ভারতের বৃত্তি পাচ্ছেন ২ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার উত্তরাধিকারী

সাত দফা দাবি আদায়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ। ফাইল ছবি।

ভারতের বৃত্তি পাচ্ছেন ২ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার উত্তরাধিকারী

ভারত সরকার ২০১৭ সাল থেকে প্রতি বছর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকারীদের বৃত্তি দিয়ে আসছে। এ বছর ২ হাজার শিক্ষার্থী, যারা মুক্তিযোদ্ধার পরবর্তী প্রজন্ম, এই বৃত্তি পাচ্ছেন।

এ বছর ২ হাজার মুক্তিযোদ্ধার উত্তরাধিকারীকে বৃত্তি দেবে ভারত। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার ২০১৭ সাল থেকে প্রতি বছর মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকারীদের বৃত্তি দিয়ে আসছে। এ বছর ২ হাজার শিক্ষার্থী, যারা মুক্তিযোদ্ধার পরবর্তী প্রজন্ম, এই বৃত্তি পাচ্ছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক মৈত্রীর সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে অভিন্ন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং ভৌগোলিক উপাদানের ভিত্তিতে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং জনগণের উন্নতির জন্য বাংলাদেশের জাতীয় প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের ধারাবাহিকতায় কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালেও এই বৃত্তি দেয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বের প্রতি ভারত সরকার ও জনগণের অন্তর্নিহিত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করা হয়।

ভারত সরকার ২০০৬ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকারীদের জন্য এমন বৃত্তি প্রকল্প শুরু করে। প্রাথমিকভাবে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়া হতো। স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর ২৪ হাজার টাকা করে চার বছর এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের দুই বছর ১০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়।

২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে নতুন বৃত্তি প্রকল্প ঘোষণা করা হয়।

এ প্রকল্পের আওতায় পরবর্তী পাঁচ বছরে ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হবে। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের এককালীন ২০ হাজার টাকা এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে দেয়া হবে।

উভয় প্রকল্পের জন্য ভারত সরকার ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৮২ জন শিক্ষার্থী এই প্রকল্পের আওতায় উপকৃত হয়েছে এবং এ খাতে ৩৭ দশমিক ৯৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

এই বছর উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের ১ হাজার করে মোট ২ হাজার শিক্ষার্থী এই প্রকল্পের আওতায় বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশের সব জায়গা থেকে শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত করতে ব্যাপক সহযোগিতা করেছে।

এ বছর থেকে ডিজিটাল ইন্ডিয়া উদ্যোগের সঙ্গে ডিরেক্ট ব্যাংক ট্রান্সফার (ডিবি) পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বৃত্তির পরিমাণ সরাসরি জমা হবে।

আরও পড়ুন:
লাঠিপেটায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরাল পুলিশ
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের
অপপ্রচারে কান না দিয়ে টিকা নিন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হ্যাকারদের কবলে জগন্নাথের ৩৪২ ফেসবুক আইডি

হ্যাকারদের কবলে জগন্নাথের ৩৪২ ফেসবুক আইডি

‘যাদের আইডি হ্যাক হয়েছে তারা থানায় জিডি করে রাখতে পারেন। ফেসবুকে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়াও প্রোফাইলে থাকা এমন কোনো তথ্য যা ক্ষতি বয়ে আনতে পারে সেগুলো প্রোফাইল থেকে এমন সরিয়ে ফেলতে হবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ফেসবুক অ্যাকাউন্টের তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এসব তথ্য প্রকাশ করে একটি লো-লেভেল হ্যাকিং প্ল্যাটফর্ম প্রযুক্তি বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এক প্রযুক্তিকর্মী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত এক সাংবাদিককে ফাঁস হওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য দেন। তিনি জানান, ব্যবহারকারীর ফোন নম্বরসহ অ্যাকাউন্টে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করেছে চক্রটি।

গত শনিবার বিজনেস ইনসাইডার এ তথ্য সবার আগে প্রকাশ করেছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়।

ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর, ফেসবুক আইডি নম্বর, পুরো নাম, ঠিকানা, কর্মস্থল, প্রোফাইল এবং কিছু ক্ষেত্রে জন্ম তারিখ ও ইমেইল ঠিকানা।

এই ৩৪২ জনের ফেসবুক আইডিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য যুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া আইডিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যযুক্ত নেই এমন অনেকেই থাকতে পারেন। তাই তাদের শিক্ষার্থী হিসেবে চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে না। এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের ছাত্র কাউসার বলেন, ‘ফাঁস হওয়া আইডিগুলোর নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপ করার সুযোগ রয়েছে চক্রটির। তারা ফাঁস হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষতি করতে পারবে। এ ছাড়াও কোনো অপরাধী চক্র ওই নাম্বার সমূহের দ্বারা প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অন্য ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ক্ষতি করতে পারবে। এতে যে কাউকে লক্ষ্য করে তার সব তথ্য নিয়ে আলাদা প্রোফাইল রেডি করে তা অন্য জায়গায় ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য বলেন, ‘যাদের তথ্য ফাঁস হয়েছে ভবিষ্যতে তাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি বা হেনস্তা করার আশঙ্কা থেকে যায়। ফাঁস হওয়া আইডিগুলোর সংশ্লিষ্ট সকল নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপ করার সুযোগ রয়েছে চক্রটির।

‘কোনো অপরাধী চক্র ওই নম্বরগুলো দিয়ে প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অন্য ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ক্ষতি করতে পারবে। তারা যে কাউকে লক্ষ্য করে তার সব তথ্য নিয়ে আলাদা প্রোফাইল রেডি করে তা অন্য জায়গায় ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।’

প্রাথমিক সতর্কতা জন্য করণীয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যাদের আইডি হ্যাক হয়েছে তারা থানায় জিডি করে রাখতে পারেন। ফেসবুকে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। এ ছাড়াও প্রোফাইলে থাকা এমন কোনো তথ্য যা ক্ষতি বয়ে আনতে পারে সেগুলো প্রোফাইল থেকে এমন সরিয়ে ফেলতে হবে।’

পৃথিবীর ১০৬টি দেশের ৫৩ কোটি ৩০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর নাম রয়েছে হ্যাকিংয়ের তালিকায়। অনেকটা বিনামূল্যে এসব তথ্য অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১০৬ দেশের মধ্যে এতে সবচেয়ে বেশি ৩ কোটি ২০ লাখ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের। রয়েছে যুক্তরাজ্যের এক কোটি ১০ লাখ ও ভারতের ৬০ লাখ ব্যবহারকারীর গোপনীয় তথ্য।

তবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। এর আগে গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার বিশ্বের বৃহত্তম এ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য ফাঁস হয়েছে।

আরও পড়ুন:
লাঠিপেটায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরাল পুলিশ
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের
অপপ্রচারে কান না দিয়ে টিকা নিন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

শেয়ার করুন

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ বঙ্গবন্ধুর নামে

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ বঙ্গবন্ধুর নামে

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য-শিক্ষাসচিব আলী নূরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ৪ এপ্রিল এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় প্রতিষ্ঠান দুটির নতুন নামকরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের নাম পাল্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ করা হয়েছে। এখন থেকে হাসপাতালটির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ফরিদপুর।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষাসচিব আলী নূরের সই করা করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ৪ এপ্রিল এ তথ্য জানানো হয়। তথ্যটি সংবাদমাধ্যমে আসে বুধবার।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নামকরণের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

গত ১২ মার্চ ট্রাস্টের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানকে অনুমোদনের চিঠি দেয়া হয়।

দেশের স্বাস্থ্য-শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে ১৯৯২ সালে ফরিদপুর শহরে স্থাপন করা হয় ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ।

আরও পড়ুন:
লাঠিপেটায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরাল পুলিশ
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের
অপপ্রচারে কান না দিয়ে টিকা নিন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

শেয়ার করুন

নির্দেশ না মানা কওমি মাদ্রাসা অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ

নির্দেশ না মানা কওমি মাদ্রাসা অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ

সরকারের নির্দেশনার পরও করোনাকালে সব কওমি মাদ্রাসা বন্ধ হয়নি। ফাইল ছবি

‘সরকারি নির্দেশ সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু আবাসিক ও অনাবাসিক মাদ্রাসা এখনও খোলা রয়েছে মর্মে জানা যায় যা বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে অত্যন্ত স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ। …বর্ণিত অবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কওসি মাদ্রাসাসহ (এতিমখানা ব্যতীত) সকল মাদ্রাসা (আবাসিক ও অনাবাসিক) বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। এ নির্দেশ পালনে কোনোরূপ শৈথিল্য প্রদর্শন করা যাবে না।’

করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলার কারণে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়িয়ে দেয়ার পর যেসব কওমি মাদ্রাসা এখনও চালু আছে, সেগুলো অবিলম্বে বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ এসেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে জারি করা আদেশে নির্দেশ অমান্য করা যাবে না কোনোভাবেই।

লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার অতিরিক্ত সচিব (মাদ্রাসা) হাবিবুর রহমান সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়েছে।

গত বছরের মার্চে দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ২৬ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা হলে বন্ধ করে দেয়া হয় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে পরে বিশেষ বিবেচনায় কওমি মাদ্রাসাগুলো চালু রাখার সুযোগ করে দেয় সরকার।

তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ২০২০ সালের চেয়ে বেশি হারে মানুষ আক্রান্ত হওয়ার পর এবার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কওমি মাদ্রাসাগুলোও বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ আগে গত ২৯ মার্চ।

এই নির্দেশনা আসার পরেও সব মাদ্রাসা বন্ধ হয়নি। আর কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সর্বোচ্চ সনদ দাওরায়ে হাদিসের পরীক্ষাও চলছে।

এই অবস্থায় জারি করা প্রজ্ঞাপনে আগামী ২২ মে পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্তের উল্লেখ করে বলা হয়, ‘সরকারি নির্দেশ সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু আবাসিক ও অনাবাসিক মাদ্রাসা এখনও খোলা রয়েছে মর্মে জানা যায় যা বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে অত্যন্ত স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ।’

সম্প্রতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ২৯ মার্চ মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রজ্ঞাপনের উল্লেখ করে দেশে লকডাউন বলবৎ থাকার বিষয়টিও তুলে ধরা হয় আদেশে।

এতে বলা হয়, ‘বর্ণিত অবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কওসি মাদ্রাসাসহ (এতিমখানা ব্যতীত) সকল মাদ্রাসা (আবাসিক ও অনাবাসিক) বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। এ নির্দেশ পালনে কোনোরূপ শৈথিল্য প্রদর্শন করা যাবে না।’

কওমি শিক্ষাবোর্ড যা বলছে

সরকারের আদেশ জারির পরেও কওমি মাদ্রাসা খোলা রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে এই মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারাসিল আরাবিয়া-বেফাকের মহাপরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ যোবায়ের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা কি আপনাদের প্রজ্ঞাপন? আমরা এ বিষয়ে কিছু জানি না।’

প্রজ্ঞাপন তো গণমাধ্যম জারি করে না। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে এটি জারি হয়েছে- এটি জানানোর পর তিনি বলেন, ‘না আমরা প্রজ্ঞাপন পাইনি। বিবরণ জানি না কী বলেছে এখন পর্যন্ত।’

নির্দেশ অমান্য করে কোন মাদ্রাসাগুলো খোলা আছে, সেটি জানেন কি না- এমন প্রশ্নে রেগে গিয়ে মাওলানা যোবায়োর বলেন, ‘এত কথা জিজ্ঞেস করেন কেন?’।

এরপর তিনি ফোন কেটে দেন।

আরও পড়ুন:
লাঠিপেটায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরাল পুলিশ
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের
অপপ্রচারে কান না দিয়ে টিকা নিন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

শেয়ার করুন

রাবির ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন স্থগিত

রাবির ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন স্থগিত

২৫ মার্চ হাইকোর্ট মাহফুজুর রহমানকে ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছিল। ওই জামিন স্থগিত করে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার আদালত জামিনাদেশ স্থগিত করে দেয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় আসামি মাহফুজুর রহমানকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত করেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বার আদালত মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

২৫ মার্চ হাইকোর্ট মাহফুজুর রহমানকে ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছিল। ওই জামিন স্থগিত করে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার আদালত জামিনাদেশ স্থগিত করে দেয়।

এই আদেশে মাহফুজের কারামুক্তি আটকে গেছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যার্টনি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৪ জানুয়ারি রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কাজলা এলাকার একটি মেসে নিয়ে ধর্ষণ করেন মাহফুজুর।

ধর্ষণের ভিডিও করেন মাহফুজুরের দুই বন্ধুসহ পাঁচজন। ভিডিও দেখিয়ে পরে তারা ছাত্রীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।

টাকা না দিলে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়।

ওই ছাত্রী পরে ২৭ জানুয়ারি রাজশাহীর মতিহার থানায় মামলা করেন।

অভিযান চালিয়ে মাহফুজুর ও তার দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
লাঠিপেটায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরাল পুলিশ
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের
অপপ্রচারে কান না দিয়ে টিকা নিন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

শেয়ার করুন

গরিবের চিকিৎসক হতে চান মিশরী 

গরিবের চিকিৎসক হতে চান মিশরী 

মিশরী মুনমুন

মেডিক্যাল কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া মিশরী মুনমুন বলেন, ‘একটি মানুষও যাতে বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়। সুবিধাবঞ্চিতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে আমি আজীবন কাজ করে যাব।’

মেডিক্যাল কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে উচ্ছ্বসিত মিশরী মুনমুন। স্থির করে ফেলেছেন ভবিষ্যৎ লক্ষ্যও। পাবনার এই শিক্ষার্থী জানালেন, চিকিৎসক হয়ে সারা জীবন গরিব মানুষদের চিকিৎসা দেবেন তিনি।

মেডিক্যাল কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৫৬ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন।

এর মধ্যে প্রথম হয়েছেন মিশরী। পাবনা মেডিক্যাল কলেজে পরীক্ষায় অংশ নেয়া এই শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর ২৮৭.২৫। ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছেন ৮৭.২৫। নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জন্য।

ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার পর প্রথম অনুভূতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নিউজবাংলাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এই মেধাবী। জানালেন, বাবার ইচ্ছায় স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে তিনি।

মিশরী বলেন, ‘একটি মানুষও যাতে বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়। সুবিধাবঞ্চিতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে আমি আজীবন কাজ করে যাব।

‘আমার বাবার স্বপ্ন ছিল, সেই স্বপ্ন পূরণের প্রথম দ্বারপ্রান্তে আমি। মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় আমি প্রথম হয়েছি। এ আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এটা এক অন্য রকম অনুভূতি। এই অনুভূতির কথা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।’

পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে এসএসসি ও ২০২০ সালে পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন মিশরী। আগের পরীক্ষাগুলোর সাফল্যের ধারা ধরে রাখলেন মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায়ও।

মিশরী জানালেন, তার কখনও ঘণ্টা ধরে অনেক সময় পড়ালেখা করার অভ্যাস ছিল না। তার সাফল্যের মূলমন্ত্র ‘দিনের কাজ দিনে শেষ করা’।

‘আমি ঘণ্টা ধরে পড়ালেখা করতাম না। রাতও বেশি জাগতাম না। শিক্ষকরা যতটুকু পড়া দিতেন, দিনের যতটুকু পড়ার সেইটুকু দিনের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করতাম। অনেক সময় শেষ করা সম্ভব হতো না। তারপরও চেষ্টা করেছি সাধ্যমতো দিনের কাজ দিনে শেষ করার।’

মেডিক্যাল ভর্তি হতে চাওয়া অন্যদের জন্য পরামর্শ কী? মিশোরীর জবাব, ‘প্রথম পরামর্শ তারা মূল বই ভালোভাবে পড়বে। মূল বই ভালোভাবে পড়লে অনেক প্রশ্ন সলভ করা সম্ভব হবে। অনুশীলনী এবং বোর্ড কোশ্চেনগুলো ভালোভাবে সলভ করতে হবে। সঙ্গে আল্লাহর ওপর আস্থা রাখতে হবে।’

মিশরীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গোছানো। জানালেন, সমাজ-দেশের জন্য কিছু করার আগে নিজেকে ভালোভাবে প্রস্তুত করতে চান। এরপর কাজ করতে চান তৃণমূল থেকে।

‘প্রথমে নিজ থেকে উন্নত করতে চাই, নিজের উন্নতি সম্ভব না হলে রাষ্ট্রসমাজ উন্নতি করা সম্ভব নয়। আমাকে নিজেকে আগে প্রস্তুত হতে হবে ভালো করে। তা না হলে দেশের জন্য কিছু করা সম্ভব হবে না।

‘আমি দেশের জন্য কিছু করতে চাই। সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। যারা দরিদ্র, বঞ্চিত, অভাবগ্রস্ত তাদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।’

মিশরীর বাবা আব্দুল করিম স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরি করেন। মা মোসাম্মৎ মুসলিমা খাতুন একজন গৃহিণী। মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় মেয়ের প্রথম হওয়ার খবরে উচ্ছ্বসিত তারা।

নিউজবাংলাকে করিম বলেন, ‘আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া, তিনি আমার মেয়েকে প্রথম হিসেবে বেছে নিয়েছেন মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায়। আমার স্বপ্ন ছিল আমার মেয়ে ডাক্তার হবে, তা বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য আমি যতটুকু পারি চেষ্টা করেছি। এ ছাড়া মেয়ের শিক্ষক সার্বক্ষণিকভাবে চেষ্টা করেছেন। সবার সহযোগিতায় আজ মেয়ে এই সাফল্য এনে দিয়েছে।

‘স্বপ্ন ছিল আমার মেয়ে বড় হয়ে ডাক্তার হবে, মেয়েকে আমি মেডিক্যালে পড়াব। সেই স্বপ্ন কিছুটা হলেও পূরণের দ্বারপ্রান্তে। এটা আমার অনেক ভালো লাগছে।’

আব্দুল করিমের সন্তানদের মধ্যে আগেই একজন ডাক্তার হয়েছেন। তার তিন মেয়ে। এর মধ্যে বড় মেয়ে ডাক্তার হয়ে বর্তমানে চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত। অপরজন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্সে পড়ছে। ডাক্তার হতে চলেছেন তৃতীয় মেয়ে মিশরী।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন। পাসের হার ৩৯.৮৬ শতাংশ।

এর মধ্যে সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৫০ জন। নির্বাচিতদের মধ্যে চলমান শিক্ষাবর্ষের রয়েছেন ৩ হাজার ৯৩৭ জন। আগের শিক্ষাবর্ষের ৪১৩ জন।

নির্বাচিতদের মধ্যে নারী শিক্ষার্থী বেশি, ২ হাজার ৩৪১ জন; পুরুষ ২ হাজার ৯ জন।

আরও পড়ুন:
লাঠিপেটায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরাল পুলিশ
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের
অপপ্রচারে কান না দিয়ে টিকা নিন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

শেয়ার করুন

মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

পরীক্ষার উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন। এর মধ্যে সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৫০ জন। নির্বাচিতদের মধ্যে চলমান শিক্ষাবর্ষের রয়েছেন ৩ হাজার ৯৩৭ জন। আগের শিক্ষাবর্ষের ৪১৩ জন।

মেডিক্যাল কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট: www.dghs.gov.bd এ পাওয়া যাবে এই ফল।

রোববার, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূর।

গত শুক্রবার সরকারি মেডিক্যাল কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৫৫টি ভেন্যুতে ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৫৬ জন। আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন শিক্ষার্থী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূর

পরীক্ষার উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন। এর মধ্যে সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৫০ জন। নির্বাচিতদের মধ্যে চলমান শিক্ষাবর্ষের রয়েছেন ৩ হাজার ৯৩৭ জন। আগের শিক্ষাবর্ষের ৪১৩ জন।

নির্বাচিতদের মধ্যে নারী শিক্ষার্থী বেশি, ২ হাজার ৩৪১ জন; পুরুষ ২ হাজার ৯ জন। প্রথম হয়েছেন মিশোরী মুনমুন। পাবনা মেডিক্যাল কলেজে পরীক্ষা অংশ নেয়া এই শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর ২৮৭.২৫। ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছেন ৮৭.২৫। তিনি নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জন্য।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় মোট পাসের হার ৩৯.৮৬ শতাংশ।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিশেষ করে এক বেঞ্চে তিনজন করে শিক্ষার্থী বসিয়ে পরীক্ষা নেয়া, পরীক্ষার আগে গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রে ঢোকা, পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের সমাগম জনসমুদ্রে রূপ নেয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

আবার কেন্দ্রে কেন্দ্রে হাত ধোয়ার জন্য সাবান-পানি, স্যানিটাইজার রাখার নির্দেশনা থাকলেও সব কেন্দ্রে তা রাখেনি পরীক্ষা আয়োজকরা।

আরও পড়ুন:
লাঠিপেটায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরাল পুলিশ
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের
অপপ্রচারে কান না দিয়ে টিকা নিন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

শেয়ার করুন

জবির সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির জন্য আবেদন চেয়ে নোটিশ

জবির সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির জন্য আবেদন চেয়ে নোটিশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। ফরমে উল্লেখিত শর্তাবলি সঠিকভাবে পূরণ করে রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখায় (বৃত্তি) জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিলের মধ্যে দরখাস্ত জমা দিতে হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেয়ার লক্ষ্যে আবেদন চেয়ে নোটিশ জারি করেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের (মাউশি) উপবৃত্তির অর্থ ইউজিসির মাধ্যমে হাতে পাবেন শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ফোনালাপে উপবৃত্তি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। ফরমে উল্লেখিত শর্তাবলি সঠিকভাবে পূরণ করে রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখায় (বৃত্তি) জমা দিতে বলা হয়েছে।

আগামী ৮ এপ্রিলের মধ্যে দরখাস্ত জমা দিতে হবে।

এ ব্যাপারে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের তালিকা চেয়েছে। আমরা তালিকা তৈরি করে তাদের কাছে পাঠিয়ে দিব। এরপর ওরা ওদের মতো করে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা তৈরি করবে।’

উল্লেখ্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (মাউশি) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমন শিক্ষার্থীদের আবেদন চেয়ে নোটিশ জারি করেছে৷

আরও পড়ুন:
লাঠিপেটায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সরাল পুলিশ
মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের
অপপ্রচারে কান না দিয়ে টিকা নিন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

শেয়ার করুন