চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির কার্যক্রমে সন্তুষ্ট ইউজিসি

সিআইইউর তিনজন শিক্ষার্থী

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির কার্যক্রমে সন্তুষ্ট ইউজিসি

ইউজিসির ৪৬তম বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে  শিক্ষক থাকতে হয়। সিআইইউ এই অনুপাত বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) শিক্ষা কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

ইউজিসির ৪৬তম বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে শিক্ষক থাকতে হয়। সিআইইউ এই অনুপাত বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।

একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ইতোমধ্যে দেশে ও দেশের বাইরে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ)।

বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির উপাচার্য পদে দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষাবিদ ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী। পড়ালেখার পাশাপাশি সৃষ্টিশীল নানান কর্মকাণ্ডেও সাফল্য বয়ে আনছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ইউজিসির ৪৬তম বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে শিক্ষক থাকতে হয়। সিআইইউ এই অনুপাত বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।

ইউজিসির প্রতিবেদন প্রসঙ্গে সিআইইউর উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বলেন, মানসম্পন্ন শিক্ষা ছড়িয়ে দেয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি করার পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে নজর রয়েছে আমাদের। নিয়ম শৃঙ্খলা, বিধিবিধান, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠান এগিয়ে চলেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে সিআইইউতে বিজনেস স্কুল, স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস ও স্কুল অব ল প্রোগ্রামের অধীনে রয়েছে একাধিক বিষয়। রয়েছে ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (আইজিডিআইএস), ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি), সেন্টার ফর এক্সিলেন্স ইন টিচিং অ্যান্ড লার্নিং (সিইটিএল) সহ একাধিক ইন্সটিটিউট ও উচ্চমানের কমিটি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সংবাদ সম্মেলনে আসছেন সামিয়া

সংবাদ সম্মেলনে আসছেন সামিয়া

চৌর্যবৃত্তির দায়ে পদাবনতি হয়েছে ঢাবি শিক্ষক সামিয়া রহমানসহ তিন জনের।

ক্ষুদে বার্তায় বলা হয়েছে, সামিয়া রহমানের বিরুদ্ধে একটি মহল নানা ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।  এতে তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক মর্যাদা নষ্ট হচ্ছে। ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অন্যায়ভাবে তার বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করেছে। এর প্রতিবাদ ও সঠিক বক্তব্য তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আসার ঘোষণা দিয়েছেন অ্যাকাডেমিক গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির দায়ে শাস্তি পাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সোমবার দুপুরে এই সংবাদ সম্মেলন হবে।

ক্ষুদে বার্তায় বলা হয়েছে, সামিয়া রহমানের বিরুদ্ধে একটি মহল নানা ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক মর্যাদা নষ্ট হচ্ছে। ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অন্যায়ভাবে তার বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করেছে। এর প্রতিবাদ ও সঠিক বক্তব্য তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

২৯ জানুয়ারি অ্যাকাডেমিক গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির দায়ে সামিয়া রহমানসহ তিন শিক্ষককে পদাবনতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

আরও পড়ুন: সামিয়াসহ ঢাবির তিন শিক্ষকের পদাবনতি

বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সামিয়া রহমানকে সহযোগী অধ্যাপক থেকে নামিয়ে সহকারী অধ্যাপক করেছে। এছাড়া সামিয়ার গবেষণা প্রবন্ধের সহলেখক অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানকে শিক্ষা ছুটি শেষে চাকরিতে যোগদানের পর দুই বছর একই পদে থাকতে হবে।

শাস্তির সিদ্ধান্তে বলা হয়, ২০১৬ সালে সামিয়া ও মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্টাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। প্রবন্ধের প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা ছিল ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোর ‘দ্য সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধের হুবহু নকল।

এছাড়া একই সিন্ডিকেট সভায় পিএইচডি থিসিসে জালিয়াতির আরেক ঘটনায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষক ওমর ফারুকের ডিগ্রি বাতিলের পাশাপাশি তাকে সহকারী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে নামিয়ে দেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

স্কুল-কলেজ খুলছে ৩০ মার্চ

স্কুল-কলেজ খুলছে ৩০ মার্চ

স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্কুল প্রাঙ্গনে আবারও দেখা যাবে শিক্ষার্থীদের এমন লুটোপুটি। ছবি: সাইফুল ইসলাম

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে শেষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘৩০ মার্চ তারিখে খুলে দেব।’

করোনাভাইরাস সংকটের কারণে প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ থাকা দেশের সব স্কুল-কলেজ ৩০ মার্চ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

শনিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘প্রাথমিক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমরা ইনশাআল্লাহ আগামী মার্চ মাসের ৩০ তারিখে আমরা খুলে দেব।’

গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ধাপে ধাপে সাত দফা ছুটি বাড়ানো হয়েছে। সব শেষ সিদ্ধান্ত ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

স্কুল-কলেজ খোলার পর ক্লাস শুরুর প্রক্রিয়া কেমন হবে সেটাও জানালেন শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, ‘আমরা আগেও যেভাবে বলেছি যে, পর্যায়ক্রমে প্রাথমিকে পঞ্চম শ্রেণিকে হয়তো আমরা প্রতিদিন (ক্লাসে) আনব। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে দশম এবং দ্বাদশকে প্রতিদিন আনব।

‘বাকি ক্লাসগুলোতে হয়তো সপ্তাহে একদিন প্রথমে আসবে। তার কয়েকদিন পর থেকে তারা সপ্তাহে দুদিন করে আসবে। পর্যায়ক্রমে আমরা স্বাভাবিকের দিকে নিয়ে যাব।’

তবে আপাতত প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে না বলে জানালেন মন্ত্রী। বললেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিষ্কার পরিছন্নতা থেকে শুরু করে সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে নেয়া হয়েছে বলে জানালেন মন্ত্রী।

সকল শিক্ষক-কর্মচারীদের টিকা দেয়ার বিষয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগেই সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী মন্ত্রী।

‘প্রাথমিকের প্রায় দুই লাখ শিক্ষক ইতোমধ্যে প্রায় দেড় লাখ নিয়ে নিয়েছে।...স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে সহযোগিতায় অবশিষ্ট শিক্ষদের নিবন্ধনের মধ্যে দিয়ে টিকা নিশ্চিত করা হবে।’

এসএসসি-এইচএসসির জন্য সিলেবাস প্রণয়ন

শিক্ষামন্ত্রী জানালেন, যারা ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ৬০ কর্মদিবসের সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। আর এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ৮০ কর্মদিবসের সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে।

‘তাদের ৬০ ও ৮০ কর্মদিবসে ক্লাস করানোর জন্য আমরা চেষ্টা করব। তাদের সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাসে আনার চেষ্টা করব। আর বাকি ক্লাসগুলো হয়তো শুরুতে তারা একদিন আসবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও টিকা

শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২২০টা আবাসিক হল আছে। আবাসিক হলগুলোতে ছাত্র সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার। এসব শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার ব্যাপারে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগও হয়েছে।

‘আমরা প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির মাধ্যমে গত বুধবার চিঠি পাঠিয়েছি। তারা সকল আবাসিক ছাত্রের নাম ঠিকানাসহ ন্যাশনাল আইডি নম্বরসহ আমাদের কাছে তালিকা পাঠাবেন এটা শুধুমাত্র টিকার জন্য। সে তালিকা আমরা স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের কাছে পাঠাব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

‘শিক্ষার্থীরা যেখানেই থাকুক সেখান থেকেই তারা নিবন্ধন করতে পারবে এবং নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে পারবে। আমরা আশা করছি, ১৭ মে এর আগেই বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের এক লাখ ৩০ হাজার আবাসিক শিক্ষার্থীকে টিকা দিতে পারব।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ইঙ্গিত ছিল আগেই

এর আগে, ২২ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনা ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে স্কুল কলেজগুলোকে ক্লাস শুরুর প্রস্তুতি নির্দেশনা দেয়া হয়।

এরপর, ৩০ জানুয়ারি এইচএসসি ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসের করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আগামী মার্চ বা এপ্রিলের দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা এবং ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত হতে পারে।

‘করোনা ভাইরাস আমরা যেভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখছি, সবাই যদি আরেকটু মেনে চলেন আমরা এটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারব এবং খুব দ্রুতই আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিতে পারব। আমরা আশা করছি যে, হয়তো আগামী মার্চ-এপ্রিল, আমরা মার্চ মাসটা দেখব।’

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শনিবারের বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মান্নান, আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট আরও অনেকে।

শেয়ার করুন

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পেশাদারত্ব বজায় রাখার আহ্বান ইউজিসির

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পেশাদারত্ব বজায় রাখার আহ্বান ইউজিসির

করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ভার্চুয়ালি সম্মেলনটি শুরু হয়েছে। উদ্বোধনে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর।

করোনা মহামারির সময়ে মানব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পেশাদারত্ব বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

শনিবার ‘উন্নয়নশীল দেশসমূহে পৌর ও মানব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন ওয়েস্টসেফ-২০২১ উদ্বোধনে এমন আহ্বান জানান ইউজিসির সদস্য ও সম্মেলনের সভাপতি ড. মুহাম্মদ আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কারিগরি জ্ঞানের পাশাপাশি পেশাদার মনোভাব, জনসচেতনতা তৈরি এবং স্থানীয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিশ্রুতি জরুরি। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পেশাদারত্ব বজায় রাখা সম্ভব হলে এ ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে।’

করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ভার্চুয়ালি সম্মেলনটি শুরু হয়েছে। উদ্বোধনে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর।

প্রফেসর আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশসমূহের জন্য এই সম্মেলন সার্বিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশ-বিদেশের নবীন গবেষকদের উদ্ভাবন এই সম্মেলনে উন্মোচিত হবে।’

দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কৌশল, পরিবেশ ও আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট, কারিগরি বিষয়ে অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে নতুন নতুন কৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে সপ্তমবারের মতো সম্মেলনটি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

এ ছাড়া ওয়াটার এইডের রিজিওনাল ডিরেক্টর (সাউথ এশিয়া) ড. খাইরুল ইসলাম, জার্মানির বা’হস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর একার্ড ক্রাফ্ট, ইতালির প্যাডোভা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রাফায়েলো কসু ও প্রফেসর মারিয়া ক্রিস্টিনা লাভাগনলো এবং কুয়েটের উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন বক্তব্য দেন।

আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে পাঁচ দেশের ৭০ জন বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে ১০ সেশনে একটি থিম পেপার, চারটি কি-নোট পেপার ও ৩৫টি কারিগরি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে।

২০০৯ সাল থেকে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি দুই বছর পর পর কুয়েট ক্যাম্পাসে হবে।

শেয়ার করুন

যৌন হয়রানি: ৬ বছর নিষিদ্ধ রাবি শিক্ষক

যৌন হয়রানি: ৬ বছর নিষিদ্ধ রাবি শিক্ষক

যৌন হয়রানির দায়ে নিষিদ্ধ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক বিষ্ণু কুমার অধিকারী। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৯ সালের ২৫ ও ২৭ জুন বিষ্ণু কুমারের বিরুদ্ধে উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ দেন দুই ছাত্রী। অভিযোগ আমলে নিয়ে ওই বছরের ২ জুলাই তাকে ইনস্টিটিউটের সব একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক বিষ্ণু কুমার অধিকারীকে ছয় বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০৪তম সিন্ডিকেট সভায় শনিবার দুপুরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক আব্দুল আলিম নিউজবাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক বিষ্ণু কুমার অধিকারের বিরুদ্ধে যে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল, সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনাটির সত্যতা খুঁজে পেয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটে ওই শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে ৬ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আব্দুল আলিম আরও জানান, এই ছয় বছরে তিনি কোনো ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা নিতে পারবেন না।

২০১৯ সালের ২৫ ও ২৭ জুন বিষ্ণু কুমারের বিরুদ্ধে উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ দেন দুই ছাত্রী। অভিযোগ আমলে নিয়ে ওই বছরের ২ জুলাই তাকে ইনস্টিটিউটের সব একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

জগন্নাথ সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক লতিফুল, সচিব জোবায়ের

জগন্নাথ সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক লতিফুল, সচিব জোবায়ের

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক লতিফুল ইসলাম (বাঁয়ে), সদস্য সচিব আহসান জোবায়ের। ছবি: সংগৃহীত

জবিসাস কার্যনির্বাহী পরিষদের ২০১৯-২০ কমিটির মেয়াদ গত বছরের ১০ এপ্রিল শেষ হয়। সমিতির গঠনতন্ত্রের ধারা ৯ অনুযায়ী সাধারণ সভায় সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ওই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জবিসাস) আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে জবিসাস কার্যালয়ে সাধারণ সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।

সমকাল প্রতিনিধি লতিফুল ইসলামকে আহ্বায়ক ও ইত্তেফাক প্রতিনিধি আহসান জোবায়েরকে সদস্যসচিব করে চার সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। অন্য দুই সদস্য হলেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস প্রতিনিধি সাগর হোসেন ও ভোরের কাগজ প্রতিনিধি রকি আহমেদ।

লতিফুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে অনেক দিন আগে। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় নতুন কমিটি গঠনে বিলম্ব হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় আমরা এখনই নির্বাচন দিতে চাই। যোগ্যতার ভিত্তিতে নতুন নেতৃত্ব আসুক এটাই প্রত্যাশা।’

তিনি জানান, জবিসাস কার্যনির্বাহী পরিষদের ২০১৯-২০ কমিটির মেয়াদ গত বছরের ১০ এপ্রিল শেষ হয়। সমিতির গঠনতন্ত্রের ধারা ৯ অনুযায়ী সাধারণ সভায় সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ওই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে হচ্ছে আন্তর্জাতিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে হচ্ছে আন্তর্জাতিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম

শেষ দিনের অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের প্রধান ড. জহির বিশ্বাস একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গঠনের আহ্বান জানান। তার এই আহ্বানে তারা সবাই সম্মতি জানান। আশা করা হচ্ছে, সামনে মাসেই এই প্ল্যাটফর্ম গঠনের পর কার্যক্রমও শুরু হবে।  

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে।

বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, গ্রিস, ভারত, বুলগেরিয়া ও ইতালির প্রতিনিধিরা এতে রিসোর্স পারসন হিসেবে কাজ করবেন।

CUB-three-NB

‘একবিংশ শতাব্দীর ফিল্ম অ্যান্ড ডিজিটাল মিডিয়া’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক অনলাইন সম্মেলনের শেষ দিন তারা এ বিষয়ে সম্মত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবারের এই অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ড. ফসিউর রহমান।

CUB-two-NB

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের জমকালো এই আয়োজনের সঙ্গে ছিল কানাডার বিসিআই মিডিয়া।

এ আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার ছিল নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম

জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেকেই এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় তৃতীয় ও শেষ দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয়। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, গ্রিস, ভারত, বুলগেরিয়া ও ইতালির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন লেখক, প্রডিউসার, ডিরেক্টর, সাংবাদিক, মিউজিশিয়ানসহ ১৮ জন রিসোর্স পারসন।

শেষ দিনের অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের প্রধান ড. জহির বিশ্বাস একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গঠনের আহ্বান জানান। তার এই আহ্বানে তারা সবাই সম্মতি জানান। আশা করা হচ্ছে, সামনের মাসেই এই প্ল্যাটফর্ম গঠনের পর কার্যক্রমও শুরু হবে।

সম্মেলনে রিসোর্স পারসনরা তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ড. ফসিউর রহমানের স্বাগত বক্তব্যের পর ভারতের পরিচালক ও সিনেমাটোগ্রাফার ড. সেমিন বালাচন্দ্রন নাইর আলোচনা করেন ‘‌চেঞ্জিং প্যারাডাইম ইন ফিল্ম মেকিং’ নিয়ে।

এরপর পিয়ানো বাজিয়ে শোনায় গ্রিসের শিশুশিল্পী স্টেলিওস কেরাসিডিস, যে সুর মুগ্ধ করে সবাইকে।

স্টেলিওস কেরাসিডিসের বাবা ফোতিওস কেরাসিডিসও যুক্ত ছিলেন অনুষ্ঠানে। তিনি জানান, স্টেলিওস কেরাসিডিস মাত্র ছয় বছর বয়সেই পিয়ানো বাজিয়ে গ্রিসের গোল্ডেন ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিক অ্যাওয়ার্ড পায়।

CUB-three-NB

অনুষ্ঠানে প্যানেল মেম্বার হিসেবে আরও যুক্ত ছিলেন গ্রিক কবি প্যারিস কাটসিভেলোস, গ্রিস ইকুমেনিক্যাল ডেলফিক ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট পানোস কাল্টসিস এবং বিসিআই মিডিয়া কানাডার প্রতিনিধি রেনা টিরোজোউদি।

তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম।

দ্বিতীয় দিন ২৪ ফেব্রুয়ারি প্যানেল মেম্বার হিসেবে নিজ নিজ ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন বিটুবি গ্রোথপ্রো গ্রিসের ফাউন্ডার জন আসলানিস, গ্রিসের নিউরোসাইন্স রিসার্চার ও এডুকেটর রানিয়া লামপু, ইউরোপিয়ান জার্নালিস্ট ইউনিয়ন মেম্বার দিমিত্রিওস কানাভোস, গ্রিসের রেডিও প্রডিউসার ও সিনেমাটোগ্রাফার গ্রিগোরিস ভেরিওতিস এবং সাবেক ক্যামব্রিজ সিটি কাউন্সিলর ও মেয়র জর্জ পিপাস। তারা মিডিয়া, নেটওয়ার্কিং, মিউজিক ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেন।

সম্মেলনের প্রথম দিন ২৩ ফেব্রুয়ারি বিসিআই মিডিয়া কানাডার সভাপতি আনাস্তাসিও চ্যাটজিওফোনস, গ্র্যামি আওয়ার্ডের জুরি বোর্ড সদস্য লন্ডন মিউজিক পারফরম্যান্স একাডেমির পরিচালক স্টেফানিয়া পাসামন্টে, ফিল্ম ডিরেক্টর লেখক ও অভিনেতা স্ট্র্যাটিস প্যানওরিওস এবং বিসিআই মিডিয়া কানাডার সাংবাদিক ও কবি লেনা কায়রোপোওলিস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিজ নিজ ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

তারা মিডিয়া, নেটওয়ার্কিং, মিউজিক, থিয়েটার, চলচ্চিত্র, গোয়েন্দা কাহিনীসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে স্টেফানিয়া পাসামন্টের পিয়ানোর সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কবিতা শোনান আরেক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তারকা অভিনেতা স্ট্র্যাটিস প্যানওরিওস।

স্টেফানিয়া পাসামন্টে জানান, লন্ডন থেকে তিনি ইন্টারন্যাশনাল মিউজিক কনসার্ট শুরু করতে যাচ্ছেন, যেখানে বিশ্বব্যাপী একবিংশ শতকের ক্লাসিক্যাল মিউজিকের আদান-প্রদান হবে। সেখানে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা কোনো শিক্ষার্থী বিভিন্ন মাধ্যমের ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতের শিক্ষা নিতে পারবে। সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের সুযোগও রয়েছে।

সম্মেলনটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের প্রধান ড. জহির বিশ্বাস এবং গ্রিসের কবি ও সাংবাদিক মিসেস লেনা খিরোপাউলোস।

শেষ দিন ড. জহির বিশ্বাসের রচিত গ্রিক দর্শন ও মিথ কেন্দ্রিক ইংরেজি কবিতা ‘হু এম আই’ আবৃত্তি করে শোনান মিসেস লেনা।

শেয়ার করুন

‘তামাশা’ না করে হল খোলার দাবি ছাত্র ফ্রন্টের

‘তামাশা’ না করে হল খোলার দাবি ছাত্র ফ্রন্টের

আবাসিক হল খোলাসহ তিন দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।

নাসিরুদ্দিন প্রিন্স বলেন, ‘সরকারের উচিত ছিল শিক্ষার্থীদের ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে নেয়া যায় তার রোডম্যাপ তৈরী করা। কিন্তু সরকার একের পর এক শিক্ষার্থীবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। মে মাসে হল খোলার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়।’

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘তামাশা’ না করে দ্রুত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসিরুদ্দিন প্রিন্স।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাসিরুদ্দিন প্রিন্স বলেন, ‘সরকারের উচিত ছিল শিক্ষার্থীদের ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে নেয়া যায় তার রোডম্যাপ তৈরী করা। কিন্তু সরকার একের পর এক শিক্ষার্থীবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। মে মাসে হল খোলার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এর যেকোনো সিদ্ধান্ত কেবল একাডেমিক কাউন্সিল, সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্যরা বাতিল করতে পারে। কোনো মন্ত্রী এই ক্ষমতা রাখে না।’

সমাবেশে তিন দফা দাবিও জানায় ছাত্র ফ্রন্ট।

এগুলো হলো আবাসিক হল খুলে দেয়া, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা চালু করা এবং করোনাকালীন ফি না নেয়া ।

সমাবেশে ছাত্র ফ্রন্টের সদস্য সোহাইল আহমেদ শুভর সঞ্চালনায় বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ২০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg