× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Infinix Note 40 series in domestic market with MagCharge technology
google_news print-icon

ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ

ম্যাগচার্জ-প্রযুক্তি-নিয়ে-দেশের-বাজারে-ইনফিনিক্সের-নোট-৪০-সিরিজ
আগামী ১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে ইনফিনিক্সের অফিশিয়াল রিটেইলার ও অনলাইনে পাওয়া যাবে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজের স্মার্টফোনগুলো। ছবি: ইনফিনিক্স
অত্যাধুনিক চার্জিং প্রযুক্তি, চমৎকার পারফরম্যান্স এবং সফটওয়্যার আপডেটের প্রতিশ্রুতি নিয়ে বাজারে এসেছে ফোনগুলো।

তরুণদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে বদলে দিতে বাংলাদেশের বাজারে নতুন স্মার্টফোন সিরিজ ‘নোট ৪০’ নিয়ে এসেছে ট্রেন্ডি প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স।

এ সিরিজে থাকছে দুটি মডেল ইনফিনিক্স নোট ৪০ ও ইনফিনিক্স নোট ৪০ প্রো।

অত্যাধুনিক চার্জিং প্রযুক্তি, চমৎকার পারফরম্যান্স এবং সফটওয়্যার আপডেটের প্রতিশ্রুতি নিয়ে বাজারে এসেছে শক্তিশালী এ ফোনগুলো।

ইনফিনিক্সের নতুন এ স্মার্টফোন সিরিজের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে যুক্ত হয়েছে ম্যাগনেটিক চার্জিং। ম্যাগচার্জ নামক এই ওয়্যারলেস ম্যাগনেটিক চার্জিং প্রযুক্তিটি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। অলরাউন্ড ফাস্টচার্জ ২.০-এর আওতায় এই প্রযুক্তি এনেছে ইনফিনিক্স। এর সাহায্যে যেকোনো পরিস্থিতিতে ও যেকোনো আবহাওয়ায় সহজেই ফোনে চার্জ দেয়া সম্ভব হবে।

নতুন প্রযুক্তিটির মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ম্যাগনেটিক চার্জিংয়ের যাত্রা শুরু করার মাধ্যমে সুবিধাজনক চার্জিংয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণে আরও এক ধাপ উন্নতি হলো বলে মনে করছে ইনফিনিক্স।

নোট ৪০ সিরিজের দুটি ফোনেই আছে ২০ ওয়াটের ওয়্যারলেস ম্যাগচার্জ ও রিভার্স চার্জের সুবিধা। ঘরে ও বাইরে যেকোনো সময় স্মার্টফোন চার্জ করা যাবে সুবিধাজনক, বহনযোগ্য ও শক্তিশালী এই ম্যাগচার্জ প্রযুক্তির মাধ্যমে।

নতুন এ স্মার্টফোন সিরিজের সঙ্গে ক্রেতারা বিনা মূল্যে পাবেন ম্যাগকেস নামের ম্যাগনেটিক ব্যাক কাভার। এ ছাড়াও নোট ৪০-এর সঙ্গে উপহার হিসেবে থাকবে ম্যাগপ্যাড নামক ম্যাগনেটিক চার্জিং প্যাড এবং নোট ৪০ প্রোর সঙ্গে থাকবে ম্যাগপাওয়ার নামক ম্যাগনেটিক পাওয়ার ব্যাংক।

ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজে আরও যুক্ত করা হয়েছে ইনফিনিক্সের নিজস্ব তৈরি পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট চিপ- চিতা এক্স১।

ব্যাটারির ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে এই চিপ। প্রচলিত চিপের চেয়ে চিতা এক্স১ এর সক্ষমতা ২০৪ শতাংশ বেশি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ৬ ন্যানোমিটারের মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৯ আল্টিমেট প্রসেসর। ফলে এই ফোনগুলো গেমার ও হেভি ইউজারদের দেবে অন্যরকম পারফরম্যান্স ও কার্যকারিতা।

সারা দিন ধরে ব্যবহারের সুবিধার জন্য নোট ৪০ এবং নোট ৪০ প্রো উভয় ফোনেই আছে ৫০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের অল-রাউন্ড ফাস্ট-চার্জ ব্যাটারি।

৭০ ওয়াটের মাল্টি-স্পিড ফাস্ট চার্জিংয়ের মাধ্যমে স্মার্টফোন চার্জে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে নোট ৪০ প্রো। তিনটি ভিন্ন চার্জিং মোডে ১৬ মিনিটেই শূন্য থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ হবে এ ফোন।

অন্যদিকে নোট ৪০-এর ৪৫ ওয়াট অলরাউন্ড ফাস্ট চার্জ সব পরিস্থিতিতেই ফোনের ব্যবহারকে সহজ করে তুলবে।

ফোনের ডিসপ্লের ক্ষেত্রে এ সিরিজে নতুন কৌশল এনেছে ইনফিনিক্স। প্রাণবন্ত ভিজ্যুয়াল দিতে নোট ৪০ সিরিজের দুটি ফোনেই আছে ৬.৭৮ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের রেসপন্সিভ টাচ স্ক্রিনে নিরাপত্তা জোরদারে দেয়া হয়েছে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর। আর ফোনের ডিজাইনে আভিজাত্যের ছোঁয়া দিতে নোট ৪০ প্রোতে আছে বেজেলবিহীন থ্রিডি কার্ভড ডিসপ্লে।

আলোকচিত্রপ্রেমীদের জন্য এ সিরিজের ফোনে প্রধান ক্যামেরা হিসেবে আছে ওআইএস সাপোর্টসহ শক্তিশালী ১০৮ মেগাপিক্সেলের সুপার-জুম ক্যামেরা এবং ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। আধুনিক ইন-সেন্সর জুম প্রযুক্তির সাহায্যে নোট ৪০ সিরিজের ফোনে উন্নতমানের ইমেজ পাওয়া যাবে। ফোনটিতে ৩ গুণ জুমেও পরিষ্কার ছবি তোলা সম্ভব হবে।

এবারের নোট ৪০ সিরিজের ফোনগুলোতে পাওয়া যাবে ২ বছরের অ্যান্ড্রয়েড আপডেটসহ ৩৬ মাসের সিকিউরিটি প্যাচ। এ ছাড়াও ফোনের পেছনের অংশ থেকে বিশেষ ধরনের লাইটিংয়ের জন্য এতে যুক্ত করা হয়েছে অ্যাকটিভ হেলো লাইটিংয়ের মতো এআই প্রযুক্তি। চমৎকার অডিওর জন্য নোট ৪০ সিরিজের ডুয়েল স্পিকারে আছে জেবিএল-এর প্রযুক্তির সমন্বয়।

৮ জিবি র‌্যাম ও ২৫৬ জিবি ধারণক্ষমতার নোট ৪০ প্রোর বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ১২ জিবি র‌্যাম ও ২৫৬ জিবি সংস্করণটির বাজারমূল্য ৩৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। ভিন্টেজ গ্রিন ও টাইটান গোল্ড রঙে মিলছে ফোনটি।

অন্যদিকে ৮ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি ধারণক্ষমতার নোট ৪০ মডেলটির বাজারমূল্য ২৬ হাজার ৯৯৯ টাকা। এ ফোন পাওয়া যাচ্ছে টাইটান গোল্ড ও অবসিডিয়ান ব্ল্যাক রঙে।

আগামী ১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে ইনফিনিক্সের অফিশিয়াল রিটেইলার ও অনলাইনে পাওয়া যাবে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজের স্মার্টফোনগুলো।

আরও পড়ুন:
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ম্যাগনেটিক চার্জিং প্রযুক্তি আনল ইনফিনিক্স
যে তিন কারণে আলাদা ইনফিনিক্স ল্যাপটপ
বাজারে এলো ইনফিনিক্সের গেমিং স্মার্টফোন হট ৪০ প্রো
ফ্ল্যাশ লাইট বনাম রিং লাইট: কোনটি বেশি উপযোগী
দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের ইনবুক সিরিজের দুই ল্যাপটপ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The high price of daily products is increasing the sweat of the consumer Dozen 160 eggs
বাজার দর

নিত্যপণ্যের উচ্চ মূল্যে ভোক্তার ঘাম বাড়ছে, ডিমের ডজন ১৬০

নিত্যপণ্যের উচ্চ মূল্যে ভোক্তার ঘাম বাড়ছে, ডিমের ডজন ১৬০
বেসরকারি চাকুরে আবুল হোসেন বলেন, ডলারের বিপরীতে টাকার মান ৮৪ থেকে ১১৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ভোক্তদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি জ্বালানির দামও বেড়েছে, বেড়েছে সুদ হার। এসবের প্রভাব পড়েছে ভোক্তা বাজারে।

উচ্চ সুদ হারের মধ্যে দ্রব্যমূল্য বাড়তে থাকায় মূল্যস্ফীতির প্রভাবে হিমশিম খাচ্ছেন রাজধানী ঢাকার বাসিন্দারা।

গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বেড়েছে মাছ, ডিম, শাকসবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ প্রায় সব ভোগ্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে ডিমের বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা। ডজনে দাম বেড়েছে ২৫ টাকা।

শাকসবজি, মাংস, মুরগি ও মাছের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও চড়া দাম রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন পেশার একাধিক ক্রেতা।

ইউএনবির সঙ্গে আলাপকালে তারা বলেন, প্রায় সব ধরনের শাকসবজি, মাছ, মুরগি, মাংসসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অনেক বেড়েছে।

একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, ডলারের বিপরীতে টাকার মান ৮৪ থেকে ১১৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ভোক্তদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি জ্বালানির দামও বেড়েছে, বেড়েছে সুদ হার। এসবের প্রভাব পড়েছে ভোক্তা বাজারে।

আবুল হোসেনের মতো একই কথা জানালেন আরও অনেকে।

গত ১০ দিন ধরে ডিমের দাম বেড়েই চলেছে। শুক্রবার রাজধানীতে প্রতি ডজন ডিম ১৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। সে হিসাবে গত দুই সপ্তাহে দাম বেড়েছে ২৫ টাকা।

কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর, মহাখালী, মালিবাগসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

ব্রয়লার মুরগি ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সোনালি মুরগির দাম গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। আকার ও মান ভেদে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩৫ টাকায়। সোনালি মুরগি আকার ও মান ভেদে কেজিপ্রতি ৩৪৫ থেকে ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে প্রতি কেজি কক মুরগি ৩৭০ থেকে ৩৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ও দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৬৭০ থেকে ৭৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগির খাবার ও ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম বাড়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

শুক্রবার মান ভেদে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়, যা সপ্তাহের অন্যান্য দিনের চেয়ে কেজিতে ৩০ টাকা বেশি।

মান ভেদে খাসির মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে ১ হাজার ১৮০ টাকায়। সে হিসাবে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার কারওয়ান বাজার মাছের বাজারে ৪৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায়।

রুই ও কার্প জাতীয় মাছ কেজি হিসেবে ও মান অনুযায়ী ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। নদীর ছোট মাছসহ অন্যান্য মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে।

বিগত বছরগুলোর তুলনায় সবজির দাম এখনও চড়াই রয়েছে। অন্যদিকে দাম বাড়ার জন্য মূল্যস্ফীতিকে দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার প্রতি কেজি বেগুন, ঢেঁড়স, সজনে, শিম, করলাসহ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গোল বেগুন বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি।

অন্যদিকে মৌসুম শেষ হওয়ায় বেড়েছে টমেটোর দাম। ভালো মানের টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে।

অন্যান্য সবজি প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লাউ, চালকুমড়া ও ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুন ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা ও আদা ২০০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাল, গম, আটা, দুধ, সয়াবিন, সুগন্ধি চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মেহেরপুরে গরুর মাংস ৭৩০, পেঁয়াজের সেঞ্চুরি
পেঁয়াজ: রোববার কোন জেলায় কত ছিল দাম
দেশজুড়ে পেঁয়াজের বাজারে নৈরাজ্য চলছে
আলু পেঁয়াজ ডিমের দাম কঠোরভাবে তদারকি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাজারে আগুন, ডিম-সবজি-মাছের দাম বাড়ছেই

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Before Eid Waltons new model of energy saving products is in the market

ঈদের আগে ওয়ালটনের নতুন মডেলের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য বাজারে

ঈদের আগে ওয়ালটনের নতুন মডেলের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য বাজারে ঈদ উপলক্ষে ওয়ালটনের নতুন মডেলের পণ্য উন্মোচন করছেন ওয়ালটনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। ছবি: ওয়ালটন

আসছে ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ চমক হিসেবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার সমৃদ্ধ ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নতুন মডেলের পণ্য উন্মোচন করেছে ওয়ালটন।

নতুন মডেলের পণ্যের মধ্যে রয়েছে ইনভার্টার প্রযুক্তির মাল্টি কালার ডিজাইনের সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর, ইউরোপিয়ান ডিজাইনের কম্বি মডেলের রেফ্রিজারেটর, ভার্টিকাল ফ্রিজার, চকোলেট কুলারসহ মোট ৭টি মডেলের ফ্রিজ।

এ ছাড়াও আছে সোলার হাইব্রিড প্রযুক্তির স্প্লিট টাইপ এসি, ৪ ও ৫ টনের সিলিং এবং ক্যাসেট টাইপ লাইট কমার্শিয়াল এসি, ৬৫ ইঞ্চির ওএলইডি টিভি, ওয়াশিং মেশিন ও বিএলডিসি ফ্যান।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় ওয়ালটন করপোরেট অফিসের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন মডেলের প্রোডাক্ট উন্মোচন করেন ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রায়হান।

অনুষ্ঠানে সারা দেশে একযোগে চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ অফারের বর্ণাঢ্য র‌্যালিও উদ্বোধন করা হয়।

নতুন মডেলের পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর দিদারুল আলম খান (চিফ মার্কেটিং অফিসার), মফিজুর রহমান, ফিরোজ আলম, মো. তানভীর রহমান, তাহসিনুল হক, সোহেল রানা, মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

এছাড়া ভার্চুয়াল মাধ্যমে সারা দেশ থেকে ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার ও পরিবেশকগণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।

আরও পড়ুন:
ওয়ালটন-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল শুরু মঙ্গলবার
ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে লাখ টাকার ভাউচার জিতলেন শিক্ষক এনামুল
ওয়ালটন ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ ক্যাম্পেইনের মেয়াদ বাড়ল ২ মাস

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Pakistani Dresses Becheni Lekhni Collection by Sanvis By Tani Consumer Affairs
ভোক্তা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি

সানভী’স বাই তনির কাছে পাকিস্তানি ড্রেস বেচেনি লাখানি কালেকশন

সানভী’স বাই তনির কাছে পাকিস্তানি ড্রেস বেচেনি লাখানি কালেকশন সম্ভাব্য ক্রেতাদের উদ্দেশে জামা নিয়ে কথা বলছেন সানভী’স বাই তনির স্বত্বাধিকারী তনি। ছবি: ফেসবুক পেজ
অভিযানে প্রাপ্ত তথ্যের বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অভিযানে দেখা যায়, Sanvee's By Tony কর্তৃক পাকিস্তানি ড্রেস নামে যে ড্রেস বিক্রি করা হয়েছে, তা Lakhani Collection-এর স্বত্বাধিকারী তা বিক্রি করেনি মর্মে লিখিত দিয়েছেন। Lakhani Collection পাকিস্তানি বলে ড্রেস বিক্রি করলেও পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট/ইমপোর্টের কাগজপত্র বা কোনো ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি।’

অনলাইনে নারীদের পোশাক বিক্রির আলোচিত প্রতিষ্ঠান সানভী’স বাই তনির কাছে লাখানি কালেকশন নামের প্রতিষ্ঠানটি পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করেনি বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে।

নারীদের জামাকাপড় বিক্রির ঢাকাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সানভী’স বাই তনি। প্রতিষ্ঠানটির ২০ লাখ ফলোয়ার সংবলিত ফেসবুক পেজের ইন্ট্রোতে লেখা আছে, ‘অনলাইনে এবং শোরুম জগতে আস্থার প্রতীক সানভীস বাই তনি। আমরা অগ্রিম কোনো বিকাশ নিই না। আমরা সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি দিয়ে থাকি।’

ভোক্তা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘একজন অভিযোগকারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৩ মে, ২০২৪ Sanvee's By Tony (সানভী’স বাই তনি), পুলিশ প্লাজা, গুলশান, ঢাকায় সরেজমিনে তদন্ত করে পাকিস্তানি ড্রেস ক্রয়ের পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটি জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ১৪ মে, ২০২৪ অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে উক্ত পাকিস্তানি ড্রেস Lakhani Collection (লাখানি কালেকশন), ঠিকানা: ৫১৮/৫১৯ সুবাস্তু অ্যারোমা শপিং কমপ্লেক্স, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা থেকে ক্রয় করেছেন মর্মে জানান।

‘এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের স্বার্থে এবং Sanvee's By Tonyর তথ্যের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ (বুধবার) ১৫-০৫-২০২৪ তারিখ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।’

অভিযানে প্রাপ্ত তথ্যের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অভিযানে দেখা যায়, Sanvee's By Tony কর্তৃক পাকিস্তানি ড্রেস নামে যে ড্রেস বিক্রি করা হয়েছে, তা Lakhani Collection-এর স্বত্বাধিকারী তা বিক্রি করেনি মর্মে লিখিত দিয়েছেন। Lakhani Collection পাকিস্তানি বলে ড্রেস বিক্রি করলেও পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট/ইমপোর্টের কাগজপত্র বা কোনো ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি।

‘Lakhani Collection পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করলেও যেখান থেকে ক্রয় করেছেন, তার পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট/ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি। এ সকল ড্রেস বিক্রির ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি এবং কিছু ক্যাশ মেমো পাওয়া যায়, যেখানে প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা দেয়া নেই।’

লাখানি কালেকশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘উল্লেখিত অপরাধে Lakhani Collection-এর সকল প্রকার কার্যক্রম জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধের আদেশ দেয়া হয় এবং আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য বলা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

এ বিষয়ে জানতে সানভী’স বাই তনির পেজে দেয়া নম্বরে একাধিকবার কল করেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:
মানিকগঞ্জে যানজট নিরসনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ফরিদপুরে যৌনপল্লি থেকে দুই তরুণী উদ্ধারের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে এলো কল্লোল গ্রুপ
মেয়াদোত্তীর্ণ পাউডার দিয়ে সফট ড্রিংকস বানানো কারখানা সিলগালা
ময়মনসিংহে তিন হাসপাতাল এক ক্লিনিক সিলগালা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Garment workers will get compensation for accidents on the way to work

কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের পথে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাকশ্রমিকরা

কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের পথে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাকশ্রমিকরা ছবি: সংগৃহীত
যাতায়াতকালীন দুর্ঘটনাকে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত উল্লেখ করা আছে। যেমন- ঘটনা কারখানার বাইরে ঘটতে হবে, কারখানার সঙ্গে তাদের যুক্ততার রেকর্ড থাকতে হবে।

পোশাকশ্রমিকরা কর্মক্ষেত্রে যাওয়া-আসার পথে দুর্ঘটনায় পড়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তবে এখন থেকে এ ধরনের দুর্ঘটনা ‘শিল্প দুর্ঘটনা’ হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশে এর আগে এই নিয়ম শুধু কর্মক্ষেত্রের ভেতরে সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমান নিয়মের সুবাদে এ ধরনের দুর্ঘটনার শিকার পোশাকশ্রমিকরা ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবেন।

অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (ইআইএস) পাইলটের গভর্নেন্স বোর্ড সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অষ্টম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ‘যাতায়াত দুর্ঘটনা’-কে ‘শিল্প দুর্ঘটনা’ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্তের পাইলটিং কার্যকর হবে।

ইআইএস পাইলটের গভর্নেন্স বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্তটি নিয়োগকর্তাদের সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, বাংলাদেশের শিল্প ও শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিল্প দুর্ঘটনার মধ্যে যাতায়াতকালের দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

সভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও’র কারিগরি বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের সম্প্রসারণের কারিগরি ও আর্থিক দিকগুলোর মূল পয়েন্টগুলো তুলে ধরেন। যাতায়াতকালীন দুর্ঘটনাকে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত উল্লেখ করা আছে। যেমন- ঘটনা কারখানার বাইরে ঘটতে হবে, কারখানার সঙ্গে তাদের যুক্ততার রেকর্ড থাকতে হবে।

নিয়োগকর্তাদের সংগঠনগুলো পাইলট স্কিমের আওতায় ১ জুলাই থেকে যাতায়াত দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করতে সম্মত হয়েছে জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমরা সামাজিক সুরক্ষার জন্য শ্রমিকদের মৌলিক অধিকারকে সমর্থন করি এবং নতুন সুবিধাগুলো বিবেচনা করতে পেরে খুশি হবো যদি সেটি শিল্পের প্রতিযোগিতাকে প্রভাবিত না করে।’

শ্রমিক প্রতিনিধিরাও এ উদ্যোগে সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তারা বলছেন, তৈরি পোশাক খাত তুলনামূলকভাবে নিরাপদ খাত। তবে সড়ক পথে যাতায়াত এই কাজের সবচেয়ে ভয়াবহ অংশ। তাই যাতায়াত দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণের অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।

আইএলও অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি বেনিফিট কনভেনশন নং ১২১ (সি-১২১)-এর ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে সদস্য দেশগুলোকে শিল্প দুর্ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং যার মধ্যে একটি যাতায়াত দুর্ঘটনাকে শিল্প দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এমন শর্তগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০২২ সাল থেকে ইআইএস পাইলট তৈরি পোশাক খাতের আহত শ্রমিক ও মৃত শ্রমিকদের কর্মস্থলজনিত দুর্ঘটনার জন্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে আসছে।

আইএলওর বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পুটিয়াইনেন বলেন, ‘যাতায়াত দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এই উদ্যোগটি শ্রমিকদের সুরক্ষা বৃদ্ধি করবে এবং শিল্প সম্পর্কের উন্নতি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

আইএলও এবং জিআইজেড যৌথভাবে অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম পাইলট বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার, নিয়োগকর্তা এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। আইএলও উদ্যোগটি নেদারল্যান্ডস এবং কানাডা সরকার দ্বারা অর্থায়ন করা হয়। অন্যদিকে জিআইজেড উদ্যোগটি জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএমজেড) দ্বারা অর্থায়ন করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার বাংলাদেশের শ্রম আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সঙ্গে তিন দিনের বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের বিষয়ে আইএলও কিছু পরামর্শ দিতে চায়, যাতে আইনটি আরও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়। সংস্থার কমিটি অফ এক্সপার্ট আইনটা দেখেছে এবং পড়েছে। সেখানে তারা আন্তর্জাতিক মান নিয়ে কিছু সুপারিশ দিয়েছে।’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mother vessel arrived at Payra port terminal for the first time

পায়রা বন্দর টার্মিনালে প্রথমবার ভিড়ল মাদার ভেসেল

পায়রা বন্দর টার্মিনালে প্রথমবার ভিড়ল মাদার ভেসেল পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দরে প্রথম টার্মিনাল জেটিতে ভিড়েছে মাদার ভেসেল জেন। ছবি: নিউজবাংলা
২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ জাহাজটির প্রস্থ ৩৩ মিটার। এই মাদার ভেসেলের এর ফ‌লে পায়রাবন্দ‌রের প্রথম টা‌র্নিমা‌লের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভা‌বে সফলভাবে চালু করা গে‌ছে ব‌লে ম‌নে ক‌রেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

প্রতি‌নি‌ধি, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দরে নবনির্মিত প্রথম টার্মিনালের জেটিতে প্রথমবারের মতো একটি বিদেশি মাদার ভেসেল ভিড়েছে।

বুধবার ‌শেষ বিকেলে বন্দরের জেটিতে ২৪ হাজার টন লাইমস্টোন নিয়ে পরীক্ষামূলকভা‌বে নোঙ্গর করে পানামার পতাকাবাহী ‘জেন’ নামের মাদার ভেসেলটি।

প্রথম টা‌র্মিনা‌লের জে‌টি‌তে পরীক্ষামূলকভা‌বে বি‌দেশি বড় জাহাজ ভেড়ার এ ঘটনাকে বন্দরের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে উচ্ছ্বসিত বন্দরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, জাহাজটি ১০ মে দুবাইয়ের ফৌজিয়া বন্দর থেকে ৫০ হাজার ৫০০ টন লাইমস্টোন নিয়ে পায়রার আউটারে এসে পৌঁছে। পরে আউটার থে‌কে ২৬ হাজার ৫০০ টন লাইমস্টোন লাইটারের মাধ্যমে খালাস করে বন্দ‌রে নি‌য়ে আসা হয়।

২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ জাহাজটির প্রস্থ ৩৩ মিটার। এর ফ‌লে পায়রাবন্দ‌রের প্রথম টা‌র্নিমা‌লের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভা‌বে সফলভাবে চালু করা গে‌ছে ব‌লে ম‌নে ক‌রেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The Prime Minister has approved the budget of 8 lakh crore rupees
জাতীয় সংসদে পেশ ৬ জুন

৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী বাজেটেও বিলাসবহুল পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করার পক্ষে মতামত দিয়েছেন। চলতি অর্থবছরের মতো আগামী বাজেটেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য আট লাখ কোটি টাকার বাজেটে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৬ জুন জাতীয় সংসদে এই বাজেট উপস্থাপন করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সরকার প্রধান আগামী বাজেটেও বিলাসবহুল পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করার পক্ষে মতামত দেন। চলতি অর্থবছরের মতো আগামী বাজেটেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিফলন হয় কি না তা দেখতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা বাজেটে তার প্রতিফলন ঘটেছে বলে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সোমবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) বৃদ্ধি, আমদানি নিয়ন্ত্রণ, সতর্কতার সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি ও এ জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, বৈধ চ্যানেলে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আয় বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালাম, অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. শহীদুজ্জামান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, অর্থ সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ অর্থ বিভাগ, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী অনলাইনে সভায় সংযুক্ত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh emerging as growth hotspot Industries Minister

বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির হটস্পট হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী

বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির হটস্পট হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সামিটে বক্তব্য দেন নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সামিটে মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারণের ফলে বৈশ্বিক কোম্পানিগুলো এখানে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করছে। গত এক দশকে বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ৭ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।’

ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ টেকসই অনুশীলনের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির হটস্পট হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেছেন, দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারণের ফলে বৈশ্বিক কোম্পানিগুলো এখানে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করছে। গত এক দশকে বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ৭ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে চতুর্থ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সামিট-২০২৪ এর ‘কী অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাড্রেস সেশন'’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিশ্বখ্যাত নলেজ শেয়ারিং কোম্পানি ‘বিগমিন্ট’ দু’দিনব্যাপী এই সামিটের আয়োজন করেছে। এতে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ইতালি, চীন, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, বেলজিয়ামসহ ২৫টি দেশের স্টিল, সিমেন্ট, শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রি ও পাওয়ার সেক্টরের প্রায় ৫০০ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘১৭২ মিলিয়ন জনসংখ্যার এদেশে রয়েছে একটি বড় ভোক্তা বাজার ও বিশাল জনসম্পদ। চীন, জাপান, ভারত, কোরিয়ার মতো উন্নত ও বৃহৎ দেশগুলো বাংলাদেশে বড় আকারে বিনিয়োগ করছে। এর ফলে আমাদের বৈশ্বিক বাণিজ্যের পরিসর ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। প্রধান শিল্প টেক্সটাইল ছাড়াও আমরা অন্য মূল শিল্পগুলোতে বৈচিত্র্যের দিকে নজর দিচ্ছি।’

‘বিগমিন্ট’-এর বাংলাদেশ পার্টনার দিলশাদ আহমেদের সভাপতিত্বে সেশনটিতে প্যানেল আলোচক ছিলেন এই ট্রেড সামিটের উদ্বোধক বিশিষ্ট শিল্পপতি সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

ঢাকায় নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ও বিএসআরএম-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমের আলী হোসেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘দুদিনের এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সামিট শিল্প খাতের নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীসহ ইস্পাত, সিমেন্ট এবং বিদ্যুৎ খাতের মূল স্টেকহোল্ডারদের একত্রিত করছে। তাছাড়া এটি এসব সেক্টরে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন, পারস্পরিক নেটওয়ার্ক সৃষ্টি এবং বাজারের প্রবণতা, সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে।’

সেশনটিতে স্টিল, সিমেন্ট ও শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রি এবং পাওয়ার সেক্টরসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও পরামর্শকরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
শুধু স্বীকৃতি নয়, পণ্যের মানের দিকেও নজর দিতে হবে
ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: শিল্পমন্ত্রী
‘আমি বরই দিয়ে ইফতার করব, আর তুই খেজুর-আঙুর খাবি?’
আঙুর-খেজুর ছেড়ে বরই পেয়ারায় ইফতার করুন: শিল্পমন্ত্রী
তাসখন্দে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান বিজনেস সামিট

মন্তব্য

p
উপরে