ায় যে সরকারি নিয়ম আছে তা মেনেই গিয়েছি এবং চালান দিয়েছি। এছাড়া কিছু টুকটাক জরুরি কাজ করানো হয়েছে।

‘আর গাড়িটা তো আমার একার জন্য কেনা না। শিক্ষকদের সবার জন্যও। তবে তারা সিলেটে নিয়ে যান সেটা জানা নেই।’

অধ্যক্ষের অভিযোগ, কলেজের কর্মচারীরা বেতন ভাতা বাড়ানোর দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছিল। তিনি দাবি না মানায় তারা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এসব কথা বলছেন।

পরে অবশ্য অধ্যক্ষ কর্মচারীদের দাবি মেনে নেন।

শেয়ার করুন

রসায়নে দেশসেরা জাহাঙ্গীরনগর

রসায়নে দেশসেরা জাহাঙ্গীরনগর

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার। ছবি: ফেসবুক

রসায়ন বিষয়ে দেশে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি এ বিষয়ে বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে ৬৫৪ তম অবস্থানে রয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

স্পেনভিত্তিক শিক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিমাগো ইনস্টিটিউশনসের র‍্যাঙ্কিংয়ে ২০২১ সালে বাংলাদেশে রসায়ন বিষয়ে সেরা স্থান অর্জন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

সম্প্রতি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গবেষণা, উদ্ভাবন ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে সিমাগো ইনস্টিটিউশনস ২০০৯ সাল থেকে শিক্ষা ও গবেষণা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করে আসছে।

প্রতিষ্ঠানটির তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৮ম এবং বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা ও গবেষণা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৮২তম অবস্থানে রয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়া রসায়ন বিষয়ে দেশে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি এ বিষয়ে বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে ৬৫৪ তম অবস্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

এ বছর মানবিক, রসায়ন, গণিত, অর্থনীতি, কৃষি ও জৈবিক বিজ্ঞান, প্রকৌশলসহ ১৬টি বিষয়ভিত্তিক শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছে সিমাগো ইনস্টিটিউশনস।

দেশের শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মেডিসিন বিষয়ে দ্বিতীয়, ফার্মাকোলজি, টক্সিকোলজি অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্স বিষয়ে তৃতীয়, বায়োকেমিস্ট্রি, জেনেটিক্স অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি ও আর্থ অ্যান্ড প্লানেটারি সায়েন্সেসে পঞ্চম, সামাজিক বিজ্ঞান, পরিবেশ বিজ্ঞান ও কম্পিউটার সায়েন্সে ষষ্ঠ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফিজিক্স অ্যান্ড এস্ট্রোনমিতে দশম এবং গণিতে ১২তম অবস্থানে রয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

গবেষণা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান স্কোপাস ডাটাবেইজে কমপক্ষে ১০০টি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে এমন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং করে সিমাগো ইনস্টিটিউশনস।

শেয়ার করুন

ননএমপিও শিক্ষকের ঈদ উপহার ৫ হাজার টাকা

ননএমপিও শিক্ষকের ঈদ উপহার ৫ হাজার টাকা

ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রীর এই অনুদানের আওতায় ননএপিও প্রত্যেক শিক্ষক ছাড়াও অনুদান পাবেন কর্মচারীরা। তাদের দেয়া হবে আড়াই হাজার টাকা করে। সব মিলিয়ে অনুদান দেয়া হচ্ছে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে আর্থিক সংকটে পড়া নন এমপিও শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য ৭৪ কোটি ৮১ লাখ ৭০ হাজার টাকা অনুদান ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং অনুদানের এ তথ্য নিশ্চিত করে।

অনুদানের আওতায় নন এমপিও মোট এক লাখ ৬৭ হাজার ২২৫ শিক্ষক-কর্মচারি এককালীন আর্থিক সহায়তা পাবেন।

সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক লাখ পাঁচ হাজার ৭৮৫ জন ও কারিগরি, মাদ্রাসা ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার ৬১ হাজার ৪৪০ জন শিক্ষক কর্মচারিকে দেয়া হবে এ অনুদান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, এই অনুদানের আওতায় প্রত্যেক শিক্ষককে দেয়া হবে ৫ হাজার টাকা; আর প্রত্যেক কর্মচারি পাবেন আড়াই হাজার টাকা।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব ইমরুল কায়েস রানা সাংবাদিকদের জানান, এরই মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে ৪৬ দশমিক ৬৩৩ কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অনুকুলে ২৮ দশমিক ১৮৪ কোটি টাকা অনুদান প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের মার্চ থেকে ছুটি ঘোষণা করা হয় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এর মধ্যে কয়েক দফা বেড়েছে ছুটির মেয়াদ।

সরকারের সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১ মে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা। তবে করোনার দ্বিতীয় সংক্রমণ চলতে থাকায় তাও এখন অনিশ্চিত।

শেয়ার করুন

টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা

টিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জবি শিক্ষার্থীরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘মন্ত্রণালয় যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন ব্যবস্থা আছে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে বলেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন ব্যবস্থা নেই।’

দেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হলেও আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা এখনই করোনার টিকা পাচ্ছেন না।

কোভিড-১৯ প্রতিরোধক টিকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিবন্ধনের বিষয়ে পদক্ষেপ নিলেও শিক্ষার্থীদের টিকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এবং ১৭ মে থেকে হল খোলার ঘোষণা দেন। আবাসিক হল খুলতে প্রস্তুতিও নিতে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এরই মধ্যে করোনা টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থী, হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় আসছেন না। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিংহভাগ শিক্ষার্থীকে মেসে-হোস্টেলে থাকতে হয়।

জবিতে ছাত্রীদের হল একটি। হলটি উদ্বোধন করা হলেও কিছু কাজ বাকি থাকায় কবে নাগাদ ছাত্রীরা উঠতে পারবেন তা নিশ্চত নয়।

এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে টিকা না পেলে শিক্ষার্থীদের সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। বিশেষ করে পুরান ঢাকার মতো জনবহুল ও ঘিঞ্জি পরিবেশে শিক্ষার্থীরা কতটা নিরাপদ থাকবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার বিষয়ে ইউজিসিকে চিঠি দেয়া হয়েছিল। তবে ইউজিসি থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে চিন্তিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।

এ ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার নোটিশের ব্যাপারে অবগত ছিলাম না।’ পরে তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানান, ‘মন্ত্রণালয় যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন ব্যবস্থা আছে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে বলেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে তো আবাসন ব্যবস্থা নেই।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী মেসে থাকেন। গাদাগাদি করে থাকতে হয়। সেখানে সংক্রমণের ঝুঁকি আছে—এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইউজিসিকে শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার ব্যাপারে চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা কোনো জবাব দেয়নি।

এ ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান। তিনি জানান, ‘ইউজিসি থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীদের তালিকা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। আমাদের শিক্ষার্থীরা হলে উঠতে না পারায় আমরা কোনো শিক্ষার্থীর তালিকাই পাঠাতে পারিনি। এ ব্যাপারে আমরা ইউজিসি বরাবর চিঠি দিয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো জবাব পাইনি। আর টিকা দেয়ার বিষয়টি আমাদের নাগালের বাইরে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের করোনা টিকা নিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন চলছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও টিকা নিতে ২৪ মের মধ্যে অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন

৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পিছিয়ে ২৯ অক্টোবর

৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পিছিয়ে ২৯ অক্টোবর

পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর হচ্ছে না ৪৩ তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ১৪ দিন পিছিয়ে পরীক্ষা হবে ২৯ অক্টোবর।

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) নূর আহ্‌মদের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশাবলি যথাসময়ে সংবাদ মাধ্যম ও কমিশনের ওয়েবসাইটে দেয়া হবে।

৪৩ তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় গত বছরের ৩০ নভেম্বর। এতে জানানো হয়, প্রিলিমিনারির জন্যও ২০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রশ্ন হবে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য, বাংলাদেশ বিষয়াবলী, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী, ভূগোল, সাধারণ বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, গাণিতিক যুক্তি, মানসিক দক্ষতা ও নৈতিকতা মূল্যবোধ-সুশাসন থেকে।

৪৩তম সাধারণ ক্যাডারের জন্য লিখিত পরীক্ষা হবে ১১০০ নম্বরের। এ ছাড়া, টেকনিক্যাল ও প্রফেশনাল ক্যাডারের জন্যও ১১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন