× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Sonali Bank wants to be top in trust services Afzal Karim
google_news print-icon

আস্থা, সেবায় শীর্ষে থাকতে চায় সোনালী ব্যাংক: আফজাল করিম

আস্থা-সেবায়-শীর্ষে-থাকতে-চায়-সোনালী-ব্যাংক-আফজাল-করিম
সোনালী ব্যাংকের এমডি মো. আফজাল করিম। ছবি: নিউজবাংলা
দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সোনালী ব্যাংক ব্যাপকভাবে কাজ করছে জানিয়ে এমডি আফজাল করিম বলেন, জনসাধারণকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধকরণে বিভিন্ন ধরনের আমানত প্রোডাক্ট প্রবর্তন করা হয়েছে। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন ঘটিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে শিল্প প্রকল্প ঋণ, আমদানি-রপ্তানি ঋণ, কৃষিঋণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ঋণ, এসএমই ঋণসহ বিভিন্ন ঋণ স্কিমের মাধ্যমে তাদের সহায়তা প্রদান করে আসছে ব্যাংকটি।

গ্রাহকের আস্থায় দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে শীর্ষে থাকা সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আফজাল করিম বলেছেন, সেবায়ও সবার ওপরে থাকতে চায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি।

দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকের এমডি মনে করেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

এক সাক্ষাৎকারে সোনালী ব্যাংকের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ এ ব্যাংক কর্মকর্তা।

২০২৩ সালে সোনালী ব্যাংক পিএলসি পরিচালন মুনাফা করে ৩ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। এ তথ্য অনেকেরই জানা।

দেশের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় ব্যাংক মুনাফা করবে সেটাকেও অনেকে স্বাভাবিক ভাবতে পারেন, তবে শেষ হওয়া বছরে সোনালী ব্যাংকের উন্নতির গল্পটা ছিল অবাক করার মতো।

পরিচালন মুনাফা যেখানে আগের বছর ছিল ২ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা, বছরের ব্যবধানে তা বেড়েছে ১ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা, শতকরা হিসাবে যা ৫৬ শতাংশেরও বেশি।

শুধু এই একটি অর্জনই নয়, গত বছর শেষে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকটির ঋণ বিতরণ ছাড়ায় এক লাখ কোটি টাকার ঘর, যেখানে প্রবৃদ্ধি ১৯ শতাংশ।

এ বছর প্রথম ব্যাংক হিসেবে সোনালী ব্যাংক নিজের দখলে নিয়েছে দেড় লাখ কোটি টাকার আমানত।

যার নেতৃত্বে একের পর এক এমন অভাবনীয় অর্জন সম্ভব হয়েছে, তিনি ব্যাংকটির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আফজাল করিম। ২০২২ সালের আগস্টে সোনালী ব্যাংকের দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি ছিলেন বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাংকিং কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সোনালী ব্যাংক ব্যাপকভাবে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, জনসাধারণকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধকরণে বিভিন্ন ধরনের আমানত প্রোডাক্ট প্রবর্তন করা হয়েছে। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন ঘটিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে শিল্প প্রকল্প ঋণ, আমদানি-রপ্তানি ঋণ, কৃষিঋণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ঋণ, এসএমই ঋণসহ বিভিন্ন ঋণ স্কিমের মাধ্যমে তাদের সহায়তা প্রদান করে আসছে ব্যাংকটি।

বিচক্ষণ এ ব্যাংকার মনে করেন, সম্ভাবনাময় খাতে ঋণ বিতরণ আর পুরোনো খেলাপি ঋণ উদ্ধার হলেই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে যাওয়া সহজ হবে। এ জন্য তারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সিএসএমই খাতে।

গ্রাহককে সবচেয়ে আধুনিক সেবা দিতে পুরো টিম কাজ করছে জানিয়ে আফজাল করিম বলেন, এরই মধ্যে অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে ঘরে বসেই গ্রাহক প্রায় সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা পাচ্ছেন, যার পরিসর আরও বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ডিজিটালাইজড সেবা দিতে কোনোভাবেই পিছিয়ে নেই। সার্ভিস যদি অটোমেটেড হয়, সার্ভিস যদি ডিজিটালাইজড হয়, সেখানে গ্রাহক হয়রানি ও ভোগান্তি থাকে না। গ্রাহক যদি লম্বা লাইনে না দাঁড়িয়ে ঘরে বসেই সেবা পায়, তাহলে সে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে।’

ই-সেবা

সোনালী ই-ওয়ালেট, ই-সেবার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকদেরও আধুনিক সেবা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে সোনালী ব্যাংকের এমডি বলেন, ই-ওয়ালেট এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি ডাউনলোড হয়েছে।

তার ভাষ্য, গ্রাহকের আস্থার দিক থেকে যেহেতু সোনালী ব্যাংক সবার চেয়ে এগিয়ে, তাই আধুনিক ব্যাংকিং সেবা দিয়ে তাদের আস্থার মূল্য দিতে চায় ব্যাংকটি।

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু বেসরকারি ব্যাংকেই আধুনিক সেবা পাওয়া যায়, সাধারণ মানুষের এই ধারণা বদলে দিতে কাজ করছেন।

শিক্ষাগত জীবনে প্রকৌশলী হিসেবে ব্যাকিং সেক্টরে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিগত চিন্তা এবং এর সর্বোচ্চ প্রয়োগ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বেসরকারি ব্যাংক স্মার্ট সেবাতে এগিয়ে রয়েছে, আমরা পিছিয়ে রয়েছি, এটা বলার সুযোগ নেই।’

আফজাল করিম বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের মতো বৃহৎ ব্যাংকও আমাদের সোনালী ই-সেবা পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস নিয়েছে। বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এখন আমাদের ই-সেবা নিচ্ছে।

‘শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই তাদের টিউশন ফি দিতে পারছে। বেসরকারি খাতের বেশ কয়েকটি ব্যাংক আমাদের সঙ্গে চুক্তি করে আমাদের সার্ভিস নিচ্ছে।’

ঋণ বিতরণ নিয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি যখন আসি, তখন মোট ঋণ ছিল ৬৯ হাজার কোটি টাকা। সেখানে সিএসএমই খাত ছিল মাত্র ৭ শতাংশ। সেটা বর্তমানে হয়েছে ১৫ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে আমরাও মনে করি, এসএমই ঋণ দিলে পুরো অর্থনীতি পরিবর্তন হবে। এ খাতে রিকভারিও যথেষ্ট ভালো। খেলাপির প্রবণতা খুব কম।’

মূলধন ঘাটতি শূন্যে নামানোর আশা

ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি শূন্যে নামানোর আশাবাদ ব্যক্ত করে মেধাবী এ ব্যাংকার বলেন, ‘বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা, যা কয়েক বছরের মধ্যে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া ব্যাংকটির নেট ইন্টারেস্ট আয় গত বছর হয়েছে ৮২৬ কোটি টাকা, যেখানে প্রায় ৩০০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, তবে অর্জনে সন্তুষ্ট না হয়ে পুরোনো খেলাপি কমিয়ে আনা ও নতুন খেলাপি রোধ করতেই সবচেয়ে বেশি নজর দেয়া হচ্ছে।’

সোনালী ব্যাংক দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বিনা খরচে, দ্রুততম সময়ে ও নিরাপদভাবে রেমিট্যান্স পাঠাতে ‘সোনালী এক্সচেঞ্জ মোবাইল অ্যাপ’ চালু করেছে ব্যাংকটি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডলার-সংকট বিশ্বের অনেক দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করছে, বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তবে দেশে যেভাবে রেমিট্যান্স আসছে, তা অব্যাহত থাকলে এ সংকট দ্রুত কেটে যাবে।

রেমিট্যান্স টানতে কোনো কোনো ব্যাংক ডলারের বাড়তি দাম দিচ্ছে, যা মোটেও কাম্য নয় বলে মনে করেন তিনি।

মূল্যস্ফীতি কমাতে ব্যাংকগুলোর ভূমিকা জোরদারের কথাও বলেন মো. আফজাল করিম। তার মতে, ডলারের দর বাড়লে তাতে আমদানি খরচ বাড়বে, যার প্রভাবে বাড়বে মূল্যস্ফীতি। এ জন্য ডলারের দরে ব্যালেন্স রাখতে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
তিতাসের অসাধু সিন্ডিকেটের রোষানলে এমডি!
অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের সভা
অনলাইনে ফি-চার্জ পরিশোধে সোনালী ব্যাংক-তেজগাঁও কলেজ চুক্তি
শোক দিবসে সোনালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সোনালী ব্যাংক ও পেনশন কর্তৃপক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
In the current financial year the majority of remittances have come to Dhaka district
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্লেষণ

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সের সিংহভাগ এসেছে ঢাকা জেলায়

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সের সিংহভাগ এসেছে ঢাকা জেলায়
জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ মাসে প্রবাসীরা ১ হাজার ৫০৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় ৫২৩ কোটি ও চট্টগ্রাম জেলায় ১৪২ কোটি ডলার এসেছে। এই সময়ে সিলেট জেলা ৮৭০ মিলিয়ন, কুমিল্লা ৮১০ মিলিয়ন ও নোয়াখালী ৪৬০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।

প্রবাসীদের আয়ের একটি বড় অংশ‌ই আসে ঢাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখাগুলোতে। অর্থাৎ প্রবাসীদের পরিবারের বেশিরভাগই ঢাকায় থাকেন বা তাদের অধিকাংশ অ্যাকাউন্ট ঢাকার ব্যাংক শাখায়।

ইউএনবি জানায়, রেমিট্যান্সের জেলাভিত্তিক চিত্র নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম। সিলেট তৃতীয় এবং কুমিল্লা চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।

এরপরে রয়েছে উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, মৌলভীবাজার, চাঁদপুর ও নরসিংদীর অবস্থান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জেলাভিত্তিক প্রবাসী আয় প্রতিবেদনে গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ মাসে প্রবাসীরা ১ হাজার ৫০৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে এসেছে ২১৬ কোটি ডলার। তার আগের মাস জানুয়ারিতে দেশে প্রবাসী আয় ছিল ২১০ কোটি ডলার।

জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে ঢাকা জেলায় এসেছে ৫২৩ কোটি ডলার এবং চট্টগ্রাম জেলায় এসেছে ১৪২ কোটি ডলার।

এই সময়ে সিলেট জেলা ৮৭০ মিলিয়ন ডলার, কুমিল্লা ৮১০ মিলিয়ন ডলার এবং নোয়াখালী ৪৬০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ কোটি, ফেনীতে ৩৭ কোটি, মৌলভীবাজারে ৩৬ কোটি, চাঁদপুরে ৩৫ কোটি ডলার এবং নরসিংদীতে ২৫০ মিলিয়ন ডলার এসেছে।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, প্রবাসী অধ্যুষিত জেলাগুলো থেকে বেশি প্রবাসী আয় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু এমনটা হচ্ছে না। কারণ অনেক প্রবাসী বিদেশে স্থায়ী হয়েছেন। বরং তারা (প্রবাসীরা) দেশে থাকা সম্পদ বিক্রি করে বিদেশে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে অর্থ পাচার বাড়ছে।

আরও পড়ুন:
ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
ঈদ সামনে রেখেও রেমিট্যান্স প্রবাহে নিম্নগতি
ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৬ কোটি ডলার
চলতি মাসে দিনে গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার
ফেব্রুয়ারির ১৬ দিনে এসেছে ১২,৬০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
In the week before Eid remittances of 45 million dollars came

ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় দর বাড়ার ঘটনায় মার্চে রেমিট্যান্স দুশ’ কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে। এপ্রিলের প্রথম পাঁচ দিনে রেমিট্যান্সে এই বাড়তি গতির মূল কারণ প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন।

ঈদের আগের সপ্তাহে (১ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত) প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। রেমিট্যান্সে এই বাড়তি গতির মূল কারণ প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন।

ব্যাংকাররা বলছেন, গত মার্চ মাসে প্রতি সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। সে হিসাবে, এপ্রিলের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স ভালোই এসেছে। মূলত, প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠানোর কারণেই বেড়েছে রেমিট্যান্স।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, টানা দু’মাস রেমিট্যান্স আয়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার পর ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় দর বাড়ার ঘটনায় মার্চে রেমিট্যান্স দুশ’ কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে।

মার্চে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৯৯ কোটি ডলার দেশে পাঠান। ফেব্রুয়ারিতে তা ছিল ২১৬ কোটি ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আগের বছরের একই মাসের ২০২ কোটি ডলারের তুলনায় গত মার্চে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ রেমিট্যান্স কম এসেছে।

ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চ মাসের বেশিরভাগ দিনে ডলারের বিনিময় দর কমে দাঁড়ায় ১১২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১১৩ টাকায়। সে তুলনায় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ডলারের দর ছিল ১২০ থেকে ১২২ টাকা পর্যন্ত।

তারা বলছেন, ডলারের দাম কমার এই ঘটনা প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করে। আর তার প্রভাব পড়ে রেমিট্যান্সের সার্বিক চিত্রে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী আয়ে ইসলামী ব্যাংকের নতুন রেকর্ড
রেমিট্যান্সে গতি, ডিসেম্বরে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে
বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে: বিশ্বব্যাংক
নভেম্বরে এলো ২১ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স
বিদেশি মুদ্রায় দেশের ব্যাংকে আমানত রাখার সুযোগ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Basic Bank is merging with City Bank

সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক

সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বেসিক ব্যাংক
সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৯ মার্চ একীভূতকরণের সুপারিশ করার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সংযুক্তিকরণ সত্ত্বেও আগামী তিন বছর দুই ব্যাংক আলাদাভাবে তাদের আর্থিক হিসাব দেবে।

দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চলেছে বেসিক ব্যাংক। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এবং সিটি ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৈঠকে সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিনের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে এই কৌশলগত একীভূতকরণের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়। সূত্র: ইউএনবি

বেসিক ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের মধ্যে একীভূতকরণ স্বেচ্ছায়ই হতে যাচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সূত্র জানায়। ১৯ মার্চ সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ একীভূতকরণের সুপারিশ করার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও উভয় ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

সংযুক্তিকরণ সত্ত্বেও আগামী তিন বছর দুই ব্যাংক আলাদাভাবে তাদের আর্থিক হিসাব দেবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দেশে ব্যাংক একীভূতকরণের বিস্তৃত প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, বর্তমানে বেশ কয়েকটি ব্যাংক সম্ভাব্য সংযুক্তিকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করছে। এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পর জনগণকে জানানো হবে।

এ নিয়ে মোট আটটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যাংক পাঁচটি আর বেসরকারি ব্যাংক তিনটি। গত মার্চ মাসে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চুক্তি করেছে পদ্মা ব্যাংক। এর মধ্য দিয়ে ব্যাংক একীভূত করার ধারা শুরু হয়।

এ ছাড়া রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে (রাকাব) কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে (বিডিবিএল) সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Distribution of food items among fasting people of Islami Bank

রোজাদারদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ইসলামী ব্যাংকের

রোজাদারদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ইসলামী ব্যাংকের রমজান উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীর আমতলী ঈদগাহ মাঠে ইসলামী ব্যাংক পিএলসি বৃহস্পতিবার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে। ছবি: সংগৃহীত
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা সেন্ট্রাল জোন প্রধান মাহমুদুর রহমান।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির (পিএলসির) উদ্যোগে ঢাকায় রোজাদারদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

রাজধানীর মহাখালীর আমতলী ঈদগাহ মাঠে বৃহস্পতিবার এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা-১৭ আসনের এমপি মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা সেন্ট্রাল জোনপ্রধান মাহমুদুর রহমান।

ওই সময় সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গুলশান সার্কেল-১ শাখাপ্রধান এ এস এম নাসির উদ্দিনসহ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
IMF insists on meeting reserve targets to get third tranche loan

তৃতীয় কিস্তির ঋণ পেতে রিজার্ভ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জোর আইএমএফের

তৃতীয় কিস্তির ঋণ পেতে রিজার্ভ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জোর আইএমএফের
পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আইএমএফ নিট রিজার্ভের প্রয়োজনীয়তা সহজ করলেও বাংলাদেশের পক্ষে মার্চের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন। বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি বাংলাদেশের জন্য নিট রিজার্ভের নতুন মান নির্ধারণ করতে পারে বা ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড় বিলম্বিত করতে পারে।’

বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেয়ার শর্ত হিসেবে ২০২৪ সালের মার্চে নির্ধারিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি তাদের অবস্থান তুলে ধরে।

ঋণের তৃতীয় কিস্তির ৪৭০ কোটি ডলার দেয়ার আগে আর্থিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য বাংলাদেশ সফর করছে আইএমএফ প্রতিনিধি দল।

আইএমএফের ঋণের শর্ত অনুযায়ী ২০২৪ সালের মার্চে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ডলার রিজার্ভ রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু প্রকৃত রিজার্ভ ১৬ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে বলেন, ‘শর্ত পূরণে আইএমএফ কিছুটা কঠোর হওয়ায় সংস্থাটির ঋণের তৃতীয় কিস্তি নিয়ে জটিলতা ও অনিশ্চয়তা রয়েছে।’

‘রিজার্ভ ঘাটতির কারণ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বেশ কিছু ধারণা জানিয়েছেন। আইএমএফ শেষ পর্যন্ত এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে ইতিবাচক হবে বলে আমরা আশা করছি।’

ডলার সংকট নিরসনে আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি করে সরকার। ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড়ের আগে আইএমএফের একটি পর্যালোচনা মিশন বাংলাদেশ সফর করছে।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আইএমএফ নিট রিজার্ভের প্রয়োজনীয়তা সহজ করলেও বাংলাদেশের পক্ষে মার্চের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন।

‘বৈশ্বিক ঋণদাতা সংস্থাটি বাংলাদেশের জন্য নিট রিজার্ভের নতুন মান নির্ধারণ করতে পারে বা ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড় বিলম্বিত করতে পারে।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশকে ৭১ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি
আইএমএফের শিথিল শর্তেও রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি
আইএমএফের ঋণের শর্ত পূরণে ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
সংস্কারে সন্তুষ্ট আইএমএফ, ডিসেম্বরে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
NRBC Bank gave financial assistance to 11 thousand people in its 11th anniversary

১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ১১ হাজার মানুষকে অর্থসহায়তা দিল এনআরবিসি ব্যাংক




১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ১১ হাজার মানুষকে অর্থসহায়তা দিল এনআরবিসি ব্যাংক
মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বিশেষ এই দিনে ইফতার সামগ্রী ক্রয় ও ঈদ উৎসবের আনন্দ বাড়াতে সারা দেশের ১১ হাজার এতিম, দুস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

‘স্বপ্ন বাস্তবায়নে আপনার দুয়ারে’ এই স্লোগানে অনাড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠার ১১বছর পূর্তি উদযাপন করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বিশেষ এই দিনে ইফতার সামগ্রী ক্রয় ও ঈদ উৎসবের আনন্দ বাড়াতে সারা দেশের ১১ হাজার এতিম, দুস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

এ ছাড়া, ২ এপ্রিল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসূচিতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আদনান ইমাম এফসিসিএ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক ওলিউর রহমান, এ এম সাইদুর রহমান, লকিয়ত উল্লাহ, মোহাম্মদ নাজিম, স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এয়ার চিফ মার্শাল (অব.) আবু এসরার, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ড. রাদ মজিব লালন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী গোলাম আউলিয়াসহ ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

২০১৩ সালের ২ এপ্রিল ৫৩ জন প্রবাসী উদ্যোক্তাদের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় এনআরবিসি ব্যাংক। পথচলায় ১১ বছর পার করে ১২ বছরে পদার্পণ করেছে ব্যাংকটি।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল বলেন, আমরা ১১ বছর অতিক্রম করে ১২ বছরে পদার্পন করছি। আমাদের সবসময় চিন্তুা ছিল সর্বোত্তাম ও নিরাপদ ব্যাংকিং সেবা। আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার মাপকাঠিতে আগামীতে আমরা সবার শীর্ষে থাকতে চাই। এছাড়া গ্রামের মানুষ যেন শহরমুখী না হয় তার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। গ্রামেই ঘরে বসে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু বলেন, প্রবাসী হিসেবে আমাদের যে অভিজ্ঞতা, আমরা দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম। ব্যাংক প্রতিষ্ঠার এটাই ছিল উদ্দেশ্য। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা আমাদের দায়িত্বেও মধ্যে পড়ে।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও গোলাম আউলিয়া বলেন, এনআরবিসি ব্যাংক গ্রাম-বাংলার গণমানুষের ব্যাংক।যেখানে বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সম্ভব আমরা সেখানে বিনিয়োগ করছি। ব্যাংকিং সেবাকে মানুষের দৌঁড়গোড়ায় পৌছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আমরা রিয়েলটাইম ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে ফিনটেকের উপর জোর দিয়েছি। সাধারণ মানুষ খুব দ্রুত ক্ষুদ্রঋণ পাচ্ছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা ন্যানো ক্রেডিটের দিকে যাচ্ছি। আমাদের মূল লক্ষ্য প্রতিবছর ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। প্রেস রিলিজ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
After Ruma two banks were robbed at noon in Thanchi

রুমার পর এবার থানচিতে দিনদুপুরে দুই ব্যাংকে ডাকাতি, লুট

রুমার পর এবার থানচিতে দিনদুপুরে দুই ব্যাংকে ডাকাতি, লুট বান্দরবানের রুমায় সোনালী ব্যাংক শাখায় মঙ্গলবার রাতে ডাকাতিকালে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আসবাবপত্র তছনছ করে। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার রাতে রুমা উপজেলা সদরে সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। অপহরণ করা হয় ব্যাংক ম্যানেজারকে। পরদিন বুধবার দুপুরে ডাকাতি ও টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে থানচির সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকে।

বান্দরবানের রুমা উপজেলা সদরে সোনালী ব্যাংকের পর এবার থানচি উপজেলায় দুটি ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে থানচি বাজার ঘেরাও করে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ব্যাংকের টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।

মঙ্গলবার রাতে রুমা উপজেলা সদরে সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। পরদিন বুধবার দুপুরে ডাকাতি ও টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে থানচির সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকে।

থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অং প্রু ম্রো গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বেলা ১টার দিকে থানচি সদরের শাহজাহানপুরের দিক থেকে তিনটি চাঁদের গাড়িতে করে সন্ত্রাসীরা গুলি করতে করতে বাজার এলাকায় প্রবেশ করে। এরপর থানচি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন সোনালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ভেতরে ঢুকে নগদ টাকা যা পেয়েছে লুটে নিয়েছে। এরপর তারা আবার ওই তিনটি গাড়িতে করে শাহজাহানপুরের দিকে চলে।’

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফজাল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, সোনালী ব্যাংকের থানচি শাখায় হামলার খবর পেয়েছি। পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেছে। তারা কাজ করছে।’

এর আগের দিন মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ৭০-৮০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী রুমা উপজেলা পরিষদ এলাকা ঘেরাও করে। তারা সোনালী ব্যাংকে গিয়ে পাহারারত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয় এবং মারধর করতে থাকে। এ সময় তারা ব্যাংকে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। সে সঙ্গে ব্যাংকের ম্যানেজারকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার ব্যাংকের এ শাখার ভল্টে এক কোটি ৫৯ লাখ টাকা ছিল। তবে সেই টাকা লুট হয়েছে কি না তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন জানান, নব্য বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকিচিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এসব ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে রুমা উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময় ৭০/৮০ জন সন্ত্রাসী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রুমা সদরে উপজেলা পরিষদ এলাকায় অবস্থিত সোনালী ব্যাংকে গ্রিল ভেঙে প্রবেশ করে। এরপর তারা ব্যাংক ব্যবস্থাপক নেজাম উদ্দিনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা নিয়ে যায়।

ডাকাতির সময় ব্যাংকের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে দশটি অস্ত্র ও ৩৮০ রাউন্ড গুলি ছিনিয়ে নেয়া হয়। এছাড়া ব্যাংকের অদূরে থাকা আনসার ব্যারাক থেকে চারটি অস্ত্র ও ৩৫টি গুলি ছিনিয়ে নেয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

ডাকাতরা ওই সময় পুলিশ ও আনসার সদস্যদের মারধর করে। ওই সময় ব্যাংকের লাগোয়া অফিসার কোয়ার্টারে অবস্থান করা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও বেশ কয়েকজন কর্মচারী মারধরের শিকার হন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানায়, হামলার সময় সন্ত্রাসীরা উপজেলা মসজিদ ঘেরাও করে মুসল্লিদের মোবাইল ফোন ছিনতাই করে। সশস্ত্র সদস্যদের একটি অংশ উপজেলা পরিষদ এলাকায় ব্যাংক থেকে প্রায় একশ’ গজ দূরে আলমগীরের চা দোকানের সামনে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পাহারা বসায়। তারা তখন রুমা বাজারের দিক থেকে আসা সাধারণ যাত্রী ও মোটরবাইকসহ যাত্রীদের আটকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে এবং লোকজন বেধড়ক মারধর করে।

একইভাবে উপজেলা পরিষদের পশ্চিম দিকে সেগুন বাগানের নিচে ছোট্ট কালভার্টের পাশে রাস্তায় গতিরোধ করে মোটরবাইক ও যাত্রীদের নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিস লুট করে।

ভুক্তভোগীরা জানায়, সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে আধুনিক অস্ত্র ও মুখ কাপড়ে ঢাকা ছিল। তারা বাংলা ভাষা ব্যবহারের পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে বম ভাষায় কথা বলে।

এদিকে এই ঘটনার পর সেনাবাহিনীর সদস্য ও পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে। এলাকায় আতংক বিরাজ করায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

অন্যদিকে একটি সূত্র জানায়, ব্যাংকের টাকা সংরক্ষণ করা লোহার বাক্সের তালা খুলতে পারেনি ডাকাতরা। আর সে কারণে ওরা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. নেজাম উদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন, পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান, সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম বিভাগের জিএম ও মুসা খান।

ডাকাতির এ ঘটনার সঙ্গে পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট জড়িত কী না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘নানা ইঙ্গিতে নামগুলো উঠে আসছে। তবে তদন্তসাপেক্ষে বিষয়টি জানানো হবে।’

ঘটনার পর থেকে ভেঙে পড়েছেন অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজারের স্ত্রী বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইশফাত। ব্যাংক ম্যানেজার নিজাম উদ্দিনের বড় ভাই চট্টগ্রাম কর্ণফুলী থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজান উদ্দিন বলেন, ‘আমি এখন রুমায় আছি। ভাইয়ের এখনও কোনো খবর পাইনি। পরিবার থেকে এখনও আলাদাভাবে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।’

আরও পড়ুন:
রুমায় সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি, টাকা ও অস্ত্র লুট, ম্যানেজারকে অপহরণ

মন্তব্য

p
উপরে