ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ বঙ্গবন্ধুর নামে

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ বঙ্গবন্ধুর নামে

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য-শিক্ষাসচিব আলী নূরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ৪ এপ্রিল এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় প্রতিষ্ঠান দুটির নতুন নামকরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের নাম পাল্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ করা হয়েছে। এখন থেকে হাসপাতালটির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ফরিদপুর।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষাসচিব আলী নূরের সই করা করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ৪ এপ্রিল এ তথ্য জানানো হয়। তথ্যটি সংবাদমাধ্যমে আসে বুধবার।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নামকরণের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

গত ১২ মার্চ ট্রাস্টের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানকে অনুমোদনের চিঠি দেয়া হয়।

দেশের স্বাস্থ্য-শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে ১৯৯২ সালে ফরিদপুর শহরে স্থাপন করা হয় ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুলাই মাসের চেক ছাড়

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুলাই মাসের চেক ছাড়

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘নিয়মানুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতনের সরকারি অংশের চেকগুলো ছাড় করা হয়েছে।’

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের এ বছরের জুলাই মাসের বেতনভাতার সরকারি অংশের আটটি চেক ছাড় করা হয়েছে।

মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘নিয়মানুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতনের সরকারি অংশের চেকগুলো ছাড় করা হয়েছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুদান বণ্টন করা অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এবং জনতা ও সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ে এ চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ১২ আগস্ট পর্যন্ত বেতনভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।

শেয়ার করুন

ঢাবির গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল

ঢাবির গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা পূর্বঘোষিত ৩১ জুলাই তারিখের পরিবর্তে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

করোনা মহামারির উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা পূর্বঘোষিত ৩১ জুলাই তারিখের পরিবর্তে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

এর আগে গত ১ জুন কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের অন্তর্গত গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজগুলোর ১ম বর্ষ সম্মান শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৭ আগস্ট শুক্রবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তি পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা, নম্বর ১০০, পাশ নম্বর ৪০ এবং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে। এই ইউনিটে শুধু নারী শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। গত ১৫ জুন থেকে শুরু হয় এ ইউনিটে অনলাইনে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া।

২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক/সমমান এবং শুধু ২০২০ সালের বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষাবোর্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়/কারিগরি শিক্ষাবোর্ড/মাদ্রাসা বোর্ড/এ-লেভেল বা সমমানের বিদেশি ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। ভর্তির আবেদন ফি ৬৫০ টাকা।

ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ৪র্থ বিষয়সহ প্রাপ্ত জিপিএর যোগফল ন্যূনতম ৫.৫ হতে হবে। তবে কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ২.৫ এর কম হলে আবেদন করা যাবে না।

শেয়ার করুন

কবে মিলবে শিশুর টিকা, স্কুল খুলবে কবে

কবে মিলবে শিশুর টিকা, স্কুল খুলবে কবে

চীনের সিনোফার্মের টিকা আসার পর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের সেগুলো প্রয়োগ করা হয়। ফাইল ছবি

সারা দেশে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ২৫ লাখ। ১৮ বছরের নিচের জনগোষ্ঠীকে টিকা দেয়ার বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালায় পরিষ্কার কিছু উল্লেখ নেই। ফলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শিশুদের টিকা দেয়ার কথা ভাবছে না।

দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে চায় সরকার। এই লক্ষ্যে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবার টিকার নিবন্ধনের সুযোগ মিলছে। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকাদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে ১৮ বছরের নিচে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকার বিষয়ে এখনও কোনো পরিকল্পনা নেই।

সরকার বলছে, শিশুদের টিকা না দিয়ে স্কুল খোলা হবে না। সে ক্ষেত্রে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সম্ভাবনা দেখা দিলেও স্কুল খোলার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

সারা দেশে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ২৫ লাখ। টিকা স্বল্পতার পাশাপাশি এবং ১৮ বছরের নিচের জনগোষ্ঠীকে টিকাদানের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালায় পরিষ্কার কিছু উল্লেখ না থাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শিশুদের টিকা দেয়ার কথা ভাবছে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের ৮০ শতাংশ লোককে দেয়ার মতো পর্যাপ্ত টিকা পাইপ লাইনে নেই। দেশে যে চার ধরনের টিকা আসছে, সেগুলো দেয়ার তালিকায় স্কুলশিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার আপাতত পরিকল্পনা নেই।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের ৩৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া প্রক্রিয়া চলছে। পর্যায়ক্রমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হবে।

এদিকে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার ব্যাপারে তারা আলোচনায় বসবেন শিগগিরই। এর মধ্যে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের হাতে পর্যাপ্ত টিকা চলে আসবে। দুই অধিদপ্তর বসে তখন হয়তো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও টিকা নিশ্চিত করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সুপারিশ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত চারটি কোম্পানির টিকা পেয়েছি। এগুলো হলো মডার্না, ফাইজার, সিনোফার্ম এবং অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা। এর মধ্যে শুধু ফাইজারের টিকা ১৮ বছরের নিচের বয়সীদের ব্যবহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন রয়েছে। সরকার চাইলে শিশুদের টিকার আওতায় আনতে পারে।

তিনি আরও বলেন, স্কুল-কলেজ খুলে দিতে শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে ১৮ বছরের নিচের বয়সীদের যে টিকা দেয়া যায়, তার যোগান বাড়াতে হবে। নতুন কোনো টিকা ১৮ বছরের নিচের বয়সীদের দেয়ার বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দেয় কিনা সে বিষয়ে খোঁজ রাখতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক ও ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, ‘টিকা দেয়ার আগে স্কুল-কলেজ খোলা ঠিক হবে না। আমার জানা মতে, এ ধরনোর কোনো টিকা এখনও দেশে আসেনি। তবে যতটুকু খবর পাচ্ছি, আগস্ট নাগাদ ফাইজারে টিকা দেশে আসছে। এই টিকা হাতে পেরে সরকার শিশুদের টিকার প্রয়োগে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।’

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘না আমাদের এখন পর্যন্ত এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। আগে ১৮ বছর এর সবাইকে টিকা দেয়া শেষ হোক। আর বিষয়টি দেখবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।’

গত ৩ জুলাই জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে শনিবার সংসদ নেতার সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়েই স্কুল-কলেজ খুলতে চায় সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার দাবি উঠছে। কিন্তু আসল কথা হলো যাদের বাচ্চারা স্কুল-কলেজে যায়, তারাই কিন্তু চাচ্ছেন না এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হোক।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র মো. রোবেদ আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের ৩৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেয়া হয়েছে। এটা ইতোমধ্যে আইসিটি বিভাগে দিয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দেয়া হবে। তবে স্কুলের টিকা দেয়ার বিষয়ে এখনও কোনো নির্দেশনা পায়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফাইজারের টিকা শিশুদের দেয়া যাবে বলে পরামর্শ আছে। তারা বলছেন, আমেরিকা পরীক্ষামূলকভাবে শিশুদের টিকা দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কী ভাবছে এমন প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও আমাদের সিদ্ধান্ত আসেনি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি মনে করি এ বিষয়ে কথা বলার সময় আমাদের দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে। আর একটি কথা মাথায় রাখতে হবে যে, আমরা টিকা উৎপাদনকারী দেশ নই। তাই আমার পরামর্শ আগে বয়স্ক এবং মায়েদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষজ্ঞরা বলছেন সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৮ বছর ঊর্ধ্বে সবাইকে টিকার আওতায় আনা গেলে দেশে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হবে। তখন সরকারের পক্ষে স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হবে। করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার যে পরিকল্পনা, সেটিই বাস্তবসম্মত বলে আমি মনে করি।’

১৮ বছরের নিচের শিশুদের টিকা

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিভিন্ন দেশে ফাইজারের টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে। ফাইজারের টিকা উৎপাদনকারী সংস্থাটি বলছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুর ওপর টিকা প্রয়োগের ওপর একটি গবেষণা প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফল প্রকাশের পর টিকা নিয়ন্ত্রণ ও অনুমোদন সংস্থার কাছে এ বিষয়ে জরুরি অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হবে। তবে সরকার এখন চাইলে ১২ বছরের উপরে সবাইকে টিকা আওতায় আনতে পারে। কারণ আগস্টে ৬০ লাখ ফাইজার টিকা আসছে। চাইলে এই টিকা শিশুদের দেয়ার সিদ্ধান্ত সরকার নিতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক ও ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, ‘ভারতীয় বায়োটেক কোম্পানি ভারত বায়োটেক দুই বছর বছরের বেশি বয়সীদের ব্যবহারের জন্য একটি টিকার পরীক্ষা চালাচ্ছে। এ পরীক্ষা সফল হলে সারা বিশ্বের স্কুল-কলেজের শিশুদের টিকার আওতায় আনা সহজ হবে। সে ক্ষেত্রে আমরাও উপকৃত হতে পারি।’

শেয়ার করুন

কৌতুক লিখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আসামি ঢাবি শিক্ষক

কৌতুক লিখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আসামি ঢাবি শিক্ষক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। ছবি: সংগৃহীত

মামলার বিষয়ে অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, ‘ফেসবুক পোস্টটা আমার নিজের না। অন্য জায়গা থেকে শেয়ার করেছি৷ এটি আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল। এটির জন্য ইতোমধ্যে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করেছি। সেখানেই বিষয়টা থেমে যাওয়া উচিত ছিল। এরপরও মামলা করা এটি আমাকে হয়রানি এবং অসৎ উদ্দেশ্যের জন্য।’

মদ ও দুধ সম্পর্কিত বহুল প্রচলিত একটি কৌতুক ফেসবুকে শেয়ার করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু যুব পরিষদের এক নেতা।

রোববার শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক অমিত ভৌমিক। বিষয়টি তিনি নিজেই নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন। মামলাটি তদন্ত করবেন শাহবাগ থানার এসআই (নিরস্ত্র) আরিফুল ইসলাম অপু।

নিউজবাংলাকে অমিত ভৌমিক বলেন, ‘কার্জন সাহেবের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৮ এবং ৩১ ধারায় মামলা করেছি। শনিবার রাতেই মামলাটি আমরা করি। তবে শাহবাগ থানার ওসি অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে থাকায় মামলাটি রোববার হয়েছে। বিকেলে আমরা মামলার কপি গ্রহণ করি।’

এ বিষয়ে জানতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হালদারকে ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

২৩ জুলাই অধ্যাপক কার্জন নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক টাইমলাইনে মদ ও দুধ-সম্পর্কিত বহুল প্রচলিত একটি কৌতুক শেয়ার করেন। এই পোস্টকেই কেন্দ্র করে মূলত তার বিরুদ্ধে সনাতন ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, হাফিজুর রহমান কার্জন সনাতন ধর্মের ভগবানকে হেয়প্রতিপন্ন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন, যা সারা বিশ্বে কোটি কোটি সনাতন ধর্মীয়দের অনুভূতিতে ব্যাপক আঘাতের শামিল।

এতে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, ধর্মীয় উগ্রবাদ সৃষ্টি, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল এবং সরকারকে বিব্রত করার মানসে স্বজ্ঞানে এবং স্বেচ্ছায় হাফিজুর রহমান কার্জন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতমূলক কুরুচিপূর্ণ এ পোস্ট করেছেন।

এজাহরে কার্জনের শেয়ার করা সেই ফেসবুক পোস্টটিও যুক্ত করা হয়েছে।

মামলার বিষয়ে অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, ‘ফেসবুক পোস্টটা আমার নিজের না। অন্য জায়গা থেকে শেয়ার করেছি৷ এটি আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল। এটির জন্য ইতোমধ্যে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করেছি। সেখানেই বিষয়টা থেমে যাওয়া উচিত ছিল। এরপরও মামলা করা এটি আমাকে হয়রানি এবং অসৎ উদ্দেশ্যের জন্য।’

এই অধ্যাপক বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কারও ধর্মে আঘাত দেয়া আমার ব্যক্তিগত নৈতিকতা বিরোধী। তবে আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এখন যেহেতু মামলা হয়েছে, আইন যেভাবে বলবে সেভাবে আমি নির্দেশনা মেনে চলব।’

কার্জন বলেন, ‘তবে আমার একটি মানবিক আবেদন, আমি করোনায় আক্রান্ত। বর্তমানে বাসায় বসে চিকিৎসা নিচ্ছি৷ এ বিবেচনায় আমাকে যেন কোনো হয়রানি না করা হয়।’

হাফিজুর রহমান কার্জনের পোস্টটির পর পরদিন দুপুরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তার পদত্যাগ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয় বাংলাদেশ হিন্দু আইনজীবী পরিষদ।

পরে ওই দিন বিকেলেই একই অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন হিন্দু যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অমিত ভৌমিক। তবে পুলিশ এটিকে সাধারণ ডায়েরি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে আরও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ডিবির সাইবার ক্রাইম ইউনিটে পাঠিয়েছিল।

শেয়ার করুন

ডিপ্লোমার ক্লাস অনলাইনে শুরু ৭ আগস্ট থেকে

ডিপ্লোমার ক্লাস অনলাইনে শুরু ৭ আগস্ট থেকে

অনলাইন ক্লাস শুরুর বাড়তি প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ডিপ্লোমা স্তরের সকল শিক্ষাক্রমের ১ম, ৩য়, ৫ম ও ৭ম পর্বের ১ম ও ২য় শিফটের তত্ত্বীয় ক্লাস ১ আগস্টের পরিবর্তে ৭ আগস্ট থেকে অনলাইনে এবং ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় থাকা ডিপ্লোমা স্তরের সকল শিক্ষাক্রমের ১ম, ৩য়, ৫ম ও ৭ম পর্বের ১ম ও ২য় শিফটের তত্ত্বীয় ক্লাস ৭ আগস্ট থেকে অনলাইনে শুরু হবে। এছাড়া অনলাইনে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষাও গ্রহণ নেয়া হবে।

সোমবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিচালিক (কারিকুলাম) প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৬৪টি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বদলি শিক্ষার্থীদের অনলাইন বদলি কার্যক্রম সুচারুরূপে সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া অনলাইন ক্লাস শুরুর বাড়তি প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ডিপ্লোমা স্তরের সকল শিক্ষাক্রমের ১ম, ৩য়, ৫ম ও ৭ম পর্বের ১ম ও ২য় শিফটের তত্ত্বীয় ক্লাস ১ আগস্টের পরিবর্তে ৭ আগস্ট থেকে অনলাইনে এবং ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

এবার অনলাইনে পরীক্ষা নিল ঢাবির ইংরেজি ভাষা বিভাগ

এবার অনলাইনে পরীক্ষা নিল ঢাবির ইংরেজি ভাষা বিভাগ

ঢাবির অনলাইন পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি পরীক্ষার সময় চার ঘন্টা থেকে কমিয়ে করা হয় দুই ঘন্টা। এই সম্পূর্ণ সময়ই শিক্ষার্থীদের সচল রাখতে হয়েছে ভিডিও। ছবি: নিউজবাংলা

ভিডিও সচল রেখে শতভাগ উপস্থিতিতে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়া সম্পন্ন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি ভাষা বিভাগ। দীর্ঘদিন পর পরীক্ষা দিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা। ঈদের পরে ইংরেজি ভাষা বিভাগ প্রথম হলেও ঈদের আগে কম্পিউটার সাইন্স বিভাগ ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ অনলাইনে তাদের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া সম্পন্ন করেছে।

অনলাইনে ভিডিও সচল রেখে শতভাগ উপস্থিতিতে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়া সম্পন্ন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি ভাষা বিভাগ। স্নাতকোত্তর প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের তিন কোর্সের সবশেষ পরীক্ষাটি রোববার বিকাল চারটায় শেষ হয়।

এর আগে গত ২৬ জুলাই সোমবার অনুষ্ঠিত হয় তাদের প্রথম পরীক্ষা। দ্বিতীয় কোর্সের পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয় গত ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি পরীক্ষার সময় চার ঘন্টা থেকে কমিয়ে করা হয় দুই ঘন্টা। এই সম্পূর্ণ সময়ই শিক্ষার্থীদের সচল রাখতে হয়েছে ভিডিও।

পরীক্ষা শেষে উত্তররপত্র জমা দেওয়ার জন্য সময় দেয়া হয় ত্রিশ মিনিট। তবে টেকনিক্যাল ইস্যুতে কেউ এর মধ্যে জমা দিতে না পারলে তাকে দেয়া হয়েছে অতিরিক্ত সময়।

প্রতিটি কোর্সের পরীক্ষায় ৩২ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সবাই। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থান করা সত্ত্বেও পরীক্ষায় অংশ নিতে তেমন কোনো সমস্যায় পড়েনি বলে জানিয়েছেন কোর্স কোঅর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।

এবার অনলাইনে পরীক্ষা নিল ঢাবির ইংরেজি ভাষা বিভাগ

শতভাগ উপস্থিতিতে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়া সম্পন্ন করেছেন ঢাবির ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি ভাষা বিভাগের শিক্ষকরা। ছবি: নিউজবাংলা

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সবাই ক্যামেরা চালু রাখতে পেরেছেন। দু’একজনের মাঝে একটু সমস্যা হলেও তারা টেকনিক্যাল সমস্যা কাটিয়ে আবার যুক্ত হয়েছে। আমরাও তাদেরকে সহযোগিতা করেছি। অতিরিক্ত সময় দিয়েছি যেই সময়টা শিক্ষার্থীর সিস্টেম লসে নষ্ট হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য সব ধরনের অপশন রেখেছি। কোনোভাবেই ছিটকে যাওয়ার সুযোগ নেই।

পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে সাইদুর রহমান বলেন, গত জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের সশরীরে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শাটডাউন শুরু হওয়ায় সেটি আর সম্ভব হয়নি। তখন শিক্ষার্থীরাই আমাদের বলেছে তারা অনলাইনে পরীক্ষা দিতে চায়। এরপর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসারে পরীক্ষার আয়োজন করি।

সাইদুর রহমান আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা দুই পরীক্ষার মাঝে সময় চেয়েছে আমরা সেভাবেই রুটিন তৈরি করেছি, যাতে শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়। পরীক্ষার আগে আমরা শিক্ষার্থীদের গুগল ক্লাসরুম ব্যবহার করে কিভাবে পরীক্ষা দিবে সেটি শিখিয়েছি, যাতে হুট করে পরীক্ষার সময়ে কোনো সমস্যায় তারা না পড়ে।

দীর্ঘদিন পর পরীক্ষা দিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরাও। ইংরেজি ভাষা বিভাগের শিক্ষার্থী আহমেদ সিয়াম বলেন, অনলাইনে পরীক্ষার বিষয়ে শুরুতে ভীতি কাজ করলেও পরীক্ষা দেয়ার পর বুঝতে পারলাম ব্যাপারটা খুব সহজ। আমরা বেশিরভাগ শিক্ষার্থী গ্রামাঞ্চলের হওয়ায় ভিডিও চালু রাখার ক্ষেত্রে সামান্য সমস্যা হলেও শিক্ষকরা সেটিরও সমাধান করে দিয়েছেন। এই পর্যায়ে এসে সময় নষ্ট করা কারোই কাম্য না বলেও মনে করেন এই শিক্ষার্থী।

করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ বন্ধ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। গেলো জুন মাস থেকে কিছু বিভাগ সশরীরে পরীক্ষা নেয়া শুরু করে। তবে জুনের শেষের দিকে করোনার প্রকোপ বাড়ায় দেশে শাটডাউন শুরু হলে স্থগিত করে দেয়া হয় এসব পরীক্ষা।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জানানো হয়, বিভাগ ও ইনস্টিটিউটগুলো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে অনলাইনে পরীক্ষা নিতে পারবে। অনলাইন পরীক্ষার নীতিমালাও প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়। এসব নীতিমালার মেনেই পরীক্ষার আয়োজন করে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি ভাষা বিভাগ।

কোরবানির ঈদের পরে ইংরেজি ভাষা বিভাগ প্রথম হলেও ঈদের আগে কম্পিউটার সাইন্স বিভাগ ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ অনলাইনে তাদের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া সম্পন্ন করেছে। এর আগে জুন মাসে শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান করে সশরীরে পরীক্ষা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ এবং শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ।

শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার নির্দেশ

শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার নির্দেশ

ফাইল ছবি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, করোনার বিস্তার রোধে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন গ্রহণ এবং অন্যদের ভ্যাকসিন নিতে উদ্বুদ্ধ করার অনুরোধ করা হলো।

আঠারো বছর এবং এর বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নজরুল ইসলামের সই করা আদেশে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, করোনার বিস্তার রোধে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন গ্রহণ এবং অন্যদের ভ্যাকসিন নিতে উদ্বুদ্ধ করার অনুরোধ করা হলো।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ করা হয়েছে।

নির্দেশনা:

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ১৮ বছরের বেশি বয়সের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী ভ্যাকসিন গ্রহণের বিষয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান উদ্বুদ্ধ করবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যায়ের দপ্তর, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজ নিজ দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবেন।

শিক্ষকরা অনলাইনে বা ভার্চুয়াল ক্লাসে শিক্ষার্থীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণসহ ভ্যাকসিন নিতে উদ্বুদ্ধ করবেন।

সব দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভ্যাকসিন গ্রহণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন।

শেয়ার করুন