20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
মুক্ত হলেন নর্থ সাউথের উপাচার্য

সেমিস্টার ফি কমানোর দাবিতে নর্থ সাউথের শিক্ষার্থীদের অবস্থান। ছবি: নিউজবাংলা

মুক্ত হলেন নর্থ সাউথের উপাচার্য

করোনা পরিস্থিতির কারণে গত সেমিস্টারে ২০ শতাংশ ফি মওকুফ করা হলেও আগামী সেমিস্টারের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। তাই ক্ষুব্ধ হন শিক্ষার্থীরা। তারা ৩০ শতাংশ ফি মওকুফের দাবি জানাচ্ছে।

প্রায় চার ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপচার্য। রোববার রাত ৯টার দিকে বিক্ষোভ কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করেন আন্দোলকারীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, কাল সোমবার ১০টা থেকে আবারও কর্মসূচি পালন করা হবে।

টিউশন ফি ৩০ শতাংশ কমানোসহ আট দাবিতে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপচার্য ও কর্মকর্তাদের রোববার বিকেলে থেকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীরাও এই কর্মসূচিতে একাত্মতা জানায়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আন্দোলনকারীরা জানান, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে প্রায় সবাই আর্থিক সংকটে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে গত সেমিস্টারে ২০ শতাংশ টিউশন ফি মওকুফ করে নর্থ সাউথ কর্তৃপক্ষ।
নর্থ সাউথের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

কিন্তু, নতুন সেমিস্টার শুরু হওয়ার আগে আগে কোনো নোটিশ ছাড়াই এ সুবিধা বাতিল করে কর্তৃপক্ষ।

আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘চলতি মাসের ২২ তারিখে নতুন সেমিস্টারের ক্লাস শুরু হবে। তবে অক্টোবর ২ তারিখ পর্যন্ত টিউশন ফি দেয়া যাবে। কিন্তু মউকুফের সুবিধা পাব কিনা সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া দেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাই বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছি আমরা।

তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্র বলেন, ‘স্টুডেন্টস একটিভিটিসের নামে তারা সাড়ে ৯ হাজার টাকা নিয়ে থাকে। কিন্তু অনলাইন ক্লাসে সেই এক্টিভিটিগুলোতে তো আমরা নেই। আমরা ল্যাব ও লাইব্রেরি ব্যবহার না করলেও এ বাবদ ফি পরিশোধ করতে বলা হচ্ছে।’

‘আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে। তারা জানায়, ২২ অক্টোবর এই বিষয়ে জানানো হবে। ২২ তারিখ থেকে ক্লাস শুরু, তাহলে ২২ তারিখ কী জানাবেন তারা?’-বলেন ওই ছাত্র।
নর্থ সাউথের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

সাবেক শিক্ষার্থী সুমি বড়ুয়া বলেন, ‘এক ছোটভাইয়ের থেকে শুনলাম তার বাবা একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। গত কয়েক মাস ধরে বেতন থেকে একটা অংশ কেটে রাখা হচ্ছে। এমন অবস্থায় পুরো টিউশন ফি দেয়ার মত অবস্থা নেই। এগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য এক্সট্রা প্রেসার।’

ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুক্তারুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ছেড়েছে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য