কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের ফলে বিশ্ববাজারে মেমোরি চিপের তীব্র সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই সংকটের সুযোগে চিপের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের মুনাফায় এক অভাবনীয় উল্লম্ফন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৮ গুণ বাড়তে পারে। মূলত বিশ্বজুড়ে এআই অবকাঠামো তৈরির হিড়িক চিপ নির্মাতাদের জন্য এক নতুন স্বর্ণযুগের সূচনা করেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই প্রান্তিকে স্যামসাংয়ের পরিচালন মুনাফা হতে পারে প্রায় ৮৬ লাখ কোটি উওন। ৩০ জন বিশ্লেষকের মতামতের ভিত্তিতে এলএসইজি স্মার্টএস্টিমেট এই তথ্য জানিয়েছে। গত বছরের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা ছিল মাত্র ৪ লাখ ৭০ হাজার কোটি উওন। অর্থাৎ এবার প্রতিষ্ঠানটি মুনাফার দিক থেকে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। মূলত বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অবকাঠামো তৈরিতে চিপের যে বিপুল চাহিদা তৈরি হয়েছে, বৈশ্বিক নির্মাতারা সেই অনুপাতে সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারছেন না। মেমোরি চিপের এই দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতিই স্যামসাংয়ের মুনাফা বাড়ার মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্যামসাংয়ের এই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পেছনে শুধু আধুনিক হাই-ব্যান্ডউইথ মেমোরি (এইচবিএম) ভূমিকা রাখেনি; বরং প্রথাগত ড্র্যাম (DRAM) এবং ন্যান্ড (NAND) পণ্যের চাঙ্গা চাহিদাও বড় অবদান রেখেছে। সিটি রিসার্চের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ড্র্যাম এবং ন্যান্ড চিপের গড় বিক্রয়মূল্য যথাক্রমে ৪৪ শতাংশ ও ৫৩ শতাংশ বেড়েছে। এনভিডিয়া, গুগল এবং অ্যাপলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর চিপ সরবরাহের প্রধান অংশীদার হওয়ায় স্যামসাং এই পরিস্থিতির পুরো সুবিধা নিতে পারছে। চিপের এই রমরমা ব্যবসার প্রভাবে স্যামসাং, এসকে হাইনিক্স ও মাইক্রোনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে এবং এদের প্রত্যেকের বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
ব্যবসায়িক পরিস্থিতি বেশ চাঙ্গা থাকা সত্ত্বেও কিছু অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ বিভাগের কর্মীদের জন্য বড় অংকের বোনাস ঘোষণা করায় স্যামসাংয়ের চূড়ান্ত মুনাফার হিসেবে কিছুটা তারতম্য হতে পারে। গত মে মাসে কর্মীদের সাথে হওয়া এক চুক্তি অনুযায়ী, চিপ বিভাগের পরিচালন মুনাফার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বোনাস হিসেবে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া মেমোরি চিপের দাম বাড়ায় স্যামসাংয়ের নিজস্ব স্মার্টফোন তৈরির উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে, যা মোবাইল ফোন বিভাগের মুনাফার হার বা মার্জিন কমিয়ে দিয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বছরের শেষার্ধে হ্যান্ডসেটের দাম আরও বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে বাজার বিশ্লেষকেরা এআই অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের স্থায়িত্ব নিয়ে কিছুটা সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বিনিয়োগকারীদের বড় একটি অংশ এখন দেখতে চাচ্ছেন যে, এআই সেবার অগ্রগতি সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর রাজস্ব বৃদ্ধিতে সরাসরি কতটা ভূমিকা রাখছে। তবে আপাতত চিপের বাজার চাঙ্গা থাকার ইঙ্গিতই মিলছে। জাপানি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নোমুরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে চিপের দাম আরও ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্যামসাং ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বড় ক্রেতার সাথে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সম্পন্ন করেছে, যা তাদের ব্যবসায়িক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ছবি: সংগৃহীত
নতুন দুটি বিক্রয়কেন্দ্র চালুর কথা জানিয়েছে শিল্পগোষ্ঠী আরএফএলের স্পোর্টস চেইন শপ ‘দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারি’।
সম্প্রতি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সদরে এবং সিলেট নগরীর উপশহরে বিক্রয়কেন্দ্র দুটি উদ্বোধন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল উপস্থিত থেকে বিক্রয়কেন্দ্র দুটি উদ্বোধন করেন। সেখানে মিলবে বিভিন্ন ধরনের বাইসাইকেল, বাইসাইকেল এক্সেসরিজ, ফিটনেস সামগ্রী, ক্রিকেট ও ফুটবল খেলার নানা ধরনের সরঞ্জাম, ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬-এর অফিসিয়াল ফুটবল, জার্সি, ফুটবল বুটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী।
অনুষ্ঠানে আর এন পাল বলেন, “দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারির মূল লক্ষ্য হলো দেশব্যাপী মানসম্মত ও আধুনিক স্পোর্টস ও ফিটনেস পণ্য সহজলভ্য করা। আমরা বর্তমানে আমাদের পণ্যের একটি বড় অংশ দেশেই উৎপাদন করছি এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করছি, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
“তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অন্যান্য নেতিবাচক প্রভাব থেকে দূরে রাখতে এবং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত কাজ ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই আমরা চাই, দেশের আরও বেশি তরুণ খেলাধুলা ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হোক।”
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারি’র বিজনেস হেড সিরাজুল গনি মঞ্জু, হেড অব সেলস কামাল হোসেন, ব্র্যান্ড ম্যানেজার আসিফ আবদুল্লাহ।
ছবি: সংগৃহীত
ভ্রমণ, সংস্কৃতি ও রন্ধনশিল্পের সমন্বয়ে অতিথিদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করতে বরাবরই কাজ করে যাচ্ছে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেল। সেই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর আতিথেয়তা ও রন্ধনশিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করতে আগামী ৯ জুলাই থেকে হোটেলটির অল-ডে ডাইনিং রেস্টুরেন্ট ‘বাহার’-এ শুরু হচ্ছে ‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমৃদ্ধ খাদ্য ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই বিশেষ উৎসব চলবে আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত।
আয়োজকরা জানান, রেনেসন্স হোটেলের মূল দর্শনই হলো অতিথিদের জন্য এমন অভিজ্ঞতা তৈরি করা। যা ভ্রমণ, সংস্কৃতি ও মানুষের মধ্যে নতুন সংযোগের অনুপ্রেরণা জোগায়। শুধু খাবার পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাদকে অতিথিদের সামনে তুলে ধরতে নিয়মিতভাবে নানা থিমভিত্তিক ডাইনিং আয়োজন করে থাকে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান। এভাবেই হোটেলটি রাজধানীর অন্যতম প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল গন্তব্য হিসেবে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে।
‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বিভিন্ন আসিয়ান দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতিতে ফিতা কাটার মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম প্রতিনিধি, ইনফ্লুয়েন্সার এবং ফুড ব্লগাররাও অংশ নেবেন।
হোটেলটির অল-ডে ডাইনিং রেস্টুরেন্ট ‘বাহার’ ইতোমধ্যে নান্দনিক পরিবেশ, আধুনিক নকশা এবং সৃজনশীল থিমভিত্তিক আয়োজনের জন্য ভোজনরসিকদের কাছে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রেস্টুরেন্টটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন দেশের খাদ্যসংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে পরিবেশ, সাজসজ্জা, লাইভ কুকিং স্টেশন এবং মেনুতে নতুনত্ব নিয়ে আসে। প্রতিটি আয়োজন এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়, যাতে অতিথিরা শুধু খাবারের স্বাদই নয়, সেই দেশের সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার আবহও অনুভব করতে পারেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৈচিত্র্যময় রন্ধন ঐতিহ্যকে সামনে রেখে এবার সাজানো হয়েছে বিশেষ এই বুফে। থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়া, লাওস, মিয়ানমার ও ব্রুনেইর জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ মেনু।
মেনুতে থাকছে ফ্লেভারসমৃদ্ধ স্যুপ, বিভিন্ন ধরনের সালাদ, লাইভ সাতে ও সি-ফুড গ্রিল, সিগনেচার কারি, নুডলস ও রাইস স্পেশালিটি, জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড, ঐতিহ্যবাহী ডেজার্ট এবং ট্রপিক্যাল পানীয়। রেনেসন্সের অভিজ্ঞ শেফদের পরিবেশনায় প্রতিটি পদে ফুটে উঠবে আসিয়ান অঞ্চলের স্বকীয়তা, ঐতিহ্য এবং আতিথেয়তার উষ্ণতা।
আগামী ৯ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার এই বিশেষ আয়োজন উপভোগ করা যাবে। জনপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯৫০ টাকা (নেট)। এছাড়া নির্বাচিত ব্যাংকের কার্ডধারী, জিপি স্টার, বাংলালিংক অরেঞ্জ ক্লাব, রবি এলিট সদস্য এবং গ্রুপ বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়ের সুবিধা থাকছে।
বিস্তারিত তথ্য ও টেবিল বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করা যাবে +৮৮০ ১৭০ ৪১১ ২৬৪৬ এবং +৮৮০ ১৭০ ৪১১ ২৬৪৮ নম্বরে।
আয়োজকদের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রন্ধনশৈলী ও সংস্কৃতিকে এক ছাদের নিচে অতিথিদের সামনে তুলে ধরার যে অঙ্গীকার রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেল ধারণ করে, ‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’ তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। এই আয়োজনের মাধ্যমে রাজধানীর ভোজনরসিকরা শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৈচিত্র্যময় খাবারের স্বাদই পাবেন না, একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং আন্তরিক আতিথেয়তারও অনন্য অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।
ছবি: সংগৃহীত
কখনো অফিস ডেস্কে, কখনো কফিশপের টেবিলে, আবার কখনো বিশেষ মুহূর্তের কোনো ছবিতে একটি স্মার্টফোন অনেক সময় অজান্তেই হয়ে ওঠে পুরো দৃশ্যের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তাই এখন এটি শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; বরং ব্যক্তিগত রুচি, স্টাইল ও ব্যক্তিত্বের প্রকাশ। এ কারণেই প্রযুক্তিগত সক্ষমতার পাশাপাশি স্মার্টফোনের ডিজাইনও এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এই পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখে গ্লোবাল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো নিয়ে আসছে নতুন ভিভো ওয়াই৫০০। আধুনিক ডিজাইন ও প্রিমিয়াম ফিনিশের সমন্বয়ে তৈরি এই স্মার্টফোনটি যেমন দেখতে আকর্ষণীয়, তেমনি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্যও উপযোগী।
প্রথম দেখাতেই নজর কাড়বে ভিভো ওয়াই৫০০-এর ডিজাইন। মহাকাশযানের পোর্টহোল থেকে অনুপ্রাণিত নেব্যুলা উইন্ডো ক্যামেরা মডিউল ডিজাইন ফোনটির পেছনের অংশে যোগ করবে এক ভিন্ন মাত্রা। ডুয়াল-প্লেটিং প্রসেসে তৈরি মেটালিক ফ্রেম ও সাটিন ম্যাট ব্যাক প্যানেল শুধু প্রিমিয়াম লুকই দেবে না, বরং আরামদায়ক গ্রিপের পাশাপাশি দৈনন্দিন ব্যবহারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও দাগও কম পড়বে।
ভিভো ওয়াই৫০০ আসছে দুটি আকর্ষণীয় রঙে- পার্ল হোয়াইট ও মিডনাইট ব্লু। পার্ল হোয়াইটের কোমল আভা ও সূক্ষ্ম ঝিলিক ফোনটিকে দেবে পরিচ্ছন্ন ও মার্জিত একটি লুক। অন্যদিকে, রাতের আকাশের গভীরতা থেকে অনুপ্রাণিত মিডনাইট ব্লু প্রকাশ করবে আধুনিক ও আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্ব। এছাড়া, ৯৪.৪৭ শতাংশ স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও সমৃদ্ধ আল্ট্রা-থিন বেজেলের ডিসপ্লের সাথে প্রায় ফুল-স্ক্রিন ভিউয়িং অভিজ্ঞতা দেবে এবং ফোনটির আকর্ষণীয় ডিজাইনকে আরও ফুটিয়ে তুলবে।
অফিস, ক্যাফে কিংবা প্রতিদিনের নানা মুহূর্তে ভিভো ওয়াই৫০০ সহজেই হয়ে উঠতে পারে স্টাইলের একটি অংশ। এটি শুধু একটি স্মার্টফোন নয়, বরং নিজের ব্যক্তিত্ব ও রুচি প্রকাশেরও একটি মাধ্যম।
আসন্ন এই উন্মোচনকে আরও বিশেষ করে তুলতে জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড মিনিসোর সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে ভিভো। এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে আগামী ৮ জুলাই থেকে ভিভো ওয়াই৫০০ প্রি-বুক করলে ক্রেতারা পাবেন আকর্ষণীয় পেনপেন ডল, একটি আকর্ষণীয় ফোন কভার এবং এক্সক্লুসিভ স্টিকার। ফলে নিজের পছন্দমতো ফোনকে সাজিয়ে নেওয়া যাবে।
নজরকাড়া ডিজাইন, আকর্ষণীয় রং, প্রিমিয়াম ফিনিশ এবং মিনিসোর সাথে বিশেষ এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ভিভো ওয়াই৫০০ স্টাইল, সৃজনশীলতা ও দৈনন্দিন ব্যবহারিকতার এক নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসতে প্রস্তুত।
ছবি: সংগৃহীত
ইউজারদের খাবারের এক্সপেরিয়েন্সকে আরও সহজ করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় অন-ডিমান্ড ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পাঠাও অফিশিয়ালি চালু করেছে একটি নতুন ফিচার ‘Far Away Favorites’। এর মাধ্যমে এখন থেকে পুরো ঢাকা শহরের ফুড লাভাররা তাদের নিয়মিত ডেলিভারি এলাকার বাইরে অবস্থিত দূরবর্তী রেস্টুরেন্ট থেকেও পছন্দের খাবার অর্ডার করতে পারবেন। এই দারুণ ফিচারটি দূরত্বের প্রচলিত বাধা দূর করে গ্রাহকদের শহরের যেকোনো প্রান্তের জনপ্রিয় সব খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে; একই সাথে দূরবর্তী পার্টনার রেস্টুরেন্টগুলোর জন্যও তৈরি করছে আয়ের এক বিশাল সম্ভাবনা।
বসুন্ধরায় থেকে আপনার খেতে ইচ্ছে করতে পারেই গুলশানের সেই বিখ্যাত কাবাব। দূরত্ব বেশি হওয়ায় এতদিন যা অসম্ভব ছিল, এই নতুন ফিচারটি এখন সেই রেস্টুরেন্টের খাবারও আপনার দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে । এর মানে হলো, রেস্টুরেন্টটি শহরের অন্য প্রান্তে হলেও এখন আর আপনাকে পছন্দের খাবার থেকে বঞ্চিত হতে হবে না; ঘরে বসেই আপনি উপভোগ করতে পারবেন শহরের সেরা সব রেস্টুরেন্টের স্বাদ।
এই নতুন ফিচারটি পাঠাও-এর পার্টনার রেস্টুরেন্টগুলোর জন্য নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি করে তাদের ব্যবসা বৃদ্ধিতে একটি শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। নিয়মিত ডেলিভারি সীমা পেরিয়ে যাওয়ার সুবিধা থাকায়, রেস্টুরেন্টগুলো এখন খুব সহজেই সম্পূর্ণ নতুন এলাকার কাস্টমারদের কাছে পৌঁছাতে পারবে। ফলে তাদের ব্র্যান্ডের পরিচিতি যেমন বাড়বে, ঠিক তেমনি অর্ডারের সংখ্যা ও সামগ্রিক ব্যবসার পরিধিও আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পাবে।
ইউজারদের জন্য এই সেবাটি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ। পাঠাও ফুড অ্যাপের ভেতরেই অংশ নেওয়া রেস্টুরেন্টগুলোর নামের পাশে ‘Extra Mile Delivery’ লেবেলটি স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই নিয়মিত ডেলিভারি সীমার বাইরের রেস্টুরেন্টগুলো শনাক্ত করে অর্ডার করতে পারবেন এবং পাঠাও ফুডের একই সহজ ও নির্ভরযোগ্য অর্ডারিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন। ।
দূরত্ব, রাইডারের চাহিদা এবং রেস্টুরেন্টের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে এই অর্ডারগুলোর ডেলিভারি সময় ও ফি কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে, অর্ডার কনফার্ম করার আগেই অ্যাপ স্ক্রিনে আনুমানিক ডেলিভারি সময় এবং চূড়ান্ত ডেলিভারি ফি ইউজারদের স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দেওয়া হবে।
এই উদ্যোগটি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একদিকে যেমন গ্রাহকদের সামনে খাবারের আরও বেশি অপশন তুলে ধরছে, অন্যদিকে পার্টনার রেস্টুরেন্টগুলোর কাস্টমার রিচ বাড়াতে সাহায্য করছে, যা ফুড ডেলিভারির এক্সপেরিয়েন্সকে আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে পাঠাও ফুড-এর চলমান প্রতিশ্রুতিরই একটি প্রতিফলন। ডেলিভারির পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটি গ্রাহক এবং ব্যবসায়ী উভয় পক্ষের জন্যই দারুণ ভ্যালু তৈরি করছে।
এই ফিচারের আওতায় অর্ডারের ক্ষেত্রে ইউজাররা সম্পূর্ণ নিরাপদ ডিজিটাল প্রি-পেমেন্ট সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। একটি নির্বিঘ্ন অভিজ্ঞতার জন্য এই ফিচারে ‘পাঠাও পে’ (Pathao Pay)-কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে; তবে গ্রাহকেরা চাইলে অ্যাপে থাকা অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করেও সহজে অর্ডার কনফার্ম করতে পারবেন। এছাড়া, কোনো কারণে ডেলিভারির আগেই অর্ডার বাতিল হয়ে গেলে পাঠাও-এর স্ট্যান্ডার্ড পলিসি অনুযায়ী গ্রাহকেরা টাকা ফেরত পেয়ে যাবেন।
ছবি: সংগৃহীত
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি জেনএক্স হেলথ লিমিটেড-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এ উপলক্ষে ব্যাংকের করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সম্পর্কিত এক চুক্তি স্বাক্ষর করে উভয় প্রতিষ্ঠান।
এই চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংকের নীরা গ্রাহক, কার্ডহোল্ডার এবং কর্মীরা জেনএক্স হেলথ লিমিটেড-এর বিভিন্ন সেবা গ্রহণে বিশেষ ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন, যা তাদের লাইফস্টাইল অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর এসইভিপি ও হেড অব লাইয়াবিলিটি অ্যান্ড ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট শায়লা আবেদীন এবং জেনএক্স হেলথ লিমিটেড-এর ডা. মুনিয়া আমিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর উইমেন ব্যাংকিং নীরা’র বিজনেস ডেভলপমেন্ট ও প্রিপোজিশন ম্যানেজার ফাতেমা আক্তার নাজ; জেনএক্স হেলথ লিমিটেড-এর ডেপুটি ম্যানেজার (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড এডমিন) কাজী আরিফুল ইসলাম; অ্যাসিস্টেন্ট ম্যানেজার (বিজনেজ ডেভলপমেন্ট) আব্দুল্লাহ ইউসুফ সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ছবি: সংগৃহীত
বর্তমান বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টর ও মেমোরি চিপের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার ফলে স্মার্টফোন বাজারে বাড়ছে খরচ, বাড়ছে দামের চাপ। যার ফলে অনেক দেশে বাড়ছে স্মার্টফোনের দাম। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশেও জুলাই থেকে কর পরিবর্তনের কারণে স্মার্টফোনের বাজারে দাম বাড়তে পারে। যেখানে অন্য স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে , সেখানে এআই-চালিত গ্লোবাল প্রিমিয়াম স্মার্ট ইকোসিস্টেম ব্র্যান্ড টেকনো হাঁটছে ভিন্ন পথে। দেশের আরও বেশি মানুষের হাতে উন্নত প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে টেকনো ১ জুলাই থেকে ক্যামন ও পোভা সিরিজের দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
৩০ জুন কর ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং বিশ্বজুড়ে চিপ, প্রসেসর, মাদারবোর্ড ও ব্যাটারির মতো প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের দাম বাড়তে থাকায় অনেক কোম্পানি এখন ফোনের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছে।
গ্রাহকদের এই বাড়তি চাপ থেকে স্বস্তি ও উন্নত প্রযুক্তি সহজলভ্য করতে, ১ জুলাই থেকে টেকনোর প্রিমিয়াম সিরিজের ফোন মিলবে আরও কম দামে। এর মধ্যে অতি জনপ্রিয় একটি ডিভাইস হলো ক্যামন ৫০। ক্যামন ৫০ (২৫৬+৮ জিবি) এর আগে দাম ছিলো ৩৮,৯৯৯ যা এখন পাওয়া যাবে ৩৬,৯৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য) এবং ক্যামন ৫০ (১২৮+৮ জিবি) এর আগের দাম ছিলো ৩৪,৯৯৯ বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ৩১,৯৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য) যার ফলে সবার জন্য ফ্লাগশিপ মানের ক্যামেরার অভিজ্ঞতা হবে আরও সহজলভ্য। এই অফারটি সীমিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য।
অনেকে যখন বৈশ্বিক খরচ বৃদ্ধির এবং স্থানীয় বাজারের চাপের কারণে স্মার্টফোনের দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, টেকনো একটি ভিন্ন পথে যাচ্ছে। নির্বাচিত ডিভাইসের দাম কমিয়ে, ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য উদ্ভাবনী প্রযুক্তি আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছে। জুলাই মাস থেকে সম্ভাব্য দাম পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে, টেকনো -এর এই সিদ্ধান্ত দেখায় যে, উদ্ভাবন, পারফরম্যান্স এবং মান বজায় রেখে অতিরিক্ত খরচ সরাসরি গ্রাহকের ওপর চাপানো ছাড়াই ব্যবসা করা সম্ভব।
ছবি: সংগৃহীত
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড সম্প্রতি ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে, যার অধীনে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং বার্জার ফসরক লিমিটেড ৪৫ তলা উচ্চতার বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ভবন টিএ টাওয়ার এবং কোম্পানির আসন্ন ও চলমান আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্পগুলোর জন্য সম্পূর্ণ কোটিং ও রঙ সম্পর্কিত সমাধান প্রদান করবে, যা বিশ্বমানের গুণমান, স্থায়িত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদী কার্যকারিতা নিশ্চিত করবে। । এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ও ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেড দেশের রিয়েল এস্টেট শিল্পের একটি আইকনিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে যাচ্ছে।
সমঝোতা স্মারকে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী, চিফ অপারেটিং অফিসার অ্যান্ড ডিরেক্টর এবং ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন রবিউল হক, ম্যানেজিং ডিরেক্টর। চুক্তিটি ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের কর্পোরেট অফিসে স্বাক্ষরিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, "বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভবন টিএ টাওয়ারের মতো একটি আইকনিক প্রকল্পে ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে আমরা গর্বিত। বার্জার সবসময় আধুনিক নির্মাণ শিল্পের চাহিদা পূরণে বিশ্বমানের কোটিং সল্যুশন প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের সমাধান ভবনের সৌন্দর্য, সুরক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করবে।"
অনুষ্ঠানে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন একেএম সাদেক নেওয়াজ- চিফ বিজনেস অফিসার; শাব্বীর আহমাদ- জেনারেল সেলস ম্যানেজার – কর্পোরেট সেলস অ্যান্ড সার্ভিস; আসাদুর রহমান- হেড – কর্পোরেট সেলস; মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির- এরিয়া ম্যানেজার – কর্পোরেট সেলস; এবং রাবাত হোসেন- টেরিটরি ম্যানেজার – কর্পোরেট সেলস, । ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, তানভীর রেজা- চেয়ারম্যান; মো: নূরুল হুদা- ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো: অহিদুল ইসলাম তালুকদার (অব:)- এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর; ফাহাদ আল রহমান সুহাস- ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (পারচেজ, প্রোকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিকস); এবং মো. রাজিব খন্দকার- অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (কনস্ট্রাকশন)।
মন্তব্য