× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Legal notice and cancellation of contracts to advertising companies promoting dramas contrary to Waltons ideals and principles
google_news print-icon

‘রূপান্তর’ নাটক ইস্যুতে বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানকে ওয়ালটনের নোটিশ, চুক্তি বাতিল

রূপান্তর-নাটক-ইস্যুতে-বিজ্ঞাপনী-প্রতিষ্ঠানকে-ওয়ালটনের-নোটিশ-চুক্তি-বাতিল
ওয়ালটনের লোগো। ছবি: সংগৃহীত
আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ওয়ালটনের ভাষ্য, দেশের মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড কখনও তারা সমর্থন করে না এবং এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকে না। অনাকাঙ্ক্ষিত এই বিষয়টির জন্য ওয়ালটন গ্রুপ মর্মাহত এবং সম্মানিত ক্রেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

বিষয়বস্তু অবহিত না করে ওয়ালটনের আদর্শ ও নীতিমালার পরিপন্থিভাবে ‘রূপান্তর’ শিরোনামের একটি নাটক প্রচার করায় বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান ‘লোকাল বাস এন্টারটেইনমেন্ট’কে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে ওয়ালটন।

পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সব ধরনের বিজ্ঞাপনী চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টির জন্য ওয়ালটন গ্রুপ ক্রেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

ওয়ালটনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান ‘লোকাল বাস এন্টারটেইনমেন্ট’ এর স্বত্বাধিকারী মোহন আহমেদকে মঙ্গলবার ওই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

ওয়ালটনের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম রিয়াদ স্বাক্ষরিত আইনি নোটিশে উল্লেখ করে যা বলা হয়, ‘আপনি লোকাল বাস এন্টারটেইনমেন্ট বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান এর স্বত্বাধিকারী। আপনার প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আপনার নির্মিত ছয়টি নাটকে ওয়ালটন ফ্রিজ ব্র্যান্ডিং করতে সম্মত হয়। শর্ত থাকে যে, উক্ত নাটকসমূহে দেশের আইন, নীতি, নৈতিকতা বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হয় এরকম কোনো বিষয় অর্ন্তভুক্ত হবে না। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক যে, উক্ত নাটকসমূহের মধ্যে ‘রূপান্তর’ নাটকটিতে এমন কিছু বিষয় অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে, যাতে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে ও মানুষের অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে।’

নোটিশে আরও বলা হয়, ‘ওয়ালটন কর্তৃপক্ষকে নাটকটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে পূর্বে অবহিত না করে রূপান্তর নাটক প্রচার করায় আপনার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হলো এবং সেই সঙ্গে কেন আপনার বিরুদ্ধে ওয়ালটনের আদর্শ ও নীতিমালার পরিপন্থিভাবে নাটক প্রচারের জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে জানানোর জন্য বলা হলো।’

এর আগে ফেসবুক-ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম থেকে ‘রূপান্তর’ নাটকটি প্রত্যাহারের জন্য বিজ্ঞাপনী সংস্থাকে নির্দেশ দেয় ওয়ালটন। তাৎক্ষণিকভাবে ফেসবুক-ইউটিউবসহ সব মাধ্যম থেকে নাটকটি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

এরপর বিজ্ঞাপনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে ওয়ালটন গ্রুপের আদর্শ ও নীতিমালার পরিপন্থি নাটকে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য কেন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘লোকাল বাস এন্টারটেইনমেন্ট’কে লিগাল নোটিশ দেয় ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।

আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ওয়ালটনের ভাষ্য, দেশের মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড কখনও তারা সমর্থন করে না এবং এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকে না। অনাকাঙ্ক্ষিত এই বিষয়টির জন্য ওয়ালটন গ্রুপ মর্মাহত এবং সম্মানিত ক্রেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন:
ঈদ উৎসবে ওয়ালটন ফ্রিজ কেনার হিড়িক
ওয়ালটন টিভি কিনে এয়ার টিকিটের সুযোগ চাঁদরাত পর্যন্ত
ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ৩৩তম মিলিয়নিয়ার হলেন রাজশাহীর মাদ্রাসাশিক্ষক আমিনুল
সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ হিরো বাংলাদেশের
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে এলো কল্লোল গ্রুপ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Imrans party PTI is being banned in Pakistan

পাকিস্তানে ইমরানের দল পিটিআই নিষিদ্ধ হচ্ছে

পাকিস্তানে ইমরানের দল পিটিআই নিষিদ্ধ হচ্ছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান। ফাইল ছবি
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সংবাদ বলেছেন, ‘দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে পিটিআই’র অস্তিত্ব রাখা যাবে না। আমরা পিটিআইর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছি।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) নিষিদ্ধ করতে চলেছে দেশটির সরকার। তাদের দাবি, পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

সোমবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে পিটিআই’র অস্তিত্ব রাখা যাবে না।’

তারার বলেন, ‘বিদেশি তহবিল মামলা, ৯ মে দাঙ্গা এবং সাইফার মামলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে পাস করা প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিশ্বাস করি, পিটিআই-কে নিষিদ্ধ করার মতো যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ রয়েছে।

‘আমরা পিটিআইর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলো নিষিদ্ধ করার অধিকার দিয়েছে।’

বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী। ইমরান খানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনি আপনার রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাস করতে গিয়েছিলেন।’

এদিকে এই ঘটনাকে পিটিআই’র বিরুদ্ধে নতুন দমন-পীড়নের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন। তারা লিখেছে, এই পদক্ষেপ কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দলকে জাতীয় পরিষদে একক বৃহত্তম দল হতে বাধা দেয়ার প্রচেষ্টা বলে মনে হচ্ছে।

কী আছে ১৭ অনুচ্ছেদে

পাকিস্তানের সংবিধানের ১৭ (২) অনুচ্ছেদে বলা আছে, সরকারি চাকরিতে না থাকা পাকিস্তানের প্রত্যেক নাগরিকের একটি রাজনৈতিক দল গঠন করার বা সদস্য হওয়ার অধিকার থাকবে। তবে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বা অখণ্ডতার স্বার্থে আইনের মাধ্যমে সেই দলের ওপর যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে।

আরও বলা হয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দল পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব বা অখণ্ডতার জন্য ক্ষতিকর পদ্ধতিতে গঠিত হয়েছে বা এ ধরনের কাজ করছে, কেন্দ্রীয় সরকার এমন ঘোষণা দেয়ার ১৫ দিনের মধ্যে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

আরও পড়ুন:
শেষ মামলায় ইমরান দম্পতি খালাস, কারামুক্তিতে বাধা নেই
বাংলাদেশের উন্নতি দেখে আমাদের লজ্জা হয়: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
পাকিস্তানে মাজারে যাাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৩

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Walton won the gold medal in the National Export Trophy

জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণপদক পেল ওয়ালটন

জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণপদক পেল ওয়ালটন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ‘জাতীয় রপ্তানি ট্রফি’র স্বর্ণপদক গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী। ছবি: ওয়ালটন
পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী বলেন, ‘একসময়ের সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছে। নিঃসন্দেহে এটা অত্যন্ত গর্বের। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটনকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করায় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।’

২০২১-২০২২ অর্থবছরে ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য রপ্তানিতে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণপদক পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।

আগের অর্থবছরেও জাতীয় রপ্তানি ট্রফি অর্জন করেছিল বহুজাতিক এ ইলেকট্রনিকস প্রতিষ্ঠান।

দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৩২টি পণ্য খাতের মোট ৭৭টি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানিতে স্বর্ণ পদক অর্জন করে ওয়ালটন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি।

পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী বলেন, ‘একসময়ের সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছে। নিঃসন্দেহে এটা অত্যন্ত গর্বের। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটনকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করায় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।’

তিনি জানান, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদন শিল্পের টেকসই বিকাশে বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরি করছে ওয়ালটন। বর্তমানে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার ৪০টিরও বেশি দেশে ওয়ালটন রপ্তানি করছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য।

আরও পড়ুন:
বিশ্বমানের হাইটেক পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের ভবিষ্যত তৈরি করেছে ওয়ালটন: জার্মান রাষ্ট্রদূত
ওয়ালটনের স্মার্ট ফ্রিজে যুক্ত হলো ‘এআই ডক্টর’ ফিচার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুম ‘রিলায়েন্স এন্টারপ্রাইজ’ উদ্বোধন
ঈদের আগে ওয়ালটনের নতুন মডেলের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য বাজারে
ওয়ালটন-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল শুরু মঙ্গলবার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Order to dismiss Sonali Lifes five executives stayed in High Court

সোনালী লাইফের পাঁচ নির্বাহীকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টে স্থগিত

সোনালী লাইফের পাঁচ নির্বাহীকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টে স্থগিত
অনিয়ম, দুর্নীতি ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ এনে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে প্রশাসক নিয়োগ করে বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ। ভেঙে দেয়া হয় পরিচালনা পর্ষদ। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ৭ জুলাই নতুন প্রশাসক কোম্পানির শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্তের নির্দেশনা দেন। ওই নির্দেশনা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই পাঁচ কর্মকর্তা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পাঁচ শীর্ষ নির্বাহীকে বরখাস্তের নির্দেশনা স্থগিত করেছে উচ্চ আদালত। একইসঙ্গে কোম্পানির বর্তমান প্রশাসক, আইডিআরএ চেয়ারম্যান ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে তাদের বরখাস্তের আদেশ বাতিল কেন স্থায়ীভাবে হবে না তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের ডিভিশন বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়।

এর আগে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল অনিয়ম, দুর্নীতি ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ এনে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে প্রশাসক নিয়োগ করে বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ। একইসঙ্গে ভেঙে দেয়া হয় তখনকার পরিচালনা পর্ষদ। প্রশাসক হিসেবে সে সময় নিয়োগ পান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌস।

তবে তারপরও সোনালী লাইফে সমস্যার সমাধান হয়নি। নতুন প্রশাসকের বিরুদ্ধে একের পর অভিযোগ আনেন সোনালী ইন্স্যুরেন্সের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ৭ জুলাই নতুন প্রশাসক কোম্পানির শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার নির্দেশনা দেন। সেই তালিকায় ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল কাফী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা, সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মো. আজিম ও সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মঞ্জুর মোর্শেদ।

তবে তাদের বরখাস্তের প্রক্রিয়াটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সোনালী লাইফের এই পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তা। রোববার ওই নির্দেশনা স্থগিত করে আদেশ দেয় উচ্চ আদালত।

এদিকে সোনালী লাইফে টানা পঞ্চম দিনের মতো চলছে আন্দোলন ও কর্মবিরতি। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তাদের পুনরায় নিয়োগসহ আটটি দাবি নিয়ে কঠোর আন্দোলন চলছে রাজধানীর মালিবাগে কোম্পানিটির প্রধান অফিসে।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, অনিয়ম বন্ধের কথা বলে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হলেও তিনি নিজেই নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন।

সোনালী লাইফের সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমদাদুল হক সাহিল অভিযোগ করেন, নতুন করে আরও বহিষ্কারের তালিকা তৈরি করেছেন প্রশাসক। তিনি জানান, শীর্ষ ওই পাঁচ কর্মকর্তার পর আরও ১৩ জনকে ছাঁটাই করেছেন প্রশাসক।

এসব অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানির প্রশাসক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌসের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়।’

এদিকে এমন কর্মবিরতি আর নানা সংবাদ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সোনালী ইন্স্যুরেন্সের অনেক গ্রাহক। অনেকেই প্রধান শাখায় এসে কর্মীদের কাছে জানতে চাচ্ছেন তাদের ইন্স্যুরেন্স পলিসির পরিস্থিতি নিয়ে।

উপরন্তু নতুন করে যারা ইন্স্যুরেন্স করতে আসছেন তারা সেবা পাচ্ছেন না বলেও জানান আন্দোলনকারী কর্মীরা।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Dhaka Chamber calls for reforming the tax system

কর ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

কর ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর আহ্বান ঢাকা চেম্বারের রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই ভবনে রোববার আয়োজিত কর্মশালায় বক্তব্য দেন আশরাফ আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকা চেম্বার সভাপতি বলেছেন, ‘বাজেটে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে পুরো কর ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজাতে হবে। শুধু বিদ্যমান করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ না দিয়ে নতুন করদাতা তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নেও কর ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো প্রয়োজন।’

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বড় অংকের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেটে শুধু রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছে চার লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা।

বর্তমান বাস্তবতায় এনবিআরকে দেয়া রাজস্ব আদায়ের এই লক্ষ্যমাত্রাকে অনেক বিশেষজ্ঞ অবাস্তব বলে উল্লেখ করেছেন। তবে ঢাকা চেম্বার মনে করে বাজেটে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে পুরো কর ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজাতে হবে। শুধু বর্তমান করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ না দিয়ে নতুন করদাতা তৈরির পরামর্শও দিয়েছে এই ব্যবসায়ী সংগঠন।

ঢাকা চেম্বার সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেছেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নেও কর ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন। এতে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত হলে পরিচালন ব্যয় হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসার পরিবেশ আরও সুন্দর হবে।’

রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই ভবনে রোববার ‘শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর এবং আয়কর ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় ডিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠান রাজস্ব ব্যবস্থাপনা মেনে চলবে তাদেরকে পুরস্কৃত করতে হবে। তাহলে ভালো প্রতিষ্ঠানগুলো করদানে উৎসাহিত হবে, কর ফাঁকির প্রবণতা কমে আসবে।’

রাজস্ব আহরণের সব ক্ষেত্রে অটোমেশনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় অটোমেশনের মাধ্যমেই বিদ্যমান বৈষম্য ও ঘাটতি নিরসন করা সম্ভব। রাজস্ব আদায় স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হলে করের জাল সম্প্রসারণ হবে।’

অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বার সভাপতি করপ্রদানকারীরা যেন হয়রানির শিকার না হন সেদিকে নজর দেয়ার জন্য এনবিআর কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। মেশিন দিয়ে কর আদায় বাড়ানো গেলে হয়রানি বন্ধ হবে বলেও মত দেন তিনি।

বিদ্যমান ভ্যাট, আয়কর ও শুল্ক আইনে বেশকিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ রয়েছে উল্লেখ ডিসিসিআইয়ের মেম্বার ব্যবসায়ীদের তিনি সেগুলো মেনে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে এনবিআর কমিশনার মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘বিদ্যমান ভ্যাট আইন সম্পর্কে অনেক ব্যবসায়ী এখনও ভালো জানেন না। এখানে কিভাবে রেয়াত পাওয়া যাবে তা জানলে তাদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা করা সহজ হবে।’

তবে তিনি স্বীকার করেন যে সার্বিকভাবে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে। ফলে করদাতাদের ওপর চাপ কিছুটা হলেও বাড়বে।

আরও পড়ুন:
আইএমএফের ঋণ অনুমোদন স্বস্তির: ঢাকা চেম্বার
‘কর্মী ছাঁটাই না করে টিকে থাকাটা হবে বড় সাফল্য’
বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি বেসরকারি খাতের জন্য চ্যালেঞ্জিং: ডিসিসিআই
মেয়র তাপসের সঙ্গে ডিসিসিআই নেতাদের সাক্ষাৎ
ঢাকা চেম্বারের নতুন সভাপতি সামির সাত্তার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
New exportable products and markets to be found PM

রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার জাতীয় রপ্তানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনকার কূটনীতি হবে বাণিজ্যিক। অর্থনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোন দেশে কোন পণ্য রপ্তানি করা যায়, সেগুলোর বাজার খুঁজে বের করতে হবে ব্যবসায়ীদেরই। বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা হয়েছে।’

রপ্তানি পণ্য বহুমুখী করার আহ্বান জানিয়ে রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজে বের করতে রোববার সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনকার কূটনীতি হবে বাণিজ্যিক। অর্থনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোন দেশে কোন পণ্য রপ্তানি করা যায়, সেগুলোর বাজার খুঁজে বের করতে হবে ব্যবসায়ীদেরই। বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেয়ায় দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করেছে বলেই দেশের অর্থনীতি এগিয়েছে।

‘দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কতটা বাড়ল, সেটা খেয়াল রাখতে হবে তাদের। শুধু বিদেশে রপ্তানি নয়, পণ্য দেশের বাজারেও বাজারজাত করতে হবে ব্যবসায়ীদের।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমরা কেন শুধু গার্মেন্ট সেক্টরের ওপর নির্ভর থাকব? আমরা পণ্য যখন উৎপাদন করব, যখন ডিজাইন, রং এবং একেকটা সময় একেকটা জিনিসের চল আসে। সেটার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের ফ্যাশন ডিজাইন পরিবর্তন করতে হবে।

‘আমরা কোন দেশের কোন বাজারে ঢুকতে পারব, সেটা সরকার থেকে করে দেব, তবে ব্যবসায়ীদেরও নিজেদের পার্টনার নিজেদের খুঁজে নিতে হবে। সেদিকে আপনাদের নিজেদের দৃষ্টি দিতে হবে। নিজেদের উৎপাদক যেমন বাড়াব, রপ্তানি বাড়াব। আবার নিজের দেশের ক্রয়ক্ষমতা বাড়িয়ে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থান আমরা রেখে যাব। শুধু সীমিত কয়েকটা পণ্যের ওপর আমরা আর নির্ভরশীল থাকতে চাই না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৩৩তম অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ। দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে কাজ করার জন্যই শক্তিশালী অর্থনীতি গড়া সম্ভব হয়েছে।

এর আগে পণ্য রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় রফতানি ট্রফি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। ৭৭টি প্রতিষ্ঠানের হাতে ট্রফি তুলে দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পায় একটি প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
চীন সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রী
দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী আজই দেশে ফিরছেন
শি-হাসিনা বৈঠক: বাংলাদেশকে অনুদান ও ঋণ সহায়তা দেবে চীন
২১ সহযোগিতা নথিতে সই ঢাকা-বেইজিংয়ের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Increasing reserves by borrowing is not sustainable Ahsan Mansoor

ধার করে নিয়ে রিজার্ভ বৃদ্ধি টেকসই হয় না: আহসান মনসুর

ধার করে নিয়ে রিজার্ভ বৃদ্ধি টেকসই হয় না: আহসান মনসুর পল্টনে শনিবার ‘বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থার কারণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ড. আহসান এইচ মনসুর। ছবি: নিউজবাংলা
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং অর্থ পাচার বন্ধের মতো টেকসই পথে হেঁটে রিজার্ভ বাড়াতে হবে। প্রবাসী আয়ে যে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে তা বন্ধ করে দেয়া দরকার। কারণ ডলারের দাম বাজারভিত্তিক হয়ে গেছে। এসব প্রণোদনা খাচ্ছে দুবাইয়ের কিছু প্রতিষ্ঠান, যার সঙ্গে যুক্ত স্বার্থান্বেষী মহল।’

দেশের ব্যাংক খাতে নানামুখী সংস্কারের প্রয়োজন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর।

নির্বাচনের আগে আর্থিক খাত সংস্কারে সরকারের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশা জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ। জোর দিয়ে বলেছেন, দেশের ব্যাংক খাতে এখন ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। আর এই প্রয়োজনটা দেশের স্বার্থেই।

রাজধানীর পল্টনে শনিবার ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-ইআরএফ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থার কারণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ড. আহসান এইচ মনসুর এসব কথা বলেন।

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রসঙ্গে ড. মনসুর বলেন, ‘অন্য দেশ বা সংস্থা থেকে ধার করে এনে রিজার্ভ বাড়ানো হচ্ছে, যা কখনোই টেকসই হবে না। রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং অর্থ পাচার বন্ধের মতো টেকসই পথে হেঁটে রিজার্ভ বাড়াতে হবে।’

প্রবাসী আয়ে যে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে তা বন্ধ করে দেয়ার পক্ষে মত দেন ড. মনসুর। ‘ডলারের দাম বাজারভিত্তিক হয়ে গেছে। এসব প্রণোদনা খাচ্ছে দুবাইয়ের কিছু প্রতিষ্ঠান, যার সঙ্গে যুক্ত স্বার্থান্বেষী মহল’, মন্তব্য করেন তিনি।

আহসান মনসুর বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আর্থিক খাতে ব্যাপক সংস্কার আনার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু ছয় মাস পার হলেও কিছুই হয়নি। এটা খুবই হতাশাজনক।

‘আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ বাংলাদেশকে ঋণ দিচ্ছে সেটা ভালো। তবে তাদের দেয়া সংস্কার শর্তগুলো নিজেদের স্বার্থেই পূরণ করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আমানত খেয়ে ফেলেছি। এভাবে কতদিন ব্যাংক চলবে? ব্যাংক খাত নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা দরকার। সেটা বাংলাদেশ ব্যাংককে দিয়ে নয়, করতে হবে সরকারকে। ব্যাংক খাতে আজ কেন এই অবস্থা তা খুঁজে বের করতে হবে।’

‘দেশের অর্থ বাইরে যাওয়া বন্ধ না হলে কাজের কাজ কিছুই হবে না। বর্তমানে ব্যাংকের আমানত ফেরত দেয়ার নিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মানুষের ব্যাংকের প্রতি আস্থা কমে গেছে, যা ফেরাতে হবে। দেশের আর্থিক খাতের এই সংকট মোকাবেলায় রাজনৈতিক সদিচ্ছার বিকল্প নেই, অভিমত দেন এই অর্থনীতিবিদ।

ড. মনসুর বলেন, ‘বর্তমানে টাকা ছাপিয়ে অচল ব্যাংক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোকে রক্ষার নামে টাকা ছাপানো অব্যাহত রাখা হলেও মূল্যস্ফীতি বাড়বে।

‘শুধু তাই নয়, টাকা ছাপিয়ে সরকারকে ঋণ দিলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে না। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে টাকা ছাপানো বন্ধের বিকল্প নেই।’

তথ্য লুকানোর অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘খেলাপি ঋণ ১১ শতাংশ বলা হলেও তা আসলে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। এই খাতের প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করে কার্পেটের নিচে রেখে দিলে একসময় গন্ধ বের হবে। এভাবে সমস্যা জিইয়ে রাখলে কোনো সমাধান আসবে না।

‘ঋণ আদায় না করে ঋণের সুদকে আয় দেখিয়ে মুনাফা দেখাচ্ছে অনেক ব্যাংক। সেই মুনাফার অর্থ থেকে দেয়া হচ্ছে লভ্যাংশ। সরকারকে ট্যাক্সও দিচ্ছে তারা। আসলে কোনো আয়ই হয়নি, উল্টো আমানতের অর্থ লুটে খাচ্ছে। ঘরের থালাবাটি বেচে ব্যাংকগুলো কোরমা-পোলাও খাচ্ছে।’

এভাবে চললে ব্যাংকগুলো গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে পারবে না বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘ডাল মে কুচ কালা হ্যায়’: ড. দেবপ্রিয়
মানবসম্পদ উন্নয়ন না হলে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের ফাঁদে পড়ার শঙ্কা
‘এনবিআরের মূল সমস্যা লিডারশিপ’
প্রবৃদ্ধিতে না তাকিয়ে মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The teachers federation is silent on the discussion in the meeting

বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে আপাতত চুপ শিক্ষক ফেডারেশন

বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে আপাতত চুপ শিক্ষক ফেডারেশন শনিবার ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক শেষে মিডিয়ার মুখোমুখি শিক্ষক নেতারা। কোলাজ: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক বিষয়ে শিক্ষক ফেডারেশনের মহাসচিব অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে কোনো কথা বলব না। আমাদের তিন দফা দাবি নিয়ে ওনাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে, তারপর মিডিয়াকে জানাব।’

সার্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম প্রত্যাহারসহ আরও দুই দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তবে বৈঠক আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে আপাতত গণমাধ্যমকে জানাবেন না বলে জানিয়েছেন শিক্ষক ফেডারেশনের মহাসচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া।

শনিবার দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক শেষে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক নিজামুল বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে কোনো কথা বলব না। আমাদের তিন দফা দাবি নিয়ে ওনাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে, তারপর মিডিয়াকে জানাব।’

আপনাদের দাবি তো সরকারের কাছে, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনায় এলেন কেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষক ফেডারেশনের মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক একজন জাতীয় নেতা। প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শে তিনি আমাদের সঙ্গে বসেছেন।

‘ওবায়দুল কাদের, তিনি রাষ্ট্রের সেকেন্ড ম্যান। ওনার সঙ্গে আমাদের দাবি নিয়ে খুব খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।’

বৈঠকে উপস্থিত থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনিও একই অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো কথা বলব না। ওনাদের সঙ্গে যেসব বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে সেসবের অনেক কিছু নিয়েই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করার বিষয় রয়েছে। আজ রাতে ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমরা বসব। সেখানে আলোচনা হবে এরপর আমরা একটি সিদ্ধান্ত নেব।

ড. জিনাত হুদা বলেন, ‘প্রতিনিধিদের নিয়ে ফেডারেশনের বৈঠকের পর স্ব-স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি তাদের শিক্ষকদের সঙ্গে বসে এসব বিষয় জানাবেন। পরে ওনারা কী বলেন সেটির ওপর ভিত্তি করে আমাদের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় (ওবায়দুল কাদের) আমাদেরকে বলেছেন যে প্রত্যয় স্কিমটি ২০২৪ সাল নয়, ২৫ সালের জুলাই থেকে ইমপ্লিমেন্ট হবে। এরপর আমরা আমাদের ব্যাখ্যাটা ওনাকে দিয়েছি। কারণ এটি সবাই জানে.....। আচ্ছা যাই হোক, এখন আর বেশি কথা না বলি।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: কাদের

মন্তব্য

p
উপরে