শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আরও এক মাস

পুরান ঢাকার নারিন্দা কে এ হামিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি: সাইফুল ইসলাম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আরও এক মাস

করোনাভাইরাসে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

এর আগে বুধবার করোনাকালীন শিক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনলাইনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আরও এক মাস

সে সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেছিলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ছুটি বাড়ছে; ছুটি বাড়াতে তো হবেই। শিগগিরই তারিখটা জানিয়ে দেব।’

দীপু মনি জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দিক নির্দেশনা রয়েছে। খোলার পর কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে আক্রান্ত হলেও প্রতিষ্ঠানের দোষ দেয়া হবে। তাই শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার দিকে নজর দিচ্ছে সরকার।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে।

সূত্র: ইউএনবি

শেয়ার করুন

জাবিতে আগের নিয়মেই ভর্তি পরীক্ষা, বাড়ছে না ফি

জাবিতে আগের নিয়মেই ভর্তি পরীক্ষা, বাড়ছে না ফি

জাবির কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির মঙ্গলবারের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ভর্তি পরীক্ষা আগের নিয়মেই হবে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফিও আগের বছরের মতোই থাকবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগের নিয়মেই হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, যে ভর্তি পরীক্ষা আগের নিয়মেই হবে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফিও আগের বছরের মতোই থাকবে।’

পরীক্ষার তারিখের বিষয়ে তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ পরে নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে ভর্তি পরীক্ষায় দুই ধাপে বাছাই প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়টি। আবেদন ফরমের দামও বাড়ানো হয়েছিল। বিভিন্ন অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের ফর্মের দাম ৪০০ ও ৬০০ টাকা থেকে যথাক্রমে ৭৫৫ ও ১১৫৫ টাকা করা হয়।

এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পরে জরুরি বৈঠকে সিদ্ধান্ত স্থগিত করে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি। সিদ্ধান্ত স্থগিত করলেও কীভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে, সে বিষয়ে তখন কোনো ঐক্যমতে আসতে পারেননি কমিটির সদস্যরা। জানানো হয়েছিল, পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে।

শেয়ার করুন

‘সমস্যার সমাধান হতে পারে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা’

‘সমস্যার সমাধান হতে পারে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা’

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ছবি: নিউজবাংলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, ‘দুটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বে ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতারণার শিকার হয়েছে। ১৯৪৮ সালে একবার প্রতারণার শিকার হয় ফিলিস্তিন। তখন ইসরায়েল স্বীকৃতি পেলেও ফিলিস্তিন স্বীকৃতি পায়নি।

যেভাবে ইসরায়েল নামের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে, তেমনিভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলেই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বের স্থায়ী সমাধান হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আয়োজিত এক মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে মঙ্গলবার উপাচার্য এ কথা বলেন।

‘ফিলিস্তিনে ইসরাইলের চলমান গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিবাদে’ বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এই মানববন্ধন হয়েছে।

মানববন্ধনে উপাচার্য বলেন, ‘দুটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বে ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতারণার শিকার হয়েছে। ১৯৪৮ সালে একবার প্রতারণার শিকার হয় ফিলিস্তিন। তখন ইসরায়েল স্বীকৃতি পেলেও ফিলিস্তিন স্বীকৃতি পায়নি।

‘তখনই তাদের প্রতি বড় আকারের প্রতারণা করা হয়েছিল। দ্বিতীয়বার প্রতারণার শিকার হয়েছে ১৯৬৭ সালে। প্রতিটি ঘটনায় ফিলিস্তিন তার ভূমি হারিয়েছে। তার বিভিন্ন অঞ্চল ইসরায়েলি বাহিনী দখল করে নিয়েছে।’

এ ছাড়া দুটি বৈশ্বিক ফোরামের মাধ্যমেও ফিলিস্তিন প্রতারণার শিকার হয়েছিল বলে বক্তব্যে বলেন তিনি।

আখতারুজ্জামান বলেন, ‘ওআইসির মাধ্যমে ও জাতিসংঘের মাধ্যমেও ফিলিস্তিন প্রতারণার মিকার হয়। জাতিসংঘের মাধ্যমে যে প্রতারণার শিকার হয়েছিল সেটির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য৷

‘অন্যদিকে ওআইসি যে প্রতারণা করেছে তার পেছনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে মিশর, জর্ডান সৌদি আরব। এগুলো হলো ইতিহাসের আলোকে কিছু ধ্রুব সত্য। এর মাধ্যমে নারী শিশুসহ অনেক নিরীহ লোককে হত্যা করা হয়েছে, ক্রমান্বয়ে ফিলিস্তিনের ভূমি হাতছাড়া হয়েছে ইজরায়েলের হাতে। ফিলিস্তিনিরা হয়েছে বস্তুত পক্ষে বন্দি।’

ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীকে আর প্রতারণার শিকার না করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের উদাত্ত আহ্বান, আপনারা আর এই জনগোষ্ঠীকে প্রতরণার শিকার করবেন না৷ এই জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাধীন সার্বভৌম ভূমি প্রতিষ্ঠা করা খুবই জরুরি। সেটা নিঃসন্দেহে ১৯৬৭ সালের ম্যাপ নয়, ১৯৪৮ সালের ম্যাপ অনুযায়ী হওয়া বাঞ্ছনীয়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ঢাবির আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক রহমত উল্লাহ মানববন্ধনে সভাপতিত্বে করেন।

মানববন্ধনে সংহতি জানায় প্যালেস্টাইন স্টুডেন্টস ইউনিয়নের একজন প্রতিনিধি।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়ার সঞ্চলনায় মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, প্রক্টর অধ্যাপক ড এ কে এম গোলাম রাব্বানীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক বক্তব্য দেন।

শেয়ার করুন

জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস

জবিতে ছুটি বাড়ল, চলবে অনলাইন ক্লাস

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময়ে অনলাইন ক্লাস এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিসেবা (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা) চালু থাকবে এবং সরকারের জারি করা অন্যান্য নির্দেশনাও পালন করা হবে।

সারাদেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সরকারের দেয়া চলমান লকডাউনের সঙ্গে মিল রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) বন্ধের সময়কাল বাড়ানো হয়েছে।

তবে এ সময়ে অনলাইন ক্লাস এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিসেবা চালু থাকবে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে ১৬ মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্যের আদেশক্রমে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানের সই করা এ বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময়ে অনলাইন ক্লাস এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিসেবা (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা) চালু থাকবে এবং সরকারের জারি করা অন্যান্য নির্দেশনাও পালন করা হবে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, সরকারের কঠোর বিধিনিষেধের পরিপ্রেক্ষিতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

‘আপাতত ২৩ মে পর্যন্ত দপ্তরগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে, আর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি ক্লাস-পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে ২৯ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঈদের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সব বিভাগে ক্লাস চালু ছিল তারা পুনরায় অনলাইনে ক্লাস নিতে পারবে।’

শেয়ার করুন

টিকা দিয়েই খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

টিকা দিয়েই খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ভ্যাকসিন আসতেছে। কলেজ, ইউনিভার্সিটি বা ছেলেমেয়েদের যদি ভ্যাকসিনেটেড করে ফেলতে পারি, তাহলে ইনশাল্লাহ তাড়াতাড়ি স্কুল-কলেজ খোলা সম্ভব হবে।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে ভাবছে সরকার।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

হলগুলো সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘গভর্নমেন্ট ইন্সট্রাকশন দিয়ে দিয়েছে, ইউনিভার্সিটি বা কলেজের যে হোস্টেলগুলো আছে সেগুলোতে অলরেডি ৪০টার মতো রিপেয়ার শুরু হয়ে গেছে।’

যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসব কাজ শেষ করার নির্দেশনা আছে বলেও জানান সচিব।

এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শুরু হয় মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক। ভার্চুয়াল বৈঠকে গণভবন থেকে যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সচিবালয় থেকে যুক্ত ছিলেন মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা।

টিকা দিয়েই খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পেতে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করে বাংলাদেশ। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী টিকা দিতে ব্যর্থ হয় সিরাম।

এরপর বিকল্প টিকার সন্ধানে নামে সরকার। এ নিয়ে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছে। চীন থেকে টিকা কেনার বিষয়ে অনেকটা এগিয়েছে সরকার।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ভ্যাকসিন আসতেছে। কলেজ, ইউনিভার্সিটি বা ছেলেমেয়েদের যদি ভ্যাকসিনেটেড করে ফেলতে পারি, তাহলে ইনশাল্লাহ তাড়াতাড়ি স্কুল-কলেজ খোলা সম্ভব হবে।’

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ২৯ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।

সরকারের আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৩ মে থেকে স্কুল-কলেজ খোলার কথা ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা ২৪ মে। কিন্তু দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হয়েছে সরকারকে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

এরপর থেকে দফায় দফায় বাড়ানো হয় ছুটির মেয়াদ।

তবে সবশেষ ঘোষণায় বলা হয়েছিল, ২৩ মে থেকে শুরু হতে পারে পাঠদান। তা আর হলো না। ছুটির মেয়াদ বাড়ল আরও একদফা।

টিকা সংকটের বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নজরে আনা হলে তিনি বলেন, এসব বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানাবে। তিনি আরও বলেন, ‘গুড প্রগ্রেস আছে।’

শেয়ার করুন

পিরোজপুরে হবে বঙ্গবন্ধুর নামে বিশ্ববিদ্যালয়

পিরোজপুরে হবে বঙ্গবন্ধুর নামে বিশ্ববিদ্যালয়

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে ভাসমান পেয়ারা বাজার। ছবি: ফেসবুক

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘পিরোজপুরের সদর উপজেলায় এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য এক বা একাধিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে।’  

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে পিরোজপুরে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। এর আগে ১১ জানুয়ারি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর আইন, ২০২১ নামে আইনটির খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘পিরোজপুরের সদর উপজেলায় এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য এক বা একাধিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে।’

তিনি জানান, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুসরণ করে নতুন এই আইন করা হচ্ছে। খসড়াটি এখন আইন মন্ত্রণালয়ে যাচাইবাছাই শেষে পাস করাতে সংসদে পাঠানো হবে।

বাংলাদেশে ১৫৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে, এরমধ্যে ৪৬টি সরকারি এবং ১০৭টি বেসরকারি। এদের মধ্যে চারটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে।

শেয়ার করুন

খুলছে না বিশ্ববিদ্যালয়-কওমি

খুলছে না বিশ্ববিদ্যালয়-কওমি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে চলমান কোভিড-১৯ অতিমারিতে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, কিন্ডারগার্টেন ও প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পর এবার ছুটি বাড়ানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও কওমি মাদ্রাসারও। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২৯ মে পর্যন্ত।

রোববার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে চলমান কোভিড-১৯ অতিমারিতে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তবে এ সময় অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের মার্চ থেকে ছুটি ঘোষণা করা হয় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এর মধ্যে দফায় দফায় বেড়েছে ছুটির মেয়াদ।

এর আগে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, আগামী ১৭ মে থেকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হল খুলে দেয়া হবে। আর বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে ২৪ মে।

তবে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য টিকা নিশ্চিত করতে না পারায় গত ২৯ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায় আবাসিক হল ১৭ মে খোলা সম্ভব নয়।

শেয়ার করুন

কিন্ডারগার্টেন-প্রাথমিকেও বাড়ল ছুটি

কিন্ডারগার্টেন-প্রাথমিকেও বাড়ল ছুটি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, ছুটির সময়টাতে নিজেদের ও অন্যদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের পর কিন্ডারগার্টেন ও সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ছুটি বাড়িয়েছে সরকার।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে রোববার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছুটির সময়টাতে নিজেদের ও অন্যদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আরও বলা হয়েছে, প্রাধনমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারি করা নির্দেশনা ও অনুশাসন শিক্ষার্থীদের মেনে চলতে হবে।

শিক্ষার্থীদের নিজ ঘরে থাকার বিষয়টি অভিভাবকদের নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তা নিশ্চিত হয়েছে কি না, স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণ করবে।

শিক্ষার্থীরা ঘরে থেকে নিজ পাঠ্যবই অধ্যয়ন করছে কি না সে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নিশ্চিত করতেও মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরও এক দফা বাড়িয়েছে সরকার। শনিবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৯ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সরকারের আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৩ মে থেকে স্কুল-কলেজ খোলার কথা ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা ২৪ মে। কিন্তু দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হলো সরকারকে।

দেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে দফায় দফায় বাড়ানো হয় ছুটির মেয়াদ। তবে সবশেষ ঘোষণায় বলা হয়েছিল, ২৩ মে থেকে শুরু হতে পারে পাঠদান। তা আর হলো না। ছুটির মেয়াদ বাড়ল আরও এক দফা।

শেয়ার করুন