× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Hajj flights start on May 9
google_news print-icon

হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে ৯ মে

হজ-ফ্লাইট-শুরু-হচ্ছে-৯-মে
ফাইল ছবি
ঢাকা হজ অফিসের পরিচালক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘এখনও শিডিউল ঘোষণা করা হয়নি। দ্রুত শিডিউল ঘোষণা করে যাত্রীদের জানানো হবে।’

আগামী ৯ মে থেকে শুরু হচ্ছে চলতি মৌসুমের হজ ফ্লাইট। হজযাত্রীদের নিয়ে ঢাকা থেকে ওইদিনই প্রথম ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা দেবে। সব ফ্লাইটের সূচি এখনও চূড়ান্ত না হলেও শিডিউল অনুযায়ী পরবর্তী ফ্লাইটগুলো ছাড়া হবে বলে জানা গেছে।

ঢাকা হজ অফিসের পরিচালক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘এখনও শিডিউল ঘোষণা করা হয়নি। দ্রুত শিডিউল ঘোষণা করে যাত্রীদের জানানো হবে।’

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, গত বছর এক লাখ ১৯ হাজার ৬৯৫ জন হজযাত্রী বহন করার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স (সৌদিয়া) ও সৌদির বেসরকারি এয়ারলাইন্স ফ্লাইনাস মোট ৩৩৫টি হজ ফ্লাইট ঘোষণা করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর অর্ধেক বহন করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং বাকি অর্ধেক বহন করে সৌদিয়া ও ফ্লাইনাস এয়ার। এবারও এই তিন এয়ারলাইনস হজযাত্রীদের বহন করবে।

জানা গেছে, চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে যাবেন ৮৩ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার ৩০৭ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭৮ হাজার ৮৯৫ জন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পালিত হতে পারে পবিত্র হজ। প্রতিবছর একমাস আগে থেকে শুরু হয় হজ ফ্লাইট। তার আগে হজযাত্রীদের ভিসা, ফ্লাইট শিডিউল সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও এয়ারলাইন্সগুলো।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Sadarghat is crowded with passenger launches during holidays

ছুটির দিনে সদরঘাটে ভিড়ছে যাত্রীবোঝাই লঞ্চ

ছুটির দিনে সদরঘাটে ভিড়ছে যাত্রীবোঝাই লঞ্চ শুক্রবার প্রতিটি লঞ্চ যাত্রী বোঝাই অবস্থায় সদরঘাটের পন্টুনে ভেড়ে। ছবি: নিউজবাংলা
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালে দেখা গেছে মানুষের ঢাকা ফেরার চিত্র। এদিন দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের সব লঞ্চ ডেকে পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে। ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েও কিছু লঞ্চ ঢাকার এসে পৌঁছায়।

ঈদের ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষ এখন ঢাকামুখী। গ্রামে যাওয়া নগরের মানুষগুলো ফিরছে কর্মস্থলে। আর রাজধানী ফিরে পাচ্ছে তার ব্যস্ততম চেহারা।

বাস ও ট্রেনের পাশাপাশি সরকারি ছুটির দিনে শুক্রবার রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালেও যাত্রীর ভিড় দেখা গেছে।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালে দেখা গেছে মানুষের ঢাকা ফেরার চিত্র। এদিন দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের সব লঞ্চ ডেকে পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে। ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েও কিছু লঞ্চ ঢাকার এসে পৌঁছায়। নৌপথ ছাড়াও অনেকে আবার সড়ক অথবা রেলপথে ফিরছেন।

ছুটির দিনে সদরঘাটে ভিড়ছে যাত্রীবোঝাই লঞ্চ

ঈদের পর শহরে ফেরা মানুষে আবারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষজনের চিরচেনা নৌবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল। লঞ্চের হর্ন আর যাত্রীদের পদচারণায় সদরঘাট তার পুরনো রূপ ফিরে পেয়েছে।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, পন্টুনগুলোতে ছিলো ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড়। কেউ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ফিরছেন। কেউবা ফিরছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে। কারও সঙ্গে রয়েছে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন জিনিসপত্রের ব্যাগ।

তবে লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকামুখী এ যাত্রায় এখনও কোনো অনিয়ম বা বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার দুপুর থেকে বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, চরফ্যাশন, হুলারহাট, ভান্ডারিয়া, লালমোহনসহ দেশের বিভিন্ন রুটের যাত্রী বোঝাই লঞ্চ টার্মিনালে ভিড়তে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টার্মিনালে লঞ্চ এবং নগরমুখো যাত্রীও বাড়তে থাকে।

চাঁদপুর থেকে আসা ‘এমভি রহমত’ নামের একটি লঞ্চ সদরঘাটে আসে বিকেল ৩টায়। লঞ্চটিতে বৃহস্পতিবারের চেয়ে যাত্রীর ভিড় তুলনামূলক বেশি ছিল।

এই লঞ্চের যাত্রীরা বলেন, যাদের রোববার থেকে অফিস রয়েছে তারা এ দুদিনের মধ্যেই ঢাকায় ফিরবেন। ফলে এ দুদিন একটু চাপ বেশি থাকবে এটাই স্বাভাবিক।

ছুটির দিনে সদরঘাটে ভিড়ছে যাত্রীবোঝাই লঞ্চ

দুপুরে ভোলা থেকে ছেড়ে আসা ঈগল-৪ লঞ্চটি ঘাটে ভেড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে নামতে শুরু করেন।

তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার থেকে অফিস-আদালত, মার্কেট সবকিছু খোলা হবে। এজন্য তারা ঢাকায় চলে এসেছেন।

ভাড়া কেমন নিয়েছে জানতে চাইলে তারা বলেন, এখন তো ঈদের সিজন। ভাড়া তো একটু বেশি নেবেই। মানুষ ঢাকায় ফিরছে, ভাড়া তেমন একটা বেশি নেয়নি।

ভোলা থেকে আসা বেসরকারি এক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ বলেন, ‘পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে আবার ঢাকায় ফিরলাম। আসতে তেমন কোনো ভোগান্তি হয়নি। ভালোভাবেই পৌঁছে গেছি।’

এদিকে সদরঘাট দিয়ে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া সংখ্যা খুব কম দেখা গেছে। লঞ্চ কর্মকর্তারা জানান, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সকাল থেকেই একে একে ভিড়তে থাকে বিভিন্ন রুটের লঞ্চ। এদিন বরিশাল নদীবন্দর থেকে বেশ কয়েকটি লঞ্চ সদরঘাট টার্মিনালে এসে পৌঁছেছে।

ঈদযাত্রার পর মানুষ এখন আর তেমন বাড়ি যাচ্ছে না। এখন সবাই ফিরছে। সরকারি ছুটির এই দুদিন কর্মস্থল ঢাকায় ফিরতে লঞ্চে মানুষের বাড়তি চাপ থাকবে বলে জানিয়েছেন জাহাজ মালিক, স্টাফ ও কর্মকর্তারা।

ঈদের ছুটির আগের দুদিন ১৪ ও ১৫ এপ্রিল (শুক্র ও শনিবার) ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। এরপর ১৬ থেকে ১৮ জুন তিনদিন ছিল ঈদের ছুটি। পরবর্তীতে ১৯ ও ২০ জুন অফিস-আদালত খুললেও অনেকেই এ দুদিন বাড়তি ছুটি কাটিয়েছেন।

ঈদের নির্ধারিত ছুটি শেষে বুধ ও বৃহস্পতিবার কাজে যোগ দিয়েছেন অনেকে। তবে পুরোদমে ফেরেনি কর্মচাঞ্চল্য।

যাত্রীর মূল চাপটা ২১ ও ২২ জুন (শুক্রবার, শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে থাকবে বলে জানিয়েছেন লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা। এই ছুটি শেষে ২৩ জুন রোববার থেকে রাজধানী ফিরে যাবে চিরচেনা সেই আগের রূপে।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ট্রাফিক কন্ট্রোল বিভাগের কর্মকর্তা এস এম মামুন জানান, ঈদের ছুটি শেষে যেমন যাত্রী থাকার কথা তেমনই হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে যেমন থাকে তার চেয়ে বেশি যাত্রীই লক্ষ্য করা গেছে।

বিআইডব্লিটিএ’র বাদিং সারেং আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খুব সকাল থেকে এ পর্যন্ত ৭৮টি লঞ্চ ঢাকায় এসেছে। বৃহস্পতিবার একই সময়ে ৬১টি লঞ্চ রাজধানীতে এসেছিল। এদিন আসা প্রায় সব লঞ্চ ঢাকায় যাত্রী রেখে দ্রুত টার্মিনাল ত্যাগ করেছে।

‘লঞ্চগুলো হলো- এম ভি সুন্দরবন ১৬, মানামী, অ্যাডভেঞ্জার ১ ও ৯, সুন্দরবন ১০ ও ১৪, প্রিন্স আওলাদ ৭, এম ভি কুয়াকাটা ২, প্রিন্স রাসেল ৫, শুভরাজ ৯ ইত্যাদি। বেশ কয়েকটি স্পেশাল সার্ভিসের লঞ্চ বরিশাল থেকে ঢাকায় এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘লম্বা ছুটি থাকায় মানুষ ধাপে ধাপে ফিরছে। বিগত দুদিনের তুলনায় রাজধানীতে ফেরা মানুষের চাপ শুক্রবার কিছুটা বেড়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে রাজধানীর অধিকাংশ মানুষ কাজের টানে ফিরে আসবে।’

বিআইডব্লিউটিএ সদরঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘৪০টি নৌরুটে দিন ও রাত্রিকালীন সার্ভিস মিলিয়ে শতাধিক লঞ্চ ঢাকা থেকে বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা রুটে সরাসরি যাতায়াত করছে। তবে বিশেষ লঞ্চগুলো অতিরিক্ত যাত্রীর চাহিদা বিবেচনা করে চলাচল করে। সাধারণ সময়ে লঞ্চগুলো বাই রোটেশন তালিকা অনুসারে চলাচল করবে।’

সদরঘাট নৌ-পুলিশ থানার ওসি মো. আবুল কালাম বলেন, ‘সদরঘাট এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। পাশাপাশি নৌ-পুলিশ ঘাট ও আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ (শুক্রবার) সকাল থেকেই ঘাটে লঞ্চ আসতে শুরু করেছে। কিছু লঞ্চ আবার সদরঘাট ছেড়েও গেছে। পুলিশ বাহিনী সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সরগরম সদরঘাট
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Sadarghat is bustling with people returning to Dhaka after Eid

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সরগরম সদরঘাট

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সরগরম সদরঘাট পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবী মানুষেরা। বৃহস্পতিবার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকার চিত্র। ছবি: নিউজবাংলা
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশালগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রী কমায় ঢাকার সদরঘাটের চেনা রূপ অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছিল। ঈদের ছুটির সঙ্গে ফিরেছে চেনা সেই ভিড়। তবে ঈদের পর ঢাকার সদরঘাটে ভিড় বাড়লেও আগের মতো যাত্রী নেই বলে জানিয়েছেন লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা।

ঈদের ছুটি শেষে অফিস শুরুর প্রথম দিন বুধবার থেকেই রাজধানী ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নগরমুখী মানুষের ভিড় শুরু হয়। বৃহস্পতিবারও ছিল একই চিত্র।

গ্রামে যাওয়া মানুষেরা ক্রমে ক্রমে ঢাকা ফিরতে থাকায় চাপ কম লক্ষ্য করা গেছে সদরঘাটে। শুক্র-শনিসহ ঈদের তিন দিন মিলে পাঁচদিনের লম্বা ছুটি শেষে কর্মমুখী মানুষ ঢাকায় ফিরতে থাকায় বৃহস্পতিবারও দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা যাত্রীর চাপ ছিল সদরঘাটে। তবে যাত্রীর উপচেপড়া ভিড় বলতে যা বুঝায় তেমনটা দেখা যায়নি।

বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের লঞ্চগুলো ডেকে পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে সদরঘাটের পন্টুনে ভিড়তে থাকে। সন্ধ্যা পর্যন্ত সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

দুপুরের পর থেকে গ্রিন লাইন-৩ ও সন্ধ্যার পর পারাবত-৯, ১০, ১২ ও ১৮; মানামী, কুয়াকাটা-২, কীর্তনখোলা-২ ও ১০, সুরভী-৮ ও ৯, অ্যাডভেঞ্চার-১ ও ৯, সুন্দরবন-১২ লঞ্চসহ মোট ১৫টি লঞ্চ বরিশাল নদীবন্দর থেকে সদরঘাটে এসে পৌঁছায়।

ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েও কিছু লঞ্চ ঢাকায় এসে পৌঁছায়। এছাড়াও নিকটবর্তী জেলা চাঁদপুর, ভোলা, ইলিশা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলোও ছিলো কানায় কানায় পূর্ণ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সদরঘাট টার্মিনাল থেকে দেশের ৩১টি নৌপথে নিয়মিত ৭০টি লঞ্চ চলাচল করে। তবে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তা দ্বিগুণের বেশি করা হয়েছে। ঈদের আগে-পরের প্রায় ১৫ দিন ছোট-বড় মিলিয়ে ১৭৫টিরও বেশি লঞ্চ যাতায়াত করেছে। আগে ঢাকা থেকে ৪১টি নৌপথে লঞ্চসহ পণ্যবাহী বিভিন্ন নৌযান চলত। নদী খনন ও ড্রেজিংয়ে অনিয়মের কারণে ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলগামী ১০টি নৌপথ বন্ধ হয়ে গেছে।

সরকারি ছুটি শেষ হওয়ায় কর্মস্থল ঢাকায় ফিরতে লঞ্চে মানুষের ঢল নেমেছে বলে জানিয়েছেন জাহাজ মালিক, স্টাফ ও কর্মকর্তারা।

মানামি লঞ্চের চালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘এবার ঈদের আগে যেমন যাত্রী চাপ ছিলো পরে তেমন হচ্ছে না। সরকারি ছুটি শেষ হওয়ায় অনেকেই এখন ঢাকা ফিরছে। তবে অনেকে বুধ ও বৃহস্পতি ছুটি নিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সামনের সাপ্তাহিক ছুটির দুদিন বিশেষ করে শনিবার যাত্রীর চাপ অনেকটা বাড়বে।’

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী থেকে ফিরেছেন ঢাকায়। তিনি বলেন, ‘এমভি টিপু-৭ লঞ্চের টিকিট পেয়েছিলাম। তবে লঞ্চে অনেক মানুষের ভিড় ছিলো। ঠিকভাবে ঢাকায় আসতে পেরেছি এটাই অনেক।’

মনপুরা থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় এসেছে এমভি তাসরিফ-৮। লঞ্চটির কর্মী আসাদ মুন্সি বলেন, ‘এই ট্রিপে পাঁচ-ছয়শ’ মানুষ এসেছে। ছুটি শেষ হওয়ায় মানুষ ঢাকায় ফিরছে। আরামের যাত্রা লঞ্চ। এজন্য অনেকেই লঞ্চে যাতায়াত করেন।’

ভোলার চরফ্যাশন ও বেতুয়া থেকে ছেড়ে সন্ধ্যায় সদরঘাটে ভিড়েছে এমভি টিপু-১৩। লঞ্চটিতে ঘাটে ভিড়তেই দেখা যায়, ডেকভর্তি মানুষ। অনেকে দাঁড়িয়েও এসেছেন।

ভোলা থেকে আসা যাত্রী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কাপড়ের দোকানে কাজ করি। ঈদের আগের দিনও খোলা ছিল। চাঁদ রাতে ঈদ করতে ঢাকা থেকে বাড়িতে গিয়েছিলাম। ছুটি শেষ, মার্কেট খুলবে। এজন্য আবার চলে আসলাম।’

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশালগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রী কমায় ঢাকার সদরঘাটের চেনা রূপ অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছিল। ঈদের ছুটির সঙ্গে ফিরেছে চেনা সেই ভিড়। তবে ঈদের পর ঢাকার সদরঘাটে ভিড় বাড়লেও আগের মতো যাত্রী নেই বলে জানিয়েছেন লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় থাকলেও লঞ্চে ফিরতি পথের যাত্রী ভিড় অনেকটাই কম। বরিশাল ও ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা লঞ্চগুলোর কর্মীরা যাত্রীদের ডাকাডাকি করছেন। অল্পসংখ্যক মানুষ লঞ্চে উঠেছেন। বেশ কয়েকটি লঞ্চের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, ডেকের সিট অধিকাংশই ফাঁকা। ভেততে কিছু মানুষ বসে আছে। কেউ আবার কেবিন নিয়ে দরদাম করছেন।

নৌপথেই স্বস্তি খুঁজবে যাত্রীরা- এবারের ঈদযাত্রায় এমনটা প্রত্যাশা ছিলো লঞ্চ মালিকদের। তবে ঈদের পর তা আবার কমে যাওয়ায় হতাশ তারা।

ডলার কোম্পানির ২৪টি লঞ্চের মালিক ও যাত্রী পরিবহন সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘আমাদের লঞ্চ আছে অনেক। কিন্তু সে অনুযায়ী যাত্রী নেই। তাই লঞ্চ কম ছাড়ছে। যেগুলো ছাড়ছে সেগুলো যাত্রী ভরেই যাচ্ছে। ঈদের পরও আমরা যাত্রীর চাপ আশা করেছিলাম। কিন্তু পাইনি।’

লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ‘ঈদের আগে যাত্রীর চাপ বাড়ায় আশা পেয়েছিলাম। এখন সে আশা আর দেখছি না। সামনের দিনগুলোতে কী হয় দেখা যাক।’

সার্বিক বিষয়ে ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন জানান, ‘ঈদের পর যাত্রীর চাপ স্বাভাবিক রয়েছে। আমাদের নিয়মিত লঞ্চগুলোই চলাচল করছে। অতিরিক্ত কোনো লঞ্চের প্রয়োজন পড়ছে না। আর ভাড়া বেশি নেয়ার অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

টার্মিনাল এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সদরঘাট নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) যাত্রীর চাপ আগের থেকে বেড়েছে। পুলিশ, র‍্যাবসহ আনসার সদস্যরা যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। সন্দেহজনক কিছু দেখলে তল্লাশিও চালানো হচ্ছে। যাত্রীর চাপ বাড়লে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।’

আরও পড়ুন:
ঘরে ফেরা মানুষের পদচারণায় মুখর সদরঘাট
ছুটি শুরুর দিনেই সদরঘাটে যাত্রীর চাপ
ঈদযাত্রার প্রভাব নেই সদরঘাটে, গার্মেন্টস ছুটির অপেক্ষা
সদরঘাট থেকে সব রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The number of pilgrims who have died in Saudi has exceeded a thousand

সৌদিতে মারা যাওয়া হজযাত্রীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে

সৌদিতে মারা যাওয়া হজযাত্রীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে ছবি: সংগৃহীত
মারা যাওয়া হজযাত্রীদের বড় অংশই অনিবন্ধিত। তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষায় সৌদি সরকারের দেয়া সুবিধা থেকে অনিবন্ধিতরা বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়া পবিত্র হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক হজযাত্রী। তাই মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনের সময় তীব্র তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে হজযাত্রী মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। মারা যাওয়া এসব হজযাত্রীর অর্ধেকেরও বেশি অনিবন্ধিত ছিলেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে।

সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যাগত ওই টালি করেছে বার্তা সংস্থাটি। সেই টালির স্শেষ অবস্থা থেকে এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বলা হয়েছে, হজ পালনের সময় মৃতদের তালিকায় বৃহস্পতিবার নতুন করে মিসরের আরও ৫৮ হজযাত্রীর নাম যুক্ত হয়েছে।

আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের একজন কূটনীতিক এএফপিকে বলেছেন, হজ পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো সহস্রাধিক হজযাত্রীর মধ্যে কেবল মিসরেরই নাগরিক আছেন ৬৫৮ জন।

সৌদিতে মারা যাওয়া মিসরীয়দের প্রায় ৬৩০ জনই অবৈধভাবে হজ করতে গিয়েছিলেন। যে কারণে তারা প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদি সরকার, সেসব থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা হজযাত্রীরা এবার থাকা-খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধা পাননি।

চলতি বছর হজ শুরু হয়েছে ১৪ জুন। সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। বুধবারও মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি আরবে গেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তা ছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

এ ছাড়া পবিত্র হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক হজযাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন- এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবে পবিত্র হজের সময় পদদলন, তাঁবুতে অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় গত ৩০ বছরে শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। যে কারণে হজের আনুষ্ঠানিকতা নিরাপদে সম্পন্ন ও হজযাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে নতুন অবকাঠামো তৈরি করতে বাধ্য হয়েছে সৌদি সরকার।

তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ বর্তমানে চরম তাপদাহ থেকে হজযাত্রীদের রক্ষা করতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

ট্রাভেল অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালের চলতি বছরের এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক তাপমাত্রা তাপ প্রশমনের প্রচলিত কৌশলগুলোকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্সের ২০১৯ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৌদি আরবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় হজযাত্রীরা ভবিষ্যতে ‌‌‘চরম বিপদের’ সম্মুখীন হবেন।

সৌদির এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, দেশটিতে প্রত্যেক দশকে আঞ্চলিক তাপমাত্রা গড়ে শূন্য দশমিক ৪ সেন্টিগ্রেড হারে বাড়ছে এবং প্রশমন ব্যবস্থা নেয়ার পরও তাপদাহ পরিস্থিতি ক্রমাগতভাবে খারাপ আকার ধারণ করছে।

আরও পড়ুন:
সৌদিতে মারা যাওয়া বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা বেড়ে ১১৭

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Hajj ends with stoning Satan and Tawaf of Kaaba Sharif

শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও কাবা শরিফ তাওয়াফের মাধ্যমে হজ সমাপ্ত

শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও কাবা শরিফ তাওয়াফের মাধ্যমে হজ সমাপ্ত মিনায় তিন দিনের পাথর ছুঁড়ে মারার অনুষ্ঠানটি হজের চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমগুলোর মধ্যে একটি। ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুসারে, মক্কা ও এর আশেপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। প্রচণ্ড গরমে বৃদ্ধদের অনেকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এছাড়া, হিট স্ট্রোকে হাজিদের বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে বলে জানা গেছে।

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড উত্তাপের মধ্যে তৃতীয় দিন মঙ্গলবার শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ এবং মক্কায় ইসলামের পবিত্রতম স্থান কাবা শরিফ তাওয়াফ (প্রদক্ষিণ) করার মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ করেছেন হাজিরা।

মক্কার বাইরে মরু এলাকা মিনায় তিন দিনের পাথর ছুঁড়ে মারার অনুষ্ঠানটি হজের চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমগুলোর মধ্যে একটি। এটি অশুভ ও পাপ দূরীকরণের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। শনিবার আরাফাতের ময়দানে হাজিদের জমায়েতের একদিন পর এই কার্যক্রম শুরু হয়।

হজের শেষ দিনগুলোতে বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা একসঙ্গে ঈদুল আজহা উদযাপন করে। এসময় আর্থিক সামর্থ্যের আলোকে বিশ্বাসীরা ইসলামের নবী ইব্রাহিম (আ.)-এর বিশ্বাসের পরীক্ষার কথা স্মরণ করেন। আল্লাহ তাকে (নবী ইব্রাহিম) তার একমাত্র পুত্রকে (ইসমাইল) কোরবানি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গবাদি পশু জবাই করে এর মাংস দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করে থাকে মুসলমানরা।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে হজ অন্যতম। ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ কুরআন অনুসারে, এর অনুষ্ঠানগুলো মূলত নবী ইব্রাহিম ও তার পুত্র নবী ইসমাইল, ইসমাইলের মা হাজেরা এবং নবী মুহাম্মদের (সা.) বর্ণনায় উঠে এসেছে।

ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী, সেদিন আল্লাহ তার রহমতের হাত বাড়িয়ে দিয়ে ইসমাইলকে রক্ষা করেন।

ইয়েমেন থেকে আসা হাজি মেজাহেদ আল-মেহরাবি পাথর ছুড়ে মারার অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিনে বার্তাসংস্থা এপিকে বলেন, ‘আমি শান্তি পেয়েছি। এখন বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। যদি কারও (মক্কায়) গ্র্যান্ড মসজিদ পরিদর্শন করার সুযোগ থাকে, তার তা অবশ্যই করা উচিত।’

নাইজেরিয়ার হাজি আমির ওমর প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ শেষ করার পর আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে যে, আমি আমার ধর্মের একটি ফরজ পালন করেছি। আমি (আল্লাহর প্রতি) খুব কৃতজ্ঞ বোধ করছি।’

মঙ্গলবার সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুসারে, মক্কা ও এর আশেপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। প্রচণ্ড গরমে বৃদ্ধদের অনেকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এছাড়া, হিট স্ট্রোকে হাজিদের বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে বলে জানা গেছে।

জর্ডান ও তিউনিসিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪১ জন জর্ডানের এবং ৩৫ জন তিউনিসিয়ার নাগরিক। মিসরের স্থানীয় গণমাধ্যমও মিশরীয় হাজিদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে। এবারের হজে এখনও মোট মৃত্যুর সংখ্যা জানায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ।

হজ পালনের সময় আরও অনেক হাজির হিসাব পাওয়া যায়নি। অনেক মিসরীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরাফাতের ময়দান ও মিনা উল্লেখ করে তাদের আত্মীয়দের খোঁজে পোস্ট দিয়েছেন। কয়েকজন হাজি গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের মক্কার আশপাশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের প্রতীকী পাথর নিক্ষেপের পর হাজিরা গ্র্যান্ড মসজিদে কাবা শরিফকে সাতবার তাওয়াফ করতে করতে মক্কার দিকে রওনা হন। শেষ তাওয়াফ নামে পরিচিত এই প্রদক্ষিণের মাধ্যমে হজের সমাপ্তি করে হাজিরা মক্কা শহর ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

হজ শেষে পুরুষরা তাদের মাথা ন্যাড়া করবে এবং নারীরা সমস্ত চুল ধরে আঙুলের এক কড় কেটে ফেলবেন, যা ইসলামের নবী রাসূলের সুন্নাহ।

এরপর অধিকাংশ হাজি মক্কা ছেড়ে প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার দূরে মদিনা শহরের উদ্দেশে রওনা দেবেন এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কবর জিয়ারত করবেন।

নবীজির কবরের পবিত্র কক্ষটি নবীর মসজিদের অংশ, ইসলামের তিনটি পবিত্রতম স্থানগুলোর মধ্যে একটি। অন্য দুটি হচ্ছে- মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ।

শারীরিক ও আর্থিকভাবে সামর্থ্য থাকলে প্রত্যেক মুসলমানের জীবনে একবার হজ করা বাধ্যতামূলক (ফরজ)। অনেক ধনী মুসলমান একাধিকবারও হজ করে থাকেন।

সৌদি হজ কর্তৃপক্ষের মতে, ২০২৪ সালে ২২টি দেশের ১৬ লাখেরও বেশি হাজি এবং প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার সৌদি নাগরিকসহ ১৮ লাখ ৩ হাজারেরও বেশি মুসলমান হজ পালন করেছেন।

২০২৪ সালে বিধ্বংসী হামাস- ইসরায়েল যুদ্ধের পটভূমিতে হজের কার্যক্রম শুরু হয়। হামাস ও ইসরায়েলের এই যুদ্ধটি মধ্যপ্রাচ্যকে আঞ্চলিক সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।

ফিলিস্তিনি উপত্যকায় যুদ্ধ এবং নিজ দেশে এক দশক ধরে চলা সংঘাতের কথা উল্লেখ করে ইয়েমেনের হাজি আল-মেহরাবি বলেন, ‘আমি প্রথমে গাজা ও পরে ইয়েমেনের জন্য প্রার্থনা করেছি।’

আরও পড়ুন:
শয়তানকে পাথর ছোড়ার মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
হজের চূড়ান্ত পর্বে আরাফাতে ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রার্থনা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
1 04 08 918 animals were sacrificed on Eid ul Azha this year

ঈদুল আজহায় এবার ১,০৪,০৮,৯১৮টি পশু কোরবানি হয়েছে

ঈদুল আজহায় এবার ১,০৪,০৮,৯১৮টি পশু কোরবানি হয়েছে হাটে তোলার জন্য রাজধানীতে আনা হচ্ছে কোরবানির পশু। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
এ বছর ঈদুল আজহায় সারাদেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি। সে হিসাবে ২৫ লাখ ৭১ হাজার ৪৪৯টি পশু উদ্বৃত্ত থেকে গেছে।

চলতি বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় সারাদেশে মোট এক কোটি চার লাখ আট হাজার ৯১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। গত বছর সারাদেশে কোরবানিকৃত গবাদিপশুর সংখ্যা ছিল এক কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি। তার আগের বছর ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি। গত বছরের তুলনায় এবার তিন লাখ ৬৭ হাজার ১০৬টি গবাদিপশু বেশি কোরবানি হয়েছে।

এবার সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে মঙ্গলবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মাঠ পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এবার ঢাকা বিভাগে ২৫ লাখ ২৯ হাজার ১৮২, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ লাখ ৫৭ হাজার ৫২০, রাজশাহী বিভাগে ২৪ লাখ ২৬ হাজার ১১১, খুলনা বিভাগে ১০ লাখ ৮ হাজার ৮৫৫, বরিশাল বিভাগে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৮, সিলেট বিভাগে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৪২, রংপুর বিভাগে ১১ লাখ ৭২ হাজার ৫৫৩ ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৫১৭টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে।

কোরবানি হওয়া গবাদিপশুর মধ্যে ৪৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫৯টি গরু, ১ লাখ ১২ হাজার ৯১৮টি মহিষ, ৫০ লাখ ৫৬ হাজার ৭১৯টি ছাগল, ৪ লাখ ৭১ হাজার ১৪৯টি ভেড়া এবং ১ হাজার ২৭৩টি অন্যান্য পশু রয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৯৫৪টি গরু, ৬ হাজার ৪৬৫টি মহিষ, ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৭২টি ছাগল, ৮৯ হাজার ৯১টি ভেড়া ও অন্যান্য ৮০০টি পশু।

চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ লাখ ১৭ হাজার ৭৪৭টি গরু, ৯১ হাজার ৮১০টি মহিষ, ৬ লাখ ৫২ হাজার ১৩০টি ছাগল, ৯৫ হাজার ৪৮৩টি ভেড়া ও অন্যান্য ৩৫০টি পশু কোরবানি হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগে কোরবানি হয়েছে ৭ লাখ ২০ হাজার ৪৭২টি গরু, ৯ হাজার ৫৬৮টি মহিষ, ১৫ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৬টি ছাগল, ১ লাখ ১২ হাজার ৫৭৭টি ভেড়া ও অন্যান্য পশু ৮টি।

এছাড়া খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৭৯ হাজার ৯৬৭টি গরু, ১ হাজার ৫০৬টি মহিষ, ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৭৩৫টি ছাগল, ৫৭ হাজার ৫৫৯টি ভেড়া ও অন্যান্য ৮৮টি পশু; বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ৮০ হাজার ৩৭৭টি গরু, ১ হাজার ১টি মহিষ, ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৬৩টি ছাগল ও ২০ হাজার ১৯০টি ভেড়া, অন্যান্য পশু ৭টি এবং সিলেট বিভাগে ২ লাখ ১ হাজার ১৪৩টি গরু, ১ হাজার ৩৫৮টি মহিষ, ১ লাখ ৭৩ হাজার ২২৩টি ছাগল, ১৮ হাজার ১৪টি ভেড়া ও অন্যান্য পশু ৪টি। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে রংপুরে ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৩৯৪টি গরু, ৩০৪টি মহিষ, ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি ছাগল, ৬০ হাজার ২২৮টি ভেড়া ও অন্যান্য পশু ১১টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১ লাখ ৯০ হাজার ৮০৫টি গরু, ৯০৬টি মহিষ, ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৯৪টি ছাগল ও ১৮ হাজার ৭টি ভেড়া এবং অন্যান্য পশু ৫টি কোরবানি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এ বছর সারাদেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি। সে হিসাবে ২৫ লাখ ৭১ হাজার ৪৪৯টি পশু উদ্বৃত্ত থেকে গেছে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
পবিত্র ঈদুল আজহা আজ
ডিএনসিসিতে ঈদের প্রধান জামাত মিরপুর গোলারটেক মাঠে
মাদারীপুরে ২৫ গ্রামে ঈদ উদযাপন
শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে শব্দমুখর কামার পল্লী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Eid prayers of 3 lakh worshipers at Gor e Shaheed Maidan

গোর-এ-শহীদ ময়দানে ৩ লাখ মুসল্লির ঈদের নামাজ আদায়

গোর-এ-শহীদ ময়দানে ৩ লাখ মুসল্লির ঈদের নামাজ আদায় সোমবার গোর-এ-শহীদ ময়দানে ঈদের জমায়েত হওয়া মুসল্লির একাংশ। ছবি: সংগৃহীত
জেলা শহর ও আশপাশের মানুষ যাতে জামাতে অংশ নিতে পারেন সেজন্য দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে একটি পঞ্চগড় থেকে ঠাকুরগাঁও হয়ে এবং অন্যটি পাবর্তীপুর থেকে দিনাজপুর রেলস্টেশন পর্যন্ত চলাচল করে।

দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।

সোমবার সকাল ৮টায় এখানে ঈদের জামাত শুরু হয়। জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা সামসুল হক কাসেমি।

এবারের নামাজে প্রায় তিন লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

জেলা শহর ও আশপাশের মানুষ যাতে জামাতে অংশ নিতে পারেন সেজন্য দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে একটি পঞ্চগড় থেকে ঠাকুরগাঁও হয়ে এবং অন্যটি পাবর্তীপুর থেকে দিনাজপুর রেলস্টেশন পর্যন্ত চলাচল করে।

এছাড়া মুসল্লিদের নিরাপত্তায় সতর্ক ছিল প্রশাসন।

২০১৭ সাল থেকে গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠে শোলাকিয়ার মতো বড় পরিসরে ঈদ জামাতের আয়োজন হয়ে আসছে।

আয়োজক কমিটির উপদেষ্টা জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, ‘এখানে একসঙ্গে তিন লাখ মুসল্লি ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।’

আরও পড়ুন:
এবারের ঈদ দেশবাসীর কাছে একটা কষ্টের দিন: ফখরুল
এশিয়ার দেশে দেশে ঈদ জামাতে ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রার্থনা
কোরবানির পর ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে
ত্যাগের মহিমায় ঈদুল আজহা উদযাপন করছে দেশবাসী
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
DM 140 after being injured while performing sacrifice in the capital

রাজধানীতে কোরবানি করতে গিয়ে আহত হয়ে ঢামেকে ১৫০

রাজধানীতে কোরবানি করতে গিয়ে আহত হয়ে ঢামেকে ১৫০ পশু কোরবানি করতে গিয়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
ঢামেক জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. আমান বলেন, কোরবানি দিতে গিয়ে আহত হওয়া ১৫০ জন এখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। একজনের অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঈদুল আজহায় সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানি করতে গিয়ে ধারালো ছুরির আঘাতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন কমপক্ষে ১৫০ জন। তাদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চিকিৎসা নিতে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন তারা।

ঢামেক জরুরি বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) আবাসিক সার্জন ডা. আমান বলেন, কোরবানি দিতে গিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আহত হওয়া ১৪০ জন ঢামেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে-ছিঁড়ে যাওয়া এসব রোগীর সবাইকে সেলাইয়ের পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। একজনের অবস্থা বেশি খারাপ থাকায় তাকে ভর্তি দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, কোরবানি দিতে গিয়ে আহত হয়ে ১৫০ জন ঢামেকে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। কেবল একজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

আরও পড়ুন:
কোরবানির পর ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে
শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে শব্দমুখর কামার পল্লী
অধিক মজুরির আশায় ঢাকায় ছুটছেন মেহেরপুরের কসাইরা

মন্তব্য

p
উপরে