দেশে নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে নিট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১২৩ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৩১.২৩ বিলিয়ন ডলার)
একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৮০ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা ৩৫.৮০ বিলিয়ন ডলার।
বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর।
এর আগে গত মে মাসে নিট রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। তবে দুই মাসের আমদানি ব্যয়ের বিল পরিশোধের পর তা ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে যায়।
প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় অল্প সময়ের ব্যবধানে রিজার্ভ আবারও ৩১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
আকু (এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন) ব্যবস্থার আওতায় প্রতি দুই মাস পরপর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-সংক্রান্ত বিল পরিশোধ করা হয়।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মিজানুর রহমান বলেন, গ্যাস সরবরাহব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১ কোটি ৬০ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাসবাহী ৫টি এলএনজি কার্গো ইতিমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। জুন মাসের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সরকার মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জুন পর্যন্ত ৫ কার্গো দেশে পৌঁছেছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের জন্য ক্রয়কৃত ৯ কার্গো এলএনজির মধ্যে ৫টি স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি চার কার্গো স্পট মার্কেট থেকে আনা হবে।
এর আগে গত মে মাসে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের মাধ্যমে মোট ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি করে, যাতে গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ এমএমবিটিইউ।
মিজানুর রহমান বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি–স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ও স্পট মার্কেট—সব উৎস থেকেই নিয়মিত এলএনজি আমদানি করছে।
গড়ে প্রতিটি এলএনজি কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাস থাকে বলে জানান মিজানুর রহমান।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, কাতারভিত্তিক কাতার এনার্জি এবং ওমান সরকারের জ্বালানি ও পণ্য বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ওকিউ ট্রেডিং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করে থাকে।
এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ওকিউ ট্রেডিং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে এলএনজি সরবরাহ করছে।
প্রতি মাসে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সরকার স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি কার্গো সংগ্রহ করে থাকে।
দেশের বাজারে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন এই সিদ্ধান্তে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্যাটসহ সোনার বিক্রয়মূল্য ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। নতুন নিয়মে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৫০৮ টাকা ভ্যাট যুক্ত করায় এর চূড়ান্ত দাম পৌঁছেছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকায়। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এই মূল্য দেশজুড়ে কার্যকর করা হয়েছে।
ভ্যাটসহ নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, আজ থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী সোনা কেনাবেচা করতে হবে।
এর আগে গত ১৫ জুন সকালে সর্বশেষ দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় পূর্বের তুলনায় ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া সে সময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৯৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ Chess হাজার ৫৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর ছিল।
বাজুস তাঁদের বিজ্ঞপ্তিতে কিছু জরুরি নিয়মাবলীও স্পষ্ট করেছে। নতুন মূল্যতালিকায় স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট সরাসরি যুক্ত থাকায় এখন থেকে খুচরা গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে আর কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলঙ্কারের নকশা বা ডিজাইন অনুযায়ী জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিয়মিত মজুরি বা মেকিং চার্জ যুক্ত করতে পারবে। এছাড়া রুপার অলঙ্কারের ক্ষেত্রে ভ্যাট আরোপের বিষয়ে খুব শিগগিরই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
‘ডাবল লাখপতি ক্যাম্পেইন’ চালু করেছে প্রসাধনী উৎপাদনকারী কোম্পানি রিমার্ক এইচবি লিমিটেড।
৩ জুন থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইন ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে বলে কোম্পানির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়, রিমার্কের তালিকাভুক্ত বিক্রেতারা ন্যূনতম ২ হাজার টাকার রিমার্ক পণ্য কিনলেই প্রতিবার পেতে পারেন সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উপহার।
“এছাড়া রয়েছে কোটি কোটি টাকার নগদ উপহার, তাৎক্ষণিক ক্যাশব্যাক এবং ফ্রিজ ও টেলিভিশনসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার।”
কোম্পানিটি বলেছে, কম্পিউটারাইজড ও ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে উপহার অর্জনকারী নির্বাচন করা হবে। ক্যাম্পেইনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট খুচরা বিক্রেতা বা প্রতিষ্ঠানকে রিমার্কের ‘ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ এ সঠিক ও হালনাগাদ ফোন নম্বরসহ তালিকাভুক্ত থাকতে হবে।
রিমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আলম বলেন, “ডাবল লাখপতি ক্যাম্পেইন শুধু বিক্রয় কার্যক্রম নয়, বরং আমাদের বিক্রেতা বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান প্রকাশের উদ্যোগ।”
রিমার্কের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মাইনুল আহসান বলেন, “দেশের বাজারে রিমার্কের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় ব্যবসায়ী ও বিক্রেতা বন্ধুদের অবদান অনস্বীকার্য। ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা তাদের জন্য আরও বেশি অনুপ্রেরণার সুযোগ তৈরি করেছি। ”
ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত তথ্য, অভিযোগ বা ভেরিফিকেশনের জন্য রিটেইলার ও গ্রাহকরা নির্ধারিত নম্বরে (+৮৮০৯৬৭৮০৭১০৭১) যোগাযোগ করতে পারবেন।
ভিসা প্রিপেইড পে-রোল কার্ড চালু করার কথা জানিয়েছে বেসরকারি এনআরবি ব্যাংক।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ কার্ড উন্মোচন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তারেক রিয়াজ খান এবং ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ।
অনুষ্ঠানে তারেক রিয়াজ খান বলেন, “বাংলাদেশে প্রথম ভিসা প্রিপেইড পে-রোল কার্ডের উদ্ভাবন এবং ব্যাংকিং অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আমাদের অঙ্গীকারের আরেকটি মাইলফলক। এই সমাধানটি নিয়োগকর্তাদের জন্য বেতন ব্যবস্থাপনা সহজ করার পাশাপাশি কর্মীদের জন্য আরও বেশি সুবিধা, নিরাপত্তা এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করবে।”
বিমাফাই’র সিওও অর্ণব পল, এনআরবি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ভিসা প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বস্ত্র খাতের ফার ইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসিকে ২৩৪ কোটি টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণ দিয়েছে বেসরকারি সিটি ব্যাংক। এই ঋণে ঢাকা ব্যাংক এবং ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসিও যুক্ত রয়েছে।
সিন্ডিকেশন ঋণটিতে মেয়াদি ঋণ অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটি ব্যাংক জানিয়েছে, ঢাকার একটি হোটেলে এ ঋণ চুক্তি সই হয়। অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন, ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান এরশাদ ফয়েজ, ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ও রশিদ, বিআইএফএফএল এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আনিসুজ্জামান, ফার ইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজর চেয়ারম্যান আসিফ মঈন উপস্থিত ছিলেন।
মাসরুর আরেফিন বলেন, “টাকা সিন্ডিকেশন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে এমন স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজি সংগ্রহ ও সহায়তা করার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। আমরা এই লেনদেনের মাধ্যমে ফারইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসিকে সহায়তা করতে পেরে আনন্দিত।”
আসিফ মইন বলেন, “প্রকল্পটি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলেছে এবং ২০২৭ সালের প্রথম দিকে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা আমাদেরকে বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা আরো ভালোভাবে মেটাতে সক্ষম করবে।”
ঋণের অর্থ দিয়ে ফার ইস্ট স্পিনিং নতুন করে ২৮ হাজার ৫০০টি স্পিন্ডল যুক্ত করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশার গুরুত্ব ও অবদান তুলে ধরতে নানা আয়োজনে চার্টার্ড সেক্রেটারি দিবস ২০২৬ উদ্যাপন করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)। মঙ্গলবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করে সংগঠনটি। এ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে আইসিএসবির সদস্য, শিক্ষার্থী, করপোরেট খাতের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন অংশীজনেরা অংশ নেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় সংগঠনটি।
আইসিএসবি জানায়, ২০১০ সালের এই দিনে চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে দেশে চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশা আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি লাভ করে। প্রতিবছরের মতো এবারও দিবসটি উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সকালে রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে বাংলামোটরে আইসিএসবির কার্যালয় পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, করপোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধিবিধান পরিপালন, নৈতিক ব্যবসা পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠানের টেকসই উন্নয়নে চার্টার্ড সেক্রেটারিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দেশের করপোরেট খাতের সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে এ পেশার গুরুত্বও বাড়ছে।
দিবসটির বিভিন্ন আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের করপোরেট ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে চার্টার্ড সেক্রেটারিদের অবদান আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁদের মতে, সুশাসনভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে এ পেশাজীবীদের ভূমিকা ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
মন্তব্য