× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Minimum age of bank managers is 30 not more than 3 in a family
google_news print-icon

৩০ বছর বয়সের আগে ব্যাংক পরিচালক নয়

৩০-বছর-বয়সের-আগে-ব্যাংক-পরিচালক-নয়
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একটি ব্যাংকের পরিচালক সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ২০ জন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হবেন তিনজন। তবে ২০ জনের কম পরিচালক থাকলে দুজনের বেশি স্বতন্ত্র পরিচালক থাকতে পারবেন না। একই সঙ্গে এক পরিবার থেকে তিনজনের বেশি সদস্য পরিচালক হতে পারবেন না বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

‘ব্যাংক কোম্পানি আইন’ অনুযায়ী পরিচালকদের দায়িত্ব নির্ধারণ করে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠনসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংকিং খাতে গতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। খবর ইউএনবির

প্রজ্ঞাপনটি শিগরিগরই বাস্তবায়নের জন্য সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একটি ব্যাংকের পরিচালক সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ২০ জন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হবেন তিনজন। তবে ২০ জনের কম পরিচালক থাকলে দুজনের বেশি স্বতন্ত্র পরিচালক থাকতে পারবেন না। একই সঙ্গে এক পরিবার থেকে তিনজনের বেশি সদস্য পরিচালক হতে পারবেন না বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

এতে বলা হয়, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ন্যূনতম বয়স হতে হবে ৩০ বছর এবং ১০ বছরের ব্যবসা ব্যবস্থাপনা বা পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলোতে সুশাসন নিশ্চিত করতে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য উপযুক্ত ও পেশাগত দিক থেকে যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালিত হয় মূলত আমানতকারীদের টাকায়। এক্ষেত্রে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা অপরিহার্য। এ কারণে একটি ব্যাংক কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে ২০২৩ সালে ব্যাংক-কোম্পানি আইনে সংশোধনী আনা হয়।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত
দুর্বল ব্যাংককে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার পক্ষে অর্থমন্ত্রী
খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল ৬৩% বেড়েছে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
In the week before Eid remittances of 45 million dollars came

ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় দর বাড়ার ঘটনায় মার্চে রেমিট্যান্স দুশ’ কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে। এপ্রিলের প্রথম পাঁচ দিনে রেমিট্যান্সে এই বাড়তি গতির মূল কারণ প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন।

ঈদের আগের সপ্তাহে (১ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত) প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। রেমিট্যান্সে এই বাড়তি গতির মূল কারণ প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন।

ব্যাংকাররা বলছেন, গত মার্চ মাসে প্রতি সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। সে হিসাবে, এপ্রিলের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স ভালোই এসেছে। মূলত, প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠানোর কারণেই বেড়েছে রেমিট্যান্স।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, টানা দু’মাস রেমিট্যান্স আয়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার পর ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় দর বাড়ার ঘটনায় মার্চে রেমিট্যান্স দুশ’ কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে।

মার্চে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৯৯ কোটি ডলার দেশে পাঠান। ফেব্রুয়ারিতে তা ছিল ২১৬ কোটি ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আগের বছরের একই মাসের ২০২ কোটি ডলারের তুলনায় গত মার্চে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ রেমিট্যান্স কম এসেছে।

ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চ মাসের বেশিরভাগ দিনে ডলারের বিনিময় দর কমে দাঁড়ায় ১১২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১১৩ টাকায়। সে তুলনায় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ডলারের দর ছিল ১২০ থেকে ১২২ টাকা পর্যন্ত।

তারা বলছেন, ডলারের দাম কমার এই ঘটনা প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করে। আর তার প্রভাব পড়ে রেমিট্যান্সের সার্বিক চিত্রে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী আয়ে ইসলামী ব্যাংকের নতুন রেকর্ড
রেমিট্যান্সে গতি, ডিসেম্বরে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে
বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে: বিশ্বব্যাংক
নভেম্বরে এলো ২১ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স
বিদেশি মুদ্রায় দেশের ব্যাংকে আমানত রাখার সুযোগ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Basic Bank is merging with City Bank

সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক

সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক
সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৯ মার্চ একীভূতকরণের সুপারিশ করার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সংযুক্তিকরণ সত্ত্বেও আগামী তিন বছর দুই ব্যাংক আলাদাভাবে তাদের আর্থিক হিসাব দেবে।

দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চলেছে বেসিক ব্যাংক। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এবং সিটি ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৈঠকে সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিনের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে এই কৌশলগত একীভূতকরণের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়। সূত্র: ইউএনবি

বেসিক ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের মধ্যে একীভূতকরণ স্বেচ্ছায়ই হতে যাচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সূত্র জানায়। ১৯ মার্চ সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ একীভূতকরণের সুপারিশ করার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও উভয় ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

সংযুক্তিকরণ সত্ত্বেও আগামী তিন বছর দুই ব্যাংক আলাদাভাবে তাদের আর্থিক হিসাব দেবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দেশে ব্যাংক একীভূতকরণের বিস্তৃত প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, বর্তমানে বেশ কয়েকটি ব্যাংক সম্ভাব্য সংযুক্তিকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করছে। এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পর জনগণকে জানানো হবে।

এ নিয়ে মোট আটটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যাংক পাঁচটি আর বেসরকারি ব্যাংক তিনটি। গত মার্চ মাসে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চুক্তি করেছে পদ্মা ব্যাংক। এর মধ্য দিয়ে ব্যাংক একীভূত করার ধারা শুরু হয়।

এ ছাড়া রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে (রাকাব) কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে (বিডিবিএল) সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Distribution of food items among fasting people of Islami Bank

রোজাদারদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ইসলামী ব্যাংকের

রোজাদারদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ইসলামী ব্যাংকের রমজান উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীর আমতলী ঈদগাহ মাঠে ইসলামী ব্যাংক পিএলসি বৃহস্পতিবার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে। ছবি: সংগৃহীত
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা সেন্ট্রাল জোন প্রধান মাহমুদুর রহমান।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির (পিএলসির) উদ্যোগে ঢাকায় রোজাদারদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

রাজধানীর মহাখালীর আমতলী ঈদগাহ মাঠে বৃহস্পতিবার এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা-১৭ আসনের এমপি মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা সেন্ট্রাল জোনপ্রধান মাহমুদুর রহমান।

ওই সময় সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গুলশান সার্কেল-১ শাখাপ্রধান এ এস এম নাসির উদ্দিনসহ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
IMF insists on meeting reserve targets to get third tranche loan

তৃতীয় কিস্তির ঋণ পেতে রিজার্ভ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জোর আইএমএফের

তৃতীয় কিস্তির ঋণ পেতে রিজার্ভ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জোর আইএমএফের
পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আইএমএফ নিট রিজার্ভের প্রয়োজনীয়তা সহজ করলেও বাংলাদেশের পক্ষে মার্চের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন। বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি বাংলাদেশের জন্য নিট রিজার্ভের নতুন মান নির্ধারণ করতে পারে বা ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড় বিলম্বিত করতে পারে।’

বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেয়ার শর্ত হিসেবে ২০২৪ সালের মার্চে নির্ধারিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি তাদের অবস্থান তুলে ধরে।

ঋণের তৃতীয় কিস্তির ৪৭০ কোটি ডলার দেয়ার আগে আর্থিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য বাংলাদেশ সফর করছে আইএমএফ প্রতিনিধি দল।

আইএমএফের ঋণের শর্ত অনুযায়ী ২০২৪ সালের মার্চে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ডলার রিজার্ভ রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু প্রকৃত রিজার্ভ ১৬ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে বলেন, ‘শর্ত পূরণে আইএমএফ কিছুটা কঠোর হওয়ায় সংস্থাটির ঋণের তৃতীয় কিস্তি নিয়ে জটিলতা ও অনিশ্চয়তা রয়েছে।’

‘রিজার্ভ ঘাটতির কারণ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বেশ কিছু ধারণা জানিয়েছেন। আইএমএফ শেষ পর্যন্ত এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে ইতিবাচক হবে বলে আমরা আশা করছি।’

ডলার সংকট নিরসনে আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি করে সরকার। ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড়ের আগে আইএমএফের একটি পর্যালোচনা মিশন বাংলাদেশ সফর করছে।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আইএমএফ নিট রিজার্ভের প্রয়োজনীয়তা সহজ করলেও বাংলাদেশের পক্ষে মার্চের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন।

‘বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি বাংলাদেশের জন্য নিট রিজার্ভের নতুন মান নির্ধারণ করতে পারে বা ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড় বিলম্বিত করতে পারে।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশকে ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি
আইএমএফের শিথিল শর্তেও রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি
আইএমএফের ঋণের শর্ত পূরণে ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
সংস্কারে সন্তুষ্ট আইএমএফ, ডিসেম্বরে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
NRBC Bank gave financial assistance to 11 thousand people in its 11th anniversary

১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ১১ হাজার মানুষকে অর্থসহায়তা দিল এনআরবিসি ব্যাংক




১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ১১ হাজার মানুষকে অর্থসহায়তা দিল এনআরবিসি ব্যাংক
মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বিশেষ এই দিনে ইফতার সামগ্রী ক্রয় ও ঈদ উৎসবের আনন্দ বাড়াতে সারা দেশের ১১ হাজার এতিম, দুস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

‘স্বপ্ন বাস্তবায়নে আপনার দুয়ারে’ এই স্লোগানে অনাড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠার ১১বছর পূর্তি উদযাপন করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বিশেষ এই দিনে ইফতার সামগ্রী ক্রয় ও ঈদ উৎসবের আনন্দ বাড়াতে সারা দেশের ১১ হাজার এতিম, দুস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

এ ছাড়া, ২ এপ্রিল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসূচিতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আদনান ইমাম এফসিসিএ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক ওলিউর রহমান, এ এম সাইদুর রহমান, লকিয়ত উল্লাহ, মোহাম্মদ নাজিম, স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এয়ার চিফ মার্শাল (অব.) আবু এসরার, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ড. রাদ মজিব লালন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী গোলাম আউলিয়াসহ ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

২০১৩ সালের ২ এপ্রিল ৫৩ জন প্রবাসী উদ্যোক্তাদের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় এনআরবিসি ব্যাংক। পথচলায় ১১ বছর পার করে ১২ বছরে পদার্পণ করেছে ব্যাংকটি।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল বলেন, আমরা ১১ বছর অতিক্রম করে ১২ বছরে পদার্পন করছি। আমাদের সবসময় চিন্তুা ছিল সর্বোত্তাম ও নিরাপদ ব্যাংকিং সেবা। আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার মাপকাঠিতে আগামীতে আমরা সবার শীর্ষে থাকতে চাই। এছাড়া গ্রামের মানুষ যেন শহরমুখী না হয় তার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। গ্রামেই ঘরে বসে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু বলেন, প্রবাসী হিসেবে আমাদের যে অভিজ্ঞতা, আমরা দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম। ব্যাংক প্রতিষ্ঠার এটাই ছিল উদ্দেশ্য। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা আমাদের দায়িত্বেও মধ্যে পড়ে।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও গোলাম আউলিয়া বলেন, এনআরবিসি ব্যাংক গ্রাম-বাংলার গণমানুষের ব্যাংক।যেখানে বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সম্ভব আমরা সেখানে বিনিয়োগ করছি। ব্যাংকিং সেবাকে মানুষের দৌঁড়গোড়ায় পৌছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আমরা রিয়েলটাইম ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে ফিনটেকের উপর জোর দিয়েছি। সাধারণ মানুষ খুব দ্রুত ক্ষুদ্রঋণ পাচ্ছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা ন্যানো ক্রেডিটের দিকে যাচ্ছি। আমাদের মূল লক্ষ্য প্রতিবছর ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। প্রেস রিলিজ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
After Ruma two banks were robbed at noon in Thanchi

রুমার পর এবার থানচিতে দিনদুপুরে দুই ব্যাংকে ডাকাতি, লুট

রুমার পর এবার থানচিতে দিনদুপুরে দুই ব্যাংকে ডাকাতি, লুট বান্দরবানের রুমায় সোনালী ব্যাংক শাখায় মঙ্গলবার রাতে ডাকাতিকালে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আসবাবপত্র তছনছ করে। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার রাতে রুমা উপজেলা সদরে সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। অপহরণ করা হয় ব্যাংক ম্যানেজারকে। পরদিন বুধবার দুপুরে ডাকাতি ও টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে থানচির সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকে।

বান্দরবানের রুমা উপজেলা সদরে সোনালী ব্যাংকের পর এবার থানচি উপজেলায় দুটি ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে থানচি বাজার ঘেরাও করে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ব্যাংকের টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।

মঙ্গলবার রাতে রুমা উপজেলা সদরে সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। পরদিন বুধবার দুপুরে ডাকাতি ও টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে থানচির সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকে।

থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অং প্রু ম্রো গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বেলা ১টার দিকে থানচি সদরের শাহজাহানপুরের দিক থেকে তিনটি চাঁদের গাড়িতে করে সন্ত্রাসীরা গুলি করতে করতে বাজার এলাকায় প্রবেশ করে। এরপর থানচি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন সোনালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ভেতরে ঢুকে নগদ টাকা যা পেয়েছে লুটে নিয়েছে। এরপর তারা আবার ওই তিনটি গাড়িতে করে শাহজাহানপুরের দিকে চলে।’

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফজাল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, সোনালী ব্যাংকের থানচি শাখায় হামলার খবর পেয়েছি। পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেছে। তারা কাজ করছে।’

এর আগের দিন মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ৭০-৮০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী রুমা উপজেলা পরিষদ এলাকা ঘেরাও করে। তারা সোনালী ব্যাংকে গিয়ে পাহারারত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয় এবং মারধর করতে থাকে। এ সময় তারা ব্যাংকে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। সে সঙ্গে ব্যাংকের ম্যানেজারকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার ব্যাংকের এ শাখার ভল্টে এক কোটি ৫৯ লাখ টাকা ছিল। তবে সেই টাকা লুট হয়েছে কি না তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন জানান, নব্য বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকিচিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এসব ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে রুমা উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময় ৭০/৮০ জন সন্ত্রাসী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রুমা সদরে উপজেলা পরিষদ এলাকায় অবস্থিত সোনালী ব্যাংকে গ্রিল ভেঙে প্রবেশ করে। এরপর তারা ব্যাংক ব্যবস্থাপক নেজাম উদ্দিনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা নিয়ে যায়।

ডাকাতির সময় ব্যাংকের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে দশটি অস্ত্র ও ৩৮০ রাউন্ড গুলি ছিনিয়ে নেয়া হয়। এছাড়া ব্যাংকের অদূরে থাকা আনসার ব্যারাক থেকে চারটি অস্ত্র ও ৩৫টি গুলি ছিনিয়ে নেয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

ডাকাতরা ওই সময় পুলিশ ও আনসার সদস্যদের মারধর করে। ওই সময় ব্যাংকের লাগোয়া অফিসার কোয়ার্টারে অবস্থান করা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও বেশ কয়েকজন কর্মচারী মারধরের শিকার হন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানায়, হামলার সময় সন্ত্রাসীরা উপজেলা মসজিদ ঘেরাও করে মুসল্লিদের মোবাইল ফোন ছিনতাই করে। সশস্ত্র সদস্যদের একটি অংশ উপজেলা পরিষদ এলাকায় ব্যাংক থেকে প্রায় একশ’ গজ দূরে আলমগীরের চা দোকানের সামনে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পাহারা বসায়। তারা তখন রুমা বাজারের দিক থেকে আসা সাধারণ যাত্রী ও মোটরবাইকসহ যাত্রীদের আটকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে এবং লোকজন বেধড়ক মারধর করে।

একইভাবে উপজেলা পরিষদের পশ্চিম দিকে সেগুন বাগানের নিচে ছোট্ট কালভার্টের পাশে রাস্তায় গতিরোধ করে মোটরবাইক ও যাত্রীদের নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিস লুট করে।

ভুক্তভোগীরা জানায়, সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে আধুনিক অস্ত্র ও মুখ কাপড়ে ঢাকা ছিল। তারা বাংলা ভাষা ব্যবহারের পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে বম ভাষায় কথা বলে।

এদিকে এই ঘটনার পর সেনাবাহিনীর সদস্য ও পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে। এলাকায় আতংক বিরাজ করায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

অন্যদিকে একটি সূত্র জানায়, ব্যাংকের টাকা সংরক্ষণ করা লোহার বাক্সের তালা খুলতে পারেনি ডাকাতরা। আর সে কারণে ওরা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. নেজাম উদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন, পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান, সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম বিভাগের জিএম ও মুসা খান।

ডাকাতির এ ঘটনার সঙ্গে পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট জড়িত কী না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘নানা ইঙ্গিতে নামগুলো উঠে আসছে। তবে তদন্তসাপেক্ষে বিষয়টি জানানো হবে।’

ঘটনার পর থেকে ভেঙে পড়েছেন অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজারের স্ত্রী বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইশফাত। ব্যাংক ম্যানেজার নিজাম উদ্দিনের বড় ভাই চট্টগ্রাম কর্ণফুলী থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজান উদ্দিন বলেন, ‘আমি এখন রুমায় আছি। ভাইয়ের এখনও কোনো খবর পাইনি। পরিবার থেকে এখনও আলাদাভাবে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।’

আরও পড়ুন:
রুমায় সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি, টাকা ও অস্ত্র লুট, ম্যানেজারকে অপহরণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Even with Eid ahead the remittance flow is slow

ঈদ সামনে রেখেও রেমিট্যান্স প্রবাহে নিম্নগতি

ঈদ সামনে রেখেও রেমিট্যান্স প্রবাহে নিম্নগতি
সদ্য সমাপ্ত মার্চ মাসে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এর আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে তা ছিল ২১৬ কোটি ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ডলার।

ঈদ উৎসব সামনে রেখে বরাবরই রেমিট্যান্স প্রবাহে বাড়তি গতি থাকে। কারণ এই সময়টাতে প্রবাসীরা দেশে স্বজনদের জন্য বাড়তি অর্থ পাঠানোর চেষ্টা করেন। সদ্য বিদায়ী মার্চ মাসেও তেমনটাই প্রত্যাশা ছিল। তবে এবার যেন তার ঠিক উল্টো চিত্র। বৃদ্ধির পরিবর্তে রেমিট্যান্স প্রবাহ স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও কমে গেছে।

আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে বাংলাদেশে আসা প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দুই মাস পর ২০০ কোটি ডলারের চেয়ে কম হয়েছে। অবশ্য এর নেপথ্যে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় দর বৃদ্ধি অন্যতম কারণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, মার্চে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৯৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। এর আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে তা ছিল ২১৬ কোটি ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ডলার।

ব্যাংকাররা বলছেন, মার্চ মাসের বেশিরভাগ সময় এক ইউএস ডলারের বিনিময় দর ছিল ১১৩ থেকে ১১৪ টাকা। আর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ডলারের দর ছিল ১২০ থেকে ১২২ টাকা পর্যন্ত।

সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সদ্য সমাপ্ত মার্চ মাসে বৈধ বা ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্র‌তি ডলার ১১০ টাকা ধ‌রে) এর পরিমাণ ২১ হাজার ৯৬৫ কোটি টাকা।

এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৬ কোটি ১৭ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৫২ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৬৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮১ লাখ ১০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, মার্চে আসা প্রবাসী আয় তার আগের মাস ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ কোটি ৭৭ লাখ ডলার বা ৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ কম। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসী আয় ছিল ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলার।

এছাড়া মার্চে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স কমেছে ২ কোটি ৫৬ লাখ ডলার বা ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত বছরের মার্চে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২ কোটি ২৪ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন:
ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৬ কোটি ডলার
চলতি মাসে দিনে গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার
ফেব্রুয়ারির ১৬ দিনে এসেছে ১২,৬০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স
জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স আয় ৭ মাসে সর্বোচ্চ, ২.১০ বিলিয়ন ডলার
প্রবাসী আয়ে ইসলামী ব্যাংকের নতুন রেকর্ড

মন্তব্য

p
উপরে