× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Six months of turmoil in the global economy have more difficult challenges ahead
google_news print-icon

বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতার ছয় মাস, সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ

বিশ্ব-অর্থনীতিতে-অস্থিরতার-ছয়-মাস-সামনে-আরও-কঠিন-চ্যালেঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাস (জানুয়ারি-জুন) বিশ্ব অর্থনীতি ও আর্থিক বাজারের জন্য ছিল এক চরম অস্থিরতার সময়। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘাত, অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অভাবনীয় উত্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর মুদ্রানীতি—এই তিন শক্তির লড়াইয়ে ওলটপালট হয়ে গেছে বৈশ্বিক শেয়ারবাজার, মুদ্রাবাজার এবং পণ্যবাজার। নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে গত ছয় মাসে এশিয়ার আর্থিক খাতের এই উত্থান-পতনের নেপথ্য চিত্র।

মধ্যপ্রাচ্য সংকট জ্বালানি তেলের অস্থিরতা


চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে। বিশ্ববাজারে পরিবাহিত তেলের এক-চতুর্থাংশ যে পথ দিয়ে যায়, সেই কৌশলগত ‘হরমুজ প্রণালি’ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়। যুদ্ধ শুরুর আগে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৬৫ ডলার, যা যুদ্ধের শিখর সময়ে ১১৯ ডলারে পৌঁছে যায়। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১২৬ ডলার ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির নতুন রেকর্ড তৈরি করে। তবে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সাময়িক শান্তি চুক্তির ফলে বর্তমানে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের কাছাকাছি স্থিতিশীল হয়েছে।

এআই বিপ্লব: প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির রক্ষাকবচ


যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যেও এশিয়ার প্রযুক্তি খাতের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এআই প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের ফলে মেমোরি চিপ ও সেমিকন্ডাক্টরের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়। এই প্রবণতার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী ছিল দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও জাপান। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার এসকে হাইনিক্সের উত্থান ছিল বিস্ময়কর; প্রতিষ্ঠানটি বাজারমূল্যে একসময় টেক জায়ান্ট স্যামসাংকেও ছাড়িয়ে গিয়ে বিশ্বের অন্যতম দামী কোম্পানিতে পরিণত হয়। জাপানের কিওক্সিয়া হোল্ডিংসও এ সময় রেকর্ড মুনাফা অর্জন করে। ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি, তাইওয়ানের তাইএক্স ও জাপানের নিক্কেই সূচক প্রথমার্ধে একাধিকবার ঐতিহাসিক রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

শেয়ারবাজার মুদ্রাবাজারে মুদ্রার উল্টো পিঠ


প্রযুক্তি খাতে রেকর্ড গড়লেও সামগ্রিক বাজারে ছিল মিশ্র চিত্র। প্রথমার্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজার থেকে প্রায় ৮ হাজার ১০০ কোটি ডলারের বিদেশী বিনিয়োগ বেরিয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় ধস নেমেছে ইন্দোনেশিয়ায়; দেশটির প্রধান শেয়ারবাজার সূচক ৩০ শতাংশের বেশি কমেছে। এমএসসিআই ইন্দোনেশিয়ার রেটিং কমিয়ে দেওয়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কে শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন।

মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের আগ্রাসী অবস্থানের কারণে এশিয়ার মুদ্রাগুলো খাদের কিনারে গিয়ে ঠেকেছে। ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর পরিবর্তে বাড়ানোর আশঙ্কায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ডলার শক্তিশালী হয়েছে। এর ফলে জাপানি ইয়েন ১৯৮৬ সালের পর সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে (প্রতি ডলারে ১৬২ ইয়েন) পৌঁছেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ওন ১৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। থাইল্যান্ডের বাত, ফিলিপাইনের পেসো ও ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়াহও ডলারের বিপরীতে নজিরবিহীন চাপের মুখে পড়েছে।

স্বর্ণ বন্ডবাজারের অস্থিরতা


২০২৬ সালের শুরুতে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দাম ট্রয় আউন্সপ্রতি রেকর্ড ৫ হাজার ৫০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং উচ্চ সুদহারের কারণে পরবর্তীতে স্বর্ণের চাহিদা কমতে থাকে। গত সপ্তাহে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে আসে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ছিল বড় এক ধাক্কা। অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা এবং বিভিন্ন দেশের বাজেট ঘাটতির ফলে সরকারি বন্ডের সুদহার বা ইল্ড ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।


অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের পরবর্তী ছয় মাসেও বাজারের অস্থিরতা কমার লক্ষণ নেই। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, এআই খাতের নতুন বিনিয়োগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের আগে ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত সিদ্ধান্তই হবে আগামীর মূল চালিকাশক্তি। ফলে এশিয়ার দেশগুলোকে মুদ্রার মান রক্ষা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। প্রযুক্তির জয়গান থাকলেও যুদ্ধের ছায়া থেকে এখনো মুক্ত হতে পারেনি বৈশ্বিক আর্থিক খাত।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
A glimmer of hope is returning to garment agriculture exports worth and42 billion in June

জুনে ৪২০ কোটি ডলারের রপ্তানি, পোশাক-কৃষিপণ্যে ফিরছে আশার আলো

জুনে ৪২০ কোটি ডলারের রপ্তানি, পোশাক-কৃষিপণ্যে ফিরছে আশার আলো ছবি: সংগৃহীত

বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও আন্তর্জাতিক বাজারের নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও জুন মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ বেড়েছে। তৈরি পোশাক, কৃষিপণ্য, হোম টেক্সটাইল এবং চামড়াজাত পণ্যের শক্তিশালী রপ্তানি প্রবৃদ্ধি এ সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ ৪২০ কোটি ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। ২০২৫ সালের একই মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৩৩৩ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে প্রায় ৮৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বরাবরের মতোই এগিয়ে রয়েছে তৈরি পোশাক খাত। জুন মাসে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৩৩৮ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে নিটওয়্যার থেকে এসেছে ১৮৪ কোটি ১ লাখ ডলার এবং ওভেন পোশাক থেকে ১৫৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার।

পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য রপ্তানি খাতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। হোম টেক্সটাইল খাতে রপ্তানি আয় প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৫১ লাখ ডলারে। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয়ও ৪৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষিপণ্যের রপ্তানিতে এসেছে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। গত বছরের তুলনায় ৪৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে এ খাতে আয় হয়েছে ৮ কোটি ৯৬ লাখ মার্কিন ডলার। আন্তর্জাতিক বাজারে তাজা সবজি, ফল, মসলা, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যের চাহিদা বাড়ায় এ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তবে পুরো অর্থবছরের চিত্রে সামান্য নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত মোট রপ্তানি হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। বছরের প্রথম দিকের কয়েক মাসে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জের কারণে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশিত ছিল না। তবে অর্থবছরের শেষ মাসে শক্তিশালী পুনরুদ্ধার রপ্তানি খাতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হোম টেক্সটাইলসহ মোট ২৭ ধরনের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।

রপ্তানিকারক ও অর্থনীতিবিদদের মতে, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাজারে নতুন ক্রয়াদেশ বৃদ্ধি, উৎপাদন সক্ষমতার উন্নতি এবং বিকল্প বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ জুন মাসের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তারা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয় আরও শক্তিশালী হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Prime Bank and Car House Imports sign agreement to provide exclusive car services to customers

গ্রাহকদের গাড়ির এক্সক্লুসিভ সার্ভিস দিতে প্রাইম ব্যাংক ও কার হাউজ ইমপোর্টস-এর চুক্তি সই

গ্রাহকদের গাড়ির এক্সক্লুসিভ সার্ভিস দিতে প্রাইম ব্যাংক ও কার হাউজ ইমপোর্টস-এর চুক্তি সই ছবি: সংগৃহীত

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. সম্প্রতি কার হাউস ইপোর্টস লিমিটেড-এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সম্প্রতি ঢাকার কার হাউস ইপোর্টস লিমিটেড-এর অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা গাড়ি সার্ভিসিংয়ের ক্ষেত্রে কার হাউস ইপোর্টস লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে বিশেষ সার্ভিস সুবিধা উপভোগ করবেন।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন মামুর আহমেদ এবং কার হাউস ইপোর্টস লিমিটেড –এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এইচ এম অভিক আনোয়ার।

অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর হেড অব কার্ডস অ্যান্ড রিটেইল জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল এবং ইভিপি, সিকিউরড কনজ্যুমার ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড এমবেডেড পেমেন্টস তাকিয়ান চৌধুরী; কার হাউস ইপোর্টস লিমিটেড-এর ডিরেক্টর সাব্বির আওলাদ; জিএম মো. রাশেদুজ্জামান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সহযোগিতা প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নত লাইফস্টাইল সুবিধা ও বিভিন্ন সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Banks customer service month begins

ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহকসেবা মাস’ শুরু

ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহকসেবা মাস’ শুরু ছবি: সংগৃহীত

‘কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অগ্রযাত্রায় গড়ি আগামীর বাংলাদেশ’ স্লোগানে গতকাল ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহকসেবা মাস’ শুরু হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আলতাফ হুসাইন।

অতিরিক্ত এমডি ড. এম কামাল উদ্দীন জসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার। অনুষ্ঠানে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মজনুজ্জামানসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ব্যাংকের সব জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান ও উপশাখা ইনচার্জরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The revenue collection of Chittagong Custom House is Tk 81471 crore

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায় ৮১৪৭১ কোটি টাকা

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায় ৮১৪৭১ কোটি টাকা ছবি: সংগৃহীত

সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে রাজস্ব আদায়ে ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এই অর্থবছরে মোট ৮১ হাজার ৪৭১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৮ হাজার ৯৬৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বেশি। তবে বিশাল প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নির্ধারিত ১ লাখ ২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে পারেনি কাস্টম হাউস। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি রয়েছে প্রায় ২০ হাজার ৮২৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। বুধবার রাতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

কাস্টমসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন জানান, মূলত পাম অয়েল, ডিজেল, অপরিশোধিত তেল, ফলমূল, শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি এবং খাদ্যপণ্য আমদানির মাধ্যমে এই বড় অংকের রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে বিদায়ী অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ৩ হাজার ৮৮৫ কোটি ১ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় অবিশ্বাস্য ৬৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেশি। আমদানিনির্ভর এই রাজস্ব ব্যবস্থায় পণ্য আমদানির পরিমাণ বাড়ার সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে আদায়ের ওপর।

তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছে এখনো চট্টগ্রাম কাস্টমসের ২৫ হাজার ২৩৭ কোটি টাকার বিশাল বকেয়া রয়ে গেছে। এর মধ্যে এককভাবে পেট্রোবাংলার কাছেই পাওনা রয়েছে ২১ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা, যেখান থেকে গত এক বছরে কোনো বকেয়াই আদায় করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কাছে পাওনা রয়েছে ৩ হাজার ৯২২ কোটি টাকা। যদিও চলতি বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা বকেয়া আদায় হয়েছে, তবে মোট পাওনার তুলনায় তা অত্যন্ত নগণ্য।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস জানিয়েছে, বকেয়া রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে তারা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। আমদানির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বকেয়া পরিশোধ করলে আগামীতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
27th Annual General Meeting of Bangladesh Finance Plc

বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি-এর ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা গত ৩০ জুন হাইব্রিড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি বিসিআইসি অডিটোরিয়ামে শেয়ারহোল্ডারদের সরাসরি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে উপস্থিতির সমন্বয়ে আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জনাব কাজী রফিকুল হাসান। এতে উপস্থিত ছিলেন স্বতন্ত্র পরিচালক জনাব কাজী মোস্তাক আহমেদ, এফসিএ, পরিচালক জনাব মো. হাসান খান এবং স্বতন্ত্র পরিচালক ও এক্সিকিউটিভ কমিটি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মাহফুজা খানম।

সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডাররা সরাসরি উপস্থিতির পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও সভায় অংশ নেন। এছাড়াও স্বতন্ত্র পরিচালক, উদ্যোক্তা পরিচালক এবং স্বাধীন নিরীক্ষকরা সভায় অংশ নেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. কায়সার হামিদ, গ্রুপ চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার জনাব মো. সাজ্জাদুর রহমান ভূঁইয়া, গ্রুপ কোম্পানি সেক্রেটারি জনাব মুন্সী আবু নাঈম।

সভায় গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হওয়া বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী গৃহীত হয় এবং সভায় উপস্থাপিত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক এজেন্ডাও অনুমোদিত হয়।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
End of month long entrepreneurship development training at NRBC Bank initiated by Bangladesh Bank

বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এনআরবিসি ব্যাংকে মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী

বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এনআরবিসি ব্যাংকে মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী ছবি: সংগৃহীত

এডিবির অর্থায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (ঝওঈওচ)’-এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির মাধ্যমে আয়োজিত মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সমাপ্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২ জুলাই, ২০২৬ তারিখে ব্যাংকের মানব সম্পদ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সেন্টারে (এইচআরটিডিসি) প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো.তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ, সম্মানিত অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. মাসুম বিল্লাহ, বিশেষ অতিথি হিসেবে এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিপ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ন পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াসিম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসএমই-বিজনেস, মাইক্রো ও এগ্রি বিভাগের প্রধান মো. রমজান আলী ভুঁইয়া। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ২৫ জন নতুন উদ্যোক্তাদের সনদপত্র এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো.তৌহিদুল আলম খান. এফসিএমএ, বলেন, আগ্রহী ও পরিশ্রমী উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা, উৎপাদন ও বিপননসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিকজ্ঞানের পাশাপাশি কারখানা পরিদর্শন ও সফল উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়ে সুযোগ হয়েছে। নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং তাদেরকে সক্ষম ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে এনআরবিসি সবধরনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, উদ্যোক্তাদের হাত ধরে দেশের অর্থনীতির রুপান্তর ও পরিবর্তন ঘটবে এই লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করছে। দক্ষতার অভাবে এবং অর্থের অভাবে কোন উদ্যোক্তা পিছিয়ে থাকবে না। আজকের ছোট উদ্যোক্তারা একসময় দেশের বৃহৎ উদ্যোক্তা হিসেবে বড় বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন।

এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিপ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা দেশের অর্থনীতির প্রাণ। এনআরবিসি ব্যাংক এই উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে ঋণসহায়তাসহ নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবিসি ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The central bank has set a maximum merchant fee of 1 for Bangla QR transactions

বাংলা কিউআর লেনদেনে মার্চেন্ট ফি সর্বোচ্চ ১% বেধে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাংলা কিউআর লেনদেনে মার্চেন্ট ফি সর্বোচ্চ ১% বেধে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক ছবি: সংগৃহীত

দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) খরচ কমাতে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে মার্চেন্ট পেমেন্টের সেবা ফি বা মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) কমানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারের মাধ্যমে এই নতুন হার ভ্যাটসহ সর্বনিম্ন ১ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। এর আগে এই সেবার সর্বনিম্ন হার ছিল ১ দশমিক ১৫ শতাংশ, যার সাথে অতিরিক্ত ভ্যাট যুক্ত হতো। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এই নির্দেশনা দেশের সব ব্যাংক, এমএফএস ও পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ার লক্ষ্যে গ্রাহক ও মার্চেন্ট উভয় পক্ষকে ডিজিটাল পেমেন্টে উৎসাহিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই নিয়মের ফলে এখন থেকে ব্যাংক হিসাব, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড এবং মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে টাকা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো মার্চেন্টের কাছ থেকে ভ্যাটসহ সর্বোচ্চ ১ শতাংশ ফি কাটতে পারবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ আরও সাশ্রয়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সার্কুলারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অন্যান্য সকল ফি ও চার্জ অপরিবর্তিত থাকবে। তবে কোনো ব্যাংক বা পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান চাইলে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশেষ প্রমোশনাল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে পারবে এবং সেক্ষেত্রে তারা আরও আকর্ষণীয় অফার প্রদান করতে পারবে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জারিকৃত আগের সার্কুলারের আংশিক সংশোধন করে এই নতুন হার নির্ধারণ করা হলো।

মন্তব্য

p
উপরে