× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Why trust and robust ecosystems are needed not just transactions
google_news print-icon
বাংলাদেশের ডিজিটাল বাণিজ্যের আগামী দশক

কেন শুধু লেনদেন নয়, প্রয়োজন আস্থা ও শক্তিশালী ইকোসিস্টেম

কেন-শুধু-লেনদেন-নয়-প্রয়োজন-আস্থা-ও-শক্তিশালী-ইকোসিস্টেম
ছবি: সংগৃহীত

এক দশক আগেও বাংলাদেশের খুচরা বাণিজ্যে ই-কমার্স ছিল একটি সীমিত পরিসরের ধারণা। আজ এটি ধীরে ধীরে দেশের খুচরা বাণিজ্য অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হচ্ছে। তবে এই পরিবর্তন রাতারাতি ঘটেনি। এর পেছনে রয়েছে লজিস্টিকস, গ্রাহক সুরক্ষা, বিক্রেতা সক্ষমতা উন্নয়ন, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং প্রযুক্তিনির্ভর নানা ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ- যেসব বিষয় সাধারণত চোখে পড়ে না, কিন্তু সেগুলো ব্যর্থ হলে তার প্রভাব গ্রাহকরা সঙ্গে সঙ্গেই অনুভব করেন।

বাংলাদেশের বৃহত্তম ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস হিসেবে দারাজ এই পরিবর্তনের যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে এই গল্প কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের আকার বা ব্যবসায়িক সাফল্যের নয়; বরং এমন এক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার, যা ডিজিটাল বাণিজ্যের টেকসই বিকাশকে সম্ভব করে।

গত এক দশকে বাংলাদেশের ভোক্তাদের মধ্যে অনলাইন কেনাকাটার প্রতি আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে দেশের খুচরা বাণিজ্যের প্রায় ৩ শতাংশ আসে ই-কমার্স থেকে- বৈশ্বিক মানদণ্ডে সংখ্যাটা হয়তো তেমন বড় নয়, কিন্তু ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে এটি একটি মৌলিক আচরণগত পরিবর্তনের প্রতিফলন। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের ই-কমার্স বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫০ কোটি ডলারে, আর বছরে ১২ শতাংশের বেশি হারে বেড়ে ২০২৯ সাল নাগাদ তা ১,২৪৪ কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই পরিসংখ্যানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এর পেছনে থাকা মানুষগুলো, প্রথমবারের মতো অনলাইনে কেনাকাটা করা লাখো ক্রেতা, নতুন উদ্যোক্তাদের হাজারো গল্প, আর ডিজিটাল লেনদেনের সঙ্গে ক্রমেই সহজ হয়ে ওঠা একটি অর্থনীতি।

অনলাইন বাণিজ্যের মূল ভিত্তি হলো আস্থা। আর সেই আস্থা তৈরির জন্য গ্রাহক সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই দারাজ মার্কেটপ্লেসের নির্বাচিত পণ্যের জন্য ১৪ দিনের রিটার্ন সুবিধা চালু করেছে। অতীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতার কারণে এখনও অনেক গ্রাহকের মধ্যে অনলাইন কেনাকাটা নিয়ে কিছুটা সংশয় কাজ করে। দীর্ঘতর রিটার্ন সুবিধা সেই উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে এবং গ্রাহকদের জন্য একটি বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এটি প্রমাণ করে যে গ্রাহক সুরক্ষা কোনো অতিরিক্ত সুবিধা নয়, বরং অনলাইন কেনাকাটার অভিজ্ঞতার একটি মৌলিক উপাদান।

আস্থার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পণ্যের সত্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা। এ ক্ষেত্রে দারাজমল একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দারাজমলের মাধ্যমে গ্রাহকরা যাচাইকৃত ব্র্যান্ড ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে পণ্য কেনার সুযোগ পান। বিশেষ করে বিউটি, ইলেকট্রনিকস, ফ্যাশন ও লাইফস্টাইলের মতো ক্যাটাগরিতে, যেখানে নকল বা ভুলভাবে উপস্থাপিত পণ্য নিয়ে উদ্বেগ থাকে, সেখানে যাচাইকৃত বিক্রেতা ও ব্র্যান্ড গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত নিশ্চয়তা তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দারাজমল ব্যাজটি শুধু একটি পরিচয়চিহ্ন নয়, বরং আস্থা ও নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক হয়ে উঠছে।

তবে কেবল আস্থা দিয়েই ই-কমার্সের বিকাশ সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী লজিস্টিকস ব্যবস্থা। ভৌগোলিক বৈচিত্র্য, জনঘনত্ব এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জের কারণে বাংলাদেশে ডেলিভারি ও ফুলফিলমেন্ট এখনো ডিজিটাল বাণিজ্যের অন্যতম জটিল ক্ষেত্র। বর্তমানে দারাজ দেশের ৬৪টি জেলায় পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ডিজিটাল ট্র্যাকিং, কালেকশন পয়েন্ট, আধুনিক পণ্য ব্যবস্থাপনা এবং দ্রুত ডেলিভারি মডেলের মতো উদ্যোগগুলো অনলাইন কেনাকাটাকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলছে। দ্রুত ও সময়মতো পণ্য পৌঁছানো শুধু গ্রাহকের সুবিধাই বাড়ায় না, বরং অনলাইন কেনাকাটার প্রতি দীর্ঘমেয়াদি আস্থা তৈরি করে।

ই-কমার্স ইকোসিস্টেমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বিক্রেতারা। ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। এখন একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাও নিজস্ব শোরুম বা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শাখা না খুলেই সারা দেশের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে পারেন।

এ লক্ষ্যেই দারাজ ইউনিভার্সিটির মাধ্যমে বিক্রেতাদের পণ্য তালিকাভুক্তকরণ, অর্ডার ব্যবস্থাপনা, গ্রাহকসেবা, প্রচারণা পরিচালনা এবং ডিজিটাল ব্যবসার বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কারণ অনেক উদ্যোক্তার জন্য এটি কেবল অফলাইন থেকে অনলাইনে স্থানান্তরের বিষয় নয়; বরং সম্পূর্ণ নতুন এক ব্যবসায়িক বাস্তবতার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া।

বিক্রেতাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দারাজের ভূমিকা শুধু প্রশিক্ষণে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ, ডিজিটাল মার্কেটিং সহায়তা, সার্চ ভিজিবিলিটি, ভার্চুয়াল বান্ডলিং এবং তথ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক বিশ্লেষণসহ নানা ধরনের টুলস ও সুবিধা উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে সহায়তা করছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য এসব সুবিধা প্রবৃদ্ধির পথে থাকা নানা বাধা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের উদ্যোক্তা উন্নয়নে ই-কমার্সের এটি অন্যতম বড় অবদান।

একই সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে গ্রাহকদের কেনাকাটার অভ্যাসও। ১১.১১-এর মতো বড় ক্যাম্পেইনগুলো এখন দেশের অন্যতম বড় শপিং ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। তবে বর্তমান গ্রাহকরা শুধু বড় ডিসকাউন্ট ক্যাম্পেইনের অপেক্ষায় থাকেন না; তারা প্রতিদিনের কেনাকাটায়ও ভালো মূল্য ও নির্ভরযোগ্য সেবা প্রত্যাশা করেন।

এ কারণেই দারাজ চয়েসের আওতায় এভরিডে লো প্রাইস (ইডিএলপি) চ্যানেলের মতো উদ্যোগগুলো ক্রমশ গুরুত্ব পাচ্ছে। যখন গ্রাহকরা প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পণ্য প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে এবং দ্রুত ডেলিভারির মাধ্যমে পেতে শুরু করেন, তখন ই-কমার্স আর কেবল বিশেষ উপলক্ষের কেনাকাটার মাধ্যম থাকে না; বরং দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ওঠে।

দারাজের অবদান শুধু বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দারাজ ফিউচার লিডারস প্রোগ্রাম (ডিএফএলপি) দেশের তরুণদের ডিজিটাল ব্যবসায় নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করছে। অন্যদিকে নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন আর কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা নিশ্চিতে দারাজের নিবেদিত উদ্যোগ 'ডিউমেন' গড়ে তুলছে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এক কর্মপরিবেশ।

ডিজিটাল বাণিজ্য সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, মার্কেটিং, ডেটা অ্যানালিটিকস, পেমেন্ট, কমপ্লায়েন্স ও কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্সের মতো ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা আরও বাড়বে। তাই ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ তৈরি করাও শিল্পখাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আগামী দশকের প্রতিযোগিতা শুধু কে সবচেয়ে বেশি পণ্য বিক্রি করবে, তার ওপর নির্ভর করবে না। বরং নির্ভর করবে কে সবচেয়ে শক্তিশালী আস্থার ভিত্তি, সেবার মান, বিক্রেতা সক্ষমতা এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে তার ওপর।

দারাজের লক্ষ্যও সেই বৃহত্তর ভিত্তি নির্মাণে অবদান রাখা- শুধু একটি মার্কেটপ্লেস হিসেবে নয়, বরং একটি ইকোসিস্টেম নির্মাতা হিসেবে।

বাংলাদেশের জন্য ই-কমার্স ভবিষ্যতে কেবল একটি কেনাকাটার মাধ্যমের চেয়েও অনেক বেশি কিছু হয়ে উঠতে পারে। এটি স্থানীয় ব্যবসাকে বৃহত্তর বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারে এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মানসম্মত পণ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে পারে।

ভিত্তি ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে। এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি, দায়িত্বশীলতা এবং ধৈর্যের সঙ্গে সেই ভিত্তির ওপর ভবিষ্যতের ডিজিটাল বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
27th AGM of Mutual Trust Bank held

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ২৭তম এজিএম অনুষ্ঠিত

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ২৭তম এজিএম অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব করা হয়, যা সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের সম্মতিক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে।

অনুষ্ঠানে এমটিবি’র পরিচালক, মোঃ আব্দুল মালেক-এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন এমটিবি’র পরিচালকবৃন্দ, খাজা নারগীছ হোসেন, ড্যানিয়েল ডি ল্যাঞ্জ (নরফান্ড কর্তৃক মনোনীত), স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ, ড. মোহাম্মদ তারেক, চেয়ারম্যান, বোর্ড অডিট কমিটি, শিব নারায়ন কৈরী এবং জেরিন মাহমুদ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ডিএমডি ও কোম্পানী সেক্রেটারী, রেইস উদ্দীন আহমেদ, ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারগণ।

সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্তভাবে এই স্টক ডিভিডেন্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Walton Cables Annual Dealer Conference 2026 held at Srimangal

শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত

শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

‘রাইজ টুগেদার’ স্লোগানে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো দেশের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল খাতের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওয়ালটন ক্যাবলসের তিন শতাধিক ডিলার বা পরিবেশক ও বিক্রয় প্রতিনিধি অংশ নেন। সম্মেলনে ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি ও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে বিক্রয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকল্পে বাজার গবেষণা, সময়োপযোগি বিপণন ও ব্যবসায়িক কলাকৌশল নিয়ে পরিবেশকদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে সময় পরিবেশকগণ দেশের প্রতিটি বাড়িতে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের ওয়ালটন ক্যাবলস পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বুধবার (১৫ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলের পাঁচতারকা হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানে ওয়ালটন ক্যাবলসের ‘বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬’ এর উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম এবং পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি।

সম্মেলনে পরিবেশকগণের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আপনারা হচ্ছেন ওয়ালটন ক্যাবলসের বড় শক্তি। আপনাদের মাধ্যমে ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বমানের ও নিরাপদ ক্যাবলস গ্রাহকদের কাছে যেমন পৌঁছে যাচ্ছে, তেমনি ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ারও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি ও সুসংহত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, নিরাপদ আবাসস্থল ও স্থাপনার ক্ষেত্রে ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স পণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ব্যবসার পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আবাসস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, অফিস-আদালত সর্বত্র নিরাপদ স্থাপনার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ওয়ালটন আন্তর্জাতিকমানের নিরাপদ ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

ওয়ালটনের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি বলেন, আপনাদের (পরিবেশক) অক্লান্ত শ্রম ও প্রচেষ্টায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন ক্যাবলস। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ওয়ালটন ক্যাবলস এখন ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইয়েমেন, নেপাল, ভূটানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এসময় তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে ওয়ালটন ক্যাবলসের ব্যাপক ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবেশকদের পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, ইভা রিজওয়ানা ও মো. ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন ক্যাবলসের চিফ বিজনেস অফিসার রাজু আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও সঞ্চালনায় ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।

সম্মেলনে অংশ নিতে সারাদেশ থেকে আসা ওয়ালটন ক্যাবলসের পরিবেশকদের পদচারণায় উৎসবে রূপ নেয় হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানের আঙ্গিনা। সন্ধ্যায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে সারা রাত। সম্মেলনে চলতি বছর ওয়ালটন ক্যাবলস বিক্রয়ে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ অবদান রাখায় অর্ধ-শতাধিক পরিবেশককে পুরস্কৃত করা হয়। ছিলো র‌্যাফেল ড্র। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Guidance meeting on monitoring pending cases in Agrani Bank

অগ্রণী ব্যাংকে বিচারাধীন মামলাসমূহ মনিটরিং বিষয়ক দিকনির্দেশনা সভা

অগ্রণী ব্যাংকে বিচারাধীন মামলাসমূহ মনিটরিং বিষয়ক দিকনির্দেশনা সভা ছবি: সংগৃহীত

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র বিচারাধীন মামলাসমূহের নিয়মিত মনিটরিং এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ল’ ডিভিশনের উদ্যোগে প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক দিকনির্দেশনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

একই সঙ্গে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সারাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

১৫ জুলাই ২০২৬ (বুধবার) অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (অডিট ও আইন অনুবিভাগ) আবু সালেহ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁ, এনডিসি।

সভাপতিত্ব করেন অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসুমা আলম, মো. আবুল বাশার ও রূবানা পারভীন। সভায় মহাব্যবস্থাপক (ল’) মোহাম্মদ ফজলুল করিম এবং চিফ ল’ অফিসার মশিউর রহমান চৌধুরীসহ প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকগণ, সার্কেল প্রধান, অঞ্চল প্রধান, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং সারাদেশের শাখা প্রধান ও ব্যবস্থাপক এবং মামলা পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
BAT Bangladesh was recognized as the top employer for the seventh time

সপ্তমবারের মত ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ

সপ্তমবারের মত ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ ছবি: সংগৃহীত

মানবসম্পদ কৌশল নিয়ে কাজ করা বিশ্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠান 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' থেকে টানা সপ্তমবার ‘টপ এমপ্লয়ার’স্বীকৃতি পেল ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ।

বিশ্বব্যাপী মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও কর্মপরিবেশে উৎকর্ষ মূল্যায়নের জন্য পরিচিত 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল কৌশল, কর্মপরিবেশ, মেধাবী কর্মী নিয়োগ, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি এবং কর্মীদের কল্যাণসহ নানা বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন করে থাকে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএটি দাবি করছে, মূল্যায়নে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে তারা সকল বিভাগেই ‘শীর্ষ স্কোরপ্রাপ্তদের অন্যতম’ ছিল।

বিএটি বাংলাদেশের হেড অব ট্যালেন্ট, কালচার অ্যান্ড ইনক্লুশন রাইয়ান আহমেদ বলেন, “টপ এমপ্লয়ার সনদ আমাদের নীতি ও কার্যপ্রণালীগুলোকে একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডের বিপরীতে মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে।

“একই সঙ্গে এটি আমাদের আরও এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে, যাতে আমরা আমাদের কর্মীদের যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে কীভাবে সহায়তা করছি, তা ধারাবাহিকভাবে পর্যালোচনা, পরিমার্জন ও আরও শক্তিশালী করতে পারি।”

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Dhaka Regencys special package for grand weddings

জমকালো বিয়ের আয়োজনে ঢাকা রিজেন্সির বিশেষ প্যাকেজ

জমকালো বিয়ের আয়োজনে ঢাকা রিজেন্সির বিশেষ প্যাকেজ ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের মৌসুম কিংবা বছরের যেকোনো সময়ে স্বপ্নের আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে আকর্ষণীয় ওয়েডিং প্যাকেজ ও এক্সক্লুসিভ অফার দিচ্ছে পাঁচতারকা হোটেল ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। বিয়ের পাশাপাশি গায়ে হলুদ, মেহেদি সন্ধ্যা, বৌভাত, জন্মদিন কিংবা কর্পোরেট অনুষ্ঠানের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু, সুস্বাদু ক্যাটারিং এবং পেশাদার সেবা নিয়ে প্রস্তুত হোটেলটি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সিলভার, গোল্ড ও প্রিমিয়াম— এই তিন ধরনের ওয়েডিং প্যাকেজের পাশাপাশি কমপ্লিমেন্টারি ভেন্যু, ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, আকর্ষণীয় সাজসজ্জা এবং কমপ্লিমেন্টারি রুমসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা রিজেন্সির ১৪ তলায় অবস্থিত ৫,৭২১ বর্গফুটের ‘সেলিব্রেশন হল’-এ একসঙ্গে প্রায় ৫০০ অতিথি বসার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি বহুল জনপ্রিয় রুফটপ গার্ডেন রেস্টুরেন্ট ‘গ্রিল অন দ্য স্কাইলাইন’ এবং আরও ৬টি সুসজ্জিত ব্যাংকোয়েট হল রয়েছে, যা ছোট-বড় সব ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী। বিশেষ করে ছোট হলরুমগুলোতে ৫০ জনের বেশি মানুষের সমাগম সম্ভব, যা ছোট পরিসরে বিয়ের আয়োজন, জন্মদিন উদ্‌যাপন, সংবাদ সম্মেলন কিংবা কর্পোরেট মিটিংয়ের জন্য বেশ মানানসই। হোটেলের অভিজ্ঞ কর্মীরা বসার সুব্যবস্থা থেকে শুরু করে ক্যাটারিং পর্যন্ত প্রতিটি সেবা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে নিশ্চিত করে থাকেন।

বিয়ের অতিথিদের জন্য রুম বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি নবদম্পতিদের জন্য রয়েছে বিশেষ হানিমুন স্টে প্যাকেজ। বুফে ব্রেকফাস্টসহ হানিমুন প্যাকেজের মূল্য ১৪,৯৯৯ টাকা এবং বুফে ব্রেকফাস্ট ও বুফে ডিনারসহ হানিমুন প্রিমিয়াম স্টে প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯,৯৯৯ টাকা। যারা নিখুঁত ভেন্যুর সন্ধান করছেন, তারা বুকিং বা বিস্তারিত তথ্যের জন্য +৮৮০১৭১৩৩৩২৫১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে অথবা তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ভিজিট করতে পারেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Business review meeting of Sonali Bank in Tangail

টাঙ্গাইলে সোনালী ব্যাংকের ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা

টাঙ্গাইলে সোনালী ব্যাংকের ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ছবি: সংগৃহীত

সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের আয়োজনে ব্যাংকের আওতাধীন বিভিন্ন শাখা ও টাঙ্গাইল করপোরেট শাখার প্রধানদের নিয়ে এক ব্যবসায়িক পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের সম্মেলন কক্ষে এই সভা হয়।

সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং সামগ্রিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এস. এম. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার’স (জিএম) অফিস, ঢাকা নর্থের জিএম ইনচার্জ মোহাম্মদ ইসমাইল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন জিএম অফিস ঢাকা নর্থের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ফেরদৌস সেরনিয়াবাত এবং টাঙ্গাইল করপোরেট শাখা প্রধান মোহাম্মদ মতিউর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রিন্সিপাল অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও এর নিয়ন্ত্রণাধীন ১৬টি শাখার প্রধান এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Board meeting of Islami Bank was held

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন।

এ সময় ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আলতাফ হুসাইন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমানসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

p
উপরে