করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত স্কুল খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, স্কুল বন্ধ থাকলেও এই সময়ে চালু থাকবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
সরকার প্রধান বলেন, করোনা ভাইরাসের হাত থেকে কখন যে সারা বিশ্ব মুক্তি পাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়। আমরা যখনই সিদ্ধান্ত নিলাম যে স্কুল খুলব তখনই আবার নতুন করে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আসলো।
‘কাজেই আমরা আমাদের ছেলে মেয়েদের কথা চিন্তা করেই আবার স্কুল খোলার জন্য ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছি। এর মধ্যে যদি অবস্থা ভালো হয় তাহলে খোলা হবে আর না হলে আমরা করব না। আমি মনে করি বিভিন্ন ডিজিটাল পদ্ধতিতে এ শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর পর দফায় দফায় বাড়ানো হয় ছুটির মেয়াদ।
পঞ্চম ধাপে ঘোষণা অনুযায়ী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তা শেষ হওয়ার আগেই ১৮ ডিসেম্বর নতুন ঘোষণায় ছুটি বাড়িয়ে করা হয় ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।
করোনার সংকটে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
‘দুর্ভাগ্যের বিষয় স্কুলগুলো বন্ধ, কলেজ ইউনিভার্সিটিগুলো বন্ধ রাখতে হচ্ছে। সেটাও একই কারণে। আমাদের ছেলে মেয়েরা যেন সংক্রমিত না হয় বা শিক্ষকরা সংক্রমিত না হয় বা অসুস্থ না হয়, করোনা ভাইরাস দ্বারা যেন আক্রান্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এ ব্যবস্থাটা নেয়া হচ্ছে। তারপরও বইগুলো আমরা হাতে তুলে দিচ্ছি এই কারণে যাতে আমাদের পাঠ্য কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।’
বই বিতরণে সমাবেশ নয়
করোনাভাইরাস ঝুঁকি এড়াতে সমাবেশ না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের মাঝে ভাগে ভাগে নতুন বই বিতরণের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।
বই বিতরণের সময় সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমি মনে করি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক সঙ্গে যেন বেশি সমাবেশ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে ভাগে ভাগে বইগুলো বিতরণ করাই ভালো। সবাই স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলুক এটাই আমরা চাই।’
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাও শুরু করেছি। আমরা শুধু প্রাথমিক পর্যায় না, একেবারে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত এই বই এবং বিভিন্ন বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিকে প্রায় ১০ কোটি ২৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৫৫ বই বিনামূল্যে বিতরণের পদক্ষেপ নেয়া করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত নৃগোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের নিজস্ব ভাষায় দেয়া হচ্ছে ২ লাখ ১৩ হাজার ২২৮টি বই। মাধ্যমিক স্তরে দেয়া হচ্ছে ২৪ কোটি ১০ লাখ ৭৯ হাজা ৮৫৭টি বই।
শিক্ষার্থীরা যেন নতুন বইয়ের আনন্দ পায় সেজন্য প্রতিবছর বই উৎসব করা হয় বলেও জানান সরকার প্রধান।
‘নতুন বই পেলে ভালোও লাগে। মলাটটা লাগাবে, নামটা লিখবে সুন্দরভাবে, দেখবে-পড়বে সেটাই একটা আলাদা আনন্দ। সেই আনন্দটাই যেন আমাদের ছেলেমেয়েরা পায় সেজন্যই আমরা প্রতি বছর ব্যবস্থা নেই।’
করোনার সময়ে শিক্ষার্থীদের ঘরবন্দি থাকার কষ্টটা বুঝতে পারছেন প্রধানমন্ত্রীও। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় সবচেয়ে কষ্ট পাচ্ছে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা। তার কারণ স্কুল ছাড়া ঘরে বসে থাকা অনেক কষ্টকর।
‘তারপরেও আমরা কিছু উদ্যোগ নিয়েছি, আমার ঘরে আমার স্কুল। অর্থাৎ আমরা যে ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি তার বদৌলতে এখন ঘরে বসে অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ হচ্ছে। তা ছাড়া সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম বিশেষ করে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম সেখানে প্রচার করা হচ্ছে। যার ফলে ছেলে মেয়েরা একেবারে শিক্ষা থেকে দূরে যাচ্ছে না।’
এ বছর প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত মোট চার কোটি ১৬ লাখ ৫৫ হাজার ২২৬ শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে ৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬২ হাজার ৪১২টি বই।
ক্লাস না হলেও পড়াশোনা চালাতে হবে
করোনায় ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেন, করোনায় ক্লাস করা যাচ্ছে না, কিন্তু পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। তাই ভর্তির ব্যবস্থাটাও নেয়া হচ্ছে।...আমরা চাই না আমাদের ছেলে মেয়েদের সময়টা নষ্ট হোক।’
দীর্ঘ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার বিরূপ প্রভাব যাতে শিক্ষার্থীদের মননে আঘাত না হানে সেজন্য মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলেও জানান সরকার প্রধান।
‘করোনার কারণে দীর্ঘ সময় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা বা অভিঘাত দেখা দিচ্ছে সেটা মোকাবিলারও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
‘এ জন্য শীর্ষস্থানীয় সাইকোলোজিস্টদের সঙ্গে আলোচনা করে কিভাবে আমাদের ছেলে মেয়েদের সহায়তা দেয়া যায়, কাউন্সিলিং করা যায় তার ব্যবস্থাটাও আমরা নিচ্ছি।’
শুধু পাঠ্যবই নয়
করোনায় ঘরবন্দি শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়ারও তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেন, আমি জানি ঘরে বসে থাকা অনেক কষ্টের। তারপরেও শুধু পাঠ্যবই নয়, এখন অনেক বই আছে যেগুলো পড়া যায়, পড়ার জন্য আমি অনুরোধ করব। সেই সঙ্গে একটু খেলাধুলাও করতে হবে।
‘যারা বাবা মা তাদের একটু অনুরোধ করব আপনারা বাচ্চাদের একটু সময় দেবেন। কারণ করোনা ভাইরাস আমাদের যেমন কষ্ট দিচ্ছে, আবার হাজার কাজের চাপেও ছেলেমেয়েদের নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন। এই সুযোগটার আপনারা সদ্ব্যবহার করবেন।
‘ছেলেমেয়েদের নিয়ে সময় কাটাবেন বা তাদেরকে একটু ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ যেন হয় অর্থাৎ খেলাধুলা সেগুলোও যেন করতে পারে, সে ব্যবস্থাটা নিতে হবে যাতে করে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যটা ভালো থাকে। এটা একান্তভাবে প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।’
মাস্ক পরুন
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার এবং মাস্ক পরার অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘সবাইকে আমি অনুরোধ করব, যেখানেই জনসমাগম বেশি বা মানুষ বেশি বা মানুষের সঙ্গে মিশতে গেলে তখন মাস্ক পরে থাকতে হবে।
‘কারণ এসব সুরক্ষা দেয় আমাদের। মাস্কটা পরা, হাত সাবান দিয়ে ধুয়া, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা করোনা থেকে আমাদের সুরক্ষা দেবে।’
পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রচুর ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘এখন যেমন শীতকাল বিভিন্ন ধরনের লেবু আছে কমলালেবুসহ এগুলো খাওয়া, ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া, সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া যায়, তবে তাকে ডিটেনশনে বা আইনের আওতায় আনা হবে। একইসঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল পেলে, ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কেন্দ্র প্রধানকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন আর নকল নেই, তবে নকলের রূপ পরিবর্তন হয়েছে। সেজন্য পুরোনো পরীক্ষা আইন পরিবর্তন করা হয়েছে।’
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। নকল-প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সেজন্য এখন পরীক্ষা আইনের পরিবর্তন করা হয়েছে।’
এসময় ঢাকা ৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান, সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের পাঁচটি শাখা ক্যাম্পাস পরিচালনার জন্য সরকারি কলেজের পাঁচজন শিক্ষককে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এর আগে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক তদারকি ও পরিচালনার জন্য দুই বছর মেয়াদি বিশেষ কমিটি গঠন করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (সরকারি কলেজ-১ শাখা) উপসচিব মো. আ. কদ্দুস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে শিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা দূর করতে প্রতিষ্ঠানটির মূল ক্যাম্পাসে বিদ্যমান প্রধান শিক্ষক ছাড়া বাকি ৫টি শাখার জন্য একজন করে পৃথক শাখা প্রধান হিসেবে স্ব-বেতনে প্রেষণে পদায়ন করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, হাজারীবাগ সরকারি কলেজের সংযুক্ত সহযোগী অধ্যাপক (বাংলা) মো. আব্দুল হালিমকে মূল বালক ক্যাম্পাসের (মনিপুর ৬০ ফিট রোড) শাখা প্রধান করা হয়েছে। কুমিল্লার দেবিদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (ব্যবস্থাপনা) মো. নজরুল ইসলামকে কলেজ ক্যাম্পাসের (রূপনগর আবাসিক এলাকা) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজের ইনসিটু সহযোগী অধ্যাপক (ইংরেজি) মোহাম্মদ আক্তার হোসেনকে রূপনগরের শাখা-১ ক্যাম্পাসে পদায়ন করা হয়েছে।
এ ছাড়া গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (রসায়ন) শেখ শাহরীয়ার হাসানকে ইব্রাহিমপুরের শাখা-২ ক্যাম্পাসে এবং টাঙ্গাইলের সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের সহকারী অধ্যাপক (দর্শন) মুহাম্মাদ নুর-এ-আলমকে শেওড়াপাড়ার শাখা-৩ ক্যাম্পাসের শাখা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে নতুন শাখা প্রধানদের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট শাখার আয়-ব্যয়ন কর্মকর্তা (ডিডিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট শাখার শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করবেন।
বিশ্বের সেরা ১০০ টেকসই বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান পেয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৬-এ বিশ্বের ১ হাজার ৬০৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডিআইইউ ৮৭তম স্থান অর্জন করেছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ রেটিং প্রকাশ করা হয়। ডিআইইউর এ অর্জন বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এসডিজি ১৭: পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস সূচকে ডিআইইউ বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টির উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সাফল্য এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন এসডিজি সূচকে ডিআইইউর অবস্থান হলো:
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অর্জন টেকসই উন্নয়ন, গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততায় ডিআইইউর দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এর ফলে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই উন্নয়নকেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।
এই সাফল্যের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং দেশি-বিদেশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, গবেষণা কার্যক্রম, শিল্পখাতের সহযোগিতা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততাই এ অর্জনের ভিত্তি তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিক গড়ে তোলা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।
ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, বর্তমান সময়ে নকলের ধরন ও রূপ পরিবর্তন হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুরোনো ‘পরীক্ষা আইন’ সংশোধন করে আরও কঠোর ও যুগোপযোগী করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে তাকে সরাসরি ডিটেনশন বা কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলের প্রমাণ মিললে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কেন্দ্র সচিবকেও রেহাই দেওয়া হবে না।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সভায় মন্ত্রী বলেন, নকল ও প্রশ্নফাঁস রোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে পূর্বের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে, যাতে যেকোনো ধরনের কারচুপি কঠোরভাবে দমন করা সম্ভব হয়।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা ও পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না এবং অপরাধীকে অবশ্যই আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। মতবিনিময় সভায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান এবং সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনের লক্ষে কেন্দ্র সচিবদেরও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন মন্ত্রী।
ছবি: সংগৃহীত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক সভায় এই সিদ্ধান্তটি অনুমোদিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে পাঠদানসহ সকল প্রকার একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। বিশেষ করে তাঁর গাওয়া গানগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এটি নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানায়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাহ আব্দুল করিম, জেমস এবং ফজলুর রহমান বাবুর মতো জনপ্রিয় শিল্পীদের গান গেয়ে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হন। ফেসবুকে তাঁর এই পরিবেশনাগুলো উল্লেখযোগ্য সাড়া পেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষক সুলভ আচরণ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে সিন্ডিকেট তাঁর বিরুদ্ধে অব্যাহতির এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ‘সিএসই রিসার্চ ডে ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে গবেষণা, প্রযুক্তি এবং কম্পিউটিংয়ের বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে দিনব্যাপী আলোচনা হয়। এতে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক এবং ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টরা।
গবেষণা ও গবেষকের এই মিলনমেলার আয়োজন করে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। কম্পিউটার সায়েন্সের গবেষণাকে কীভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত কর যেতে পারে এবং তা কীভাবে বাস্তব সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে রিসার্চ ডে’তে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এই আয়োজনটি শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা এতে বর্তমান গবেষণা ক্ষেত্র সম্পর্কে জানার সুযোগ পায়। সেই সাথে এই রিসার্চ ডে তাদের অ্যাকাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির বিশেষজ্ঞদেরকে কাছ থেকে শোনার সুযোগ করে দেয়। অ্যাকাডেমিক কাজ কীভাবে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে করা যায় সেটা সম্পর্কে তারা জ্ঞানলাভ করে।
অনুষ্ঠানে ছিল বিভিন্ন বিষয়ে প্যানেল আলোচনা, বিশেষজ্ঞ সেশন এবং কর্মশালা। আলোচনার বিষয়বস্তুর মধ্যে ছিল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, বায়োইনফরমেটিকস, ইউজেবল সিকিউরিটি, প্রাইভেসি, কম্পিউটার ভিশন, ইমেজ প্রসেসিং, রোবোটিকস, ব্লকচেইন, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, হিউম্যান-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশন এবং আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট।
দিনের শুরুতে ইন্টার ডিসিপ্লিনারি গবেষণা নিয়ে প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। কম্পিউটার সায়েন্সের টুলস ও পদ্ধতি কীভাবে জনস্বাস্থ্য, বায়োটেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে সেই বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। সেই সাথে জটিল বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সহযোগিতা কেন গুরুত্বপূর্ণ, সেটিও আলোচনায় উঠে আসে।
প্রজেক্ট, ইন্টার্নশিপ এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে একটি আলাদা সেশনে সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষক ও ইন্ডাস্ট্রির পেশাজীবীরা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের চর্চা, ইন্টার্নশিপের সুযোগ এবং অ্যাকাডেমিক প্রজেক্টকে কীভাবে পোর্টফোলিওতে উল্লেখ করার মতো কাজে রূপ দেওয়া যায়, তা নিয়ে কথা বলেন। এই সেশনে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ভাবনার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
অন্যান্য সেশনে শিক্ষার্থীরা ল্যাঙ্গুয়েজ টেকনোলজি, বায়োলজিক্যাল ডেটা, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, মানবকেন্দ্রিক নিরাপত্তা এবং প্রাইভেসি নিয়ে চলমান গবেষণা সম্পর্কে ধারণা পান।
আলোচনায় ইন্টেলিজেন্ট ভিজ্যুয়াল সিস্টেম, অটোনোমাস টেকনোলজি, সিকিউর কম্পিউটিং, ব্লকচেইন এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বিষয়ও উঠে আসে।
হিউম্যান-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশন এবং আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট ট্র্যাকের অধীনে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করা, গবেষণার ধারণা তৈরি করা এবং সেই ধারণা কীভাবে বাস্তব প্রকল্পে রূপ নিতে পারে সেটা নিয়ে আলোচনা হয়।
দিনের শেষ সেশনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং মেশিন লার্নিং নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচক ও শিক্ষার্থীরা এই সেশনে বর্তমান গবেষণার দিক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে ‘বেস্ট থিসিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ তুলে দেন। তিনি বলেন, এমন গবেষণা করা দরকার যা সমাজে পরিবর্তনে ইতিবাচক অবদান রাখে।
দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষক ও ইন্ডাস্ট্রি পেশাজীবীরা। তাদের মধ্যে ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন ড. সাদিয়া হামিদ কাজী। এছাড়াও ছিলেন ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের প্রফেসর এবং সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের ডিরেক্টর ড. মলয় কান্তি মৃধা; কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের ডেপুটি ডিরেক্টর ড. স্বাক্ষর শতাব্দ; প্রফেসর ড. তাইয়েবুল হক; প্রফেসর ড. ফরিদা চৌধুরী; প্রফেসর ড. মো. সাদেক ফেরদৌস; অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন; এবং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. ফারিগ ইউসুফ সাদেক।
ইন্ডাস্ট্রির পেশাজীবীদের মধ্যে বক্তব্য দেন গ্রামীণফোনের প্রজেক্ট ম্যানেজার হাবিব আল সাকি, টাইগারআইটি বাংলাদেশ লিমিটেডের সিনিয়র সলিউশন আর্কিটেক্ট জোবায়ের হাসান এবং ব্রেইন স্টেশন ২৩ পিএলসির সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির লেভেল-৬ এ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এই সমঝোতার মাধ্যমে একটি যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচর্য অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুম ইকবাল শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন শেকৃবি’র রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) কৃষিবিদ মোঃ নজরুল ইসলাম এবং ড্যাফোডিল এর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ নাদির বিন আলী । অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন এর কৃষি অনুষদ এর ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেকৃবি’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার, শেকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক অধ্যাপক ড. এফ. এম. আমিনুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আরফান আলী এবং এর সহকারী অধ্যাপক ড. এটিএম মাজহারুল মান্নান ও উসওয়াতুন হাসানা হাসি।
অনুষ্ঠানে শেকৃবি উপাচার্য এর উপ-উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগ পাবেন, যা কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
মন্তব্য