জবিতে ভার্চুয়াল বর্ষবরণ

জবিতে ভার্চুয়াল বর্ষবরণ

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি সম্প্রচারিত হয় অনুষ্ঠান। শিক্ষকরা শুভেচ্ছা জানান শিক্ষার্থীদের। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয় নাচ, গান ও কবিতা।

করোনা নববর্ষ উদযাপন বিঘ্নিত করলেও সবকিছু থামিয়ে দিতে পারেনি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ভার্চুয়ালি উদযাপন করেছে বাংলা নববর্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে সম্প্রচারিত হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তা ছিল অনেকটাই প্রাণবন্ত।

বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, ‘বাঙালির প্রাণের উৎসব হচ্ছে পহেলা বৈশাখ। ধর্মীয় ক্ষেত্রে উৎসব পালনে একটি ভেদাভেদ থাকে কিন্তু এই উৎসব পালনে কোন ভেদাভেদ নেই।’

অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (জবিশিস) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম বলেন, ‘কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হচ্ছে বাংলা নববর্ষ। দিনটি উদযাপন করোনার কারণে বিঘ্নিত হয়েছে। কিন্তু আমাদের এভাবে থমকে গেলে চলবে না। হতাশা ও দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে হবে।’

জবিশিসের সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এ দিনটি আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রকাশের দিন। বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পুরান ঢাকার অন্যতম সাংস্কৃতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।’

শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নাচ, গান ও কবিতা পরিবেশন করেন।

আরও পড়ুন:
বরিশালে অনলাইনে বর্ষবরণ
বিবর্ণ বৈশাখ
ডুডলে বাংলা নববর্ষ
আরেক বিষণ্ণ বৈশাখ
বিজুতে করোনার ছায়া

শেয়ার করুন

মন্তব্য

১৪১ জনকে নিয়োগ দিয়েই বিদায় রাবি উপাচার্যের

১৪১ জনকে নিয়োগ দিয়েই বিদায় রাবি উপাচার্যের

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহাকে উপাচার্যের দৈনন্দিন রুটিন দায়িত্ব পালনের জন্য বলা হয়েছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনি এটি পালন করবেন বলে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে। এদিকে বিদায়ী উপাচার্যের এই নিয়োগকে অবৈধ দাবি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান তার মেয়াদের শেষ দিনে ১৪১ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন। অস্থায়ী ভিত্তিতে বিভিন্ন পদে এই নিয়োগ দিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন তিনি।

এর আগে এই নিয়োগপত্রে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানানোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবদুস সালামকে অব্যাহতি দেন উপাচার্য। তার স্থলে পরিষদ সেকশনের সহকারী রেজিস্ট্রার মামুন-উর-রশিদকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব দিয়ে এই নিয়োগ সম্পন্ন করেন।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মামুন-উর-রশিদের স্বাক্ষরে ৯ জন শিক্ষক, ২৩ জন সেকশন অফিসার, ২৪ জন সহায়ক কর্মচারী এবং ৮৫ জন উচ্চ ও নিম্ন সহকারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। উপাচার্য এম আব্দুস সোবহানের বিদায় ও নতুন নিয়োগ নিয়ে দিনভর সরগরম ছিল ক্যাম্পাস।

নিয়োগের গুঞ্জনে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মহানগর ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী এসে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেন। পরে দুপুর সোয়া ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

তবে মহানগর ছাত্রলীগের দাবি, তাদের ওপর হামলাকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কেউ নন, তারা উপাচার্যের ‘গুন্ডাবাহিনী’।

মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিয়াম বলেন, ‘ভিসি ছাত্রলীগের নাম করে বিএনপি-জামায়াতের লোকজনকে নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করছেন, এমন খবর পেয়ে আমরা ক্যাম্পাসে যাই। সে সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। ভিসির গুন্ডাবাহিনী আমাদের ওপর হামলা চালায়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। কথা বলতে রাজি হননি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর লুৎফর রহমানও।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামরুজ্জামান চঞ্চল জানান, ‘মেয়াদের শেষ দিন বৃহস্পতিবার উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান চাকরিপ্রত্যাশী ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীকে নিয়োগ দিয়েছেন বলে প্রচার হয়। তা শুনে মহানগর ছাত্রলীগের চাকরিপ্রত্যাশীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন। তারাও চাকরি দাবি করেন। তাদের (মহানগর ছাত্রলীগ) এমন ভাব যেন এখনই তাদের নিয়োগ দিতে হবে। এ নিয়ে সেকশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা হামলা চালায়। এ সময় আমি এগিয়ে গেলে তারা আমাকেও লাঞ্ছিত করে।

‘ঘটনার সময় রাবি ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মী সেখানে ছিল। তারা এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। পরে রাবির কর্মকর্তা কর্মচারী, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সংগঠিত হয়ে মহানগর ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় পুলিশ এসে লাঠিচার্জ শুরু করলে দুই পক্ষই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।’

পরে বেলা সোয়া দুইটায় পুলিশি নিরাপত্তায় উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান উপাচার্য ভবন ত্যাগ করেন এবং ক্যাম্পাস ছেড়ে বেরিয়ে যান। এই নিয়োগের বিষয়ে বিদায়ী উপাচার্যের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এর আগে উপাচার্য ভবনের সামনে থেকে উপস্থিত কর্মকর্তা, কর্মচারী, ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। পরে উপাচার্য ভবনে চাকরিপ্রত্যাশীরা প্রবেশ করে নিয়োগপত্র সংগ্রহ করে যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

অব্যাহতির বিষয়ে সদ্য সাবেক রেজিস্ট্রার আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমি এ সব ব্যাপারে কিছুই জানি না। আমাকে নানাভাবে অনৈতিক চাপ দেয়া হয়েছিল। তাই আমি গত দুই দিন ধরে আত্মগোপনে ছিলাম।’

২০১৭ সালের ৭ মে দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য পদে নিয়োগ পান এম আব্দুস সোবহান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যোগ্যতা শিথিল করে মেয়ে-জামাতাকে নিয়োগসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। গত বছর ইউজিসির তদন্তে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের নিয়োগ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়। তবে শেষ দিনে সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে ১৪১ জনকে নিয়োগ দিয়ে গেলেন উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান।

শেষ মুহূর্তের নিয়োগ তদন্তে কমিটি

মেয়াদ শেষের দিন ১৪১ জনকে বিশ্বিবদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে নিয়োগের তদন্ত করতে কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামিমা বেগম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই নিয়োগ অবৈধ উল্লেখ করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ইউজিসির সদস্য ড. মো. আবু তাহের, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মো. জাকির হোসেন আখন্দ এবং ইউজিসির পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান।

চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে ইতিপূর্বে ইউজিসি তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তদন্ত প্রতিবেদনে উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ কার্যক্রমসহ আনা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গত বছর ১০ ডিসেম্বর পত্রের মাধ্যমে প্রশাসনিক কারণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য উপাচার্যকে অনুরোধ করা হয়েছিল।

কিন্তু উপাচার্য বৃহস্পতিবার তার মেয়াদের শেষ কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিভিন্ন পদে অবৈধ ও বিধি বহির্ভূতভাবে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন মর্মে মন্ত্রণালয় অবহিত হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে তা অনভিপ্রেত। বিদায়ী উপাচার্য অবৈধ জনবল নিয়োগের বৈধতা প্রাপ্তির সুযোগ নেই বিধায় এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের কমিটি গঠন করা হলো। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরেকটি চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহাকে উপাচার্যের দৈনন্দিন রুটিন দায়িত্ব পালনের জন্য বলা হয়েছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনি এটি পালন করবেন বলে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বরিশালে অনলাইনে বর্ষবরণ
বিবর্ণ বৈশাখ
ডুডলে বাংলা নববর্ষ
আরেক বিষণ্ণ বৈশাখ
বিজুতে করোনার ছায়া

শেয়ার করুন

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন শিক্ষাবিদ

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন শিক্ষাবিদ

বারডেমের সভাপতি এ কে আজাদ খান (বামে) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় অধ্যাপকের দায়িত্ব পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বারডেম) সভাপতি এ কে আজাদ খান এবং বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোঅ্যান্টারোলোজি সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক মাহমুদ হাসান।

তিন শিক্ষাবিদকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এই তিনজন আগামী পাঁচ বছর জাতীয় অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করবেন।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে, যা গণমাধ্যমের হাতে আসে বৃহস্পতিবার।

জাতীয় অধ্যাপকের দায়িত্ব পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বারডেম) সভাপতি এ কে আজাদ খান এবং বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোঅ্যান্টারোলোজি সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক মাহমুদ হাসান।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জাতীয় অধ্যাপক (নিয়োগ, শর্তাবলি ও সুবিধাদি) সিদ্ধান্তমালা, ১৯৮১ অনুযায়ী এই তিন জাতীয় অধ্যাপক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সম্মানি ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

সাধারণত জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি বা শিক্ষাবিদ। তাদের মধ্যে তিনজন মারা যাওয়ায় তিনটি পদ শূন্য হয়।

২০১৮ সালের ১৯ জুন দেশের তিন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীকে পাঁচ বছরের জন্য জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

গত বছর মারা যান অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী।

এর আগে সবশেষ ২০১১ সালের জুন মাসে পাঁচজন শিক্ষাবিদকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যেও একমাত্র জীবিত আছেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ শাহলা খাতুন। মারা গেছেন বাকি চার জাতীয় অধ্যাপক।

শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্য দেশের বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও শিক্ষকদের জাতীয় অধ্যাপকের দায়িত্ব দিয়ে থাকে সরকার। দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাদের ইচ্ছানুযায়ী কোনো গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গবেষণা কাজ করতে পারবেন।

তবে গবেষণার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) অবহিত করার বিধান রয়েছে।

আরও পড়ুন:
বরিশালে অনলাইনে বর্ষবরণ
বিবর্ণ বৈশাখ
ডুডলে বাংলা নববর্ষ
আরেক বিষণ্ণ বৈশাখ
বিজুতে করোনার ছায়া

শেয়ার করুন

জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’

জবি ছাত্রলীগের ‘ফ্রি সবজি বাজার’

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে বৃহস্পতিবার সবজি বিতরণ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।ছবি: নিউজবাংলা

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে সবজি বিতরণ করে এ কর্মসূচি শুরু করেন সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী। সকাল থেকে মিনি ট্রাকে করে বিনামূল্যে সবজি বিলি করছেন তারা।

লকডাউনে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে সবজি বিতরণ করে এ কর্মসূচি শুরু করেন সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী। সকাল থেকে মিনি ট্রাকে করে বিনামূল্যে সবজি বিলি করছেন তারা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক মহিউদ্দিন অনির উদ্যোগে বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী এ কার্যক্রমে অংশ নেন।

মিনি ট্রাকে রাখা সবজিগুলোর মধ্যে রয়েছে মিষ্টি কুমড়া, টমেটো, লাউ, বেগুন, বাঁধাকপি ও ঢেঁড়স। অসচ্ছল ও যাদের কেনার সামর্থ্য নেই এমন প্রত্যেক পরিবারকে প্রয়োজন অনুযায়ী সবজি দেয়ার কথা জানিয়েছেন নেতা-কর্মীরা।

ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দীন অনি জানান, ‘করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র জনগণের মাঝে চাল-ডালসহ অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হলেও সবজি দেয়া হচ্ছে না। তাই আমি বিভিন্ন প্রকার সবজি কিনে বিনামূল্যে বিতরণ করছি।’

‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও জীবাণুনাশক বিতরণসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি।’

তিনি বলেন, ‘অসচ্ছল ও যাদের কেনার সামর্থ্য নেই এমন প্রত্যেক পরিবারকে প্রয়োজন অনুযায়ী সবজি সরবরাহ করছি। আমাদের এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

আরও পড়ুন:
বরিশালে অনলাইনে বর্ষবরণ
বিবর্ণ বৈশাখ
ডুডলে বাংলা নববর্ষ
আরেক বিষণ্ণ বৈশাখ
বিজুতে করোনার ছায়া

শেয়ার করুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনলাইনে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনলাইনে

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘আমরা অনলাইনে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করব। এই আপদকালীন সময়ে পরীক্ষা পদ্ধতি কেমন হবে সে কৌশল শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে নির্ধারণে জন্য অনুষদের ডিন এবং ইনিস্টিউটের পরিচালকদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে৷ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ সংক্রান্ত গাইডলাইন জমা দেয়ার জন্যও বলা হয়েছে।’

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি না হলে জুলাই থেকে বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষাগুলো অনলাইনে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল।

এর আগে বুধবার অনুষ্ঠিত ডিনস সভায় জুলাই থেকে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে সুপারিশ করেন বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা। সে সুপারিশটিই অনুমোদন দিল অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল (শিক্ষা পরিষদ)।

মাকসুদ কামাল বলেন, ‘গতকালের সুপারিশের আলোকেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আমরা অনলাইনে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করব। এই আপদকালীন সময়ে পরীক্ষা পদ্ধতি কেমন হবে সে কৌশল শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে নির্ধারণে জন্য অনুষদের ডিন এবং ইনিস্টিউটের পরিচালকদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে৷ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ সংক্রান্ত গাইডলাইন জমা দেয়ার জন্যও বলা হয়েছে।’

পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজে শিক্ষার্থীদের ঢাকা আসতে হবে কি না জানতে চাইলে মাকসুদ কামাল বলেন, ‘টাকা পয়সা জমা এবং পরীক্ষা পূর্ব কাজগুলো যেন শিক্ষার্থীরা অনলাইন প্রক্রিয়ায় সমাধান করতে পারে সে প্রক্রিয়া এবার আমরা অবলম্বন করব। আমরা আশা করছি এ সংশ্লিষ্ট কাজে শিক্ষার্থীদের ঢাকায় আসতে হবে না।’

মাকসুদ কামাল জানান, পরীক্ষায় অসদুপায় নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পরীক্ষার সময় এবং পূর্ণমান কমিয়ে আনা হবে। পরবর্তীতে ফলাফলকে প্রচলিত পূর্ণমানে রূপান্তরিত করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। সে ক্ষেত্রে ক্রেডিট অপরবর্তীত থাকবে।

যেসব শিক্ষার্থীর ডিভাইস এবং ইন্টারনেট সমস্যা রয়েছে তাদের ব্যাপারে কী আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের ব্যাপারে অনুষদকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। অনুষদ এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। অংশগ্রহণমূলক পরীক্ষার বিষয়টিও গাইডলাইনে উল্লেখ করবেন স্ব স্ব অনুষদের ডিন এবং ইনিস্টিউটের পরিচালকবৃন্দ।

আরও পড়ুন:
বরিশালে অনলাইনে বর্ষবরণ
বিবর্ণ বৈশাখ
ডুডলে বাংলা নববর্ষ
আরেক বিষণ্ণ বৈশাখ
বিজুতে করোনার ছায়া

শেয়ার করুন

রাবি উপাচার্যের পক্ষে-বিপক্ষে ২ গ্রুপের সংঘর্ষ

রাবি উপাচার্যের পক্ষে-বিপক্ষে ২ গ্রুপের সংঘর্ষ

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের কর্মীরা বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলে রাবি ছাত্রলীগের কর্মীরা তাদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। তবে মহানগর ছাত্রলীগের দাবি, তাদের ওপর হামলাকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কেউ নন, তারা উপাচার্যের ‘গুন্ডাবাহিনী’।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে পুলিশ।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এই সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের কর্মীরা বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলে রাবি ছাত্রলীগের কর্মীরা তাদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।

তবে মহানগর ছাত্রলীগের দাবি, তাদের ওপর হামলাকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কেউ নন, তারা উপাচার্যের ‘গুন্ডাবাহিনী’।

মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিয়াম বলেন, ‘ভিসি ছাত্রলীগের নাম করে বিএনপি-জামায়াতের লোকজনকে নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করছিলেন। এমন খবর পেয়ে আমরা ক্যাম্পাসে যাই। সে সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। ভিসির গুন্ডাবাহিনী আমাদের ওপর হামলা চালায়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কেউ ছিলেন না।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতারা কোনো মন্তব্য করতে চাননি। কথা বলতে রাজি হননি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর লুৎফর রহমানও।

তবে কথা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামরুজ্জামান চঞ্চলের সঙ্গে। তিনি জানান, মেয়াদের শেষ দিন বৃহস্পতিবার উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান চাকরিপ্রত্যাশী ১২৫ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে নিয়োগ দিয়েছেন বলে প্রচার হয়। তা শুনে মহানগর ছাত্রলীগের চাকরিপ্রত্যাশীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়। তারাও চাকরি দাবি করেন।

চঞ্চল বলেন, ‘তাদের (মহানগর ছাত্রলীগের) এমন ভাব যেন এখনই তাদের নিয়োগ দিতে হবে। এ নিয়ে সেকশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা হামলা চালায়। এ সময় আমি এগিয়ে গেলে তারা আমাকেও লাঞ্ছিত করে।’


RU clash

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার সময় রাবি ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী সেখানে ছিল। তারা এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। পরে রাবির কর্মকর্তা কর্মচারি, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে মহানগর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় পুলিশ এসে লাঠিচার্জ শুরু করলে দুই পক্ষই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।’

কয়েক দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন চলছে। গত মঙ্গলবার ছাত্রলীগের বাধার মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিন্ডিকেট সভা স্থগিত করে।

সে সময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ইলিয়াস হোসেন নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘উপাচার্য বাসভবনে সকাল ১০টার দিকে সিন্ডিকেট সভা হওয়ার কথা ছিল। নিজের মেয়াদের শেষ এই সিন্ডিকেটকে ঘিরে উপাচার্য অনিয়ম করতে পারে ও অবৈধভাবে এডহকে জনবল নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে আমরা জেনেছি। এই পরিস্থিতিতে আমরা উপাচার্য বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছি। আমাদের শিক্ষকরাও এখানে উপস্থিত রয়েছেন।’

RU clash

তার আগের দুদিন ধরে উপাচার্য ভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফাইন্যান্স কমিটির সভা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতা-কর্মীরা। সভা স্থগিত করতে তারা উপাচার্য এম আব্দুস সোবহানের বাসভবনে, সিনেট ভবনে ও দুটি প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন।

আরও পড়ুন:
বরিশালে অনলাইনে বর্ষবরণ
বিবর্ণ বৈশাখ
ডুডলে বাংলা নববর্ষ
আরেক বিষণ্ণ বৈশাখ
বিজুতে করোনার ছায়া

শেয়ার করুন

চবির নতুন উপ উপচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে

চবির নতুন উপ উপচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে

অধ্যাপক বেনু কুমার দে

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আগামী ৪ বছরের জন্য অধ্যাপক বেনু কুমার দেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন উপ উপচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক বেনু কুমার দে।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো উপ সচিব মাহমুদুল আলম স্বাক্ষরিত এক লিখিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আগামী ৪ বছরের জন্য অধ্যাপক বেনু কুমার দেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ সময় তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এই বিষয়ে চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এস এম মনিরুল হাসান বলেন, ‘আজ বিকেলে মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক বেনু কুমার দেকে উপ উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।’

অধ্যাপক বেনু কুমার দে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ উপ উপচার্য ছিলেন ড. শিরীন আখতার। সাবেক উপচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর আমলে তিনি নিয়োগ পান। বর্তমানে শিরীন আখতার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন:
বরিশালে অনলাইনে বর্ষবরণ
বিবর্ণ বৈশাখ
ডুডলে বাংলা নববর্ষ
আরেক বিষণ্ণ বৈশাখ
বিজুতে করোনার ছায়া

শেয়ার করুন

অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার সুপারিশ ঢাবির ডিনদের

অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার সুপারিশ ঢাবির ডিনদের

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে জুলাই মাস থেকে অনলাইনে বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা সুপারিশ করেছেন। এ লক্ষ্যে সব অনুষদের ডিনদের দুই সপ্তাহের মধ্যে অনুষদভিত্তিক কৌশলপত্র প্রণয়নের জন্য বলা হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শিক্ষার্থীদের সেশনজট কাটিয়ে উঠতে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার সুপারিশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন।

আজ বুধবার বিকেলে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ডিনস কমিটির সভায় এ সুপারিশ করা হয়। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ডিনস কমিটির সভা শেষে জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে জুলাই মাস থেকে অনলাইনে বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা সুপারিশ করেছেন। এ লক্ষ্যে সব অনুষদের ডিনদের দুই সপ্তাহের মধ্যে অনুষদভিত্তিক কৌশলপত্র প্রণয়নের জন্য বলা হয়েছে।’

ডিনস কমিটির এ সুপারিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান ইমদাদুল।

ডিনস কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনলাইনে পরীক্ষা কার্যক্রম কীভাবে জোরদার করা যায়, সে বিষয়ে আজকে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে ডিনবৃন্দ ভাববেন। আগামী অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
বরিশালে অনলাইনে বর্ষবরণ
বিবর্ণ বৈশাখ
ডুডলে বাংলা নববর্ষ
আরেক বিষণ্ণ বৈশাখ
বিজুতে করোনার ছায়া

শেয়ার করুন