২৪ মে থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা

২৪ মে থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থগিত হয়ে যাওয়া পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি অতি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরুর সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত হয়ে যাওয়া পরীক্ষাও শুরু হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফয়জুল করিম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থগিত হয়ে যাওয়া পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি অতি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে অংশ নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সব পরীক্ষা স্থগিত রাখা হচ্ছে।

করোনা মহামারির কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় সরাসরি পাঠদান ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে ১৪ বছর চাকরি

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে ১৪ বছর চাকরি

হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহাবুবুল হক। ছবি: নিউজবাংলা

চাকরির আবেদনের জন্য বয়সসীমা পার হয়ে যাওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবহার করেন মাহবুবুল। বাবার নামে ভুয়া সনদ বের করে সেটি দেখিয়ে ২০০৭ সালের ৬ জানুয়ারি চাকরিতে যোগ দেন তিনি। হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক পদে তিনি চাকরি করছেন ২০১২ থেকে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা মুক্তিযুদ্ধের সনদ জালিয়াতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি। ওই শিক্ষক তার বাবার নামে মুক্তিযুদ্ধের ভুয়া সনদ দেখিয়ে চাকরি নিয়ে ১৪ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন।

ওই শিক্ষকের নাম মাহবুবুল হক। তার বাড়ি বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে। তার বাবার নাম জসিম উদ্দীন।

তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল রশীদ। তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে সনদ জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে।

চাকরির আবেদনের জন্য বয়সসীমা পার হয়ে যাওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবহার করেন মাহবুবুল। বাবার নামে ভুয়া সনদ বের করে সেটি দেখিয়ে ২০০৭ সালের ৬ জানুয়ারি চাকরিতে যোগ দেন তিনি। হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক পদে তিনি চাকরি করছেন ২০১২ থেকে।

এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের পক্ষে রাজশাহী অঞ্চলের উপপরিচালকের কাছে ওই অভিযোগটি করেন ইসাহাক আলী।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আদমদীঘি উপজেলার কমান্ডার আব্দুল হামিদ তদন্ত কমিটিকে লিখিতভাবে জানান, ওই উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামের একমাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন জসিম উদ্দীন মণ্ডল। তিনি বর্তমানে জীবিত। তার মাহবুবুল হক নামে কোনো সন্তান নেই।

অন্যদিকে বগুড়ার ১ নম্বর ছাতিয়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হক আবু তদন্ত কর্মকর্তাকে জানান, মাহবুবুল হকের পিতার নাম জসিম উদ্দীন। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন ও মারা গেছেন।

তদন্তে জানা যায়, জালিয়াতির মাধ্যমে প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধার নামের শেষ অংশ বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সনদ সংগ্রহ করেন মাহবুবুল। সেটি নিজের বাবার বলে জমা দিয়েছিলেন তিনি। মন্ত্রণালয়ের রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর নিজেই করে সনদটি তুলেছিলেন মাহাবুবুল।

কীভাবে মন্ত্রণালয় থেকে সনদটি সংগ্রহ করা হয়েছিল, এ বিষয়ে আরও তদন্ত হতে পারে বলছেন শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এ বিষয়ে শিক্ষক মাহাবুবুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত চলছে, ঢাকায় আমাকে জবাব দিতে হচ্ছে। তদন্তাধীন বিষয়ে আমি কথা বলতে চাচ্ছি না।

‘ঢাকাতে খুব দৌড়াদৌড়ির মধ্যে আছি। আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে।’

তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল রশীদ জানান, মাহাবুবুলের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্য ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগও রয়েছে। সেগুলোরও তদন্ত হয়েছে।

এসব অভিযোগ তদন্তের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা, রাজশাহী অঞ্চলের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) শারমিন ফেরদৌস চৌধুরী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

আবদুল রশীদ জানান, এ বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। তদন্ত শেষে ৮ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষই যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

শেয়ার করুন

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ৩১ জুন, আবেদন ২ মে থেকে

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ৩১ জুন, আবেদন ২ মে থেকে

ভর্তির আবেদনের তারিখসহ ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ওয়েবসাইটে http://www.bsmrau.edu.bd পাওয়া যাবে।

সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে প্রথম বর্ষ স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার সব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে।

আগামী ২ মে থেকে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হবে ১০ জুন।

এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে আগামী ৩১ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। ফলাফল প্রকাশ হবে ৫ আগস্ট।

সোমবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য ও কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির আহবায়ক গিয়াসউদ্দীন মিয়ার সভাপতিত্বে ভর্তি কমিটির অনলাইন সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।

ভর্তির আবেদনের তারিখসহ ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ওয়েবসাইটে http://www.bsmrau.edu.bd পাওয়া যাবে।

সভায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. লুৎফুল হাসান, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. শহীদুর রহমান খান ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত যুক্ত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ তোফায়েল আহমেদ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান, বরিশাল শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম তালুকদার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি বিশেষজ্ঞ, ড. মো. আলী আশরাফ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক মো. মুস্তাগিজ বিল্লাহ, শেরো বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচারাল বোটানি বিভাগের অধ্যাপক এ. এম. এম শামসুজ্জামান ও বশেমুরকৃবির আইটি বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ আকরামও এতে যুক্ত ছিলেন।

শেয়ার করুন

পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ

পিসিআর মেশিনসহ গবেষণা সরঞ্জাম পেল জগন্নাথ

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টোন থেকে জবিতে পাঠানো ল্যাবসামগ্রী। ছবি: নিউজবাংলা

‘যে গবেষণা সরঞ্জাম আমরা পেয়েছি, এতে করে একটি উচ্চ মানসম্পন্ন ল্যাব তৈরি করতে পারব। যা বায়োটেকনোলজিক্যাল গবেষণার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যেটা হাতে কলমে শিক্ষার্থীদের শেখাতে পারছিলাম না সেটা সম্ভব হবে৷ এ ছাড়াও আমাদের গবেষণার পরিবেশটা সম্প্রসারণ হবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি পিসিআর মেশিনসহ প্রায় তিন কোটি টাকার গবেষণা সরঞ্জাম এসে পৌঁছেছে।

অন্য সরঞ্জামের মধ্যে আছে ল্যামিনার ফ্লো, মাইনাস ২০ ডিগ্রি ফ্রিজসহ প্রায় ৯৪টি উচ্চতর গবেষণা সরঞ্জাম।

যুক্তরাষ্ট্রের সিডিং ল্যাব ইনস্ট্রুমেন্টাল একসেস অ্যাওয়ার্ড-২০২০ পাওয়ায় শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নের জন্য এসব সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ এই পুরস্কার পেয়েছে।

রোববার এসব যন্ত্রপাতি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল।

অ্যাওয়ার্ড ঘোষণার প্রায় ১১ মাস পর আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টোন থেকে এসব ল্যাবসামগ্রী ক্যাম্পাসে এসে পৌঁছায়।

গত বছর ২৭ মে সিডিং ল্যাবের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ বিজ্ঞানীদের শিক্ষা ও গবেষণার জন্য স্বল্প খরচে উন্নতমানের বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান দিলারা ইসলাম শরীফ বলেন, ‘গত বছর বিশ্বের ১০টি দেশের মোট ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয় এই অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অ্যাওয়ার্ডটা পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘যে গবেষণা সরঞ্জাম আমরা পেয়েছি, এতে করে একটি উচ্চ মানসম্পন্ন ল্যাব তৈরি করতে পারব। যা বায়োটেকনোলজিক্যাল গবেষণার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

গবেষণা ও শিক্ষার্থীদের জন্য এই সামগ্রীগুলো কতটা মাত্রা যোগ করবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা যেটা হাতে কলমে শিক্ষার্থীদের শেখাতে পারছিলাম না সেটা সম্ভব হবে৷ এ ছাড়াও আমাদের গবেষণার পরিবেশটা সম্প্রসারণ হবে। ইউজিসি ও দেশের বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে গবেষণার বিভিন্ন খাত থাকে, আমরা সেই গবেষণাগুলো নিয়মিতভাবে করতে পারব।’

পিসিআর মেশিনে করোনা টেস্ট করা যাবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘করোনা টেস্ট এর জন্য যে ধরনের ইকুয়েপমেন্ট দরকার তার কিছু বাকি আছে। তবে করোনা টেস্ট এর জন্য যে ধরণের জীবানুমুক্তকরণ পরিবেশের ল্যাব পরিবেশ দরকার তা আমাদের নেই। সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে আমরা করতে পারব।

‘দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত করোনা পরীক্ষা কেন্দ্র আছে। আমাদের ইচ্ছা করোনার ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে গবেষণা করা, পাশাপাশি সেগুলো প্রতিরোধে কিভাবে ভ্যাকসিন তৈরি করা যাবে সেটা নিয়ে কাজ করা।’

আমেরিকার সিডিং ল্যাব নামের একটি বেসরকারি সংগঠন এই অ্যাওয়ার্ড দিয়ে থাকে। যার উদ্দেশ্য নিম্ন মধ্যবিত্ত দেশের তরুণ বিজ্ঞানীদের নতুন কিছু আবিষ্কার ও গবেষণায় উৎসাহিত করা।

এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে গবেষণার যন্ত্রপাতি বিশ্বের ১০টি দেশের ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি বিভাগে সরবরাহ করবে। এ ছাড়া যারা মনোনীত হয় তাদেরকে বিশ্বব্যাপী সিডিং ল্যাবের অন্য বিজ্ঞানীদের সংস্পর্শে আসার সুযোগ থাকবে।

শেয়ার করুন

দরিদ্রদের খাবার দিচ্ছে জবি ছাত্র ইউনিয়ন

দরিদ্রদের খাবার দিচ্ছে জবি ছাত্র ইউনিয়ন

শনিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ আশপাশের বাহাদুর শাহ পার্ক, সদরঘাট, ইসলামপুর, লক্ষ্মীবাজার, কোর্ট-কাচারি এলাকায় এক বেলার খাবার বিতরণ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

বাংলাদেশে চলছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চলছে লকডাউন। এতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষেরা। নিম্ন আয়ের মানুষদের পাশে দাঁড়াতেই এক বেলার খাবার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়ন।

শনিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ আশপাশের বাহাদুর শাহ পার্ক, সদরঘাট, ইসলামপুর, লক্ষ্মীবাজার, কোর্ট-কাচারি এলাকায় এক বেলার খাবার বিতরণ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

জানা গেছে, লকডাউনের শুরু থেকেই প্রতিদিন ৫০-৮০ জন মানুষকে এক বেলার খাবার দিচ্ছে জবি ছাত্র ইউনিয়ন শাখা। ফেসবুকভিত্তিক গ্রুপ ‘চাল, ডাল, আলু বাঁচার জন্য ৪৫০ টাকায় এক সপ্তাহ’ এর সহযোগিতায় চলছে খাবার বিতরণ কর্মসূচি। এ সময় শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে ছাত্র ইউনিয়ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি কে এম মুত্তাকী বলেন, ‘লকডাউনে অনেক শ্রমিক ও দিনমজুরের কাজ নেই। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার আশপাশের অনেক সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও মানুষ আছে, যারা ঠিকমতো খাবার খেতে পারছে না। তাদের কথা চিন্তা করেই আমরা এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। তাদের কাছে এক বেলা খাবার পৌঁছে দিচ্ছি।’

শেয়ার করুন

জগন্নাথের শিক্ষার্থীদের বৃত্তির আবেদন আহ্বান

জগন্নাথের শিক্ষার্থীদের বৃত্তির আবেদন আহ্বান

প্রতি বিভাগে তিন জনকে মাসে চার শ টাকা হারে মেধা বৃত্তি এবং এক শিক্ষাবর্ষের জন্য বিনা বেতনে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দেয়া হবে। মেধা বৃত্তি ছাড়াও প্রতি বিভাগে শতকরা ১০ জন অস্বচ্ছল ছাত্রছাত্রীকে বিনা বেতনে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দেয়া হবে। বিভাগে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী থাকলে তাদেরকে আবেদন করার জন্য উৎসাহিত করতে বলা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মেধা ও অবৈতনিক এই দুই শাখায় বৃত্তি জন্য অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ওহিদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ ব্যাপারে একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

রেজিস্ট্রার বলেন, student.erp.jnu.ac.bd অর্থাৎ student login প্যানেলে login করার পর ডানদিকে “Apply for scholarship” লিংকে ক্লিক করে আবেদন করা যাবে।

এরপর সংশ্লিষ্ট বিভাগ নির্ধারিত লিংকে ঢুকে শিক্ষার্থীদের আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে হবে। বিধি মোতাবেক দ্বিতীয় অংশে সুপারিশসহ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এর দপ্তরে ২৪ মে’র মধ্যে পাঠাবেন।

আবেদনপত্রের তৃতীয় অংশ সঠিকভাবে যাচাই করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর ৩ জুন এর মধ্যে রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠাবে।

মেধা বৃত্তি ক্যাটাগরিতে প্রতি বিভাগে তিন জনকে মাসে চার শ টাকা হারে মেধা বৃত্তি এবং এক শিক্ষাবর্ষের জন্য বিনা বেতনে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দেয়া হবে।

প্রতি বিভাগে শতকরা ১০ জন অস্বচ্ছল ছাত্র-ছাত্রীকে বিনা বেতনে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দেয়া হবে।

বিভাগে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী থাকলে তাদেরকে আবেদন করার জন্য উৎসাহিত করতে বলা হয়েছে। একজন শিক্ষার্থী যে কোনো একটি ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবে।

২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে এক হাজার ১১৬ জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মেধা ও অবৈতনিক বৃত্তি দেয়া হয়। এদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ৩০৭ জনকে মেধাবৃত্তি ও ৭১০ জনকে অবৈতনিক বৃত্তি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ জনকে মেধাবৃত্তি ও ৫৯ জনকে অবৈতনিক বৃত্তি দেয়া হয়েছিল।

শেয়ার করুন

সময় বাড়ল গুচ্ছ ভর্তির আবেদনের

সময় বাড়ল গুচ্ছ ভর্তির আবেদনের

লকডাউন যেদিন শেষ হবে, তার থেকে ১০ দিন পর পর্যন্ত আবেদনের সময় থাকবে। একই সাথে মানবিক ও বাণিজ্যে ১ করে গ্রেড কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।  

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের শেষদিনে বাড়ানো হলো আবেদনের সময়। একই সঙ্গে কমানো হয়েছে আবেদনের গ্রেডিংও।

বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয় কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সদস্য।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, বাড়ানো হবে না আবেদনের সময়।

বৈঠকে উপস্থিত বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ‘আজকে (বৃহস্পতিবার) আমাদের মিটিং ছিল। যেহেতু লকডাউন, তাই অনেকেই আবেদন করতে পারেনি। আবেদনের সংখ্যাও অনেক কম। আমরা আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। লকডাউন যেদিন শেষ হবে, তার থেকে ১০ দিন পর পর্যন্ত আবেদনের সময় থাকবে। একই সাথে মানবিক ও বাণিজ্যে ১ করে গ্রেড কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কত আবেদন পড়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আবেদন পড়েছে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৮০৪। যার মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৩৮ জন। ‘বি’ ইউনিটে ৯১ হাজার ৫৩৫ জন ও ‘সি’ ইউনিটে ৪৬ হাজার ৭৩৩ জন আবেদন করেছেন।

গত ১ এপ্রিল থেকে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু হয়। পরীক্ষা শুরু হবে ১৯ জুন থেকে। গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য ভর্তি সংশ্লিষ্ট ওয়েব সাইট (www.gstadmission.org এবং www.gstadmission.ac.bd) এ পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

জবিতে ভার্চুয়াল বর্ষবরণ

জবিতে ভার্চুয়াল বর্ষবরণ

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি সম্প্রচারিত হয় অনুষ্ঠান। শিক্ষকরা শুভেচ্ছা জানান শিক্ষার্থীদের। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয় নাচ, গান ও কবিতা।

করোনা নববর্ষ উদযাপন বিঘ্নিত করলেও সবকিছু থামিয়ে দিতে পারেনি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ভার্চুয়ালি উদযাপন করেছে বাংলা নববর্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে সম্প্রচারিত হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তা ছিল অনেকটাই প্রাণবন্ত।

বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, ‘বাঙালির প্রাণের উৎসব হচ্ছে পহেলা বৈশাখ। ধর্মীয় ক্ষেত্রে উৎসব পালনে একটি ভেদাভেদ থাকে কিন্তু এই উৎসব পালনে কোন ভেদাভেদ নেই।’

অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (জবিশিস) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম বলেন, ‘কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হচ্ছে বাংলা নববর্ষ। দিনটি উদযাপন করোনার কারণে বিঘ্নিত হয়েছে। কিন্তু আমাদের এভাবে থমকে গেলে চলবে না। হতাশা ও দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে হবে।’

জবিশিসের সভাপতি অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এ দিনটি আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রকাশের দিন। বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পুরান ঢাকার অন্যতম সাংস্কৃতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।’

শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নাচ, গান ও কবিতা পরিবেশন করেন।

শেয়ার করুন